এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • শিশু টক(৩)

    raatri
    অন্যান্য | ২৬ ডিসেম্বর ২০০৯ | ৫৪৪৮১ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ০৭ মার্চ ২০১৩ ২৩:৫৩440688
  • :))
  • siki | ০৮ মার্চ ২০১৩ ০০:১০440689
  • টোটাল একঘর :-)
  • de | ০৮ মার্চ ২০১৩ ২০:৩৬440690
  • ঃ)))))) এটা মিস করে গেছিলাম--
  • Paramita | ০৮ মার্চ ২০১৩ ২১:০১440691
  • হাসির শব্দে আমার যন্ত্রসখীটি চমকে উঠলো।
  • PM | ০৮ মার্চ ২০১৩ ২১:২৫440692
  • দারুন
  • PM | ০৮ মার্চ ২০১৩ ২১:৩১440693
  • আমার এক ব্যাঙ্গালোর নিবাসী বন্ধুর ছেলের (সারে ছ বছর) সাথে আমার ফোনালাপ-

    হুতো ঃ কাকু, মায়ের বিয়ের অ্যালবামে তোমার ছোবি দেখলাম

    আমি ঃ কি দেখলি?

    হুতো ঃ তুমি খুব রোগা ছিলে। আমার থেকেও

    আমি ঃ তোর ছবি আছে ঐ অ্যালবামে?

    হুতোঃ না, আমি তো ছিলাম না।

    আমি ঃ তুই কোথায় ছিলি?

    হুতো ঃ আমি তো মায়ের পেটে ছিলাম। মা প্রেগ্নেন্ট ছিলো তো।

    এর পরে ব্যক্গ্রাউন্ডে মা বাবার যৌথ "রে রে" করে তেড়ে আসার শব্দ
  • Ishan | ২৮ মার্চ ২০১৩ ০১:৪০440694
  • তিনি বাড়িতে আছেন। স্প্রিং ব্রেক। আপিসে বসে হঠাৎই তাঁর একখানা মেল পেলাম। তার সাবজেক্ট "ম্যাও"। সেটি তাঁর খুবই আহ্লাদের ডাক।
    কিন্তু সে দেখে ভুললে চলবেনা। মেলের বিষয়বস্তু অতো সহজ নয়। মেলে একটি ওয়ার্ড ডক অ্যাটাচ করা। যার নাম "Why we have dreams"। সেটি খুলে জানা গেল, সেটি সায়েন্স ও ম্যাথ বিষয়ক উইকলি নিউজলেটার। এবং আজকের বিষয় "আমরা স্বপ্ন কেন দেখি"।
    তা, বক্তব্য পড়তে গিয়ে আমি তো হতবাক। বক্তব্য যাই হোক, একটু আধটু ফ্রয়েড লাকা পড়া বাপকে কেউ এই ভাষায় জ্ঞান দিতে পারে, না দেখলে পেত্যয় হতনা।

    ডকটাকে পিডিএফ বানিয়ে আর তাঁর মেল আইডিটি উড়িয়ে হুবহু তুলে দিলামঃ

    https://sites.google.com/site/bsaikat/Why%20we%20have%20dreams.pdf?attredirects=0&d=1
  • | ২৮ মার্চ ২০১৩ ০২:১১440695
  • 'ম্যাও' হচ্ছে মায়ের আহ্লাদের নাম। রোজ ম্যাও ও প্যাও( লেখক) - কে কি স্বপ্ন দেখলো - এইটা একে অন্যকে জানাতে ভোলে না।
    আর সেই স্বপ্ন দেখা থেকে স্বপ্ন নিয়ে পড়েটড়ে আজ এই মেইলের গুঁতো।
    ড্যাও( বাবা)ও এই মেইল টি পেয়ে খুব আহ্লাদিত হয়েছেন বোঝা যাচ্ছেঃ))
  • aranya | ২৮ মার্চ ২০১৩ ০২:৩২440696
  • উজান ফাটিয়ে দিয়েছে, বড় আনন্দ পেলাম পড়ে। আমার খুব ভাল লেগেছে, 'Today I will answer all of your questions' দিয়ে আলোচনা শুরু করা, অ্যামেজিং কনফিডেন্স :-)।
    '..to make one puzzle that is puzzling. - এই জায়গাটা সুন্দর, পুরো লেখাটাই দারুণ :-)।
  • Ishan | ২৮ মার্চ ২০১৩ ০২:৩৮440698
  • ম্যাওএরও একটা গপ্পো আছে। তিনি প্রায়শঃই বাঁদর হতেন, কুকুর হতেন এবং বেড়াল হতেন। বেড়াল হয়ে তিনি একটি নতুন কথ্যভাষা আয়ত্ত্ব করেন। যে ভাষার শব্দভান্ডারে শুধু একটিই শব্দ। ম্যাও। আহ্লাদে সুর অতি মোলায়েম করে বলতে হয় মিঁয়াআও। মেজাজ মোটামুটি থাকলে সোজাসাপ্টা একমাত্রার ম্যাও। আর মেজাজ খুবই খারাপ থাকলে তীব্র স্বরে ম্যাহাও। এই হল মোটামুটি ভাষার স্ট্রাকচার। এর মাঝখানে ম্যাও উচ্চারণের নানাপ্রকার ভ্যারিয়েশন আছে।
    একবার নিজে চেষ্টা করে দেখবেন। এই ভাষার মহত্ব টের পাবেন।
  • san | ২৮ মার্চ ২০১৩ ১৪:১৬440699
  • বাঘের ঘরে ঘোগের বাসা ঃ-)
  • Ekak | ২৮ মার্চ ২০১৩ ১৪:৫২440700
  • দারুন লাগলো উজানের লেখা। আর এই ম্যাও ভাষার মহত্ত্ব আমি এট্টু এট্টু জানি। এর মত শক্তিশালী ভাষা খুব কম আছে :)
  • Ishan | ২৮ মার্চ ২০১৩ ২৩:৪০440701
  • আজকের নিউজ লেটার এইমাত্র পেলাম। আবার আপলোড করা পোষাচ্ছেনা। পেস্ট করলামঃ

    Why do we wear clothes?
    --------------------------------

    Hello, this is the second math and science newsletter. Have you ever wondered why we wear clothes? If you haven’t already, ask yourself ‘Why do humans wear clothes’? Today, I will try to answer all of your questions about this topic. Why do we wear clothes? Here it goes. The answer is I don’t know. Okay, I know what you’re thinking ‘Why would I ask a question in this newsletter if I don’t even have an answer’. I know two answers to this question. Why do you ask questions? You ask questions to find answers. The other answer is that I can’t go into your brain, but you can figure what is going on inside your brain. So I sort of know why we wear clothes but I can’t prove it. It might be because you are embarrassed to be naked around other people. Well if that is the actual reason, then the newsletter should stop here, but it’s not necessarily the answer. Let’s not cut corners and take this conversation back a little. Also, don’t forget to put the car in reverse. The human brain has the same general structure as the brains of other mammals, but is larger than any other in relation to body size. Large animals such as whales and elephants have larger brains in absolute terms, but when measured using the encephalization quotient which compensates for body size, the human brain is almost twice as large as the brain of the bottlenose dolphin, and three times as large as the brain of a chimpanzee. We have enough brains to build skyscrapers over one thousand, eight hundred feet. Now, maybe that’s why we made clothes: to survive the conditions of Earth. My G-mail account is u**@gmail.com . Press ‘Control’ and click on anything blue to get to it. If you have questions, just do the same thing and click on my G-mail account. See you later, but bye for now.
  • a x | ২৮ মার্চ ২০১৩ ২৩:৫১440703
  • কবেই বলেছিলাম এ ছেলে বড় হলে ডাকাত হবে। কেউ আটকাতে পারবেনা!
  • Blank | ২৯ মার্চ ২০১৩ ০০:২৫440704
  • উফ্হ্হ্হ, এ আবার মঙ্গল গ্রহের ভলক্যানোর নাম ও জানতো আরো ছোটোবেলায় !!!
  • pipi | ২৯ মার্চ ২০১৩ ০৫:৩০440705
  • মামু, এ ছেলের ল'ইয়ার হওয়া কেউ আটকাতে পারবে না দেখ। অথবা সায়েন্টিস। কিন্তু প্লীজ সায়েন্টিস হতে দিও না। সারা জীবণ অভাবে কাটবেঃ)
    কি লজিক আর রিজনিঙ্গের তোড় বাপরে! ল'ইয়ার! ল'ইয়ারঃ)
  • অথ ব্যাং-ব্যাঙাচি কথা | ০৭ এপ্রিল ২০১৩ ১৯:১১440707
  • name: ব্যাং mail: country:

    IP Address : 132.172.242.182 (*) Date:06 Apr 2013 -- 12:36 AM

    আজ একটু আগে যা যা কথা হল, লিখে দিয়ে যাই।

    নীপাঃ জানিস, তোর মা বলেছে তুই কলেজে যখন যাবি, তখন তোকে ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে পেটাবে?
    ব্যাঙাচিঃ কেন? কলেজে পড়লে মারবে কেন? কাকে বলেছে এটা? তোমাকে?
    নীপাঃ গুরুচন্ডালির সবাইকে। সবাই তোর মাকে এটা বলার জন্য খুব বকেও দিয়েছে।
    ব্যাঙাচিঃ মা, মা, আমি কলেজে পড়লে আমাকে ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে মারবে লিখেছ ?
    ব্যাং : হ্যাঁ। হাত দিয়ে মারব না। মুগুর দিয়ে মারব বলেছি।
    ব্যাঙাচিঃ তুমি যে সব সময় বল, আমি কোনো কলেজে চান্স পাব না। আর এখন নিজের বন্ধুদের বলেছ, আমি কলেজে পড়লে আমাকে মারবে!!
    ব্যাংঃ কলেজে পড়লে মারব বলি নি। বলেছি কলেজে পড়ার সময়ে পড়াশুনা ছাড়া অন্য কিছু করলে মারব ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে।।
    ব্যাঙাচি ঃ শুধু পড়াশুনা করা তো সম্ভব নয়। কলেজে যদি যাই, তুমি যা যা মজা করেছ, সেই সব মজা তো করবই। আরো অনেক বেশি মজা করব।
    ব্যাংঃ আমি যা যা মজা করতে অ্যালাও করব শুধু সেগুলো করতে পার। নয়তো ল্যাম্পপোস্ট। হাসছিস কেন রে?
    ব্যাঙাচিঃ আমি এখনই তোমার কানে পৌঁছে গেছি। আমি যখন কলেজে পড়ব, তখন আমার হাইটটা কী হবে ভেবে দেখো!! তুমি তো আর লম্বা হবে না। তুমি কী করে আমাকে ল্যাম্পপোস্টে বাঁধবে? হি হি হি। আমার গায়ের জোরও তোমার থেকে বেশি। সামনের বছরগুলোয় জোর আরো বাড়বে। বেড়েই যাবে। তুমি কী করে পারবে আমাকে বাঁধতে! তুমি এগুলো না ভেবে ওখানে লিখে দিলে, আর তোমার বন্ধুরা নিশ্চয়ই বুঝে গেল, তুমি কত বোকা। হি হি হি।
  • | ১৫ এপ্রিল ২০১৩ ২২:৪২440709
  • এদিকে আমার ছেলে কে কাল বল্লাম তোমার ডানা গজাতে এখনো কত বাকি-এদিকে হাড়ে দুব্বো গজিয়ে যাচ্ছে।
    ছেলে খুবই অংকমনস্ক। বল্লো এখনো চার বছর। আমি তো হাঁ। বল্লো প্রথমে চার, সেটা হলে তারপরে চার। আট হয়ে গেলো। তারপরে শুধু এক।
    ভাগ ভাগ করে দিলাম। একবারে নয়বছর টা অনে এক বড়ো লাগছে।তুমি শেষদিকে ভাববে কি কম!!

    (উনি এখন ক্লাশ থ্রি)
  • siki | ১৫ এপ্রিল ২০১৩ ২২:৫২440710
  • একলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে আমার মেয়েকে তার ক্লাসের একটি বেঙ্গলি ছেলে একটি পিঙ্ক কালারের প্লাস্টিকের গোলাপফুল প্রেজেন্ট করেছেন।

    এই নিয়ে চাটা হলে মেয়ে খুব ক্ষুণ্ণ মনে জানালো, তার এই পিঙ্ক কালারটা পছন্দ নয়, তার পার্পল কালারের গোলাপ পছন্দ।
  • aka | ১৫ এপ্রিল ২০১৩ ২৩:০১440711
  • সাম্পান স্প্রিং ব্রেকে একটা ডে কেয়ারে ছিল (আমাদের দুজনেরই আপিস)। আমি একদিন নামাতে গিয়ে দেখি একটি মেয়ে দৌড়ে এসে সাম্পানকে জড়িয়ে ধরল। সেদিন রাতে ঘুমোতে ঘুমোতে শুনলাম মার কাছে গল্প হচ্ছে। মেয়েটির নাম ইভ, ইভ নাকি সাম্পানকে বলেছে - 'আই লাভ ইউ লাইক মাই হাজব্যান্ড, ইউ আর সো হ্যাণ্ডসাম।' শোনা গেছে ইভ নাকি সাম্পানকে কিসও করতে গিয়েছিল - অলমোস্ট। সাম্পান অ্যালাও করে নি, কারণ 'দ্যাট ইজ সো গ্রোস'। কদ্দিন আর গ্রোস থাকবে কেজানে।
  • pi | ১৫ এপ্রিল ২০১৩ ২৩:০৪440712
  • নামটাও বেছে বেছে ইভ ঃ)
  • raatri | ১৬ এপ্রিল ২০১৩ ১৮:৪২440713
  • ছেলেকে নিয়ে কি কুক্ষণে 'গয়নার বাক্সো' দেখতে গিয়েছিলাম।কে যে বলেছিল এটা ছোটোদের ছবি??প্রশ্নে প্রশ্নে আমার পুরো ভেজা ফ্রাই করে ছেড়ে দিয়েছে।আর যত বড়োদের ব্যাপারেই তার যত আগ্রহ।ও সব যে মাকে জিগাতে নেই,তাও বোধ জন্মায় নি।একটা ছোটোদের প্রশ্ন আছে,সেটাই লিখি,কেমন??
    যেই না শ্রাবন্তী তার প্রেমিককে বলা-তোরা পারবি,বেণুদা??যদি মরে যাস??আর তার উত্তরে বেণুদা নামক যুবক-'আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে এই বাংলায় হয়তো মানুষ নয়...'টুংকাই ঝাঁপিয়ে পড়ে-'মানুষ নয়??বুঝেছি ভূত হয়ে আসবে।'
  • siki | ১৬ এপ্রিল ২০১৩ ১৮:৪৭440714
  • এম্মা। গয়নার বাক্সো রীতিমতো বড়দের থিম।
  • মাসিমা | ১৬ এপ্রিল ২০১৩ ১৮:৪৯440715
  • ঃ-))
  • Tim | ১৬ এপ্রিল ২০১৩ ১৯:২০440716
  • ঃ-)))
  • Paramita | ২৭ এপ্রিল ২০১৩ ০০:৪১440717
  • গুঞ্জা মাকে সেলেনা গোমেজ নামে কারুর নাম ইউটিউবে বানান করে লিখে দেওয়ার জন্য ঘ্যানঘ্যান করছে। মা চেঁচিয়ে বড়মেয়েকেঃ মেঘ, সেলেনা গোমেজ আবার কে? সেলেনা বানান-ই বা কি? মেঘঃ সেলেনা গোমেজকে চেনো না? মা ঃ নাহ। মেঘ ঃ ইউ শুড। আই রিমেমবার ইয়োর ফেভারিট সিঙ্গার মাতা লঙ্গেশকার'স নেম ভেরি ওয়েল।
  • | ২৭ এপ্রিল ২০১৩ ০০:৫০440718
  • :)))))))))
  • arpita | ২৭ এপ্রিল ২০১৩ ০৯:৫৫440720
  • লোকে বলে ছেলেটা আমার আদরে বাঁদর।
    তা বাঁদরামির ছোট্টো একটা নিদর্শন।
    ক্লাবের অনুষ্ঠান ----ছেলেটির মাকে তার কিটি পার্টির ফ্রেন্ড্ররা বার-বার অনুরোধ করেছে ---"তুই এত ভালো কবিতা বলিস ছেলেকে একটা ছ্ড়া শিখিয়ে দিস না কেন?"---সুখে থাকতে ভুতে কিলোয় --প্রবাসে বসে মা ভাবে তার ছোটোবেলার কথা---মনে পড়ে নতুন নতুন কবিতা কত ধরনের পুরস্কার।

    যাক বাঁদরটির ব্য়্স তখ্ন তিন। ফাল্গুনে বিকশিত দিয়ে শুরু করেছিলো মা কিন্তু শেষে আল মামুদ, শন্খ ঘোষ সব গিয়ে হাট্টিমাটিম টিমে এসে ঠেকেছে।
    একাদশীর সকাল----মা ছেলেকে আদর করে ঘুম থেকে ডেকে বলল- ছড়াটা বলে নাও---বাঁদরটা কি সুন্দর হাত নাড়িয়ে, পা নাড়িয়ে পুরো ছড়াটা বলল। জলখাবারের টেবিলে মা বলল আর একবার বলে নাও--বাঁদরটা বলল। চান করার সময় মা বলল বলতে--- বাঁদরটা বলল। দুপুরে খাবার পর শুতে গিয়ে মা বলল একবার বলে নে তো সোনা--বাঁদরটা বলল। ঘুম থেকে উঠে অনুষ্ঠানের জন্য তৈরী করার সময় পাজামার দড়ি বাঁধতে বাঁধতে বলল --একবার বলবি---বাঁদরটা বলল একবার তো---মা ঘাড় নাড়ল---বাঁদরটা বলল।
    অনুষ্ঠান জমে উঠেছে--সবাই কি সুন্দর কবিতা বলছে, গান গাইছে, নাচ করছে। বাঁদরটার মা গিয়ে বাবাকে বলল--ক্যামেরাটা নাও সিগারেট খেতে চলে যেও না যেন।

    সব শেষে বাঁদরটার নাম বলা হল - -বাঁদরটা স্টেজে উঠ্লো--মাথা চুলকোলো। হাত চুলকোলো। তারপর বলল----হাটিম টিম, তোদের ডিম।।

    সবাই হাসলো আর বাড়ি ফেরার পথে বলল --কি বাঁদর। মা অনেক কাঁদলো, বাবা বলল ----সাবাশ বেটা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ প্রতিক্রিয়া দিন