এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • বাংলা বই এবং পরবর্তী প্রজন্ম

    jhumjhumi
    অন্যান্য | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২ | ৩২৫৬০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • rimi | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০৮:৩৩532459
  • ব্যাংএর সঙ্গে 8.21 একদম একমত। বইকে ভালোবাসা এম্নি এম্নি হয় না, বিশেষ করে এখনকার এই টিভি ভিডিও গেম আর কার্টুনের যুগে। বাবা মাকে এর জন্যে অনেক সময় দিতে হয়, নিজেদের পড়তে হয় বাচ্চার সঙ্গে। ঠিকই বলেছিস ব্যাং, এখানে বাবা মা বাচ্চার একসঙ্গে nightly reading একটা রিচুয়াল।

    আমি পেরেন্ট টিচার কনফারেন্সের সময়ে ললিপপের স্কুলে কথা বলতে গেছিলাম। ললি অংক টংক অনেক ব্যপারেই "উন্নতি করতে হবে" পেয়েছিলো, বা হাতের লেখা বাজে ছিল :-)) তো আমি বললাম, আমার বাড়িতে কি করা উচিত বা কি ভাবে পড়ানো উচিত? টিচার বললেন, কিচ্ছু করার দরকার নেই, রাতে শুধু একসঙ্গে অন্তত আধঘন্টা গল্পের বই পড়ো, ব্যস। বাকি জিনিস আমিই স্কুলে দেখব।

    সত্যিই তাই। উনিই দেখছেন। সব ব্যপারেই উন্নতি লক্ষ্য করছি। আমার সবচেয়ে প্রিয় সময় সারাদিনে ঐ রাতটুকু, যখন ছেলের সঙ্গে একসঙ্গে বই পড়ি। আর কিছুই তেমন করতে হয় না ওর পড়াশুনোর জন্যে।
  • byaang | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০৮:৩৬532460
  • রিমি,ড: সিউসের বইগুলো এখানেও পাওয়া যায়, আমার ছেলে পড়ত আগে, দামটা বেশ চড়ার দিকেই। এখানে কজন বাবামা অ্যাফোর্ড করতে পারবে? আর পশ্চিমবঙ্গের লাইব্রেরিগুলোর হাল, কারা সেগুলো চালায়, তারা কতটা এখনকার বইয়ের বাজার সম্পর্কে খবর রাখে, বা খবর রাখলেও কস্ট কাটিংএর স্টিপুলেশনের জন্য কতটা এইধরণের বাংলা বা ইংরেজি বই কিনে আনতে পারবে, বল?
  • aka | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০৮:৩৮532461
  • ব্যাঙের একটু পিঠ চাপড়ে দিলাম অ্যানালিটিকাল অবজারভেশনের জন্য। তবে আমি আদৌ বলিনি যে রঙ চঙে বইয়ের দরকার। সেকথা T বলেছে। এরিক কার্ল বা ড: সিউস রঙচঙের বাইরেও অনেক কিছু। এরকম ক্লাসিক তৈরি হয় অনেক কিছু একসাথে মিললে। খুব সংক্ষেপে বাংলায় বইয়ের চর্চা কমেছে। আম্রিগায় বই পড়া প্রচণ্ড ভাবে প্রোমোট করা হয় স্কুলে, কমিউনিটিতে, আগেই বলেছি মেটারনিটি হসপিটালে টিভিতে ইত্যাদি। পাব্লিক লাইব্রেরির অনেকটা আবার প্রফিট মেকিং কোম্পানির স্পনসর। আমাদের বাড়ির কাছের পাব্লিক লাইব্রেরিতে একেবারে কুচোদের জন্য গল্প বলা হয় সম্পূর্ণ একটা আলাদা ঘরে যেটা একটা 'রক্তচোষা' প্রফিট মেকিং কোম্পানির স্পনসর করা। মাঝে মাঝে ভাবি আমাদের কেন এমন 'রক্তচোষা' প্রফিট মেকিং কোম্পানি নেই?
  • byaang | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০৮:৪৩532462
  • যা: বাবা, খেটেখুটে একটা পোস্ট করলাম। মামুর কল সেটা গাপ করে নিল।

    রিমি, ড: সিউস এখানেও পাওয়া যায়, ক্রসোয়ার্ড ল্যান্ডমার্ক, স্টারমার্ক জাতীয় দোকানে। দামটা বেশ চড়ার দিকে। কতজন বাবামা খুব খুশি মনে ঐ বই বাড়ির ছোটদের কিনে দেবেন, আমার সন্দেহ আছে! আর পশ্চিমবঙ্গের লাইব্রেরীর হালগুলো তো তোর-আমার সকলেরই জানা। লাইব্রেরীগুলো কারা চালায়, তারা নতুন বইয়ের বাজার সম্পর্কে কতটা খোঁজ রাখে, বা খোঁজ রাখলেও কস্ট কাটিংএর স্টিপুলেশনের জন্য কতটুকু নতুন বই কিনে উঠতে পারে আমার সন্দেহ আছে। তাহলে বাচ্চাদের আমরা কেন দোষ দেব, তারা কেন কার্টুন দেখছে বলে। আমরা কজন বাবামা যত্ন নিয়ে তাদের পড়ার অভ্যাস তৈরি করার চেষ্টা করি?
  • aka | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০৮:৪৫532463
  • এবং এটাও সঠিক অবজার্ভেশন আমরা (মেজরিটি) বই বা পড়াশুনোর পেছনে খরচ করাকে ফালতু ওয়েস্টেজ ভাবি।

    কার্টুন দেখা থেকে বাচ্ছাকে বিরত করতে নিজেরা টিভি দেখা বন্ধ করুন যদি না পারেন তাহলে বাচ্ছাদের দোষ দিবেন না।
  • rimi | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০৮:৫০532464
  • সে তো বটেই। বাচ্চাদের কোনো দোষ নেই।

    বাবা মাদের বাড়িতে সময় দেবার সঙ্গে সঙ্গে স্কুল এবং পাব্লিক লাইব্রেরিগুলোর উচিত গল্পের বই বেশি করে প্রোমোট করা।

    অথচ উল্টো ব্যপার, আমাদের স্কুলে আগে লাইব্রেরী ক্লাস ছিল, আমরা গল্পের বই পড়তে পারতাম, ঐ ক্লাসে লাইব্রেরীর টিচার নিজে গল্প পড়ে শোনাতেন। আমাদের প্রিয় ক্লাস ছিলো ওটা। অথচ নতুন বড়দি এসে সেই লাইব্রেরী ক্লাস তুলে দিলেন। মেয়েদের বললেন, টেক্সট পড়ো। গল্পের বই পড়বে না। লাইব্রেরী থেকে সব গল্পের বই হঠিয়ে শুধু টেক্সট বই রাখা হল। স্কুলের রেজাল্টও অবশ্য ভালো হল। বড়দি পুরষ্কার টুরষ্কারও পেলেন। :-((
  • byaang | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০৮:৫৭532465
  • আকা, বাংলা বইয়ের চর্চা কোনোদিনই সেভাবে ছিল না। মুষ্টিমেয় কিছু অতি ভাগ্যবান বাঙালী বাচ্চারাই বাংলা শিশুসাহিত্যের বিশাল ভাণ্ডারের স্বাদ পেত, বাকিরা জাস্ট জানতেই পেত না। আমাদের ছোটবেলায় আনন্দমেলা, লী মা, উ কি, সু রা, শী মু, সু গা ছাড়া আমরাই বা কতটুকু শিশুসাহিত্য পড়েছি। আমাদের কজন বাবামা আমাদের সাহস করে বলতেন, হোমোয়ার্ক শেষ না হলেও কিছু যায় আসে না, কিন্তু রোজ আধ ঘন্টা গল্পের বই তোমাদের পড়তেই হবে। আমাকে আর আমার বন্ধুদের রীতিমতন লুকিয়েচুরিয়ে বাংলা গল্পের বই পড়তে হত।
  • aka | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০৯:০৬532466
  • আরে কিছুটা ছিল। আমি হুলিয়ে লাইব্রেরির বই পড়তাম। মাও পড়ত, বাবাও পড়ত, নটা বাজলে বই মুখে শুতে চলে যেতাম। ক্লাস থ্রিতে কালপুরুষ পড়েছি, ক্লাস ফাইভে কালবেলা পেরাইজ পেয়েছি, ক্লাস ফাইভেই কোয়াইট ফ্লোজ দা ডন পেরাইজ পেয়েছি। ব্যাস এরপরেই কেবল টিভি আর ইসে মানে দফা ৩০২ জীবনটা কেমন এলোমেলো করে দিল। :)
  • byaang | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১০:৫৪532467
  • আকা, ঐ যে বললাম অতি ভাগ্যবান কয়েকজনের বাড়িতে ছিল, বেশির ভাগের বাড়িতেই ছিল না।
  • hu | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১০:৫৫532469
  • একটা কথা মনে এল। বাংলা আর ইংরিজি ছাড়া পৃথিবীর বাকি সব ভাষার সাহিত্যই আমাদের কাছে অনুবাদের মাধ্যমে আসে। ভস্তকের বইগুলো নিয়ে এখনও আমরা যেরকম পাগল তাতে মনে হয় অনুবাদ ভালো হলে রসগ্রহনে খুব একটা অসুবিধে হয় না। বাংলা না জানা বাচ্চাদের কাছে যদি বাংলা বই-এর অনুবাদ এনে দেওয়া হয় তাহলে অসুবিধে কি? মন খুঁতখুঁত করতে পারে। কিন্তু সত্যিই কি প্রয়োজন আছে কারোর অনিচ্ছায় তার ওপর জোর করে একটা ভাষা চাপিয়ে দেওয়ার? ওয়ান্ডারফুল অ্যাডভেঞ্চার্স অফ নীলস রিমিদি সুইডিশে না পড়তে পারলেও ইংরিজিতে তো পড়তে পারছে। তাতে ক্ষতি কি?
  • ppn | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১১:০৫532470
  • আমার মেয়েকে এখন এইটা পড়ে শোনাচ্ছি। কার্টুন দেখা তো হাতেনাতে কমেছে।

    http://www.wimpykid.com/
  • byaang | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১১:১৭532472
  • অর্পণ, কার্টুন দেখা কমানো প্রয়োজন কেন? আমি বুঝতে চাইছি কারণটা।
  • i | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১১:১৭532471
  • বাংলা ও পরবর্তী প্রজন্ম নিয়ে এর আগে বহুত আলোচনা/ তক্কাতক্কি হয়েছিল না?
    পুনরাবৃত্তি না করে দু একটা কথা বলে বিদায় নি, কথামৃত পড়তে হবে..
    কথা ১। গৌরী ধর্মপালের বই প্রসঙ্গে: মালশ্রীর পঞ্চতন্ত্র পড়তাম আমরা। শিশু সাহিত্য সংসদ বের করেছিল।
    কথা ২। শৈলেন ঘোষের মিতুল নামে পুতুলটি, হুপ্পোকে নিয়ে গপ্পো ছ বছুরে পড়তে পারবে।
    কথা। এবারের বইএর দেশে সমরেশ মজুমদারের একটি সাক্ষাত্‌কার বেরিয়েছে। তার একটি অংশ এখানে শেয়ার করা যেতে পারে-আপনারা তেড়ে তক্কো করতে পারেন। আমি শেয়ার করেই কাটব-

    স ম র কাছে প্রশ্ন ছিল- বাঙালির সাহিত্য পড়ার অভ্যেস বদলে যাচ্ছে বলে শোনা যায়-
    উ:-সেটা কি এই সময়ের কারণে! সময় পাল্টে গেছে, পাঠক পাল্টে গেছে, জীবন পাল্টে গেছে, এই কারণে? আমি অনেক ভেবেছি। ধরো, আমি ছোটোবেলায় সুখ্‌লতা রাও পড়েছি, লীলা মজুমদার পড়েছি। আমার মেয়ে ফেমাস ফাইভ এই সব পড়ে বড় হয়েছে। আমি যখন ছোটো মেয়েকে পথের পাঁচালী পড়তে বলি, সে ৫ মিনিট পরে ঘুরে এসে বলল-বাবা, অতটা পড়তে পারব না। বোর।
    মনে হল চড় মারি। কিন্তু ও কেন বোর বলল সেটা তো বুঝতে হবে। পথের পাঁচালীর প্রথম ২ পাতা দেখবে একদম সংস্কৃতে ঠাসা বর্ণনা, নিউকামারদের পক্ষে সেটা দুর্বোধ্য। যেই ৩য় পাতায় গেলাম, যেই মূল গল্প শুরু হল, তখন ঝরঝরে লেখা। আমি সেকথা ওকে বললাম। কিন্তু সেই এক না বাবা, না বাবা। তখন রবিবার, সাড়ে ১১টা বাজে। আমি বললাম, তুই যদি আজকে না পড়িস, তাহলে তোকে খেতে দেওয়া হবে না।কুইনিন খাওয়ার মত মুখ করে সে পড়তে বসল। কিছুক্ষণ পরে, দুটো নাগাদ, তখনও খায় নি, আমার স্ত্রী বলহে্‌হন, মেয়েটাকে একটা বই পড়ার জন্য এরকম করছ-হঠাত শুনলাম হাউহাউ করে কান্না। আমার স্ত্রী বললেন, দেখলে! আমি বলাম, না: অনেক দেরি হয়ে গেছে, খেতে দিয়ে দাও! মেয়েকে বলাম, ছেড়ে দিলাম যা। আমাকে কি বলল জানো, বাবা দুর্গা মরে গেছে। দুর্গা মরে গেছে বলে সে কাঁদছে। আমি তখন কী আন্দ পেলাম যে, যে, আমার পরম্পরাটা রইল।
  • i | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১১:১৮532473
  • সাক্ষাৎকারের আরো কিছু অংশ এ টই রেলেটেড। পরে লিখছি।
  • ppn | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১১:৩৭532474
  • সময় নেই। তাই এককথায় উত্তর সারি।

    বাচ্চাটির সব অ্যাক্টিভিটিই করা উচিত। এবং সেইগুলির ব্যালান্সড ডিস্ট্রিবিউশন থাকা উচিত। অ্যাক্টিভিটি বলতে এইগুলো মিন করছি - স্কুল, খাওয়া, ঘুমোনো, আউটডোর অ্যাক্টিভিটি, হোমওয়ার্ক, গল্পের বই, ছবি আঁকা, ইন্ডোর গেমস এবং অবশ্যই কার্টুন দেখা। এইটা আমার মনে হয়।
  • ppn | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১১:৩৯532475
  • তাছাড়া কবে চশমা নাকে উঠবে সেই নিয়েও চিন্তায় আছি।

    ব্যস, আবার কাজাতে গেলুম।
  • jhumjhumi | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১১:৪২532476
  • ছবছুরেদের জন্য বাংলাতে ভালো বই আছে বৈকি। i এর কথামতো শৈলেন ঘোষের বই তো আমার মেয়ের ভীষণ প্রিয়। তাছাড়া ইন্দিরা দেবীর বেশ কিছু বই, সুখলতা রাওএর বইও বেশ ভালো। কানাইলাল চক্রবর্তীর কয়েকটি চটি বই আছে যেমন কুমীর হয়ে জলে গেল বা মনোজ বসুর রোমাঞ্চ বনে বনে বেশ ভালো। আসলে পড়তে চাইলে বইএর অভাব নেই। আমার কেন জানিনা মনে হয় এখন্‌কার বাবামা রা বাচ্চাদের বাংলা বই পড়তে উৎসাহিত করেন না। (অবশ্য উৎসাহিত করে আমি যে কি ভুল করেছি, তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি। চাঁদের পাহাড় ও তেনার শেষ হয়ে গেছে!)
  • hu | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১১:৪৫532477
  • আইদিদি, পথের পাঁচালী ভীষন প্রিয় বই। নিজে পড়ে যত খুশি হই, কেউ পড়লেও খুব খুশি হই। কিন্তু বাংলা না পড়ে যদি কেউ ইংরিজি অনুবাদ পড়ে তাহলে ক্ষতি কি? হ্যাঁ, একটু দু:খ হবে। বিভূতিভূষনের অমন সহজ নিরাভরন ভাষা সে পড়তে পারল না। কিন্তু আমরাও তো মার্কেজ স্প্যানিশে পড়িনি। তাবলে কি একশো বছরের নি:সঙ্গতা কিছুই বুঝি নি? মহৎ সাহিত্যকে কি ভাষা দিয়ে বেঁধে রাখা যায়?
  • byaang | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১২:০৮532478
  • আমার ধারণা এখানে আমরা সবাই আমরা নিজেরা যেটা ভালো মনে করি বাচ্চাদের জন্য, সেটাকেই আদর্শ ভেবে নিই। বাচ্চাদেরও যে একটা অন্যরকম কিছু মনে হতে পারে, সেই সত্যিটা স্বীকার করি না।
    আমি ছোট্টো একটা উদাহরণ দিই।
    আমি মাঝে মাঝেই বিকেলবেলা আমার ছেলে যাদের সঙ্গে খেলে, ওদের সঙ্গে কথা বলি, গল্প করি। ওদের সবার বয়স ছয় থেকে বারোর মধ্যে। ওদের আমি গত সোমবার বিকেলেই বলেছিলাম ওদের কোনটা সবচেয়ে ভালো লাগে - গল্পের বই, খেলনা, কমিউটার গেমস, টি ভিতে কার্টুন অথবা সিনেমা? ওদের এক দুই তিন করে সাজাতে বলেছিলাম। যে সবচেয়ে আগে ওরা কোনটা করবে, তারপরে কোনটা, এইভাবে সাজাতে বলেছিলাম। প্রসঙ্গত বলে রাখি, এরা সবাইই মা-বাবার নয়নের মণি, একটি বা বড়জোর দুটি ভাই-বোন, প্রত্যেকেরই মা-বাবা শিক্ষিত, ডাবল ইনকাম মিলিয়ে প্রত্যেকেরই বাড়ির মান্থলি ইনকাম এক লাখের আশপাশে। এবং এইসব বাচ্চারা মুখ ফুটে কিছু চাইলে সেটা মোটামুটি এক মাসের মধ্যেই তারা হাতে পেয়ে যায়, আর না চাইতে কী যে পায়, তার সীমাপরিসীমা নেই।

    যাই হোক, বাচ্চারা কেমন ডিটেলে গুছিয়ে ভাবতে পারে, সেটা ওদের উত্তরগুলো শুনলেই বোঝা যাবে।

    প্রায় সবারই প্রথম ৩-৪টে পছন্দ এক।
    ১) এক্সবক্স অথব প্লেস্টেশন গেমস। বাড়িতে না থাকলে বন্ধুর বাড়িতে অথবা দোকানে গিয়ে এরা সবাই খেলে আসে। (আমার ছেলে দুই বছর ধরে চেয়েও পায় নি, তাই সে কী করে - আমরা যখন গ্রসারি শপিংয়ে যাই, সে সেই দোকানে না ঢুকে বলে তাকে ক্রোমা অথবা রিলায়েন্স টাইমাউটে নামিয়ে দিতে সে ঐ এক-দুই ঘন্টা এই দোকানগুলোয় রাখা এক্সবক্স বা পিএস থ্রী খেলে নেয়, এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই গিয়ে ওর মতন আরো তিন-চারজনে্‌ক ওখানে পেয়ে যায়, মানে ও একাই নয়, ওর বয়সীরা বাড়িতে না পেলেও এইভাবে খেলে নেয়। আর আমরা মাবাবারাও হাঁফ ছেড়ে বাঁচি ওরা কেনাকাটার সময়ে বিরক্ত করবে না ভেবে। এখানে আমার ব্যক্তিগত মতামত, আমার ছেলে যে মাবাবার কাজের সময়্‌টাতে মাবাবার ইচ্ছেমতন না চলে নিজের ইচ্ছেমতন সময় কাটানোর উপায় খুঁজে নেয়, এইটুকু চিন্তা যে সে সাত বছর বয়স থেকেই করতে পারে, সেইটা বেশ উৎসাহব্যঞ্জক লাগে, আমি ভাবতেও পারতাম না অত ছোটবয়সে নিজের মতামত জানানোর সাহস দেখাতে)
    ২) আই প্যাড বা মোবাইল গেমস।
    ৩) আউটডোর গেমস
    ৪) কম্পিউটার গেমস টু বি প্রিসাইজ ফেসবুক গেমস। ওদের ভাষায় - "টু কিল টাইম অ্যাট হোম।'
    ৫) স্টোরিবুকস। স্টোরিবুকসেরও ওরা দুটো ভাগ করেছে, সেটাও ওদেরই ভাষায় বলি
    এ) গ্রাফিক্স
    বি) টেক্‌স্‌ট
    ৬) খেলনা নিয়ে খেলা।
    এরমধ্যেও ওরা তিন-চারটে ভাগ দিয়েছিল।
    এ) বেব্লেড (লাট্টু বেসিকালি)
    বি) ক্যারেক্টার ফিগারস। বেন টেন, ফায়ারবলজ জাতীয়
    সি) টয় গান, রিমোট কারস
    ডি) বোর্ডগেমস
    ৭) টিভি তে কার্টুন অর মুভিজ অর হোয়াটেভার।

    ওদের প্রথম ৪-৫টা পছন্দ প্রায় প্রতিটা বাচ্চার জন্য এক, অর্ডার ঐ একই। স্টোরিবুকস থেকে বাকিগুলো নিয়ে ওদের মধ্যে মতভেদ ছিল ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ অনুযায়ী।

    এবার আমি আমার ছোটবেলার সময়ে যদি ফিরে তাকাই, আমি দেখি প্রথম ৪টে অপশন আমাদের জন্য ছিলই না। আমাদের অপশনগুলো ছিল টিভি, গল্পের বই, খেলনা। আমাদের বাড়িতে অসংখ্য বই ছিল, প্রায় সব ক্লাসিকসই ছিল ইংরাজি ও বাংলায়। মা-বাবা বই পড়তে উৎসাহও দিত। কিন্তু কমিক্স চাইলেই খুব বিরক্ত হত। আমার মায়ের মতে কমিক্স পড়লে কোনোদিন ভাষাজ্ঞান তৈরি হয় না। খেলনা নিয়ে খেলা মানে সময়নষ্ট ইত্যাদি। ওদিকে আমার পিসি মনে করত গল্পের বই মাত্রেই সময় নষ্ট। আমার বোনকে কখনো গল্পের বই কিনে দেওয়া হত না।

    আবার আমার ছেলের সময়ে ফিরে আসি। এখানে হয়তো অনেকেই বলবেন বেশি গেমস খেলা খুব খারাপ ইত্যাদি। কিন্তু আমি আবার এগুলোর মধ্যে কিছু অন্য জিনিসও দেখতে পাই, আগে পেতাম না, এখন ছোটদের সঙ্গে কথা বলতে বলতে বা বলার পর দেখতে পাই। এক গেমসগুলো আর কিছু না হলেও খুব কম সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে শেখায় আর ঐ সিদ্ধান্তগুলো নেওয়ার সময় বেশ কিছু প্লাস-মাইনাস ক্যালকুলেট করে তবে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সুতরাং সবটাই যে খারাপ, তা বলি কী করে! তারউপর দেখি মেন্টাল ক্যালকুলেশনও খুব তাড়াতাড়ি করতে হয়। একবারেই কোনো লাভ হয় না, তা বলা যায় কী? পান্ডব গোয়েন্দা পড়লে এর থেকে বেশি কিছু কী হত? আর একেকেঅটা গেম আমি দেখেছি এত ভেবেচিন্তে ডিটেলে বানানো যে আরো কখনো কখে্‌না কোনো কোনো শহরের ম্যাপ শুদ্ধু নিখুঁত ভাবে দেওয়া থাকে সেই শহরের ল্যান্ডমার্কগুলোর ডিটেল অব্দি। বা এই ধরণের আরো খুঁটিনাটি। আমার ছেলের বন্ধুর কাছে একটা গেম দেখছিলাম পিরামিড নিয়ে। ঐ গেমটা খেলে ওস্তাদ যতদিনে হওয়া যাবে, ততদিনে আরো অনেককিছু শেখা হয়ে যাবে, পিরামিডের ভিতর ও বাইরের শেপ, পাথরের সাইজ শেপ, কোন পাথর কোথায় কীভাবে ফিট করা যাবে,ভিতরের দিজাইন, হায়রোগ্লিফিক্স একটুআধটু ডিকোড করা, নাম্বার অফ লেবারস এবং সময়, মমি বানানোর জন্য দরকারি কেমিকালসগুলোর নাম (হয়তো কয়েকটা কল্পিত নামও থেকে থাকতে পারে তার মধ্যে) এরকম আরো অনেক কিছু ডিটেল। গেমস মানেই কি গাড়ির দৌড় অথবা মাফিয়া-ডেরা ইনভেশন? এবার আমি তো প্রেফার করব, আমার ছেলে ইতিহাস মুখস্থ না করে কেসি নাগ না গাঁতিয়ে এইভাবে অদ্ভুত অদ্ভুত সব জিনিসে ইন্টারেস্ট দেখাক।

    অর্পণের মেয়ে এখন কার্টুন দেখছে, কারণ ও আমার ছেলের থেকে বেশ কিছুটা ছোট, বাইরের পৃথিবীর দরজা মানে এখনো অব্দি ঐ কার্টুন। আমার ছেলে পাঁচ বছর বয়স অব্দি মানে আপার কেজি অব্দি মন্ত্রমুগে্‌ধর মতন ডোরেইমন গিলত। ক্লাস ওয়ানে উঠে যখন অন্য আরো কিছু ব্যাপারে ইন্তারেস্ট পেল, সে একদিন নিজেই আমার কাছে গল্প করেছিল সরল মনে - "তুমি বল না, ছোটবেলায় আমি খুব ভালো ছিলাম, তর্ক করতাম না, তোমার মুখে মুখে কথা বলতাম না। আর এখন আগের থেকে খারাপ হয়ে গেছি। তুমি কিছু করতে বললেই আমি 'না' বলি, এগুলো সব আমি ডোরেইমন দেখে শিখেছি। নমিতা এরকম করে।'' বাচ্চাগুলো যত বড় হবে ওদের পছন্দ-অপছন্দগুলো এইভাবে পাল্টাবে, ওরা তলিয়ে ভাবতে শিখবে। তার আগে জোর করে এটা ভালো ওটা খারাপ বলে কোনো কিছু ওদের উপর চাপিয়ে না দেওয়াই ভালো। গল্পের বই ছোটদের জন্য সবথেকে ভালো অপশন, এই বিশ্বাসও একরকমের মৌলবাদ।
  • omnath | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১২:১০532480
  • কথাটা বোধহয় এরকম - স্পেনের লোকজন মার্কেজকে ইংরিজি অনুবাদে পড়ে জানলে সেটা দূ:খের ব্যপার কিনা।
  • ppn | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১২:১২532481
  • আব্বে, নমিতা না। নোবিতা। নো-বি-তা। :)
  • byaang | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১২:১৪532483
  • ঐ হল নমিতা বা নবিতা বা নোবিতা।
  • byaang | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১২:১৪532482
  • স্পেনে যদি চাকরি পাওয়ার সুবিধের জন্য সব বাচ্চাকে গাঁতিয়ে ইংরিজি শিখতে বাধ্য করা হয়, সেই প্রজন্ম বড় হয়ে মার্কেজ ইংরিজি অনুবাদেই পড়বে।
  • ppn | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১২:১৫532484
  • সে যাক, গল্পের বই সবচেয়ে ভালো অপশন, আমি অন্তত এই কথা কখনো কোথাও বলিনি।

    এই বলে লাঞ্চ করতে গেলাম।
  • byaang | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১২:১৬532485
  • বলি নি তো তুই বলেছিস। কিন্তু জেনরালি আজকালকার মাবাবাদের অ্যাটিচুড দেখলে এটাই মনে হয়। নিজেরা যা যা ভালো মনে করে, তাই ভালো, বাকি সব খারাপ, ক্ষতিকর এরকম একটা অ্যাটিচুড।
  • byaang | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১২:১৯532486
  • প্পন, তোকে উদ্দেশ্য করে কথাগুলো লিখিও নি। এমনিই লিখছিলাম। শুধু তোর মেয়ে আর আমার ছেলেকে স্পেসিমেন স্যাম্পল হিসেবে ধরলাম। :-) আমাদের গল্পের বই পড়তে বাধা দেওয়া হত, তাই এত মিষ্টি লাগে বুড়োবয়সে। সারাক্ষণ গল্পের বই পড়, গল্পের বই পড় করলে আমরাও পালাতাম গল্পের বইয়ের থেকে।
  • ppn | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১২:২০532487
  • হ্যাঁ, সে তো বটেই। আরেকটা কথা, আমাদের সময় এত অপশনও ছিল না। থাকলে খালি গল্পের বই মুখে করে বসে থাকতাম না।
  • byaang | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১২:২৭532488
  • সেটাই তো। লিখলাম তো আগের পোস্টে যে আমাদের জন্য এত অপশন ছিল না। ছোটবেলায় বেশির্ভাগ বাড়িতেই টিভি ছিল না। আমার বরের বাড়িতেই টিভি কেনা হয় সে যখন গ্র্যাজুয়েশন করছে তখন। তার আগে বাড়িতে টিভি থাকলে নাকি ওদের লেখাপড়া হত না। আমাদের বাড়িতে আমরা কখনো গরমের ছুটি, শীতের ছুটিতে বেড়াতে যাই নি পড়ার ক্ষতি হবে বলে। বাড়িতে বসে কেসি নাগ আর ট্রানস্লেশন করতে হত। এই তো ছিল আমাদের বড়রা। (ভালো বা খারাপ বলছি না) আর আমরা বোধহয় দক্ষিণমেরুও চলে যেতে পারি ছেলে-মেয়েরা চাইলে। নিজের থেকে ওদের গল্পের বই কিনে দিই ওরা না চাইলেও। আর ওরা চাইলে গেমস আইপ্যাড এসব কিনে দিই। খেলনা আর বোর্ড গেমস তো এমনিই সবাই উপহার পায়। এত স্বচ্ছল বাচ্চা কি আমরা ছিলাম ছোটবেলায়?
  • ppn | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১২:৩১532489
  • সেটাই তো, বাবা-মায়ের "মৌলবাদী' চিন্তাভাবনা, পছন্দ-অপছন্দ চিরকালই ছিল, পরেও থাকবে। বংসন্তান পড়াশোনা না করলে কিছু হবে না (মানে চাকুরি করেই খেতে হবে), এই মনোভাব যদ্দিন থাকবে তদ্দিন এটাই হবে। এটা নতুন কিছু না।

    স্বচ্ছলতা অবশ্যই ছিল না।
  • dd | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১২:৪৮532491
  • ব্যাংএর কথায় মনে পরলো, ইয়েস, আমাদের ছোটোবেলায় বেশ কিছু বাড়ীতে ছোটোদের কোনো রকম গল্পের বই কিনে দেওয়া হোতো না। বাড়ীতে বাচ্চারা লুডো বা ক্যারাম খেললেও তাস নিয়ে কোনো খেলাই বারন ছিলো।

    সিনেমা দেখাটাও স্কুলের ছেলেদের পক্ষে খুব ভালো মনে করা হোতো না।

    ছ্যা:।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন