এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • স্বামী বিবেকানন্দ-একটি নির্মোহ ব

    Biplab Pal
    অন্যান্য | ১৫ জানুয়ারি ২০১২ | ১০৭৭৭৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ekak | 212.*.*.* | ০৩ এপ্রিল ২০১৬ ২০:৫৭516149
  • আরে কিসের তক্ক ! কথামৃত হলো একমাত্র সো কল্ড হিস মাস্টার'স ভয়েস। সেখানেই একাধিক জায়গায় সাধনার কথা আছে। এনবি এমন কায়দা করে শুরু করলেন যেন কথাও সাধনা লেখা নেই আমি আকাশ থেকে পেড়েছি। তারপর মার্কেট এ নাবল সাধন ভার্সাস সাধনা। এগুলোকে তর্ক বলেন ? এই বইগুলো না পরেই হ্যাজাচ্চি জানলেন কোত্থেকে ? এনাদের কায়দা হলো বিপক্ষ এখান ওখান থেকে কোট করলেই ঠিক তার বিপরীত ফ্যাক্ট আছে এরকম কোট তুলে এনে
    "আজকের দিনে দাঁড়িয়ে ওনাদের বোঝা মুশকিল " মার্কা ভাষা ভাষা কথা বলা। কাজেই ওই লাইনে আমি ঢুক্বই না। আমি রামকৃষ্ণের ভক্তি সাধনার একটা মডেল দিয়েছি। আইদার সেটা মেনে নিয়ে পরের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেন। অতহবা প্রথমেই প্রমান করুন কেন সেই মডেল ভুল। রামকৃষ্ণ মনে করেছেন সাধনা হয়েছে মানে হয়েছে এসব ফন্গবেনে কথা বলে কোনো লাভ নেই।

    আমাকে যদি কেও জিগাত রামকৃষ্ণ সুন্নত করেন নি ক্যান, তার উত্তর হত উনি সুফী সাধকের আন্ডারে দীক্ষিত, কোনো ইছলামী মুমিন এর থেকে নয়। সুফী দীক্ষায় সুন্নত লাগে না :) ব্যাস মিটে গ্যালো। সুন্নত "ছাড়াও " ইসলাম হয় কি না হয় সেটা তো জাজমেন্টাল ব্যাপার। তাকে তর্কের মধ্যে আসার সুযোগ দিলে ওপর পক্ষ আরও পাকাবে। সুযোগ দিতুম না :)

    এনাদের "তর্ক" এরকমই। ওই চ্যাপ্টার গুলোতেও কথাও কতজন ইসলামী ভক্তের কথা লেখা আছে, কম্পেয়ার্দ টু হিন্দু ভক্ত ? রামকৃষ্ণ কি বলেছেন সেটা বড় কথা নয়। অনার ই মডেল ওনার আচার এ উঠে আসছে কিনা সেটা খোঁজা হচ্ছে। ওখানে সেরকম কিসুই নেই। ওগুলো রেডিমেড চোথা যা রামকৃষ্ণ নিয়েই প্রশ্ন তুললে বছরের পর বছর সামনে এগিয়ে দেওয়া হয়। জাস্ট বোগাস।
  • NB | 127.*.*.* | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ০১:০৭516150
  • আসবে আবার কোদ্দিয়ে? যেখান দিয়ে একক আসে সেখান দিয়েই।

    আবার বলছি। বাংলা উইকিপিডিয়া ছাড়া কোথাও "ইসলাম ধর্ম মতে সাধনা"র কথা লেখা নেই। থাকলে একক রেফারেন্স দিন।

    কিন্তু ধর্মসাধনের কথা আছে।
    ধর্মসাধন আর ধর্ম মতে সাধনা এক জিনিস নয়। সাধন Fulfillment / accomplishment আর সাধনা Pursuit এটা গুগুল ট্রান্সলেট খুললেও পাবেন। "মন্ত্রের সাধন অথবা শরীর পাতন" কথাটার মানে মন্ত্র দিয়ে সাধনা করা নয়। একই ধাতু থেকে 'সাধা" কথাটাও এসেছে। কেউ বাড়িতে যাওয়ার জন্য সাধাসাধি করলে তাকে তান্ত্রিক মতে না ইসলামিক মতে সাধছিস? সুন্নত করেছিস কিনা? বলার মানে হয় না, যদিও এটাও বাড়িতে যাওয়ার জন্য "সাধা" বা সাধ্য "সাধনা" করা। তান্ত্রিক মতে ঈশ্বরের সাধনা করার সাথে, একই ধাতু থেকে উৎপত্তি হলেও এই "সাধা' র ব্যবহারিক অর্থের কোনো মিল নেই। তাই তান্ত্রিক মতে সাধনা করলে পঞ্চমুণ্ডি করতে হয়, সুতরাং বাড়িতে ডাকার জন্য সাধতে অনুরূপ কি কি করা হয়েছে জানতে চাওয়া ওই যাকে বলে ---। ওদিকে ইসলাম ধর্মসাধন উনি কীভাবে করেছিলেন সে বিষয়ে খুব ডেফিনিট ডেটা লিপিবদ্ধ আছে।

    তিনি ইসলাম ধর্মসাধন করেছিলেন অর্থে ঐ ধর্ম মেনে চলেছিলেন, একজন মুসলমানের জীবন যাপন করেছিলেন সেই পথে চলেও তাঁর ঈশ্বরোপলব্ধি হয়েছিল, যা অন্য পথে চলে তাঁর যে ঈশ্বরপলব্ধি তার সাথে ভিন্ন নয়। যা থেকে তিনি যত মত তত পথের উপলব্ধিতে আসেন।

    একক লিখলেনঃ "উনি সুফী সাধকের আন্ডারে দীক্ষিত, কোনো ইছলামী মুমিন এর থেকে নয়। সুফী দীক্ষায় সুন্নত লাগে না "
    সুফী আর মুমিনের কী পার্থক্য জানা নাই, কোন পথের কি নিয়ম তাও জানা নাই। তবে একক যদি আগেই জানতেন তবে ও প্রশ্ন নিজেই কেন তুলেছিলেন, সেটা আবার বোঝা যাচ্ছে না। অন্তত "এই বইগুলো না পরেই হ্যাজাচ্চি জানলেন কোত্থেকে ?" - এটা ত একেবারেই বোঝা যাচ্ছে না। কারণ, এর আগে উনি যে সমস্ত প্রশ্ন রেখেছেন -
    ১। "হয়ত ওনাকে কোনো মুমীন আর ফাদার এসে কুরআন -বাইবেল এর গল্প শুনিয়েছিল। সেটা তাহলে চর্চা। সাধনা নয়। "
    ২। "শ্রীযুক্ত গদাধর চট্টপাধ্যায়, জন্মসুত্রে হিন্দু, ... ইনি কি হিন্দুধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন ? সুন্নত হয়েছিল ?"
    ৩। "রামকৃষ্ণ ইসলাম বা ক্রিশ্চান ধর্ম গ্রহণ করেন নি। গ্রহণ না করেই "সাধনা " করেছিলেন। ... ইসলাম সাধনা করলে কি ধরে নেব ? অন্তত মাঝে মধ্যে নুমাজ আদা করবেন তো নাকি ? দ্বীন এর পথে চলতে গেলে কোনটা সহি কোনটা গলত এসব মেনে চলবেন, বিগ্রহ ছোঁবেন না ইত্যাদি। ভুল বলছি ?"
    ৪। "প্রশ্ন করা হচ্ছে, ইসলাম ও ক্রিশ্চান ধর্মের ক্ষেত্রে এরূপ "সাধনা " র বর্ণনা ও ডেটা কোথায় ?"
    ====================
    এর উত্তরে বলা হল -
    "সুফী গোবিন্দ রায়ের কথা বলা হয়েছে। তিন দিন মন্দির সীমায় না যেতে পারা ফটকের কাছে পীরের কবরের পাশে গাছতলায় থাকা ত্রিসন্ধ্যা পাঁচবক্ত নামাজ পাঠের কথা বলা হয়েছে। সনকিতে খাওয়া সকল বিষয়ে মুসলমানের মতো আচরণের কথা হয়েছে। মুসলমানদিগের প্রিয় খাদ্যসকল এমনকি গোমাংস গ্রহণের ইচ্ছের কথা হয়েছে। মথুরের মুসলমান পাচক এনে তার নির্দেশে এক ব্রাহ্মণের দ্বারা মুসলমানদিগের প্রণালীতে খাদ্যসকল রন্ধন করাইয়া ঠাকুরকে খাওয়ানোর কথা হয়েছে। ঐভাবে ৩ দিন কাটানোর পর মহম্মদ ও আল্লার দর্শনের কথা রয়েছে। লীলামৃত ৩৬-৩৭ পাতা আর লীলাপ্রসঙ্গ ২ সাধকভাব এর ১৬শ অধ্যায় ১৭৫-১৭৭ পাতায় এসব আছে।"

    এই বই দুটি পড়ে হ্যাজালে অন্তত এই প্রশ্নগুলো আগে উঠত না মনে হয়, তাই না? যেখানে লেখা আছে - "ঠাকুর গোবিন্দকে নিজ অভিপ্রায় প্রকাশ করিলেন এবং দীক্ষাগ্রহণ করিয়া যথাবিধি ইসলামধর্মসাধনে প্রবৃত্ত হইলেন।" ... "ত্রিসন্ধ্যা নামাজ পড়িতাম" ... "হিন্দু দেবদেবীকে প্রণাম দূরে থাকুক, দর্শন পর্যন্ত করিতে প্রবৃত্তি হইত না।" ... "মুসলমান ধর্মসাধনের সময় ঠাকুর কালীবাটির অভ্যন্তরে একবারও পদার্পণ করেন নাই।"
    ======================
    যাইহোক, ব্যাগেজ নিশ্চয়ই দেখতে পেলেন, উনি সত্যই এসব জানতে চাননি। লেখা যে হয়েছিলঃ ""কিন্তু এসব আপনি জানতে চাননি। আপনি জানতে চান এক কাঠালের আমসত্ত্বের কথা অর্থাৎ মুসলিমমতে "সাধনা"র কথা যা আপনার মতে থাকা উচিত কিন্তু আর কেউ কোথাও কোনো টেক্সটে কখনো দাবি করেছেন কিনা আপনি বলতে পারছেন না।"" কারন এইমাত্র উনি দাবি করলেন উনি এসবই জানতেন। তাহলে নিশ্চয়ই এগুলো জানতে চাননি। :)

    এবার লিখতে হয় আপনি জানতে চান এক কাঠালের আমসত্ত্বের কথা অর্থাৎ ফেনোমেনলজিকাল এভিডেন্স -এর কথা।

    আপনি তো "ফেনোমেনা" 'আছে কি নেই" বলেননি। বললেন 'ফেনোমেনলজিকাল এভিডেন্স" "আছে কি নেই"। তা "ঈশ্বর" আর "ফেনোমেনলজিকাল এভিডেন্স" দুটোই আপনার যুক্তিমতেই এবসলিউট ত বটেই। "ইসলাম ধর্ম মতে সাধনা" বা "ক্রীশ্চান ধর্ম মতে সাধনা"- এটাও ওই ঈশ্বরের মতই জিনিস, যা দাঁড়াল। ওটা ডিফাইন না করা গেলে প্রমাণও করা যাবে না। আপনি তো আবার লীলাপ্রসঙ্গ মানবেন না, লীলামৃত মানবেন না। ১৮৬৬ খীষ্টাব্দে গোবিন্দ রায়ের সাথে রাকৃর যে সাক্ষাৎ হয় তা আপনি ১৮৮২ থেকে ১৮৮৬ পর্যন্ত মহেন্দ্র গুপ্তের সামনে হওয়া কথাবার্তায় না পেলে মানবেন না। আপনি হৃদয়ের কাছ থেকে জানা সেই সময়ের ঘটনা যা সারদানন্দ লিপিবদ্ধ করেছেন তাও মানবেন না। এদিকে সেই ১৮৬৬ তে তো উনি কোনো ভক্ত টক্ত ও তৈরি করেন নি যারা আবার ইতিহাস লিপিবদ্ধ করণে পারদর্শী। সুতরাং আপনার চাওয়া "ফেনোমেনলজিকাল এভিডেন্স" জিনিসটাও আনডিফাইনেবল হয়ে গেল। আগে ওটা ডিফাইন করুন তাপ্পর কথা এগনো যায়।
    =============================================================
    একক কী জানতে চাইছেন। এটা কি বাকীদের কাছে ক্লিয়ার? ক্লিয়ার হলে একটু সহজে জানানো হোক। কারন, Phenomenology, in Husserl's conception, is primarily concerned with the systematic reflection on and study of the structures of consciousness and the phenomena that appear in acts of consciousness. Phenomenology can be clearly differentiated from the Cartesian method of analysis which sees the world as objects, sets of objects, and objects acting and reacting upon one another.

    Husserl's conception of phenomenology has been criticized and developed not only by himself but also by students, such as Edith Stein and Roman Ingarden, by hermeneutic philosophers, such as Martin Heidegger, by existentialists, such as Nicolai Hartmann, Gabriel Marcel, Maurice Merleau-Ponty, Jean-Paul Sartre, and by other philosophers, such as Max Scheler, Paul Ricoeur, Jean-Luc Marion, Emmanuel Lévinas, and sociologists Alfred Schütz and Eric Voegelin. এই দার্শনিক গোল গোল গোল গোল ঘোরার মধ্যে একেবারেই ঢুকতে চাই না। ;)
  • Ekak | 212.*.*.* | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ১০:২৪516151
  • আপনি নিজে গীতা প্রেস থেকে প্রকাশিত কথামৃত টা আরেকবার পড়ুন। সম্পাদকের যোগ করা অংশেই পরিস্কার ভাবে ইসলাম ধর্মে সাধনা লেখা আছে। কথামৃতে মানে হিস মাস্টার্স ভয়েস এ কোথাও ইসলাম ধর্মে দীখ্হা -সাধনা কিস্যুই নাই। মানে রামকৃষ্ণ বলছেন আমি ইসলাম ধর্মে দীক্ষা নিয়েছি এবং শ্রী ম শুনছেন এরকম কোনো জায়গাই নেই। লীলামৃত তো রামকৃষ্ণের নিজের ভাষ্য ই নয়। বৈকুন্ঠ মল্লিক মশাই এর আপন মনের মাধুরী। আর শরত মহারাজ যা লিখেছেন ওগুলো গোলাপ মা র ভার্সন। রামকৃষ্ণ যখন সাধন করছেন তখন শরত সীনেই আসেন নি। যখন এসেছেন তখন বাচ্চা ছেলে। পরবর্তীকালে লেখার সময় বৃদ্ধা গোলাপ মার কাছে যা কাহিনী শুনেছেন তাই লিখেছেন। কোন দুক্ষে আমি লীলামৃত -গুরু শিষ্য এসব গ্রন্থ কে ফার্স্ট হ্যান্ড ডকুমেন্ট মানতে যাব ?

    আমার কাজ রামকৃষ্ণ সত্যি বলেছেন না মিথ্যে সেটা খোঁজা নয়। উনি যা বলেছেন এবং যা আচরণ করেছেন সেটা ধরে এগোনো এবং তার মধ্যে ইন্টিগ্রিটি খোঁজা। "সানকি তে খাওয়া " সংক্রান্ত কাহিনী টি কথামৃতে আছে, কিন্তু সেখানে রামকৃষ্ণ "দেড়েল মুসলমান " বলেছেন। মুহাম্মদ কোথাও বলেন নি। শ্রী-ম ব্র্যাকেটে জুড়েছেন। লীলাম্রিতে কোথায় আছে আপনি দেখান তো যে রামকৃষ্ণ কাওকে একটা বলছেন যে মুহাম্মদ কে দেখেছি।

    এই "লীলামৃত " ট্রাডিশন তাকেই প্রশ্ন করার জন্যে এত কথার অবতারণা। "লীলামৃত " ভারতে একটা নয়। অনেক আছে। চৈতন্য থেকে মীরা তাঁদের নামেও আছে। এগুলো ভক্তদের লাগামছাড়া মনের মাধুরী। ইভেন ভক্তমাল গ্রন্থের সঙ্গে চৈতন্য লীলামৃতের ভার্সন মেলে না। কেন প্রয়োজন হলো একটি কথামৃত থাকার পর আবার আরেকটি লীলামৃত লেখার রামকৃষ্ণের ক্ষেত্রে ? ভাবুন।

    একজন "সাধক " (এবার আবার পরে যাবেন উনি যে সাধক কোথায় লেখা আছে ) যাঁর চারপাশে সো৯র্বোদ এক গুচ্ছ তান্ত্রিক -ব্রাহ্ম -বৈসব ভক্তের আনাগোনা। রো৯জ তারা আসছে যাচ্ছে, ভক্তি-ভক্তের সমারোহ হচ্ছে সেখানে ..........ইসলাম ভক্ত বলতে গেলে কেন সবাইকে কেঁদে কঁকিয়ে ওই গোবিন্দ রায় আর লীলামৃতের কয়েকটা লাইন টানতে হয়। শ্রী ম কোনো ইসলামিক ভক্তের কথা লেখেন নি। কোনো সুফী সাধক রামকৃষ্ণের কাছে এসে বসে আছেন এমন বর্ণনা কথাও নেই। এবার যদি বলি ক্রিশ্চান ভক্ত রা কোথাও তখন আবার কেঁদে কঁকিয়ে সেই কবে নৌকো তে কুক সাহেব "ঠাকুর এর ভাবাবষ্ঠা দর্শন্পুর্বক চমত্কৃত হইয়াছিলেন " সেই গল্প শোনাতে হবে।

    আমি আগেও বলেছি, রামকৃষ্ণের অহিন্দু ধর্মে আকর্ষণ ছিলনা তা নয়। এই মানুষটির ধর্মীয় জ্ঞান আমি মানি না মানি এনার লেভেল অফ কিউরিয়সিটি নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু উনি হাতে কলমে অহিন্দু ধর্ম সাধনা ও ভক্তসঙ্গ করতে গেলে সেইসময় যে ক্লাস ও সোসাইটির ভক্তবৃন্দ ওনাকে ঘিরে থাকত তাদের চটিয়ে ফেলতেন। মন্দিরের চাকরি তো যেতই। কাজেই অন্য ধর্মের কাহিনী শ্রবণ ও চিন্তনেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রেখেছেন। আরও একটা বড় কারণ অনার সময়ে সকার-নিরাকার এর প্যাচাল টা কন্ট্রোল করা অনেক বেশি জরুরি ছিল কারণ উনি বেসিকালি ব্রাহ্ম ভক্তদের পুরাতন হিন্দু স্কুলে টানছিলেন। কাজেই যে অর্থে উনি হিন্দুধর্ম সাধনা করেছেন সেই অর্থে কোনকালেই অহিন্দু ধর্মগুলির সাধনা করেন নি। এটা বোঝার জন্যে "সাধনা " শব্দের মানে নিয়ে পাঁচ পাতা প্যাচাল পরতে হয়না। সাধনার জায়গায় এক্স বসিয়ে হিন্দু ধর্ম এক্স প্র্যাকটিস এ কি কি করেছেন কি এমাউন্ট এন্ড ফ্রিকোয়েন্সি তে তার সঙ্গে অহিন্দু ধর্মে এক্স এর এমাউন্ট -ফ্রিকোয়েন্সি চেক করলেই ধরা পরে।

    মুশকিল হলো। এসব বুঝেও আপনারা ওদিকে যাবেন না। কারণ পরবর্তীকালে পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতি তে রামকৃষ্ণ তথা রামকৃষ্ণ মিশন কে অহিন্দু ধর্ম দরদী হিসেবে তুলে ধরা সময় ও রাজনীতির সঙ্গে বেশ খাপ খায়। সেকুলার দের আরেকটা মুখ মিশন :) কে আর খন্রাখুঁড়ি করে !
  • PM | 116.*.*.* | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ১০:৪৭516152
  • একক যা চাইছেন তা হলো রামকৃষ্ণের পারসোনাল ডায়েরী ঃ)। ওটা আজ ও পাওয়া যায় নি। নিরক্ষর ওরকম ডায়েরী কিছু লিখে গেছেন কিনা সেত নিয়েও সন্দেহ আছে ঃ)
  • Ekak | 212.*.*.* | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ১০:৫৬516153
  • শ্রী ম র লেখা কেই অনুলিখিত ডায়ারি মানা হয়। কারণ শ্রী ম যা শুনেছেন তাই লিখেছেন। নিজে অনেক কিছু যোগ করেছেন কিন্তু সেগুলো প্রশ্ন চিহ্ন দিয়ে, জনান্তিকে, ব্র্যাকেটে। এবার লোকে পুরোটা পড়ে কি ধারণা করবে নিজের ব্যাপার। কিন্তু শ্রীম রাম্ক্রিশ্নের বক্তব্য বলে উইদিন কোট যা লিখেছেন তা নিয়ে সন্দেহ অনেক কম। যদি কন্শাশ্লি পরেন ভক্তি স্রোতে না ভেসে :) মানে বাকি লিখিত সোর্স এর তুলনায়।

    ওই সময়ের কথা আরও বিভিন্ন সোর্স থেকে পড়ুন বুঝতে পারবেন। রামকৃষ্ণের মৃত্যুর পর রামকৃষ্ণ রিডাক্স গোছের একটা দোল হয়েছিল জানেন তো ? বড়লোক ভক্ত রা ঠাকুর কে নিয়ে নিল এইসব দাবি তুলে। আর প্রচুর রেফারেন্স পাবেন ডেইলি ট্রিবিউন পত্রিকায়। ওটাতে কেশব বাবু লিখতেন। ওগুলো ঘাঁটলেই ক্লিয়ার হবে একচুয়ালি কিরকম ক্লাস - ইকনমিক ব্যারিয়ার এর মধ্যে রামকৃষ্ণ পরমহংস নামক উত্থান টি ঘটে।
  • NB | 69.*.*.* | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ১৫:০৫516154
  • "আপনি নিজে গীতা প্রেস থেকে প্রকাশিত কথামৃত টা আরেকবার পড়ুন। সম্পাদকের যোগ করা অংশেই পরিস্কার ভাবে ইসলাম ধর্মে সাধনা লেখা আছে। "

    এই যে এতদিনে রেফারেন্স দিয়েছেন। গীতা প্রেস থেকে প্রকাশিত কথামৃত-র সম্পাদকের যোগ করা অংশ। অমি ওটা গীতাপ্রেসের সম্পাদকের ইন্টারপ্রিটেশন বললাম, এবং প্রমাণ করার / এভিডেন্স দেওয়ার কোনো দায় অনুভব করলাম না। যদি আদৌ কথাটা সেখানে থেকে থাকে। (একটা ছবি দিলে পারেন।) আমার কাছে রিফ্লেক্টের কথামৃত আছে আর তার সম্পাদকীয় নির্ঘাৎ গীতা প্রেসের সাথে মিলবে না। অমন হাজারটা প্রকাশনার কথামৃত পাওয়া যায়। সেসবে মনে হয় টেক্সটাই বিচার্য, সম্পাদকের বক্তব্য নয়। অন্তত সম্পাদকের বক্তব্যকে "ঢাকঢোল বাজিয়ে প্রচার করা হল" বলা যায় না।
    ------------------------------------
    "কথামৃতে মানে হিস মাস্টার্স ভয়েস এ কোথাও ইসলাম ধর্মে দীখ্হা -সাধনা কিস্যুই নাই। মানে রামকৃষ্ণ বলছেন আমি ইসলাম ধর্মে দীক্ষা নিয়েছি এবং শ্রী ম শুনছেন এরকম কোনো জায়গাই নেই। "

    "গোবিন্দ রায়ের কাছে আল্লামন্ত্র নিলাম। কুঠিতে প্যাঁজ দিয়ে রান্না ভাত হল। খানিক খেলুম। মণি মল্লিকের (বরাহনগরের) বাগানে ব্যান্নুন রান্না খেলুম" এ ত কথামৃতেই আছে। এবার এর ডিটেলসটা আপনি সারদানন্দের লেখা বৈকুণ্ঠ সান্ন্যালের লেখা না মানলে আর কোথায় মানবেন? লীলাপ্রসঙ্গে তো নিজের মনের মাধুরী নয়, একেবারে রামকৃষ্ণের মুখের কথা হিসেবে কোটেশন দিয়ে লেখা রয়েছে।
    ---------------------------------------
    "কোথায় আছে আপনি দেখান তো যে রামকৃষ্ণ কাওকে একটা বলছেন যে মুহাম্মদ কে দেখেছি। "

    কথামৃত কোট করছি, সম্পাদকের বক্তব্য নয়, শ্রীম-র লেখা টেক্সট থেকেই -
    গোবিন্দ রায় -- সুফী সম্প্রদায়ভুক্ত গোবিন্দ রায় ... একদা দক্ষিণেশ্বরের পঞ্চবটীর নিকট সাধনার স্থান নির্বাচন করেন। সেই সময় ঠাকুর তাঁহার ধর্মনিষ্ঠা এবং ভগবৎপ্রেমে আকৃষ্ট হন। তাঁহার সহিত ধর্মালোচনা করিয়া তিনি মোহিত হন এবং তাঁহার নিকট দীক্ষা গ্রহণ করিয়া ইসলাম ধর্ম সাধন করিয়া মহম্মদের দর্শন লাভ করেন।

    লীলাপ্রসঙ্গঃ "ইসলামধর্মসাধনকালে ঠাকুর প্রথমে এক দীর্ঘ শ্মশ্রুবিশিষ্ট, সুগম্ভীর জ্যোতির্ময় পুরুষপ্রবরের দিব্যদর্শন লাভ করিয়াছিলেন। পরে সগুণ বিরাট ব্রহ্মের উপলব্ধিপূর্বক তুরীয় নির্গুণব্রহ্মে তাঁহার মন লীন হইয়া গিয়াছিল।"

    লীলামৃতঃ রাতে মোবাইলে ছবি তুলে আপলোড করে দেব।
    ----------------------------
    "একজন "সাধক " (এবার আবার পরে যাবেন উনি যে সাধক কোথায় লেখা আছে ) যাঁর চারপাশে সো৯র্বোদ এক গুচ্ছ তান্ত্রিক -ব্রাহ্ম -বৈসব ভক্তের আনাগোনা। রো৯জ তারা আসছে যাচ্ছে, ভক্তি-ভক্তের সমারোহ হচ্ছে সেখানে ..........ইসলাম ভক্ত বলতে গেলে কেন সবাইকে কেঁদে কঁকিয়ে ওই গোবিন্দ রায় আর লীলামৃতের কয়েকটা লাইন টানতে হয়। শ্রী ম কোনো ইসলামিক ভক্তের কথা লেখেন নি। কোনো সুফী সাধক রামকৃষ্ণের কাছে এসে বসে আছেন এমন বর্ণনা কথাও নেই। এবার যদি বলি ক্রিশ্চান ভক্ত রা কোথাও তখন আবার কেঁদে কঁকিয়ে সেই কবে নৌকো তে কুক সাহেব "ঠাকুর এর ভাবাবষ্ঠা দর্শন্পুর্বক চমত্কৃত হইয়াছিলেন " সেই গল্প শোনাতে হবে। "

    ১২ বছর বিভিন্ন মতের পথে হাঁটার গল্প রয়েছে লীলাপ্রসঙ্গে। ১২৬২ থেকে ১২৭৩। ওর মধ্যেই দক্ষিণেশ্বরে রামকুমার, কেনারাম ভট্টাচার্য, হলধারি, ভৈরবী ব্রাহ্মণী, জটাধারী, তোতাপুরী এবং শেষে ৭২-৭৩ এ ইসলাম অর্থাৎ গোবিন্দ রায়। এই তো কয়জন। ১২ বছর ধরে। বৈষ্ণবচরণ, তৈলঙ্গস্বামী দক্ষিণেশ্বরে নয়। তা, এদের সবার কথা ৮২-থেকে ৮৬ তে রচিত কথামৃতে পেয়েছেন তো?

    কথামৃতের উপক্রমণিকায় আছে "শ্রীযুক্ত কেশব সেন যখন বেলঘরের বাগানে ভক্তসঙ্গে ঈশ্বরের ধ্যান চিন্তা করেন, তখন ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ভাগিনেয় হৃদয়ের সঙ্গে তাঁহাকে দেখিতে যান; ১৮৭৫ খ্রীষ্টাব। বিশ্বনাথ উপাধ্যায়, নেপালের ‘কাপ্তেন’এই সময়ে আসিতে থাকেন। সিঁথির গোপাল (‘বুড়ো গোপাল’) ও মহেন্দ্র কবিরাজ, কৃষ্ণনগরের কিশোরী ও মহিমাচরণ এই সময়ে ঠাকুরকে দর্শন করিয়াছিলেন।

    ঠাকুরের অন্তরঙ্গ ভক্তেরা ইং ১৮৭৯, ১৮৮০ খ্রীষ্টাব্দ হইতে ঠাকুরের কাছে আসিতে থাকেন। তাঁহারা যখন ঠাকুরকে দেখেন, তখন উন্মাদ অবস্থা প্রায় চলিয়া গিয়াছে। তখন শান্ত সদানন্দ বালকের অবস্থা। কিন্তু প্রায় সর্বদা সমাধিস্থ -- কখন জড়সমাধি -- কখন ভাবসমাধি -- সমাধি ভঙ্গের পর ভাবরাজ্যে বিচরণ করিতেছেন। যেন পাঁচ বৎসরের ছেলে। সর্বদাই মা! মা!

    রাম ও মনোমোহন ১৮৭৯ খ্রীষ্টাব্দের শেষ ভাগে আসিয়া মিলিত হইলেন; কেদার, সুরেন্দ্র তার পরে আসিলেন। চুনী, লাটু, নিত্যগোপাল, তারকও পরে আসিলেন। ১৮৮১-র শেষ ভাগে ও ১৮৮২-র প্রারম্ভ, এই সময়ের মধ্যে নরেন্দ্র, রাখাল, ভবনাথ, বাবুরাম, নিরনঞ্জন, মাস্টার, যোগীন আসিয়া পড়িলেন। ১৮৮৩/৮৪ খ্রীষ্টাব্দের মধ্যে কিশোরী, অধর, নিতাই, ছোটগোপাল, বেলঘরের তারক, শরৎ, শশী; ১৮৮৪-র মধ্যে সান্যাল, গঙ্গাধর, কালী, গিরিশ, দেবেন্দ্র, সারদা, কালীপদ, উপেন্দ্র, দ্বিজ ও হরি; ১৮৮৫-র মধ্যে সুবোধ, ছোট নরেন্দ্র, পল্টু, পূর্ণ, নারায়ণ, তেজচন্দ্র, হরিপদ আসিলেন। এইরূপে হরমোহন, যজ্ঞেশ্বর, হাজরা, ক্ষীরোদ, কৃষ্ণনগরের যোগীন, মণীন্দ্র, ভূপতি, অক্ষয়, নবগোপাল, বেলঘরের গোবিন্দ, আশু, গিরীন্দ্র, অতুল, দুর্গাচরণ, সুরেশ, প্রাণকৃষ্ণ, নবাইচৈতন্য, হরিপ্রসন্ন, মহেন্দ্র (মুখো), প্রিয় (মুখুজ্জে), সাধু প্রিয়নাথ (মন্মথ), বিনোদ, তুলসী, হরিশ মুস্তাফী, বসাক, কথকঠাকুর, বালির শশী (ব্রহ্মচারী), নিত্যগোপাল (গোস্বামী), কোন্নগরের বিপিন, বিহারী, ধীরেন, রাখাল (হালদার) ক্রমে আসিয়া পড়িলেন

    ঈশ্বর বিদ্যাসাগর, শশধর পণ্ডিত, ডাক্তার রাজেন্দ্র, ডাক্তার সরকার, বঙ্কিম (চাটুজ্যে), আমেরিকার কুক্‌সাহেব, ভক্ত উইলিয়ামস্‌, মিসির সাহেব, মাইকেল মধুসূদন, কৃষ্ণদাস (পাল), পণ্ডিত দীনবন্ধু, পণ্ডিত শ্যামাপদ, রামনারায়ণ ডাক্তার, দুর্গাচরণ ডাক্তার, রাধিকা গোস্বামী, শিশির (ঘোষ), নবীন (মুন্সী), নীলকন্ঠ ইহারাও দর্শন করিয়াছিলেন। ঠাকুরের সঙ্গে ত্রৈলঙ্গ স্বামীর কাশীধামে ও গঙ্গামাতার শ্রীবৃন্দাবনে সাক্ষাৎ হয়। গঙ্গামাতা ঠাকুরকে শ্রীমতী রাধাজ্ঞানে বৃন্দাবন হইতে ছাড়িতে চান নাই।

    অন্তরঙ্গ ভক্তেরা আসিবার আগে কৃষ্ণকিশোর, মথুর, শম্ভু মল্লিক, নারায়ণ শাস্ত্রী, ইঁদেশের গৌরী পণ্ডিত, চন্দ্র, অচলানন্দ সর্বদা ঠাকুরকে দর্শন করিতেন। বর্ধমানের রাজার সভাপন্ডিত পদ্মলোচন, আর্যসমাজের দয়ানন্দও দর্শন করিয়াছিলেন। ঠাকুরের জন্মভূমি কামারপুকুর এবং সিওড় শ্যামবাজার ইত্যাদি স্থানের অনেক ভক্তেরা তাঁহাকে দেখিয়াছেন।

    ব্রাহ্মসমাজের অনেকে ঠাকুরের কাছে সর্বদা যাইতেন। কেশব, বিজয়, কালী (বসু), প্রতাপ, শিবনাথ, অমৃত ত্রৈলক্য, কৃষ্ণবিহারী, মণিলাল, উমেশ, হীরানন্দ, ভবানী, নন্দলাল ও অন্যান্য অনেক ব্রাহ্মভক্ত সর্বদা যাইতেন; ঠাকুরও ব্রাহ্মদের দেখিতে আসিতেন। মথুরের জীবদ্দশায় ঠাকুর তাঁহার সহিত দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরকে তাঁহার বাটীতে ও উপাসনাকালে আদি ব্রাহ্মসমাজ দেখিতে গিয়াছিলেন। পরে কেশবের ব্রাহ্মমন্দির ও সাধারণসমাজ -- উপাসনাকালে -- দেখিতে গিয়াছিলেন। কেশবের বাড়িতে সর্বদা যাইতেন ও ব্রাহ্মভক্তসঙ্গে কত আনন্দ করিতেন। কেশবও সর্বদা, কখন ভক্তসঙ্গে, কখন বা একাকী আসিতেন।

    কালনাতে ভগবান দাস বাবাজীর সঙ্গে দেখা হইয়াছিল ঠাকুরের সমাধি আবস্থা দেখিয়া বলিয়াছিলেন -- আপনি মহাপুরুষ, চৈতন্যদেবের আসনে বসিবার আপনিই উপযুক্ত।

    ঠাকুর সর্বধর্ম-সমন্বয়ার্থ বৈষ্ণব, শাক্ত, শৈব ইত্যাদি ভাব সাধন করিয়া অপরদিকে আল্লা মন্ত্রজপ ও যীশুখ্রীষ্টের চিন্তা করিয়াছিলেন। যে-ঘরে ঠাকুর থাকিতেন সেখানে ঠাকুরদের ছবি ও বুদ্ধদেবের মূর্তি ছিল। যীশু জলমগ্ন পিতরকে উদ্ধার করিতেছেন, এ-ছবিও ছিল। এখনও সে-ঘরে গেলে দেখিতে পাওয়া যায়। আজ ওই ঘরে ইংরেজ ও আমেরিকান ভক্তেরা আসিয়া ঠাকুরের ধ্যান চিন্তা করেন, দেখা যায়।

    একদিন মাকে ব্যাকুল হইয়া বলিলেন, “মা তোর খ্রীষ্টান ভক্তেরা তোকে কিরূপে ডাকে দেখব, আমায় নিয়ে চ।” কিছুদিন পরে কলিকাতায় গিয়া এক গির্জার দ্বারদেশে দাঁড়াইয়া উপাসনা দেখিয়াছিলেন। ঠাকুর ফিরিয়া আসিয়া ভক্তদের বলিলেন, “আমি খাজাঞ্চীর ভয়ে ভিতরে গিয়া বসি নাই -- ভাবলাম, কি জানি যদি কালীঘরে যেতে না দেয়।”"

    তো, ৮২ থেকে ৮৬ কথামৃত রচনার সময় আপনি কোথায় "সর্বদা এক গুচ্ছ তান্ত্রিক -ব্রাহ্ম -বৈষ্ণব ভক্তের আনাগোনা। রোজ তারা আসছে যাচ্ছে, ভক্তি-ভক্তের সমারোহ হচ্ছে" - পেলেন যদি জানান।
    ---------------------------------------------
    ' যে অর্থে উনি হিন্দুধর্ম এক্স করেছেন সেই অর্থে কোনকালেই অহিন্দু ধর্মগুলির এক্স করেন নি। '

    -এই " অর্থ " টা আপনার ধারণা / ইন্টারপ্রিটেশন বা আপনার দেওয়া ডেফিনিশন। সেটা আপনি ক্লিয়ার করেছেন। "অন্তত মাঝে মধ্যে নুমাজ আদা করবেন তো নাকি ? দ্বীন এর পথে চলতে গেলে কোনটা সহি কোনটা গলত এসব মেনে চলবেন, বিগ্রহ ছোঁবেন না ইত্যাদি। " তো সেসব দেখা গেল উনি করেছিলেন। সারদানন্দেরও সাধনার নিজস্ব ধারণা / ডেফিনিশন ছিল। প্রথম অধ্যায় "সাধক ও সাধনা" অংশে উনি সেটা লিখেছেন। সে ডিফিনিশন থেকেও উনি স্যাটিসাফায়েড হয়েছেন।
    -----------------------------------------

    এবার "মুশকিল হলো এসব বুঝেও" আপনি শেষমেষ চাইবেন কোনো "ফেনমেনলোজিকাল এভিডেন্স" (সেটা কী জিনিস বোঝা যাবে না), সমস্ত আ্যভেইলেবল টেক্সট কে বাতিল করে দিয়ে। আমি স্বীকার করছি টেক্সটের বাইরে বেরোবার সাধ্যি আমার নেই। আপনি এই কথা "লীলাপ্রসঙ্গ লীলামৃত মানি না" গোছের ডিক্লারেশন আগেই দিয়ে দিলে এত কীবোর্ডচর্চা করতেই হত না। ঃ)
  • sm | 55.*.*.* | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ১৫:২২516155
  • একক, পাতি এঁড়ে তক্ক করছে।অর লেখাতে কুনো রেফারেন্স; যুক্তি কিছুরই বালাই নেই।
  • T | 116.*.*.* | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ১৫:৫০516156
  • নাহ, এন বির বক্তব্যে খুব কিচু জোরালো পাচ্চিনা।
    দুলিরাম অবশ্য লাফিয়েই চলেচে।
  • sm | 55.*.*.* | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ১৫:৫৭516157
  • জোরালো কিছু পাচ্ছনা, বাবাই ? তখন জোরালো কিচ্ছু নেই। এবার এট্টু বেই বেই কোলে এসো।
  • T | 116.*.*.* | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ১৬:০৪516159
  • হোচ্চে না। আরেত্তু জোরে নাপাও বাছা।
  • ক্কীআশ্চর্য | 116.*.*.* | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ১৬:১১516160
  • টি-ও কি ব্রাউনি পয়েন্ট স্কোর করতে নামল নাকি? :)
  • T | 116.*.*.* | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ১৬:১৪516161
  • নাহ। তা নয়। হাত ফস্কে ঃ-)
  • Ekak | 212.*.*.* | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ১৯:২৮516162
  • একটা ভুল তথ্য লিখে পরে খেয়াল হয়েছিল। তাই কারেক্ট করতে এলুম। শরত মহারাজের ভার্সন একচুয়ালি গনুর মার। অর্থাত যোগিন্দ্রমহিনী। গোপাল মা নন। ব্যাস। পরের উত্তরে একই চর্বিতচর্বন ছাড়া কিছু পাচ্ছিনা।
  • Darwin | 75.*.*.* | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ১৯:২৯516163
  • ওহে এসেম, প্রথমে তোমর প্রশ্ন ছিল মানুষের ব্রেন এমন সূক্ষ্ম হল কেমন করে। এখন আবার প্রশ্ন ঘুরিয়ে বলছ প্রাণ কে তৈরী করল??

    তো, ভগমানই যদি প্রাণ বানাবে, তো একবারেই মানুষের সূক্ষ্ম ব্রেন বানাল না ক্যান? কয়েক কোটি বছর লাগাল ক্যান?

    অবিশ্যি সকল মানুষেরই যে ব্রেনের বিবর্তন হয়েচে তা নয়। এই ধর না কেন, তুমিই তো আমার থেকে প্রায় দুশো বচ্ছর পরে জন্মেছ। তোমার ব্রেন কি আর ত্যামন সুক্ষ্ম হয়েছে?
    ইভলিউশন থিওরি তো তোমার মাথাতেই ঢোকে নাই।

    ভগমানের হাতের কাজ বলেই কি কোয়ালিটির এমন দশা???
  • Ekak | 212.*.*.* | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ১৯:৪০516164
  • ভগবানের কাজ বলায় মনে পড়ল :) মিলের জীবনী পড়েছিল রামকৃষ্ণের কোনো ভক্ত, একন নাম মনে পরছেনা। তো মিলের উপপাদ্য ছিল যে ওয়ার্ল্ড ইস নট প্রি প্ল্যান্দ। যদি প্রি প্ল্যান্দ হত তাহলে এরচে বেটার ওয়ার্ল্ড আমি ই বানাতে পারতুম। যথারীতি যে পড়েছে সে কিস্যু বোসেনি। গিয়ে রামকৃষ্ণ কে বলেছে। সেই নিয়ে একচোট বৈঠকি হাসাহাসি। তাঁর সৃষ্টি কে বুঝতে পারে ইত্যাদি।

    মাঝে মাঝে মনে হয় এতগুলো ভবদুলাল রাম্ক্রিশ্নের আসেপাশে না জুটলেই পারত :))
  • ইহা | 132.*.*.* | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ১৯:৪৩516165
  • ভগমানের ইভোলিউশনারি মডেল আর প্রোটোটাইপ মডেল। যেখান থেকে সফটওয়্যার ইঞ্জিনীয়ারিং চোথা মেরেছে।
  • sm | 53.*.*.* | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ২০:১৫516166
  • 1) Before 5 mya: In Africa, our ancestral lineage and the chimpanzee lineage split.

    2) Before 4 mya: The hominid Australopithecus anamensis walked around what is now Kenya on its hind legs.

    3) >3 mya: Australopithecus afarensis (“Lucy”) lived in Africa.

    4) 2.5 mya: Some hominids made tools by chipping stones to form a cutting edge. There were perhaps four or more species of hominid living in Africa.

    5) 2 mya: The first members of the Homo clade, with their relatively large brains, lived in Africa.

    6) 1.5 mya: Hand axes were used. Also, hominids had spread out of Africa and into much of Asia and Europe. These hominids included the ancestors of Neanderthals (Homo neanderthalensis) in Europe and Homo erectus in Asia.

    7) 100,000 years ago: Human brains reached more or less the current range of sizes. Early Homo sapiens lived in Africa. At the same time, Homo neanderthalensis and Homo erectus lived in other parts of the Old World.
    বাবা দরুইন, তোমার ব্রেন তা তো রাম ছাগলের স্তরে রয়েই গয়েছে। মানুষ এভলুশনের ইতিহাস I লক্ষ বছরের; সুতরাং তোমার কথায়,
    "তো, ভগমানই যদি প্রাণ বানাবে, তো একবারেই মানুষের সূক্ষ্ম ব্রেন বানাল না ক্যান? কয়েক কোটি বছর লাগাল ক্যান?"
    তাইলে কোটি কোটি বছরের ইতিহাস টা ভুল তো। ভালো করে পড়াশোনা করে; আলোচনা করতে এসো, কেমন !
  • dc | 132.*.*.* | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ২০:১৭516167
  • উফ্ফ বাপরে বাপ :d :d
  • sm | 53.*.*.* | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ২০:১৮516168
  • ওটা ডারউইন হবে।
  • sm | 53.*.*.* | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ২০:২৪516170
  • একক, ভুল ভাল বলেই চলেছে। NB রেফারেন্স তুলে তুলে অলরেডি দেখিয়ে দিয়েছে। তবু মচ্কাবনা বলে রাবিশ কিছু লিখে চলেছে।
    সুন্নত আবশ্যিক কিনা তাও বলতে পারেনি। আবশ্যিক হলে মেয়েদের জন্য কি নিদান?
  • AAAPP | 74.*.*.* | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ২০:২৮516172
  • বাচ্চারা, টই নুঙ্গা করে না। যাও ভাটে গিয়ে খেলাধুলো করো।
  • এইবারে | 132.*.*.* | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ২০:২৮516171
  • এনাকেও সংরক্ষণ করা হউক।
  • এই | 24.*.*.* | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ২০:৩০516173
  • এই smটা লেভেলে গাড়োল তো। এ মাল নাকি আবার ডাক্তার।
  • বেসিক্যালি | 24.*.*.* | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ২০:৩৬516174
  • sm এর খোপরিতে কিসুই ঢোকে নি। আবার এককের যুক্তিতে খুব অসুবিধে হচ্ছে তাই NBর অর্থহীন দামড়া দামড়া পোস্ট দেখে গদ্‌গদে সাপোর্ট দিয়ে অন্যদের ধমকে চুপ করাবার চেষ্টা করছে।
  • Darwin | 75.*.*.* | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ২০:৪২516175
  • আহাহা এসেম ভায়া, ইন্টার্নেট থেকে চাড্ডি টুকে দিলেই কি আর ব্রেনের সুক্ষ্মতা প্রমাণ করা যায়?
  • sm | 53.*.*.* | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ২০:৫৮516176
  • বাবা, ডারউইন, সেম সাইড গোল খেয়ে বসে আছ যে, বাবা! আর নিজের মুখে কত পাটকেল, ইত্যাদি প্রভৃতি।
  • sm | 53.*.*.* | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ২১:০৮516177
  • এই, বেসিক্যালি; এসব গুলো কি এককের তল্পিবাহক নাকি? একক নিজের যুক্তি নিজেই দিতে পারবে বলেই মনে হয়। খামকা দালালি করার মানে?
    গালা গালি দিয়ে বিশেষ কিছু লাভ হবেনা। বাচ্চারা ওসব করে থাকে।
    NB র , যুক্তি পসন্দ না হলে,নিজের মত করে লিখুন না।
  • dc | 132.*.*.* | ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ২১:২৩516178
  • ডাক্তার? সিরিয়াসলি??

    উরেব্বাপ।
  • sinfaut | 74.*.*.* | ০৫ এপ্রিল ২০১৬ ০৭:৩৫516182
  • কী বড় বড় পোস্ট! এর থেকে একটা প্রশ্নই স্ট্রাইক আউট করেছে বাকি সব ঘন্ট।
    ঐ যে ইয়ং বেঙ্গল সদস্যদের মৃত্যু বই বেরোনোর আগে হয়েছে বলে একটা পোস্ট ছিলনা এনবির? আর এককের বক্তব্য ছিল ই বে দের-ই প্রোজেক্ট ছিল এই বইগুলো, সম্ভবত। মানে একটা সম্ভাব্য থিউরি।
    তো এই কালের গোলমালটা একক কীভাবে ব্যাখ্যা করবে?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত মতামত দিন