এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • ভুত

    deepten
    অন্যান্য | ১৩ মার্চ ২০০৬ | ৩৯৬৭১ বার পঠিত | রেটিং ৩ (১ জন)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • arjo | ০৫ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৯:৪২498077
  • বেশ লাগল গপ্পোটা।
  • Tim | ০৫ ডিসেম্বর ২০০৮ ২০:০০498078
  • চমৎকার ঝরঝরে লেখা। লিখতে থাকুন।
  • kS | ০৫ ডিসেম্বর ২০০৮ ২১:০২498079
  • দ্বিতীয় ঘটনা।

    মায়ের দিদিমা (রত্নময়ী) বিধবা হন মাত্র বত্রিশ বছর বয়সে। তিন সন্তান নিয়ে সে সময় তিনি থাকতেন উত্তর কলকাতার বিডন স্ট্রীটের একটি বাড়িতে। এই ঘটনার সময়কাল ১৯৪২ থেকে ১৯৪৯। কলকাতা সহ সমগ্র ভারতবর্ষের বাতাসে তখন রাজনৈতিক দাঙ্গা, আন্দোলনের গন্ধ।
    এইরকম কোন এক আতঙ্ক ধরিয়ে দেওয়া রায়টের সময় রত্নময়ী তাঁর দুই কিশোরী মেয়েকে নিয়ে কলকাতা ছেড়ে বাঁকুড়ার দেশের বাড়িতে চলে যাওয়া স্থির করেন। একমাত্র ছেলে রয়ে যায় কলকাতার মেসবাড়িতে। আর বিডন স্ট্রীটের বাড়িটি রেখে যান অনেককালের পুরোনো ভাড়াটিয়া নবারুণ সাহার তত্বাবধানে। দায়িত্ব নেবার মত অন্য কোন বিশ্বাসী মানুষ তখন কলকাতায় তাদের ছিল না।
    নবারুণ বাবু নিজে সে বাড়ির দুটি ঘর ভাড়া নিয়ে থাকতেন। তাঁর ছিল নিজস্ব ব্যাংকের কারবার।

    এই ঘটনার প্রায় সাত মাস বাদে, রায়ট তখনকার মত শেষ হওয়ার খবর পেয়ে, রত্নময়ী সপরিবারে বিডন স্ট্রীটের বাড়িতে ফিরে আসেন, এবং দেখেন তাঁর প্রায় সমস্ত বাড়িটি অধিকৃত হয়েছে। জবরদখল।
  • Arpan | ০৫ ডিসেম্বর ২০০৮ ২১:৫১498081
  • বেথে আবারো গামা ছড়াল মনে হল। সমাপ্তি, না মণিহারা?

    কার কে মামাশ্বশুর বুঝতে আমারো ব্যপক অসুবিধা হয়। খালি সুধাময়ীকে রেফারেন্স ফ্রেম বানিয়ে গল্পটা পড়লাম। বেশ লাগল। :)
  • kS | ০৫ ডিসেম্বর ২০০৮ ২১:৫১498080
  • কীর্তিটি কাদের/ কার? জানা গেল শুধু জবরদখল নহে, গোটা বাড়িটির মালিক হয়ে বসে নতুন ভাড়াটিয়াও রেখে ফেলেছেন নবারুণ সাহা!
    রত্নময়ী তাঁর সঙ্গে আলোচনা করতে গিয়ে অপমানিত হয়ে ফিরে এলেন। নিজেদের বাড়িতেই সব অর্থে 'একঘরে' হয়ে থাকা শুরু হল। পাড়া- পড়শীর সাহায্য চেয়ে বিশেষ লাভ হল না। সে অঞ্চলের থানার দারোগা পর্যন্ত নবারুণ বাবুর বশ। শেষে নবারুণ বাবু চাপাচাপি করতে লাগলেন বাড়িটি তাঁর কাছে সস্তায় বেচে দেবার জন্য। দলিলটি তাঁর দরকার ভবিষ্যতের জন্য।

    রত্নময়ী রাজি হলেন না, কোর্টে মামলা ঠোকা হল। চলতে লাগলো 'তারিখ পে তারিখ'। এদিকে রত্নময়ীর সঞ্চয়ে ভাঁটা পড়ছে। দুটি মেয়ের বিয়ে দিতে হবে, ছেলেটিরও গতি হওয়া দরকার। আয় বলতে তখন শুধুই দেশের কয়েক বিঘা জমি থেকে আদায়, যা তখন প্রচন্ড অনিয়মিত হয়ে দাঁড়িয়েছে।
    এমতাবস্থায় একদিন রত্নময়ী বসে ছিলেন নিজেদের ঘরে, একা। মেয়েরা গেছে স্কুলে। এক অপরিচিত ভদ্রলোক এসে দরজার বাইরে দাঁড়ালেন। তারপর প্রশ্ন করলেন "এইটি কি মহেন্দ্রনাথ দত্ত মহাশয়ের বাড়ি?"
    রত্নময়ী তাড়াতাড়ি বেরিয়ে এসে তাঁকে জানালেন, তাই বটে। তবে তিনি আর বেঁচে নেই এবং বাড়িটিও হাতছাড়া হবার সমূহ সম্ভাবনা।
  • dd | ০৫ ডিসেম্বর ২০০৮ ২২:০৮498082
  • বা:।
    এ তো খাসা গপ্পো।
    সেকালের ভুতেরা ঐ রকমই নিষ্ঠাবান ও সাহসী ছিলো। ভাবুন, ঐ টুকুন একটা ছোট্টো মতম ভুত - কি রকম সাঁট বেঁধে প্রতিহিংসা নিলো। ডবল উসুল।

    শিক্ষামুলক গল্প। ঐ রকম উদ্যোগী ভুতেরা আজ বেঁচে থাকলে এই রকম সন্ত্রাসবাদ ছড়াতে পারতো না। পোটা ফোটার দরকারই হতো না।

    পরের গপ্পোটা শুনি।
  • siki | ০৫ ডিসেম্বর ২০০৮ ২২:২৯498083
  • মণিহারা।

    :-|
  • sayan | ০৫ ডিসেম্বর ২০০৮ ২২:৫৬498084
  • তারপর?
  • kS | ০৬ ডিসেম্বর ২০০৮ ০০:০০498085
  • ভদ্রলোক নিজের পরিচয় দিয়ে বল্লেন 'মহেন্দ্র আমার বিশেষ বন্ধু ছিল। আমরা আইন পড়েছি এক সঙ্গে। ওর সঙ্গে প্র্যাক্টিসও করেছি কয়েক বছর। তারপর আমি মাদ্রাজ চলে যাই। মহেন্দ্র যে এত অল্প বয়সে চলে গেছে, আমি খবর পাইনি কারো কাছে।'
    রত্নময়ী অপরিচিত কারো কাছে ভেঙ্গে পড়বার মত মানুষ ছিলেন না, কিন্তু ভদ্রলোকের সহানুভূতিশীল ব্যবহার ধীরে ধীরে তাঁকে তাঁদের বিষয় সংক্রান্ত সব বিপদের কথা বলিয়ে নিল।
    সব শুনে ভদ্রলোক বল্লেন 'দেখুন, অবস্থা যেরকম তাতে মিথ্যা আশ্বাস আপনাকে দেব না। পুরনো ভাড়াটে তুলে দেয়া আজকালকার দিনে খুব কঠিন কাজ, তার ওপর ইনি এমন প্রভাবশালী লোক। তবু, এখনো কলকাতার কোর্ট-কাছারিতে আমার কিছু পরিচিতি আছে। আমার কলকাতার বাড়ির ঠিকানাটাও দয়া করে লিখে রাখবেন। চেষ্টা করে দেখব যদি কিছু করতে পারি।'

    এই ঘটনার ঠিক ১০ দিন পর একদিন গভীর রাত্রে বাড়ি পালিয়ে গেলেন নবারুণ সাহা সপরিবারে। তাঁর ব্যাঙ্কে লালবাতি জ্বলেছে। এখনকার মতো তখনকার দিনে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের কোনো ব্যাপার ছিল না, অনেক প্রাইভেট ব্যাঙ্ক এরকম বিশাল লোকসানে চলে যেত। তখন পাওনাদার দের ভয়ে পালিয়ে বেড়াতে হত মালিকদের।
    যাই হোক, সে যাত্রা রক্ষা পেল রত্নময়ীর সংসার।

    এর দু-তিন মাস বাদে রত্নময়ী তাঁর ছেলেকে (মায়ের মামা) পাঠান সেই মাদ্রাজ ফেরত উকিল ভদ্রলোকের বাড়ি, ধন্যবাদ দিয়ে এটুকু জানিয়ে আসতে যে আর তাঁর সাহায্যের দরকার পড়বে না এই মুহূর্তে। উনি যেন আরেকদিন পায়ের ধুলো দেন।

    গল্প শেষ হয়ে এল।

    মায়ের মামা সেদিন সেই উকিল ভদ্রলোকের বাড়ি খুঁজে পেয়েছিলেন ঠিকঠাক ই। শুধু বৈঠকখানায় বসে জানতে পারেন সেই ভদ্রলোক, চিত্তরঞ্জন বসু মারা গেছেন ১৯৪০ সালে, মাদ্রাজেই।
  • kS | ০৬ ডিসেম্বর ২০০৮ ০০:১১497492
  • দুটো কথা:
    ১) ভদ্রলোকের মৃত্যুর কথা জানতে পেরে, রত্নময়ী নিজে গিয়ে দেখা করেন তাঁর ছেলের সঙ্গে, বৈঠকখানাতেই দেখেন ভদ্রলোকের মালাপরা ছবি। চিত্তরঞ্জন বাবুর বৃদ্ধা মায়ের সঙ্গেও কথা বলেন।

    ২) আর খানিক আগে মাকে জিগ্যেস করে দেখলাম পুরো ঘটনার সময়কাল ১৯৪২-১৯৪৬।

    (শেষ)
  • Hukomukho | ০৬ ডিসেম্বর ২০০৮ ০০:২৫497493
  • খাসা লেখা, ঝরঝরে বাহুল্যবর্জিত। পড়ে দারুণ লাগলো। থামবেন না মহায়, স্টক থেকে আরো দু একখান ছাড়ুন।
  • papiya | ০৬ ডিসেম্বর ২০০৮ ০০:৪২497494
  • গা ছম্‌ছম করছে
  • sayan | ০৬ ডিসেম্বর ২০০৮ ০০:৪৮497495
  • kS, আপনার লেখার স্টাইল খুব ভালো। গল্পের চরিত্রের মুখ দিয়ে সংলাপ বলানো আদপেই একদম সহজ নয় কিন্তু আপনার কলমে সেটা ফ্রীলি এসেছে। ওয়েল ডান। আরও লেখা চাই। দাবী রাখলাম।
  • Du | ০৬ ডিসেম্বর ২০০৮ ০১:০৬497496
  • দারুন লেখার হাত। আর গল্পটাও দুবারই শিউরে দেওয়া।
  • sayan | ০৬ ডিসেম্বর ২০০৮ ০১:১৩497497
  • এই দু'দি, ঐ পুঁচকে ভূতুটার নামধাম কিছু জানা গেল?
  • kS | ০৬ ডিসেম্বর ২০০৮ ০১:১৪497498
  • যারা এতক্ষণ ধরে উৎসাহ দিয়ে গেলেন তাদের সক্কলকে অনেক ধন্যবাদ। :)

    একটা সংশোধনী: ' এই ঘটনার ঠিক ১০ দিন পর একদিন গভীর রাত্রে বিডন স্টীটের বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেলেন নবারুণ সাহা সপরিবারে।'

    'ছেড়ে' শব্দটি মিস করে গেছিলুম।

    ভূতের গপ্প আরো আছে, তবে লিখতে অনেক সময় চাই যে। আর চাই mood :)
  • sayan | ০৬ ডিসেম্বর ২০০৮ ০১:২৩497499
  • লিখতে সময় কম লাগানোর সহজ উপায় -

    ১) নোটপ্যাডে লিখুন
    ২) এখানে চিপকে দিন
  • Blank | ০৬ ডিসেম্বর ২০০৮ ০১:২৭497500
  • দারুন হচ্ছে, আরো খান কয়েক লিখে ফেলুন, পাবলিক ডিমান্ড
  • rimi | ০৬ ডিসেম্বর ২০০৮ ০২:১৩497501
  • ওরে বাপ রে!! ভাগ্যিস ভূতে বিশ্বাস করি না! নয়ত হয়েছিল আজ রাতে ঘুমের দফারফা!

    তবে হ্যাঁ, আরো চাই।
  • Binary | ০৬ ডিসেম্বর ২০০৮ ০২:২৭497503
  • গপ্প দুটো-ই বেশ লাগল। লেখার মেজাজটা বেশ।
  • DEG | ০৬ ডিসেম্বর ২০০৮ ০৭:৫৬497504
  • বা: ছোটো বেলার শোনা ঘটোনা টা আবার পড়ে বেশ ভালো লাগ লো।
  • Tirtha | ০৬ ডিসেম্বর ২০০৮ ১০:১১497505
  • ভুত ছিল,আছে এবং থাকবে। যদিও আমরা বলি ভুত হলো অতীত, কিন্তু ভুতেরও ভবিষ্যত আছে।

    সালটা ১৯৭৬, গ্রাম পাঁতিহাল। আমি ক্লাশ সিক্স এ পড়ি। একদিন দুপুরে পাড়ার টিউব ওয়েলে জল আনতে গেছি। গ্রামে গ্রীষ্মের রোদে রাস্তায় কাক পক্ষী নেই। বালতিটা কলে রেখে সামনে মহুয়া গাছটার তলায় গিয়ে কিছুক্ষণ বসে ফিরে গেছি জল ভরতে। দেখি বালতিটা জলে ভরে রয়েছে অথচ কলের মুখটা শুকনো। দুরু দুরু বুকে বাড়ি ফিরলাম। কাউ কে কিছু বলতে পারিনি।
  • d | ০৬ ডিসেম্বর ২০০৮ ১০:২৮497506
  • কোয়েলী, চমৎকার লাগল। হইহই করে লিখে চলুন। জানা, না জানা সমস্ত গল্প লিখে ফেলুন।
  • siki | ০৬ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৩:০৩497507
  • তীর্থর ব্যাপারটা তবু এক্সপ্ল্যানেব্‌ল। হয় তো জল ভরেই মহুয়া গাছের তলায় বসেছিলেন, খেয়াল নেই। আর কাঠফাটা গ্রীষ্মে কলের মুখ খুব তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাওয়াটা খুব আশ্চর্য নয়।
  • tirtha | ০৬ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৪:২৮497508
  • আচ্ছা একসঙ্গে দুজন বা তিনজনে একই ভুতকে যদি কেউ দেখে থাকেন তবে লিখুন। প্রমান করা যাবে ভুতের অস্তিত্ব।
  • Abhyu | ০৬ ডিসেম্বর ২০০৮ ২০:৫৮497509
  • শিব্রাম ভূতে বিশ্বাস করতেন না।

    একটা ভূত একবার ওনার দশ টাকা মেরে দিয়েছিল, সেই থেকে...
  • ranjan roy | ০৬ ডিসেম্বর ২০০৮ ২৩:৩২497510
  • আমার পেত্নীর আলিঙ্গনের গল্পটা এখানে সব্বার শোনা হয়ে গেছে। কাজেই রিপিট করছিনা, যদিও পুরনো গ্রামাফোনের ফাটা রেকর্ডে পিন আটকে যাওয়াটা বুড়ো হওয়ার একটি বিশেষ লক্ষণ।
    আচ্ছা, তীর্থ ও পাতিহাল? একি গড়বেলিয়া- মুন্সীরহাট-পাতিহাল? গড়বেলিয়া আর সি মান্না ইনস্টিটুশনে পড়েছ কি?
  • shyamal | ০৭ ডিসেম্বর ২০০৮ ০০:৪৪497511
  • অভ্যু একটু ভুল।
    শিবরাম বলেছেন, আমি ভুতে বিশ্বাস করি, কিন্তু ভুতকে বিশ্বাস করিনা।
  • tirtha | ০৭ ডিসেম্বর ২০০৮ ০৭:২৪497512
  • মিস্টার রায়:
    ঠিক ধরেছেন এই সেই মুন্সীরহাট- পাঁতিহাল। তবে আমি পড়াশোনা করেছি পাঁতিহাল দামোদর ইন্সটিটিউশনে। পরে মাধ্যমিক দিয়েছি হালিশহরে এসে রামপ্রসাদ বিদ্যাপীঠ থেকে ১৯৮১ তে।
    আমার মনে হয় আজও ওখানে অনেক ভুত
    প্রত্যক্ষদর্শীর সন্ধান পাওয়া যেতে পারে।
  • c | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ০১:৩৮497514
  • অভ্যু,
    ভুতে শিব্রামের টাকা মারলো কেন? ভুতের কি টাকা লাগে? ভুত সেটা দিয়ে কি করলো?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে মতামত দিন