এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • এঁচোড়েপক্ক টক

    byaang
    অন্যান্য | ০৫ এপ্রিল ২০১২ | ২৬৮৩০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:২৭537886
  • কালমেঘের রসই কালপ্রিট।
  • byaang | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:২৮537892
  • যা: বাবা এই ব্রতীনটা নিজে ভালো করে না পড়ে পোস্ট করে। কখন বল্লাম যে আমার সেলাই আমি করতাম। আমি তো বললাম যে আমার সেলাই অন্যর করে দিত। আর আকার স্বভাবটা হল একটা শেয়াল ডাকলেই অম্নি হুক্কাহুয়া করা।
  • pipi | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:২৮537891
  • ইইক! ব্যাংএর সাথেও তো দেখি কি মিল! কি মিল! সব্বারই লাইফে কিছু না কিছু একটা প্যাশন থাকে। আমার মা'র প্যাশন ছিল আমায় পেটানো। কারনে বা অকারণে। অবশ্য অকারণগুলোও মা'র চোখে কারণ ছিল তো বটেই। দড়ি দিয়ে বেঁধে থ্যাঙানি খেয়েছ কেউ? গরুর মত? অথবা খুন্তি ছ্যাঁকা? আমি তাও খেয়েছি। কারণ শুনলে লোকে নিগ্‌ঘাত গালে মাছি হবে। ঐ জন্যই তো কখনো কিচ্ছুটি হারাই নি বা ভাঙি নি। মানে, কী দরকার বাবা ইসেকে সাঁকো নাড়া আবার।
  • Tim | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:২৯537893
  • দাঁড়াও বোতিন্দা ইজের খুঁজছে এখন। অ বোতিন্দা, পেলে?
  • kk | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:৩১537895
  • আরে আমার মা আমাকে কক্ষণো মারেনি, বকেনি, চোখ পর্য্যন্ত পাকায়নি কোনদিন। তবু আমি কিচ্ছুটি হারাতাম না। এখনও হারাইনা। কিন্তু আমার ছোড়দি আবার পরীক্ষার সময়ে খাতা, পেন্সিলবক্স থেকে শুরু করে মাধ্যমিকের অ্যাডমিটকার্ড সবই তিন চারবার করে হারাতো (পাইএরই যমজ বোন আর কি! দেখতেও একেবারে একই রকম), আর সেগুলো আমাকেই খুঁজে দিতে হতো!
  • hu | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:৩১537896
  • আমার মা কিন্তু আমার ইশকুলে পড়াতো না। আমার জন্মের আগে মা এই ইশকুলে কিছুদিন পড়িয়েছিল। তাই মায়ের এত বন্ধু। আর নিজেও এই ইশকুলেই পড়েছে ছোটবেলায়। তাই পুরোনো দিদিমনিরা অনেকে মায়েরও দিদিমনি।
  • byaang | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:৩১537894
  • পিপি, আয় ভাই গলা জড়িয়ে কাঁদি দুইবোন। দড়ি দিয়ে বেঁধে হাওয়াই চটি দিয়ে পিটুনিটা আমি প্রায়ই খেতাম। কাঁদলে যাতে কান্নার আওয়াজ আশপাশের বাড়ি অব্দি না যায়, মুখে তাই রুমাল গোল্লা পাকিয়ে গুঁজে দেওয়া হত। খুন্তির ছ্যাঁকাটাও খুবই কমন ছিল। স্কেলের বাড়ি তো দুধভাত। কী করে বেঁচে আছি অত মার খেয়েও সেটাই ভাবি।
  • Tim | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:৩২537897
  • এগুনো ঢপ বলে সন্দেহ হয়
  • Tim | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:৩২537898
  • ব্যাঙদির অত্যাচারের বন্নোনা দেখে বললাম।
  • pi | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:৩৩537297
  • আমি যে কেন কেকেদির যমজ বোনকে দিদি হিসেবে পেলুম না :(
  • byaang | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:৩৩537296
  • পিটোতে পিটোতে যখন হাঁফিয়ে যেত তখন চুলের মুঠি ধরে দেওয়ালে ঠাঁই ঠাঁই করে মুন্ডু ঠুকে দিত। তারপর বাথরুমে নিয়ে গিয়ে বন্ধ করে দিত আলো নিভিয়ে।
  • byaang | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:৩৪537298
  • সে ভাবতেই পারিস, তিমি। কী আর বলব। বাচ্চা ছেলে, বিপুলা পৃথিবীর কতটুকুই বা দেখেছিস!
  • Nina | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:৩৭537300
  • আচ্ছা আমার গপ্পও সব এই ধরণেরই --কিন্তু আশ্চর্য্য হচ্ছি সব্বাই ছেলেমেয়েদের কাছে কত্ত এক্ষপেক্টেশন :-০ আমার মাতো বলত--তাও আবার ওদের সামনেই
    তোমার তুলনায় তো ওরা দেবশিশু:-x
  • pipi | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:৩৭537299
  • মোট্টেও ঢপ নয়! এই এই একই জিনিস তো আমার সাথেও হত। মাস্টার্স করতে বেরিয়ে গিয়ে পরিত্রাণ পেয়েছিলাম। নইলে কলেহ অবধিও রোজ ঐ ঢিপঢাপ দুধভাত ছিল। নেহাত মুখে রুমালের গোল্লাটা গোঁজা হত না কারণ বড় তেএঁটে ছিলুম তো। তাই টুঁ শব্দটিও করতাম না। তাতে করে ঐ গরুর মতই মার খেতাম আরো।
  • pipi | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:৩৮537301
  • ঠিক। ঐ ঠাঁই ঠাঁই মুণ্ডু ঠোকা আর তারপরে ঘরের বাইরে বার করে দেওয়া - এহ একদম খাপে খাপ!
  • nk | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:৩৯537302
  • আর আমার মা আমাকে টোকাটিও দিতে পারে নি বলে খুব আফশোস করেন, ধরতে এলেই আমি ঘ্যাচাং ফু করে দৌড়ে হাওয়া। :-)
    আমার প্রোকেটারনী ছিলেন মারাত্মক ক্ষমতাশালিনী মহিলা, মা তেনার সামনে কেঁচো।
    পরবর্তীকালে প্রোটেকটারনী স্বর্গে গেলে আমাদের অনেক লড়াই হয়েছে, সব ভার্বাল। ঝগড়া করতে করতে ভাষার উপরে যে কী ভালো দখল আসে সে যে না ঝগড়েছে, সে বুঝতে না। শুধু তাই না বেশ মনের ব্যায়াম ও ক্ষুধাবৃদ্ধি ও হয়, বেশ আত্মবিশ্বাসও বাড়ে। :-)

    যেসব বাপ মা বাচ্চাদের পেটাতো ম্যানেজ করতে না পেরে, তেনাদের সবাইকে ধরে কোনো রিহ্যাবে পাঠানো, কেমন করে বাচ্চা ম্যানেজ কত্তে হয়" এই কোর্স করানো দরকার বলে মনে হতো। এখনো হয়। তবে কাজ নাও হতে পারে, খুব সম্ভব এই বাপ মায়েরাও ছোটোবেলা মারধোর খেয়ে বড় হয়েছেন, তারই জের টেনে সন্তানে সেগুলো বর্তিয়ে দিচ্ছেন, সেই সন্তানরাও কালে তাই করবে, এন্ডলেস সাইকেল চলবে।
  • byaang | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:৪১537304
  • ঘরের বাইরে আমাকে প্রায়ই বার করে দিত, আমি পুকুরপাড়ে গিয়ে কখন বাবা ফিরবে, সেই আশায় দাঁড়িয়ে থাকতাম, বাবা বাড়ি ফিরলে গুটি গুটি বাবার হাত ধরে বাড়ি ফিরতাম। তখন তো মায়ের ঝাড় খাওয়ার পালা। আমি যখন চাকরি করি তখন আমাকে শেষবার বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। এক হপ্তা এক ঠাকুমার বাড়ি থেকেছিলাম সেযাত্রা। কেউ তখনো একা মেয়েকে বাড়িভাড়া দিত না কোলকাতায়।
  • Nina | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:৪১537303
  • আমার মা তো ইশকুলের দিদিমনি ছিলেন --পরে আবার ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াতেন--ইশ্‌কুলের কোনো দিদিমনি ছুটিতে থাকলে সেটা ম্যানেজ কত্তেন---
    মা কিন্তু একেবারে মারতে পারতেননা--আহারে খুব জ্বালিয়েছি রে এখন বড় কষ্ট হয়।
  • hu | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:৪২537305
  • তবে সত্যের খাতিরে জানিয়ে যাই গায়ের জোরটা আমার ওপর অতটা ফলাতে হয় নি। আর তার দরকারই বা কি! যেখানে চোখ পাকালেই বা মুখ গম্ভীর করলেই কাজ হয়ে যায় সেখানে আর হাত ব্যাথা করার প্রয়োজনটাই বা কি!
  • byaang | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:৪৩537307
  • দেখাই যাচ্ছে, আমার মা আর পিপির মা যমজ বোন, ছোটোবেলায় কোনোভাবে ছিটকে গিয়েছিল দুইজনে দুইদিকে।
  • nk | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:৪৪537308
  • আমি হলে সেই ঠাকুমার বাড়িতেই থেকে যেতাম। ঠাকুমা কি তখনো বেঁচে ছিলেন? তাইলে তিলের নাড়ু মোয়া তক্তি এসবও ফাউ পাওয়া যেতো, এক ঢিলে দুই পাখি। :-)
  • Nina | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:৪৫537310
  • নিশি বাবা মা একটি টিকাও দেননি আমায় কিন্তু আমি তো ছেলেকে রামক্যালান কেলিয়েছি :-((
  • byaang | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:৪৫537309
  • আরে সেই ঠাকুমাই আমার মায়ের কুম্ভীরাশ্রুতে ভুলে আমাকে বগলদাবা করে ট্যাক্সিতে তুলে বাড়ি পৌঁছে দিয়ে গেলেন।
  • rimi | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:৪৬537311
  • এইব্বর আমি নির্মোহ ব দিই। সম্প্রতি পড়লাম এই সব মারধোর বকাবকি হল গিয়ে যাকে পশ্চিমী দেশে বলা হয় authoritarian parenting। যেটা এশিয়ান কালচারে খুব বেশি দেখা যায়। মানে চাইনিজদের ক্ষেত্রেও এক কেস।
    তাই ব্যাং,হু, পিপি যারা মার খেয়েছো দু:খু করো না। ইহা আমাদের কালচারাল হেরিটেজ। আর আমি মার না খেলেও বকা যা খেয়েছি তা পশ্চিমী দুনিয়ায় ভার্বাল অ্যাবিউজ বলে গণ্য হইবে।
  • Nina | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:৪৭537313
  • উল্টে মাকেই শোনাতাম--চাণক্যবাণী
    লালনে বহুবা দোষ
    তাড়ণে বহুবা গুণ:
  • hu | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:৪৭537312
  • ইশ নিশি! আমারও যদি একটা প্রোটেকটার থাকত! কারোর সামনেই তো মা-কে কেঁচো হতে দেখলাম না। শুধু একবার ক্লাস টুতে পড়ার সময় আমার বয়কাট করে চুল কেটে দিয়েছিল বলে ঝাড়া দুঘন্টা কেঁদেছিলাম। তখন খুব ঝাড় খেয়েছিল মা তার বাবার থেকে। সেই বাবাটিও স্বর্গে গেলেন। মাও আর কাউকে পাত্তা দিলেন না।
  • nk | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:৪৮537314
  • আমি অনেক জায়্‌গায় দেখেছি যেসব বাপ মা বাচ্চা পেটায়, তারা নিজেরা কোথাও না কোথাও খুব ইনসিকিওর। পাশের বাড়িতে দেখতাম এক বাপ ছেলেকে পড়াতে বসিয়ে প্রায়ই পেটাতো, নিজেই জিনিসগুলো বোঝাতে পারতো না, তাই সেটা আড়াল করতে পেটানোর আশ্রয় নিতো। প্রচুর মাকে ও দেখেছি, "দরবারে না পাইলাম ঠাই, ঘরে আইয়া বাচ্চা কিলাই" টাইপের কেস। সংসারে বেশীরভাগ জায়্‌গাতেই হেরো, বাচ্চা পিটিয়ে মনের সুখ করতেন।
    এইসব কেসে আমার তো মনে হয় রীতিমতন রিহ্যাব প্রয়োজন।
  • pipi | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:৫০537318
  • ঘরের বাইরে বার করে দিলে আমার ভারী মজা হত। মানে, বেশ দিব্যি একটু ঘুরে বেড়িয়ে ফুরেফুরে হাওয়ায় প্রাণ জুড়িয়ে ফের বাড়ি ফিরতাম। অবশ্য তাতে করে ফেরার পরে নির্লজ্জ বেহায়া এই বিশেষণগুলোও জুটত। তবে অত গায়ে মাখতে নেই। এই যেমন হাজার রাগ ঝাল গালের পরেও কেউ আমায় ভাতের পাতে আজ অবধি রাগ কত্তে দেখে নি:-) তবে একবার, তখন বেশ ছোট ছিলাম, বের করে দেবার পরে ঘুরতে ঘুরতে স্টেশন গিয়ে এই ট্রেনটা কোথায় যায়, ঐ ট্রেনটা কোথায় যাবে এইসব প্রশ্ন করে লোককে জালাছিলাম। তাতে করে কেন জানি না লোকের সন্দেহ হল। খানিক পরে দেখি স্টেশন মাস্টারের ঘর থেকে হুড়মুড়িয়ে লোক এল আমায় দেখতে। অনেকেই বাবাকে চিনত। কেমন একটা হল্লা তুলে গোল পাকিয়ে শেষটায় একজন আমায় বাড়ি পৌঁছে দিল। অ মা! শুনি নাকি আমি বাড়ি থেকে পালাচ্ছিলাম! বোঝ! কাকে বোঝাই আমি মোটেও পালাচ্ছিলাম না তো! ছি! মার খেয়ে কেউ পালায় না কি! তবে তারপর থেকে বের করে দেওয়াটা কমে গিয়েছিল:-)
  • Nina | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:৫০537316
  • নিশি :-))
    আমারটা নিশ্চই এই কেস--এতদিনে বুইলাম---নইলে যে নিজে মার খায়নি সে ছেলেকে কেন পেটাত !
  • byaang | ০৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:৫০537315
  • নিশিকান্তর সব কটা পোস্টে বড় বড় ক্ক দিলাম। আমি তো কয়েকদিন আগেই ভাটে লিখেছিলাম যে যারা নিজেরা ছোটবেলায় পিটুনি খেয়ে বড় হয়, তারা বাবামা হয়ে ছেলেমেয়েকে পেটাতে শুরু করে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে মতামত দিন