এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • ভুত

    deepten
    অন্যান্য | ১৩ মার্চ ২০০৬ | ৩৯৬৪৭ বার পঠিত | রেটিং ৩ (১ জন)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • kS | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ০১:৪২497515
  • হ্যাঁ হ্যাঁ গল্পটা শুনি
  • pi | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ০২:৪৯497516
  • এখনো তেনাদের চোখে দেখিনি, শুধু (যেন) চরণধ্বনি শুনেছি।
  • kS | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৬:৫৪497517
  • দু -একটা খুদে গপ্প বলি।

    প্রথম গপ্প।
    ----------------

    মহুয়া মাসির কাছে ছোটবেলায় গান শিখতুম। তিনি বলতেন যে, তিনি জীবনে বহুবার ভূত দেখেছেন। তাঁর মামারবাড়ি ছিল উত্তরপাড়ার এক প্রাচীন অঞ্চল, ব্যানার্জি পাড়ায়। সেই মামার বাড়ির সব জীবিত মানুষ নাকি মোটমুটি ও বাড়ির সব মৃত মানুষদের অবাধ আনাগোনায় অভ্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। কীরকম?

    সেই বাড়ির কলঘরে যেতে হত মস্ত উঠোন পার হয়ে।
    সেই উঠোনের ওপর দিয়ে যেতে যেতে অনেকেই নাকি দেখেছে বাড়ির রাঙ্গামামিমা কে, চওড়াপাড় সাদা শাড়ির ঘোমটা টেনে দ্রুত পায়ে চলে যাচ্ছেন রান্নঘরের দিকে, সঙ্গে মিলতো পানের গন্ধ ও তীব্র গন্ধ বেনারসী ১২০ জর্দার, যে জিনিস ও বাড়িতে তিনি ছাড়া কস্মিনকালে কেউ খেতেন না। তিনি নাকি রাঁধতেন ভারি ভালো। আলুপোস্ত, কলাইয়ের ডাল, জলপাইয়ের চাটনী।
    রাঙ্গামাইমা মারা গেছিলেন মহুয়া মাসিরা ছোট থাকতেই, কিন্তু তাঁকে নাকি দেখা যেত প্রায়ই। কখনো কখনো পানের কৌটো অথবা জাঁতি হাতে! কেউ ডাকলে ভ্রুক্ষেপ করতেন না, যেন এখনো তাঁর অনেক পদ রান্নার কাজ পড়ে আছে, বাজে বকবক করবার সময় নেই।

    সেই উঠোনেরই এক কোনায় মাঝে মাঝে পাওয়া যেত সুন্দর অম্বুরী তামাকের গন্ধ, সে তামাক খেতেন ছোটদাদু। অকৃতদার। এই একটি শখ ছিল তার। তামাকটি চাই দামী। মারা যাবার পরেও সে তামাক তিনি কোথা থেকে জোগাড় করতেন জানা যায়না, শুধু চাঁদনী রাতে উঠোনের পারে দেখা যেত তাঁর দীর্ঘ নশ্বর শরীরের দীর্ঘতর ছায়া, মাঝে মাঝে পায়চারি করছেন, কখনো বা স্থির দাঁড়িয়ে, যেন চাঁদ দেখছেন একাগ্রচিত্তে। ছোটদাদুর ছায়া সবাই চিনত, বাড়ির চাকর বাকর রাও চিনে গেছিল, কেউ ভয় পেতনা বিশেষ। অনেকদিন সে ছায়া ও গন্ধের হদিশ না মিল্লে, দু:খিত ভাবে বলে ফেলত 'বাবু আসেননা অনেককাল ইদিকপানে, বরাবরের জন্যি বৈকুন্ঠলাভ হই গেল কিনা কে জানে!'

    তো, সে বাড়ির মেজমামা এসব জিনিস বহুবার দেখেও, একবার খুব ভয় পেয়ে গেছিলেন, কেন কে জানে। বলছি গল্পটা।
  • Blank | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৬:৫৯497518
  • অপেক্ষায় ...
  • san | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৭:৪৪497519
  • আরে তারপর কি হল !!!!!!!
  • kS | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৮:৪৫497520
  • মেজমামার ছিল টবের বাগান, ছাদের ঘরের পাশে।
    সেদিন আপিস থেকে ফিরেছেন বেশ দেরী করেই। সন্ধ্যা হয়ে গেছে। জলখাবার খাবার সময় হয়ে গেল বলে ডাকাডাকি করতে লেগেছে সবাই। মেজমামা মাথা নেড়ে জানিয়েছেন যে তাঁর আদরের ফুলগাছগুলিকে বরাদ্দ জলটুকু না দিয়ে তিনি খেতে পারবেন না।
    রোজকার মত বড়মামার ছেলে চন্দন কে ডাকা হল। ছাদের ঘরের অন্যপাশে যে জলের ট্যাঙ্ক, তার কল খুলে বালতিতে জল ভরে ভরে দিতে হয় চন্দনকে। মেজমামার কোমরে ব্যাথা, লোহার বালতি বইতে পারেন না।

    যা হোক, আধো অন্ধকারেই ফুল গাছে জল-টল দিয়ে মেজমামা নিচে চলে এলেন। হাত ধুয়ে খেতে বসবেন, শোনেন চন্দন খেয়ে থালা নামাতে নামাতে বলছে 'বাতের ব্যাথা সেরে গেল তোমার? কার ওষুধ খাচ্চ? ঠাম্মা জিগ্যেস করছিল '
    - মানে? কেন রে? ব্যাথা তো সারেনি!
    - বা:, আমায় বল্লে যে নিচে চলে আসতে, আজ নিজেই জল নিতে পারবে বল্লে তো?
    - আমি বল্লাম?
    - নাতো কে?
    - তুই জল ভরে ভরে দিলি না আমায় আজ মগে করে?
    - দূর বাবা, খেয়ে নিলাম তো নিচে এসে, জল ভরলাম কোথায়! তুমিই তো বল্লে--

    সবাইকে জিগ্যেস করা হল, কেউ যায়নি ছাদে। চন্দন সত্যিই অনেক্ষন আগে এসে খেতে বসে গেছিল। মেজমামার বাতের ব্যাথাও লোহার বালতি বইবার মত কমে যায়নি মোটেই, যে মনের ভুলে বয়ে ফেলবেন; তাঁকে ধরে ধরে ওঠাতে বসাতে হয় সর্বক্ষন। নিচু হয়ে মগে করে জল নিতেও কষ্ট হয় তাঁর।

    মহুয়া মাসি তখন ছোট মেয়ে, পাশেই বসে লুচির থালা নিয়ে। দেখেছিলেন গল গল করে ঘামছেন মেজমামা আর বার বার বলছেন 'আমাকে তাহলে পেছন থেকে এতবার করে জল ভরে দিল কে? আমি তো না দেখেই তার হাত থেকে মগ নিয়ে গেলাম!
    চন্দনকেই বা আমার গলা করে কে বল্ল নিচে যেতে?
    কে এসেছিল? কে এসেছিল?"
  • siki | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৮:৫২497521
  • গায়ে কাঁটা দিল।

    উরেবাবা, আপনাকে তো কালটিভেট কত্তে হচ্ছে মশাই!
  • Blank | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৯:০৪497522
  • ব্যাপক গপ্প
  • san | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৯:০৬497523
  • চমৎকার।

    আরো হোক।
  • sayan | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৯:৪৭497525
  • ভূতের গল্পের ফাটাফাটি কালেকশান। চালিয়ে যান মশাই। পড়বার জন্য গলা লম্বা করে বসে রয়েছি।
  • hukomukho | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ২১:০৩497526
  • ফাটাফাটি!!! কোন কথা হবে না, চালিয়ে যান মশাই। বহুদিন বাদে বেশ লাগছে গপ্পো শুনতে, আর আপনার লেখার হাত যে অতি চমৎকার সে কথাতো আগেই বলেছি।
  • c | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ২১:৪৪497527
  • এ যে সেই রামপ্রসাদের বেড়াবাঁধার মতন!
    বা:, খুব সুন্দর! চমৎকার!
  • a x | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ২১:৫৪497528
  • আমি এই থ্রেডটা আর পড়বনা। পরপর দুই রাত ভুতের স্বপ্ন দেখেছি। :-S
  • d | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ২২:০২497529
  • অনেক অনে-এ-কদিন বাদে ভুতের গল্প পড়তে দারুণ ভাল লাগছে কোয়েলী। জমিয়ে লিখুন।
  • ranjan roy | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ২২:১০497530
  • আমি পরশুরামের গল্পের অংকের অধ্যাপকের মত মানি যে ভগবান = ০, আর ভূত=\/(০)।
    কিন্তু কাল রাত্তির দুটোর সময় KS এর গল্পগুলো পড়ার পর আড়চোখে দেখচিলাম --অন্ধকার ব্যালকনি আর তার ওপাশে বাতাসে নড়া আমগাছের ডাল।
  • kS | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ২২:৩৮497531
  • তার পরের গপ্প
    -----------

    জানিনা এই গল্পটা এখানে কেউ জানেন কিনা। এটা সত্যি ঘটনা হিসেবে শুনেছিলাম আমার এক দাদার কাছে। সেই দাদার সিনিয়র দুই বন্ধুর অভিজ্ঞতা। বন্ধুদের নামটুকু বদলে, পুরো ঘটনাটাই তুলে দিলাম।

    নিখিলেশ এবং অভিজিৎ বেরিয়েছিল লঙ ড্রাইভে। পালা করে চালাচ্ছিল দুজনে। রাস্তার দু পাশে মাইলের পর মাইল ধানক্ষেত। জ্যোৎস্না ফুটফুটে রাত্রি, হেমন্তের শেষের দিক, তাই খুব হালকা কুয়শামাখা।

    কোন এক সময় অভিজিৎ নিখিলেশকে বলে গাড়ি থামাতে, প্রকৃতির আকুল ডাকে আর পারা সম্ভব হচ্ছে না। নিখিলেশ খুশী হয়ে জানায়, এদিকেও অবস্থা প্রায় সেইরকমই।

    গাড়ি থেকে নেমে অভিজিৎ চলতে লাগলো বাঁ পাশের ঢালু জমির দিকে। নিখিলেশ চেঁচিয়ে বল্ল 'শোন, তাহলে আমি এ পাশে যাচ্ছি'- অর্থাৎ রাস্তার ডানদিকে।

    নিখিলেশ যখন বেল্ট ঠিক করতে করতে চড়াইয়ের দিকে পা বাড়িয়েছে, শুনতে পেল 'বাবু, একটু জল দিবে?' - কোন বৃদ্ধার কন্ঠস্বর, ঘুরে দেখে তাই- এক অশীতিপর বৃদ্ধা, বলিরেখায় বলিরেখায় মুখটা প্রায় অস্পষ্ট। নিখিলেশ জবাব দিল, 'এখানে জল কোথায় পাবে? আমাদের সঙ্গে জল নেই, দেখো এগিয়ে যদি সামনে কোন বসতি পাও, পেয়ে যাবে'। বলল,যদিও নিজেই সে দেখতে পাচ্ছিল, সামনে ধূধূ করছে শুধুই ধানজমি।
    সত্যি বলতে তারও করার ছিল না এর বেশী কিছু। বুড়ি মাথা হেলাল ধীরে, তারপর হাঁটতে লাগলো ধানজমির দিকেই- এবং- কয়েক পা যেতে না যেতেই নিখিলেশ ঘাড় ঘুরিয়ে দেখলো, বুড়ি নেই!
    হঠাৎ একটু বেশী শীত করে উঠলো যেন।
    ধুর, নিজের মনেই বল্ল সে, কুয়াশা এমন গাঢ় হয়ে আসছে, ভয় ধরিয়ে দেয়।

    গাড়ির সামনে পৌঁছাতেই দেখলো সিগারেট ধরিয়ে দাঁড়িয়ে আছে অভিজিৎ।
    - নে, চল, ওঠা যাক।
    - বড় অদ্ভুত একটা জিনিস দেখলাম, বুঝলি- একটু ধরা শোনলো অভিজিতের গলা।
    - মাইরি? আমিও। আরে একটা বুড়ি কোথা থেকে এসে বলে 'জল আছে?' বোঝ কান্ড। বলে দিলাম নেই। খুব বুড়ি রে, মুখটা কেমন যেন- একটু খারাপ ই লাগছিল। এই জনহীন জায়গায় কোথা থেকে যে এল কে জানে!

    - শোন
    - কী?

    - তারপর বুড়িটা ধানজমির দিকে যেতে যেতে মিলিয়ে গেলো, না রে?

    প্রচণ্ড একটা ঝাঁকুনি খেল গাড়িটা, নিখিলেশ শুধু বলতে পারলো 'তুইও একই সময়, একই জিনিস---? সব এক?'

    'সব, শুধু রাস্তার বাঁ দিকে।'

    (শেষ)
  • sayan | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ২২:৪০497532
  • আমাদের বাড়ির পিছনে আমগাছটায় প্রতি শুক্রবার নিশুতি রাতে ব্রহ্মদৈত্য ঠ্যাঙ ঝুলিয়ে বসে জ্যাড্যা আর শাঁকচুন্নিরা "কিঁউকি মিংমিং ভি কভি বহু থি' দেখতে দেখতে জিন আর ফিশ টিক্কা খেতেন।
  • sayan | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ২২:৫৫497534
  • আমি একটু গুলিয়েছি। শেষ লাইনটা কে বলল? অভিজিৎ? অভিজিৎ নিজে বাম দিকে গেছিল। নিখিলেশ (ডান) পিছনে ঘুরে (বাম) বলল ধানজমি সামনে (বাম), মানে বুড়ির বাম দিকেই মিলিয়ে যাওয়ার কথা? তার মানে একই অবজেক্টের দুটো ইনস্ট্যান্স তৈরী হয়েছিল। তাই কি?
  • c | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ২২:৫৫497533
  • ভুতের গল্প খুব সুন্দর লাগছে। শুধু বর্ষার সন্ধ্যা,শো শো হাওয়া, ঝরঝর বৃষ্টি,লোডশেডিং,কালিপড়া হ্যারিকেনের চারপাশে বসে সবাইমিলে তেলেভাজা খেতে খেতে গল্প শোনা-এইসব মিস করছি।
    চালিয়ে যান, খুব সুন্দর লাগছে।সত্যি।
  • c | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ২২:৫৮497536
  • নিখিলিশ অভিজিতের সঙ্গে আরো দুই বন্ধু থাকলে তারা অন্যদিকে গেলেও একই জিনিস দেখতো।
    ভুতরা তো কন্টিনুয়াস!!! জানো না?
  • kS | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ২৩:০১497537
  • হ্যাঁ তো। শেষ লাইন টা অভিজিতের বলা।
    সে গেছিল রাস্তার বাঁ দিকে, নিখিলেশ রাস্তার ডানদিকে। রাস্তাটা ধানজমির চেয়ে অনেকটা উঁচুতে, যেমন সাধারণত highway হয়
    বাকি সব ডিডাকশান, একদম ঠিক।
  • sayan | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ২৩:০২497538
  • হুঁ জানি তো ভূত্রা পাস্ট কন্টিনুয়াস।
  • c | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ২৩:০৪497539
  • তবে?

    যাদের বৈকুন্ঠ পাওয়া হয়েছে তারা পাস্ট পার্ফেক্ট।
  • sayan | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ২৩:০৫497540
  • কিন্তু তাহলে ব্যাপারটা "একই সময়' কি করে হবে? ভূত কি নিখিলিশের সাথে ওয়ান-ও-ওয়ান করে তারপরে অভিজিতের কাছে গেছিল?
  • sayan | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ২৩:০৬497541
  • আর বৈকুন্ঠ পেয়েও যাঁরা মাঝেসাঝে ঘুরে যান তাঁরা পাস্ট পারফেক্ট কন্টিনুয়াস।
  • c | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ২৩:১৭497542
  • না, "একই ভুত" "একই সময়ে" নানা জায়গায় ছড়িয়ে ছিলো। ক্লোনের মতন ব্যাপার।
  • kS | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ২৩:২০497543
  • হায়, হায় বুঝিয়ে বলে দিতে হচ্চে? আমি লিখতে পারিনি বোধহয় ঠিকমত
  • sayan | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ২৩:২৪497544
  • না না ঠিক বোঝা গেছে। শুধু দিকগুলো গুলিয়ে গেছিল।
    এরপরের গল্পগুলো ঝটপট নামাতে থাকুন।
  • ranjan roy | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ২৩:২৭497545
  • না-না; বেশি বোঝালে রস গড়িয়ে হাঁড়ির বাইরে পরে যাবে।
  • c | ০৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ২৩:৩১497547
  • "পড়ে" যাবে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে প্রতিক্রিয়া দিন