এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • রামদেবের ধর্ণা

    bb
    অন্যান্য | ০৫ জুন ২০১১ | ৯২৩৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • saikat | ০৮ জুন ২০১১ ১০:১৭480653
  • বীতংসবাবু কোয়ান্টাম ফিজিক্স-হিন্দু দর্শন-বেদান্ত-উপনিষদ নিয়ে একটা টই খুলতে পারেন তো। সিরিয়াসলি বলছি।

    শুধু দেখে শুনে টাইপ করবেন, তা না হলে বানানগুলো বড় চোখে লাগছে।
  • bitongso | ০৮ জুন ২০১১ ১০:৪৬480654
  • অবাস্তব বাবু রাসেল প্যারাদক্সের সাথে এটার কোন সম্পর্ক নেই। সেট কন্তেনিঙ্গ সেট্‌স বা নাপিতের গল্প দুটোতেই একটা অর্ডার্দ রিলেশান, বা প্রপার সুপার্সেটের ব্যাপার চলে আসে, যার জন্য সেল-রেফারেন্সিয়াল বক্তব্য সমস্যা সৃষ্টি করে। সেলফ-রেফারেন্স ইন ইটসেলফ বিপজ্জনক কিছু নয়। এখানে একটা কনা নিজের সাথে নিজে ইন্তরেক্ত করতে পারে। নর্মালাইজেশনের এক্টা সমস্যা আস্বে তার সাথে ডিল করার উপায় আছে।
  • lcm | ০৮ জুন ২০১১ ১০:৪৯480655
  • যাক্‌, ন্যাড়ার মানেটাতে রিলিফ পেলাম।

    সিকি,
    হাসির কথা নয়। প্রাচ্য বিগ ব্যাঙ ছিল। বিশাল, মানে প্রায় শীতের ফুলকপির সাইজের বড় ব্যাঙ দেখা যেত।
  • bitongso | ০৮ জুন ২০১১ ১০:৫১480656
  • সৈকত আমার দার্শনিক স্পেস টা একটা ত্রিভুজের মধ্যে বাধা, অন্তত আমি তাই মনে করি। আপনি তার দুটো ভার্টেক্স - হিন্দু দর্শন আর আধুনিক পদার্থবিদ্যার উল্লেখ করেছেন, কিন্তু আরেকটা করেননি
    সেটি হল মার্ক্সবাদ। সময় পেলে নিশ্চয় খুলব।
  • lcm | ০৮ জুন ২০১১ ১০:৫৪480657
  • আর মধ্যিখানে? স্পেস? দার্শনিক স্পেস?
  • Shibanshu | ০৮ জুন ২০১১ ১০:৫৮480658
  • রঞ্জন, শ্রী বিপ পাল মশাই যখন বলে দিয়েছেন যে আমি 'ভাববাদী' আর 'সমাজতন্ত্র' বুঝিনা, তখন মহাজনোস্য আজ্ঞা শিরোধার্য করে ঘরে ঝোলানোর জন্য একটা ট্রটস্কির ছবি খুঁজছিলুম। এর মধ্যে বীতংস মশায় এসে কান্ট, হেগেল, অথর্ববেদ, বিগব্যাঙ্গ, শ্রয়ডিঙ্গার, য়্যান্টি ডুহরিং, গীতা,ফেইনম্যানের ঝঞ্ঝাবাতে আমাকে পেড়ে ফেলেছেন। ভেবেছিলুম প্যারানয়েড হয়ে গেছি, এখন দেখছি কেস অনেক এগিয়ে গেছে, নাথিং লেস দ্যান স্কিজোফ্রেনিক !!! পঁয়ত্রিশ বছরের 'মাই নেম ইজ রেড' অভ্যেস এখন স্বভাব হয়ে গেছে ( আর স্বভাব যায়না মলে)। এতোদিনে বুঝলুম, স্কচ ও লুঙ্গিতে যথেষ্ট আসক্তি থাকা সঙ্কেÄও এখনও ডিক্লাসড কেন হতে পারলুম না। তবে একটা ব্যাপার বুঝছি গুচ মানসিক স্বাস্থ্যের পক্ষে বেশ ইন্‌জুরিয়াস হয়ে যাচ্ছে। একটা স্ট্যাচুটরি ওয়ার্নিং দিয়ে রাখলে হয়। :-)
  • lcm | ০৮ জুন ২০১১ ১১:১০480659
  • সেকি শিবাংশু! কমিক রিলিফ থেকে ইন্‌জিওরি - এতো ভালো কথা নয়।
  • saikat | ০৮ জুন ২০১১ ১২:০২480660
  • বীতংস,

    লেখেনই যদি, তাহলে David Bohm-কে নিয়েও কিছু লিখবেন।
  • Shibanshu | ০৮ জুন ২০১১ ১২:২৭480661
  • ঠিক, ঠিক, একে 'প্রাণের আরাম, মনের আনন্দ, আত্মার শান্তি'ও বলা যেতে পারে। গ্রেট রিলিফ...
  • abastab | ০৮ জুন ২০১১ ১৩:১৫480663
  • বীতংস, সব কিছু তো একটা কিছু ফর্ম করবে অআর সেখানেই সেট অফ অল সেটস গোছের সমস্যা দেখা দেবে। তাই সব কিছু নিয়ে কোন মন্তব্য অঙ্কে বর্জনীয়। অআর অঙ্কটা যে যুক্তির ভাষাগুলোর মধ্যে অন্যতম তা নিশ্চয়ই বলতে হবে না। তাই সব কিছুর সাথে সব কিছু নন লোক্যালি ইনটার্যাক্ট করবে বলার কোন মানে হয় না। মেটাফিজিক্স সদা বর্জনীয়।
  • ranjan roy | ০৮ জুন ২০১১ ১৩:২২480665
  • শিবাংশু,
    ঠিক বলেছেন, আমি বেশ হাঁপিয়ে উঠেচি। আমার আবার হাঁপানির ধাত আছে।
    সৈকত যেমন বলেছেন---বীতংস আলাদা টই খুলুন,বিভিন্ন দার্শনিক স্কুল নিয়ে।
    আমি খালি দুটো কথা নিয়ে ধন্দে আছি।
    এক, কেন গুরুর অনেকে কান্ট গীতা পড়েছেন ""জানলে"" চমকে যাবেন। অনেকে ওপেন্‌হাইমারের গীতাপাঠ নিয়েও এইসব বলেন।
    দুই,
    অ্যান্টি-ডুরিং বা ডায়লেকটিস অফ নেচার বা লুডউইগ ফয়েরবাখ--- এর কোনটার কোন পাঠ থেকে বস্তুবাদ= ভোগবাদ সিদ্ধ হয় মাথায় ঢুকছে না।
    মনে হচ্ছে ডাঙ্গের জামাই বাণী দেশপান্ডের পর বীতংসবাবু হিন্দুদর্শনের বেদান্ত আর মার্কসবাদ প্রায় একই গোছের কিছু প্রমাণ করতে চাইছেন। তাতে কোন আপত্তি নেই। আলাদা টই খুলুন। নইলে বাবা রামদেব ( যিনি কাল ভারত সরকারের সমস্ত অপকীর্তি মাপ করে দিলেন) হাইজ্যাক হয়ে যাবেন।
    উনি তো কোন আধ্যাত্মিক ভাষণ দেন না। উনি হলেন যোগগুরু। আসন করে শরীর ভাল রাখ বলেন, কোল্ড ড্রিংক খেতে বারণ করেন। আর ওষুধ ইত্যাদি বেচে চাড্ডি পয়সা করেন।
    আমাদের পুরন্দর ভাট ও পেপসির বিরুদ্ধে কবিতা লিখেছে।
    "" ঢেপসিরা পেপসি খায় চুক চুক,'' ইত্যাদি।
    তিন, সিপিএম বন্ধুরা খেয়াল করে দেখুন পলিটবুরো রামদেবের আন্দোলনকে কি বলেছে। কংগ্রেসের গুন্ডামিকে সমর্থন এর প্রশ্নই নেই। কিন্তু মনে হচ্ছে রামদেবের মাধ্যমে আর এস এস ইত্যাদি মূল আন্দোলনকে হাইজ্যাক করে নিছে্‌হ।
    আরে আমরাও তো পলিটবুরোর লাইনেই কথা বলছিলাম। তো আপনারা কিনা আমাদের কং+ টিনুর দালাল ভাবলেন। হায় পিটি!
  • abastab | ০৮ জুন ২০১১ ১৩:২২480664
  • বীতংসের দার্শনিক ত্রিভুজ অআবার কোন স্পেসে ইউক্লিডিয়ান না হাইপারবোলিক?
  • de | ০৮ জুন ২০১১ ১৩:৪৯480666
  • প্রচুর কথা বলা যায় বিতংসকে -- ধর্ম, ঈশ্বর, বিজ্ঞান ইত্যাদীর ইন্টার-রিলেশান নিয়ে আলোচনা করতে এলে সবার প্রথমে দরকার সবার মতামতকে গ্রহণ এবং অ্যানালিসিস করতে পারার ক্ষমতা। আমার জানাই শেষ কথা -- এটা প্রমাণ করতে গিয়ে বড়ো বড়ো টার্ম আর নাম আউড়ে গোটা আলোচনাটা ঘেঁটে ফেললে আর যাই হোক আলোচনা হয় না সেখানে! মণি ভৌমিকের বই পড়ার জন্য ওনার বৈজ্ঞানিক পরিচয়টুকুই যথেষ্ট ( যদিও আবাপ ইত্যাদীর কল্যাণে ওনার ডিটেলস প্রায় সবারই জানা), সেটাই আমাকে একটা প্রায়র এক্সপেকটেশান দেয় বইয়ের অ্যানালিসিস সম্বন্ধে। ওনার আত্মজীবনী হিসাবে দেখতে গেলে তাও চলে, কিন্তু আত্মোপলব্ধি হিসাবে দেখতে গেলে আমি অত্যন্ত হতাশ!

    রঞ্জন-দা, আজকের আবাপ টেম্পলটন প্রাইজ নিয়ে লিখেছে -- এই তার লিং :))

    http://www.anandabazar.in/8edit4.html
  • Sushanta Kar | ০৮ জুন ২০১১ ১৪:৪৩480667
  • দুর্নীতির বিরুদ্ধে দুর্নিতিবাজদের গোপন অনুপ্রবেশ: রামদেবের ভাষণে বিপদ
    বিদ্যাভূষণ রাওত
    রামলীলা ময়দানে যেখানে বাবা রামদেব এবং তাঁর পঞ্চাশ হাজার অনুগামীরা বিদেশ থেকে ‘কালোটাকা’ দেশে ফিরিয়ে আনবার দাবিতে অনশন করছিলেন দিল্লি পুলিশ সেখানে মাঝরাত্তিরে গিয়ে জোর করে তাদের উচ্ছেদ করে দিয়েছে। বাবা একটু বেশিই উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলেন। তিনি বলছিলেন, সেদিন অব্দি তিনি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত স্থানে বসবেন না, যে দিন অব্দি সারা ভারতের সব্বাই একটি করে শীততাপ নিয়ন্ত্রণের ব্যাবস্থা পেয়ে না যায়। তাঁর একটি লেণ্ডরোভার গাড়ি ছিল, পরে স্কোরপিও নিয়ে নেন। আশা করছি তিনি এটা বলতে যাবেন না যে তিনি লেণ্ডরোভার বা স্কোরপিও গাড়িতে তদ্দিন বসবেন না যদ্দিন না প্রতিজন ভারতীয় সেরকম করে একটি গাড়ি পেয়ে যান। বাবার অমন বক্তিমো প্রচুর আছে। এক সময় লালু এরকম ভাষণ দিতেন। কিন্তু তিনি যেমন ভালো বক্তা তেমনি তিনি বাবার থেকে বহু গভীরে গিয়েই ভারতীয়দের বুঝতে পারেন। বাবা এটা ভালো করেই জানেন যে তাঁর গ্রাহকরা হচ্ছেন মূলত স্থানীয় মাড়োয়াড়ি আর উচ্চবর্ণের লোকেরা যারা উজাড় করে তাঁর এই বিশাল প্রচারের পেছনে টাকা ঢেলেছেন। তাঁরা সবাই চান দেশের টাকা দেশে ফিরে আসুক। বাবাকে এই কথাটা কারো বুঝিয়ে দেয়া উচিত যে এই দেশের ভেতরেই সমান্তরাল অর্থনীতির অস্তিত্ব রয়েছে আর যারা বাবাকে দান দক্ষিণা করছেন তাদের সবার হাত ততটা পরিচ্ছন্ন নাও হতে পারে যতটা তিনি ভাবছেন। তবুও যা কিছু বাবার কাছে আসছে তাই যেভাবে ধুয়ে পরিচ্ছন্ন হয়ে যাচ্ছে দেখে এটা মনে হতেই পারে যে বাবা যা করেন তাই পূত পবিত্র।
    শুরু থেকেই আমার বিশ্বাস ছিল যে সঙ্ঘপরিবার আর তাদের হিন্দুত্ববাদি গুণ্ডাদের নেতৃত্বাধীন বর্ণবাদি শক্তি বাবার পেছনে রয়েছে। মানবেন্দ্রনাথ রায় বহু আগেই লিখে গেছেন যে ভারতে ফ্যাসিবাদটা তত হিংস্র নাও হতে পারে, এ হবে সাংস্কৃতিক ফ্যাসিবাদ। আমরা আজকাল চারদিকে কোরপোরেট ফ্যাসিবাদ দেখছি, আমাদের চাষিরা তাদের জমি দখলের বিরোধীতা করবার দায়ে বেধড়ে মার খাচ্ছেন, ছাত্ররা মার খাচ্ছে যখন তারা তাদের অধিকার এবং সংরক্ষণের জন্যে লড়াই করছে। কিন্তু এগুলো বাবার জন্যে কোনো সমস্যাই নয়। তিনি চাষাদের জন্যে ন্যায় চান, কিন্তু ভুলেও কখনো অন্যায় জমি দখলের বিরুদ্ধে অনশনে বসবেন না। বাবা রামদেব আমাদের কিছু সমস্যাকে ইচ্ছে করলেই জাতীয় চরিত্র দিতে পারতেন। আমাদের বন্ধু উদিত রাজ যখন চাকরিতে সংরক্ষণের জন্যে আমৃত্যু অনশন করছিলেন বেশির ভাগ লোকই আমরা একে বিশুদ্ধ রাজনীতি বলে উড়িয়ে দিয়েছি এবং তাঁর সমর্থণে এগিয়ে আসিনি। বাবা রামদেব দলিত এবং অবিসিদের সমস্যাগুলো নিয়ে নীরব কেন? কারণ তিনি জানেন এগুলো নিয়ে কথা বলতে শুরু করলেই তিনি আর অশোক সিঙ্ঘল, স্বাধ্বী ঋতম্ভরাদের তাঁর মঞ্চে ডেকে আনতে পারবেন না। এদের মুখ দেখেই লোকের মনে প্রশ্ন জাগে দুর্নীতি নিয়ে এতো হৈ হল্লা করবার পেছনে রহস্যটা কী?
    দুর্নীতি এই দেশে শুধু টাকার বেশ ধরে নেই, এ আমাদের মূল্যবোধের ভেতরে ঢুকে বসে আছে। আমাদের আধ্যাত্মিকতা আমাদের ব্রাহ্মণ্য ব্যাবস্থা এক অত্যুগ্র অত্যুচ্চ কাঠামোকে দাঁড় করিয়েছে যার নাম ব্রাহ্মণ্যবাদি সামাজিক অনুশাসন। কাকে বলে দুর্নীতি বাবাজী? আপনি জন্মসূত্রে শূদ্র হলেন বলেই তাদের অধিকার নিয়ে কথা বলবার অনুমতিপত্র আপনার মিলে যায় না। বস্তুত, আপনি এই অধিকারবোধে সমুন্নত মস্তক নতুন শূদ্রদের আবারো ব্রাহ্মণ্যবাদের কাছে মাথা নত করতে উদ্বুব্দ করতে চাইছেন, যা ঐ হিন্দুত্ববাদি শক্তিগুলোরো ইচ্ছে। তারা ঐ শূদ্র শক্তি দিয়ে দলিতদের একেবারে গোড়া মেরে ধ্বংস করে দিতে চায়। তারা চায় শূদ্ররা ব্রাহ্মণ্যবাদি ব্যবস্থার দ্বার রক্ষক হয়ে থাক—যে কথাগুলো বহু আগেই সঠিকভাবেই বলে গেছেন আম্বেদকার। বাবার চারপাশের মানুষগুলো কারা, কী চায় তারা? তারা সবাই দলিত, আদিবাসি, পশ্চাদপদ তথা সংখ্যালঘুদের জন্যে সংরক্ষণের কথা শুনলেই অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়। হ্যা, বাবা আমদের সংবিধান পালটে দিতে চান। তিনি চান আমাদের প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি ধাঁচের সরকারের মতো সরাসরি নির্বাচিত হোন। আমরা সবাই জানি ইন্দিরা গান্ধি, এবং পরে আদবানিও এটা চাইতেন। তারা সবাই এই সন্মিলিত সরকারের ধারাবাহিকতা দেখে আতঙ্কিত। স্থায়ী সরকারের অনস্তিত্ব দেখে তারা ভর্ত। কাশিরাম সবসময় বলতেন সন্মিলিত সরকার দলিত স্বার্থের সুরক্ষার জন্যে সবচে মানানসই। একমাত্র তখনি তারা দলিত কন্ঠ শুনতে পাবে। রাষ্ট্রপতি ধাঁচের সরকারে সেই সব রাজনীতিকেরাই নির্বাচনে বিজয়ী হবে যাদের আছে অর্থ, গণমাধ্যম আর মাফিয়া। ( media, mafiaandmoney)। আমরা সবাই জানি এগুলো আছে কাদের সঙ্গে। বাবাতো আর এস এসের হয়েই কাজ করছেন যাদের একটাই উদ্দেশ্য, আমাদের ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান ছিঁড়ে ফেলা।
    গেল দিন বাবা এক সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে বলেছেন তিনি মহিলাদের উপর বলাৎকারের তীব্র বিরোধীতা করেন। তিনি বলেছেন, তিনি হরিজন, বাল্মিকিদের ঘরে খাবার খান।অকী মহানই না তিনি! প্রশ্নটি যে তাঁকে বেশ অস্বস্তিতে ফেলে দিয়েছিল এই সত্যই তিনি আড়াল করতে পারছিলেন না। তিনি ভুলে গেছেন হরিজন এক নিষিদ্ধ শব্দ আর তাদের কোনো দরকার নেই তাদের ঘরে আহার করবার বাবার কোনো ‘মহত্বে’র। তাঁর জানা উচিত যে অন্যায় ভাবে পাওয়া টাকা কালো হতে পারে না, কারণ এগুলো তাদেরই টাকা যারা তাকে তুলে ধরছে। তাঁর জানা উচিত যে আমাদের মঠ মন্দিরগুলো দুর্নীতির সবচে বড় আড্ডা। এই ভারতে গড়পড়তা প্রতিজন মানুষের ছয় হেক্টর করে জমি আছে, দলিতদের কিচ্ছু নেই। কিন্তু আপনি গরু কিম্বা পাথুরে দেবতার জন্যে বিশাল আয়তনের জমি পেয়েই যাবেন। সিলিং আইন বলে একটা আইন আছে, যার দৌলতে আপনি আঠারো একরের বেশি জমি রাখতে পারবেন না। একেক রাজ্যে এই আইন একেক রকম, কিন্তু এটা ঠিক যে আপনি ১৮ থেকে ২০ একরের বেশি জমি রাখতে পারবেন না। কিন্তু বিচিত্র সব ভগবানের জন্যে আপনি হাজার হাজার একর জমি পেয়েই যাবেন।অএভাবে এই দেশে সমস্ত দুর্নীতি অঙ্কুরিত হয় ব্রাহ্মণ্য ব্যবস্থার ভেতর থেকে। এই মন্দিরগুলোর কাছে যেসব বেআইনী ধন রয়েছে সেগুলো প্রকাশ্য হওয়া উচিত। মঠ মন্দিরগুলোর সমস্ত আয়ের উপর কর বসানো উচিত। একটা আইন করে পাঞ্জাবের শিরোমণি গুরদোয়ারা প্রবন্ধক কমিটি থেকে শুরু করে দেশের সমস্ত মঠ মন্দিরকে সরকারি নিয়ন্ত্রণের অধীনে নিয়ে আসা উচিত।
    বাবা রামদেব, আমরা শুধু জানতে চাই আপনার এতো এতো জমি কিসের জন্যে দরকার? মানুষের কাছে পৌঁছোবার জন্যে আপনার হেলিকপ্টারের কী দরকার? আপনারতো দরকার রামায়ণ মহাভারতের যুগের বিমান। আপনার আধ্যাত্মিকতার প্রচারে জন্যে আধুনিক যন্ত্রের দরকারটা কী? আপনি আপনার বক্তৃতার রেকর্ড বাজিয়েই চলেন। আমরা সবাই দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়তে চাই। এ এক খুবই গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। আপনার শব্দশৈলী আর অতিসরলীকরণ দিয়ে এর গুরুত্বটাকে এতোটা নিচে নামিয়ে আনবেন না। বেআইনি টাকাশুধু মরিশাস বা সুইজারল্যাণ্ডে নেই, ভারতের ভেতরেও আছে, সেগুলো নিয়ে আপনার দাতাদের মধ্যে কোনো গোপন আগ্রহ থাকতে পারে। দেশের ভেতরে থাকা বেআইনি টাকা নিয়ে আপনি কিছু বলছেন না কেন? দলিতবহুজনদের এমন টাকা নেই। এমন কি দলিতদের তথাকথিত দুর্নীতিবাজ নেতাদেরো অতো টাকা নেই যে সুইস বেঙ্কে গিয়ে জমা করে। বেআইনি টাকা কে কালো টাকা বলতে আমি নারাজ। কালোর শক্তিকে আমি শ্রদ্ধা করি, কালো রঙকে আমি শ্রদ্ধা করি। বেআইনি জিনিসকে কালো দিয়ে চিহ্নিত করবার আমি প্রবল বিরোধী। কালো হচ্ছে বিদ্রোহের প্রতীক, এ হচ্ছে দলিত বহুজনের রঙ। আমাদের বর্ণকে আক্রমণ করবেন না। যারা আপনাকে এতো এতো টাকা যোগাচ্ছে তাদের জিজ্ঞেস করুন কোত্থেকে আসছে এতো এতো টাকা? এ আমি সজোরেই বলতে পারি যে দলিত বহুজনের আপনার যোগের দরকার নেই, কারণ তারা কঠোর পরিশ্রমী মানুষ। আপনার যতটা দানের দরকার ততটা দেবার সামর্থ্যও তাদের নেই বাবা।
    কতো মহাত্মা এলেন আর গেলেন, গান্ধির অনশন নিয়ে বলতে গিয়ে বলেছিলেন আম্বেদকার। তিনি এই বলে গান্ধির নিন্দে করেছিলেন যে, আর প্রায় সমস্ত বিষয় নিয়ে গান্ধি অনশন করলেন, কিন্তু দলিত উত্থানের জন্যে একটিবারও না। দকবারই দলিত সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে অনশনে বসলেন যদিও সেটিও ছিল দলিতদের জন্যে পৃথক নির্বাচনী বিধির বিরোধীতা করবার জন্যে। অনেক বছর পর যখন দলিতেরা আর অবিসিরা প্রত্যাহ্বান জানাবার মতো জায়গায় এসছে এবং ক্ষমতার কেন্দ্রে তাদের নিজেদের ভূমিকা দাবি করছে, ব্রাহ্মণ্য ধর্মকে প্রত্যাখ্যান করছে বাবা রামদেবের বিপদ হলো তিনি তাদের সে জায়গা থেকে সরিয়ে দিতে চাইছেন এবং সামাজিক ন্যায়ের আন্দোলনকে চাইছেন ক্ষয় করতে। রামলীলা ময়দানে পুলিশের হিংস্রতার আমরা নিন্দে করি। কিন্তু আমরা কি জানি না আমাদের পুলিশ করেটা কী আর কেমন করে? জানি না কি আমাদের সরকার কেমন ব্যবহার করে? একই পুলিশ যখন মুসলিম ছেলেকে ধরে পেটায়, তাদের নিয়ে গল্প বাঁধে, মিডিয়াতে ছড়িয়ে দেয় আমরা সেগুলোকেই বেদবাক্য ধরে নিয়ে গোগ্রাসে গিলতে থাকি। ওরা যখন ছত্রিশগড় আর ঝাড়খণ্ডের আদিবাসিদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে আমরা চুপটি করে থাকি, বলি তাদের তাই প্রাপ্য। আমরা এতো রেগে গেলাম কেন? এর জন্যে কি যে বশির ভাগ ভক্তেরাই আসলে উচ্চবর্ণের মধ্যবিত্ত শ্রেণির লোক?
    সত্যি যদি বাবা রাজনীতি করতে চান, তিনি সরাসরিই তাতে যোগ দিন আর ঘোষণা করুন। তাঁর কর্মসূচী স্পষ্ট করুন। প্রত্যকেরই নিজের পক্ষে প্রচারে নামবার অধিকার রয়েছে। তাই বলে আপনার ‘যোগ আর বন্দেমাতরম’কে রাজনীতির জন্যে ব্যবহার করবে না। এ সম্পূর্ণই পর্দার আড়াল থেকে এক সাম্প্রদায়িক কর্মসূচী। আবাড় ব্রাহ্মণ্য কর্মসূচিকে সবার উপরে তুলে আনতে চায়। আমাদের সবার সতর্ক থাকতে হবে।
    (মূল ইংরেজি লেখা পড়তে দেখুন:http://manukhsi.blogspot.com/2011/06/hidden-entry-of-corrupted-against.html)
  • kallol | ০৮ জুন ২০১১ ১৫:০৩480668
  • সুশান্তবাবু - অসাধারণ।
  • ranjan roy | ০৮ জুন ২০১১ ১৫:৩২480669
  • সুশান্তবাবু,
    সময়োচিত।
  • Shibanshu | ০৮ জুন ২০১১ ১৬:২৩480670
  • সুশান্তবাবু, ধন্যবাদ।
  • Sushanta Kar | ০৮ জুন ২০১১ ১৬:২৯480671
  • আমি এই লেখকের শৈলীর প্রতিও আকৃষ্ট। দেশ যখনই এমন কোনো প্রশ্নে উথাল পাথাল হয়, আমি চলে যাই দেশের অন্যেরা কেমন বলছেন। কাগজে তেমন পাওয়া যায় না, ব্লগের সৌজন্যে এমন কিছু দুর্ধর্ষ সমাজ কর্মীর লেখা পেয়ে যাই, যেগুলো মাটির থেকে উঠে আসে। দেখুন, লেখকের লেখাকে পাণ্ডিত্য মোটেও ভারাক্রান্ত করেনি। আপনাদের ভালো লাগল বলে ধন্যবাদ!
  • Nina | ০৮ জুন ২০১১ ১৯:৩৩480672
  • সুশান্তবাবু
    খুব ভাল লাগল। অনেক ধন্যবাদ।
  • dukhe | ০৮ জুন ২০১১ ২১:৫৭480674
  • পুরো ঘেঁটে গেলাম। কালো টাকা দেশে ফেরাতে বলা মানে কি দলিতদের বিরুদ্ধে কথা বলা ? দলিতদের জন্য একশো শতাংশ সংরক্ষণ চাওয়া ছাড়া আর কোন দাবিতে লোকে মাঠে নামতে পারবে না ?
  • siki | ০৮ জুন ২০১১ ২২:৩৩480675
  • একটা কথা বুঝতে একটু পবলেম হচ্ছে। অনেকেই বাবাকে অ্যাডভাইস দিচ্ছেন, যোগ করেন, ওষুধ বিক্কিরি করেন, তাই নিয়ে থাকুন, রাজনীতিতে আসতে যাবেন না, বা রাজনীতির সঙ্গে এসব মেশাবেন না।

    কেন? ইকনমিক্সের পণ্ডিতের রাজনীতিতে আসতে বাধা নেই, ডাক্তারের রাজনীতিতে আসতে বাধা নেই, এমনকি মন্ত্রিত্ব করতে করতে চেম্বারে রোগী দেখতেও অসুবিধে নেই, দলিতের "আমি দলিত' বলে রাজনীতিতে আসতে বাধা নেই, যাদবের "আমি যাদব' বলে রাজনীতি করতে বাধা নেই, রামদেবের বেলায় কেন এত আপত্তি? কী এমন মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যায় যদি যোগগুরু বা ওষুধের ব্যবসায়ী রাজনীতিতে আসে, বা এসে রাজনীতির সঙ্গে বন্দেমাতরম বা যোগসাধনা মেশায়?

    পাবলিকের ওপরেই ছেড়ে দেওয়া হোক না! পাবলিক খেলে খাবে না খেলে ফুটিয়ে দেবে।
  • dukhe | ০৮ জুন ২০১১ ২৩:০৭480676
  • আমাদের সময়ে বিপ্লবীরা পকেটে গীতা নিয়ে ঘুরত। উঠতে বসতে বন্দেমাতরম আওড়াত। আর আজকাল - হুঁ:!
  • Mmu | ০৯ জুন ২০১১ ০০:২৬480677
  • siki, বাবা যে ভগবান, উনি রাজনীতি করলে চলবে কেমনে? উনি তো নররূপী নারায়ন ?
    আচ্ছা ওনার বাঁ চোখে কি একটা সমস্যা আছে কেউ ক্ষেয়াল করে দেখবেন তো, বাঁ চোখটা পুরো খোলে না? এটাকি যোগের দ্ব্যরা ঠিক হয় না?
  • Mmu | ০৯ জুন ২০১১ ০০:২৭480678
  • "দ্বারা'
  • kosno | ০৯ জুন ২০১১ ১০:২৫480680
  • সুশান্ত বাবুর লিংক এ আম্বেদকর, কাশীরামের উদ্ধৃতি প্রচুর।তো লেখক কে প্রশ্ন মায়াবতি কোটি কোটি টাকা ঢেলে নিজের মূর্তি গড়ে,সম্পত্তির পাহাড় গড়ে কোন দলিত কল্যান করছেন?
    কাশীরাম কিছু বলে যান নি? সুশান্ত বাবু ও যারা যারা লেখা টি নিয়ে উদ্বাহু নেত্য করছেন তার কিছু জানেন ? নাকি লেখক ও সেই হাতি মেরে সাথি স্টাইলে বলেন "তিলক তরাজু অউর তলোয়ার ইনকো মার জুতে চার"
  • Arpan | ০৯ জুন ২০১১ ১০:৩০480681
  • হ্যাঁ, এই বক্তব্যটি আমারো হজম হয়নি। প্রাক্তন টেলিকম মিনিস্টার রাজার কথাও ভুলবেন না প্লিজ। আইডেন্টিটি পলিটিক্সের আঙিনা থেকে যারা ক্ষমতায় উঠে আসছেন তারা দুর্নীতিগ্রস্ত হবেন না, সুইস ব্যাঙ্কে টাকা রাখার মত, এই বক্তব্যটি পুরোটাই অবেগতাড়িত ও প্রবন্ধের দুর্বলতম অংশ।
  • siki | ০৯ জুন ২০১১ ১০:৪৮480682
  • কাশীরাম না কাঁসিরাম? ???

    ম্মু, রামদেবের ছোট বয়সে হামবসন্ত হয়েছিল। তার প্রভাবে ওঁর একটি চোখ চিরতরে নষ্ট হয়ে যায়। নষ্ট হয়ে যাওয়া প্রত্যঙ্গ যোগাভ্যাস সারিয়ে তুলতে পারে না। এটা নিয়ে মজা না-করাই উচিত। :)

    উনি ভগবান বা নররূপী নারায়ণ, এগুলো বোধ হয় আপনার বানানো। রামদেব নিজে কখনও এসব বলেন নি। তা হলেও ভগবান বা নররূপী নারায়ণ পলিটিক্সে আসতে পারবেন না, এমন কথা কি আম্বেডকর সাহেব গীতায় লিখে গেছেন?
  • Shibanshu | ০৯ জুন ২০১১ ১১:১৩480683
  • সিকির সঙ্গে একমত। গেরুয়া পরুক বা ওষুধ বিক্রি করুক, তার জন্য গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজনীতিতে সক্রিয় হবার অধিকার কেড়ে নেওয়া যায়না। দ্বিতীয়ত, অবশ্যই কারুর শারীরিক অক্ষমতার জন্য কটাক্ষ করাটা অমানবিক। অতুল্য ঘোষ বা মুল্লা উমর বা তৈমুর লং, প্রশংসা-নিন্দা -সমালোচনা আমি করতে পারি তাঁদের কাজ নিয়ে, শরীর নিয়ে নয়। আর আমাদের দেশে চার হাজার বছরের দলিত রাজনীতি শুধু বাবাসাহেব-ভিপি সিং-বিন্ধ্যেশ্বরী মন্ডল- কাঁসিরাম-মায়াবতীকে সামনে রেখে বুঝতে চাইলে কোথাও পৌঁছোনো যাবেনা।
  • arindam | ০৯ জুন ২০১১ ১২:২৪480685
  • রামদেবের রাজনৈতিক সক্রিয়তা নিয়ে বা প্রতিবাদের ইচ্ছা নিয়ে কোন মন্তব্য নেই, সুস্থ গণতন্ত্রে থাকার কথা নয়... কিন্তু প্রতিবাদের পদ্ধতি কতটা গণতান্ত্রিক তা'নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে...
    জন্মগত অধিকার আর অর্জিত অধিকারের সীমারেখা প্রায়শইঅ গুলিয়ে যায়...
    আজকে শুনলাম রামদেব নাকি সশস্ত্র বাহিনী গড়বে বলেছেন... এবার কী তাহলে রামদেব "মাওদেব' হবেন?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন