
প্রশ্ন তুলেছেন মহামতি পুতিন। তাঁর এক সাম্প্রতিক ভাষণে তিনি বলেছেন: জার মহান পিটার যখন উত্তরের যুদ্ধে জয়ী হলেন, তিনি এমন কিছুর অধিকার নেন নি যা অন্যায্য ছিল। সেন্ট পিটারসবুরগ প্রতিষ্ঠার পরে বহু ইউরোপীয় শক্তি মনে করেছিল পিটার সুইডেনের অংশ দখল করেছেন। সেটি অসত্য। এই অঞ্চলে বহু বছর যাবত স্লাভিক মানুষ বসবাস করেছেন। এখন যদি প্রশ্ন ওঠে কেন মহান পিটার নারভা অভিযান করেন ? এর উত্তর সহজ। তিনি তারই দখল নিয়েছেন যা স্লাভিক যা একান্তই রাশিয়ার নিজভূমি ... ...

আজ যখন ১৩৭ বছরের প্রাচীন এই দলটির পুনর্জাগরণের কথা বলা হয় তখন নেতৃত্বের পরিবর্তনের কথা অথবা পরিবারতন্ত্র থেকে বেরিয়ে আসার কথা বলা হয় বড় জোর। কিন্তু দলীয় নীতি বা মতাদর্শের কথা বলা হয় না। কংগ্রেসে বিভিন্ন মতাদর্শের মানুষ ছিলেন, তাঁদের মধ্যে প্রচুর বিতর্ক ছিল, কিন্তু তাই বলে কংগ্রেসের কোনো মতাদর্শ ছিল না একথা ভাবা ভুল। কংগ্রেসকেও তার উত্তরাধিকারকে আবিষ্কার করতে হবে, মানুষকে ভরসা জোগানোর জন্য। এই উত্তরাধিকার মানে পারিবারিক কোনো অনুষঙ্গ নয়, মতাদর্শের উত্তরাধিকার। ... ...


কয়লা নয় তেল নয় গ্যাস নয় এমনকি আণবিক রিঅ্যাক্টর নয়। ফেলডহাইমের বাতি জ্বলে এমন শক্তি দিয়ে যা জীবাশ্ম জ্বালানির মতন এক দিন ফুরিয়ে যাবে না। এই পৃথিবীর ভু রাজনীতি যে বা যারা সঞ্চালন করুন না কেন, ফেলডহাইমের শক্তির উৎস বইবে অনন্ত কাল কারণ তার মৃত্যু নেই। পুড়িয়ে ভস্মীভূত অথবা শস্ত্র দিয়ে ছেদ করা যায় না তাকে। সেই উৎস চিরন্তন, এই পৃথিবীর মতন। ... ...

"ভবিষ্যতেও যদি কেউ নিজের মত করে গড়ে উঠতে পারে আমার বা জর্জদার (দেবব্রত বিশ্বাস - স.ব.) মতন তবে সে তা নিজের থেকেই করতে পারবে। এটা কাউকে শেখানোর জিনিস নয়। আমি বা জর্জদা দু'জনেই তো প্রায় স্রোতের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে গান করেছি। সেটা আমরা মেনে নিয়েছিলাম। ... আমি অবিশ্যি রবীন্দ্রসঙ্গীতেও যা করেছি সেটা জেনেবুঝেই করেছি। একটা বিশ্বাস ছিল যে, আমি যেটা করছি সেটা ঠিক। ভাবনা চিন্তাও করতে হয়েছে অনেক যখন রেকর্ড করেছি। ওরা অনেক রেকর্ড বাতিল করল, তখন ওদের সঙ্গে ঝগড়া করিনি। এই স্বরলিপি দেখে গান করা যে কী কষ্টকর, গানের প্রতি কোন সুবিচার হচ্ছে না, অথচ রেকর্ড করতে হচ্ছে। ... স্বরলিপি নিরেটভাবে ফলো করলে শিল্পীর নিজস্ব কোন অবদান থাকে না। ওটা একধরনের স্বরলিপি চর্চা হয়ে যায়। নিষ্প্রাণ স্বরলিপি চর্চা দিয়ে কোন গানকে বাঁচিয়ে রাখা যায় না। স্বরলিপি হচ্ছে একদম আনকোরা শিল্পীকে পথে বেঁধে রাখার জন্য। কিন্তু একজন খুব বড় শিল্পী যদি সামান্য একটু স্বাধীনতা নেন তাতে গানের মহাভারত অশুদ্ধ হয় না।" ... ...

রাশিয়ানরা সম্প্রতি উত্তরের নরডস্ট্রিম পাইপ লাইনের কল বন্ধ রেখেছিলেন কি সব যন্ত্রপাতি সারাবেন বলে। দিন দশেক বাদে কল খুলেছেন কিন্তু গ্যাস আসছে খুব কম। মহামতি পুতিন জানেন ইউরোপের বাতি, ইউরোপের ঘরের গরম জল তাঁর নিয়ন্ত্রণে। খেলা এই তো সবে শুরু। এখন এই গ্রীষ্মকালে সূর্যদেব উষ্ণতা বিতরণ করে যাচ্ছেন। তবে মাঘ মাস খুব দূরে নেই। মিত্র দেশ জার্মানির অবস্থা সবচেয়ে জটিল – রাশিয়ান গ্যাসের অভাবে তাদের কল কারখানা অবধি বন্ধ হতে পারে। এস্টোনিয়া থেকে রোমানিয়া অবধি যখন পারা শূন্যের অনেক নিচে নেমে যাবে তখন মহামতি পুতিন তাদেরও সিধে করে দেবেন। ইউক্রেন নিয়ে আর বাঁদরামি করো না। ... ...

অমিতাভ গুপ্ত একটা অসম্ভব ভালো লেখা লিখেছে রোব্বারের আনন্দবাজারে। য্দিও লেখাটার প্রতিপাদ্যের সঙ্গে আমি একমত নই, তার পরেও, বৈদ্যুতিন এবং সামাজিক মাধ্যম জুড়ে অজস্র চর্বিতচর্বণের মধ্যে, এ ধরণের বৌদ্ধিক লেখা পড়লে মগজের আরাম হয়। লেখাটা লম্বা, তবে তার যৌক্তিক মোটামুটি এইরকমঃ ১। ফেসবুক, বা সামগ্রিকভাবে সামাজিক মাধ্যমে অতি-দক্ষিণপন্থী দৃশ্য-শ্রাব্য-পাঠ্য বস্তুর সংখ্যা বাম-অতিবাম-মধ্য এদের যোগফলের চেয়েও বেশি। ২। এর একটা কারণ হল সামাজিক মাধ্যমের অ্যালগরিদম অতি-দ্ক্ষিণপন্থীদের সহায়তা করে বেশি (কেন, লেখক ব্যাখ্যা করেননি)। ৩। এর আরও একটা সম্ভাব্য কারণ আছে। একটা স্টাডিতে দেখা গেছে অতি-দক্ষিণপন্থায় বিশ্বাসীদের বৌদ্ধাঙ্ক, অর্থাৎ আইকিউ তুলনামূলকভাবে কম। সোজা বাংলায় বললে বোকাদের অতিদক্ষিণপন্থার দিকে টেনে আনা সোজা। কারণ, বুদ্ধি কম মানে পড়াশুনো কম, বহির্জগতে বীক্ষণ কম, চিন্তাভাবনার ক্ষমতা কম। ... ...

বুচা শহরের ভিক্টোরিয়া বললেন ছেলে মেয়েকে নিয়ে দু দিনের জন্যে হলেও ট্রেনে করে পোল্যান্ড যাবেন। ইংরেজ আশ্রয়দাতা বহন করবেন টিকিটের ব্যয়। তাঁর স্বামী ইয়ারোস্লাভ যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ছুটি নিয়ে পশ্চিম সীমান্তের লভিভে এসে স্ত্রী পুত্র কন্যার সঙ্গে দেখা করে যাবেন। সেই সংক্ষিপ্ত মিলন ও বিরহের দৃশ্যটি মনে করতে চাই না। শুধুমাত্র চোখের দেখা দেখে পিতা, স্বামী ফিরে যাবেন রণাঙ্গনে। ইয়ারোস্লাভ বিদ্যালয়ে ভূগোল পড়াতেন। কখনো বন্দুক হাতে ধরেন নি। অতি অল্প বয়েসে দেখা চন্দ্রধর শর্মা গুলেরির হিন্দি গল্পের ওপর আধারিত মণি ভট্টাচার্যের উসনে কহা থা ছবিটির কথা মাথার মধ্যে ঘুরে চলেছে সারাদিন। মনে পড়ে রেলওয়ে স্টেশনের সেই দৃশ্য- স্ত্রী পুত্র কন্যাকে প্লাটফরমে একবার দেখেই ফ্রন্টের ট্রেনে উঠছেন সৈন্যেরা। পটভূমিকায় বাজে মান্না দের কণ্ঠে সেই অমর গান – জানেওয়ালে সিপাহি সে পুছো, ওহ কহাঁ যা রহা হ্যায়। ... ...

চীনকেও মুনাফাসন্ধানী,বাজারপন্থী, বৃদ্ধিপন্থী,পুঁজির পুনরুৎপাদক ব্যবস্থা থেকে সরে আসতে হবে। ‘সমাজতান্ত্রিক বাজার অর্থনীতি’র মত স্ববিরোধী দর্শন ছেড়ে মানুষের ন্যূনতম চাহিদার পরিপূরণে নজর দিয়ে ভোগবাদ, অপ্রয়োজনীয় উৎপাদন ও অপচয়ের অর্থনীতির বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে।মাও যুগের ‘এক কড়াই থেকে খাওয়ার নীতি’র কথা অনেকের মনে পড়তে পারে। হ্যাঁ, অনেক ক্ষেত্রেই সেই আদর্শের পুনরুদ্ধার কাম্য বটে। কিন্তু এ কেবল অতীতচারী পশ্চাদগমন নয়। মনে রাখতে হবে মাওয়ের সময় পরিবেশ নিয়ে আদৌ কোনো সচেতনতা ছিলো না। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতির বাস্তবতা অন্য রকম দাবী রাখছে চীনের শাসক ও জনগণের কাছে। এখন প্রশ্ন হল সেই দাবীর কোনো ভবিষৎ চীনে আছে কি? ... ...

ইউক্রেন যুদ্ধের পরে কৃষ্ণসাগরের বন্দরগুলি অবরোধ করে মহামতি পুতিন কেবল ইউরোপ নয়, গোটা আফ্রিকায় ফসল পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছিলেন। ওডেসা বন্ধ হলেও ট্রেন বা ট্রাক যোগে ইউক্রেন তার খানিকটা শস্য ইউরোপে পাঠাতে পারে। আমার শ্বশুরবাড়ির দেশ সেই পথেই গম কিনছে। কিন্তু মিশর নাইজেরিয়া লিবিয়া আলজেরিয়া কেনিয়া সহ আফ্রিকার আরও অনেক দেশ গভীর খাদ্য সঙ্কটে নিমজ্জিত হতে চলেছিল। গতকাল ইস্তানবুলে তুর্কী রাষ্ট্রপতি এরদোয়ান এবং রাষ্ট্রসংঘের প্রধান গুতিয়েরেথের উপস্থিতিতে দুই যুযুধান পক্ষের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হল : কৃষ্ণ সাগরের বন্দর থেকে রাশিয়া তার অবরোধ তুলে নেবে আফ্রিকার খাদ্য সঙ্কট এড়ানো গেলো, আপাতত। ... ...



কেন্দ্রীয় সরকারের ধারাবাহিক কণ্ঠরোধের নানান আগ্রাসী প্রয়াস ... ...

হেমন্ত মুখোপাধ্যায় যেমন জনাদৃত, সংস্কৃতির উচ্চকোটিতে তেমনই ছিছিকৃত। হেমন্তর গান বাঙালির সংস্কৃতির পরিপন্থী, হেমন্তর ক্লাসিকাল বেস নেই, হেমন্তর রবীন্দ্রসঙ্গীত রাবীন্দ্রিক নয়, হেমন্ত রবীন্দ্রসঙ্গীতে স্বরলিপিতে থাকেন না, হেমন্ত সুরে গভীরতা নেই - নেই আর নয়। এই ধারাবাহিকে এই 'নেই আর নয়' পেরিয়ে দেখার চেষ্টা করেছি হেমন্ত কেন জনাদৃত, এই 'নেই আর নয়'-গুলো কতটা সুপ্রযুক্ত। ... ...

ইউরোপের বাগী দেশগুলোকে টাইট দেবার বাসনায় পুতিন খুড়ো গ্যাসের কল খোলা বন্ধ করার খেলাটা খেলে যাচ্ছেন মাস চারেক ধরে। এবার পুরো দশ দিনের জন্য নরডস্ট্রিম পাইপলাইনে কুলুপ লাগালেন - মেরামতির কাজ চলবে বলে। ইতিমধ্যে বুলগারিয়া পোল্যান্ড সহ তিন বালটিক দেশ বলেছে চাই নে তোমার গ্যাস। জ্যাঠার দোকানে যাবো। কিন্তু কিছু দেশ হামলে পড়ে আছে। তাদের গাড়ি সারানো থেকে বানানো জুতো সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ সব কাজে খুড়োর গ্যাস লাগে, নইলে দ্যাশ প্রায় অচল। ইউক্রেনে খুড়ো বিশেষ সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে বলে গ্যাস কিনব না ? এই সব অর্থনীতির আকার এতো বড়ো যে তারা হাঁচলে বাকি ইউরোপের সর্দি লাগার আশঙ্কা। অন্যদিকে গণতন্ত্র, ইউরোপিয়ান ভ্রাতৃত্ব বোধ ইত্যাদি যুক্তির ঠেলায় কতটা কম রাশিয়ান গ্যাসে জীবন যাত্রা নির্বাহ করা যায় তার কসরত শুরু হয়েছে জার্মানিতে। ভু রাজনীতিক ভাবনা বিজ্ঞ জন ভাববেন – আপাতত আম জনতা কি করতে পারে? ... ...

আত্মঘাত নিয়ে অন্যরকম ভাবনা চিন্তা ... ...

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে চার্চিল ও রুজেভেলটের আশিস মাথায় নিয়ে মহামতি স্টালিন যখন নিজের ইচ্ছেমত ইউরোপিয়ান মানচিত্রে রক্ত বর্ণ সংযোগ করছিলেন তাঁর চোখ পড়ল এই ছোটো দেশটির ওপরে। ওয়াইন ছাড়া তার আর কোন ধন সম্পদ নেই। দুর্জনে বলে তিনি রোমানিয়াকে সোভিয়েত সাম্রাজ্যের অন্তর্গত করতে চেয়েছিলেন। শেষ অবধি মস্কো থেকে কল কাঠি নেড়ে রোমানিয়াকে কুক্ষিগত করেই খুশি রইলেন। বাঁশের চেয়ে কঞ্চি দড় এই প্রবাদ বাক্যটির সত্যতা প্রমাণ করার জন্যেই হয়তো আরেক জুতো সেলাইয়ের মিস্ত্রি রোমানিয়াতে আবির্ভূত হলেন সে দেশকে সঠিক পথে চালনা করতে। জর্জিয়ান চর্ম শিল্পীর পুত্রের আত্মা চাউচেসকুকে দেখে নিশ্চয় সন্তুষ্ট হয়েছিলেন। ... ...

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে সব কিছুরই টানাটানি। রুটি, কয়লা র্যাশনে পাওয়া যেতো, চকোলেটের র্যাশন ছিল ১৯৫৮ অবধি। বাড়ির বাথরুম অজানা বস্তু। মাঝে মধ্যে সার্বজনীন স্নানঘরে পয়সা দিয়ে গা ধোয়ার ব্যবস্থা। সেন্ট্রাল হিটিং অনেক দূরে তখন। যুদ্ধে ভাঙ্গা বহু বাড়ির মেরামত হয় নি। যুদ্ধ থেকে যারা ফেরেন নি ব্রিটিশ সরকার তাঁদের পরিবারকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছেন। লন্ডন অনেক দূরের শহর। জর্জ এবং জেনি অ্যাডামস নিঃশব্দে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন তাঁদের দিকে। না, কোন ইউনিসেফ বা অক্সফ্যামে টাকা পাঠিয়ে বিবেক পরিষ্কার করেন নি। নিজের হাতে টাকা বা সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন। ১৯৯৯ সালের ২৭শে আগস্ট বিবাহের সুবর্ণ জয়ন্তীর দিনে শেষ বারের মতো জর্জ অ্যাডামস জেনিকে নিয়ে গিরজে থেকে রাসটন লজ অবধি তাঁর প্রিয় সিলভার শ্যাডো রোলস রয়েস চালান। পরের দিন সেটি নিলামে তোলা হয় – সে যাবত প্রাপ্ত সমস্ত টাকা দান করেন। ... ...

একটি এমটিপি করতে আসা মেয়েকে নার্স বিভিন্ন ব্যক্তিগত প্রশ্ন করায় এক বেসরকারি হাসপাতালের (পশ্চিমবঙ্গের বাইরের) ডাক্তার নার্সকে ডেকে কাউন্সেল করেছিলেন, বলেছিলেন এই সব কথা তো তোমার জানার দরকার নেই। ও একটা সার্ভিস নিতে এসেছে আমাদের কাছে, আমরা দেব এইটাই ওর সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক, বাকিটা ওকে বুঝে নিতে দাও। এই ডাক্তার মহিলাকে অসীম শ্রদ্ধা জানাই। এর পাশে রাখি সেই সব কলকাত্তাই ডাক্তারদের যারা শুধু সিঁদূর দেখতে না পাওয়ার জন্য একটি মেয়েকে কুমারী ধরে নিয়ে মোরাল পিসিমা হয়ে এমটিপি করা নিয়ে ব্ল্যাকমেইল করতে চেষ্টা করেছিলেন। ... ...

সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে আফ্রিকা মহাদেশের সম্বন্ধ দীর্ঘদিনের কিন্তু গত প্রায় তিরিশ বছরে রাশিয়ার সঙ্গে পরিচয় তেমন হয়তো হয় নি। বর্তমান রাশিয়ান সরকার আফ্রিকার সকল দেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার ও রাশিয়া ও আফ্রিকার পারস্পরিক বাণিজ্য বৃদ্ধির মানসে আফ্রেক্সিমব্যাঙ্কের সঙ্গে গাঁট ছড়া বাঁধতে মনস্থ করেছেন এ ব্যাঙ্ক কোন এক দেশের নয়, সারা আফ্রিকা এর মালিক। তাই এই ব্যাঙ্কের সঙ্গে কাজ করে তাঁরা সারা আফ্রিকার কাছে পৌঁছুতে চান। রাশিয়া সরবরাহ করে এক বিশাল পরিমাণ খাদ্য শস্য আফ্রিকার প্রয়াস হোক তাদের রপ্তানি বাড়ানোর। অন্য দেশের মতন ( তির্যক মন্তব্য চিনের প্রতি !) রাশিয়া টাকার থলি নিয়ে আফ্রিকা এসে সম্পত্তি ও প্রভাব কিনতে আগ্রহী নয়। ... ...