
ওদের জানিয়ে দাও/ জহির রায়হানওদের জানিয়ে দাওওরা আমার মা-বাবা’কে হত্যা করেছেকুকুর-বেড়ালের মতোওদের স্টিম রোলারের নীচেওরা দেখেও যদি না দেখেবুঝেও যদি না বোঝেগরম লোহার শলকাদু চোখ দিয়েওদের জানিয়ে দাওমরা লাশগুলোতে কেমন জীবন এসেছে... ... ...

১৬।তবলচী একটা গৎ বাজাচ্ছে। চোখ বন্ধ করে শুনছে বিশ্বনাথ। বড় মিঠে হাত লোকটার। আজকে রেওয়াজ করতে মন চাইছে না। শোনাটাও অবশ্য রেওয়াজেরই একটা অঙ্গ। গুরুজী বসে আছেন ফরাসের ওপর, মাঝে মাঝে ওনার মুখ দিয়ে বেরচ্ছে উৎসাহ ব্যঞ্জক কিছু শব্দ। বিশ্বনাথ মাটিতে বসেছে; গুরুজীর সাথে একাসনে বসার কথা চিন্তাও করতে পারেনা ও। ঘরের মধ্যে ওরা তিনজন ছাড়া আর রয়েছে এস্রাজ বাদক ধীরেন্দ্র। সেও নিজের বাদ্য যন্ত্র পাশে রেখে দিয়ে বাজনা শুনছে তন্ময় হয়ে। গুরুজীর ঘরটা ছোট ও বাহুল্য বর্জিত। ঘরে কিছু বাদ্য যন্ত্র ছাড়া রয়েছে ... ...

হারানো-প্রাপ্তি –নিরুদ্দেশআরামটা টের পাওয়া যাচ্ছে বেশ কিছুদিন ধরেই। নির্দিষ্ট করে বললে ৭ই নভেম্বর থেকে। মেট্রোয় আগের মতো সেই দমবন্ধ-করা ভিড় নেই, অফিস টাইমে এস্কালেটারের মুখে মনুষ্যদেহের জমাট জট নেই, কামরার দরজা বন্ধ হচ্ছে অনায়াসে, এমনকি দুপুরবেলায় উল্টোদিকের জানলার বাইরে দেয়াল/ প্ল্যাটফর্মও দেখা যাচ্ছে এক ঝলক। সংবাদপত্র জানাচ্ছে, ৭ই নভেম্বর থেকে কলকাতার মেট্রোয় নিত্যযাত্রীর সংখ্যা এক ধাক্কায় কমে গিয়েছে ৭০ হাজারের মতো। তাতে অবশ্য মেট্রোর কর্তাদের মুখে হাসি ফুটেছে। কারণ দৈনিক আয় এক ... ...

দুবাইয়ের গপ্পো তো আপনারা শুনেছেন, ফিরে এসে আমদাবাদের গল্পও হাল্কা করে শুনিয়েছিলাম। সেখান থেকেই সুতো ধরি, কেমন? ... ...

১.‘দাদার মৃত্যুটা কি সত্যিই স্বাভাবিক ছিল ডক্টর?’ডঃ ব্যানার্জী মুখ তুলে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে জরিপ করছেন আমায়। অনড় ট্র্যাফিক সিগন্যালের মত অপলক দৃষ্টি! সে দৃষ্টির সামনে নড়াচড়া যায় না। শ্বাস-প্রশ্বাস স্তব্ধ হয়ে যায়। আমি রুদ্ধশ্বাসে বসেছিলাম। আরও কতক্ষণ ওভাবেই নিশ্চল, স্থবির হয়ে বসে থাকতে হত কে জানে। আচমকা ঘরের টিউবটা দপদপ করে উঠল! ভোল্টেজের তারতম্যের সাথে সাথেই চোখের পাতা ফেললেন তিনি। তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ঢিমে উচ্চারণে বললেন-- ‘ তুমি এত সন্দেহপ্রবন কেন দীপঙ্কর? সন্দেহটা ঠিক কোন্ বিষয়ে? তোম ... ...

১. হঠাৎ প্রচন্ড জোরে ল্যাবের অ্যালার্ম বেজে উঠলো!এতক্ষণ ল্যাবরেটরীর ভিতরে কোনও আওয়াজ ছিল না। অন্যদিনও বিশেষ থাকে না। শুধু মাঝেমধ্যে টেস্টটিউবের টুংটাং আর বিকারে জল গরম করার খলবল শব্দ অস্ফুট ভাবে শোনা যায়। ভিতরের মানুষগুলো ক্কচিৎ কদাচিত কথা বলে। তাদের কথা বলার সময় কোথায়? সবাই সাদা অ্যাপ্রন পরে কাজ করতেই ব্যস্ত! আজ সকালেও এমন শান্ত পরিবেশ ছিল। ল্যাবের মুখ্য বিজ্ঞানী ডঃ হিঙ্গোরানি একটি গোপন আবিষ্কার নিয়ে ব্যস্ত আছেন!ঐ ঘরে সবার প্রবেশ নিষিদ্ধ। একমাত্র ডঃ হিঙ্গোরানিই প্রাইভেট পাসওয়ার্ড ... ...

১.--‘ম্যাডাম, এক মহিলা আপনার সঙ্গে দেখা করতে চান।’‘লিট্ল অ্যাঞ্জেলস’ অনাথ আশ্রমের সর্বময়ী কর্ত্রী নীলাঞ্জনা চক্রবর্তী জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে পিওনের দিকে তাকালেন।--‘ কি নাম? অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে?’--‘আজ্ঞে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেই’। পিওন মাথা চুলকাতে চুলকাতে বলল—‘তবে বললেন, জিকোর ব্যাপারে কিছু বলতে চান। দরকারী কথা...!’জিকোর নামটা শুনেই নীলাঞ্জনা নড়েচড়ে বসলেন। জিকো তাঁদের অনাথ আশ্রমেরই ছেলে। বয়স নয়-দশ বছর। অনাথ আশ্রমের আর পাঁচটা ছেলের মতই। ক’দিন আগেও তার আলাদা কোনও বৈশিষ্ট্য ছিল না। ... ...

১.রান্নাঘরে বাসনপত্র পড়ার প্রবল শব্দ!নীলিমা শুনেও না শোনার ভান করেন। এমন কত শব্দই তো সারাদিন ধরে অবিশ্রান্ত কানের কাছে চলছে। কখনও ঠুকঠুক। কখনও কুটকুট—কুটুর কুটুর। কখনও তীক্ষ্ণ দাঁতে পুরনো জুতো কাটার শব্দ। কখনও বা একটা লম্বা লেজ সর্সর্ করে চলে যায় এদিক থেকে ওদিকে। তাকে সবসময় দেখা যায় না বটে। কিন্তু বাসনের ঘটাং ঘটাং-এ, খুট খুট, কুট-কুট-এ সে রীতিমত সদর্পে নিজের অস্তিত্ব ঘোষণা করে চলেছে।নীলিমা মাঝেমধ্যে মাঝরাতে বাথরুমে যাওয়ার পথে কখনও কখনও তাকে একঝলক দেখেছেন। যদিও বয়েসের সাথে সাথে ... ...

ললিত স্যার না থাকলে দেবু দত্তগুপ্তর লেখার সাথে হয়ত কোন দিনও পরিচয় হত না। তখন দশম শ্রেণী, স্যার একদিন আলোচনা প্রসঙ্গে একটি বইয়ের কথা বললেন, যা সারাংশ দিলেন তাতে করে খুবই আগ্রহ জন্মাল। এটাও বললেন যে বইটা আমাদের ওই বয়সী ছাত্রদের সবারই পড়া উচিত অন্তত একবার করে। ওই বই তখন আমাদের ওদিকের দোকানে বিক্রী হত না – তাই স্যারই আনিয়ে দিলেন কোথা থেকে যেন। হাতে এসে পড়ল লাল-কালো প্রচ্ছদের একশো তিরিশ পারাত বইটি – “যে পাহাড়্গুলি ডিঙোতে চাই”। আমাদের এলাকা তখন প্রবলভাবে বামপন্থী – স্কুলের স্যাররাও বেশীর ভাগ বাম মতাদর ... ...

১৪।একটা সজনে গাছের তলায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে চিনে বাদাম খাচ্ছে গণেশ। সন্ধ্যে হয়েছে অনেকক্ষণ আগেই। একটু আগে তাঁতিবাড়ি থেকে তাঁত বোনার খট্খটাখট্ খট্খটাখট্ শব্দ আসছিল। মিনিট পনের হল শব্দটা বন্ধ হয়েছে। এখন রাস্তার উল্টোদিকের ঠাকুরবাড়িটা থেকে আসা ঘন্টা আর কাঁসরের শব্দ আশপাশে ছড়িয়ে যাচ্ছে। অনেকের মতে এই ঠাকুর বাড়িটাই চৈতন্যদেবের জন্মস্থান। অনেকের আবার মত ভিন্ন। তাঁরা বলেন মহাপ্রভুর জন্ম হয়েছিল নদীর ওপারে - মিঞাপুরে। লোকের মুখে মুখে সেই মিঞাপুরই এখন মায়াপুর। গণেশের কিন্তু বিশ্বাস করতে ইচ্ছে কর ... ...

বাঙাল থেকে বং: কোলকাতার এক সঙ -- আদৌ রিমিকি ঝিমিকি ঝরে ভাদরের ধারা নয়, এ যেন আকাশগঙ্গা নেমেছে। কোলকাতা জলমগ্ন, বাইপাসের ধারে কালিকাপুরে নৌকো চলছে।আমরা গূহবন্দী। কাজেই আড্ডা, চা, তেলেভাজা, মুড়ি, ফের চা, ফের তক্কাতক্কি, ফের লাল সবুজ। হাতজোড় করি, এমনদিনে রাজনীতি ছেড়ে অন্য কিছু নিয়ে কথা হোক। কিল্তু ইলিশ নাকি হাজার টাকা? চিংড়িও আটশ৹ ছাড়িয়েছে? কোলকাতার এই হাল? কে দায়ী? লাল হলুদ, নাকি মেরুন সবুজ? সত্তর পেরোনো নন্দীকাকিমার খ্যানখেনে গলা: যেদিন থেকে এই জার্মানগুলো হাঁড়িকুড়ি, ক্যা ... ...

৫মনসার পালা একটি দীর্ঘ পালা। অন্তত বারো ঘন্টা এর অনুষ্ঠান সময় হয়ে থাকে। আমরা যেদিন মনসার পালা দেখতে পৌঁছেছিলাম কুমীরমারিতে সেদিন এতটা সময়ও ছিল না আমাদের। তাছাড়া যেহেতু বাইরে থেকে গিয়ে অনুষ্ঠান করছি তাই অনুষ্ঠান আয়োজনের কিছু সমস্যাও ছিল। আগের দিনের ক্ষেত্রে যেমন বেশ সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলাম। আগের দিন যখন দুখের পালা হচ্ছিল তখন সে দলটি করছিলেন তাঁরা আমাদের সঙ্গে তাঁদের চুক্তি ভঙ্গ করেছিলেন। দুখেযাত্রা ও মনসার পালা, এই দুটি পালা তাঁদের করার কথা ছিল! কিন্তু তাঁরা শেষ মুহুর্তে আমাদের জানিয়ে ... ...

(গোটা তিনেক অস্ত্রোপাচারের পর সদ্য বাড়ি ফিরেছি।আমার পরিবারের এই কঠিন সময়ে যারা পাশে ছিলেন,তাদের আমার এবং সায়ন্তিকা’র তরফ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ।সকলে খুব ভালো থাকুন।)কিছুদিন আগের কথা,তখন বাজারে অহেতুক দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির জন্য রাজ্য প্রশাসন বেশ কিছু উদ্ভট পদক্ষেপ গ্রহণ করছিল,সেসময়ের এক রবিবারে আমি বাড়িতে পেপার ওল্টাচ্ছি,আমার ভাই অর্ক বাজার করে এসে ঘরে ঢুকলো।সোফায় গা এলিয়ে দিয়ে বলল,‘দাদা,এই প্রশাসনিক জটিলতার দরূণ এবার কিন্তু বাজার করাটা মুশকিল হয়ে যাচ্ছে’।অর্ক’টা স্বভাব বাচাল এবং ... ...

১২।গোছগাছ হয়ে গেছে প্রায়। গোছানো বলতে একটা সুটকেসে দিন দুয়েকের জামাকাপড় আর বিভিন্ন পরীক্ষার শংসা পত্র গুলো। কালকে ভোরের ট্রেন ধরতে হবে কলকাতা যাওয়ার জন্য; পরশু ইন্টারভিউ। অনেক কিছু নির্ভর করছে এই ইন্টারভিউটার ওপর; বাড়ির সকলে তাকিয়ে ওর মুখের দিকে। হয়ত মুখে কেউ কিছু বলছেনা, কিন্তু কমল জানে সকলে ওর সাফল্য কামনা করছে মনে মনে। হতে পরে সকলের ব্যক্তিগত স্বার্থ জড়িয়ে আছে ওর সাফল্যের সাথে, তাই এই চাওয়া; তবু এই চাওয়াটা ভালো লাগছে ওর। একটা অব্যক্ত চাপও যে পড়ছেনা ওর ওপর এমনটা নয়, কিন্তু তবু ভালো ল ... ...

১.রাজধানী এক্সপ্রেস তুমুল গতিতে ছুটে চলেছিল।তখন অনেক রাত। যাত্রীরা নিজেদের বার্থে শুয়ে ঘুমে মগ্ন। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ট্রেনের কামরার জানলাগুলো শক্ত করে আঁটা। তার ঝাপ্সা কাঁচে কালো মসৃণ রাতের ছায়া পিছলে পিছলে যাচ্ছে। কখনও কখনও শোনা যাচ্ছে দু একটা পায়ের শব্দ। কখনও বা বেসিনের জলের কলের কলকল। একটা সুন্দর দুলুনি অনুভব করতে করতে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন তিনি। তিনি মানে যে কেউ হতে পারেন। আমি, আপনি, বা অন্য কেউ। ধরে নেওয়া যাক, তাঁর নাম অমুক চন্দ্র অমুক। সংক্ষেপে অমুকবাবু। টিপিক্যাল মধ্যবিত্ত মার্কা ... ...

বিশ্বের বৃহত্তম শিল্প-দুর্ঘটনার শহর ভোপাল—২৮ বছর আগে যেখানে ডাক্তার হিসেবে, জনস্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছিলাম। না, শেষ অবধি টিঁকে থাকতে পারিনি। প্রথম যাওয়া ১৯৮৫-র ২রা জুলাই, জ্যোতির্ময় সমাজদারের সঙ্গে। ঠিক এক মাস আগে ৩রা জুন ইউনিয়ন কার্বাইড প্রাঙ্গণে ‘গণ-হাসপাতাল’-এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপণ করেছিল জনস্বাস্থ্য সমিতি। গ্যাসপীড়িতদের দুটি সংগঠন—জাহরিলী গ্যাস কান্ড সংঘর্ষ মোর্চা, নাগরিক রাহত আউর পুনর্বাস কমিটি, বোম্বের ট্রেড ইউনিয়নগুলির ট্রেড ইউনিয়ন রিলিফ ফান্ড এবং ইউনিয়ন কার্বাই ... ...

কাঁটা রিভিজেটেডসায়ন্তনী পূততুন্ডআবার ডানকুনিতে ট্রাক চালকের রহস্যময় মৃত্যু—ডানকুনি জংশন মরণফাঁদনিজস্ব সংবাদদাতাঃ গভীর রাতে ডানকুনির শুনশান রাস্তায় পাওয়া গেল আরেক ট্রাক চালকের মৃতদেহ। এই নিয়ে তৃতীয়বার কোনও হতভাগ্য ট্রাকচালকের মৃত্যু ঘটল অজ্ঞাত আততায়ীর হাতে। মৃত্যুর কারণ এখনও অজানা। এভাবে একের পর এক, লাগাতার ট্রাক ডাইভারেরা কেন খুন হচ্ছে, কিভাবেই বা খুন হচ্ছে সে বিষয়ে কিছুই জানা যায়নি। সি আই ডি অফিসাররা এ বিষয়ে কোনও আলোকপাত করতে পারেননি। তদন্তকারী অফিসার দেবাশিস জানা ... ...

১১।এক বার নক্ষত্রের পানে চেয়ে-একবার বেদনার পানেঅনেক কবিতা লিখে চলে গেল যুবকের দল।পৃথিবীর পথে-পথে সুন্দরীরা মূর্খ সসম্মানেশুনিল আধেক কথা; ... ....তবু আহা, ইহাদেরি কানেঅনেক ঐশ্বর্য ঢেলে চলে গেলো যুবকের দল;একবার নক্ষত্রের পানে চেয়ে-একবার বেদনার পানে।অন্ধকার হয়ে গেছে। শীতকালের বেলা। সাড়ে পাঁচটার মধ্যেই ঝুপ করে আলো মরে আসে। স্কুল থেকে ফিরেই চটির মাঠে ছুটেছিল গণেশ। আজ গণেশদের রয়্যাল ক্লাবের সাথে এথলেটিক ক্লাবের ফুটবল ম্যাচ ছিল। প্রচণ্ড রাফ খে ... ...

১যখন দেখি সারাগায়ে মাঝরাত্তির জন্মে গেছে অলীক বেভুল ঘটনাহীন জন্মতিথি টৈ টম্বুর উপচে গেছে মজা দিঘী ঝাঁঝি পানায় অসম্পূর্ণ বাজার হল, সন্ধেবেলা ভাঙা বাজার কেউ এল কি কেউ এলো না দোকানদারের কী এসে যায়বাক্যবাণেও মরচে হল – সাধ কি ছিল এমন সাজার আকন্ঠ রাত সারাগায়ের নামাবলী জন্ম দিচ্ছে চিল চিৎকার।২সে অপরূপ, দোষ কিছু নেই সেই অসীমের একফালি মুখ চাঁদের মতো তাই দেখতেই হাঘরের দল ছুটে আসছে আন্ডা বাচ্চা ডেঁয়ো ঢাকনা গেরস্থালি সঙ্গে নিয়েবসছে বাজার ... ...

এই মাঝরাতে গলির ভেতর জোরালো শব্দে একটা চার চাকা এসে থামলো l ভাবিত নই l কেননা এমন বহু চার চাকাই মাঝরাতে থামে l কার্যসিদ্ধি মূল উদ্দেশ্য l তিন্তিড়ি আজ রমণ করেছে বেপাড়ার হুলোর সাথে l গায়ে নীল ছোপ ছোপ l কোত্থেকে এলো কে জানে l এ পাড়া হোক বা বেপাড়া, অপশন সেই দুটোই l বিপ্লবের জন্য যৌনতা l অথবা যৌনতার জন্য বিপ্লব l রবীন্দ্রসদনের সামনে ফুরফুরে ফোয়ারার নিচে আলো আর ছায়া মিলে বেশ কিছু খণ্ড দৃশ্যাবলী তৈরি করেছে l হরিনাথ খু ... ...