
শুশুনিয়াকথা______[থিয়েট্রিক্স-সেপার এবারের ওয়ার্কশপ](১)যেখানে ছিলাম তার ঠিক পেছনের দিকটায় একটা পাহাড় উঠে গিয়েছে ঢেউ খেলানো মালভূমির জমি ফুঁড়ে। সারা গায়ে তার গাছের পোশাক। সবুজ আর সবুজ। তার মাথার উপর দিয়ে সীমানাহীন একটা আকাশ ঝুলে আছে, খুব লঘু হয়ে যেন। দেখতে চেয়েছে আমাদের খেলাধূলো। যখন যেমন আমরা বদলাচ্ছি সেও বদলাচ্ছে তার মেজাজ। ভোরের ঘুম জড়ানো ভার কাটিয়ে দিনের মধ্যে প্রখর হয়ে উঠছে। তার ঘুমের আলস্যর পাশ দিয়ে ছেলেমেয়েরা হেঁটে গিয়েছে পাহাড়ের চূড়োয়। বেশ ... ...

অথচ বুড়বুড়ি ওঠে। ওঠে তো নিগঘাত, কিন্তু ঠিক কেমনটি ওঠে, কোথায় ওঠে ঠিক ঠাহর করতে পারিনে। ঠিকঠাক ঠাহর করার জিনিসও নয় বটে। বুড়ি চাঁদ বিড়বিড়িয়ে বলে যায়। সুর কি দেখা যায় ?অথচ দেখব বলেই কি বসে নেই সেই কবে থেকে? অপার ফপার হয়ে নয়। অপার হয়ে বসে থাকা কাকে বলে তাই বলে বুঝলুম না আজ অব্দি। না বুঝেই পার পেয়ে গেলে বোঝাবুঝির বোঝা আর কেই বা বয়। তবে পার দেখব বলে বসে থাকা, এটুকু বলা যেতেই পারে।গানের ওপারে যা কিছু দাঁড়িয়ে বা শুয়েবসে। রসেবশে।অথচ রসটাই বশ হলনা ঠিকঠাক। তো, সে ঠিকঠাক আর কোন কাজটাই বা ঠিক করতে ... ...

বাংলালাইভে ২০০৬ - ২০০৭ এ নিয়মিত বেরোতো প্রবাসীর পত্র। সেই ঝাঁপি থেকে কিছু কীটদষ্ট লেখা আজ আশ্বিনের রোদে মেলে দেওয়া গেল। হলদে কাগজ, মৃত মথ, ঝাপসা তারিখ - আমার খেরোর খাতার এই শুরু। ************************************১ জল-মাটি-মানুষবসতখানি জনপদে। আকাশ ছুঁয়ে যায় সেন্ট্রাল পয়েন্ট টাওয়ার। দীর্ঘকায় ইমারত, হারবার ব্রিজে সাজানো আমার স্কাই লাইন।ঝকঝকে পথঘাট, সাইডওয়াক। সবুজ ছাতার তলায় কফি খাওয়া চলে। সিটি রেল ব্রিজ পেরোয় -খাঁড়িতে শান্ত জল, একঝাঁক বোট। শপিং মলে ম্যানিকুইন ... ...

১)আমার একটা লালমাটির রাস্তা আছে,স্বপ্নে৷ সেই রাস্তাটা সামনে বেশ সোজা৷ যত দূরে যেতে থাকে, ততই অ্যাঁকাব্যাঁকা হয়ে ঝাপসা হয়ে যায়৷ অনেক দূরে, যেখানে আকাশ নীলচে লাল আর মাটিটা সবজে লাল, সেখানে গিয়ে এই রাস্তাটা এঁকেবেঁকে হঠাৎ আকাশে উঠে যায়৷ ঘুম না এলে চোখ বুঁজে এই রাস্তাটাকে আমি দেখি ৷ দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে পড়ি৷ ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখি, কিম্বা দেখি না, ঠিক মনে থাকে না৷ আমার স্বপ্নে আগে অনেক পুকুরও ছিল৷ ছোটবেলায় একসময় আমি শহর থেকে মফস্বলের আত্মীয়বাড়ীতে গিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘু ... ...

।। ধ্বংস থেকেই নতুন জন্মায় । ।সেই কবে কার্ল মার্ক্স ব্রিটিশদের ভারতে উপনিবেশ করা নিয়ে কত কথা বলে গ্যাছেন। সেই ১৮৫৩ সালে।“How came it that English supremacy was established in India? The paramount power of the Great Mogul was broken by the Mogul Viceroys. The power of the Viceroys was broken by the Mahrattas. The power of the Mahrattas was broken by the Afghans, and while all were struggling against all, the Briton rushed in and was enabled to subdue them all. A coun ... ...

'উন্নয়ন, উন্নয়ন, উন্নয়ন না ছাই,রামপালে কাপ্তাই লেকেরকান্না শুনতে পাই...'চলেছে লং মার্চ। ২৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় প্রেসক্লাবে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে শুরু হলো ছাত্র-জনতার বিশাল বহরের রামপাল অভিমুখে যাত্রা। সুন্দরবন রক্ষার দৃঢ় প্রত্যয় সকলের চোখে-মুখে। মাথার ওপরে গনগনে সূর্য। খর রোদ, ভ্যাপসা গরম। লং মার্চের পুরো যাত্রা পথের তথ্য সংবাদ কাভারের জন্য আমি চলেছি বহরের সঙ্গে। প্রেসক্লাবে একে-তাকে ফোন, খোঁজাখুজি করেও মিডিয়ার গাড়িটি খুঁজে পাইনি। পরে জেনেছি, লং মার্চ ... ...

১৯৭৯-এর শেষার্ধে মেডিকাল কলেজ ছাত্র সংসদ ও সেই সময় ছাত্র সংসদে আসীন মেডিকাল কলেজ ডেমোক্রাটিক স্টুডেন্টস’ অ্যাসোশিয়েসন-এর উদ্যোগে হাসপাতালে এক অনুসন্ধান চালানো হয়। দেখা যায়- হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে সিনিয়র অফিসার অন ডিউটি-র পদ সাতটা, তার মধ্যে তিনটে পদ খালি। হাউসস্টাফদের ওপর বিরাট কাজের চাপ থাকা সত্ত্বেও তাদের দিয়ে জোর করে জুনিয়র অফিসার অন ডিউটি-র কাজ করানো হয়। গত এক মাস ধরে ইসিজি মেশিন খারাপ, হার্টের রোগীদের চিকিৎসা না করে পাঠাতে হয়েছে অন্য হাসপাতালে, রাস্তায় মারা গেছেন কিছুজন। ... ...

কুকুরের মাস শেষে এসে গেলে; যাকে বলি ঘ্যামঘামের বিষাদ মেখে ট্রাফিকের বিস্তর জ্যামচুঁইয়ে চুঁইয়ে পড়ে সিগন্যাল থেকে, যেন জলরেলিং-এর নীলসাদা হলুদ আর সিকির অচলপাতায় নতুন করে ঘ্রাণ নিই নতুন বাঁধাইযেরকম মহালয়া এসে গেলে এস এম এস পাইসাতদিন রোববার সপ্তাহে ছুটি ছুটি মেনুরেডিওয় আলো জ্বলে কীভাবে যে বেজে যেত বেণু!আলোয় শব্দ বাজে রঙ ঠুকে যায় কাঁচে কাঁচেবাঁশের কাঠামো থেকে গান বাজে আনাচে কানাচেগানেরও শরীর থাকে মায়াবিনী সমারোহ সাজমাস গুণে তিথি মেনে ঠিকরিয়ে ... ...

কুলদা রায়দেশ থেকে পালিয়েই এসেছিলাম। সে সময়ে মনে হয়েছিল পালিয়ে এলেই বাঁচা যাবে। জীবনে বেঁচে থাকাটাই জরুরী। মা এসেছিল তার মাস খানেক আগে। কিছু দিন থেকে গিয়েছে আমার কাছে। আমার শার্টের একটা বোতাম লাগিয়েছে। দুএকবার মাথায় তেল ডলে দিয়েছে। পাখা দিয়ে মাঝে মধ্যে বাতাসও করেছে ঘুমের মধ্যে। আমার মেয়েদের চোখে কাজল টেনেছে। তারপর নিয়ে গেছে বাইরে—বগুড়া রোডের পাশে যে চার্চবাড়িটি রয়েছে, তার পুকুর পাড়ে হেঁটে গিয়ে তুলে এনেছে হেলেঞ্চা শাক। তিঁত পুঁটি মাছ দিয়ে রেঁধেছে। আমার বড় মেয়ে খেয ... ...

জঙ্গলমহলে আবার গোপন ছক কষছে মাওবাদীরা, লক্ষ্য পুলিশ ক্যাম্প - খবরটা পড়ে মনে পড়ে গেল বছর কয়েক আগে সংবাদপত্রে প্রকাশিত একটি রিপোর্ট। সন্ত্রাসবাদী গেরিলাবাহিনির অতর্কিত হামলা রুখতে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার প্রতিটি থানায় দুটি করে দিশি কুকুর পোষার প্রস্তাব দিয়েছিলেন পুলিশের বড়কর্তারা। তাঁদের যুক্তি ছিল - দিশি ওরফে নেড়ি কুকুরেরা রাতে ঘুমোয় না। অতএব ...এই বিষয়ে একটি ছোট পত্রিকায় লিখেছিলাম। তার কিছু কিছু লাইন হয়তো এখনও অপ্রাসঙ্গিক হবে না।"নিন্দুকেরা যাই বলুক, এ এক অভিনব প্রস্তাব। লুকোনো বোমা কিম ... ...

আমাদের ক্যান্টিনের ম্যানেজার কেন চলে গেল সে আমি জানিনা। হতে পারে, কারবার চালাতে পারছিলনা। ধার-বাকিতে ডুবে গিয়েছিল। হতে পারে চলে যেতে বলা হয়েছিল। হতে পারে, গ্রামে ফিরে চাষবাস করবে ঠিক করেছিল। আবার এসব কিছুই নাও হতে পারে। আমি জানিনা। আসলে, ম্যানেজারকে যেতে হতই। কারণ, ক্যান্টিন দুরকমের। এক হল মারকাটারি ও জগদ্বিখ্যাত। যাদবপুরের আর্টস ক্যান্টিন যেমন। পেডিগ্রি দেখলেই গা ছমছম করে। ভিতরে এক আধজন হ্যাহ্যা ছেলেপুলে তাস পেটায়না তা নয়, কিন্তু ভাব ও প্রকরণে যেন পুরো ফ্রাঙ্কফুর্ট স্কুল। ডানদিকে বাঁদ ... ...

কত বই পড়া হয়নি। পড়া হয়না। অথচ ফেলতেও পারিনা। এই যে জীর্ণ "ঠাকুমার ঝুলি"। আমার দাদা অন্নপ্রাসনে পেয়েছিল। দাদা পড়েছে, দিদি পড়েছে, আমি পড়েছি। দাদার মেয়েওখুব সম্ভবতঃ। জমিয়ে রেখেছিলাম যদি মেঘ-গুঞ্জা কোনদিন পড়ে। যত দিন যাচ্ছে, আশাকমছে। কিন্তু তাও ফেলতে পারিনা। কলকাতায় যে মাস চারেক চাকরি করেছিলাম তখন প্রতি মাসে মাইনে পেয়ে (আমার কোম্পানিক্যাশে মাইনে দিত) চলে যেতাম লাইটহাউসের উল্টোদিকের দোকানে। সেখান থেকে কেনাডেসমন্ড মরিস। বয়ে চলেছি কুড়ি বছর। কেনার পর সেই যে ... ...

"৯৭ নম্বর ওয়ার্ডের নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে, এবছর মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিকের ...."একটা অটো বা ভ্যান রিক্শায় মাইক ফিট করে কেউ বলতে বলতে যাচ্ছে। সরু রাস্তার জন্য সেই স্বর কখনও থমকাচ্ছে, কখনও কেঁপে যাচ্ছে যান্ত্রিক এলোমেলোতায়। সাতানব্বই নম্বর ওয়ার্ডের প্রায় প্রতি গলি এঁদোগলিতেই ঘুরবে এই গাড়ি অন্তত একবার। সেইসব বাড়ির বারান্দা জানলা আর রোয়াকে উৎকর্ণ কিছু কান, কিছু বুকে চিনচিনে ব্যথা, কোথাও বা সামান্য পুলক। পিঠগুলো অল্প ভিজে উঠছে গুমোটে আর উত্তেজনায়। হাওয়া বইছে কখনও যদিও, তবু। ... ...

জয়ন্ত মহাপাত্র . পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক . "তারপর যখন ধরেই নিয়েছি, জীবনে লেগেছে গোধূলির রং, তখন এসেছে কবিতা. আমার কাছে . " . কবিতাএসেছে এবং রয়েই গেছে . আরও অনেক পরে ছোট গল্প . পদার্থবিদ যখন কবিতালেখেন, কেমন লেখেন ? আর কবি যখন ছোট গল্পে নিজেকে খোঁজেন ? কবিতায়বিশ্লেষণী মনোভাব কি অপেক্ষাকৃত প্রকট ? গল্পে কি ধরা পড়ে কবিতারবয়নশৈলী ? জয়ন্ত মহাপাত্রর একটি ছোট গল্পের ভাষান্তর . এখানে .এক বালকের মৃত্যু..................................আম ... ...

ওখানে মহুয়া পাওয়া যায়...?আমরা হলুম আদত মহুয়াটাঁড়ের লোক। টাটাবাবার শহরে চার পুরুষ। পেরথম চাকরি করতে যাওয়া চাইবাসায় ( মহুয়া রেঞ্জ : পরশুডিহ থেকে হাতা, রাজনগর, চাইবাসা হয়ে টোন্টো-ঝিকপানি, জগন্নাথপুর, হাটগামারিয়া, নোয়ামুন্ডি হয়ে সোজা বড়াজামদা, অথবা অন্যদিক দিয়ে খরকাই পেরিয়ে কান্ড্রা, গামারিয়া, বাহালদা, সেরাইকেলা, পন্ড্রাসালি হয়ে রোরো নদী পেরিয়ে চাইবাসা), তার পর জাদুগোড়া ( মহুয়া রেঞ্জ : আবার পরশুডিহ, সুন্দরনগর, নরোয়া পাহাড়, কালিকাপুর, সংকরদা, রংকিনী, জাদুগোড়া হয়ে মাটিগাড়া, রাখা, চাপড়ি, সুর ... ...

শালের বনের খ্যাপা হাওয়াজঙ্গলে যাওয়া একটা নেশার মতন। জঙ্গলে গেলে মনে হয় '' নিজেকে নিজের করে কখনও ভাবিনি''। যে উপলব্ধিটি সচরাচর আলো ঝলমল শহর মোকামে 'উপলব্ধ নহি হ্যাঁয়'। আমাদের ধারে কাছে যাঁরা জঙ্গল দেখতে বাসনা করেন, তাঁরা একছুটে ডালট্নগঞ্জ, বেতলা রেঞ্জের দিকে ধাওয়া করেন। অথবা রাঁচির দিক থেকে লোহারডাগা হয়ে নেতারহাটের দিকেও যাওয়া যায়। রাঁচি থেকেই আবার ম্যাকক্লাস্কিগঞ্জ যাওয়ার পথ। তবে ম্যাকক্লাস্কিগঞ্জ এখন যতোটা কল্পনায় ততোটা বাস্তবে নেই। যদিও রাজার রাজা হচ্ছে সারান্ডা রেঞ্জ। এর মধ্যে পা ... ...

ও ই খানে থেমে যায় মেঘএক্সপ্রেসও ই খানে নামে মেঘযাত্রীর দলও ই খানে আকাশের লেভেল ক্রসিংও ই খানে মেঘাতু পাহাড় শেষ হলোআমাকে এখন ডাকে মেঘ মৌচাকঘাসপাতা কাদাসোঁদা মাটি জঙ্গলঅনন্ত ইজেলে ভেজা সবুজ কাগজঅনন্ত টানেল বেয়ে জল ঝরে পড়েবৃষ্টি আধেক ভেজা রুয়ামের চাঁদমৌসুমি শিহর লাল আকরিক ধুলোএখানে সাবানগন্ধ কিশোরীকাননবাদামপাহাড় গাড়ি স্থির সিগন্যালেতুমি কি পড়ছো কিছু... শক্তি বা ক্রেনপার্থিব রিমঝিম মেঘ সুবচনীজানালার বাহির হাওয়া ভিতর ... ...

তখন সদ্য চাকরি পেয়েছি,তাও খোদ ইস্কুল মাস্টারের চাকরি,যা মধ্যবিত্তের কাছে অতি লোভনীয়।চাকরি পাওয়ার আগে আমার কোন মূল্য না থাকলেও চাকরি পাওয়া মাত্রেই পাঁচ ফুট সাত ইঞ্চি’র স্থূলকায় ছেলেটার বিয়ের বাজারে বেশ দাম হয়ে উঠেছে। আর বাড়িতে বাবা অষ্টপ্রহর পিছনে পড়ে রয়েছেন।আমার বাবা রিটায়ার করার পর ঝিলিক ক্যানো মা খুঁজে পেলোনা,তা নিয়ে বেশ চিন্তিত ছিলেন এবং প্রত্যেক পর্বের পর তার চিন্তা বেড়ে যেত।আত্মীয়দের অনুযোগে তিনি ছেলের জন্য পাত্রী দেখা শুরু করলেন এবং খাওয়ার টেবিলে বসে আমাকে হুমকি দিতেন যে অমুক মাস অব্দি দেখ ... ...

২০০৮-এর ১লা এপ্রিল দারিদ্রসীমার নীচে থাকা মানুষদের জন্য ভারত সরকার রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্য বিমা যোজনা বা RSBY নামে এক স্বাস্থ্যবিমা চালু করেছেন। অন্য স্বাস্থ্যবিমায় যার নামে বিমা তাকে প্রিমিয়াম দিতে হয়। এই বিমায় কিন্তু সরকার সেই ‘প্রিমিয়াম’ দিয়ে দেন, ও গরীব মানুষ বিনামূল্যে একটা নির্দিষ্ট মূল্যমান অবধি অনেক চিকিৎসা সরকারি-বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠানেই পেতে পারেন। কিন্তু গরীব মানুষ কি জানেন তাঁর কি পাওয়ার কথা? যা পাওয়ার কথা তা তিনি পাচ্ছেন কি? •রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্য বিমা যোজনা কাদের জন্য? ... ...

শিউলিদির বাবাকে দেখতে গেছিলাম। বাবা টার্মিন্যাল ক্যান্সারের রোগী। কল্যাণী রোডের ধারে শিউলিদিদের বাড়ি। বাড়ি বলতে আমি যা ভেবেছিলাম তেমন নয়। তার থেকে ন্যুন। সেই এম ডি পাশ করে আমি যখন আমাদের মফঃস্বলের একটি আধা-দাতব্য প্রতিষ্ঠানে গিয়ে চুপ করে বসে থাকতাম, তখন থেকে শিউলিদির সঙ্গে আলাপ। শিউলিদি ঐ প্রতিষ্ঠানটির ডে ম্যানেজার গোছের ছিলেন। আমি প্রায়ই যেতাম, চুপচাপ বসে থাকতাম। দু-তিন জন রোগী হত কোনো কোনো দিন। রোগী পিছু চল্লিশ টাকা করে নিত ওরা মনে হয়, তার থেকে চোদ্দ টাকা কেটে আমায় হাতে দিত ছাব্বিশ টাকা। ঠিক ... ...