
সমাজ কোথায় নিয়ে যায় ! ... ...

আরএসএসই আসল ক্ষমতার কেন্দ্রে আজকের ভারত নামক দেশে। অনেকেই জানেনা। তারাই গান্ধীহত্যা করেছিল। ... ...

জীবনের সারমর্ম হয় না গো ... ...

বিশ্বজুড়ে ধর্ম-অধর্ম নিয়ে রক্তারক্তির ঘটনা চিরকালীন - সত্যি বলতে বিশ্বের সকল মানুষের সেটাই সনাতন ধর্ম - সে তাদের ধর্মমতের নানান নাম-ধাম- গাঞি-গোত্র যাই হোক না কেন। ... ...

এ লেখার প্রোটাগনিস্ট ফুরফুরে ফরাসি তরুণী মার্গারিটের মতো কেউ নয়, এক ডানপিটে বঙ্গললনা - দেবী… ... ...

"জানিস না, পুলিশ একবার ছুঁলে বায়ান্ন ঘা! এরপর পাড়ায় যদি পুলিশের আসা যাওয়া চালু হয়, তাহলে তোর কিন্তু এ পাড়ার বাস তুলে ছাড়বো হতভাগি, অলুক্কুণে হাড়জ্বালানে। নাতি মেরে বের করে দেব রাস্তায়। আমার বুকের ওপর বসে তোর ঐ বাঁটনা বাঁটা চিরজম্মের মতো যদি ঘুঁচিয়ে দিতে না পারি তো আমারও নাম...." ... ...

এখনও নাকি চাঁদের সঙ্গে ওর আশনাই নিজেকে নষ্ট করে ঘরে তোলে বেহায়া চাঁদটিকে যখনই সে এ শহরে আসে। ... ...

বর্ধমানের বাইরে ‘সরুচাকলি’ জিনিসটা কতটা পরিচিত আমার জানা নেই। কিন্তু বড়ই উপাদেয় সেই জিনিস, বিশেষ করে শীতের দিনে। গরম তাওয়ায় তেল বুলিয়ে তাতে বাঁটা চাল আর বাঁটা কলাই একসঙ্গে গুলে তালপাতার টুকরো দিয়ে গোলাকার করে দিতে হয়। তারপর একদিকটা রান্না হয়ে গেলে, খুন্তি করে উলটে দেওয়া। আমরা শীতের দিনে খেজুর গুড়ের সাথে খেতাম এই জিনিস – বিশেষ করে ছোটরা। আর বড়রা দেখেছি সরুচাকলি-র সাথে বাঁধাকপির তরকারির কম্বিনেশন দিয়ে রাতের খাবার বলে চালিয়ে দেয় শীতের সিজনে। ... ...

সেই একই কেস। “দেখ মা, এরা নিজেরা ভুল করেছে, তার পানিশমেন্ট পেয়েছে। দে ডোন্ট ডিজার্ভ সিমপ্যাথি।” ‘“ভুল করেনি, এদের ঠকানো হয়েছে। দুটো এক নয়।” “দে চোজ দ্য রঙ মেন। দেয়ার ফল্ট।” “কাগজ পড়িস? প্রোপোজাল রিজেক্ট হয়েছে বলেও অনেক ঘটনা ঘটে। তারও দরকার হয় না, জাস্ট প্রেজেন্সই অনেক কিছু করে।” “কিছুই বুঝলাম না।” “খামবুনির ঘটনা মনে আছে? মেয়েটি গ্যাংরেপড হয়ে খুন হয়। কলেজ থেকে বাড়ি ফিরছিল, কয়েকজন তাকে তুলে নিয়ে যায়। মেয়েটির কি দোষ ছিল?” ... ...

কেশকর তো রেডিও থেকে হিন্দি সিনেমাকে বহিষ্কার করলেন, কিন্তু গ্ল্যামার-শিল্পপতিরা কি ছেড়ে দেবার লোক? খোদ কংগ্রেসেই উল্টোদিকের জোরালো মত ছিল। তার পুরোধা ছিলেন সদাশিব পাতিল। তিনিও মারাঠি, খাস বোম্বের লোক, এবং আমেরিকা-ঘনিষ্ঠ। পাতিলকে নিয়ে গুচ্ছের কথা শোনা যায়, যেমন, ভারতে 'ব্রিফকেস রাজনীতি'র জনক, বা সিআইএর সরাসরি এজেন্ট। কিছু পরোক্ষ সাক্ষ্যও আছে, কিন্তু প্রমাণিত সত্য বলা কঠিন। সত্য হলেও ব্রিফকেসওয়ালারা তো লিখে রেখে যাবেনা, বা সিআইএ সেইসব নথি খুলেও দেবেনা। যেগুলো মোটামুটি সর্বজনগ্রাহ্য, তা হল, তিনি বোম্বের উচ্চকোটি মহল এবং ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখতেন। এবং তৎকালীন বোম্বে কংগ্রেসের সর্বেসর্বা। খোদ সিআইএর খুলে দেওয়া নথিতেই একাধিকবার পাতিলকে বোম্বে কংগ্রেসের বস, বা বোম্বের পার্টি বস, বলে উল্লেখ করা হয়েছে। খোলা অর্থনীতি নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে তাঁর মতের মিল ছিল, এও কার্যপ্রণালী থেকে দেখতেই পাওয়া যায়। ... ...

২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৩ -- নিজের চোখে যা দেখলাম। আমেরিকা ডুবে যাচ্ছে, আক্ষরিকভাবে। ... ...

একাকী ভ্রমণের ওপর চলছে “একা বেড়ানোর আনন্দে” সিরিজ। এছাড়া অন্যান্য বা কল্পভ্রমণ গোছের লেখাগুলি এক সূত্রে রাখলাম এই “অন্যান্য ভ্রমণ” সিরিজে। সেবার দুর্গাষষ্ঠীর দিনটা বেশ কাটলো আমার। বিনা পয়সায় ভার্চুয়ালি করে এলাম দক্ষিণ আমেরিকার Transoceanica হাইওয়ে ধরে ৬৩০০ কিমির - ছদিনের - বিশ্বের দীর্ঘতম বাসযাত্রা। তা শুরু হয়েছিল পূবে অতলান্তিক উপকূলে ব্রাজিলের রাজধানী রিও ডি জেনেরিও থেকে। দক্ষিণ আমেরিকার পেট চিরে - আমাজন বর্ষাবন পেরিয়ে - বিশ্বের দীর্ঘতম (৭৩০০ কিমি) আন্দিজ পর্বতমালার ১৫'৫০০ ফুট উচ্চতার একটি হাই-পাস টপকে সেই এপিক বাসযাত্রা শেষ হোলো পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূলে পেরুর রাজধানী লিমায়। সেই অনবদ্য অভিজ্ঞতার অভিঘাত বর্ণনার আগে প্রাককথন হিসেবে হ্যাজটা একটু বেশীই হয়ে গেল। বুড়ো বয়সে বাজে বকা রোগ আরকি। ... ...

বিকেল আসে এমনি করেই রোজকার মত নীল আকাশ নিভিয়ে জমির ওধারে ঢুবে যাবে চাঁদ হয়ত বা বাড়ি ফিরতে হবে হয়ত বা বাড়ি ফেরার পালা দেখবে সারি সারি ... ...


টুকটাক ... ...

এপাং ওপাং ঝপাং ... ...

"ওমা তাইতো! সাড়ে তিনটে বেজে গেছে। চল চল আমরা ছুটে যাই রাস্তা অবধি" বলে রাজু বিস্তৃত মাঠের ওপর দিয়ে ছুটতে শুরু করলো। দীর্ঘাঙ্গী হেমাঙ্গিনীও আঁচলটা কোমরে গুঁজে ভাইয়ের পিছনে ছোটে। সরমার দেওয়া কমলা কোটা শাড়ির সরু সুতোর মিহি বুনোনে অনেক চৌখুপিতে সৃষ্টি হয়েছে মায়াবী স্বচ্ছতা। হাতে চটি নিয়ে সবুজ ঘাসে ফরসা পা ফেলে ছুটন্ত হেমার সতেজ শরীরের আভা যেন ঐ শাড়ির অসংখ্য জালি বাতায়ন দিয়ে ফুটে বেরুচ্ছে। ছড়িয়ে পড়ছে চরাচরে। সে এক স্বর্গীয় দৃশ্য! ... ...

ফলে মন্নুকে, যার গেঞ্জিতে কাপড়ের চেয়ে ছেঁড়া ছিদ্রের সংখ্যা বেশী, কচি শীর্ণ মুখে বসন্তের ছিট্, সংসারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিতে হয়, এমনকি নেশাখোর বাপের হাতে নেশার টাকাও তুলে দিতে হয়। খুব চেনা গল্প, এখনো প্রযোজ্য আমাদের সমাজের জন্য, মন্নুর ‘হেই মোড়ে’ সংলাপটা থেকে পাঠক তার পূর্ববঙ্গীয় ভাষার সাথেও একাত্মতা অনুভব করে, গল্পটার এত বছর পরেও। কিন্তু এই চেনা গল্পের মধ্য দিয়েই জ্যোতিরিন্দ্র ঘুরিয়ে আনেন আমাদের অনেক অচেনা শহর, বন্দর, ঘাট। গল্পটির শুরুতেই তার লক্ষণ টের পাওয়া যায়, যখন গল্পের উত্তম পুরুষ মন্নুকে প্রশ্ন করে, “ এত রাতে পালিশ কি রে?”, আর মন্নু উত্তর করে, “আচ্ছা ক’রে করে দেব, একদম আয়না মাফিক”, পাঠক টের পেতে শুরু করে, এক অদেখা আয়নার মুখোমুখি হতে চলেছে সে, সে আয়নায় জীবন ধরা দেবে বহুবিচিত্র রঙে, রূপে, রসে। ... ...

রামমোহন রায়ের বাড়ির অনুষ্ঠানেই ভারতবিখ্যাত নিকি বাইজি এসেছিলেন, ফ্যানি তাঁর পোশাকেরও বর্ণনা দিয়েছেন। সাটিনের পোশাক (শাড়ি নয়), সঙ্গে পাজামা। এবং সঙ্গে মাতাল করা নাচ। সে নাচ নাকি এতই উদ্দীপক, যে, বিলিতি মহিলারাও ওই পোশাক পরে নিজেদের জমায়েতে ওই নাচ নাচার চেষ্টা করতেন। এবং গরমের দেশে গলদঘর্ম হয়ে, কেউ কেউ অসুস্থ হয়ে পড়তেন। এতই গুরুতর বিষয় হয়ে গিয়েছিল, যে, এই পোশাক পরতে বারণ করে একটি নোটিসও জারি হয়েছিল। ... ...

জীবন যেদিকে নিয়ে যায় ... ...