নিজের সামরিক ও অর্থনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের সম্পর্কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সব সময় সজাগ। তাদেরকে দমন করতে কোন প্রচেষ্টাই বাদ রাখে না। আফগান যুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের অর্থনীতি ভেঙে গিয়েছিল।.ওই রকম আরেকটি যুদ্ধে রাশিয়াকে জড়ানো গেলে তার কোমর পুরোপুরি ভেঙে যাবে। তাই ইউক্রেনে নিজেদের পাপেট বসিয়ে তার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়াকে আরেকটি যুদ্ধে কৌশলে জড়িয়ে ফেলেছ।.তবে ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক রাজনীতির নতুন যে মেরুকরণ ঘটেছে তাতে যুক্তরাষ্ট্র আরেকদফা বেকায়দায় পড়েছে। এতদিন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ছিল শতভাগ ডলার নির্ভর।.এখন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ডলারের বিকল্প মুদ্রা চালু হয়ে গেছে। এর ফলে আমেরিকার অর্থনীতি চাঙ্গা ভাব ধরে রাখা সম্ভব হবে না। যার ফলে আমেরিকা একসময় বাধ্য হয়েই নিজের ... ...
ইতিহাসে মার্কো পোলোর অবস্থান অনন্য। মাত্র ১৭ বছর বয়সেই দুর্গম ও বিপজ্জনক পথে পৃথিবী চষে বেড়ানোর জন্য বের হয়ে যান তিনি। পায়ে হেঁটেই জয় করেছিলেন পৃথিবীর এক-তৃতীয়াংশ। তখন ইউরোপে কাগুজে মুদ্রার প্রচলন ছিল না। তিনিই চীন থেকে কাগজের মুদ্রার ধারণা নিয়ে আসেন ইউরোপে। ক্রিস্টোফার কলম্বাসের আমেরিকা জয় করার পেছনে আছে তার দুঃসাহসিক জীবনের অনুপ্রেরণা। ... ...
web design services for small business A man was going to the house of some rich person. As he went along the road, he saw a box of good apples at the side of the road. He said, "I do not want to eat those apples; for the rich man will give me much food; he will give me very nice food to eat." ... ...
চীন থেকে ফিরতি পথে পাকিস্তানে নেমেছিলেন ভাসানী। মেয়র এক নাগরিক সংবর্ধনা দিয়েছিলেন ভাসানীকে। ভাসানীর মাথায় তালের টুপী আর পরনে ছিল লুঙ্গি। তিনি স্টেজে উঠেছেন ভাষণ দিতে.....ভাসানীর বেশ ভূষা দেখে দর্শক শ্রোতাদের মধ্যে গুনগুন মন্তব্য -"ইয়ে তো মিসকিন হ্যায়"..!!.কোরান তেলাওয়াত দিয়ে ভাসানীর বক্তব্য শুরু হতেই ওই শ্রোতাদের কণ্ঠে আরেকটি মন্তব্য ভেসে এলো -"ইয়ে তো মাওলানা হ্যায় "..!!. ... ...
হাজার সময় আচ্ছা বলুক। সেসব নেহাত ধোকা / অনলাইনে মেঘ বেচেছ ; বর্ষা শহর একা।
ব্যাকুলতা তোমার চোখেতে স্বর্গ দেখেছি, পেয়েছি মনের শান্তি,একদিন তুমি নিজেই ঠাট্টার ছলে বলেছিলে- 'আমি নাকি তোমার জীবনের পরম প্রাপ্তি'!সেই তোমার ঠাট্টা, আজ আমার জীবনের বিষনা গিলিতে পারি, না ফেলিতে পারি, ব্যথা অহর্নিশ। পাথরেও বৃক্ষ জন্মায়, যদি থাকে মনের আত্মবিশ্বাসসুস্বাস্থ্য মুক্ত বাতাস, কখনও কখনও হয়ে ওঠে রুদ্ধশ্বাস।অনড়, অসার পথ চলতে হবে একা-একাকী আলো-অন্ধকারের ঊর্ধ্বশ্বাসে-মোহ-মায়া-মমতায় গড়া আজ, তোমার জীবন বটে! ছোটো জীবন মোর, ছোটো ছোটো আশাতোমারে কাছে পেয়েছিনু একটুক্ষণ-ভেবেছিনু থাকিবে তুমি মোর সাথে আমরণ-। তুমি ভুলিয়াছো মোরে তোমার স্বার্থান্বেষীতেআজো ভুলি নাই আমি, ছোটো জীবন তো রে! ... ...
চড়কের* *মেলা* - *গ্রীষ্ম* *কাল* সে ছিল একদিন আমাদের যৌবনে কলকাতা -এই কলকাতা যখন সবে তার কৈশোর পেরিয়ে যৌবনের দিকে গুটিগুটি পায়ে এগোচ্ছে,সেই সময় চড়ক পূজা কে কেন্দ্র করে গাজনে সন্ন্যাসীদের মধ্যে খুব হুড়োহুড়ি দেখা যেত। এখন আমরা যদি একটু পুরাণের পাতা উল্টাই তবে সেখানে কিন্তু চড়ক পুজো বলে কোনো প্রথা দৃষ্টিগোচর হয় না। ... ...
বোকা ছেলেদেখতে সে বেজায় খারাপ, রংটা তাঁর কালো সবাই বলে বাইরেরটা যেমন-তেমন, মনটা তাঁর ভালো।হাসতে পারে ঠিক রাজার মতো, হা-হা-হা-হাছেলেটা যেমন কাজ করে, তেমন খাবার খায় তিন বেলা।সাধাসিধে মন তাঁর, সহজ-সরল শ্রেণির মানুষকখন, কোথায়, কি বলতে হয়, থাকে না তাঁর হুঁশ।বড়ো দাদাদের স্নেহ আর ভালোবাসা, থাকে তাঁর সাথে,তাই তো বিপদে-আপদে, দাদারাই তাঁর পাশে থাকে।ভাগ্য ভালো ভগবান, বড়োভাই আর দাদারা ছিল তাঁর সাথে নইলে তাঁকে থাকতে হতো খর রৌদ্রের মাঠে। ... ...
প্রন পকোড়া ও কোল্ড কফি খেতে খেতে সবাই একমত হলেন, ভগবানটি ভুয়ো ছিল। নতুন ভগবান লাগবে।অমুক ব্লকের বিডিও মদের পার্টি দেবেন। টাকাটা ঝাড়তে হবে সরকারী স্কিম থেকে। অধস্তনরা নির্দেশ পেলেন। একজন ফিসফিস করলেন, 'লিখিত দেবেন স্যার?'। বিডিও শুনেও শোনেন নি।অমুক পঞ্চায়েতে সাড়ে চার লাখ একশ দিনের প্রকল্পের টাকা থেকে। দুজনকে ভাগ দিতে হল। ... ...
ধরা যাক আমি কোনো একটি পোস্টে বেশ কিছুদিন আগে কমেন্ট করেছিলাম কিন্তু এখন পোস্ট সম্পর্কিত নোটিফিকেশন পাওয়া বন্ধ করতে চাই। আনফলো করার উপায় কী ? মানে আমি নতুন নতুন কমেন্টের নোটিফিকেশন প্রাপ্তি বন্ধ করতে চাইছি ৷
আমি একজন কানাডা-প্রবাসী বঙ্গললনা, প্রায় তেরো বছর হল এই মেপল পাতার দেশে সংসার পেতেছি। পেশাগতভাবে আমি একজন কেরিয়ার কাউন্সেলর (career counsellor) বা কেরিয়ার অ্যাডভাইসর (career advisor) – যাকে বিশুদ্ধ বাংলায় বলা যেতে পারে কর্মজীবন পরামর্শদাতা/দাত্রী বা কর্মজীবন উপদেষ্টা। অবশ্য আমি যে শুধুই কেরিয়ার কাউন্সেলিং করি তা নয়, আমি একজন রেজ্যুমে রাইটারও (résumé writer) বটে। বাংলা ভাষায় এই কাজটার খুব গালভারী একটা প্রতিশব্দ আছে: কর্মজীবন-বৃত্তান্ত লেখক/লেখিকা। সহজ করে বলতে গেলে আমার কাজটা হচ্ছে কানাডার এবং আমেরিকার জীবিকাসন্ধিৎসু মানুষদের চাকরিতে আবেদন করা সংক্রান্ত প্রায় সমস্ত ব্যাপারে সাহায্য করা। শুধু তাই নয়, কানাডাতে কি কি বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করলে কিধরণের চাকরি পাওয়া সম্ভব ... ...
খুব বৃষ্টি হচ্ছিল পর্বত মূষিক প্রসব করার পরে। পাহাড়ের ঢালে। আমার বৃষ্টি ভাল লাগে। ছোটবেলার বৃষ্টি। যখন মা গল্প পড়ে শোনাত, বাইরে ঝড় বৃষ্টির শব্দ শোনা যেত, ভয় হত মাটির ঘর না ভেঙে পড়ে ঝড়ে। সেই সময়ের বৃষ্টি।
এলোমেলো ঘুরতে ঘুরতে ঘন জঙ্গল পেরিয়ে ছোট্ট পাহাড়টার নীচে গিয়ে দাঁড়াল। মাথা ঘুরিয়ে চারপাশ দেখতে লাগল নীরব প্রত্যাশায়। কেউ নেই। কাউকে দেখতে পেল না সুসি। ওর নাম তো জানি না। তাই ধরে নেওয়া গেল ওর নাম সুসি। প্রবল প্রকান্ড স্থিতধী দাঁতাল। আপনমনে, বোধহয় নি:সঙ্গতার হতাশায় বাতাসে শুঁড় দোলাতে লাগল একনাগাড়ে। কি জানি কি ভেবে মাথা নাড়ালো বেশ কয়েকবার। তারপর টিলার ওপরে উঠতে লাগল। ... ...
উফ আমার মাথা আউলে গেছে পুরো।দগ্ধ বইটি বের করার সময় বাড়তি উত্তেজনা ও আবেগ ছিল অবশ্যই, কারণ এর সঙ্গে নানান রকমের রিস্ক জুড়ে আছে বলে মনে হচ্ছিল, সেসব বাস্তব না প্যারানৈয়া তা নিয়ে দ্বিধা ছিল, তবু ছিল। তাছাড়া টিমের অনেকের কাছেই জয় আজকের বাংলা কবিতার বর্তমান পিতামহ কিংবা ঈশ্বরতুল্য, আমার কাছে তো বটেই, আমার কবিতা পড়ার শুরু গোঁসাইবাবুর হাত ধরেই। সেই উত্তেজনা ও মুগ্ধতা ছিল। আমি ওস্তাদ বিসমিল্লা খান সাহেবের একমাত্র সামনাসামনি পার্ফরম্যান্স দেখেছি যখন, একটা ছোট ঘরোয়া আয়োজনে, তিনি অতিবৃদ্ধ, চোখের দৃষ্টি ঘোলা, হাঁটা চলা করতে পারেন না। তা বলে কি আর মুগ্ধতা কমে? তো, সেইসব ছিল। কিন্তু এর ... ...
#রম্যরচনাঃ " দাঁতকেলানে বাঞ্ছারাম " প্রদীপ দে ~~~~~~~~~~~~~~~~~ বাপ মায়ের দেওয়া নাম "মনবাঞ্ছা"। জন্মেই নাকি হেসে লুটোপুটি খেয়েছিল। ডাক্তার নার্স বেবিকে ধরে রাখতে পারেনি - এমনি নাকি ছিল তার হাসি। বাবা -হাসুক তলাপাত্র, মা - খুশি তলাপাত্র। ছেলের নাম "হাসিখুশি" বা "হেসেখুশে" রাখবে বলে ঠিক করেছিল তার নিরক্ষর পিতামাতা। ... ...
জতুগৃহ / সমস্ত অক্ষর পুড়ে গেছে / কাগজ পুড়ে গেছে / পুড়ে গেছে মানুষ জন্মের / শংসাপত্র
কোন এক অজ্ঞাত খেয়াল / কোন এক পাগলামির বীজ / আমায় দিয়ে দখল করালো / সূর্যমুখী গ্রাম।
চলে যাওয়া যায়, নিশ্চয়ই