স্ট্রিটলাইট হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে ইচ্ছে করে ভীষণ! / ইলেকট্রিকের তার শরীরে জড়িয়ে স্থির হয়ে থাকতে ইচ্ছে করে সারারাত! / ভাবতে ভালো লাগে দেহের ভেতর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে উচ্চশক্তিসম্পন্ন বিদ্যুতের তীব্র স্রোত! / কেউ জানছে না কেউ বুঝছে না! আপাতশান্ত বহিরঙ্গ! অন্তরে জটিল তরঙ্গের দুর্নিবার আস্ফালন!
খালি শুনতি ছেলাম, খেলা হবেক। খেলা হবেক। খেলা হবেক। হেই অ-রাম রাজত্বে মেলা আর খেলাই তো হওয়ার আছে গো। হরেক মেলা তাবৎ দ্যাখছি বটে। রঙিন মাছের মেলা। পাখির মেলা। বাসনের মেলা। কোষণের মেলাও দ্যাখ্ছি। আর কিছু নাহোক, আনন্দ মেলা নাম লইয়া হরেক মালের মেলা দ্যাখছি। কিন্তুক খেলা হবেক। খেলা হবেক। খেলা হবেক... হাঁকল বটেক। তেমন খেলা আর হইল কই ! ... ...
আপনি ক'দিন না খেয়ে থাকতে পারবেন?দু'দিন, চার দিন? সর্বোচ্চ সাত দিন। এর পরে আপনি নতি স্বীকার করতে বাধ্য। তখন আপনাকে দিয়ে যা ইচ্ছা তাই করিয়ে নেয়া যাবে।.ইউক্রেন থেকে ইউরোপের দিকে পালিয়ে আসা শরণার্থীরা পুরো পরিবার নিয়ে যেতে পারছেনা। সীমান্তে পুরুষদের আটক করে যুদ্ধে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে। ওদিকে পুরুষবিহীন নারী ও শিশুরা পর্ন ইন্ডাস্ট্রির টার্গেটে পরিণত হচ্ছে। ... ...
বাঙালির আর একটা নতুন বছর শুরু হল। সকাল থেকেই শুরু মন্দিরে মন্দিরে বিশেষ পূজো, হাল খাতা, সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচিত, স্বল্প পরিচিত, আত্মীয়, বন্ধুদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় – বাংলা দূরদর্শনের নববর্ষের বৈঠক, খাওয়া দাওয়া দিয়ে। মনে পড়ছিল, ছোটবেলার দিনগুলোর কথা।
জন্ম দিনে জিনিয়াস কে শ্রদ্ধাঞ্জলী! 'তোমার নগ্ন শরীর,শর্তে-সেই প্রেমিকের প্রাপ্যবসত করে যে নগ্ন স্বরূপে-তোমার;সেই তো কাম্য!'ভবঘুরে এক জন্ম নিলোষোলোই এপ্রিলেগোটা বিশ্ব তোলপাড় হলোহাসির কলরোলে। ঢোলা প্যান্ট হাসে,চাপা কোট হাসেবাঁকা ছড়িতে জাদুর কাজবড় জুতো হাসে, গোল টুপি হাসেদেখে টুথব্রাশ গোঁফে সাজ। শার্সি ভাঙ্গে দুরন্ত 'কিড',চার্লি দেখায় ’সার্কাস'বিয়াল্লিশের জন্মদিনে আবার এলো 'গোল্ডরাশ'। সভ্যতার যন্ত্রনাতে 'মর্ডান টাইমস' জেরবার'লাইম লাইটে' শিল্পীর স্থান দর্শকের দরবার। মানবাত্মা লোভে বিষাক্ত শেষটা ভয়ঙ্কর-শিয়রে আজো শ্বাস ফেলছে 'গ্রেট ডিক্টেটর'!!"ডেমোক্রাসিয়া স্টাংক্, ফ্রী স্প্র্যাকেন স্টাংক;" ... ...
লোকে বলে কোয়ারেন্টাইন এফেক্ট ...আজকাল হঠাৎ করে কারো খুব, খুউউব কাছে আসতে ভয় হয়। সার্স, মার্স আর ওমিকর্ন যদি কলেজ বয়সে আসতো তা হলে মনে হয় জীবনে কোনদিনও প্রেম নামক জিনিসটাই জানতে পারতাম না। তবে দূরে থাকা ভালো। এই যে সব কিছু থেকে দূরে দূরে থাকি তাতে একটা নেশা লাগে মনে, কাছে আসার নেশা। আরো কাছে ....গিয়েছিলাম ছেলের স্কুল। ... ...
স্টীভ ম্যাককুরে নামে একজন প্রফেশনাল ফটোগ্রাফারকে ১৯৮৪ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের পক্ষ থেকে প্রস্তাব দেওয়া হয় পাকিস্তান-আফগানিস্তান বর্ডারে শরণার্থী শিবিরগুলো ঘুরে তাদের জীবনযাত্রার কিছু ছবি তুলে আনার জন্য।.নাসিরবাগ শরণার্থী শিবিরে পৌঁছে স্ট্রীভ একটি তাঁবুতে অস্থায়ী স্কুল দেখতে পান। টিচারের অনুমতি নিয়ে তিনি একটি ক্লাসে ঢুকে কিছু ছবি তুলতে চান। সেখানে প্রায় পনেরটির মত কিশোরী বসা ছিল কিন্তু একটু দূরে বসা সবুজ চোখের এক কিশোরী ... ...
সেই দূরদর্শনে নববর্ষের বৈঠকী আড্ডা শোনার জন্য ইস্কুলের দিনগুলোর থেকেও তাড়াতাড়ি উঠে পড়া, আর অনুষ্ঠান শুনে প্রতিবারের মতই সেই নাক সিঁটকানো ... তা হোক। ভাল কিছু ও তো ছিল। সেই সেবার, 'শূন্য হৃদয়পদ্ম নিয়ে যা' লাইনটা যেমনি আসছিল, জলের উপর একটা লত্পত করতে থাকা পদ্মফুলের উপর ক্যামেরা ফোকাস করছিল,দেখে আমাদের কি হাসি, কিন্তু ঐ চক্করে ধীরেন মিত্তিরের গলায় ঐ অমন পদ্মার ঢেউ রে ও তো শোনা ... ...
“এসো হে বৈশাখ এসো এসো” - সকালের ঘুমটা গেল চটকে কবির।এ তো দেখছি সুরের বারোটা বাজিয়ে দিয়েছে। কি কুক্ষণেই যে লিখেছিলাম। কটা বাজে দেখার জন্য কবি মোবাইলটা অন করলেন। পিং পিং পিং পিং ……মেসেজ ঢুকেই যাচ্ছে। “ নিশি obosan প্রায়”…। “নববরশের নবোদিত suriya……,”। এঃ হেঃ এ যে বানান ভুলে ভর্তি মেসেজ। ... ...
কালো বিড়ালটা কথা বলতে পারতো, হয়তো অবিশ্বাস্য শোনাচ্ছে, অথচ আমার দেখা শ্রেষ্ঠ গল্পকথক আমি ওকেই বলবোও আমার বিছানায় ঘুমোতো, রান্নাঘরে ঢুকতো না পারতপক্ষে, খাবার টেবিল ছিলো ওর অন্যতম পছন্দের জায়গাবাজার থেকে আনা ভালো মাংসটুকু ও-ই নিতো, জড়তাহীন ভঙ্গি একেবারে, যেন আমি নই, ও-ই হচ্ছে পরিবারের সর্বেসর্বা, কর্তাপ্রধান কিংবা নিরঙ্কুশ ক্ষমতার অধিকারীর মতো, ভাজা ইলিশের টুকরো খুব কম দিনই কপালে জুটেছে আমার, ... ...
মুন্ডহীন ও দাদা শুনছেন, ও দিদি শুনছেন, একবার দেখুন না, দেখতে পাচ্ছেন! এখানে ঠাঁই দাঁড়িয়ে আছে দুইজন, আমার দিকে এক দৃষ্টে তাকিয়ে, কিন্তু কোনো কথা বলছে না!! আরে, আসেন না, কাছে এসে দেখুন, কোমরের নীচের দিকটা কেমন শুকিয়ে যাওয়া রক্ত মনে হচ্ছে না? কাপড়টা সরিয়ে দেখি, নানা, এইরকম করাটা ঠিক হবে না বলুন? ... ...
সেন্ট লুইস চার্চ ও তিববতি মিশন চার্চ ছাড়াও প্রাচীনতম বোরাই চন্ডী মন্দির ও প্রায় একশটি শিব মন্দির ছিল।
University থেকে special paper এর ক্লাস করে বেরোতে গিয়ে চোখ আটকে গেল সাহিত্য ভবনের দিকে। সাদা পাঞ্জাবি লাল উত্তরীয় আর লাল পাড় সাদা শাড়ির দল, রাত পোহালেই নববর্ষ তাই আগাম বর্ষবরণের প্রস্তুতি চলছে। Office ঢুকতে দেরি হল ট্রাফিক জ্যাম এর জন্য, চৈত্র সেলের শেষ দিন বলে কথা। তবে অন্য দিনের মত আজ আর ট্রাফিক জ্যাম ... ...
বাংলার খোল, কীর্তনের ধ্রুপদী স্বীকৃতি চাই, কেন্দ্রে দরবার করবে সঙ্ঘ পরিবারের শাখা বাংলায় কীর্তনের অনেক রূপ। লীলা, পদাবলি, রাসলীলা-সহ নানা নামে কীর্তন পরিবেশন করেন বাংলার শিল্পীরা। কিন্তু খাতায়কলমে এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার কীর্তনকে ধ্রুপদী সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃতি
ট্রেনে বাসে, অন্ধ গলি পেরিয়ে রাজপথে / ঘামে মাখা, তপ্ত রৌদ্রে তামাটে মুখ খানি / আমি।
গ্রাস / খাঁচার কপাট খুলে দিতেই মিঠু তুর তুর / করে বেরিয়ে আসে। ও এখন অমিতের / হাত থেকে দানা খাবে। তারপর আবার / তুর তুর করে হেঁটে ঢুকে যাবে খাঁচায়।
হে অরণ্য, কোন যাদুবলে / রাখো এ বহ্নিরে ! - / কেন এ দ্যুতি দেখাতে গেলে / আমার প্রিয়ারে?
প্রায় দু-দশক আগের কথা। তখন সদ্য স্কুলের চাকরিতে ঢুকেছি। চারপাশের পরিবেশ তখনও একটু অপেশাদার। একটু ঢলঢলে ভাব। আমার স্কুলের তদনীন্তন হেডমাস্টারমশাই কলকাতায় যাচ্ছেন স্কুলের কিছু কাজ নিয়ে। তখনও বেশ দূরে আছে ই-মেল, হোয়াটস্যাপ, সফট্কপি - এইসব শব্দ। আগের দিন থেকে ফাইলপত্র বাঁধাছাঁদা করে রেডি করে রাখার সময় ডাক পড়েছে তখনও কাজেকর্মে নেহাতই অপোগন্ড নবীনের। ... ...
No vote to bjp--- কোথায় গেলেন আপনারা? একটু 'পতিবাদ' হবে নি ?মেয়েটা যে ধর্ষিত হল-মরি গেল-
অচিন পাখি / শেষ যেদিন ওদের বাড়ি যাই, হাঁপাতে হাঁপাতে / মইনুদ্দীন বলেছিল, "আর পারি না বাবু। / এবার মুক্তি পেলেই বাঁচি।" পাঁজরের ভিতর শীর্ণ / বুকখানা হাঁপড়ের মতো জোরে জোরে ওঠানামা