শশী ঠাকুরমার পুরো নাম শশীবালা ভট্টাচার্য্য। বয়স পঁচাশি পেরিয়ে গেছে। শরীর ঝুঁকে গেছে। একটা লাঠি নিয়ে ঠুক ঠুক করে চলেন। চোখে মোটা ঘোলাটে কাঁচের মান্ধাতার আমলের চশমা। তিনকূলে তেমন কেউ নেই। দূর সম্পর্কের এক ভাগ্নে আছে, শিবশঙ্কর। বড় ভাল লোক। তারও বয়স পঞ্চাশ পেরিয়ে গেছে। সে আহিড়িটোলা থেকে প্রায় প্রতিদিন এসে মামীর দেখাশোনা করে। যতদিন মামী বাঁচবে শিবশঙ্করকে বিবেকের তাগিদে এ কর্ত্তব্য পালন করে যেতেই হবে। আজও লাঠিটায় ভর দিয়ে ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন শশীবালা। বোধহয় শিবশঙ্করের আগমনের অপেক্ষা করছিলেন। শিবশঙ্কর সাধারণত সন্ধে সাতটার আগে আসে ... ...
১৯৫৫ সালের ২৮শে আগস্ট এমেট টিল নামে ১৪ বছরের এক আফ্রো-আমেরিকান ছেলে মিসিসিপিতে শ্বেতাঙ্গদের লিন্চিং এর শিকার হয়। ক্যারোলিন ব্র্যায়ান্ট নামে এক শ্বেতাঙ্গ মহিলা টিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনে যে সে তাকে উদ্দেশ্য করে শিস বাজিয়েছে ও অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করেছে।.এই অভিযোগের পর ক্যারোলিনের স্বামী ও ভাই সশস্ত্র হয়ে টিলকে বাসা থেকে অপহরণ করে। পরে তাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়। হত্যা করার পর তার লাশ নিকটস্থ তালাহাসি নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।.তিনদিন পরে লাশটি ভেসে উঠলে উদ্ধার করা হয়। তার দেহ পিটুনি ও গুলির আঘাতে এতই বিকৃত হয়ে গিয়েছিল যে লাশ চিহ্নিত করতে খুব কষ্ট হয়। টিলের শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে ... ...
টোপাই বাবার ভাঙা সাইকেলটা নিয়ে মন্ডলপাড়ায় রেশান দোকানের দিকে যাচ্ছিল। পাড়ায় অনিতা মাসী খবর দিল যে, রেশানে কাল চাল ঢুকেছে। যেতে যেতে রাস্তায় দুবার চেন খুলে গেল সাইকেলের। দোকানে গিয়ে দেখল বিরাট লাইন। সিদ্ধেশ্বর চক্রবর্তী রাস্তার একপাশে ছোট কার্ড আর থলে হাতে নিয়ে হতাশ মুখে দাঁড়িয়ে ছিল। টোপাই সিদ্ধেশ্বরবাবুর সামনে গিয়ে সাইকেল থেকে নামল। ----- ' কিরে ..... এখন এলি ? আজ আর কিছু পাবি না .... কাল ভোরে এসে লাইন দিতে হবে আমাদের .... '----- ' কেন ? '----- ' এ...ই আজ বলছে কুড়িজনের বেশি পাবে না। আবার কাল কুড়িজন। লাইনে তো দেখছিঅন্তত ... ...
অনুবাদ : যে রাতের কাছে তুমি দৃষ্টি রেখে এলেসে অতল চেনে দূর থেকে দূরতর, তারও বেশী দূর।বিলম্বিতসুদূর অতীত থেকে প্রতিপদে আশাফিরে গেল অতন্দ্র প্রহরীর হাত ধরে।আরও কিছুদিন, বাকী আছে, বাকী আছেআমার কাছে ; জড়ো করিহৃদয়ের পাদদেশে।করতলব্যাপী হয়ে শূন্যতা বিস্তারী।অনর্গল পূর্ণতায় গতি রুদ্ধ করেআমার দুহাত জুড়ে তোমার মুখচ্ছবি।শুধু তোমায় সাথে নিয়ে এ উজানি দেহ বাওয়া,মুখোমুখি হতে হবে জেনেছিন্ন মূল হয়ে,দীঘল বাতাসে ভেসে যাওয়াবালুময় মুঠো থেকে তিতিক্ষা সয়ে যায়।শুধু যে সময় ঝরে গেলতপ্ত ধুসূর বালি।ধু-ধু করা গহীন আঘাতএক পশলা বৃষ্টিদিনেআজ হঠাৎ জীবন নামে ঝরে। মূল লেখা: As high as the nightfar from your eyeslatelike an ancient guard of hopeI gather the days remaining to meand ... ...
বৃষ্টিলেখার অজানা নয় বরুণ হবার ভান করিশিশিরের জল কর্জ করে তার দু'চোখে ধরা পড়ি।শব্দ ভীড়ের চিত্রকল্পে স্নিগ্ধ মুখটা ম্লান করিশাক দিয়ে মাছ ঢাকা হলে বিড়াল দেখে ভয়ে মরি!লেখার কি আর জানতে বাকি মঞ্জিলটা কত দুরেলিখছি যেটা ঘটা করে যাপন কি আর এক সুরে?এই ধরো না বান ডেকেছে নিশ্চিহ্ন গ্ৰাম মাঝেআমি কি আর স্থাবর ফেলে যাচ্ছি সেথা ত্রান কাজে?শব্দের পর শব্দচয়ন আকাশ পরীর বিবরণ,বেপরোয়া ঘরে ফেরার গল্পগাথা অকারন!ঝঞ্ঝা,ঝড়, দুর্বিপাকে কলম ছেড়ে দিচ্ছে প্রাণ'জেলখানার চিঠি' পড়ি, নাজিম গাইছে তোমার গান।সরীসৃপের মাধ্যমে পাই হলুদ খবর নিরন্তররসদ পেলেই বৃষ্টিলেখার তোয়াজ করি অতঃপর।জেনেও তবু আপোষ করো,অশেষ তব করুণাহাল ছেড়ো না বন্ধু, শুধু বন্ধ করো লাঞ্ছনা! ... ...
নতুন সংসদ ভবনের সিংহটাকে বেশ কিছু লোকের না পছন্দ, কেন? দু একটা সম্ভবনার কথা ভাবা যাক।১ নং-এ সিংহটা কেমন যেন দাঁতনখপেশিবহুল হিংস্র প্রকৃতির, আর সারনাথের সিংহ ধীর, গম্ভীর, রাজকীয়,, এ কোনো যুক্তি হলো? ডিসকভারি গোছের চ্যানেলে কেউ ম্যাদামারা সিংহ পছন্দ করেন? নিশ্চয় না, সিংহ শিকার করবে, শিকারিত পশুর রক্ত লেগে থাকবে সিংহের মুখেদাঁতেনঁখে, তবেই তো সে সিংহ, এই তো তার আসল রূপ, ছাপান্ন ইঞ্চি ছাতির মহাবীরদেরতো এমন সিংহই পছন্দ হবার কথা, সিংহ কি চড়কা কেটে সুঁতো বানিয়ে বেচবে? না কি পাস্তা খেতে ইটালি যাবে? সে শিকারি জীব, শিকার করে প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখবে, ছাপান্ন ইঞ্চির দাড়িপাল্লার দুই পাল্লায় এক ... ...
প্রবল আঘাত আমায় নৈঃশব্দ্য দিয়েছে চিরকাল। উঠে চলে যেতে ইচ্ছে হয় খুব। নতুন চাদর পেতে, সব ঝেড়ে পরিপাটি দেখে চলে যেতে ইচ্ছে হয়। বসে থাকার দাগটুকু মুছে দিয়ে জানলার ফাঁক দিয়ে পিছলে আসা আলোয় যে ধুলোবালি ওড়ে ওদের সাথে আমি উড়ে যেতে চাই। ওদের মত আমায়ও কেউ মনে রাখেনি। তাই কী ভীষণ অনায়াসে উঠে যাওয়া যায়। তারপর লোভ হয়, বড় লোভ হয় থেকে যেতে, পরিপাটি বিছানায় বসে, আমার থেকে যাওয়াগুলো রেখে যেতে। তারপর? ধুলোবালি চোখে পড়ে। জল ঝরে ক্রমাগত। একসময় দেখি ছাই রঙ আমায় বুকে টেনে নেয়। জানলার গরাদ ডিঙিয়ে ধুলো-বালি-ছাই উড়ে যায়। অবিকল আমার মত ক'রে!কবেকার পুরানো অনুতাপ আমায় ... ...
জ্বর হলেই বুঝতে পারতাম ও আছে।প্রথমে ছিলো তীব্র আতঙ্ক, তারপর আধিভৌতিক আশা-নিরাশার ঘোর, তারপর আশাভঙ্গের বেদনাজাত অসাড়তা, তারপর একটা ভীতি, যেমন প্রকট শীতের সন্ধ্যায় পৃথিবীর আশপাশ সঘন বাহুতে আঁকড়ে ধরে সফেদ কুয়াশা, তেমন, তারপর হতাশা, জোরালো থেকে ক্রমান্বয়ে ক্ষীণ, তারপর মলিন বিষাদ, মানিয়ে না নিয়ে উপায় নেই বলে মানিয়ে নেয়া তারপর, তারপর একত্রবাসের অভ্যস্ততা।আমি এখন অভ্যস্ত ওর সাথে বসবাসে।ওকে ধারন করি, ও আছে। ওকে অনুভব করি, ও আছে। ওকে লালন করি, ও আছে। ওকে এখন ভালোই হয়তো বাসি, ও আছে।পর পর কয়েকদিন জ্বর না হলে এখন বরং ওকে নিয়ে দুশ্চিন্তা বোধ করি, ওর উপস্থিতি-অনুপস্থিতির মধ্যবর্তী দোদুল্যমানতায় কাতর বোধ করি, অনুভূতির ... ...
চীন আর ব্রিটেনের মধ্যে ১৮৩৯ থেকে ১৮৪২ সাল পর্যন্ত সংঘটিত হয়েছিল প্রথম আফিম যুদ্ধ বা ফার্স্ট ওপিয়াম ওয়ার। সপ্তদশ-অষ্টাদশ শতাব্দীতে চীন ছিল কৃষিপ্রধান স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ। ফলে আমদানিতে তাদের ছিল প্রবল অনাগ্রহ।.তারা শুধু সোনা, রুপা আর আফিম আমদানি করত। সে সময় আফিম যে মাদক হিসেবে ব্যবহার করা যায়, তা জানত না চীনারা। তারা আফিম ব্যবহার করত ছোটখাটো রোগের চিকিৎসার ওষুধ হিসেব। এই আফিম আসত মূলত মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে।.এদিকে ব্রিটিশ বণিকদের কাছে চীনের চা, সিল্ক এবং চিনামাটির বাসন অত্যন্ত লাভজনক ব্যবসা ছিল। কিন্তু চীনারা কেবল রৌপ্যের বিনিময়ে তাদের পণ্য বিক্রি করত। ফলে ব্রিটেনের প্রচুর রুপা চীনের কাছে চলে যায়।.এটা বন্ধ করার ... ...
আমার শহরের শেষ দেবদূত মানুষটি চলে গেলেন। শহরটি একেবারে নি:শ্ব হয়ে গেল। মনে রাখার মতো আর কেউ থাকল না। তিনি ময়েনউদ্দিন স্যার। আমার হাই স্কুলের বিজ্ঞান শিক্ষক। ক্লাশে ঢুকেই বলতেন, এক চাইতে ১০ নম্বর অংকগুলো করো। অথবা চোখের সঙ্গে ক্যামেরার ছবিসহযোগে তুলনা করো। তারপর তিনি বসতেন চেয়ারে। সামনে টেবিল। বসে বসে নিমিশে তিনি ডুব দিতেন অন্য কোনো জগতে। কখনো তিনি মিটি মিটি হাসছেন। কখনো গম্ভীর হচ্ছেন। কখনোবা গভীর বিষাদ তার মুখে ছড়িয়ে পড়ছে। আমরা ১ চাইতে ১০ নম্বর অঙ্ক করতে করতে, চোখের সঙ্গে ক্যামেরার তুলনা আঁকতে আঁকতে সেই মুখের নানা ভঙ্গিমায় এসে থেমে যেতাম। আমার পাশ থেকে আলী কদর খান কনক বলে উঠত, ... ...
পরম আকাঙ্খিত।ছুঁতে চাও তাকে?শীতল হও,শীতল হও।আগুন ছুঁতে হলে।ধরো, তোমার শরীর জুড়ে ডুবে যায়আপতিক সংরাগে রামধনুর অনুকম্পা;হয়তো প্রস্তরীভূত তোমার দুহাতেঅবনমিত ক্ষয়,মসৃণ আবেশে সিক্ত।যদি কিছু স্বীকারোক্তির দায়নেমে আসে তোমার দু'চোখ ধরে ?যার তুলির টানেউঠে এসেছিল প্রত্যেক পেশীতন্তু ;এক এক করে,তার প্রত্যেক অস্থি-র বঙ্কিমতায়তোমার স্তিমিত অক্ষর সাধনা;আজন্মলালিত।শীতঘুম থেকে কবি উঠে আসে।শূন্য চিত্রপটে বিতাড়িত রক্তাভ অনুভব,তমোময় রক্তের আস্বাদ।অমৃতসমা।শিল্পীর আয়ুধে ইতিহাস লেখেনিসূক্ষ্মতর বিভাজন।কল্পিত শ্রাবণ।কোন জলে ধুয়ে যায় নিঃশব্দ অধিকার?সেই জলে নামো তুমি, প্রিয়তমা।অক্ষত আকল্প জুড়ে জুড়েএক শরীর জন্ম নিক।যে চিত্রকল্প জুড়ে প্রেয়সীর নগ্নতা,তাই হোক তবে আজ : উদ্বায়ী।আগুন ছুঁতে চাও?দগ্ধ হও,দগ্ধ হও।শীতলস্পর্শী হলে।প্রেয়সীর পরিবর্তিত অভিমুখেরস্থানান্তরিত প্রেক্ষাপট, দাঁড়িয়েছিলে কি তুমি?তোমার আরব্ধ দু'চোখ, ভেসে আসেপ্রেয়সীর বাহুডোর।শ্রাবণের শেষ ... ...
তিরিশের দশকে স্টালিন সোভিয়েত ইউনিয়নকে আমূল বদলে দিয়েছিলেন, তেমনই একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখতেন কম্যুনিস্ট পার্টির চেয়ারম্যান মাও। তারই সূত্র ধরে চীনে শুরু হয় ‘গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড’ নামের এক বিরাট আন্দোলন। যার শুরু মাওয়ের পরিকল্পনা মাফিক হলেও পরিণতি ছিল তার নাগালের বাইরে।.মাও বিশ্বাস করতেন চীনের বিপুল জনশক্তিকে ঢেলে সাজিয়ে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে এবং যৌথ পদ্ধতিতে চাষাবাদ করানো গেলে দেশের অর্থনৈতিক মুক্তি সম্ভব। অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর পর বাড়তি ফসল থেকে যে বিপুল আয় হবে, তা থেকেই শুরু হবে দেশের শিল্প বিপ্লব।.যার ফলাফল হিসেবে চীনজুড়ে স্থাপিত হবে প্রচুর কলকারখানা এবং লৌহ প্রস্তুত শিল্প। দেং জিয়াও পিং, ঝৌ এন লাই থেকে শুরু করে পার্টির ... ...
একটা ছবি দেখেই আপনি মহাকাশকে ভালোবেসে ফেললেন, অথচ আপনার একটা পৃথিবী ছিলোএকটা গৃহকোণ ছিলোএকটা বিড়ালএকটা ফিসবৌলে একটা হিরণ্ময় গোল্ডফিসএকটা শেফালি গাছ, হেমন্তরাতে যে গাছটা আপনার জন্য ফুল ফোটাতো এবং ভোরে শিশিরসিক্ত ফুলগুলো সব ঝরিয়ে দিতো অগুন্তি তারার মতো আপনার পায়ের কাছে। প্রিয় মানুষ, আপনি মাথা ঝুঁকিয়ে মাটিতে তাকালেই দেখতে পেতেন মহাকাশে ছড়িয়ে থাকা তারার চেয়ে সুন্দর এবং সুগন্ধমাখা অপরূপ সৌন্দর্যের নান্দনিক পশরাপ্রিয় মানুষ, নিঃশব্দে নীরবে আপনাকে ভালোবাসতো একজন নারী, আপনি সেটা জানলেন না, তার চোখে চোখ রাখলেন না, পড়ে দেখলেন না তার অব্যক্ত অনুভূতিতে লুকিয়ে থাকা অক্ষরগুলো, অথচ একটা ছবি দেখেই আপনি মহাকাশকে ভালোবেসে ফেললেনএ-ই হয় বুঝলেন, আপন হতে পারার ... ...
ঘুম আসছে না …ঝিমুনি এসে ফিরে গেল,স্বপ্নের ভাড়ারে টান পড়েছে।কেন এত অভাব?সব্বাই যে লুঠে নিচ্ছে। -- না না, ভাগ বাটোয়ারা হবে না। আমি একাই স্বপ্ন দেখবো।আমি ওকে কিনে নিয়েছি যে…পিছনে কাটি দিতে কেউ ছাড়ে না,-- স্বপ্ন কে কি কেনা যায়?আমিও কম যাই না। একগাল শুনিয়ে দিয়েছি, পাশের বাড়ির হনুকর্তাকে,-- আপনি আপনার মতন কথা বলেন। স্বপ্ন কে যদি নাই বা কেনা যায় তাহলে জমি কি করে কেনেন? বউ কি করে পোষেন?-- আগের দুটো কি এক হল? আর বউ পুষি মানে?-- কেন নয়? বউ তো আপনার একার? তাই না ? আর বাকী পড়ে রইল স্বপ্ন আর বাড়ি? ওই দুটি আসলে একটা মাটি ... ...
যে রাতের কাছে তুমি দৃষ্টি রেখে এলেসে অতল চেনে দূর থেকে দূরতর, তারও বেশী দূর।বিলম্বিতসুদূর অতীত থেকে প্রতিপদে আশাফিরে যায় অতন্দ্র প্রহরীর হাত ধরে।আরও কিছুদিন, বাকী আছে, বাকী আছেআমার কাছে ; একসাথে জড়ো করি,হৃদয়ের পাদদেশে।করতলব্যাপী হয়ে শূন্যতা বিস্তারী।অনর্গল পূর্ণতায় গতি রুদ্ধ করেআমার দুহাত জুড়ে তোমার মুখচ্ছবি।শুধু তোমায় সাথে নিয়ে এ উজানি দেহ বাওয়া,মুখোমুখি হতে হবে জেনেছিন্ন মূল হয়ে,দীঘল বাতাসে ভেসে আসাবালুময় মুঠো থেকে তিতিক্ষা সয়ে যায়।শুধু যে সময় ঝরে গেলধুসূর বালি।ধু-ধু করা গহীন আঘাতএক পশলা বৃষ্টি দিনেআজ হঠাৎ জীবন নামে ঝরে। As high as the nightfar from your eyeslatelike an ancient guard of hopeI gather the days remaining to meand I ... ...
সুরেন্দ্রনাথ কলেজের সামনে রাস্তা পার করে যখন ট্যাক্সিতে উঠলাম, তখন সন্ধে ৮টা ১০-১৫ হবে। শহুরে, গৃহমুখী, নিত্যযাত্রীর তুল্য তিক্ত ব্যক্তিত্ব অন্যত্র, অন্য সময় দুর্লভ। গাড়ির অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকার সময় সামনেই দুজনের মধ্যে তীব্র তক্কাতক্কি, অল্প ধাক্কাধাক্কি - এসব হয়ে গেল। আজকাল কলকাতায় গাড়ি বুক করাও স্ট্রেসফুল - কেউ ডেস্টিনেশন শুনে 'আসছি' বলে ক্যান্সেল করে, তো কেউ মিষ্টি করে 'কোথায় যাবেন' জিজ্ঞেস করেই বলে 'অফলাইন' করে দেওয়ার কথা। পা খোঁড়া, অতএব গাড়ি বিনে গতিও নেই আপাতত। সব মিলিয়ে, মেজাজের পারা সামান্য গম্ভীরের দিকেই ঢলে ছিল। ফোন এল এক পোস্টডক-রত জুনিয়র বন্ধুর। কথা সেরে কিন্ডল খুলেছি সবে, সামনের সিট থেকে ড্রাইভারের প্রশ্ন, "আপনি কি ... ...