‘আমার সারা জীবনে এভাবে পুরো দেশকে একজন ব্যর্থ নেতাকে হটানোর একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যে এক হতে দেখিনি। সরকারি বাসভবনের করুণ পরিণতিই আপনার ভবিষ্যৎ বলে দিচ্ছে। শান্তিপূর্ণ পথে বিদায় হোন। গোতা আজই চলে যান।’‘আমি সব সময় শ্রীলঙ্কার মানুষের সঙ্গে আছি। তাদের এ বিজয় উৎযাপন করব শিগগিরই। কোনো নিয়ম লঙ্ঘন না করে এই বিক্ষোভ অব্যাহত থাকুক। অবরোধ শেষ হয়েছে। দুর্গের পতন হয়েছে। মানুষের ক্ষমতার জয় হয়েছে। এখনই পদত্যাগ করে সম্মানজনকভাবে বিদায় নিন।’ -শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক সনৎ জয়সুরিয়া।কলম্বোতে গণ অভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি রাজাপাকসে আগামী ১৪ জুলাই আনুষ্ঠানিক ভাবে পদত্যাগ করবে। হাজার হাজার পুরুষ, মহিলা এবং শিশু প্রভাবশালী রাষ্ট্রীয় ... ...
২২ জুনের ঘটনাটি যখন ঘটছে। ভিডিওতে দেখুন। সুধী, অসম ভাষা আইনে পরিষ্কার এই কথা লেখা আছে... ‘Without prejudice to the provisions of article 346 and 347 of the constitution of India and subject as here in after provided. Assamese shall be used for all or any of the official purpose of the state of Assam’ ১৯৬১ তে ভাষা আইনের সংশোধনীতে কাছাড় জেলাতে বাংলাকে সরকারি ভাষা হিসেবে মেনে নেওয়া হয়েছে। অসমিয়া যারা জানেন না, তারা ইংরাজি ব্যবহার করতে পারবেন—সেই অনুমতিও রয়েছে আইনে। সংবিধানের ৩৪৬ নং অনুচ্ছেদেই ইংরাজিকে আবশ্যিকভাবে রাখার কথা রয়েছে। আরও কিছু কিছু ছাড় দেওয়া রয়েছে। এর মধ্যে ব্রহ্মপুত্র উপত্যকাতেও ... ...
ভূবনদা, সিস্টেম থেকে নোটিফিকেশন এসেছে, তুমি একটি লুজার আমিও বড় বেশি তোমার মতআমার আশু সতর্ক হওয়া দরকার। আমি কেটে উড়িয়ে দিতে পারিনিবসে বসে ভেবেছি, ভেবে ভেবে মন খারাপ করেছিলাভ কিছু হয়নি ;আবার নোটিফিকেশন এসে চলেছে। একটা সময়ের পর আমিও তুমি হয়ে যাব তোমার মত ব্যর্থ হয়ে যাব.. এইসব ঠারেঠোরে লেখা | তবু দেখ, আমার করার কিছু নেই,একেবারেই কিছু .. নেই। তবু দেখ ভূবনদা, তোমাকে এইসব জানানোর উপায় নেই। ... ...
শুনলে মন খারাপ করবেতাই বলিনি।ভেবেছি বুঝে নিবেচেয়েওছিলাম তেমনই। নিজেও বুঝিনিকবে যে নিঃশেষ হয়ে গেলাম একটুখানি ছায়া বাকিএই সরলো বলে।
ভারতীয় ক্রিকেটের প্রবাদপুরুষ। আমার সারা জীবনের হিরো।নিজের সময়ের সমস্ত বোলার কে ওয়েস্ট ইন্ডিজ :-ম্যালকম মার্শাল, আন্ডি রবার্টস, মাইকেল হোল্ডিং,জোয়েল গার্ণার,হোল্ডার,ইংল্যান্ড : স্যার ইয়ান বথাম, জন স্নো, ডেরেক আন্ডারউড নিউজিল্যান্ড:- স্যার রিচার্ড হ্যাডলিপাকিস্তান:- ইমরান খান, সফররাজনওয়াজ, আবদুল কাদিরঅষ্ট্রেলিয়া থমসম, ম্যাসিঅপরিসীম উদ্ধত্যের সাথে খেলেছেন ( লিলি কে বাদ দিয়ে). যাকে দেখে মনে হত ফার্স্ট বোলিং খেলা কত সহজ। আর সেটা বছরের পর বছর করে দেখিয়েছেন অনায়াসে আর হেলমেট ছাড়া। একদম শেষের দিকে স্ক্যাল ক্যাপ ব্যবহার করেছিলেন।একবার সাংবাদিক রা ওনাকে জিজ্ঞেস করেছিল "হেলমেট ছাড়া খেলতে ভয় লাগে না?" উত্তরে উনি বলেছিলেন " প্রথমেই যদি ধরে নি বোলার আমার মাথায় বল লাগাতে পারবে। আমি তো সেখানেই ... ...
গুনে গুনে আমার একটি হাতের সমস্ত আংগুলেরকুড়িটি রেখা নিঃশেষ হয়ে এলো।একুশ গুনতে এবার দ্বিতীয় হাতের দিকে তাকাই,দ্বিতীয় হাতের সব রেখা শেষ হলে,আমাদের বিচ্ছেদের বছর গুনে রাখবো কোথায়?আমার তো তৃতীয় হাত নেই,আরেকটি হাত কোথায় পাই?
ঈদ আমার কাছে বিশেষ একটি সম্প্রদায়ের উত্সব শুধু নয়, আমার নিজের উত্সব।সনাতন ধর্মীয় পরিবেশে যতোটা বেড়ে উঠেছি আমি, ঠিক ততোটাই বেড়ে উঠেছি ইসলাম ধর্মীয় আবহে। আমার পারিবারিক গণ্ডির বাইরে জাগ্রত যে জগত, সেটা প্রধাণত খালা খালু ফুপা ফুপু মামী মামা দাদা দাদী নানা নানী ভাইয়া আপুদের জগত।অকাতরে ভালোবাসা পাবার ঈর্ষণীয় ভাগ্য নিয়ে জন্মেছি আমি। আমার সিংহভাগ মুসলিম বন্ধুরা যতটুকু ভালোবাসা পায় ওদের পরিবারে, তারচে অনেকগুণ বেশি ভালোবাসা আমি পেয়ে এসেছি সবসময়। কতো কতো সকাল দুপুর তো বটেই, কতো কতো রাত, এমনকি মধ্যরাত ভোররাতে হুটহাট হাজির হয়ে বিশেষ করে মাতৃপ্রতিম খালাদের ঘুম ভাঙিয়েছি, ফুপুদের ঘুম ভাঙিয়েছি, মামীদের ঘুম ভাঙিয়েছি, ঘুম ভাঙিয়েছি ... ...
আজ কুরবানির ঈদ। মনের পশুত্ব নাশ করার দিন।
জানালাটার সাথে শেষ পর্যন্ত সম্পর্ক হলো আমার, এবং সেটা গড়ালো ভালোবাসা অবধিঅথচ মানুষ আমাকে বুঝেনি, যেমন আমি বুঝিনি মানুষকে, অথবা বুঝে ওঠার জন্য যে অম্লমধুর মিথস্ক্রিয়া প্রয়োজন, অথবা মনোদৈহিক জৈবিক ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া প্রয়োজন, অথবা আত্মিক অথবা আধ্যাত্মিক রসায়ন প্রয়োজন, তারা সব আকার গ্রহণ করার চেয়ে নিরাকারের প্রতি অনুরক্ত থাকাকে শ্রেয় মনে করেছে যে সমস্ত সম্ভাবনার সূত্র ধরে সৃষ্টি হয় মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্কের অঙ্কুর, উদ্গমিত হবার আগেই তারা বিনষ্ট হয়েছে অসচেতন আশঙ্কায় শুনতে অদ্ভুত শোনালেও এ ধরনের প্রায় দুর্বোধ্য এবং বিচিত্র এবং বিবর্ণ সাতপাঁচ কারণে অথবা অকারণে মানুষের সাথে কোনো ধরনের সম্পর্ক গড়ে ওঠেনি আমারসুতরাং সম্পর্কের বিপ্রতীপ একটা নাছোড় বলয়ে ... ...
ঋদ্ধ হলাম।
মূলত হিন্দি, (ইদানিং কিছু দক্ষিণীও) "বাণিজ্যিক" সিনেমা সম্পর্কে একটা কথা শুনি, "পয়সা উশুল"। ওগুলো দেখতে হলে নাকি নাক-কান-চোখ, স্বাভাবিক বুদ্ধি ইত্যাদি সব কিছুই বিসর্জন দিয়ে দেখতে হয়, তাতেই মোক্ষ, এনজয়মেন্টের চূড়ান্ত, অর্থাৎ কিনা পয়সা উশুল। তো, কথাটার এমনিই কোনো মানে নেই, কারণ, প্রথমত উপভোগের আবার বাণিজ্যিক-অবাণিজ্যিক কী? দর্শকের পরিপ্রেক্ষিতে, সব সিনেমাই বাণিজ্যিক, পয়সা দিয়েই দেখতে হয়। উপভোগ না করতে পারলে খামোখা লোকে দেখবেই বা কেন? লোকে তো পাগল না। তবে এর চেয়েও প্রলয়ঙ্কর হল, দ্বিতীয় পয়েন্টটা, অর্থাৎ চোখ-কান-বোজা। এর চেয়ে বেশি হাস্যকর কথা খুঁজে বার করা অসম্ভব। আজ অবধি এমন কথা শুনেছেন, যে, আপনি মাঠে ক্রিকেট দেখতে গেছেন, কাকে চার-ছক্কা ... ...
ধর্মীয় আচার ব্যাবহার বা ধর্মের প্রতি আবেগ অনুভূতি এই উপমহাদেশে খুব বেশি। আমরা যারা এই উপমহাদেশের বাসিন্দা তাই অন্যান্য দেশের মানুষ যতই তাদের জীবন ধারণের মানদণ্ড উন্নত হোক না কেন তাতে কিছুই যায় আসে না। ধর্মের মোহ মানুষের চিন্তা জগতকে কতোটা নির্মমভাবে প্রভাবিত করতে পারে, তার দৃষ্টান্ত বিশ্ব ইতিহাসে বিরল নয়। মানুষের চিন্তায় ধর্মের মতো একটা কাল্পনিক এবং তাদের দৈনন্দিন জীবন জীবিকার সাথে প্রকৃতিগতভাবে সম্পর্কহীন বিষয়টা কিভাবে এতো বিপূলভাবে সম্পৃক্ত, সমৃদ্ধ ও বিকশিত হতে পারলো, সেই প্রশ্ন আমাদের অনেকেরই। অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে এই অজুহাতে উগ্র ধর্মবাদিরা নিজ ধর্মের সমালোচকদের বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিতে চাইছে, শুধু তাই নয়, তাদের অস্তিত্বও নিশ্চিহ্ন করতে ... ...
তোমার ঈদ মাঝারে থাকবোরোজা রাখবো নামোরা চাঁদনী আলোয় ভিজবো মাচিস জ্বালবো না। তোমার হৃদ মাঝারে থাকবোমকবুল জানবে না দিলরুবা ছড়ে সাধবোহায়দার শুনবে না। তোমার কমচিনি কে চিনবোহার মানবো না মীনাক্ষী কেই আঁকবো হুসেন,ফিদা হবে না। অরণ্যে আবার ফিরবো -নামকে ওয়াস্তে নাজীবন পাই তো থাকবো-পাতায় মুড়বো না।তোমায় একা একাই দেখবোএকা রাখবো নাবেণীর খুশবু মাখবো-হিজাব মানবো না। ... ...
শাক দিয়ে কীভাবে মাছ ঢাকবেন?দুটি বিপরীত দলের, নেত্রীস্থানীয়, সুন্দরী, স্মার্ট, স্বতঃস্ফূর্ত ইংরিজি বলিয়ে, বিদেশী ডিগ্রি সম্পন্ন, অল্প বয়সী দু'জন ভদ্রমহিলাকে বাছুন। তাঁদের দিয়ে দুটি বিবাদমান ধর্মের কোনো নির্জলা সত্য, যা এমনিই... মানে... 'ইঁয়ু হি'... ভক্তদের ভাবাবেগে আঘাত করতে সমর্থ, তা একাদিক্রমে বলিয়ে নিন।ওঁরাও বোঝেন, 'মুদ্দে কী বাত' বলে এখন আর 'খবরে থাকা' যায় না। মাঝে মাঝে এসব সিরিয়ালে অভিনয় করতে হয়। তারপর আওড়াতে থাকুন, 'আমরা ওসব জানিনা, আমরা কিচ্ছু করিনি,ওসব আমাদের দলের কথা নয়, ওঁর ব্যক্তিগত মতামত', 'ফ্রিঞ্জ এলিমেন্ট' ইত্যাদি।তারপর সেই ক্লিপিংস সবক'টি সোশ্যালমিডিয়ায় ছড়িয়ে দিন। এবার টিভি চ্যানেলে, দুই লাইনের খাজা অন্তমিলসহ হেডিং দিয়ে, শ্যালকুকুরের লড়াই বাধিয়ে দিতে বলুন।....ব্যস। এবার ... ...
“ তোমার জন্য ক্রিকেট দেখা,ক্রিকেট খেলা বুঝতে শেখাতোমার জন্য গণিত খাতায়নকশা করে দাদা লেখা। “৮ই জুলাই, রাত ১২টা …..লেখাটা আজ লিখতে বসলেও গল্পটা শুরু হয়েছিল অনেক আগে। এ তো শুধু গল্প নয়, এ এক রূপকথা, যেখানে আবেগ এর সাথে এসে মিশেছে হার না মানার স্পর্ধা। জানো কিছু কিছু নাম থাকে যে নাম গুলোর আলাদা করে কোন অভিধানগত অর্থের প্রয়োজন হয় না ....তাইতো বহু বাবা - মা আজও তাদের সদ্যজাত পুত্রের নাম রাখেন ' সৌরভ '। " তোমার জন্য বইয়ের ভাঁজে যত্ন করে পেপার কাটিং, নীল রঙা ওই জার্সি গায়ে তোমার দুরন্ত ব্যাটিং। "জানি, অনেকে ... ...
যারা গন্তব্যের কথা ভাবছো, অবিরাম, তাদের বলছি, মূলত গন্তব্য বলে কিছু নেই, পুরোটাই মায়াপথ এক, তুমি যেখানে থামছো, ভ্রমে-বিভ্রমে তাকেই চিহ্নিত করছো গন্তব্য নামেতোমার ছায়া ক্রমশ দীর্ঘ হচ্ছে, তোমার কায়া ক্রমশ শ্যাঁওলার মতো পিচ্ছিল, এবং তুমি ক্রমশ বিস্মৃত হচ্ছো অতীত বর্তমান ভবিষ্যত, এবং ভুলে যাচ্ছো একদিন প্রত্যেকটি মানুষ রাজহাঁসে রূপান্তরিত হবেশুভ্র এবংদীর্ঘ এবংদীর্ঘ গ্রীবা উঁচিয়ে নিজের বুকের ভেতর তাকাবে, যেখানে একটা নিঝুম আরশিনগর, যেখানে ঘুমিয়ে আছে হরপ্পা মহেঞ্জোদারোর মতো প্রাচীন সভ্যতার অপভ্রংশ, এবং ওপরে মেঘ মুক্ত নিবিড় আকাশনীলএবংঅপরিসীমএবংঅপরিসীম অদ্ভুত আলোয় ডুবে থাকা নিজেকে দেখবে, দেখবে প্রতিটি ব্যক্তি আসলে এক ও অকৃত্রিম সমষ্টিতে নিমজ্জিত, দেখবে অপার্থিব অনুভূতিরাই কেমন নিঃসংকোচে পৃথিবীর সন্তান হয়ে জন্মায়দেখবেএবংদেখবেএবংদেখবে ... ...
হাজার বছর আগে মানুষ যখন খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদা মেটাতে পশুপালন শুরু করে তখন থেকেই আফ্রিকায় চারণ ক্ষেত্রে সিংহের উৎপাত একটা সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। বড় বড় খামারিরা এই সমস্যা মেটাতে শিকারি ও প্রশিক্ষিত কুকুরের পাল ব্যবহার করে থাকে।.কিন্তু সমস্যা হয় ছোট খামারিদের। শিকারি ভাড়া করার সামর্থ্য তাদের নেই। ডালপালা ও ঝোপঝাড় দিয়ে তৈরি অস্থায়ী ঘরেই পশু রাখতে হয়। মাঝে মাঝে নিজেকেই শুধু লাঠি বা বর্শা হাতে সিংহের মোকাবেলা করতে হয়। বতসোয়ানার আইনে সিংহ মারা নিষেধ থাকায় সম্প্রতি তাদের সংখ্যা বেশি বেড়ে গিয়েছে।.এই সমস্যা নিয়ে বতসোয়ানার প্রকৃতিবিজ্ঞানী নেইল জর্ডান বেশ কয়েক বছর ধরেই মাথা ঘামাচ্ছিলেন। এক ফিল্ড ট্রিপে নেইল খেয়াল করেন ... ...
বর্ষা যে ভাবে রেনকোট ছাড়া শহরতলিতে হুড়মুড়িয়ে ঢুকে পড়ে, ঠিক সে ভাবেই পুজোর আগাম গন্ধ। ছোটবেলার স্মৃতি ভিড় করে 'মস্তিষ্ক' নামক বন্দরে। আমরা সবাই জানি, কিভাবে স্মৃতিদেরকে এড়িয়ে চলতে হয়।... না হলেই প্রতি পায়ে-পায়ে এক আনা হোঁচট!... ঋতুর কাজ হল, জলের ঝাপটায় চোখে লেগে থাকা আলগা ঘুমকে উড়িয়ে দিয়ে এক কাঙ্খিত-অনাকাঙ্খিত মুহূর্তের সামনে দাঁড় করিয়ে, পিছনের দরজার সামনের জানলা দিয়ে মাঝ আকাশে ছেঁড়া মেঘের ক্যানভাস হয়ে উড়ে যাওয়া। আমরা আর কতটুকুই বা সামাল দিতে পারি ঋতুদের বোহেমিয়ান সভ্যতার মোড়ককে!... এই যখন পুজো আসতে বাকি বেশ কিছুদিন, তখন চোখ রাঙাচ্ছে 'করোনা'। আসলে, এ রোগের ধর্মই হল, কাউকে তোয়াক্কা না ক'রে এগিয়ে ... ...
ব্যাকটেরিয়া আমি প্রায়ই আমার বীর্য মাটিতে পুঁতে দিই।শিবের ঔরস পাতায় পরে মনসার জন্ম হয়েছিলো।কি পুরুষতান্ত্রিক শাস্ত্র আমাদের! কোনো নারীর রজঃস্রাবে কোনো শিব জন্ম নিতে পারতো? কিন্তু বীর্য পাতায় পরলে, ব্যাকটেরিয়া ছাড়া আর কিছুই জন্মায় না। মরে যাওয়া আর জন্মানোর এটা কোনো চক্রান্ত হতে পারে না৷ চক্রান্ত এটা হতে পারে যে বীর্যেরও জাত আছে, তার উচ্চবিত্ত, মধ্যবৃত্ত আর নিম্নবৃত্তের স্তর আছে। মাটিতে বীর্যের কোনো স্তর নেই... যারা ভাবে, তারা একটা বোকাচোদা, ভোদাই মাত্র। ~। শুভঙ্কর বৃক্ষ ... ...