এই আর্টিকল #: 33786আইডিয়োলজিক্যাল রিকয়েল এই পর্যবেক্ষণ বলছে—একটি রাজনৈতিক দল নিজের ছায়াপথ, অর্থাৎ নিজস্ব মতাদর্শ থেকে ছিটকে বেরিয়ে গিয়েছে। তার পরেও সেই ছায়াপথেরই ধার ঘেঁষে সে এগিয়ে চলেছে—যেখানে এখনও কিছু মানুষ অন্ধ আনুগত্যে আবদ্ধ। কিন্তু দলটির অভিমুখ স্পষ্টভাবে আন্তঃছায়াপথ শূন্যস্থানের দিকে—বিভিন্ন মতাদর্শের মাঝখানে তৈরি হওয়া এক আদর্শহীন শূন্যতার দিকে।এই বিচ্যুত দৌড় রাজনৈতিক দলগুলোর ... ...
উচ্চারণের রাজনীতি: মঞ্চ থেকে মেন্টালিটি পর্যন্তঅয়ন মুখোপাধ্যায়১. ময়দান, সকালবেলাময়দানে লোক জমেছে—কেউ বলছে ভক্তি, কেউ বলছে শৃঙ্খলা,মাইকে ভেসে আসে অনেকগুলো সংস্কৃত শব্দ—যার মানে অধিকাংশেরই আমাদের অজানা।পালকের মতো হালকা গীতাহাত থেকে হাতে ঘোরে—চটি সাইজ,যেন মৃত্যুর পর শেষ কথা বলার জন্যআগেই প্রস্তুত।ভগবান নিশ্চয়ই শুনছেন—কিন্তু বুঝছেন কি,এই উচ্চারণ কার?২. সমবেত আত্মা একসঙ্গে গীতা পাঠ করলেআত্মোপলব্ধি হয়—এ কথা কে বলেছিলেন?আত্মা তো নিভৃতবাসী,সে লাইনে দাঁড়ায় না,পুলিশের ব্যারিকেড মানে না,স্লোগানেও সাড়া দেয় না।লক্ষ কণ্ঠে যখন একই শব্দএকই স্বরে উঠে আসে—তখন আত্মা নয়,শুধু প্রতিধ্বনি জন্মায়।আর প্রতিধ্বনির রাজনীতিখুব পুরোনো।৩. গ্রহযানে গীতা মঙ্গলগ্রহে যাচ্ছে গীতা—খবরটা পড়ে এই মঙ্গল বাড়ি মনটা খারাপ হয়ে গেল।মঙ্গলে যদি কেউ থাকে,সে কি যুদ্ধক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে আছে?তার কি অর্জুনের সংশয়?নাকি ... ...
স্পেকুলেশন ও বিশ্ব অর্থনীতি : কে কোথায় দাঁড়িয়ে স্পেকুলেশন ভিত্তিক আম্রিকি অর্থনীতির কয়েকটা দিক নিয়ে এখানে লিখতে ইচ্ছা করছে | একটা দেশের অর্থনীতিতে স্পেকুলেশন কতটা সেটা কিভাবে পরিমাপ করা হবে ? এক্ষেত্রে বিখ্যাত শেয়ার মার্কেট গুরু ওয়ারেন বাফেটকে অনুসরণ করে দেখছি | কোনো দেশের মোট শেয়ার মার্কেট ক্যাপিটাল ভ্যালুকে গ্রহণ করছি আমি সেদেশের অর্থনীতির স্পেকুলেশন কত সেটি দেখতে | যেহেতু আমি অর্থনীতিবিদ নই তাই গুরুতে আমার পাঠকেরা এবিষয়ে আরো আলোকপাত ও আলোচনা করলে খুশীই হবো যার ফলে হয়তো কোনো দেশের অর্থনীতির স্পেকুলেশন মাপতে আরো ভালো ও প্রাসঙ্গিক কোনো সূচক পাওয়া যাবে | আমি এখানে একটা দেশের সম্পূর্ণ মার্কেট ক্যাপিটাল এবং এবং সেদেশের সম্পূর্ণ জিডিপির ... ...
মেসি মারাদোনার কাছে ফুটবল শিখেছেন। বামপন্থী ভাবধারা নয়। মেসির কলকাতায় ফুটবল চাওয়া ও ছোটদের সঙ্গে খেলা দরকার ছিল। আম্বানির চিড়িয়াখানায় যেতেন কি মারাদোনা?কলকাতার মাঠের ভেতরে অব্যবস্থা ছিল। কিন্তু সত্তর হাজার দর্শক তো তাঁকে দেখতেই এসেছিলেন। তাঁর টিম কি বলতে পারতো না-- বাকিদের সরানো দরকার। মেসি ও তাঁর দুই ফুটবলার বন্ধু থাকবেন। ছোটদের সঙ্গে খেলবেন। মাঠ ফাঁকা করা দরকার। শতদ্রু দত্ত, অরূপ বিশ্বাস দুজনেই আবেদন করেছেন, পরে ইউ টিউবে দেখেছি। মাঠের মাইক/ বক্সে কিন্তু সে আওয়াজ পৌঁছায় নি। শুরুতেই গণ্ডগোল। ৪০-৫০ নিয়ে মাঠে ঢোকাটাই ভুল। দরকার ছিল মেসি সমেত বড়জোর ৬-৮ জন। কিন্তু বড় দলবল। বেশিরভাগ কালো পোশাক পরা। মেসির গেঞ্জিও ছিল কালো। ফলে আলাদা করা যাচ্ছিল না। দিল্লি মুম্বাই ... ...
তুমি জান কি জান না ... তুমি জান কি জান না ? আজ মেট্রোয় বসে ভাবছিলাম, সত্যিই কাউকে ভালবাসতে পারলে ভাল হয়। অনেক দিন ভালবাসার কথা ভাবিনি ৷ শরীর যদিও নিজের নিয়মে চলে, সিরিয়াসলি কাউকে ভালবাসতে পারব সেটা অনেক দিন মনে হয় নি। পারার ব্যাপারটা উল্টো দিকেও আছে, খুব বেশী করেই। হয়ত বা সে জন্যই পুরো ব্যাপারটা বেশ দূরের জিনিস বলেই মনে হয়েছে। হয়ত আত্মবিশ্বাসের অভাব, হয়ত ক্লান্তি, ঘৃনা, বা কনফিউসান। তা আজ হঠাৎ করে ভাবনাটা মাথায় এল, সঙ্গে কল্পনা, যেমন আসে ৷ শীতের সকালে, সূর্যের আলোর সঙ্গে উত্তাপের মত। বাড়ি থেকে একটু দূরে মাঠের মাঝখান দিয়ে একটা আঁকাবাকা রাস্তা, ... ...
আট : নকশাল ll সহেলি বন্দ্যোপাধ্যায় “ভাগ শালা ভাগ হারামী… বেজন্মl… চুতিয়ার বাচ্চা ছেড়ে দিলাম…এক্ষুনি দৌড়ে পালা….. শুয়োরের বাচ্চা.. না হলে কুকুরের মত গুলি করে মেরে ফেলব” lকুড়ি-একুশ বছরের চার পাঁচজনকে পিছনে হাত মোড়া অবস্থায় পুলিশের ভ্যানের পিছন থেকে লাথি মেরে মাটিতে সজোরে নিক্ষেপ করলো জাঁদরেল এক পুলিশ অফিসlর .. ঘড়ির কাঁটা বলছে রাত আড়াইটে.. জীপের তীব্র হেডলাইট.. তাতে… আস্তে আস্তে প্রতীয়মান হলো একটা লম্বা কালো পেটমোটা চেহারা, দুটি নৃশংস জ্বলন্ত চোখ.. কঠিন বীভৎস মুখে চুরুট আর মদের কড়া বিশ্রী গন্ধ আর সেই মুখ থেকেই নিঃসৃত হচ্ছে অশ্রাব্য গালি গালাজ.. অরিত্র মুখ থুব্ড়ে পড়ে বুঝলো ওকে পালাতে হবে.. কিন্তু কি করে??? পিছন দিকে থাকা দুজন কনস্টেবল এগিয়ে এলো.. অফিসারের হাতের ইশারায়… হাতের বাঁধন দিলো খুলে.. বললো দৌড় লাগাও, না হলে এখানেই ... ...
হিন্দুবীররা এক আশ্চর্য প্রজাতি। দিল্লির ডবল-ইঞ্জিন বাতাস এমন হয়েছে, যে নিঃশ্বাস নেওয়া যাচ্ছেনা। কিছুদিন ধরেই বিক্ষোভ চলছিল সেই নিয়ে। তাতে দিল্লি পুলিশের একমাত্র কাজ ছিল বিক্ষোভকারীদের ঠেঙিয়ে বুট দিয়ে টুঁটি চেপে তাদের নাক ফুটপাথে ঠেসে ধরা। নেঃ ব্যাটারা এবার কীকরে নিঃশ্বাস নিবি নে। অন্য কোথাও হলে হইচই পড়ে যেত, কলকাতায় হলে তো মিডিয়ার নাড়ুগোপালরা কয়েকশোঘন্টা চেঁচিয়ে ফেলতেন। কিন্তু হিন্দুবীরদের রাজধানী বলে কথা, আর হিন্দুবীররা মিডিয়াতেই থাকুক কি চাঁদে, প্রজাতি তো একই। ফলে সব চুপচাপ। পশ্চিমবঙ্গে সব খারাপ, বাংলাদেশীরা ছেয়ে ফেলছে, থেকে শুরু করে, এমনকি কেকে-কেও মেরে ফেলল গো কলকাতা। আর দিল্লিতে চলছে রামরাজত্বের সোনার সংসার।কিন্তু ধম্মের কল বাতাসে নড়ে। এর ... ...
( ৩৬ ) শফিউদ্দিন ফাইল থেকে মুখ তুলে বললেন, ' কে... অনিন্দ্য কর ? সাত সকালে এখানে কী ? ' কনস্টেবল বললেন, ' কী জানি স্যার... আসামী ছাড়াতে নিশ্চয়ই... ' --- ' অ্যাঁ কী ... আসামী ? তা হতে পারে। আসতে দাও। পারে তো ছাড়াক... ' অনিন্দ্যবাবু এ থানায় আগেও দুবার এসেছেন। গাড়ি থেকে নেমে সোজা থানায় ঢুকে এলেন। ডাঁয়ে বাঁয়ে কোনদিকে তাকাবার প্রয়োজন বোধ করলেন না। পেছনে ওসির ঘরের দিকে যেতে লাগলেন। যাওয়ার রাস্তায় বাঁদিকে ওই ঘরটা পড়ল যে ঘরে বিল্বদলবাবু, কলতানরা রয়েছে। আশ্চর্যের ব্যাপার অনিন্দ্য কর ঘরটার খোলা দরজা পেরোবার সময় ... ...
দেশ, রাজনীতি এসব নিয়ে অনেক লেখা হয়েছে, মানুষের জীবন বিচিত্র, বিচিত্র সব চিন্তাভাবনা, ভাবলাম আজ অন্য কিছু লিখি অন্য রকম করে।আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে, পড়ে দেখবেন..... তোরে দেখবার মন চায়পড়ানডা কান্দে, কিন্তু এই সমাজসমাজ কোনদিনই আমাগো মাইন্না নিবো নাতুই এক ধর্মের আর আমি আর এক ধর্মেরকেমনে একজন আর একজনরে পামুমাঝেমাঝে আইতে যাইতে তোর লগে দেহা অয়মন চায় তোরে জড়াইয়া ধইরা পড়ানডা ঠাণ্ডা করিহায়রে পিরিতি হায়রে ভালবাসামনে মনে ভাবি কেন যে তোর সাথে আমার দেহা অইলোতোর চোক্ষের তীর মাইরা আমারে ঘায়েল কইরা ফালাইলিসেই যে কলিজাডা তোর তীরে ... ...
চক্রব্যুহআমার বাড়ি থেকে একটু দূরে একটা জিম আছে। মানে পাশ-পাড়াতুতো জিম আর কি। নাম gym trim. তার মানে ভেবো না শুধুমাত্র স্বাস্থ্যবান স্বাস্থ্যবতীদের কেটে ছেঁটে ট্রিম করে দেবে; এখানে দেখেছি আমার মতো তালপাতার সেপাইরা সব ঢুকছে আর বেরোচ্ছে ইয়া বড় বড় বাইসেপ-ট্রাইসেপ-টেট্রাসেপ আরো কতকিছু সেপ টেপ বানিয়ে। মানে একদম আমূল পরিবর্তন। এর মূল কারণটা জানতে না পারলে, মানে, একেবারে মুলোদ্ধার না করতে পারলে মনে শান্তি পাবোনা সেটা বিলক্ষণ বুঝতে পারছি।সেই অভিপ্রায় নিয়ে একদিন গেলাম জিমে নাম লেখাতে। তা, খরচাপাতির বহর দেখে বুঝলাম মানি ব্যাগ ট্রিম করার ভালোই কল ... ...
কারো ভাবাবেগে লাগলে লাগবে, কিন্তু ফুটবলের নাম করে মেসিকে এই আদেখলা আদিখ্যেতা আর চোখে দেখা যাচ্ছেনা। বিশ্বের কোথাও দেখবেন না, নিজেদের ফুটবল টিম উঠে যাবার দশা, কিন্তু বিশ্বকাপ এলেই দুইদল লোক কেউ হলদে জার্সি আর কেউ নীল-সাদা পরে ঝগড়া, চুলোচুলি করছে। বাচ্চা-কাচ্চারা লাফালে একটা মানে হয়, কিন্তু দেখবেন, দামড়া লোকেরা একে অপরকে খিস্তি করছে, মুখ-দেখাদেখি বন্ধ করছে। সেই নিয়ে কিছু বললেই আবার অবিকল চাড্ডিদের মতো তাদের ভাবাবেগে লেগে যাচ্ছে। এর সঙ্গে ক্রীড়াপ্রেমের ন্যূনতম সম্পর্ক নেই, পুরোটাই চূড়ান্ত অশ্লীল, লোক-দেখানো হুজুগ, ঠিক যেমন নিজেদের সিনেমা উঠে যাচ্ছে, আর বলিউডি ভাষার সিনেমার কোনো জোকার বিলিওনার হলে তাকে নিয়ে লাফালাফি। সে তাও টিভিতে। খেলা দেখে লোকে উত্তেজিত হয়। কিন্তু এখন যেটা হচ্ছে, সেটা অশ্লীলতার ব্যারোমিটারে আরও অনেক বেশি। কী, না মেসি ... ...
( ৩৫ ) কলতান বলল, ' প্রস্তাবটা খারাপ না। কিন্তু ক'জনকে গাড়ি দেবেন আপনি ? আপনাকে তো গাড়ির কারখানা খুলতে হবে তা'লে। আর তাছাড়া আপনার সঙ্গের এই দুজনেরই বা কী হবে ? ' --- ' আর দূর... ওরা আমার কে ? ওদের ব্যাপার ওরা বুঝবে। আর একটা কথা, অন্যদের কথা আপনি ভাববেন না। আপনি নিজের লাভ লোকসান হিসেব করুন... ' --- ' তাই ? ' ঘটকবাবু বললেন, ' উঁ .... ক'টা ফোন করার দরকার ছিল... মোবাইলটা তো নিয়ে রেখে দিয়েছেন আপনারা ... ' --- ' মোবাইল নিয়ে চিন্তা করবেন না। হেডকোয়ার্টারে চলুন, তারপর ওনারা নিশ্চয়ই কনসিডার করে দেখবেন। আপনার পার্টি জানে এসব ? তারা তো নিশ্চয়ই প্রোটেকশান দেবে... ' --- ' দেখতেই পাবেন। আমি তো কোন অন্যায় করিনি। চিরকাল সৎ ... ...
( ৩৪ ) অশ্বিনী এবং উকিলবাবুর জুতোর নীচে কিন্তু কোন গুপ্তধনের সন্ধান পাওয়া গেল না। কলতান আক্ষেপের সুরে বলল, ' হমম্... এটাই ভাবছিলাম... ' গৌতমবাবু বললেন, ' অসুবিধা হবে না। অফেন্সের অ্যাকমপ্লিস হিসেবে কোর্টে প্রোডিউস করা যাবে ও দুজনকে। আর অমৃতাংশু এবং ইলিনা সেনের মার্ডারের যেসব ভ্যালিড এভিডেন্স আপনার ডিসপোজালে আছে সেগুলো দেবেন... ' --- ' হ্যাঁ ঠিক... কিন্তু... ' --- ' কিন্তু কী ? ' --- ' জুতোর তলার গুপ্তধনটা তো ভেরিফিকেশানের দরকার... ' --- ' হ্যাঁ সেটা তো নর্মাল প্রসিডিয়োর। কিন্তু আপনার কি কোন ডাউট হচ্ছে ? ' --- ' হ্যাঁ সে তো আছেই। এরা এত সহজ বান্দা নয়। এমনকি, আমার মনে হয় জটা ঝালানি যে ছুটে পালাতে চাইছিল ওটা একটা চালাকি। ফোকাস ডিসট্র্যাক্ট করার চেষ্টা। সে খুব ভালভাবেই জানে ওভাবে পালান যায় না। নীচে পুলিশ ... ...
শ্রেষ্ঠ প্রাণী ধরণীর মাঝে যত প্রাণী আছে সবা হতে আমি শ্রেষ্ঠ, আমি আপনার মেধায় আপনি মোহিত চাপড়াই মম পৃষ্ঠ। আমি ছাড়া আর অবনীর বুকে বিচরিছে যত প্রাণী, নিকৃষ্ঠ তারা জ্ঞান-বোধহীন ইতর বলিয়া মানি। আমি নানা নামেতে ঈশ্বর আর ধর্ম করিয়া সৃজন, হিংসা-দ্বেষ ঘৃণা ছড়ায়েছি আমি, করেছি
মুখের সামনে নাকি, চোখের সামনে নাকি সাদা কাগজ রাখলেই লেখা যায়, কবিতা আসে,আয়নার মত মুখ দেখা যায় ৷আমার ভাড়া-ঘরের বাহারি আয়নাটাইনস্টলমেন্টে কেনা। সাদা কাগজ সামনে নিয়ে বসলে ঠান্ডা লাগে অসম্ভব ঠান্ডা বরফ,কথা ফুরিয়ে যায়রঙ বেরঙের প্রাচীন অসহায়তাগুলি মাথার মধ্যে মিছিল বের করে ৷মানুষ ... মানহুসইদুর দৌড়, বাদুড় ঝোলা বাস ...হুসস করে উড়ন্ত "সু"যোগযোগাযোগময় সাফল্য আরজানালা দিয়ে মুখ বের করার ভয় পাছে নাক কাটা যায়। সি আর অ্যাভিনিউ ... চিৎপুর হাওড়া মেছেদা নিমতৌড়ি ...তারপর ? মহাজাগতিক দূরত্বে চেনা মানুষটি নদীর ঘোলা জলে মেঘের ছায়া এসে পড়েছে,বহুদূর থেকে এসে কাঁসাইয়ের ঘোলা জল চলে যাচ্ছে দূরে ৷সব ঘটমান বর্তমানগুলি অতীত হয়ে যাচ্ছে ৷আমি কী করতে পারি !আমরা কী করতে পারি সেইসব স্রোতে ? মাতাল উদাসীন ... ...
ময়দানে এর পরের ইভেন্ট ঃ কোটি কন্ঠে কাঁচা খিস্তি পাঠ। অনুষ্ঠানের সূচনা হবে কবি পুরন্দর ভাটের কবিতা দিয়ে। এরপর, গাণ্ডু আর রিক্সার কথোপকথনের নির্বাচিত অংশ থেকে পাঠ। তারপর, যে যার ক্ষমতা অনুযায়ী রাষ্ট্রযন্ত্রীদের উদ্দেশ্যে খিস্তি বর্ষণ। শেষে, সবচেয়ে সৃষ্টিশীল খিস্তিকারদের সম্বর্ধনা জ্ঞাপন। এই অনুষ্ঠানে বীফ কাবাব আর পোর্ক শর্ট রিবস্ ছাড়া অন্য কোনো খাদ্য বিক্রয় নিষিদ্ধ। 'নো স্মোকিং' অ্যান্ড 'নো অ্যালকোহল' আর স্ট্রিক্টলি প্রোহিবিটেড। আগ্রহী আত্মাদের আন্তরিক অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ রইল।। ... ...
আমার মুখের গভীরে জমে আছে ক্ষত সেই ক্ষত থেকে রক্ত এবং পুঁজ ;আমরা সায়েন্স করি,পকেট থেকে ছোট চিরুনি বের করে বাথরুমে দাঁড়িয়ে চুল আচড়ে নিই; আলোকিত দেহে বীভৎস ছুরির আঘাত.,,ডানা মেলে উড়ে যাচ্ছে আগুনের পাখি। জীবনের পথে বহুতর শ্রোতাভাসানের গৎ, পুরাতন উপকথা দেবীর গায়ে-হলুদের রঙ ধুয়েছে নদীর জল। রেল লাইনের ধারে নোংরা রাস্তায় শুয়ে আছে রক্তাভ পদ্মফুল তখনও আগমনী গান, তখনও শরৎের শেষ বিকেল। খাতা খাতা স্মৃতি মানুষ কোথায় ? হে জীবন, আঁধার কোথায় ? শূণ্য চোখ, ভাঙা অন্ধকার চলে গেছে মেঘলা পথ যে দিকে দুচোখ যায়। পথ সেই ছেলেটিকে নিয়ে চলে গেছেছোটবেলা একবার যার পা ভেঙেছিল ক্লোরোফর্ম দিয়ে ডাক্তাররা যাকে ঘুম পাড়াতে পারেন নি,তারপর অনেক পথ হেঁটে সে ঘুমিয়ে পড়েছে এখন, হয়ত তার পাওনা ... ...
বিকাশবাবু, গত এক দশমিক এক দশক ধরে আপনার একের পর এক মাস্টারস্ট্রোকের ঠেলায় আমরা চোখে সর্ষেফুল দেখতে শুরু করেছি। আর তার সাথে রয়েছে, ফিল্মি ঢঙ্গে বলা আপনার অন্তঃসারশূন্য বাত(কর্ম)। সেগুলোকে আবার ১) মন কি বাত(কর্ম) আর ২) অন্যান্য বাত(কর্ম), এই দুই ভাগে ভাগ করা যায়। অবশ্য, বাত(কর্ম) ছাড়াও আরো কিছু কিছু কর্ম আপনি করে থাকেন যেগুলোকে আপনার পদলেহী স্তাবকবৃন্দ মাস্টারস্ট্রোক আখ্যা দিয়ে থাকে। যেমন,ক) দেশের মঙ্গলের জন্যে ঘন ঘন বিদেশ ভ্রমণ।খ) এদেশের সংবিধানের তোয়াক্কা না করে, হঠাৎ হঠাৎ নানাবিধ নীতি নির্ধারণ করে সাধারণ মানুষকে ক্রমাগত বিপাকে ... ...
মুরশিদকুলি খানের আগে বাংলায় শক্তিশালী মোঘল কেন্দ্রের যুগে প্রশাসনিক / ভূমি বন্দোবস্ত১) প্রধান দুই ভাগঔরঙ্গজেবের আমলে সব সুবার মতো বাংলার প্রশাসনও নিজামত আর দেওয়ানি দুভাগে বিভক্ত ছিলো। নিজামতের প্রধান ছিলেন সুবেদার আর দেওয়ানির প্রধান ছিলেন দেওয়ান। দুজনকেই শাহী দরবার থেকে নিযুক্ত করা হতো।২) নিজামতের ন্যস্ত দায়িত্বনিজামতের কাজ ছিলো শাহী দরবার নিযুক্ত মনসবদারদের অধীন সওয়ারদের তদারকি, সামরিক কাজ পরিচালনা আর আইন শৃঙ্খলা রক্ষা।৩) দেওয়ানির ন্যস্ত দায়িত্বদেওয়ানিতে মূলত হিন্দু রাজকর্মচারীদের দিয়ে জমিদারদের কাছ থেকে মালজমির (খোদ বাদশাহের হকের খালসা বা মনসবদারের হকের জাগীরের জমি) খাজনা-খারাজ আর হাট, গঞ্জ, বাজার আর জলচৌকি (জলপথে বাহিত পণ্যের ওপর শুল্ক আদায় ও নিরাপত্তার জন্য চৌকি ব্যবস্থা) থেকে সায়ির (বাণিজ্য ... ...
আমি বানর থেকে মানুষ হয়ে গেলামসবাই বললো এটা বিবর্তনশেখ হাসিনা কুইন অব মাদার থেকেস্বৈরাচারী শাসক হয়ে গেলেনসবাই বললো এটাও বিবর্তনমানুষ থেকে অমানুষ, ধর্ষণকারী, দূর্নীতিবাজচাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী এরাও বিবর্তনের ফসলআমি এই বিবর্তনকে ঘৃনা করিদেশটা ধ্বংস হয়ে গেল তোমরা কেউ খবর রাখলেনানির্বাচন চাই, নির্বাচন চাই, চারিদিকে চিৎকারদেশটা ধ্বংস করার ছাড়পত্র চাইএরা কারা, তোমরা কি তাদের চিনতে পারো?এরা বর্ণচোরা গিরগিটিতোমার সাথেই খায়দায় ঘুমায়রাজপথে এরা স্বৈরাচার এর বিরুদ্ধে শ্লোগান দেয়নিজের হাতে তুলে নেয় আইনএরা তোমারই স্বজাতি, লেজকাটা বানরতলে তলে ... ...