'আমরা দিবসে' বাস্তবে কিছু করতে না পারার মর্মবেদনায় একান্তে মোবাইলের পর্দায় আঙুল চলে। বটের চারা বীজ ছাড়াই জন্মায় কাকের পটি থেকে - আমার বেশিরভাগ বাঁজা লেখাও তেমনি, বিশেষ বিষয়ে সুলিখিত নিবন্ধ নয়, সামান্য স্ফূলিঙ্গ থেকে বুশফায়ার। বটুদার জমি না হলেও চলে - পুরোনো বাড়ির প্যারাপেট, ভাঙা পাঁচিল থেকেই বটুছেনু মাথা তোলে - সাপের মতো ফাটল ধরে শেকড় চালিয়ে, ঝুরি নামিয়ে বাড়ে। আমার বেশিরভাগ লেখাই তেমনি - সম্পাদিত পত্রিকার উপযোগী নয়। তাই গুরুচণ্ডালিতে নামাচ্ছি এইসব হ্যাজ। এসব আসলে কিছু টুকরো উপাখ্যান, উপমা, পার্শ্বপ্রসঙ্গ সহযোগে তৈরী হাওয়াই মেঠাই বা Cotton candy. বট ফুল লাগে না পুজোয়, তার ফলও খায় কাক শালিখে। আমার এসব লেখাও তেমনি। ... ...
এ লেখার প্রোটাগনিস্ট ফুরফুরে ফরাসি তরুণী মার্গারিটের মতো কেউ নয়, এক ডানপিটে বঙ্গললনা - দেবী… ... ...
একাকী ভ্রমণের ওপর চলছে “একা বেড়ানোর আনন্দে” সিরিজ। এছাড়া অন্যান্য বা কল্পভ্রমণ গোছের লেখাগুলি এক সূত্রে রাখলাম এই “অন্যান্য ভ্রমণ” সিরিজে। সেবার দুর্গাষষ্ঠীর দিনটা বেশ কাটলো আমার। বিনা পয়সায় ভার্চুয়ালি করে এলাম দক্ষিণ আমেরিকার Transoceanica হাইওয়ে ধরে ৬৩০০ কিমির - ছদিনের - বিশ্বের দীর্ঘতম বাসযাত্রা। তা শুরু হয়েছিল পূবে অতলান্তিক উপকূলে ব্রাজিলের রাজধানী রিও ডি জেনেরিও থেকে। দক্ষিণ আমেরিকার পেট চিরে - আমাজন বর্ষাবন পেরিয়ে - বিশ্বের দীর্ঘতম (৭৩০০ কিমি) আন্দিজ পর্বতমালার ১৫'৫০০ ফুট উচ্চতার একটি হাই-পাস টপকে সেই এপিক বাসযাত্রা শেষ হোলো পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূলে পেরুর রাজধানী লিমায়। সেই অনবদ্য অভিজ্ঞতার অভিঘাত বর্ণনার আগে প্রাককথন হিসেবে হ্যাজটা একটু বেশীই হয়ে গেল। বুড়ো বয়সে বাজে বকা রোগ আরকি। ... ...
"ওমা তাইতো! সাড়ে তিনটে বেজে গেছে। চল চল আমরা ছুটে যাই রাস্তা অবধি" বলে রাজু বিস্তৃত মাঠের ওপর দিয়ে ছুটতে শুরু করলো। দীর্ঘাঙ্গী হেমাঙ্গিনীও আঁচলটা কোমরে গুঁজে ভাইয়ের পিছনে ছোটে। সরমার দেওয়া কমলা কোটা শাড়ির সরু সুতোর মিহি বুনোনে অনেক চৌখুপিতে সৃষ্টি হয়েছে মায়াবী স্বচ্ছতা। হাতে চটি নিয়ে সবুজ ঘাসে ফরসা পা ফেলে ছুটন্ত হেমার সতেজ শরীরের আভা যেন ঐ শাড়ির অসংখ্য জালি বাতায়ন দিয়ে ফুটে বেরুচ্ছে। ছড়িয়ে পড়ছে চরাচরে। সে এক স্বর্গীয় দৃশ্য! ... ...
- - - গ্ৰীণপ্লাই প্লাইউডের সেই ক্রিয়েটিভ কোর্টরুম এ্যাডের মতো - ৩৮ বছর ধরে জজ 'অর্ডার অর্ডার' করে টেবিলে হাতুড়ি ঠুকে গেলেন - মুজরিম জীবনদাস থেকে ভকিলসাব / ম্যাডাম - সবাই বুড়ো / বুড়ি হয়ে গেলেন - বিচারপতি বদলে গেলেন, কিন্তু হাতুড়ির বাড়ি খাওয়া বিচারকের গ্ৰীণপ্লাইয়ের টেবিল - 'চলতা রহে, চলতা রহে'। ... ...
গানটি কয়েকবার চোখ বুঁজেও শুনেছি। মনে তৈরি হয়েছে অপূর্ব সব দৃশ্যকল্প - যেন গভীর রাতে স্নিগ্ধ জোৎস্নায় এক বিস্তীর্ণ সরোবরের জলে ভেসে চলেছি এক ছোট্ট নৌকায়। মৃদুমন্দ হিমেল বাতাসে জুড়িয়ে যাচ্ছে শরীর, মন। মৃদু তরঙ্গায়িত জলতলে ভাসমান চন্দ্রিমা চুরচুরে। আদিগন্ত নিস্তব্ধ চরাচরের মৌনতা চিরে কচিৎ কখনো শোনা যায় কোনো রাতচরা পাখির ডাক। ... ...
একটি আবাসনের হোয়া গ্ৰুপের সভাপতির দৃষ্টিতে গুরতর এক বিষয়ে এক সদস্যের লঘু রম্যরচনা ... ...