"একা বেড়ানোর আনন্দে" - এই সিরিজে আসবে ভারতের কিছু জায়গায় একাকী ভ্রমণের অভিজ্ঞতা। এটি পর্ব - ২০. পরিচিত ভ্রমণের জায়গা হিসেবে - উত্তরে কালিঞ্জর কেল্লা, পূবে পূণ্যতীর্থ মৈহার, দক্ষিণে কাটনী এবং পশ্চিমে খাজুরাহো আর পান্না জাতীয় উদ্যান। এসবের মাঝে রয়েছে, মধ্যপ্রদেশের এক অখ্যাত প্রান্তিক গ্ৰাম কছগাঁও। এরই কাছে রয়েছে একাদশ তীর্থংকর শ্রেয়াংসনাথজীর নামানুসারে জৈনতীর্থ শ্রেয়াংসগিরি। হিন্দুধর্মাবলম্বীদের কাছেও স্থানটির বিশেষ গুরুত্ব আছে সপ্তম খ্রীস্টাব্দের প্রাচীন চৌমুখনাথ মহাদেব মন্দিরের জন্য - যেটি ASI এর অধীনে থাকলেও আজও নিয়মিত সেখানে পূজার্চনা হয়। সেবার পথে নামার আগে ঘরে বসে গুগল ম্যাপ ঘাঁটাঘাঁটি করছিলুম। আচমকা পেয়ে গেলুম সন্ধান - মায়াবী নির্জন নাচনার। বেঁচে থাক গুগল ম্যাপ। এর দৌলতে খুঁজে পেয়েছি প্রচলিত ট্যূরিস্ট সার্কিটের বাইরে এমন বেশ কিছু অখ্যাত খাজানা যা ভরিয়ে দিয়েছে আমার একাকী ভ্রমণের আনন্দের ডালি - যেমন এই নাচনা ... ...
"একা বেড়ানোর আনন্দে" - এই সিরিজে আসবে ভারতের কিছু জায়গায় একাকী ভ্রমণের অভিজ্ঞতা। এটি পর্ব - ১৯. এ লেখাটি ‘রিয়াবুতু’ নামক ত্রিপুরার একটি ওয়েবজিন প্রকাশ করেছিল ২৪.১.২৪. তবে সেখানে লেখাটি পাঠিয়েছিলাম সংক্ষিপ্ত আকারে। এখানে রইলো বিশদে। বেতয়া নদীর তীরে উত্তরপ্রদেশের ললিতপুর জেলার একটি প্রান্তিক গ্ৰাম দেবগড়। স্থানটি জৈন ও হিন্দু ধর্মের প্রেক্ষিতে পুরাতাত্ত্বিকদের কাছে ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ওখানকার পুরাকীর্তিগুলি আছে ASI এর তত্ত্বাবধানে। দেবগড় পাহাড়ে রয়েছে ভগবান মহাবীর বণ্যপ্রাণী অভয়ারণ্য। ২০১৯ এর ৭ ও ৮ই মার্চ পর্যটকবিরল নির্জন সুন্দর সেই স্থানে দুটি রাত ছিলাম। সেখানে কয়েকজন স্থানীয় মানুষের সাথে আলাপচারিতার অভিজ্ঞতা, ধর্মশালার ম্যানেজার ও এক কর্মী পরিবারের সহৃদয়তা এবং সর্বোপরি এক নির্লোভ অটোচালক রামুর আচরণ আমায় অভিভূত করেছিল। তাই পাঁচবছর পরেও স্মৃতিতে তা অমলিন। এ লেখার প্রোটাগনিস্ট - রামু ... ...
"একা বেড়ানোর আনন্দে" - এই সিরিজে আসবে ভারতের কিছু জায়গায় একাকী ভ্রমণের অভিজ্ঞতা। এটি পর্ব - ১৮. এ লেখাটি “ভ্রমণ আড্ডা” বার্ষিক সংখ্যা ২০২০ তে প্রকাশিত হয়েছিল। ওটা এক অন্য গোত্রের পত্রিকা। বিগত ২৫ বছর ধরে ভদ্রেশ্বর থেকে বছরে একবার বেরোয়। বইয়ের মতো আকার। ১৭০-৮০ পাতার পরিসর। ছবিছবা থাকে না। তবে এখানে ছবি রাখায় বাধা নেই - তাই কয়েকটি ছবি রইলো পুনশ্চের পরে ... ...
ম্যাডান স্ট্রীট নামের উৎস সন্ধানের অলস কৌতূহল মেটাতে গিয়ে ক্ষণিকের আলাপ হোলো অমায়িক গুলনার ম্যামের সাথে …. ফাউ হিসেবে জানা গেল কিছু কথা ... ...
সন্দেশখালির ওপর কিছু ভিডিও দেখে, রিপোর্ট পড়ে গুরুর ভাটে ১২.২.২৪/২০:৩৯ অরণ্য লিখলেন - “দিনের পর দিন গ্রামের মেয়েদের জোর করা হত রাতে তৃণমূলী গুন্ডাদের সাথে সময় কাটানোর জন্য। কথা না শুনলে স্বামী, পরিবারের লোকদের মারধর। এ জিনিস বোধহয় বাংলা আগে দেখে নি”। এটা পড়ে ১৯৭৫এ মুক্তিপ্রাপ্ত একটি ছবি ২০১৮তে বাড়িতে বসে ল্যাপটপে দেখার প্রতিক্রিয়া মনে পড়লো। রাগ, দুঃখ, ক্ষোভ, নিজে ঐ পরিস্থিতিতে থাকলে কীই বা করতে পারতাম ভেবে অসহায়তার অন্তে গ্ৰামবাসীদের প্রতিবাদে ফেটে পড়া দেখে - “বেশ হয়েছে” - গোছের ভিকারিয়াস প্লেজারের অনুভব। সিনেমাটা দেখে মোবাইলে কিছু ভাবনা ডায়েরি লেখার মতো লিখে রেখেছিলাম। এসেছিল কিছু পার্শ্বপ্রসঙ্গ। সন্দেশখালিতে অরণ্য উল্লিখিত ঘটনার প্রেক্ষিতে থাকলো সেই লেখাটি ... ...
এই সব দেখেশুনেই ডাক ছেড়ে বলতে ইচ্ছে হয় - হরি হে মাধব - তোমা বিনে কোথায় যাবো? ... ...
বাস্তবে অনেকেরই ভবিষ্যতে পাঁজায় শুয়ে আগুনে সেঁকার অনেক আগেই জীবন থেকে বিদায় নেয় ফাগুন হাওয়া। যারা সোমেন বা রণেনের অবস্থায় নেই, তারাও অজান্তে বা স্বেচ্ছায় মনের ওপর লাগাম পরিয়ে হয়ে যায় রসকষহীন, সবজান্তা। উপভোগের বদলে উপেক্ষা ও বিদ্রুপ তখন তাদের হয়ে দাঁড়ায় প্রিয়। চৈতি পবনেও তাদের মনে জমাট বাঁধে পৌষালী শীতার্ততা। আমি এখনও অবধি এমন হতে চাই না। তাই এখনও আমার পৌষালী বয়সের লেখাতেও হামেশাই খেলা করে চৈতালী হাওয়া। আর সেসব দেখে কুঁচকে যায় সংস্কারী ভুরু। ... ...
শোভার মুখে ‘বাঘাবাবুর প্রত্যাবর্তন’ কাহিনী শুনে রীণা যতীনবাবুর কাছে আব্দার করে, বাঘাকে রেখে দাও না, বাবা। বাঘা তখন উঠোনের এপাশ ওপাশ, হাঁসের ঘর, সাদা ইঁদুরের ঘর শুঁকে বেড়াচ্ছে। যেন বিয়ের পর প্রবাসে চলে যাওয়া মেয়ে বহু বছর পর বাপের বাড়ি এসে এখানে ওখানে স্মৃতি খুঁজে বেড়াচ্ছে। দড়িতে ঝোলানো খাঁচার টিয়াটা উত্তেজিত হয়ে এপাশ ওপাশ করে ট্যাঁ ট্যাঁ করে চ্যাঁচাচ্ছে। তবে বাঘা ঢাকা বারান্দায় ওঠেনি। বসার ঘরেও যায়নি। কোনো অবোধ্য কারণে হয়তো ও বুঝেছে ওসব জায়গায় যাওয়ার অধিকার সে হারিয়েছে ... ...
কলকাতায় বেহালার কাছে যে আবাসনে আমাদের একটি ফ্ল্যাট আছে সেখানে আবাসিকদের হোয়া গ্ৰুপে জনৈক পিকেবাবুর সারমেয় ফোবিয়া বা সমস্যা প্রসঙ্গে একবার কিছু আলোচনা হয়েছিল। যেহেতু খেজুরে লেখায় আমি প্রভূত আনন্দ পাই তাই দিয়েছিলাম একটি বিশদে সাজেশন। এই হালকা রসের রচনাটি সেই প্রসঙ্গে ... ...
এই লেখাটি ভ্রমণবিষয়ক "মনপবন" পত্রিকার পরিচয় জ্ঞাপনের উদ্দেশ্যে রচিত। ... ...