আশির দশকে যাদবপুরের কয়েকটি ছাত্রছাত্রী শুশুনিয়া পাহাড়ে গেছে শৈলারোহণ অভ্যাস করতে - সেই ভিত্তিতে এই আখ্যান … মনোবৈজ্ঞানিক ডঃ সুশীল মজুমদার, দীপদার বিশেষ পরিচিত। একদিন সুমনকে ওনার বাড়িতে নিয়ে গিয়ে বললেন, সুশীলদা, এ হচ্ছে সুমন, যাদবপুরে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছে। ওর মানব চরিত্র, কমপ্লেক্স এসব নিয়ে খুব কৌতূহল। আমায় নানা প্রশ্ন করে। আমি অনেককিছুর ঠিকঠাক জবাব দিতে পারি না। আপনি তো আজকাল বাড়িতেই থাকেন প্রায়। যদি মাঝেমধ্যে ওকে আসতে এ্যালাও করেন, ওর কিছু কৌতূহল নিরসন করেন, ওর ভালো লাগবে ... ...
গুরুচন্ডালিতে কিছু দুষ্টু গরুর দৌরাত্ম্য রোখার সম্ভাব্য উপায় প্রসঙ্গে এই প্রস্তাবনা। উদার গুরু তা করতে চাইবে কিনা বা চাইলেও তা করা সম্ভব কিনা জানি না ... ...
কদিন বৃষ্টি হয়ে আবার গরম পড়েছে। তার সাথে ভোটের বাজারে - ভাটৈর পাতায় পাল্লা দিয়ে সর্বত্র চড়ছে চাপানউতোরের পারদ। বেরুচ্ছে গাদ। দেখেশুনে বিমর্ষ লাগে। হালকা হতে এই সিরিজে লঘু কিছু লিখি। পড়ে কেউ মজারু মন্তব্য করলে মনে মোর মজা মজে ওঠে। এটাও ছোট্ট হালকা প্রসঙ্গ, তবে শুরুটা কমিক্যাল হলেও - - - ... ...
ভাটিয়ালিতে ১৭৩৩৮ নম্বর পাতায় ১৮.৫.২৪ / ৫:২০তে কেকের একটি অভিমতের প্রেক্ষিতে আমার অভিমত। প্রসঙ্গটি ভাবালো তাই সেই প্রেক্ষিতে কিছু ভাবনা এখানে রাখছি। ভাটে লিখলে অবিরল বিভিন্ন মন্তব্যের সুনামিতে হারিয়ে যাবে। এখানে রাখলে এ নিয়ে কেউ কিছু বললে এক জায়গায় থাকবে। এ বিষয়ে আরো কিছু লেখা আসতে পারে। তাই এটা এখন "দুষ্টু গরু" সিরিজের প্রথম লেখা হিসেবে পুনরায় পোষ্ট করলাম। যারা এটা আগেই পড়েছেন, পুনরায় না পড়লেও চলবে কারণ শিরোনাম ছাড়া আর কোনো সংশোধন করিনি ... ...
আমার হপার পাতায় ভোটুৎসবে ভাট সিরিজে নামিয়ে যাচ্ছি নানা বিক্ষিপ্ত হ্যাজ। ডাইভার্সনের জন্য। এমতাবস্থায় গুরুর মূল ভাটে চোখে পড়লো এটা ... ...
পুনশ্চর প্রাককথন! সেটা আবার কী মশায়? গেঞ্জির বুকপকেট? নাকি বাইকের সীটবেল্ট? আহা ব্যঙ্গ করেন কেন? মানছি সাধারণত তা হয় না। তবু করতে হচ্ছে। কারণ - পুনশ্চ সচরাচর মূল লেখার থেকে বড় হয় না। তবে যা সচরাচর হয় না তাও তো কখনো হতে পারে। তাই তো বারো হাত কাঁকুড়ের তেরোহাত … বা বাঁশের চেয়ে কঞ্চি দড় গোছের প্রবাদ চালু বাজারে। ছয় ইঞ্জিন - তিনশো ওয়াগন - সাড়ে তিন কিমি লম্বা সুপার বাসুকি মালগাড়ির মতো আপনার দীর্ঘ পুনশ্চ পড়বোই বা কেন? কী লাভ? তা অবশ্য ঠিক, তবে বিগত ৭৭ বছর ধরে এতোবার লাইন দিয়ে তর্জনীতে কালি লাগিয়েই বা কী লাভ হয়েছে? যে যায় লঙ্কায় সেই হয় রাবণ (অথবা পূতানা) মেগা সিরিয়াল তো হয়েই চলছে। তবু তো অনেকে যায় আঙ্গুলে কালি লাগাতে। উঠতি লেখককে উৎসাহ দিতে না হয় দেখলেন একটু পড়ে। ভালো লাগলে এগোবেন। না হলে ছেড়ে দেবেন ... ...
এই তমসাচ্ছন্ন তামাশাকালে আমার মতো আত্মকেন্দ্রিকের (এখনো অবধি) কিছু এসে যায় না। ক্রনিক আমাশার মতো মাঝেমধ্যেই ঘুরেফিরে আসা তামাশা দেখে আমি তাই একান্তে বসে পাল্লা দিয়ে করে যাই এন্তার মস্করা, নইলে নিয়ত এসব দেখে শুনে রাতে ঘুমানো দায় ... ...
ভোটের মরশুমে দেখে যাও শুধু জনতার দরবারে নেতা নেত্রীদের চাপানউতোর আর প্রতিশ্রুতির প্লাবন। এমন রঙিন তামাশা অতীতে বাবুদের নাচমহলে বাঈজীর ঘাঘড়া ঘুরিয়ে খ্যামটা নাচনকেও হার মানায়। জনতন্ত্রের এমন আন্ত্রিকে আক্রান্ত অবস্থা দেখে ভারাক্রান্ত হয় মন। বলে নাকি Politics is the last resort of scoundrels. এসব দেখেশুনে আমার তিক্ত মনের শুশ্রূষায় Humour is the panacea in despair. ... ...
আশির দশকে যাদবপুরের কয়েকটি ছাত্রছাত্রী শুশুনিয়া পাহাড়ে গেছে শৈলারোহণ অভ্যাস করতে - সেই ভিত্তিতে এই আখ্যান … ঈশুর হাত ধরে টেনে বসায় সুমন। "আচ্ছা বাবা, ঘাট হয়েছে। এই হচ্ছে ফেমিনিস্টদের নিয়ে মুশকিল। এতো সিরিয়াস কেন তোরা? রসিকতাও বুঝিস না। তুম চলে যায়োগে তো ইয়ে পুনম ভি অমাওস মে বদল যায়েগী" - নাটকীয় ঢঙে চাঁদের দিকে হাত তুলে দেখায় সুমন। আগামীকাল পূর্ণিমা। তখন তার ঔজ্জ্বল্য চোখ ধাঁধানো। কটমট করে তাকায় ঈশু সুমনের দিকে। কিন্তু সেই দৃষ্টিতে আপাত উষ্মার আড়ালে কি প্রহেলিকাময় সূক্ষ্ম প্রশ্রয়ও লুকিয়ে আছে কুহেলিকার মতো? নাকি তা নিছকই সুমনের বিভ্রম! সুমনের নাটুকেপনা দেখে তুলি আর চুনি খিল খিল করে হাসছে। এবার হেসে ফেলে ঈশুও। সেই দূর্লভ ঐশ্বর্যময় হাসি! কালাহারিতে ইলশেগুঁড়ি! এমন কিছু মাধূর্যের চকিত ঝলক দেখার আশাতেই তো সুমন এসব চ্যাংড়ামি করে ... ...
দেওয়ালে প্লাস্টিক ইমালশন, তাতে ঝুলছে দূর্বোধ্য ছবি, নিয়মিত ডাস্টিং করা ঝাঁ চকচকে আসবাব, ওয়াল ক্যাবিনেটের মাঝে ৫৬ ইঞ্চি এলইডি টিভি, দুপাশে দাঁড়িয়ে লম্বকর্ণ জিরাফকন্ঠী বাঁকুড়ার বিখ্যাত ঘোড়া .... এমন মিউজিয়াম সদৃশ বাড়িতে থাকতে আমার দমবন্ধ লাগে। এমন বাড়ির ফুলকাটা ফলস্ সিলিংয়ে মাকড়সাও পেটে ডিম নিয়ে চারদিকে আটপায়ে দৌড়ে মরে ভাগ্যকে গাল পেড়ে - কেন যে মরতে ঢুকেছিলাম এ বাড়িতে! এখন নেক্সট জালটা কোথায় পাতি রে বাবা! প্রতি হপ্তায় তো ভ্যাকুয়াম ক্লীনার দিয়ে আপদ চাকরটা শোঁক শোঁক করে টেনে নেয় সব জাল। এদিকে লালা তো শুকিয়ে কাঠ! ... ...