Surajit Dasgupta কে? বাংলা ভাষার সেরা হাস্যকৌতুক সিনেমাগুলোর অন্যতম, বহু তারকাখচিত (ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়, জহর রায়, কমল মিত্র, অসিতবরণ, রুমা গুহঠাকুরতা, রবি ঘোষ, তরুণকুমার অভিনীত) "আশিতে আসিও না" সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছিল ১৯৬৭ সালে। সিনেমাটির সেইসময়ের ঈর্ষণীয় সাফল্য এবং সফল হাস্যকৌতুক আজও আপামর বাঙালীর মনের মণিকোঠায় ভাস্বর হয়ে আছে। সিনেমার মূল উপজীব্য ছিল, সাধারণ এক মধ্যবিত্ত পরিবারের আশি বছর বয়স্ক প্রধান সদানন্দ সংসারের ... ...
বাংলার মাটি, বাংলার নদী, বাংলার শস্য শ্যামলা বসুন্ধরা, সবুজ ধান ক্ষেতের পাশ দিয়ে হেঁটে চলা মানুষটির কানে যে সুরের অনুরণন সৃষ্টি করে তা বাউল কিংবা ভাটিয়ালি। ভাটির টানে নৌকার অনায়াস ভেসে চলার কারণে উদ্ভূত অবসরে নৌকার মাঝি-মল্লারদের যে সুরচর্চা বা উদাত্ত গলার যে গান, তাই ভাটিয়ালি। অন্যদিকে বাউল গান মুলতঃ সাধন-সঙ্গীত হলেও তা ভাটিয়ালির মতোই লোকসঙ্গীতের ধারাগুলোর একটি। বাউল ও ভাটিয়ালি দুটো ধারাতেই সাধারণ লোকের সুখ-দুঃখের কথা, সাধারণ মানুষের জীবনের কথা, প্রকৃতির কথা ... ...
ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে ব্রিটিশ চলে যাওয়ার পরে ভারতবর্ষ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা দেশগুলোর স্বাধীন রাষ্ট্রের অস্তিত্ব মেনে নেয় জাতিসংঘ থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্রগুলো। স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে এরপরে এই দেশগুলোর অন্যান্য অনেক আবশ্যিক বিষয়ের সঙ্গে প্রয়োজন হয়ে পরে রাষ্ট্রের জাতীয় সংগীতের। ভারতবর্ষ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'ভারত-বিধাতা' গানটির প্রথম স্তবকটিকেই জাতীয় সংগীত হিসেবে গ্রহণ করে। হঠাৎ করেই যে গানটি আমাদের জাতীয় সংগীত হিসেবে স্বীকৃতি পেল তা একদমই নয়, এর পেছনে এক দীর্ঘ ইতিহাস আছে। গানটির রচনাকাল থেকে জাতীয় সংগীত হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া অব্দি ইতিহাসটা এইরকম:'ভারত-বিধাতা' (জন গণ মন অধিনায়ক জয় হে) ... ...
এ খেলা কেমন খেলা,জীবন ওঠে শঙ্কা ভরে।যাপন হেথায় দুর্বিষহ,গান গাইছে নাকিসুরে।ফাঁকাই থাকে খেলার মাঠ,অফিসবাড়ী ধু ধু করে।কারখানার তালা বন্ধ সব,কল গিয়েছে চাবির তরে।নারীর মান শূন্যে লুটায়,ইজ্জত গড়ায় ধুলার পরে।লক্ষ্মী কবেই হাল ছেড়েছেন,বীনাও আর নেইকো সুরে।চতুর্দিকে অসুর ও বেসুর,শুধুই ভীড় নদীর তীরে।বিসর্জনের সুরটা শুধুই,বাজছে যে ভাই শরীর জুড়ে।তবুও সবাই বলছে শুধুই,খেলা হবে, খেলা হবে।খেলার মধ্যে লাভটা কি,উন্নয়ন কিছু দেখা যাবে?নাকি, শুধুই কাকতাড়ুয়া,জমির আলে দাঁড়িয়ে রবে? ... ...
"কবে তৃষিত এ মরু ছাড়িয়া যাইব তোমার রসালো নন্দনে"। চোখ দিয়ে বারিনবাবুর জল গড়িয়ে পড়ছে, বারিনবাবুর স্ত্রী ও একমাত্র ছেলে লক্ষ্য করছে। তাদের চোখও ভিজে গেছে। বারিনবাবু কিন্তু গেয়েই চলেছেন, "কবে তাপিত এ চিত করিব শীতল, তোমারি করুণা চন্দনে"। প্রতিদিনই ঠাকুরঘরে কালীমায়ের ছবির সামনে বসে বারিনবাবু শ্যামাসঙ্গীত গেয়ে থাকেন এই সন্ধ্যাবেলায়, একনিষ্ঠ ভক্ত তিনি কালীমায়ের। তবে আজকে তিনি রজনীকান্তের গান গাইছেন, যদিও এটাও সমর্পণেরই সঙ্গীত। গানের গলাটাও চমৎকার বারিনবাবুর। এইসময় তাঁর কোনো বাহ্যিক জ্ঞান থাকেনা। স্ত্রী ও ছেলে বহুবার লক্ষ্য করে দেখেছে। বাহ্য জ্ঞান তিনি হারিয়ে ফেলেন, যখন তিনি নিজেকে সমর্পণ করেন মায়ের শ্রীচরণে। আজকে তাঁর গলায় গানটাও যেন অন্যদিনের ... ...
Switzerland of Assam হিসেবে পরিচিত হাফলং, অনন্যসাধারণ এক শৈলশহর। আসামের একমাত্র শৈলশহর গৌহাটি - শিলচর রেললাইনে গৌহাটি থেকে প্রায় ২৯০ কিলোমিটার আর শিলচর থেকে ১০৩ কিলোমিটার দূরে। আগে ট্রেন পাহাড়ের ওপরে উঠে যেত, কিন্তু ব্রডগেজ লাইন হওয়ার পর থেকে পাহাড়ের নীচে নতুন 'নিউ হাফলং' স্টেশনে নেমে গাড়ীতে করে প্রায় ৯ কিলোমিটার পাহাড়ে উঠে আসতে হয়। শিলচর শহর থেকে ১০৩ কিলোমিটার দূরত্ব হলেও পাহাড়ী রাস্তা বলে ৪ ঘন্টা সময় লাগে ট্রেনে। এই লাইনে ট্রেনের লেট হওয়া নিত্যনৈমিত্যিক ব্যপার, কারণ সিঙ্গল লাইন। আজ ট্রেন এক ঘন্টা লেট করেছে কিন্তু, রাস্তার নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখে মনে হচ্ছিল ট্রেন আরও লেট করলেই ভালো হয়।দিমা হাসাও ... ...
সারা বিশ্বে মূলতঃ তিন ধরনের অর্থনীতি চালু আছে। পুঁজিবাদী অর্থনীতি, সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি এবং মিশ্র অর্থনীতি। এই হিসেবে দেশগুলিকেও তিনভাগে ভাগ করা যায়। ধনতান্ত্রিক দেশ, সমাজতান্ত্রিক দেশ এবং সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের দেশ। প্রথম ভাগের দেশগুলো, যেখানে উন্মুক্ত অর্থনীতি, কোনো ধরনের সরকারী নিয়ন্ত্রণ নেই। কোনো সরকারী স্কুল নেই, সরকারী পরিবহন নেই, সরকারী স্বাস্থব্যবস্থা নেই, সরকারী পরিষেবা নেই। তেলের দাম, গ্যাসের দাম, জিনিসপত্রের দাম সরকার বেঁধে দেয়না। এককথায় বলতে গেলে ফেল কড়ি মাখো তেল। দ্বিতীয় ভাগের দেশগুলো, যেখানে সবকিছুই সরকারী নিয়ন্ত্রণাধীন, বেসরকারী কোনো কিছুই নেই। সবকিছুর দাম সরকার ঠিক করে দেয়। তৃতীয় ভাগের দেশগুলো, যেখানে সরকারী ক্ষেত্রের পাশাপাশি বেসরকারি ক্ষেত্রও বিদ্যমান। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ... ...
নিজেকে নিয়ে বলার মতো কিছুই নেই। এক সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের মধ্য মেধার ছেলে। চাকুরী জীবনের উপান্তে দাঁড়িয়ে ভবিষ্যৎ অবসরজীবন কাটানোর চিন্তায় কিছু লেখালিখি করার অভ্যাস তৈরী করছি মাত্র। ... ...
তুমিই আমার জীবন, তুমিই আমার জীবনের আরাধ্য, তোমাতেই আমার সব, আমার কোনো অস্তিত্ব নেই তুমি ছাড়া, আমার অস্তিত্বের প্রতিটি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অংশ তোমারই, আবার আমিই তোমার অংশ। আমিই তুমি আবার তুমিই আমি। আরাধ্য বা ঈশ্বরের সাথে আরাধ্যকারী বা মনুষ্যরূপী তুচ্ছ জীবের এ এক আত্মিক সম্পর্ক, ভাবজগতের লীলা। আমি কেউ নই, তুমি ছাড়া আমার অস্তিত্ব নেই এই জগতে, আবার আমাতেই তোমার অধিষ্ঠান। ঠাকুর শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব, সংসাররূপী যে জগতের মধ্যে দিয়ে আমাদের মতো লোভী, পাপী, কামনা-বাসনার পাঁকে ডুবে থাকা মানুষদের মনুষ্যজীবন কাটাতে হয়, তা থেকে মুক্তি পাওয়ার পথ দেখাতে গিয়ে ভক্তজনদের বলেছিলেন, "ত্বমসি মম জীবনম্"। আমাতেই মহাশূন্য আবার মহাশূন্যতেই আমি বিলীন। ঈশ্বরকে ... ...