মনে হয় না বাংলাদেশ সেকুলার হবে। ভারতও পশ্চিমা অর্থে সেকুলার নয়। সর্ব ধর্ম সমভাব মানে পশ্চিমা সেকুলারিজম নয়। সেকুলারিজমে রাষ্ট্রের ধর্ম বর্জনের যে ধারণা আছে তার বাস্তবতা দক্ষিণ এশিয়ায় নেই। তাছাড়া ও বাংলায় শরিয়তি প্রভাব ব্যাপক। তার সামাজিক ভিত্তিও গভীর। বাংলাদেশের এই ব্যাপক শরিয়তি প্রভাব অন্য ধর্মাবলম্বী যারা সংখ্যা লঘু তারা সইতে পারছে কিনা, মুসলিমরা তার জো রাখছে কিনা এখন ... ...
অস্বস্তিকর প্রসঙ্গ তোলাই আমার কাজ। সে বাংলাদেশ বা অন্য যেকোন প্রসঙ্গে। তবে আমার অবস্থানে পক্ষ আছে। আমি বাংলাদেশের গণজাগরণের পক্ষে। এরকম কিছুকেই জনগণের উৎসব বলে আর তাতে বাংলাদেশের স্থান মাহাত্ম্যে শরিয়তি গন্ধ থাকবে। এই মুহুর্তে শরিয়ত ভালো মন্দ কিনা প্রশ্ন নয়, প্রশ্ন তার দাপে অন্যরা টিঁকতে পারছে কিনা? সে নেগোশিয়েবল কিনা? ওইজন্য অভ্যুত্থানের ঘোষিত এ্যাজেন্ডা মন্দির /প্যাগোডা/চার্চ রক্ষা। জনগণের উৎসব ... ...
জলের গান কেন কোন ব্যান্ডের ওপর আক্রমণ ঠিক নয়।ঠিক নয় সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ। তবে রাহুল আনন্দের ওপর এত রাগের কারণ যে তাঁর হাসিনা স্তাবকতা এতে সন্দেহ নেই। এই তো গত বছরই হাসিনার সাতাত্তর বছর উপলক্ষ্যে জলের গানের গীতিকার সুরকার মশাই লিখলেন: "পূর্ব দিগন্তে সূর্য ওঠে সাত রঙে রাঙা রঙ্গিন আজ তোমার জন্মদিন সূর্য ওঠে সাত রঙে রাঙা রঙ্গিন॥" নির্লজ্জ স্তাবকতা আরকি!! ... ...
বাংলাদেশে একটা সফল গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। নানা বিপরীত প্রবণতার সমাহার আছে এতে। পরিস্থিতি এখনও নির্দিষ্ট আকার নেয়নি। যেকোন গণ অভ্যুত্থানকেই গণতান্ত্রিক মানুষের সমর্থন করা স্বাভাবিক। তাই আমার পূর্ণ সমর্থন আছে। আমি কোন ষড়যন্ত্রের তত্ত্বে আস্থা রাখি না। হাসিনা এবং তার ছানারাই আসল রাজাকার। তাই হাসিনার বিলাসবহুল ঘরবাড়ি লুটপাট করা দেখে বাংলাদেশে উল্লাস হচ্ছে। প্রাধান্যে না থাকলে ... ...
স্বতঃস্ফূর্ত গণবিক্ষোভে নেতৃত্ব গণতান্ত্রিক শক্তির হাতেই আছে এটা অর্কর মতো বাংলাদেশের বাস্তবতা জানা বোঝা সর্বোচ্চ মানের সাংবাদিকরা মনে করেন।তাই ওর লেখা দিলাম এখানে। প্রথাগত বামেরা এখানকার সিপিএমের মতোই বাংলাদেশের আন্দোলন সম্পর্কে সন্দিহান। আমার নিজের মতে নতুন বাম এই গণমন্থনের প্রক্রিয়ায় উঠে আসছে। যেটা লোকসভা ভোটে এখানে দেখা ... ...
এটা শেষ বিবৃতি- ★ এক দফা: খুনের দায়ে শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী সরকারের পতন ও ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ। ★ ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে একটি নতুন বাংলাদেশ গঠন করা হবে যেখানে সাম্য, ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হবে৷ এমন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত করা হবে যাতে বাংলাদেশে আর কখনোই স্বৈরতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদ ফিরে আসতে না পারে। ★ অনির্দিষ্টকালের জন্য সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন। ★ পাশাপাশি আগামীকাল ... ...
তখতে বসার পর আলমগীরের বাধ্যবাধকতা ছিল দারা শুকোহর রাজনৈতিক বিরোধিতা করার জন্য কিছু পদক্ষেপ নেওয়া যার মধ্যে পড়ে দরবারে সংস্কৃত চর্চায় উৎসাহ দেওয়া বন্ধ করা। আগেই জানা গেছে দারা ঘনিষ্ঠ সংস্কৃতজ্ঞ কোবিন্দাচার্য স্বরস্বতীর ভাতা বন্ধ করেছিলেন তিনি। পণ্ডিত প্রবর কোবিন্দাচার্য মোঘল অভিজাত দানিশমন্দ খানের দরবারে পুনর্বাসন পান। তবে ব্যক্তিনিরপেক্ষ শরিয়তি বিধানে ঔরঙ্গজেব আলমগীরের আস্থা গুজরাটে সুবেদারি করার ... ...
---- কোন ধারণাকে নাকচ করতে উঠেপড়ে লাগলেন ঔরঙ্গজেব আলমগীর? ---- স্বর্গীয় আশীর্বাদ পুষ্ট সার্বভৌমত্বর ধারণা সেক্রেড সভরিনিটিকে নাকচ করতে। ---- নিজে রাজা হয়ে রাজার বিশেষ ক্ষমতা, ঐশ্বরিক ক্ষমতার উদ্ভাসের ধারণাকে নাকচ করা? ---- ছোট বেলা থেকে তাঁকে নিষ্ঠায় ধর্মাচরণ করতে দেখা গেছে। ---- ঔরঙ্গজেব গোঁড়া মুসলমান? ---- দক্ষিণ এশিয়ার ... ...
--- আকবর পনেরোশো ছাপ্পান্ন থেকে বিরাশি পর্যন্ত জিজিয়া আদায় করতেন?--- আকবর ছাব্বিশ বছর জিজিয়া আদায় করেছিলেন।--- আকবর কেন জিজিয়া আদায় করতেন?--- আকবর শরিয়ত মেনে জিজিয়া আদায় করতেন।--- আকবর শরিয়ত ভেঙে জিজিয়া বন্ধ করেন?--- তা বলা যাবে না।--- তবে কি বলা যাবে?--- আকবর সর্বোচ্চ আইন ... ...
ষোলশো সাতাত্তরের কোন একদিনে মথুরার কাজিসাহেবকে হন্তদন্ত হয়ে সদর আল সুদুর – বিচারক প্রধান শেখ আব্দাল নবীর কাছে আসতে দেখা যাচ্ছে। ধরে নেওয়া যাক সেটা শীতের অপরাহ্ন কারণ গরমে কাজিসাহেবের কষ্ট হবে আর বর্ষায় ছাতা ব্যবহার বাহুল্যমাত্র, ছাতা যখন তখন হারাবে, তাই বর্ষার কথা ভাবাই যাচ্ছে না। কাজিসাহেবের অভিযোগ শুনে নবী সাহেবের রাতের ঘুম চলে যায়। এক রইস ব্রাহ্মণ মসজিদ বানানোর জন্য আনা জিনিষপত্র ... ...