Surajit Dasgupta কে? হিন্দু ধর্মের উৎসস্থল হিসেবে ভারতবর্ষকে জানে সবাই। সিন্ধু নদের তীরবর্তী এলাকায় যারা বাস করতো তাদেরকে হিন্দু বলে আখ্যায়িত করা হয় সেই প্রাচীনকাল থেকে। সেই হিন্দুদের আচরিত ধর্মকেই হিন্দু ধর্ম বলা হয়। আবার অন্যমতে হিন্দু ধর্ম বলে কোনো ধর্ম হয় না বা নেই, আমরা যাকে হিন্দু ধর্ম বলে বলি সেটা আসলে সনাতন ধর্ম। কিন্তু হিন্দু ধর্ম বা সনাতন ধর্ম, যাই হোক না কেনো, তা যে পৃথিবীর আদিতম ধর্ম এতে কোনো সন্দেহ নেই। আবার ভারতীয় সভ্যতা যে পৃথিবীর আদিতম সভ্যতাগুলোর মধ্যে একটি তাতেও কোনো সন্দেহ নেই। ভারতীয় সভ্যতা যেমন শুধু সিন্ধু নদের পাড়ে সীমাবদ্ধ ছিল না, বিশেষ করে দ্রাবিড়ীয় সভ্যতা এবং পরবর্তীতে ... ...
কে ডাকে কাতর প্রাণে, মধুর তানেআয় চলে আয় --ওরে আয় চলে আয়, আমার পাশেমহা সিন্ধুর ওপার থেকেকি সঙ্গীত ভেসে আসে।ঐ মহাসিন্ধুর ওপার থেকে কি সঙ্গীত ভেসে আসে। আজকাল সত্যিই ভেসে আসে সেই সুর। মধুর তানে কেউ যেনো কানের কাছে এসে বলে, হেথা নাইকো মৃত্যু, নাইকো জরা। হেথা বাতাস গীতি গন্ধভরা, চির স্নিগ্ধ মধুমাসে। হেথা চির শ্যামল বসুন্ধরা, চির জ্যোৎস্না নীল আকাশে। মনটা উচাটন হয়ে ওঠে, এই পৃথিবী যে বড়ই রুক্ষ, বড়ই নিষ্ঠুর, একাকীত্বে ভরা এই পৃথিবী। কবিগুরু কেনো যে বলেছিলেন, "মরিতে চাহিনা আমি সুন্দর ভুবনে"। যৌবনে কবিগুরুর কথা মনে দাগ টানলেও এখন সেই দাগ আর খুঁজে পাওয়া যায় না। অস্পষ্ট হয়ে ... ...
বুটকা কদিন ধরেই মনমরা, কিছুই ভালো লাগে না তার। দাদু ছিল তার প্রাণের বন্ধু, ভালোবাসা। আসলে বুটকা জন্মের পর থেকেই মামাবাড়ীতে। বাবার চেহারা সে দেখেনি কোনোদিন। বাবা নেই বলেই হয়তো, দাদুর অত্যন্ত প্রিয় সে। ছোটবেলা থেকেই দাদু, দিদা, মামা, মাসী নিয়েই তার জগৎ। দাদুর মুখে ছোটবেলা থেকেই শুনে আসছে, এই পৃথিবীতে মৃত্যুই একমাত্র সত্য, নিত্য। বাকী সবকিছুই মোহ, মায়া, অনিত্য। তবুও মৃত্যু যে মানুষকে এত বিচলিত করতে পারে, মননে এত বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে, তার প্রমাণ ... ...
শুধু গান দিয়ে বিচার করলে খুব ভুল হবে, মাননীয়া কল্যাণী কাজী ছিলেন বঙ্গ সংস্কৃতির এক উজ্জ্বল প্রতিভূ। শ্বশুরমশাই ছিলেন বাঙালির সাংস্কৃতিক আকাশের এক উজ্জ্বল ধ্রুবতারা, রবি ঠাকুরের তীব্র আলোর পাশাপাশি সম্পূর্ণরূপে রবি প্রভাবমুক্ত নিজস্ব আলোয় আলোকিত এক ধ্রুবতারা, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। কাজী নজরুল ইসলামকে আমরা বাঙালিরা সেইভাবে পায়নি কারণ ইংরেজদের অত্যাচার। তিনি জীবনের একটি বিরাট অংশে নিশ্চল হয়েছিলেন ... ...
তৃতীয় পর্বের পরে ....এই ইংরাজ-লেখক অধুনা প্রকাশিত সমস্ত কাগজপত্রের সহায়তায় যেরূপ নিপুণতার সঙ্গে বিষয়টির আলোচনা করিয়াছেন, তাহা মুক্তকন্ঠে প্রশংসিত হইবার যোগ্য। হলওয়েলের করুণ কাহিনিকেই প্রধান অবলম্বন করিয়া, এই লেখক প্রচুর সমালোচনা কৌশলে দেখাইয়া দিয়াছেন,- সে কাহিনি লৌকিক কাহিনি হইতে পারে না, তাহা যে নিতান্ত রচা কথা, কাহিনির মধ্যেই তাহার অনেক প্রমাণ প্রচ্ছন্ন হইয়া রহিয়াছে। হলওয়েলের রচনাভঙ্গি ভুক্তভোগীর ... ...
এছাড়াও বিখ্যাত ঐতিহাসিক এবং সাহিত্যিক শ্রীযুক্ত অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় ১৯০২ সালে প্রকাশিত তাঁর 'সিরাজউদ্দৌলা' গ্রন্থের চতুর্দশ, পঞ্চদশ এবং ষোড়শ পরিচ্ছদে বর্ণনা করেছেন এই অন্ধকূপ হত্যা নিয়ে এবং বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন যে হলওয়েল সাহেবের এটা নির্ভেজাল মিথ্যে কথা। ১৩২৩ বঙ্গাব্দের বৈশাখ মাসে অর্থাৎ ১৯১৬ সালের 'ভারতী' পত্রিকায় শ্রী মৈত্রেয় এই বিষয়ে আবার কলম ধরেছিলেন। যেখানে তিনি যা লিখেছিলেন তা নিম্নরূপ:সে অনেক দিন আগের কথা, প্রায় কুড়ি বৎসরের ... ...
প্রথম পর্বের পরে...... এতো গেলো নতুন আর পুরনো ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গের ইতিহাস। ১৭৫৬ সালে পুরনো দুর্গ যখন আক্রমণ করেছিলেন নবাব সিরাজউদ্দৌলা এবং ইংরেজরা দুর্গ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছিল, তখন থেকেই পুরনো ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ বাতিলের খাতায়। দুর্গ থেকে ইংরেজদের তাড়াতে নবাবকে কে খুব কষ্ট করতে হয়েছিল তার প্রমাণ ইতিহাসে পাওয়া যায় না। অর্থাৎ, ইতিহাসের অন্যান্য দুর্গের মতো দুর্ভেদ্য ছিল না পুরনো ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ। একদিকে যেমন ইংরেজরা দুর্গ ... ...
একালের যুবক - যুবতীদের অনেকেই হয়তো পোস্টকার্ড বা ইনল্যান্ড লেটার চোখে দেখেনি। এতে তাদের দোষ নেই, যুগ পাল্টে গেছে। মোবাইল, ইন্টারনেট, হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, টুইটার, এসএমএস - এর যুগে তারা বসবাস করছে। তারা পড়াশোনা করে মোবাইলে, অনলাইনে তাদের ক্লাস হয়। পড়াশোনার কারণে যেটুকু লেখালিখি করতে হয়, তা বাদ দিয়ে তারা লেখালিখিও করে মোবাইলে টাইপ করে। কাগজ, কলমের সাথেও তাদের সম্পর্ক এখন প্রায় শূন্যের ... ...
পৃথিবীর ইতিহাসে বিভিন্ন দেশ বা সম্রাজ্যের মানচিত্র সময়ের সাথে সাথে পাল্টে গেছে এবং এখনও যাচ্ছে। দেশ বা সম্রাজ্যের বিস্তারের কারণেও হতে পারে আবার দেশ বা সম্রাজ্যের খণ্ডিত হওয়ার কারণেও হতে পারে। ফলে প্রতিবেশী দেশগুলোও পাল্টে যাচ্ছে সময়ের সাথে। আজ যে প্রতিবেশী কাল সে হয়তো আমার দেশের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে অথবা আর প্রতিবেশী থাকবে না অর্থাৎ মাঝখানে অন্য দেশ বা সম্রাজ্য গড়ে উঠবে। ফলে যে কোনো দেশ বা সম্রাজ্যের অভ্যন্তরীণ বা বৈদেশিক ... ...
আমাদের কোনো কথাই কিন্তু সম্পূর্ণ নয়, পরবর্তীতেও সেই কথার রেশ থেকে যায়। যেকোনো কথার পরে আরও বেশ কিছু কথা বলা যায়, কিন্তু আমরা বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই বলি না। একে "না বলা কথা" বলা যেতে পারে। কাউকে যদি জিজ্ঞেস করি, আপনি কেমন আছেন? উত্তরে তিনি ভালো বা মন্দ কিছু একটা বললেন। মন্দ বললে পরবর্তী কথা বললেও, ভালো বললে আর কোনো কথা আমরা বলি না। কিন্তু তিনি কি ধরনের ভালো আছেন সেটা ... ...