এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • অনুকুল চা্ড্ডি শীর্ষেন্দু ও তার ভাব বিগলিত ক্যালানো কথামালা

    বিশ্লেষন করুন
    অন্যান্য | ২৮ আগস্ট ২০১৬ | ১৯১৭১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ranjan roy | 192.*.*.* | ২৮ আগস্ট ২০১৬ ১৬:৫৪718510
  • লেখক শীর্ষেন্দুর নিজস্ব ধর্মবিশ্বাস নিয়ে এইরকম টই খোলা পছন্দ হল না। এতই ইচ্ছে তো নিজেই লিখে বিশ্লেষণ করুন না।
    তার জন্যে শীর্ষেন্দুকে কোন ঠপ্পা লাগিয়ে কথা বলা অপ্রয়োজনীয়, ওঁর লেখা নিয়েই হোক না।
  • ভাব বিগলিত ক্যালানো কথামালা | 203.*.*.* | ২৮ আগস্ট ২০১৬ ১৮:১৩718621
  • জন্মাবধি শুনে আসছি আমার নাকি শনির দশা। তার ওপর দুশ্চিন্তার বিষয় হল, আমার জন্মও হয়েছিল শনিবারে। ফলে, তাঁর বড় ছেলেটিকে নিয়ে মায়ের ছিল স্থায়ী এক দুশ্চিন্তা। দুষ্ট শনি কখন ছেলের কোন বিপদ ডেকে আনে, সেই চিন্তায় তাঁর দিন-রাত কাটত। আমার দিকে মা মাঝে মাঝেই জুলজুল করুণ দৃষ্টিতে চেয়ে থাকতেন। হয়তো ভাবতেন, ছেলেটা কি বাঁচবে? তাই বরাবর আমিই ছিলাম আমার মায়ের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু। শনির হাত থেকে আমাকে বাঁচানোর জন্য মা যে কত কী করতেন, তার লেখাজোখা নেই। আর মায়ের কল্যাণে আমাদের বিশাল যৌথ পরিবারের সবাই ব্যাপারটা জেনে গিয়েছিল। চাউর হয়ে গিয়েছিল পাড়া-প্রতিবেশী, অতিথি-অভ্যাগতদের মধ্যেও। সবাই জানত, রুণুর শনির দশা। আর তাই আকাশে মেঘ দেখলেই ঠাকুমা আমাকে ঢেকেঢুকে কোলে নিয়ে ঘুরে বেড়াতেন, মাটিতে নামাতেন না। এই সব দেখেশুনে একটু বড় হয়ে আমারও ধারণা হয়েছিল, আমার দুনিয়াদারি বেশি দিনের নয়। শনি ঠাকুর আড়ায় আড়ায় ঘুরছেন। তক্কে তক্কে আছেন। এক দিন ছোঁ মেরে তুলে নেবেন।

    আমাদের বাড়িতে বরাবরই সাধুসজ্জন এবং জ্যোতিষীদের আনাগোনা। ময়মনসিংহের বাড়িতে যেমন, পরে আমাদের বিভিন্ন জায়গার রেলের বাংলোতেও তেমন। কত রকমের সাধু যে আসতেন, তার হিসেব নেই। তেমনই আসতেন জ্যোতিষী, তান্ত্রিক, ফকির। অনেকে দু-চার দিনের আতিথ্যও নিতেন। সাধু-সেবায় মায়ের ক্লান্তি ছিল না। আমার যে ফাঁড়া আছে, সে বিষয়ে জ্যোতিষীরা প্রায় সবাই ছিলেন একমত। তাঁরা নানা বিচিত্র নিদান দিয়ে যেতেন এবং সেগুলো অভ্রান্ত ভাবে পালন করতেন মা। কপালে সিঁদুরের টিপ, পরনে রক্তাম্বর, জটাধারী এক ভয়ংকর ভোজপুরি সাধু আমার হাত দেখে যে নিদান দিয়েছিলেন, তা ছিল ভারী কঠিন। প্রতি শনিবারে সরষের তেলে একটা আটার লুচি ভেজে, তাতে একটা সিঁদুরের টিপ পরিয়ে আমাকে সেটা বাঁ হাতে ধরে একটা কালো কুকুরকে খাওয়াতে হবে। শনিবারে মা তো লুচি ভেজে সিঁদুরের টিপ পরিয়ে আমাদের বাচ্চা চাকর টুনটুনিয়াকে পাঠিয়েছেন রাস্তা থেকে একটা কালো কুকুর ধরে আনতে। অনেক ক্ষণ পর টুনটুনিয়া নারকোলের দড়িতে বেঁধে একটা কালো কুকুরকে এনে আমগাছের সঙ্গে বাঁধল। কিন্তু সে লুচি খাবে কী, কেঁউকেঁউ করে এমন লাফালাফি করতে লাগল যে বলার নয়। শেষ পর্যন্ত লুচিটা তার সামনে ফেলে চলে আসতে হল। খেয়েছিল কি না কে জানে।
    http://www.anandabazar.com/supplementary/rabibashoriyo/food-offered-to-dog-1.465545#
  • Ekak | 53.*.*.* | ২৮ আগস্ট ২০১৬ ১৮:২৪718732
  • আরে শনি নিয়ে এরকম চাপ আমারও আছে। বুদ্ধপূর্ণিমাতে শনিবারের বারবেলায় জন্ম। ছোটোব্যালা থেকে শুনছি শনির চোখ নাকি আমাকে ড্যাবড্যাব করে দেখছে। তবে এক জ্যোতিষী আমাকে বাঁচান। সেভেন এইট নাগাদ তিনি আমার হাত টিপে টুপে কপাল দেখে টেখে বললেন : গ্রহরাজ একে সর্বদা আগলে রাখবেন ! কোনো ক্ষতি হবেনা। চিন্তা করবেননা। সেই ইস্তক লোকজনের দুশ্চিন্তা কমেছে। তবে আমি এমন হারামি যে তার পর থেকে কেও বেশি ঝামেলা করলেই বলতুম আমার ওপর গ্রহরাজ শনির কৃপা আছে, এমন দৃষ্টি দেব ধ্বংস হয়ে জাবি !! :):):)
  • ranjan roy | 192.*.*.* | ২৮ আগস্ট ২০১৬ ১৮:৩৮718843
  • পড়লাম। দিব্যি গল্প। এ তো পাৎলুন। চাড্ডি দেখতে পেলাম না তো!
  • | 183.*.*.* | ২৮ আগস্ট ২০১৬ ১৯:০৪718954
  • ঐ পড়ে সিদ্ধান্তে এলাম-

    জ্যোতিষী আসলে যুগসিদ্ধ মহাপুরুষ।
    ড্রেনে নামলে মাদুলি বিশুদ্ধ থাকে না,খুব রেগে গিয়ে বিদায় নেয়।

    সবচে মনোমুগ্ধকর ব্যাপার হলো, ছোট বাচ্চা মানে অশৌচ চলছে। ঘরে গেলেই শুচিতার অভাবে মাদুলি টং করে পড়ে যায়- পিতলের কলসির উপযোগিতাটা ঠিক ধরতে পারিনি। জলের সঙ্গে শনির কি কোনো ইসে আছে?

    শীর্ষেন্দুর চারপাশ মোড়া হেমসেলাই করা গপ্পের ধার কি কমে যাচ্ছে? শেষে 'রসিক হবে বুঝে লিবে' টাইপের বাক্য.... ইয়ে বাত কুছ হজম নেহি হুয়াঃ(
  • Abhyu | 160.*.*.* | ২৮ আগস্ট ২০১৬ ১৯:৪৭719063
  • খাজা ^ ইনফিনিটি
  • π | ২৮ আগস্ট ২০১৬ ২০:১০719074
  • গল্পটা তো চাড্ডি গল্প লাগলো না ! একগাদা কুসংস্কার, অন্ধ বিশ্বাসের কথা এসেছে লেখাটাতে কিন্তু নিজে তাতে সাবস্ক্রাইব করেছেন বলে তো মনে হল না। বরং শেষটা পড়ে উল্টোটাই লাগল তো ! ভুল বুঝলাম নাকি ?

    গল্প হিসেবে যেমন হোক, সে কথায় যাচ্ছিনা।
  • কুমড়োপটাশ | 198.*.*.* | ২৮ আগস্ট ২০১৬ ২০:২৩719085
  • আর বলবেন না, ছোটোবেলায় আমার প্রচণ্ড মাদুলির শখ ছিলো। চাইলেও কেউ কিনে দিত না। সেই বয়সে সেই সময়ে, মাদুলি ছিল একটা অন্য লেভেলের ফ্যাশন স্টেটমেন্ট।
  • Abhyu | 160.*.*.* | ২৮ আগস্ট ২০১৬ ২০:২৪719096
  • ভুল বুঝেছ তাতে সন্দেহ নেই। অশৌচের সময় ঘরে গেলে মাদুলি ছিঁড়ে যায় মানে বাচ্চা হলে সেই অশুচিতা ড্রেনে নামার মতোই আর এই গল্পে জ্যোতিষিকে কারে কারো ভণ্ড মনে হলেও আসলে সে যে সাঙ্ঘাতিক সৎ ও মিরাকল ঘটানোর ক্ষমতা রাখে সেটা বলার চেষ্টা করা হয়েছে।
  • কুমড়োপটাশ | 198.*.*.* | ২৮ আগস্ট ২০১৬ ২০:২৪718511
  • প্রতিকূল চাড্ডি কে বা কারা? প্রতিকূল হলেও, তারাও তো চাড্ডিই হবে।
  • Abhyu | 160.*.*.* | ২৮ আগস্ট ২০১৬ ২০:২৭718522
  • তবে গল্পটা জাস্ট বাজে, চাড্ডি বলার মতো কিছু পেলাম না।
  • π | ২৮ আগস্ট ২০১৬ ২০:৩৬718533
  • বুঝলাম না। মাদুলি যে বাচ্চাকে দেখতে গেলেও ছিঁড়তে পারে সেটা বলে তো এটাকে কাকতালীয় বলার দিকেই ইঙ্গিত করা হল বলে মনে হল ! সদ্যোজাত ভাইকে দেখতে যাওয়া যাবেনা, এসব আবার বলেছেন নাকি ! অশৌচ বলে দেখা যাবেনা, এটা উনি তো উল্লেখ করেন নি, মানে জ্যোতিষী বলেছেন বলেও।
    এরকম নিয়মও আবার আছে নাকি ? সদ্যোজাত বাচ্চাদের তো হাসপাতালেই কত লোকে দেখে। আঁতুড়ের কিছু নিয়মকানুন মানে শুনেছি, কিন্তু দেখতে যাওয়া যায়না এরকম নিয়ম কখনো শুনিনি।
    ইন ফ্যাক্ট গ্রামের বাড়িতে আঁতুড় চলাকালীন বাচ্চার হেল্থ সার্ভেও করেছি, কেউ কিছু বলেনি।
  • T | 24.*.*.* | ২৮ আগস্ট ২০১৬ ২০:৩৭718544
  • শীর্ষেন্দুবাবুকে এই জ্যোতিষ ও কুসংস্কার প্রিয়তা ইত্যাদি নিয়ে চেপে ধরতে গেলে এইসব দিয়ে হবে না। আবাপ বই বের করেছে, আমার ঠাকুর না কী যেন। সেইসব থেকে কোট করুন।
  • π | ২৮ আগস্ট ২০১৬ ২০:৩৯718555
  • হ্যাঁ, চেপে ধরতে হলে এই লেখাটা দিয়ে সত্যি হবেনা।
    আর জাত পাত কি অনুকূলপ্রিয়তার জন্য অন্য অনেক লেখা বা সাক্ষাৎকার আছে।
  • | ২৮ আগস্ট ২০১৬ ২০:৪০718566
  • পাই আবার বাজে তক্কো করছে। আরে আঁতুড় মানে সেটা অশৌচ। ঐসময় বাচ্চা বা মা বা তাদের ব্যবহৃত জিনিষপত্র অশৌচ হয়ে থাকে, ছুঁলে চান করতে হয় এগুলো ওনার সময় তো বটেই, আমাদের ছোটবেলায়ও কিছু কিছু দেখেছি।

    ইনি তো ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ঐ জ্যোতিষী যে বেশ মহান একজন সেটাই প্রমাণ করলেন। সবচেয়ে ডেঞ্জারাস যেটা উনি প্রথমে এমন ভাব করলেন যেন জ্যোতিষীকে বিশ্বাস করছেন না .... অথচ কেমন নদ্দমায় নামা আর আঁতুড়ে ঢোকা এক পর্যায়ে এনে দিলেন।
  • | ২৮ আগস্ট ২০১৬ ২০:৪১718577
  • হ্যাঁ শীর্ষেন্দুর সাহিত্য পর্যালোচনার জন্য এইটা ঠিক টই নয়। সে অন্য কোথাও করা যেতেই পারে।
  • π | ২৮ আগস্ট ২০১৬ ২০:৫৮718588
  • না দমদি, আমি যা দেখেছি, তাই নিয়েই তো বলব। আমাদের বাড়িতে আঁতুড় হত। অনেক ছোট ছোট ভাইবোন হয়েছে। আমরা তাদের জন্মানোর পর ঐ সময়ে দেখেছি। দেখার জন্য কোনোদিন কিছু চানটান করতে বলেনি। বাচ্চাকে ধরতে দিত না, এই অব্দি।

    তোমার বাজে তক্কো মনেই হতে পারে, কিন্তু আমি যেগুলো বলছি সেটা জেনে দেখেই বলছি। সেটা তোমার দেখার সেট থেকে আলাদা হতেই পারে। বললাম তো, একদম গ্রামীণ পরিবার, সব কিছু মানা টানা পরিবারে সদ্যোজার বাচ্চাকে দেখতে দেয়। এমনকি ওজন টোজনও করতে দেয়। এই সময় মায়ের নিরামিষ, সেদ্ধ টেদ্ধ খাওয়ার নিয়ম চলে। কিন্তু বাচ্চাকে দেখতে যাওয়া নিয়ে সব মানা লোকজনেরো ছুঁৎমার্গ দেখিনি, পরিবারেরও। তাই এই লেখা পড়েও মনে হয়নি, লেখক কুসংস্কারকেই রিইনফোর্স করলেন। ড্রেনে বারণ ছিল, সে কথা তো বলেইছেন। সদ্যোজাত বাচ্চাকে দেখা যাবে না, এমন কোন কথা ছিল বলে তো মেনশন করেননি। ভাইকে দেখাবে বলে ঘরে নিয়ে গেল আর সেটা জেনেই তো ঢুকতে গেছিলেন, লিখেছেন।

    জ্যোতিষীর ভিক্টিম টিক্টিম বলে আমার তো মনে হয়নি জ্যোতিষ বা এই কুসংস্কারগুলো কত ঠিকঠাক, সেটা বোঝানোর জন্য এই গল্প লিখেছেন।
  • sm | 53.*.*.* | ২৮ আগস্ট ২০১৬ ২১:০২718599
  • গপ্পোটা ভালো করে কেউ পড়েনি বলেই মনে হচ্ছে।ধরা যাক লেখকের নিজের জীবনী বা বকলমে কোনো বয়স্ক ব্যক্তি তার বাচ্চা বেলার কথা বর্ণনা করছে।
    এখানে বাড়ির লোক কে দেখানো হয়েছে তারা ভীত ও সন্ত্রস্ত-অনাগত বিপদের ভয়ে। কারণ জাতকের অশুভ সময়বারে জন্ম।
    জ্যোতিষী এসে নিদান দিলো-আপকা নিয়ে লেড়কা মর জায়েগা। এ ফাঁড়া কাটবার নয়। তিনি মাদুলি দিলেন। মাদুলি ছিটকে পড়লো। কিন্তু লেখক বা কাহিনীর মূল চরিত্র বেঁচে আছে।
    অর্থাৎ জ্যোতিষী পাতি ঢপ মেরেছিলো।
    দুবার তাবিজ ছিঁড়ে গেছে; এটাও সত্যি। মনে হয় লেখক এই মিল কাকতালীয় সেটাই ( যেটা পাই বললো) বোঝাতে চেয়েছেন।
    অনেকটা ঝড়ে বক মরে; ফকিরের কেরামতি বাড়ে -টাইপ।
    অর্থাৎ এইসব কাকতালীয় ঘটনাই জ্যোতিষ এর ওপর আমাদের বিশ্বাস বাড়ায়।
    আর প্রসূতি অবস্থা কেন অশুচি। সেটা কিছুটা লেখকে ব্যাক্তিগত বিশ্বাস আর কিছুটা সেই সময়ের সমাজের ধারণা।দুটোই মিশে আছে।
  • b | 24.*.*.* | ২৮ আগস্ট ২০১৬ ২১:২৭718610
  • আঁতুড় ইত্যাদি অনেক নিয়ম আমার মনে হয় পার্ভার্স হয়ে গেছে। যেমন (প্রি টার্ম) সদ্যোজাতকে বাড়ি নেবার সময় ডাক্তার পই পই করে বলে দিলেন, মা যে ঘরে আছেন, ঐ ঘরে বাইরের জামা পরে ঢুকবেন না, বাচ্ছাকে কোলে নেবার আগে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে ধরবেন, কম করে কয়েক দিন মানুন, ওদের ইমিউনিটি পাওয়ার প্রায় শূন্য। ইত্যাদি।

    তা এই নিয়মগুলো নিশ্চয় আগেও ছিলো। কিন্তু উল্টে গিয়ে হয়ে গেছে আঁতুড় মানেই অশুচি, আঁতুড়ে ঢুকলে কাপড় ছাড়তে হবে ইত্যাদি।
  • সিকি | ২৮ আগস্ট ২০১৬ ২১:৩৪718622
  • এবার আমাদের ছোছাইটিতে দুগ্গিপুজো হবে কিনা সন্দেহ। কারণ মূল দৌড়ঝাঁপ করেন যে মহিলাটি, তিনি প্রেগন্যান্ট, বাচ্চা হবে গিয়ে ঠিক পুজোর আগে আগে করে। আঁতুড় উঠবে না, অশৌচ চলবে তাই এবারে পুজো হওয়া চাপ আছে।
  • Abhyu | 160.*.*.* | ২৮ আগস্ট ২০১৬ ২১:৪০718633
  • শিগ্গির বল গিয়ে হঠাৎ পুজো বন্ধ হলে অকল্যাণ হয়। আর যদি বাচ্চার জন্যে পুজো বন্ধ হয় তো ...
  • Abhyu | 160.*.*.* | ২৮ আগস্ট ২০১৬ ২১:৪১718644
  • আরো বলিস - আমি তো মানি না এই সব, কিন্তু আপনারা মানেন তাই ... বলে কেটে পড়।
  • sm | 53.*.*.* | ২৮ আগস্ট ২০১৬ ২১:৪৪718655
  • মানে ওই প্রসূতি মাকে খাটাবেন? ভারী অন্যায়।
  • a | 55.*.*.* | ২৮ আগস্ট ২০১৬ ২১:৪৫718666
  • লেখায় একটা মানুষের ছোটবেলা, বড় হয়ে ওঠার সময়কার নানা ঘটনা আছে। শনির কু-দৃষ্টি বা অকাল মৃত্যু যোগ সত্য নয় বলেই এখনও শীর্ষেন্দু বেঁচে আছেন।
    কাকতলীয় ঘটনার কথা আছে।

    আর গল্প বা জীবনের ঘটনা)অশপাশে মানুষজন) সব সময় যুক্তি নির্ভর হবে এরকম কথা কোথায় লেখা আছে!!!

    শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় গল্পকার, সমাজ সংস্কারক নয়।

    একজন সত্যিকারের বলিষ্ঠ গদ্যকার বা কথাকারের মূল্যায়ণ করতে হলে তাঁর গদ্য সৃষ্টিকে ধরে ধরে আলোচনা করা উচিৎ। তাঁর শব্দ ব্যববহার, চরিত্র বিশ্লেষণ ক্ষমতাকে আতস কাচের নীচে ফেলে দেখা দরকার।

    ওয়ান লাইনার চুটকি লিখে নিন্দুক হওয়া যায়, প্রকৃত সাহিত্য সমালোচক হওয়া সম্ভব নয়।
  • Abhyu | 160.*.*.* | ২৮ আগস্ট ২০১৬ ২১:৪৬718677
  • চিন্তা করবেন না, আমি ঘোষিত নিন্দুক। প্রকৃত সাহিত্য সমালোচক হবার কোনো বাসনা নেই।
  • Abhyu | 160.*.*.* | ২৮ আগস্ট ২০১৬ ২১:৪৮718688
  • আরে না না sm, ঐ প্রসূতি মা তো এলিজিবলই নন। বাঁশটা বাকিদের ঘাড়ে পড়বে গিয়ে।

    আচ্ছা সিকি, তোদের পুজোর ঠাকুর কোন দিকে মুখ করে থাকে?
  • sm | 53.*.*.* | ২৮ আগস্ট ২০১৬ ২১:৫৯718699
  • না না ওই সন্তানের--- কথাটা লিখলে তাই লিখলাম আর কি।
    মায়ের মন তো,বুঝতেই পারছো।
  • সিকি | ২৮ আগস্ট ২০১৬ ২২:০৩718710
  • বাকিরা প্রায় কেউই কিছু জানে বোঝে না পুজোর ব্যাপারে। ইনি অত্যন্ত নিষ্ঠাবান ঘরের মেয়ে, দুর্গাপুজোর নিয়মকানুন পাঁচদিন ধরে মানা মুখের কথা নয় কিনা। উনি বসে গেলে পুজোও বসে যাবে।

    লজিকাল দিকটা ঠিকই যে, সদ্যপ্রসূতি কোনও অবস্থাতেই দুর্গাপুজোর খাটনি নিতে পারবেন না। তা KT দিয়ে দিলেই হয় অন্য কোনও নিষ্ঠাবানকে, কেন যে করছেন না কে জানে।

    আমি সাতেও থাকি না, পাঁচেও থাকি না পুজোর। গেলবছর কালচারাল সেক্রেটারি করে দিয়েছিল, এমন ট্যাঁকটেঁকিয়ে কথা শুনিয়ে দিয়েছি, এ বছর আর কেউ আমাকে পুজোর মিটিংয়ে ডাকে নি এখনও পর্যন্ত। জুলাই মাস থেকে মিটিং শুরু হয়ে যাবার কথা।

    অভ্যু - মোটামুটি পশ্চিম / দক্ষিণপশ্চিম মুখ করে থাকে।
  • π | ২৮ আগস্ট ২০১৬ ২২:৩০718721
  • a র কথাটাই লিখতে এসেছিলাম। ঐ শীর্ষেন্দুর নিজের এই এত বছর বেঁচে থাকাই এই সব নিদান হাঁকাকে মক করছে, সেটাই মনে হয়েছিল। সেই 'মেসেজ' টাই দিতেও চেয়েছেন মনে হয়েছে।
    ছোটবেলায় হাতে মাদুলি টাদুলি পরানো থাকতো, মহিলা কি প্রসূতিদের হাতে তাগা আংটিও। ওসবও কোনোদিন খোলার কথা বা পরে যাওয়া যাবেনা শুনিনি।

    আর বি দা, ঐ নিয়মগুলোকে আমার একেবারেই সেরকম মনে হত। শুধু আমার বলে না। মানে ছোটবেলাতেও ঐ নিয়মকানুন মা ঠাকুমা কাকিমাকেই এই যুক্তি দিতে শুনেছি, ঐ সময় বাচ্চার ইমিউনিটি খুব কম থাকে, তাই এত সাবধানতা। বাচ্চা আর মায়ের জন্য।
  • ranjan roy | 192.*.*.* | ২৮ আগস্ট ২০১৬ ২২:৫৩718733
  • গল্পটি নিয়ে sm ও a যা বললেন আমারও তাই মনে হয়েছে।

    সিকি,
    দূর্গাপূজোয় যে বিশেষ পাড়ার মাটি লাগে সেসব তোমাদের সোসাইটিতে মানে টানে তো?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত মতামত দিন