এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • দেশে থাকাকালীন অতি বাম, তার পর "আংকেল স্যাম" - সুবিধাবাদ না পরিস্থিতির শিকার?

    bb
    অন্যান্য | ১২ এপ্রিল ২০০৯ | ৮০৭৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • bb | ১২ এপ্রিল ২০০৯ ১২:২৭412801
  • গুরুর অনেক জনতাই বিদেশে আছেন পড়তে বা চাকরি করছেন। এরা অনেকেই ছাত্রবস্থায় বা বর্তমানে চিন্তাধারায় অতি বাম বা মানবতাবাদী। এরা অনেকেই দেশে MNC বিরোধী, মাওবাদীদের চিন্তাধারার সমর্থক বা মানবতাবাদী অথচ এনারা থাকেন সাম্রাজ্যবাদের বা পুঁজিবাদের পীঠস্থানে যেখানে অন্তত: মাওবাদী চিন্তাধারা স্বাগত নয়।
    এই আপাত স্ব:বিরোধিতাকে বোঝা এই সুতোর উদ্দেশ্য। কোন ব্যাক্তিবিশেষকে কেন্দ্র করে এই লেখা নয় তাই আশা করি ভুল বোঝাবুঝি হবে না টইয়ের নাম নিয়ে।
  • a x | ১২ এপ্রিল ২০০৯ ১২:৩৪412912
  • সেকি প:ব:এ মাওবাদীদের অভ্যর্থনা জানানো হচ্ছে নাকি আজকাল? ওখানে স্বাগত? আর অতিবামেরা MNC বিরোধী বুঝলাম। আর বামেরা? মানে কোন বামেরা কবেকার বামেরা, কোন ঘরের বামেরা?
  • pinaki | ১২ এপ্রিল ২০০৯ ১৩:৩৩412953
  • বক্তব্য ১) গুরুতে কি মাওবাদী বলতে বর্তমানে যাদের বোঝানো হয় - এমন কেউ আছেন? মানে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মাওবাদী)-র সমর্থক? সাধারণভাবে বামপন্থী বা নক্সাল ঘেঁষা বামপন্থী বা অ-সিপিএম বামপন্থীদের কথা বলছি না। এমন কারুর কথা হচ্ছে, যিনি প্রকাশ্যে বা অসুবিধে থাকলে গোপনে স্বীকার করবেন যে তিনি কেবল ইস্যুভিত্তিকই নয়, সাধারণভাবেই ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মাওবাদী)কে সমর্থন করেন। ইস্যুভিত্তিক বিরোধিতা থাকতে পারে, যেমন এখানে অনেক সিপিএম সমর্থক আছেন যাঁরা কখনো কোনো কোনো ইস্যুতে সিপিএমের বিরোধিতা করে থাকেন, কিন্তু সধারণভাবে তাঁদের সিপিএম সমর্থকই বলা যায় - সেরকম আর কি। যদি সেরকম কাউকে না খুঁজে পাওয়া যায়, তাহলে ""মাওবাদী"" বিশেষণটা বাদ দিয়ে আলোচনা করলেই মনে হয় ভালো হয়।

    বক্তব্য ২) ""অতিবাম"" কথাটা সিপিএমের রেফারেন্স ফ্রেম থেকে বলা। অ-সিপিএম বামেরা নিজেদের ""অতিবাম"" মনে করেন না। অনেকে সিপিএমকে "বাম"-ও মনে করেন না। কাজেই প্রশ্নটা সাধারণভাবে বামেরা কি ভাবেন আমেরিকায় পড়তে আসা নিয়ে - এভাবে রাখলে অংশ নেওয়া যায়। নাহলে নয়।

    ধরে নিলাম উপরের কন্ডিশনগুলো স্যাটিসফায়েড। মানে bb আমার মত লোকেদের টার্গেট করেছেন। ভাষাপ্রয়োগে ভুল করেছেন। এই অবস্থায় নিজের বক্তব্যটা বলে দিয়ে যাই। বক্তব্য খুবই ছোটো। দ্বিচারিতা ফিচারিতার কোনো গল্প নেই। বামপন্থা একটি আন্তর্জাতিকতাবাদী ভাবনা। আপনি যে দেশে থাকুন না কেন আপনার ভাবনার অভিমুখ যদি মালিকশ্রেণীর স্বার্থ না দেখে শ্রমিকশ্রেণীর স্বার্থ দেখে, আপনি বামপন্থী থাকতে পারেন। অ্যাট লীস্ট ভাবনার দিক থেকে। ভারতবর্ষের রেফারেন্স ফ্রেম থেকে আমেরিকা সাম্রাজ্যবাদী। শ্রীলংকা বা বাংলাদেশের রেফারেন্স থেকে ভারত সাম্রাজ্যবাদী। আপনি যাবেন কোথায়? আর bb র অবগতির জন্যে জানাই, সিপিএম থেকে শুরু করে সব বামপন্থী দলই তাদের ইস্তেহারে পুঁজিবাদের বিনাশের কথা বলে। মালিকশ্রেণীর বিরোধিতা করে। MNC র বিরোধিতা করে। কিন্তু কোম্পানির মালিকের বিরোধিতা করলে কি সেই কোম্পানির চাকরি ছেড়ে দিতে হয় নাকি? সিঙ্গুরের বিরোধিতা যখন করা হয়েছিল তখন SFI যাদবপুরের ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছেলেমেয়েদের সম্বন্ধে এটা প্রায়ই বলত। দেখেছ, এরা Tataর বিরোধিতা করে আবার TCS এ চাকরি করতে যায়। তো এই যুক্তি মানলে কোনো কারখানার শ্রমিকের ট্রেড ইউনিয়ন করার কোনো অধিকার থাকা উচিৎ নয়। মানে সেটা দ্বিচারিতা হিসেবে চিহ্নিত হওয়া উচিৎ। কারণ যে কারখানা থেকে সে মাইনে নিচ্ছে তারই বিরুদ্ধে গলা ফাটাচ্ছে।

    আসলে এগুলো ভুলভাল কথা। পপুলিস্ট লজিক। তলিয়ে না ভাবা মানুষজনকে কনফিউজ করে দেওয়ার জন্যে এগুলো বলা হয়।

    তবে একটা সমস্যা আছে। সেটা সিপিএম, অ-সিপিএম নিরপেক্ষভাবেই। অনেকেই ছাত্রাবস্থায় বাম রাজনীতি করেও পরে চাকরি করতে গিয়ে বা আমেরিকা গিয়ে বা ম্যানেজমেন্ট পড়তে গিয়ে দর্শনগত ভাবেই পুঁজিবাদী ব্যবস্থার সমর্থক হয়ে যান। দুটো ক্যাটেগরি আমি দেখেছি। একদল পুঁজিবাদের এই সুবিপুল স্ট্রাকচার, বিশাল পুঁজির জোর এবং বিপরীতে ক্ষুদ্র মার্জিনালাইজ্‌ড বাম আন্দোলন দেখে অবচেতনে একভাবে সারেন্ডার করে যান এবং ভাবেন এই ব্যবস্থাকে হারানো সম্ভব নয়। এর মধ্যেই মানিয়ে গুছিয়ে থাকতে হবে। এরা খুব একটা ক্ষতিকারক নন। অনেক সময় আন্দোলন ইত্যাদিতে সাহায্য টাহায্যও করে থাকেন। আর দ্বিতীয় ক্যাটেগরিটা হল - যারা চাকরি জীবনে বিশাল আর্থিক সাফল্য পাওয়ার ফলে ভিতরে ভিতরে তাদের শ্রেণী দৃষ্টিভঙ্গীটা বদলে যায়। মানে পাতি কথায় পুঁজিবাদের ক্ষীর খেয়ে পাল্টি। এরা বেশী ক্ষতিকারক। বোঝা যায় এরা ভিতরে ভিতরে সুবিধাবাদীই ছিল।
  • bb | ১২ এপ্রিল ২০০৯ ১৩:৪৯412964
  • সি পি এম এখানে reference হিসাবে আসতেই পারে, কিন্তু এই সুতোর উদ্দেশ্য বাম মতবাদে বিশ্বাস আর জীবিকা বা চাকুরির জন্য পুঁজিবাদী দেশে থাকা, স্ববিরোধিতা না compromise বা অন্যকিছু। সিপিএম নিশ্চয় বামপন্থার সমার্থক বা একমাত্র প্রতিনিধি নয়। তাই মন খুলে লিখুন নইলে জানব কি করে?
  • pinaki | ১২ এপ্রিল ২০০৯ ১৩:৫৮412975
  • ভারতবর্ষ তো সমাজতান্ত্রিক দেশ নয়। তা ভারতে থাকা গেলে আমেরিকায় থাকা যাবে না কেন?
  • bb | ১২ এপ্রিল ২০০৯ ১৪:০৬412986
  • ভারত আর যাই হোক সাম্রাজ্যবাদী নয়, আর মানবধিকার আমেরিকায় নেই যদি কেঊ বামপন্থী হয়। এই রকম Frivolous নয়, বিরোধী যুক্তি বা মতবাদ জানতে চাইছি
  • pinaki | ১২ এপ্রিল ২০০৯ ১৪:৩১412997
  • ""মানবাধিকার আমেরিকায় নেই যদি কেউ বামপন্থী হয়"" - মানে!!??
  • arjo | ১২ এপ্রিল ২০০৯ ১৬:৪৪413008
  • বিবি আপনার টই থেকে অতিবামটা তুলে দিন। কারণ আমার চেনাশোনা প্রচূর মানে প্রচূর বাম আংকল স্যামের দেশে থাকে। আমেরিকায় শুধু মাওবাদ নয় যেকোনো বামবাদ, যেমন মার্ক্সবাদ, লেনিনবাদ সবই প্রায় ক্রিমিনাল অফেন্স। সেসব থাক।

    বুঝলেন কিছু জানতে গেলে প্রথমে নিজের থেকে শুরু করতে হয়। তো, এতদিন যা জেনেছি

    ১। আপনি সিপিএম সরকারে থাকুক সেটা চান মানে বাম সমর্থক।
    ২। মনে করেন শিল্প মানেই উন্নয়ন।
    ৩। বেশ একটি বড় সড় কোম্পানীর বড় ধরণের ম্যানেজার (১০০ না কতজনের একটা টীম)।
    ৪। বেশ মাঝে মাঝেই চাকরী বাকরী খান।

    তা, ১ নং পয়েন্ট এবং বাকী ২-৪ এগুলোর মধ্যে একটা বড় স্ববিরোধ আছে, সেটা ব্যাখ্যা করতে শুরু করুন দিকি। এবারে আপনাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ কিন্তু উদ্দেশ্য নয়। আপনার মতামতটা জানতে চাই। আপনিই টইটা খুলেছেন তো।
  • h | ১২ এপ্রিল ২০০৯ ২০:২২413019
  • দেশে চাগরি কম, লোকজন বিদেশে গেছে। আমরা ভারতে এমন অর্থনীতি গড়তে পারিনি, যে এইখানে নানা দেশ থেকে লোক এসে চাগরি করবে আর থাকবে। এমন দেশ গড়তে পারিনি, যেখানে সব রকম মানুষ সমান সুযোগ পায়। কাজ কর্মের ভাবনা চিন্তার। এই নিয়ে প্রাইমর্ডিয়াল বাংলু পন্থীদের দু:খ জেনে রাখুন কেবল কুম্ভীরাশ্রু মাত্র;-)

    একটা দেশের মানুষের সেই দেশের সম্পর্ক কনসার্ন থাকবেই। সেই দেশের লোক না হলেও থাকতে পারে। আমি লন্ডনে থাকলে আমার আমলাশোল, কালাহান্ডি সম্পর্কে যেমন কনসার্ন থাকা সম্ভব, কলকাতার ইনডাস্ট্রিআলাইজেশন নিয়ে বক্তব্য যেমন থাকা সম্ভব, মেক্সিকো বর্ডার সম্পর্কেও কন্সার্ণ থাকা সম্ভব, প্যালেস্টিনের স্বাধীনতা নিয়েও বক্তব্য থাকা সম্ভব, কেবলি ফরাসী ওয়াইন নিয়ে গভীর বক্তব্য থাকাও সম্ভব। আমি শেষ টাই বেছে নিয়েছি, পরিস্থিতির চাপে, সে কথা আলাদা;-)

    আমাদের দেশের বামপন্থা শুধু না, গোটা পৃথিবীর সমস্ত বিভিন্ন ধরণের কলোনী গুলো তে, স্বাধীনতা আন্দোলন মূলত: উপনিবেশবাদ সাম্রাজ্য বাদ বিরোধী আন্দোলন থেকে বাম পন্থার একটা পেট্রিওটিক ভার্সন উঠে এসেছে। যেখানে মূল লড়াই সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে সেখানে এইটাঅই স্বাভাবিক। লিবেরেশন স্ট্রাগল গুলোর বড় ঐতিহ্য যে সাব দেশে আছে সেই সব দেশে বামপন্থার ঐতিহ্যও মূলতহ: পেট্রিওটিজম এর মধ্যে। কিন্তু এর আরেকটা দিক হল ন্যাশনালিজম, যেটা মেনলি, মাইরি বলছি, শত্রু নির্মাণ করে বাঁচে। দেশের ভেতরে বা বাইরে। আর বন্ধু নির্মাণ টা তার করোলারি।

    আমার কাছে এই টই এর মূল সমস্যাটা কে সিপিএম কে নকশাল কে সিপিআই আর কে দলিত তা নয়। কে বিজেপি ও নয়।
    মোদ্দা বক্তব্য হল, নিজের দেশের জন্য চিন্তা করতে গেলে, প্রথমত: কারো অনুমোদন লাগে না, দ্বিতীয়ত: যে সব বড় ক¾ট্রাডিকশনের দিকটা বিবি ধরতে চাইছেন, সেটা আদৌ ব্যক্তিগত সংকট নয়। আমি এখন দেশে থাকি, আমার সঙ্গে মোটামুটি বিদর্ভের মৃত কৃষকের বা গুজরাটের ডায়মন্ড কাটারের তো বটেই, আমার বাড়ির কাজের লোকের যা দূরঙ্কÄ, এই মানুষ গুলোর সঙ্গে আমেরিকা বা ইউরোপের সফল কিম্বা অসফল, বিজেপি কিম্বা কংগ্রেস, নকু কিম্বা মাকু, লেবার কিংবা টোরি, সোশাল ফোরাম পন্থী কিম্বা গ্রীনস্প্যান পন্থী কোনো ভারতীয় ব্যক্তি র দূরঙ্কÄ বেশি না কম বুইলেন বলাটা একটু চাপ।মাপা যায়, তবে সে মাপ কেউ মানবে না। কারণ প্রত্যেকের মাপটা আলাদা। সোনাল শা আর আর্জোর দূরঙ্কেÄর মাপ এক হওয়া সম্ভব নয়;-) থ্যাংক গড!

    একটাই কথা বলার আছে, সেটা হল, রাজনীতি কিছু টা বিষয় আর কিছুটা জীবন। সেটা যে যার মত করে বুঝছে। আমি বলছিনা আদর্শের বা দেশের রাজনীতি থেকে অ্যালিয়েনেশনের সংকট খুব কম গুরুঙ্কÄপূর্ণ কিসু জিনিস। এমিগ্রে লিটেরেচারের মূল বিষয়টাই এই। আমি শুধু বলছি কে বাম আর কে নয়, তার মধ্যে জিনিসটা সীমাবদ্ধ নাও থাকতে পারে। অনেকের সেন্সিবিলিটি তে পোলিটিকাল কনসার্ণ টা কেবল ব্যক্তিগত কনসার্ণ হিসেবেই আসে। কি করা যাবে। মানুষকে স্রেফ কোথায় থাকে দিয়ে তো বিচার করা যায় না।

    আর আরেকটা কথা হল ব্যক্তিগত অস্টারিটির সংগে আদৌ আত্মিক বিশুদ্ধতা তথা দেশ ভক্তির সংযোগের মিথটা, কনজিউমারিজমের বিরূদ্ধে ব্যক্তিগত সংগ্রাম হতে পারে, দাদু ঠাকুমা, বাবা মায়ের প্রতি, নিজেদের সারল্যময় শৈশবের স্মৃতি তর্পণ হতে পারে, কিন্তু এসবের সঙ্গে পোলিটিকাল ইকোনোমির কোন যোগাযোগ নাই বুইলেন।

    ফাঁকি বাজি, ব্যক্তিগত দুনম্বরী কি নেই, আছে। বক্তৃতা করতে আছি, কাজের বেলা ধুঁ ঢুঁ সে সব আছে। শুধু ব্যক্তিগত ইন্টির্গ্রিটি আর প্রোপ্রাইটির প্রশ্ন তুলে অনেক সময়ে কিন্তু বক্তব্য কে চ্যালেঞ্জ করা মুশকিল। বেসিকালি যায় না।

    অর্থাৎ পুঁজিবাদ নিপাত যাক, এবং পূজোয় কারফানায় বোনাস হোক, বাংলা ভাষা শেষ হয়ে গেল ইত্যাদি আর্তরব আর তার সঙ্গে কলকাতা কেন লন্ডন বা নিউ ইয়র্ক বা সান ফ্রান্সিস্কো বা নিদেন পক্ষে বেঙ্গালুরু নয় এই নিয়ে সম্পাদকীয় একসঙ্গেই দুধে ভাতে থাকবে। এতে ব্যথা পাইয়া লাভ নাই।

    ;-)

    বাই দ্য ওয়ে, আমার গাঁ গাঁ পন্থী মাইনরিটি সম্প্রদায়ে নয় নয় করে যে একটি দুটি সদস্য বাড়ছে না তা নয়, বলতে নেই।
  • h | ১২ এপ্রিল ২০০৯ ২০:২৩412802
  • প্রথম প্যারার শেষ বাক্যটা দ্বিতীয় প্যারার শেষ বাক্য হবে। ধোর।
  • bb | ১২ এপ্রিল ২০০৯ ২১:৩৪412813
  • হনু আপনার কথার সত্যতা সম্বন্ধে কোন প্রশ্ন নেই। নিজের দেশের সম্বন্ধে চিন্তা থাকাও খুব স্বাভাবিক। কিন্তু আমি সেই স্ববিরোধিতার কথা তুলতে চেয়েছি যা আমার বিশ্বাস আর ব্যবহারের মধ্যে আছে। অনেক সময় এটা পরিস্থিতির চাপ হতে পারে, কিন্তু সবক্ষেত্রেই কি তাই?

    আর্য আমার বিশ্বাস যে বাম সমর্থক মানেই নয় যে কোন চাকরি করা যাবে না। আর শিল্পের আর উন্নয়ন যে positively correlated এটা আমার বিশ্বাস কারণ তা আমি Tataর দৌলতে নিজের চোখে দেখেছি।
    বেশ কিছুদিন চাকরি করলে কিছু ছেলে আমাকে report করলে কিন্তু আমার বিশ্বাস বদলে যায় না। আর কোন team চালালে নিশ্চয় যোগ্যতার ভিত্তিতে মূল্যায়ণ করতেই হবে, নইলে আপনি আপনার ছেলেদের প্রতি অবিচার করবেন। এই সবের মধ্যে কোন স্ববিরোধীতা নেই।
  • arjo | ১২ এপ্রিল ২০০৯ ২১:৫৬412824
  • বাম সমর্থকদের পুঁজিবাদের পুজারী MNC র চাকরী করায় আপত্তি না থাকলে পুঁজিবাদের দেশে আসতে কি আপত্তি থাকতে পারে বলে আপনার মনে হয়েছে? বাম পন্থার মূল লড়াইটা তো পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে।

    রিপোর্ট মানেই তো হায়ার্কি, আপনার নীচে ১০০ জন, আপনার বসের নীচে ২০০ জন, তার বসের নীচে ৫০০, এমন করে কোম্পানী মালিকের নীচে সবাই। আর লক্ষ্য করুন যত ওপরে উঠছেন পুঁজি কিন্তু তত বাড়ছে। অর্থের এই অসাম্য বিনিময়ের অ্যাগেইনস্টেই তো বামপন্থার লড়াই। তো আপনি বামপন্থী অথচ এইটাই সমর্থন করে চলেছেন কেন?

    আচ্ছা যে ছেলেটির চাকরী খেয়েছেন তার কোনো কথা শুনেছেন। তাকে ইউনিয়ন করার সুযোগ দিয়েছেন? ইউনিয়ন মানে সেই ছেলেটির হয়ে যে কথা বলবে। দেননি। বামপন্থায় তো এইজন্যই ইউনিয়নের কথা বলে, আপনার কোম্পানীতে ইউনিয়ন হলে সেটা সাপোর্ট করবেন?

    শিল্প = উন্নয়ন এই কথাটা কারা বলে ফ্রি মার্কেটের পুজারীরা। ওনারা বলেন, যাদের হাতে বিত্ত তাদের ট্যাক্সোতে বেশি ছাড় দাও, তাহলে তাদের হাতে টাকা বেশি যাবে, তারা ইনভেস্ট করবে। সেই ইনভেস্টমেন্ট সমাজের সমস্ত স্তরে ট্রীকল ডাউন করবে। আর সবার উন্নতি হবে। কিন্তু সেটা হতে হলে লেস এফেয়ার। মানে শিল্পপতিদের কাজে বিশেষ নাক গলিও না। তাতে মার্কেট এফিশিয়েন্সি নষ্ট হয়। নইলে উন্নয়ন টুন্নয়ন কিসুই হয় না। ওরা বলে সরকার খুব খারাপ ব্যাপার, তুলে দিলেই হয়। আপনিও কি তাই বলেন?

    তা স্ববিরোধ রয়েইছে, এবারে ভেবে দেখুন দিকি আপনার স্ববিরোধ গুলো কেন?
  • a x | ১২ এপ্রিল ২০০৯ ২২:১৭412835
  • লেসে ফেয়ার :-)
  • arjo | ১২ এপ্রিল ২০০৯ ২২:৩০412846
  • laissez-faire এর বেংলিশে লিখলে কেমন হয় জানি না। :(। উচ্চারণটা অমনই লাগে "লেস" আর "ফেয়ার" এর মধ্যে একটা "এ" বা 'অ্যা'।
  • h | ১২ এপ্রিল ২০০৯ ২৩:১৪412857
  • আর্য তর্ক করার জন্য একটা সোজা রাস্তা বেছে নিচ্ছে, সেটা হল পাল্টা স্ববিরোধিতার প্রশ্ন তোলা। তর্ক টা এই লাইনে চল্লে পুনরায়, নিমের পাঁচন বনাম মিছরি তে পরিণত: হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে।
  • arjo | ১২ এপ্রিল ২০০৯ ২৩:২৪412868
  • না বিবির এই প্রশ্নটা অনেকদিনের? এবং খুব আশ্চর্য্যজনক ভাবে উনি শুধু অতিবামের কথা উল্লেখ করেছেন। তা যিনি এত ভাবনা চিন্তা করছেন তিনি নিজের কাজকম্ম গুলো নিশ্চয়ই ভেবে চিন্তে করেন। এবং টইটা যখন খুলেছেন তখন তাঁর কাছে আগে জানতে চাওয়াটা খুব অন্যায় নয়। উনি বললেই আমি আমার নিজের যা মনে হয় সেটা বলে দেব।

    এই টইটা খোলা এবং ওপেনিং স্টেটমেন্টে অল্পবিস্তর যে খোঁচাটা আছে, তা ইগনোর করাই যেত কিন্তু কেন করব তার কোনো ভ্যালিড যাস্টিফিকেশন পেলাম না।
  • arjo | ১২ এপ্রিল ২০০৯ ২৩:২৬412879
  • দুত্তোর

    *? =।
  • ranjan roy | ১৩ এপ্রিল ২০০৯ ০১:২৭412890
  • হনুর পোস্ট পড়ে আবার টইয়ের টাইটেল ও বিবির প্রথম পোস্ট পড়লাম।
    না:, পড়লেই মনে হচ্চে যে এক,
    আম্রিকায় মাওবাদ ছাড়া অন্য সব বামপন্থীবাদ (সমাজবদ, মার্কসবাদ ইত্যাদি) স্বাগত।
    দুই,
    মাওবাদীছাড়া অন্য বামপন্থীরা ভারতে MNCর বিরোধিতা করেন না।
    মানবাধিকার নিয়েও এরা বিশেষ উচ্চবাচ্য করেন না।
    কথা হচ্ছে যে সিপিএম ও অন্যান্য বামেরা কি বিবি'র এই ইমেজ স্বীকার করবেন? গুরু'র লোকজন দিয়েই দেখা যাক।
    তিন, আর একটি অতিসরলীকরন হল-- শিল্প =উন্নয়ন এটা কোন থিওরিটিক্যাল পটভূমিতে দাঁড়িয়ে নয়, নিজের ব্যক্তিগত অনুভব/অভিজ্ঞতা দিয়ে বোঝা।
    তাহলে ভারত এবং দুনিয়াজুড়ে টাটার সাম্রাজ্য, তবু ঝাড়খন্ড সবচেয়ে অনুন্নত কেন?
    বিবি কিছু বলুন।

    বিবির সদিচ্ছা বুঝতে পারচি, কিন্তু ওনাকে কী-নোট অ্যাড্রেসটা একটু নতুন করে বানাতে হবে।অনেকগুলো সেট ওভারল্যাপিং, মিউচুয়ালি একস্‌ক্‌লুসিভ নয়।
  • lcm | ১৩ এপ্রিল ২০০৯ ০৩:১০412901
  • কৈশোরে/তারুণ্যে বাম,
    যৌবনে কাম,
    প্রৌঢ়ত্বে rum,
    বার্ধক্যে ভাম।
    ...এর সাথে দেশ,বিদেশ- এর বোধহয় বিশেষ সম্পর্ক নেই।
    মলে গিয়ে চেয়ে চে গুয়ে-ভরা-র ছবি দেখে বামপন্থা প্র্যাকটিস করবার জন্য তো আমেরিকা অবধি যাবার দরকার নেই :)
  • h | ১৩ এপ্রিল ২০০৯ ০৬:৪৩412913
  • ধোর, আর্জো, রঞ্জনদা কেউ বিবির মূল পয়েন্ট টা বুঝতে পারছেন না। মূল পয়েন্টটা হল, দেশে থাকার সময়ে বামপন্থার (পুরোনো অর্থনৈতিক বিকল্পের ও নতুন মানবাধিকার অর্থে) সফল প্রয়োগ দেখতে চাওয়া মধ্যবিত্তরা বিদেশে গিয়ে কেন বা কি করে প্রায় সর্বগ্রাসী ক্যাপিটালিজমএর লজিক কে মেনে নিচ্ছে? এটা গোটাটাই পরিস্থিতির চাপ না split পার্সোনাল চয়েস?

    এটা হল অর্কুট ইত্যাদি আপদে নকু বা সিপিএম বিরোধী বাম পন্থীদের সঙ্গে উন্নয়ন-শিল্পায়ন পন্থীদের তর্কের করোলারি।

    আর টইয়ের হেডিং এই সব নিয়ে চাপ খেয়ে লাভ নেই, বিবি সিপিএম সমর্থনের ঘরনার লোক। এই ঘরনার ক্যাটেগোরাজেশন একেবারেই নিজস্ব। প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের, ওরিয়েন্টেশনের একটা লিজের লিংগো স্টক থাকে। সেগুলো বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই রিডিকিউলাস। অ্যাক্রস স্পেকট্রাম।

    অতএব এক্ষেত্রে অতিবাম মানে হল any left crtique of west bengal government's policies

    এই টই টাকে ডিবেটের জন্য তৈরী করতে গেলে আমার গাঁ গাঁ এক নং পোস্ট পড়ুন।
    ভেবে দেখুন এই সমসাময়িক 'লেফট ক্রিটিক' এর দুটো মূল বৈশিষ্ট কী? প্রথম টা হল, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক দিক থেকে, সিপিএম মান্ধাতার আমলে পড়ে আছে এই অভিযোগ (সিটুর লুম্পেন কালচার সামলাতে পারছে না এবং এখনো পাবলিক সেকটরের হয়ে কথা বলছে ইত্যাদি)। আরেকটা বৈশিষ্ট হল, ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশনের পলিসি মানবাধিকারের পরিপন্থী, এই অভিযোগ।

    এইবার খোঁচা ফোচা না খেয়ে বা দিয়ে, ডিবেট করেন। নইলে আমি এমিগ্রে লিটেরেচার নিয়ে গাঁ গাঁ করবো কয়ে দিলাম।

    ওফ।
  • h | ১৩ এপ্রিল ২০০৯ ০৬:৪৮412924
  • মানবাধিকারের পরিপন্থী এবং গ্লোবালাইজেশনের আক্রমণাত্মক চেহারা এক্ষেত্রে একার্থক।
  • arjo | ১৩ এপ্রিল ২০০৯ ০৭:০৬412935
  • হানুদাও আমার পয়েনটা বোঝে নাই। কারণ আমি বলি নাই। :))

    সিঙ্গুর, র‌্যাগিং, নন্দীগেরাম, সিসু, বিসু সবেতেই এইযে পোলারাইজেশন হয় সেটা খুব বোরিং। সিপিএম ঘরানার লোকজনই সেটা শুরু করে থাকেন। মাইরী বলছি হেজে গেছি। যেকোনো ইস্যুই লোকে না পড়ে, আর্ধেক পড়ে (গুরুর পোস্টের কথা বলছি), শুধু আইপি দেখে বলতে শুরু করে কে কার পক্ষে বলছে কে কার বিপক্ষে। সেটা একটা সময়ের পরে বিরক্তিকর। তা বিবির পোস্টে ঐ অতিবাম কথাটি বিবি তুলে নিন এবং যেকোনো বামকে ইনক্লুড করুন, খোঁচা খাবও না, দেবও না। পাক্কা।

    বাম বা অতিবাম কোনো রাজনীতির সাথেই খুব বেশি সম্পর্ক না থাকলেও প:ব: জন্ম হওয়ায় এবং বাম জমানায় বড় হওয়ায় অবশ্যই বাম মনোভাব। এবারে বিবি ঠারে ঠোরে যা জানতে চেয়েছেন

    ১। লোকে ছাত্রাবস্থায় বাম রাজনীতি করেই কেরিয়ার গড়তে আম্রিগা চলে যায়। কেন?

    ২। তা গেছে গেছে ভালো কথা, এরাই আবার প:ব:য়ের মুখ্যমন্ত্রী শিল্প চাইলে অতিবামেদের মতন তার বিরোধীতা করে কেন? এটা একটা স্ববিরোধ? নাকি যাস্ট সিপিএম বিরোধীতা? নাকি সুবিধাবাদ?

    ভুল ভেবে থাকলে শুধরে দেবেন। আর যদি সঠিক ভেবে থাকি তাহলে, ভবিষ্যতে সহজ কথা সহজ ভাবে বললে সুবিধা হয়। এই যদি বিতর্কের প্রশ্নাবলী হয় তাহলে হনু যে জেনারাইলেজেশনটা করেছে সেটা মাথায় রেখে আমার মতন করে উত্তর দেব। আমি কি ছিলাম, কি হয়েছি, কেন হয়েছি। (পিপিটি বানানোর কথা মনে পড়ল:)।
  • arjo | ১৩ এপ্রিল ২০০৯ ০৮:২৯412946
  • আর হ্যাঁ ঐ দেশ বিদেশের সীমানাটাও ঠিক করতে হবে। দেশে থেকেও একদা বামেদের ট্রান্সফরমেশন সম্ভব। সেটা কেন ইগনোর করা হচ্ছে বুঝিয়ে বলতে হবে।
  • Ishan | ১৩ এপ্রিল ২০০৯ ০৮:৩৭412947
  • বামরা বা অতিবামরা আমেরিকা যায় কেন? খুব সোজা। যেজেন্য লোকে বেশি মাইনের ভালো চাকরি খোঁজে, আই এ এস দেয়, সেইজন্য। পয়সা রোজকার করবে বলে। বাম বা রাম, পয়সা তো হক্কলেরই দরকার, নাকি? :)

    পু: লেফট লিবারালদের আমেরিকায় মানবিক অধিকারের কোনো সমস্যা নেই। রাস্তায় নেমে ক্যালাকেলি না করলেই হল। সে কারণে পোচ্চুর সিপিএম এবং অসিপিএম বামপন্থী আমেরিকায় নিশ্চিন্তে থাকেন। মাওবাদ অবশ্য এখানে টলারেট করা হয়না। সে কোথায়ই বা হয়। :)
  • h | ১৩ এপ্রিল ২০০৯ ০৯:১৬412948
  • একেই কয় মহান মানুষের ভাবনার ঐক্য। এই জন্যেই ইশানের আমার সঙ্গে হাতা হাতি না করে নিয়মিত আমারে খাওয়ানো উচিত।
    আমি জাস্ট বলতে যাচ্ছিলাম, যে, আর্বান অ্যাননিমিটি এবং ইন্ডিভিজুয়াল লিবার্টি, যেটা পচ্চিমে ক্যাপিটালিজম এনশিয়োর করেছে, ঢপ দেওয়ার জন্যই করেছে, সোশাল মোবিলিটির ঢপ, সেটা এইখানে একেবারে নাই। এইখানে আর্বানাইজেশন মানে ধরুন কে দোকান করবে থেকে কে রিক্‌শা চালাবে, কে মাশটারি করবে, সেটা ধরেন যে যেখানে পাওয়ারে আছে সে ঠিক করে দিচ্ছে বা অন্তত: সিদ্ধান্ত কে প্রভাবিত করার জায়্‌গায় থাকছে। এইটা চাপ। আমেরিকায় মুসলমান না হলে, আর মেস্কিকোর বর্ডার পেরোনো লোক না হলে আর ঘেটোর কালো না হলে মোটামুটি পিতিভার শিল্পায়িত ভবিষ্যত কৃষির ভিত্তি না থাকা সঙ্কেÄও থাকছে, যদি শিল্প দ্রিসেশনে মারা না যায়।বেশি মনিটরিং এর পাল্লায় পড়তে পারছে না।
  • h | ১৩ এপ্রিল ২০০৯ ০৯:১৮412949
  • আর্জো পিপিটি বানিয়ে ভালো করে নি। নানাভাবে আমাগো আওয়াজ দিতাছে। দোবো না ঠুঁসে :-)
  • h | ১৩ এপ্রিল ২০০৯ ০৯:৫৫412950
  • পিনাকী, ভাটে একটা প্রস্তাব দিয়েছি। ইনডিসেন্ট নয় ;-) একটু দেখে মত জানাবেন প্লিজ।
  • sibu | ১৩ এপ্রিল ২০০৯ ১০:০৫412951
  • বামপন্থীদের আম্রিকায় চাগরি কত্তে আসায় একটা গন্ডগোল কিন্তু আছেই। ইমিগ্র্যান্ট লেবারকে ক্যাপিটালিস্টরা ব্যবহার করে মজুরী কম রাখার জন্য। কাজেই ইমিগ্র্যান্ট হয়ে আম্রিকায় আসা মানে আম্রিকান শ্রমিকদের বিরুদ্ধে পুঁজিপতিদের মদত দেওয়া।
  • a x | ১৩ এপ্রিল ২০০৯ ১০:০৬412952
  • আম্রিকায় মাওবাদ ততটাই টলারেট বা না টলারেট হয়, যতটা দেশে হয়। বব অ্যাভাকিয়ানের ওপর থেকে সব চার্জ তুলে নেওয়া হয়, তবুও এর ঠিকুজি গোপন রাখা আছে। কিন্তু RCP'র কাগজ, বই শহরে শহরে পাওয়া যায়, RCP নামে দোকান খুলেই বিক্রি হয়। আমার কাছে প্রতি হপ্তায় মেলও আসে ;-)

    তবে এদের চিন্তা করার কোনো কারণ নেই, এখানে সব কিছুই বেশ পার্ট অফ সিস্টেম করে নেয়। মাওবাদী আছে থাকনা, বেশ একটা কাল্ট অর্গ্যানাইসেশন হয়ে আছে।
  • a x | ১৩ এপ্রিল ২০০৯ ১০:০৯412954
  • তা আমি যদি কোলকাতা থেকে মুম্বাই যাই TCSএ কাজ করতে তাহলে এটা খাটেনা?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন