এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • অনুকুল চা্ড্ডি শীর্ষেন্দু ও তার ভাব বিগলিত ক্যালানো কথামালা

    বিশ্লেষন করুন
    অন্যান্য | ২৮ আগস্ট ২০১৬ | ২০২৩৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ranjan roy | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:৪৬718934
  • অরণ্য,
    আজাদ হিন্দ ফৌজের কাল্পনিক বাঙালী সোলজারের নাম ছিল। অজয় নন্দী। শুকতারার অন্যতম আকর্ষণ। লেখক কে মনে নেই? সুধীন্দ্রনাথ রাহা কি? "নেকড়ের গুহায় অজয় নন্দী" এবং ওই লাইনে তলোয়ারবাজিতে নেতাজীর প্রাণ বাঁচিয়ে প্রমোশন পাওয়া ইত্যাদি।

    দেশভাগের ওপর সুধীন্দ্রনাথ রাহার উপন্যাস "সেদিন যারা আপন ছিল" মাতাজী, নীরু রায় ও নায়ক চরিত্রটির বীরের মৃত্যু--- দারুণ লেগেছিল।
    একজন লিখতেন মৃত্যুঞ্জয় সেন বরাট।
    আর ছিলেন সৌরীন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায়।
    তবে সবাইকে ছাপিয়ে সম্পাদক দাদুমণি --নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায়।
    ওঁর সম্পাদকীয় বা কিশোরদের জন্যে দাদুমণির চিঠি আগ্রহের সঙ্গে পড়তাম। একবার স্বাধীনতা পত্রিকার কিশোরসভায় ওঁর হিডেন পলিটিক্যাল এজেন্ডা নিয়ে কিছু বলা হয়েছিল--সতর্কবাণী।
    তোমাদের সময় বোধহয় উনি আর ছিলেন না।
  • কুমড়োপটাশ | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০২:৪৪718935
  • একটা জিনিস খুব মনে হচ্ছে। শিশু এবং কিশোরদের সমসাময়িক গল্পের বই যদিও আমি পড়িনি তবে একটু আধটু আন্দাজ করতে পারি। বিশ্বায়ন ও ইন্টারনেট বিপ্লব হয়ে যাবার পরে সারা দুনিয়ার শিশু ও কিশোর সাহিত্য এখন সহজেই পাওয়া যায়। অনুবাদ সাহিত্যও। মূলতঃ অনুবাদগুলো ইংরিজিতে। যেসব বইটইয়ের উল্লেখ হচ্ছে সেগুলোর সবকটারইতো মূল লেখাটা ইংরিজিতে নয়, যদিও ইংরিজি বইই সংখ্যায় সর্বাধিক। যদিও আমরা এখানে বলতে চাচ্ছি অরিজিনাল বাংলায় লেখা শিশু ও কিশোর সাহিত্যের কথা। কেন এত আগ্রহ আমাদের? হয়ত আমাদের বাচ্চারা বাংলা গল্পের বই তেমন পড়ে না বা পড়তে চায় না বলে। অধিকাংশ মধ্যবিত্তদের (এবং আরো বেশি বিত্তশালীদের) বাচ্চারা ইংরিজি মিডিয়ামে পড়ে। সেখানে বাংলা ভাষাটা তাদের দ্বিতীয় ভাষা। বাকি সমস্ত সাবজেক্ট ইংরিজিতেই পড়ে। চিন্তা ভাবনা করবার সময় তারা ইংরিজি শব্দ আগে মনে করতে পারে। তাই হয়ত বাংলা বইয়ের প্রতি আগ্রহটা কম। প্রবাসীদের বাচ্চাদের তো সমস্যা আরো বেশি বাংলা শিখবার। জোর করে একটু পড়তে লিখতে শেখানো যেতে পারে, তারপরে ইস্কুলে উঁচু ক্লাসে উঠে গেলে পড়ার চাপে আর বাংলা চর্চা করবে না তারা। বারো চোদ্দো বছর অবধি টেনেটুনে যেটুকু করা যায় ততটাই হবে। অনেক বাপমা বাড়িতে বাংলায় কথা বলে বাচ্চা যাতে বাংলাটা শেখে সেই উদ্দেশ্যে। পরবর্তীকালে সেটা হবে না। আমাদের এখানেও তেমন অনেক আছে। আমার সমবয়সী লোকজন, যারা ছোটোবেলা জোর করে বাংলা শিখেছিল, এখন বলতে পারে, কষ্ট করে করে পড়তেও পারবে, কিন্তু ঐ পর্যন্তই। সেধে আর গল্পের বই পড়বে না। তাদের কাছে পড়বার বই এবং অপশন কম নয়, তবে সেগুলো বাংলায় নয়। এবং তুলনা করে দেখলে সেসব সাহিত্যের গুণগত উৎকর্ষ এখনকার বাংলা সাহিত্যের চেয়ে অনেক বেশি। যদিও তা মেনে নিতে আমাদের খুব কষ্ট হয়, তবুও সেটাই বাস্তব। বিশেষ করে সাহিত্যের বিষয়বস্তু।
    এই মুহূর্তে বাংলা শিশু কিশোর সাহিত্যের লেখকরা কি ভূতের গল্প লেখেন? আমি জানিনা। তবে আমার ধারণা হয়ত আগের তুলনায় কম লেখা হয়। সাহিত্যগুলো কিরকম পোলিটিক্যালি কারেক্ট হয়ে যাচ্ছিলো ক্রমশ তা বিশ বছর আগে দেখেছি। আরেকটা জিনিস খুব দেখতাম গল্পের ছলে বেশ খানিকটা করে আউটনলেজ গুঁজে দেওয়া। যেন ভুলিয়ে ভালিয়ে আরেকটু পড়ার মেটিরিয়াল কি কুইজের মেটিরিয়াল শিখিয়ে দেওয়া হলো। তবে ইন জেনারাল বাংলায় সমসাময়িক শিশু/কিশোর সাহিত্যের মান বেশ লো। যে বাচ্চা ইংরিজি পড়তে পারছে সে খামোখা ওগুলো পড়তে চাইবে না।
  • ranjan roy | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৮:১০718936
  • একদম।
    তবে দেবজ্যোতি ভটচাজের কিশোরদের জন্যে নিয়মিত প্রকাশ করা অন্তর্জাল পত্রিকাটি ১৬ বছর ধরে ভাল প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
  • h | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৯:১১718937
  • অরিজিত এর পোস্টে আমি মর্মাহত কে বারন করেছে কি পড়তে জানি না। আর আমার জেতা স্পেসিফিক কাউন্টার সেটা তো পোড়েই করেছি।

    শইশব জিনিস্টা যে কিশোর বা জনমানস এর মতই একটা কনটেস্টেড স্পেস ছিলো মতদর্শ গুলোর মধ্যে সুদু সেটুকুই বোলেছি প্র্যাকটিকালি আর কিছুই বলিনি
  • h | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৯:২১718938
  • শান্তিপ্রিয় বন্দ্যো র লাল বল লারউড খুব প্রিয় ছিল পেলে ভিভ রিচার্ড্স এদের সম্পর্কে লেখা গুলো ভোলার না। ইন ফ্যাক্ট হি ইজ আ কেস ইন পয়েন্ট। ১৯৬৮ র জে ব্ল্যাক স্যালুট প্রোতেস্ত এর খবর আমি ওনার লেখাতেই পাই
    । কিন্তু সেটা বোধ হয় আমেলায় নয়। কালো দের খেলার জ্গতটা বা ক্রিকেটেও এক্টা গরীব প্লেয়ার বড়লোক প্লেয়ার টেনসন আছে এটাও বুজেছিলাম উনি ই আমার শ্রীনিকেতনের জীবনের প্রথম স্পোর্ট্স হিস্টরির লোক।
  • h | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৯:২৩718939
  • সিফো ফোঙ্গে বোঝাবো-ঃ))))
  • | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৯:৪৩718940
  • শান্তিপ্রিয়র ঐ লেখা হয় শুকতারা নয় কিশোর ভারতী। শুকতারাই সম্ভবতঃ
    আম্মো পড়েছিলাম।
  • Bratin | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৯:৫৩718941
  • শান্তিপ্রিয় র বই আছে " তিন পুরুষ"।খুব সম্ভবতঃ ওরেল, কানহাই আর সোবার্স কে নিয়ে।তিন তেই ও ই শারদীয়া কিশোর ভারতী তে
    বেড়িয়েছিল।

    শুকতারা খেলা বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন উনি।
  • Bratin | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৯:৫৬718942
  • কিশোর ভারতী তে আরেক টা আকর্ষন ছিল।রুনু সিরিজ।

    গ্রামের ব্রিলিয়ান্ট এই ছেলেটির গল্প লিখতেন শ্যামাদাস নিয়োগী(?)
  • h | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১০:০০718946
  • রাইট একটা নাটকীয়তা ছিল ওনার লেখায় এবঙ্গ সেটা আমার সহিত্য সমালোচোনার ন্যারেটিভের মত 'তার পরে তো রাজকন্যার গুলি সুতো খেয়ে ফেলেছে' টাইপের না অ্যাকচুয়ালি সুন্দর;-)))
  • h | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১০:০০718944
  • রাইট একটা নাটকীয়তা ছিল ওনার লেখায় এবঙ্গ সেটা আমার সহিত্য সমালোচোনার ন্যারেটিভের মত 'তার পরে তো রাজকন্যার গুলি সুতো খেয়ে ফেলেছে' টাইপের না অ্যাকচুয়ালি সুন্দর;-)))
  • h | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১০:০০718945
  • রাইট একটা নাটকীয়তা ছিল ওনার লেখায় এবঙ্গ সেটা আমার সহিত্য সমালোচোনার ন্যারেটিভের মত 'তার পরে তো রাজকন্যার গুলি সুতো খেয়ে ফেলেছে' টাইপের না অ্যাকচুয়ালি সুন্দর;-)))
  • aranya | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১০:০৪718947
  • লাল বল লারউড - দারুণ লেখা। থ্যাংকস, মনে পড়ানর জন্য।

    আমি নেহাত-ই এক সীমিত মস্তিস্ক, নিম্নমেধার লোক - বামপন্হী, দক্ষিণপন্থী কিছুই নই, এই সব পন্থায় বিশ্বাস রাখি না। মানুষকে মানুষ হিসাবেই দেখতে চাই, খোপে ফেলতে চাই না।

    হনু একসময় আমেলা-র লেখাপত্তরে রাজনীতি বিমুখতার উল্লেখ করেছিল, এখন আবার বলছে আমেলা-য় প্রকাশিত কোনি-তে 'মতি নন্দী নিজে যে অরাজনইতিক অবস্থান নেন নি, সেটা মনে করিয়ে দিতে বাধ্য হলাম মাইরি'। সে যাক, স্ব-বিরোধিতা তো থাকবেই।

    দুটো পয়েন্টঃ

    ১। '"আপনি কি সব কিছুরই, মানে খাওয়া-পরার জন্যও জানোয়ারের মতো কামড়াকামড়ি করে বাঁচতে চান ?"
    "মানুষ হিসেবে নিশ্চয়ই চাই না কিন্তু সুইমিং কোচ হিসেবে, হ্যাঁ চাই। আরামে সব জিনিস পাওয়া যায় না, বুঝলেন, আপনার পাবলিককে বলবেন যে, একটা সুইমারকে খেটে, যন্ত্রণায় ছটফট করে উঠতে হয়। "

    - এর থেকে কি মনে হয় মতি-বাবু অর্গানাইজড পলিটিক্স-এর বিপক্ষে ছিলেন? আই মিন, সিরিয়াসলি? এট্টু ফার ফেচড হয়ে যাচ্ছে না?

    এভাবে চললে তো গণশক্তি যদ্দিন না সাহিত্য পত্রিকা বের করে, উজ্জ্বল এবং অনুজ্জ্বল কিসোরদের পড়ার জন্য সহি কিতাব কিসুই থাকবে না, সোভিয়েত বইএর অনুবাদ ছাড়া :-)

    অনুবাদ-কে খাটো করছি না, কিন্তু অন্য দেশের অন্য লেখকের অন্য ভাষায় রচিত বইএর অনুবাদ যে কখনো ই নিজের ভাষায় মৌলিক রচনার বিকল্প নয় - এটা তো কমনসেন্স বলেই জানতাম, তাও যদি মাথায় হাতুড়ী মেরে বোঝাতে হয়, সে বড় হতাশাজনক ব্যাপার
  • Bratin | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১০:০৬718948
  • ইয়ে মানে তিনবার গুলি সুতো খেলে তো রানীর পেট খারাপ করবে।

    ও বোধি দা??☺☺
  • h | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১০:০৯718949
  • ঃ--)))))
  • aranya | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১০:১৭718950
  • আরও কটি কথাঃ

    ১। 'অন্য কিশোর পত্রিকা/বই একই সামাজিক অবস্থান থেকে আসা সত্ত্বেও যে কিছুটা প্রচেষ্টা করছিল, সেটা কে অস্বীকার করা' - এই অস্বীকার কে করছে জানি না, আমি তো করি নি। কিশোর ভারতী, শুকতারা, সন্দেশ নিজে পড়েছি - এ কথা আগে বলেছি। এটা বোধহয় স্বল্প পঠিত সাহিত্য পাঠ-কে লোকে প্যাঁক দিচ্ছে, এই মনগড়া অভিযোগ-এর মত। মানে প্যাঁক হয়ত এক কালে কেউ দিয়েছে, হয়ত এক বছর বা দু বছর আগে দিয়েছে, কিন্তু গত কয়েক সপ্তাহে, এই আলোচনার প্রেক্ষিতে কেউ দেয় নি।

    নন-আমেলা পত্রিকাকে অস্বীকার করার অভিযোগটাও মিথ্যা, বলাই বাহুল্য। আমার পয়েন্ট ছিল যে ৭০ এবং আশি-র দশকের আমেলায় যা লেখা পত্তর বেরিয়েছে, তার তুলনীয় লেখা সম সময়ে বা সময়ের নিরিখে আরও কিছুটা এগিয়ে পিছিয়েও পাওয়া দুস্কর।

    এবং এটা এই কারণেই বলছি যে, ট্যালেন্টের দিক থেকে আবাপ গোশ্ঠীর লেখক রা - শীর্ষেন্দু, মতি নন্দী, সুনীল ইঃ-রা সেই সময়ের অন্য লেখক-দের চেয়ে বেশ কিছুটা এগিয়ে ছিলেন, অব্শ্যই আমার মতে
  • aranya | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১০:২৮718951
  • '১৯৭৫ এ আমোলো-আমেলা প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে, তার কারণ কি সেই প্রতিষ্ঠানের পক্ষে পুরো অরাজনইতিক হওয়া সম্ভব যে কিনা দক্ষিন পন্থী ঠিংক ট্যাংক হিসেবে এমার্জ করছে'

    - এটাও আগে লিখেছি, আবারও লিখি।

    অভীক সরকার, তার ভাইয়েরা দক্ষিণপন্থী, বাম রাজনীতির বিরুদ্ধে এটা মেনে নিতে কোন সমস্যা নেই।

    কিন্তু কোন এক অমাবস্যার গহীন রতে, খুলি গুহায়, ইয়ানি কি, ৬ প্রফুল্ল সরকার স্ট্রীটে (এটাই সদর দপ্তরের ঠিকানা তো?) সাগরময় ঘোষ বা নীরেন চক্কোত্তি - সুনীল, শীর্ষেন্দু, মতি নন্দী, সঞ্জীব, সমরেশ, বিমল কর সব বাঘা বাঘা লেখকদের জড়ো করে নির্দেশ দিচ্ছেন - আজি হতে তোমরা হয় রাজনীতিবিমুখ লেখালেখি কর, নয় বাম-বিরোধী লেখা লেখ - এই কনস্পিরেসি থিয়োরিটি বাজারে চালাতে চাইলে একটু প্রমাণ দিতে হবে বস, শুধু কল্লোল নাটকের বিজ্ঞাপন আবাপ কাগজে ছাপে নি, এই যুক্তিতে চলবে না।

    কোন প্রমাণ না আসা পর্যন্ত, আবাপ গোষ্ঠীর লেখক-রা স্বাধীন ভাবে লেখালেখি করতেন - এই ধারণাই বলবত থাকবে।
  • aranya | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১০:৪০718952
  • প্রতিভা ব্যাপার-টা, কী আর করা যাবে, বাম-দক্ষিণ এ সব খোপের ধার ধারে না।

    শান্তিপ্রিয়-র কিছু লেখা যেমন 'লাল বল লারউড', খুবই প্রিয় ছিল।

    কিন্তু মতি নন্দী-র লেখাগুলো যদি দেখি, লেখক কে সেটা মাথায় না রেখেই দেখি, কোয়ালিটি প্রডাকশন অনেক বেশি।

    শীর্ষেন্দু-র কিশোর উপন্যাসের ক্ষেত্রেও একই কথা - অনেক উচ্চ মানের লেখা পাওয়া গেছে।

    টু ব্যাড, এরা আগমার্কা সো কলড বামপন্থী লেখা লেখেন নি।

    নিজেরা যা বিশ্বাস করেন, তাই লিখেছেন - এটাই ধরে নেব, সাগরময় বা নীরেনের চাপিয়ে দেওয়া কোন গাইডলাইন ছাড়াই
  • dd | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১১:০২718953
  • আচ্ছা, আপনেরা শংকরী প্রসাদ বসুর ক্রিকেটের উপর ল্যাখাগুলো পড়েন নি? খুব মজার করে রম্য রচনা আছে আবার ক্রিকেট ইতিহাসের কাহিনীও আছে।

    শালা, অ্যাদ্দিন পরে আর বইগুলোর নামও মনে পড়ছে না। খুবই প্রিয় বই ছিলো - সেই লেট শৈশবে।
  • kc | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১১:১০718956
  • রমণীয় ক্রিকেট, ইডেনে শীতের দুপুর।
  • Robu | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১১:১৬718957
  • পড়েছি ডিডিদা, দু টাকায় কিনে এক বন্ধু উপহার দিয়েছিল ঃ-)
  • ranjan roy | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৪:১৬718958
  • আচ্ছা।
    এটা বলা যেতে পারে কি বিশুদ্ধ রাজনীতি বর্জিত বায়বীয় লেখা হওয় সম্ভব নয়, সে জাদুকর ম্যানড্রেক বা অরণ্যদেব হলেও? অনেক সময় লেখকের অজান্তে, হয়ত অবচেতনে?
    কারণ আমরা বিভিন্ন সামাজিক অবস্থানে কোন না কোন স্ট্যান্ড নিতে বাধ্য? সচেতন ভাবে চাই বা না চাই ?
    স্পষ্ট রাজনৈতিক মতবাদ বা ভ্যালুজ প্রচারের উপন্যাসের কথা আলাদা।

    সুনীলের 'গরম ভাত' নামের ছোটগল্পটি তো দেশ পত্রিকাতেই বেরিয়েছিল। সমরেশ বসুর "শেকল ছেঁড়া হাতের খোঁজে", "যুগ যুগ জীয়ে", " মানুষ রতন", তারপর রুইতন কুর্মিকে নিয়ে রাজনৈতিক উপন্যাস ? সব দেশ পূজোসংখ্যার। আবার এমার্জেন্সির বিরুদ্ধে উপন্যাসটি নাম ভুলে গেছি ( বাঁজা খেলে খোজা হবি, খাসি হলে কেটে খাব'' শ্লোগানটি ছিল), অথবা 'ওদের বলতে দাও"।
    এখন মা শেতলার কাছে গিয়ে পূজো দিয়ে পরীক্ষা পাসের আসা করা কেন?
    আসলে বাস্তব জীবন বেশ জটিল; অত সহজে ছাঁচে ফেলা যায় না। তাই উৎপল দত্ত একবার পুরস্কার প্রত্যাখান করেও কয়েক বছর পরে একই সরকারের হাত থেকে অনায়াসে ভরত পুরস্কার নিয়ে নেন। কোলকাতায় দুঃস্বপ্নের নগরী নাটক করেন। তারপর লালকেল্লায় গিয়ে ইন্দিরা গান্ধীর সামনে টোটা নাটক করেন।
    দেশ পত্রিকায় উৎপল দত্তের বেশ কয়টি নাট্যপ্রবন্ধ ও "নীলকন্ঠ" নাটক প্রকাশিত হয়েছে।
    এই তো জীবন কালীদা!
  • কুমড়োপটাশ | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৫:১৮718959
  • সেভাবে দেখলে সারা দুনিয়ায় পপুলার টিনটিনও পোলিটিক্যালি ইনকারেক্ট এবং তাতে রেসিস্ট সামগ্রী রয়েছে।
    আমার কেন জানিনা মনে হয় বাংলায় ভূতের গল্পগুলো কিশোরদের ভাল লাগতে পারে। কিন্তু ভূত মানেই তো অবৈজ্ঞানিক ব্যাপার। আজকালকার পেরেন্টরা বাচ্চাদের ওগুলো তেমন দিতে পছন্দ করেন না, যদিও ইংরিজি হরর স্টোরিজ বা সাসপেন্স স্টোরিজ বাচ্চারা পড়ছে দেখেছি। এতে কোনো আপত্তি নেই, আপত্তি থাকা উচিৎও নয়, কিন্তু নিশুত রাত অমাবস্যা কলাবাগানের ভূত ইত্যাদি আর তেমন নেই, আছে পূর্ণিমা রাতের ভূত, কবরখানা থেকে উঠে আসা জম্বি, ইত্যাদি।
  • ranjan roy | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৫:৩৩718960
  • ভূত/রূপকথা/ এসব ছোটদের ক্ষতি করে বলে বন্ধ করা হোক জাতীয় নিদান সোভিয়েত শাসনের গোড়ার দিকে এসেছিল। সম্ভবতঃ সাহিত্যিক লেসকভ এর বিরোধিতা করে কল্পনাশক্তিকে খাটো করার বিরুদ্ধে বলেন।
    ত্রৈলোক্যনাথের লুল্লু মনে করুন।

    আমি বরং শিশু সাহিত্য সংসদ প্রকাশিত "ছড়ার বই" ( কোন ভাগ মনে নেই) নিচের দুটো জনপ্রিয় ছড়া একেবারে ব্যান করার পক্ষে।ঃ))

    ১)
    "মাসী-পিসি বনগাঁ বাসীবনের মাঝে ঘর,
    কখনও মাসি বলেন না ক্ষীর-মোয়াটা ধর।
    কিসের মাসি কিসের পিসি কিসের বৃন্দাবন,
    ঘরে এসে জানিলাম মা বড় ধন"।

    ২)
    ধন ধন ধন,মায়ের প্রাণের ধন,
    এ ধন যার ঘরে নাই তার কিসের জীবন?
    তারা কিসের এত গরব করে,
    আগুনে পুড়ে কেন না মরে?

    আর এটাওঃ
    ৩)
    সিংহমশাই সিংহমশাই মাংস যদি চাও,
    রাজহংস খেতে দেব হিংসা ভুলে যাও।
    একেবারে আবালপনা (আমার চোখে)!
  • কুমড়ো | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৫:৩৫718961
  • আগের পোস্টে লিখবার আগেই সেন্ড হয়ে গেছল।
    ওগুলোর সঙ্গে বাচ্চারা কতটা রিলেট করতে পারে সেটা ভাবছি। মানে পরিবেশ তো অন্য।
    যেমন ধরুন (ভূত নয়, অন্য প্রসঙ্গ) নার্সারি রাইমসগুলোর সঙ্গে কোনোদিনো একাত্মবোধ করতে পারিনি। বারবার মনে হয়েছে তারা অন্য জগতের বাসিন্দা। লিটল মিস মাফেটকে কার্ড এবং ভে খেতে দেখে একবারো নিজেকে ঐ জায়গায় বসাতে পারিনি। কিংবা নিজের চেনা পরিজন বন্ধুদেরো না। খুব দূরের মনে হতো। ব্যা ব্যা ব্ল্যাকশিপ কি নাইন ডেজ ওল্ড পুডিং,বা মনে করুন প্যাট অ্যা কেক প্যাট অ্যা কেক বেকার্স ম্যান, সবই বহুদূরের পৃথিবী ছিল। বরং রামসুক তেওয়ারিকে নিয়ে হাসতে মজা লাগত।
    রাক্ষস খোক্কসের গল্পও তা সে যতই ভয়ের হোক না কেন। কেন পড়ে না আজকাল বাচ্চারা?
  • ranjan roy | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৫:৪০718962
  • ঠিক, আজকের গল্প চাই।
    "জয়ঢাক" নেট ম্যাগাজিন কিছু চেষ্টা করছে।
  • Arpan | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৫:৫৪718963
  • আমোলা-আমেলা নিয়ে এই সাইটে এত আদিখ্যেতা করে তারাই যারা ঐ সত্তরের সেশ থেকে আশির সেশ অব্দি কৈশোর এবং প্রাক-টিন বেলা কাটিয়েছে। তার আগের বা পরের সময়কালের লোকজনের সেই অ্যাটাচমেন্ট থাকবে না খুবই সহজবোধ্য। কিন্তু তার সাথে এটাও অজানা তথ্য নয় যে সেই সময়কালে আরো যেসব কিশোর পরপত্রিকা বেরোত, অনুবাদ সাহিত্য সবই সে সময়ের ছেলেপুলেরা গোগ্রাসে পড়ত। আর সে সময়টায় (প্রাক লিবারাইজড দুনিয়ায়) সত্যি বাংলা মিডিয়ামের ছেলেপুলেরা সত্যি এমন করে মার্জিনালাইজড হয়ে যায়নি। বাংলাভাষাটাও সুয়োরানীর আসনেই ছিল।

    তো, কথা হচ্ছে ওই দশ-বারো বছর নিয়ে। এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ সময়কাল নয় মহাকালের খাতায়। যাদের সাথে ছিল, তাদের সাথেই ভেসে যাবে।
  • ranjan roy | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৫:৫৯718964
  • হ্যাঁ, অর্পণ,
    আমাদের সময় আমেলা আসে নি। আমাদের ছিল শুকতারা, শিশুসাথী,।অনেক পরে কিশোর ভারতী আর দে সা কু'র বইগুলো--আশাপূর্ণা দেবীর "শোন শোন গল্প শোন" এবং "গল্প ভালো, আবার বল"। আর অনুবাদ গ্রন্থগুলি।
    রিজার্ভ বেঞ্চে রামধনু/ রং মশাল।
    দুটো দারুণ পূজোবার্ষিকী বেরিয়েছিল। আহরণী আর পার্বণী।
  • h | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৯:০১718965
  • আজ একটি ক্লায়েন বিহীন দিন।

    সেভাবে দেখার কিসু নেই, যে কোনো ভাবে দেখলেই টিনটিন এ ভর্তি রেসিজম, এবং অনেকটা সেই 'মজার' চরিত্র দের মধ্যে দিয়েই আনানো। হার্জ এর ন্যাশনাল সোশালিস্ট সিম্পাথি একটি পরিচিত তথ্য।
  • h | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৯:১৬718967
  • অর্পণের বক্তব্য যুক্তিযুক্ত। তবে এই কালের দাবী টি যে খন্ডিত কনটেম্পোরারিটি সেটি রেকগনাইজ করলেই ল্যাঠা চোকে, কিসের গল্প আজকের ছোটোদের ভালো লাগতে পারে, তাই নিয়া আমার অবশ্য কোন স্পেকুলেশন নাই। বাচ্চা গুলাও যা পাজি কখন কি ভাল্লাগে ঠিক নাই।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে মতামত দিন