এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • পায়ের তলায় সর্ষে : বৃষ্টিমুখর সন্ধ্যা (রায়), নীল পাখি, ও থংস ওরফে আপার পেনিনসুলা

    Tim
    অন্যান্য | ০৬ জুন ২০১৬ | ১৮৯৬৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • hu | ০৬ জুন ২০১৬ ২৩:৩৪709916
  • হুঁ, ম্যাকিনাক ফেরি নিয়ে কাজের কথাগুলো বলে নিই। তিনটে কোম্পানির ফেরি ছাড়ে। রিটার্ন ট্রিপের দাম ১৮ থেকে ২৬ এর মধ্যে। আমরা শেপলার্স কোম্পানির ফেরি নিয়েছিলাম। এটা আধঘন্টা অন্তর ছাড়ছিল মেমোরিয়াল ডে উইকএন্ডে। ওদের ওয়েবসাইট হল http://sheplersferry.com/। যেতে সময় লাগে পনেরো মিনিট। আমাদের ফেরার তাড়া ছিল। ঐদিন রাতেই অট্রিন রিভার কেবিনে পৌঁছতে হত। আমরা তাই ঘন্টা দুই ছিলাম। নইলে ম্যাকিনাক আইল্যান্ডে গোটা দিন কাটানো যায়। যারা সাইকেল চালান, তারা সাইকেল নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন। ওখানেই সাইকেল ভাড়া পাওয়া যায়। এছাড়া হপ অন-হপ অফ ঘোড়ার গাড়ি আছে।
    সব কটা ফেরির খবর এখানে পাওয়া যাবে http://www.mackinawcity.com/mackinac-island-ferries-12/
  • kumu | ০৬ জুন ২০১৬ ২৩:৪৫709917
  • হায়,কী লোভ হচ্চে এমন একটি সর্ষেপথে চলতে।আমি তো আর কিচ্ছুটি পারিনা তবে রেঁধে খাইয়ে দিতে পারবো।
    ছবি আসবে না?
  • kumu | ০৬ জুন ২০১৬ ২৩:৫৩709918
  • আশা করি ভাগীদারকে বেশী খাটানো হয়নি।
  • sosen | ০৭ জুন ২০১৬ ০০:০৬709919
  • বাজে খবরঃ
    ঘোড়ার গাড়ি দুরকম। একটা গাড়ি বেঁটে আর মোটা, প্রচুর চুলওয়ালা গাঁট্টাগোট্টা ঘোড়ারা টানছিল, অন্যটা স্লিম আধুনিক আরবী ঘোড়ারা।যেরম ফিগার পছ্ন্দ সেরম ঘোড়ায় উঠবেন। আর ঘোড়ার পটির সাথে ফাজের গন্ধ মিশে যে মোহময় উষ্ণতার সৃষ্টি হয় সেটিই আসলে ম্যাকিনাকের এসেন্স।শুধু ফাজের গন্ধ বলে হুচি রোমান্টিক হতে চাইলেও।
  • sosen | ০৭ জুন ২০১৬ ০০:০৮709920
  • ফোটুতুলিয়েরা ছবি দিও। কুমুদি কি পার্শিয়ালিটি করেন দেখেচো!
  • Atoz | ০৭ জুন ২০১৬ ০০:১০709921
  • মশার পাখা ধরে আটকে রাখা মশা মারার থেকে অনেক বেশি কঠিন ব্যাপার।
    ঃ-)
  • Tim | ০৭ জুন ২০১৬ ০০:১৪709922
  • হ্যাঁ সত্যি। আমি যে খাদ্যবিলাসী না হয়েও কত মাল বইলাম সে ব্যালায় কারো অভিযোগ নাই।
  • sosen | ০৭ জুন ২০১৬ ০০:২৪709924
  • avi | ০৭ জুন ২০১৬ ০০:২৪709923
  • কিন্তু, মশার পাখা ধরে আটকে রাখে কিভাবে? মানে, হোয়াট ইজ দ্য প্রসিডিওর? বাপরে!
    আমার এক বন্ধু উড়ন্ত মশা দেখলেই এক হাত চালাতো, আর মশার ওপর হাত এলেই অদ্ভুত টাইমিং দেখিয়ে মুঠো বন্ধ করতো। মশা মুঠোর মধ্যে বন্দী হয়ে যেত। সোসেনদিরও কি ওরম কোনো টেকনিক? কিন্তু তারপরে আবার তার ডানা পাকড়ানো, আর তারও পরে মশার হাতবদল এবং মুক্তি! প্রত্যেক স্টেপে সিঙ্ক্রোনি আনা তো সাধনার বিষয়!
    মশা অ্যাপার্ট, গড়গড়িয়ে গপ্পো এগোবার প্রত্যাশা জানিয়ে রাখলাম। একাধিক লেখকের উপস্থিতিটাও হেব্বি লাগছে।
  • sosen | ০৭ জুন ২০১৬ ০০:২৮709926
  • sosen | ০৭ জুন ২০১৬ ০২:৪১709927
  • Bhagidaar | ০৭ জুন ২০১৬ ০৩:০০709928
  • ওরে ঘোড়ার গাড়ি দুরকম না বলে বল ঘোড়া দুরকম!
  • hu | ০৭ জুন ২০১৬ ০৪:৩৪709929
  • বাহ! সোসেন ছবি দিতে শুরু করেছে। আমি তো চলে এসেছি। ক্যামেরা টিমের কাছে। টিম ল্যাদ কাটিয়ে ছবি দেবে কিনা ঠিক নেই। তুমিই ছবি লাগাতে থাকো সোসেন।
  • hu | ০৭ জুন ২০১৬ ০৪:৫৭709930
  • আমি বরং অন্য একটা ছবি দিই



    ভাবুন দেখি, নদীর ধারে ঐ শহরগুলো যদি না থাকতো? কিসের ছায়া খেলতো তাহলে নদীর জলে? আমি তো কখনও ভাবিওনি তারার আলোতেও এত জোর থাকে যে তার প্রতিচ্ছবি পড়বে জলের ওপর। আপার পেনিনসুলা গিয়ে মালুম হল।

    আমাদের কেবিন অট্রিন লেকের ধারে জঙ্গলের মধ্যে। কেবিনের জানলা দিয়ে লেক দেখা যায়। মুগের ডাল, আলু পোস্ত আর ওমলেট দিয়ে ডিনার সেরে হাঁটতে বেরোনো হল। বাইরে ঘুটঘুট্টি অন্ধকার। সেদিন সন্ধ্যাতেই এসে পৌঁচেছি। আশেপাশে কি আছে জানি না। টর্চের আলোয় একটু একটু করে এগোনো হচ্ছে। একটা খোলা জায়গায় এসে দাঁড়াতেই আকাশভরা থিকথিকে তারা। কারোর মুখে আর বাক্যটি নেই।

    লেকের জলে তারা দেখা অবশ্য ফেরার আগের দিন। সেদিন সাড়ে নটা পর্যন্ত পিকচার্ড রকে কাটিয়ে দশটা নাগাদ বাড়ি ফেরা হয়েছে। সবাই খুব টায়ার্ড। ডিনারে ঝাল ঝাল কোরিয়ান নুডলস আর স্ক্র্যাম্বেলড এগস। তারপরে ব্যাগ গোছানো। পরদিন ভোর বেলা বেরোনোর প্ল্যান। তবু মনে হল একবার দেখে আসি আকাশে কি হচ্ছে। টিম আর ভাগীও সাথী হল। সোসেন বেচারা আর পারল না (এটা দেখার জন্য আরেকবার আসতেই হবে সোসেন)। লেকের একটু দূরে আমরা দাঁড়িয়ে। কোনটা কি তারা চেনার চেষ্টা চলছে। ভাগী হঠাৎ বলে - লেকের জলে কিসের আলো? আমরা দেখি, তাই তো! লেকের জলে ফোঁটা ফোঁটা আলো জোনাকির মত ঝিলমিল করছে। লেকের কাছে এগিয়ে যাই, একবার আকাশ দেখি, একবার লেক। থ্যাঙ্কিউ ভাগী, লেকের জলে ঐ আলোটা স্পট করার জন্য। ভাবিও নি, এমনও হতে পারে!
  • sosen | ০৭ জুন ২০১৬ ০৮:৫৪709932
  • ভালো ছবি অন্যেরা শেষে দেবে,হাতে ব্যথার কারণে আর ছবি তুলতে পারিনে।
    তবু লেখার খেই রাখার জন্য দু একটা ছবি দিই



    ভোরের অট্রিন লেক, কেবিনের ঠিক উল্টোদিকে। জানলা থেকে দেখা যায় শান্ত নীল।ভিজে বালিতে পা রাখতে ভালো লাগে, পরিষ্কার বালি আর কি এক জলের ধারের পোকা সারাক্ষণ ছেঁকে ধরে উড়তে থাকে।


    আমাদের মিষ্টিমতো কেবিন। ভেতরে দুটো বেডরুম, কিন্তু আরো দুতিনজনের শোবার জায়গা, হুতোদারা এলো না, মন খুঁতখুঁত করে।
  • sinfaut | ০৭ জুন ২০১৬ ০৮:৫৪709931
  • ভাল্লুক নেই?
  • sosen | ০৭ জুন ২০১৬ ০৮:৫৭709933
  • হ্যাঁ, ওয়াইল্ড লাইফে ভরতি চতুর্দিক! ঃ))
  • aranya | ০৭ জুন ২০১৬ ০৯:০৩709934
  • বড় সোন্দর সব দৃশ্য
  • Arpan | ০৭ জুন ২০১৬ ০৯:০৭709935
  • ম্যাকিনাক আইল্যান্ড বড় সোন্দর মত জায়গা। আমরা অবশ্য সাইকেলে করে পুরো আইল্যাণ্ডটা চক্কর মেরেছিলাম। একটা ফোর্টের মত জায়গা ছিল, খান দুয়েক পুরনো কামান দিয়ে সাজানো, চমৎকার ভিউ পাওয়া যায় সেখান থেকে।
  • d | ০৭ জুন ২০১৬ ১৪:৫২709937
  • হে হে মশার ডানা ধরে পাকড়ানো সম্ভব। আমার ভাইই এই কম্মোটি করে। কিন্তু সেটাকে হস্তান্তর কেমনে করে? সে তো রীতিমত সুক্ষাতিসুস্ম ব্যপার!

    আর নদীর জলে তারার আলো!! কক্ষণো দেখি নি।
  • d | ০৭ জুন ২০১৬ ১৪:৫৩709938
  • *সুক্ষ্মাতিসুক্ষ্ম
  • kumu | ০৭ জুন ২০১৬ ১৫:০৬709939
  • তারার আলোতেও এত জোর থাকে যে তার প্রতিচ্ছবি পড়বে জলের ওপর-এটা সত্যি ভাবা যায় না।সোসেন, হুচি ভালো করে ছবি দিও।এ জন্মে নিজের চোখে আর দেখা হবে না,তাতে কি, তোমাদের চোখেই দেখি।
  • Abhyu | ০৭ জুন ২০১৬ ২০:২১709940
  • আমাকে বললেই যেতাম। আমি তো ঐ সময় শিকাগোতেই ছিলাম
  • Abhyu | ০৭ জুন ২০১৬ ২০:২৪709941
  • এসেস কে একবার বলেছিলাম ঐখানে যাবে কিনা, তো বলে তুই মিচিগানে থেকেও যাসনি? আমি তো কতোবার ঘুরে এসেছি। বোঝো!
  • sosen | ০৭ জুন ২০১৬ ২৩:৫০709942
  • ওয়াইল্ড লাইফের কথা বলি। তিমি আমাদের অভয় দিয়েছিল প্রচুর ওয়াইল্ড লাইফ দেখাবে, আর তেমনি জঙ্গল থাকবে যাওয়ার পথের দুধারে। হরিণ শিকার করে আনবে টানবেও বলেছিল।তো হাডসনভিল থেকে ম্যাকিনাক হয়ে অট্রিন রিভার অব্দি যেতে যেতে তিমি এসব সবই দেখতে পেয়েছিল, আর হুচি কিচ্ছুটি দেখতে পায়নি। বলতে কি, শিকাগো শহরে তিনটে খরগোশ ছাড়া আর অগুনতি পোকা ছাড়া আমি তো কিছুই দেখিনি। এছাড়া তিমি পথের দুধারে জঙ্গল মরুভূমি সব দেখতে পাচ্ছিল, আর আমরা পিছনের সিট থেকে হুচির মুখঝামটা শুনে হেসে কুটিপাটি হয়ে যাচ্ছিলাম-"এইটা জঙ্গল? এই মাঠটা তোর জঙ্গল, হ্যাঁ?" তাপ্পি দিতে গিয়ে তিমি বলে ফেলল-"এই দ্যাখনা কতো গাছ, মরুভূমিতে যেরকম গাছ থাকে।" আর যায় কোথায়! সারা রাস্তা সবুজ মরুভূমি দেখতে দেখতেই আমরা চল্লাম।তিমি বকুনির চোটে মরীচিকাও দেখলো কিনা কে জানে!
    কিন্তু কিচ্ছু ওয়াইল্ড লাইফ, পাখি, কিছুই না দেখতে পেলেও সারাটা রাস্তা ধরে তিমি হুচি আর ভাগী গান গেয়ে গেল "ঐ নীল পাখিটাকে পাখিটাকে পাখিটাকে ধরে দাও না! পুষব দাও না!" তার ভার্শন চেঞ্জ হতে হতে-হরিণটাকে ধরে দাওনা ইত্যাদি ঘুরে, " ঐ টইটাকে টইটাকে টইটাকে তুলে দাওনা! লিখব, দাওনা!" ইত্যাদিতে পর্যবসিত হল। সাধে কি আর চলমান ভাটিয়ালি বলা হচ্ছে? আমি এই গানটাই শুনিনি, আমার মাথাটা মোটামুটি খারাপ হয়ে গেল। বড়েশকে আমি প্রচুর গালাগালি দিলাম, দিতে দিতে একটা সত্যিকারের জঙ্গলমতো রাস্তায় ঢুকে পড়লাম, বাঁ দিকে লেক সুপিরিয়র ভেসে উঠল অসহ্য নীল নিয়ে, আর টুপ করে ফোন থেকে সমস্ত সিগন্যাল চলে গেল। আরো অনেকখানি পরে, জগতের সঙ্গে সংযোগহীন কেবিন। সেখানে ঢুকে অবিশ্যি আবার আমি আর তিমি বেরোলাম, ফোনের টাওয়ার যেখানে পাওয়া যায় সেখানে পৌঁছে বাড়িতে জানাতে, যে আমরা জগতের সাথে ডিসকানেক্টেড আগামী তিনদিন। সে জায়গাটার নাম দেওয়া গেলো টাওয়ার পয়েন্ট।

    কেবিনে ফিরে এসে দেখি ভাগী আর হুচি আলুপোস্ত রেঁধে ফেলেছে, আর বাইরে বনবন করে মশা উড়ছে। ওয়াইল্ড লাইফ! আকাশে ঝক ঝক করছে শত তারা, আর নিঃস্তব্ধ রাত্রে কেবিনে তারপরে আড্ডা। শনিবার রাত্রি।
  • T | ০৭ জুন ২০১৬ ২৩:৫৫709943
  • আরে বাড়ীটা যেন লিন্কন লগ্স দিয়ে বানানো। হেব্বি।
  • sosen | ০৭ জুন ২০১৬ ২৩:৫৬709944
  • বোলনেকা মতলব ইয়ে হ্যায় কি-হুচি আলুপোস্ত রেঁধে ফেলেছে আর ভাগী হুচিকে ক্ম্পানি দিয়েছে। আলুপোস্ত হুচি একাই রেঁধেছিল, কি ভালো হয়েছিল!
  • Abhyu | ০৮ জুন ২০১৬ ০০:০২709945
  • তিমি কি খালি হাতে হরিণ শিকার করে?
  • bhagidaar | ০৮ জুন ২০১৬ ০০:০৭709946
  • আলুপোস্ত রান্নায় আমি কি যেন একটা অবদান রেখেছি। মনে পড়ছেনা। মনে হয় আলু কাটার ছুরি খুঁজে দিয়েছিলাম।
  • aranya | ০৮ জুন ২০১৬ ০০:৪১709948
  • এই মহতী পার্টিতে আম্রিগা বাসী গুরুকুলের হগ্গল-ডিরেই ডাকন উচিত আছিল
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় প্রতিক্রিয়া দিন