এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • নতুন সরকারের শিক্ষা স্বাস্থ্য শিলপনীতি ইত্যাদি

    pi
    নাটক | ২৯ জুলাই ২০১১ | ২২৮৯৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aka | ৩০ জুলাই ২০১১ ২৩:৪০483130
  • দুখে ঐ পরিবেশে কোন বক্সের কোন চিন্তাই পার্সিটেন্টলি সম্ভব নয়। যেটুকু আছে তা অ্যাবারেশন। আর ক্যালকুলেটর নিয়ে বলার ছিল। ভারতের বাজারে ক্যালকুলেটর থাকে না এটাও একটা আউটডেটেড স্টেটমেন্ট। সবার কাছে মোবাইল ফোন থাকে আর ক্যালকুলেটর থাকে না?

    আর পাইকে এবারে শাইনিং ইন্ডিয়া নিয়ে তক্কো করতে দেখলে খ্যাঁক করে ধরব।
  • rimi | ৩০ জুলাই ২০১১ ২৩:৪০483129
  • দুখে, ব্যপারটা পাখা কিম্বা পাখাহীনতা নয়, নম্বর তোলার চাপ বা চাপহীনতা।

    পাই, পরের প্রশ্ন দেখ। নম্বর বিহীন আউট অব বক্স থিংকার আর ভালো রেজাল্ট করা ট্র্যাডিশনালি ভালো স্টুডেন্ট - কার জীবন প্রফেশনাল দিক দিয়ে বেটার? যে আউট অব বক্স থিংকার, সে পরবর্তীকালে তার আউট অব বক্স চিন্তাকে কাজে লাগানোর কি কি সুযোগ পাচ্ছে?

    শিক্ষা মানে, আবারো বলছি, শুধু ইস্কুলের বা কলেজের কতগুলো বছর নয়, সারা জীবন। অন্তত আমার পার্স্পেক্টিভ এটাই।
  • dukhe | ৩০ জুলাই ২০১১ ২৩:৪৮483131
  • দূর দূর আজ অবধি কোন সব্জিওয়ালাকে মোবাইলের ক্যালকুলেটর চালিয়ে হিসেব করতে দেখিনি। ঐ বিগ বাজার ফাজারে করে। শাইনিং ইন্ডিয়াতে।
    চাপটাপ অকারণ। ছেলেপিলে বড় হয়ে কী হবে কে বলতে পারবে ! সেসব পেশা হয়তো বাজারেই নেই এখন। আমিই কি ইস্কুলে পড়ার সময় জানতাম যে আইটিগিরি করব। বাবা মাও জানত না।
  • PT | ৩০ জুলাই ২০১১ ২৩:৫০483132
  • ref: Date:30 Jul 2011 -- 10:20 PM
    কেউ CSIR সম্পর্কিত কিছু আলোচনা করার আগে আমাকে বিনা পয়সায় কনসাল্ট করে নিতে পারেন। আমি এক দশক CSIR-এর একটি প্রথম শ্রেণীর গবেষনাগারের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম।
  • pi | ৩০ জুলাই ২০১১ ২৩:৫১483133
  • ধরতেই পারো, কিন্তু কেন ধরবে সেটা কেবল তুমিই জানো :)

    আমি দু'রকমের কথাই বলেছিলাম। দু' জায়গাতেই হচ্ছে।

    কারণ তোমরা দু'জন দু রকম জিনিস নিয়ে কথা বলছো। তার উত্তরেও তাই দু'রকম জিনিসই আসছে :)

    তোমার কাছে শুনেছি, হাই-ফাই স্কুল, মানে যেখানে তোমাদের ছেলেমেয়ে পড়বে তাই নিয়ে কোন সমস্যা নেই, সে দু'জায়গাতেই এক। এমনকি উত্তর মেরুতেও।
    রিমিদির কথায় কিন্তু মনে হচ্ছে সেট নিয়েই সমস্যা। অবশ্য রিমিদি আগেই ডি: দিয়ে দিয়েছে ব্যক্তিগতভাবে যেটা সমস্যা মনে হচ্ছে, সেটা নিয়ে কথা বলছে। তাই নিয়ে সমস্যা নাই।

    দু'দিক নিয়েই উত্তর এলে তোমার সমস্যা হচ্ছে কেন ? :(
  • pi | ৩০ জুলাই ২০১১ ২৩:৫২483134
  • PT দা, এই প্রোগ্রামগুলো নিয়ে লিখুন না।
  • pi | ৩১ জুলাই ২০১১ ০০:০৩483136
  • আর তাহলে রিমিদি, মূল সমস্যা তাহলে শিক্ষাব্যবস্থার না, সমাজব্যবস্থার। তাই তো ?
    চাপহীন পরিবেশে বড় হয়ে আউট অব বক্স চিন্তা করে আম্রিগার জীবনে সাফল্যের সাথে ভালোভাবে বাঁচা যায়,ভারতে যায়না। তাই তো ?

    এর কিছু কিছু উদাহরণ দাও তাহলে।

    ওদিকে আউট অব বক্স চিন্তাভাবনার সাথে MIT, Harvard পড়াকেও কো রিলেট করা হয়। সেখানকার অনেক কাজকম্ম নি:সন্দেহে আউট-অব-বক্স।
    আবার সেখানে পড়তে পারাটাই তোমার কাছে বেঞ্চমার্ক নয় বা তাকে লক্ষ্য করা।
    একটু কনফিউসড হয়ে গেলাম।

    বল্লে যে, আম্রিগার স্কুল 'আউট অব বক্স' শেখাচ্ছে এমনটাও নয়, চাপ কম দিচ্ছে বলে বাড়ির লোকজন সেটা শেখাতে পারছে বা নিজেরাই করতে পারছে।

    এদিকে তো শুনলাম আম্রিগার 'ভালো' স্কুল, মানে ভালো প্রাইভেট বা ম্যাগনেটে চাপ বিস্তর। ওদিকে সেগুলোর আবার নাম আছে 'আউট অব বক্স ' থিংকার প্রডিউস করার জন্য।
    কনফিউসড।

    দেশে আবার চাপযুক্ত হাই ফাই কি চাপ বিযুক্ত নন হাই ফাই স্কুল ( এই যুক্ত, বিযুক্ত গুলো আমার কথা না, কারণ এটা আমার মনে ছাত্র, অভিভাবকের উপরেও প্রচুর নির্ভর করবে) সব জায়আ থেকেই এমনি ছাত্র-ছাত্রী বেরোচ্ছে।
    কনফিউসড।
  • dukhe | ৩১ জুলাই ২০১১ ০০:০৩483135
  • তবে পাখা ছাড়া বছর তিনেক হস্টেলে ছিলাম। সবই অভ্যেসের ব্যাপার। দেশে অনেক অস্বাচ্ছন্দ্যের মধ্যে কাটানোর শিক্ষা লোকে রপ্ত করে ফেলে। আম্রিগায় সে সুযোগ নাই।
  • aka | ৩১ জুলাই ২০১১ ০০:০৬483137
  • পাই, একেবারেই ভুল বুঝেছ। এক, গুরুর হাইলি প্রিভিলেজড, এডুকেটেড প্যারেন্টসরা তাদের ছেলেমেয়েদের যেখানেই মানুষ করুক রেজাল্ট মোর অর লেস একই হবে। এটা আমার ব্যক্তিগত মন্তব্য (খানিকটা বিশ্বাস)

    দুই, শিক্ষা যদি ইনফ্রাস্ট্রাকচার, সিলেবাস, গভরন্মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট ইত্যাদির ফাংশন হয় তাহলে আমেরিকার প্রতিটা লেভেল ভারতের করসপণ্ডিং লেভেলকে যেকোনদিনে ১০০ গোল দেবে। এটা একটু চেষ্টা করলে কোয়ালিটেটিভলি প্রমাণও বোধহয় করতে পারা যাবে।

    তিন, দু একটা অ্যাবারেশনের সাকসেস দিয়ে সিস্টেমের সাফল্য দেখাতে গেলে কোল্যাটারাল ড্যামেজ হয়। সেটা বাঞ্ছনীয় নয়। সেক্ষেত্রে তর্কে জেতা হারাটা বড় হয়ে দাঁড়ায়।

    চার, ভারত আর আমেরিকার কি তুলনা চলে? না কিন্তু এই মিথটায় বিশ্বাস করার কোন কারণ নেই যে ভারতের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা আমেরিকার থেকে ভালো। তাতে করে উন্নতির প্রয়োজন আছে সেটাই অস্বীকার করা হয়।

    পাঁচ, সঠিক শিক্ষার ফলশ্রুতি হিসেবে আউট অফ বক্স থিংকিং একটা নেসেসারি আউটকাম কিন্তু যাদের আউট অফ বক্স থিংকিং অলরেডি আছে তাদের সেই স্কিল নার্চার করার জন্য যদি বলো কোন সাপোর্টিং পাব্লিক সিস্টেমের দরকার নেই তাহলে বলব সবটা বাজারের হাতে ছেড়ে দিতে। তাই বললাম শাইনিং ইন্ডিয়া, ওপেন ইকনমি, বাজার নিয়ে কিছু বললেই ধরব এবারে।
  • pi | ৩১ জুলাই ২০১১ ০০:১০483139
  • আর আকাদা, দেশের নানারকম সমস্যার কথা কোথাও অস্বীকার করি নি।

    তুমি আর রিমিদি আলাদা জিনিসে গুরুত্ব দিয়ে কথা বলছো।

    রিমিদির কথার উত্তরে অবশ্যই এগুলো আসবে !
  • aka | ৩১ জুলাই ২০১১ ০০:১৫483140
  • না সেটাও ঘুরে দেখার প্রয়োজন আছে। কারণ একদিকে একটা সিস্টেম যা আউট অফ বক্স থিংকিং তৈরি করে। আর তুমি বলছ একটা সিস্টেম যা আউট অফ বক্স থিংকিং থাকা কিছু ছেলেমেয়ে পেয়েও তাদের নার্চার করতে ব্যর্থ।
  • dukhe | ৩১ জুলাই ২০১১ ০০:১৯483141
  • ভাই একবার শাটল গাড়িতে চেপে এয়ারপোর্ট যাচ্ছিল। রাস্তায় এক ট্রাফিক পুলিশ গাড়ি থামিয়ে তাকে নামায়। গাড়িটিকে চলে যেতে দিয়ে ভাইকে বলে - থানায় চলুন। ঐ গাড়িতে বেআইনি মাল ছিল। আপনি গাড়ির মালিক।
    এই পুলিশ কি আউট অফ দ্য বক্স থিংকার ? এরকম অদ্ভুত অভিযোগ কি বক্সের ভেতরে পড়ছে ?
  • aka | ৩১ জুলাই ২০১১ ০০:২১483142
  • আউট অফ বক্স থিংকিং নিয়ে দুখের পোস্টটি কিন্তু বক্সের বাইরেই। :)

    (ডি: এটা দুখে স্টাইল)
  • pi | ৩১ জুলাই ২০১১ ০০:২২483143
  • উন্নতির প্রয়োজন কে যে অস্বীকার করেছে কে জানে !
    তাই বলে এক্সিস্টিং কোন ভাল সিস্টেম থাকলে তাই নিয়ে বলা যাবে না বা আম্রিগার কিছু খারাপ মনে হলে তাই নিয়েও বলা যাবেনা !!

    তাহলে তো আলোচনারই কোন মানে থাকে না।

    কোন জিনিস আম্রিগায় ভালো, এবার যদি বলা হয় দেশে সেটা নেই ই তাই ভাল নয়, কিন্তু ফ্যাক্ট তাই না হয়, তাহলে সেটা মেনে নিয়ে এগোলে তো ভুল করা হবে।
    স্টার্টিং ফ্রম দ্য স্ক্র্যাচ যেখানে দর্কার নেই, সেখানে সেটা করা মানে সময় নষ্ট।
    বরং ভাবা যেতে পারে, এগুলোকে কীভাবে আরো ভালো ভাবে ইমপ্লিমেন্ট করা যেতে পারে, সর্বত্র ছড়ানো যেতে পারে ইত্যাদি।

    পেডাগগি নিয়েই যেমন গুচ্ছ ভাল কাজ হয়, হচ্ছে। অনেক জায়গাতেই তার প্রয়োগ ও হচ্ছে।
    হ্যাঁ, খুব রিসোর্সবহুল ব্যবস্থা ছাড়াই।
    অনেক আছে। নিজের কাছ থেকে দেখা ও ইন্টারক্ট করা দুটোর উদাহরণ দিলাম :

    http://www.hbcse.tifr.res.in/
    http://www.navnirmiti.org/
    http://eklavya.in/go/


    এদের কথা শুনেছি।
    http://www.agastya.org/index.html

    সমস্যা এটাই,আরো অনেক জায়গা, যেখানে হতে পারতো, হচ্ছে না।
    কেন হচ্ছে না, কী করা যেতে পারে সেই নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

    তোমার কথামত তো ভারতের সিস্টেমের খোলনলচে না বদলালে কি ভারত অন্য দিক দিয়ে আম্রিগার মত না হয়ে উঠতে পারলে আর কিছুই করার নেই।
    হাত উল্টে কি গালে হাত দিয়ে বসে থাকা ছাড়া। সেটাতে একমত নই।
  • aka | ৩১ জুলাই ২০১১ ০০:২৬483144
  • এইসব বক্তব্যে আমার কোন বক্তব্য নাই। তবে দু একটা উদাহরণ দিয়ে ভারতে হেবি কাজ হচ্ছে বললে আপত্তি আছে। সরকারী স্পেণ্ডিং ছাড়া কোন পাব্লিক সিস্টেম উন্নত হতে পারে না। পিরিয়ড।
  • dukhe | ৩১ জুলাই ২০১১ ০০:৩০483145
  • কমরেড আকা খ্যাল করলেন না ঐ পোস্টে একটি গভীর মর্মকথা নিহিত।
    যেহেতু ভারতে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কোন সিস্টেম নেই, বা থাকলেও তা ব্রোকেন এবং হ্যাকড, আউট অফ দ্য বক্স ভাবনাটা এখাবে সারভাইভালের সঙ্গে জড়িত। রুলবুক মেনে জীবন কাটাতে গেলে আপনার টিকে থাকার আশা খুবই কম।
  • pi | ৩১ জুলাই ২০১১ ০০:৩৮483146
  • Date:31 Jul 2011 -- 12:15 AM পোস্ট প্রসঙ্গে।

    না:, এটার কী প্রমাণ যে দেশের ঐ ছেলেপুলেদের আউট-অব-বক্স চিন্তাভাবনা আগেই ছিল, স্টিমুলেট বা নার্চার কিছু করা হয়নি ?
    তুমি শিওর ?

    নবোদয় বিদ্যালয় গুলো নিয়ে জানা আছে ?
    বা, অনেক কম রিসোর্সওয়ালা গ্রামের স্কুলেও আলাদাভাবে শিক্ষকের এফোর্টে এগুলো কোনোভাবে করা হয়না, এত শিওর হচ্ছো কীকরে ?

    এদিকে আবার নার্চার করার জন্য স্কুল যদি বেশি উদ্যোগ ন্যায়, সেটাও আবার 'চাপ' হয়ে যাবে ! :)
    (রিমিদির কথামত স্কুলে চাপ কম রাখতে হবে যাতে বাড়িতে এগুও তৈরি ও নার্চার করা যায় )

    সিস্টেম এটাকে নার্চার করছে না, একথাই কীকরে বলছো জানিনা। সরকারি ভাবেই তো প্রোগ্রাম নেওয়া হয়েছে ! এই প্রোগ্রামগুলোতে তো স্কলারশিপ দেওয়া, সাপোর্ট করা, আরো এক্সপোজার দেওয়া এইসব কথাই বলা আছে !! অন্তত: এগুলোর মাধ্যমে যারা স্পটেড হয়, তারা অনেক সুযোগ সুবিধা পায়।

    মুশকিল হচ্ছে, যতটা এফেক্টিভলি এগুলো হওয়া উচিত ছিলো, হচ্ছে কিনা।
    আর তার কারণ পয়সা আর রিসোর্সের অভাব বল্লে মেনে নেবোনা।

    টাকা বাড়ালে অবশ্যই অনেক কিছু করা যেতে পারে, কিন্তু এই লিমিটেড রিসোর্সেও অনেক কিছু করা যায়, অনেক কিছু করার পরিসর আছে।
  • pi | ৩১ জুলাই ২০১১ ০০:৪১483147
  • আর আমি সত্যি জানতে ইচ্ছুক, 'আউট অব দ্য বক্স' ভাবনা সিস্টেমেটিক্যালি নার্চারড হওয়া আম্রিগার বেশিরভাগ নন-কেরিয়ারমুখী জনতার 'আউট অব দ্য বক্স' জীবনযাত্রা, কার্যক্রম সম্বন্ধে।
  • pi | ৩১ জুলাই ২০১১ ০০:৫০483148
  • তবে রিমিদি ব্যক্তিগত ভাবে যেগুলো করে বা করবে বলেছে, সেগুলোকে আমি প্রায় পুরোপুরিই সমর্থন করি। মা বাবার ওভারপ্রোটেক্টিভ হওয়া চাপ বেশি দেঊয়া থেকে সমস্যা তৈরি হচ্ছে, সেগুলোও।

    তবে এটাও মনে করি, ঐভাবে চলা দেশেও অসাধ্য এমন না। কেউ করেন না, এমনও না। তবে, এটা অবশ্যই ব্যক্তিগত প্রেফারেন্সের ব্যাপার, কার কোনখানে কীসে সুবিধা হবে, সেগুলো নিয়ে কোন তর্ক চলে না।

    যাহোক, কাটি।
  • pi | ৩১ জুলাই ২০১১ ০০:৫১483150
  • রঞ্জনদার কাছে ওঁদের অভিজ্ঞতা নিয়ে কিছু শোনার আশায় রইলাম। রত্নাবৌদি তো বোধহয় পড়ানো নিয়ে অনেক কাজ করেছিলেন।
  • aka | ৩১ জুলাই ২০১১ ০১:৫৯483151
  • পাই, এই জানা আছে টাইপ প্রশ্ন নিয়ে কদিন আগে তুমি অনেক প্রশ্ন করেছিলে। মানে কারুর কিছু জানা আছে কিনা, থাকলে কতটা জানা আছে ইত্যাদি ইত্যাদি মূলত প:ব:য়ের বাজেট ইত্যাদি নিয়ে। তোমার মনে হয়েছিল এই টোনটা সুস্থ তর্কের পক্ষে ঠিক নয়। যাস্ট মনে করিয়ে দিলাম। আমি কিছু মনে করি নি।

    না নবোদয় বিদ্যালয় ইত্যাদি নিয়ে কিস্যু জানা নেই। তুললেই যখন বলো শুনি।

    আবার বলি, ব্যক্তিগতভাবে কে কি করবেন সেটা তাঁর প্রেফারেন্স, কনস্ট্রেইন্ট ইত্যাদি ইত্যাদি তাই নিয়ে আলোচনায় আমি উৎসাহী নই। আমার এবং অন্য একজন বক্তার বক্তব্য ট্যানজেন্সিয়ালি মিললেও বক্তব্যর প্রেমাইস আলাদা।
  • rimi | ৩১ জুলাই ২০১১ ০২:২৫483152
  • পাইএর 12.30 AM এর উত্তর:

    ১। মূল সমস্যা দুটৈ। শিক্ষাব্যবস্থা হল সমাজব্যবস্থার একটা সাবসেট।

    ২। আউট অব বক্স চিন্তা করে আমেরিকাতে সাফল্যের সঙ্গে বাঁচা যায়, কারণ আমেরিকা সেটাকে খুব বেশি মূল্য দেয়। উদাহরণ তো সেদিনই কিছু দিলাম - স্টিভ জব, বিল গেটস। সেই ১৭০০ সালে আমেরিকা যখনও ইউনাইটেড স্টেটস হয় নি তখন থেকেই এই ট্র্যাডিশন সমানে চলছে। বেন ফ্রাংকলিন, মোটে দু বছর স্কুলে পড়েছিলেন, তাও আবার অংকে ফেল। অথচ তিনিই হলেন আমেরিকার এক নম্বর সায়েন্টিস্ট (সেই সময়ে)।

    ৩। এমাইটি হার্ভার্ডে নি:সন্দেহে আউট অব বক্স চিন্তাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। সেখানকার পড়াশুনাও সেরকম। আমার লক্ষ্য ছেলেকে সেখানে দেওয়া নয় মানে এটাই যে সেটা নিয়ে আমি ভাবি না। সে নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী আর নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী যেখানে পড়ার পড়বে। আমার লক্ষ্য এটুকুই যে ছেলে যেন নিজের পথ নিজেই বেছে নিতে পারে, কোনোরকম সোশ্যাল প্রেশার ছাড়া।

    আমার ক্ষেত্রে, আমি এখন জানি আমি আর্টস বা লিটারেচার নিয়ে পড়াশুনো এবং কাজ করলে, বিশেষ করে ছোটোদের শিল্প সাহিত্য নিয়ে, আমার নিজের স্যাটিসফ্যাকশন অনেক বেশি হত। আমি স্কুলের পরে আর্ট কলেজে ভর্তি হতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ভারতে আর্ট কলেজে পড়ে নিজের রুটির জোগাড় সহজে করতে পারব না বলে আমাকে সেই লাইনে যেতে দেওয়া হয় নি কিছুতেই। যেহেতু অংক করতে পারতাম, অতএব আমাকে সেদিকেই ঠেলে দেওয়া হল। অথচ অংক করতে আমার এখনো ভালো লাগে না। এই সমস্যা আমার ছেলের জীবনে আসুক এটা চাই না। আমেরিকাতে একটা বিরাট সুবিধা হল, যে কেউ যেকোনো সময় প্রফেশন বদলাতে পারে, নতুন করে পড়াশুনো করতে পারে। আমার ছেলে যদি ৪০ বছর বয়সে মনে করে সে অন্য কিছু পড়তে চায়, তাহলে আমেরিকায় সেটা সে পারবে। (আমিও পারব, আমি নিজেও সেটাই করতে চাই :-))

    ৪। ম্যাগনেটে চাপের কথা জানি না, এখোনো কোনো অভিজ্ঞতা হয় নি। নিনাদি বা মিতাদি বলতে পারবে। আমার ছেলেকে ম্যাগনেটে দেবার কোনো অ্যাম্বিশন আমার নেই। সে নিজে যা পড়তে চাইবে সেই বিষয়টা হাতের কাছের যে স্কুলে ভালো পড়ানো হবে তাকে সেখানেই ভর্তি করা হবে।
  • pi | ৩১ জুলাই ২০১১ ০২:৫৩483153
  • একদমই। এবং আগের স্ট্যান্ডেই স্টিক করে আছি।
    এখন যা আছে তাই দিয়ে কিছু হবে না, পিরিয়ড বলে ইতি টানতে চাইলে বলেই এই জানার কথা এলো।
    এগুলো নিয়ে তো অনেকক্ষণই আলোচনায় যেতে চাইছি। এটার কথা আমার আগের পোস্টেও বলেছি, আগের দেওয়া কিছু লিংকের আর্টিকলেও আছে। সেগুলো বলা সঙ্কেÄও যদি বলা হয়, না, কিছুই নেই, তাই কিছু হবেও না, তখন এগুলো আছে জেনেও সেকথা বলছো কিনা জিগাবো না ? নইলে তো আলোচনায় ওখানেই ইতি টেনে দিতে হয়।

    এক কথায়, ক্লাস সিক্সে না IX- X এ প্রবেশিকা দিয়ে এই স্কুলে ঢোকা যায়। রেসিডেন্সিয়াল। মোটামুটি ফ্রি ই বলা চলে, থাকা খাওয়া সহ। প্রায় প্রতি রাজ্যে ১৫-২০ টা করেআছে। মোটামুটি প্রতি জেলায় একটা।

    গ্রামের ছাত্র-ছাত্রীরা অগ্রাধিকার পায় (৮০% সংরক্ষিত)।
    আরো অনেক সংরক্ষণ আছে।
    এক কথায় সেরকম প্রিভিলেজ না পাওয়া 'গিফটেড ছাত্রছাত্রী' জন্য 'গিফটেড এডুকেশন' এর এলাহী বন্দোবস্ত আছে বলে জানি। ভালো ইনফ্রাস্ট্রাকচর, অনেক সুযোগ সুবিধা, অল-রাউন্ড ডেভেলেপমেন্ট করার চেষ্টা হয়।

    এখানে পুরো লিস্টি আছে : http://navodaya.nic.in/welcome%20sbs.htm

    এর জন্য শিক্ষকদের আলাদাভাবে বাছই করা হয় ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

    এর আগে Intel এর IRIS science fair এর একটা লিঁক দিয়েছিলাম। এ বছরের সিলেক্টেড প্রোজেক্টের লিস্ট আছে। নবোদয় বিদ্যালয়ের প্রচুর ছত্রছাত্রীএর এϾট্র আছে তাতে।

    অলিম্পিয়াড ইত্যাদিতেও এদের বেশ ভালো পারফরম্যান্স।

    আরো ডিটেইল্‌স চাইলে এখানে সময় নিয়ে দেখতে পারো।
    http://navodaya.nic.in/welcome%20sbs.htm

    এই ব্যবস্থা থাকতেও 'নার্চার' করার কোন সিস্টেম নেই মানতে অবশ্যই আপত্তি আছে।

    কেবল সরকারি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরাই মনে হয় এই প্রবেশিকা দিতে পারে। তবে এটার জন্য ও সিক্সের আগে এমনি স্কুলে 'নার্চার' করা হয় বলে শুনেছি।
    অন্তত: কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়গুলোতে। বাকিগুলোতেও করার কথা বলে জানি। কত কী করা হয় জানিনা।

    এবার এটা নিয়েও সমালোচনা আচে। এগুলোর পিছনে এত ব্যয় না করে, সেই টাকায় সরকারের আরো দশটা কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় বানানালে বেটার হত কিনা ইত্যাদি।
  • pi | ৩১ জুলাই ২০১১ ০২:৫৪483154
  • ম্যাগনেটে রীতিমতন চাপ, মিতাদি সেদিনই লিখলো তো।
  • pi | ৩১ জুলাই ২০১১ ০৩:১০483155
  • আকাদার পোস্টের লাস্ট লাইন নিয়ে। এই কথাটাই অনেকক্ষণ ধরে বলার চেষ্টা করছি। তোমার আর রিমিদির বক্তব্যের প্রেমাইস আলাদা। তা, রিমিদির পোস্ট প্রসংগে আলোচনা শুরু হলে আর তার উত্তর দিলে তুমি বকাবকি শুরু করছো, তুমি তো এগুলো নিয়ে কথা বলতে চাও নি ! বা, এগুলো বল্লে যেন অন্য কিছু নিয়ে কোনোদিন ও কথা না বলি ইত্যাদি ! :)
  • Nina | ৩১ জুলাই ২০১১ ০৩:৩৭483156
  • রিমি তোমার কথাগুলো আমার এত ভাল লাগছে--যদি আজ থেকে দশ বছর আগে তোমাকে পেতাম, আমার বড় উপকার হত--আর তাই আজ আমি আমাদের কথাগুলো বলছি, যাতে আমাদের ভুলগুলো যেন কেউ না করে!
    আমি ঐ ছেলে মেয়ে মানুষ করার প্রবলেম ও সল্যুশন 'টই" তে লেখা শুরু করেছি (কিকিয়র স্টার্ট করা টই) --কাল শেষ করব। তবে সল্যুশন আমি জানিনা---হয়ত তোমরাই বলতে পারবে আমাকে!
  • aka | ৩১ জুলাই ২০১১ ০৬:৩৭483158
  • পাই, তুমি কারুর কারুর বক্তব্য কাউণ্টার করতে গিয়ে মাঝে মাঝেই যা হচ্ছিল যে ভারতে শিক্ষা নিয়ে একটা ফিল গুড ভাব তৈরি হয়েছিল সেই পরিপ্রেক্ষিতেই বলা।

    নবোদয় বিদ্যালয় সম্পর্কে কিছুটা জানলাম, প্রতি জেলায় একটা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। এমনিতেই ম্যাগনেট জাতীয় ব্যপারে আমার ভালো লাগে না। যারা বলেন কেভিতে বেশি স্পেণ্ড করা উচিত আমি তাদের দলে। এককথায় বললে পুরো পাব্লিক স্কুল সিস্টেমের ওভারহল দরকার। ইনফ্রাস্ট্রাকচার থেকে শুরু করে সিলেবাস, ফাণ্ডিং, ইনভলভমেন্ট, কন্টিনিউয়াস রিসার্চ ইত্যাদি ইত্যাদি।

    নীনাদি, যিনি এত কথা বললেন তাঁকে কিছু বাধ্য বাধকতার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল বলেই না তিনি আমেরিকার বুকে বসে এত কথা বলছেন। কলকাতা আর্ট কলেজের গ্র্যাজুয়েটের হাতে এই চয়েজ আসা অত সহজ নয় কিন্তু। আমরা যা পাই নি তাকে ওভার গ্লোরিফাই করতে ভালবাসি। যেমন একসময়ে ভেবেছিলাম ক্রিকেট খেলব। এখন যদি মনে মনে ভাবি ক্রিকেট খেললেই নিশ্চয়ই সৌরভ হতাম তাহলে আমার মনে খুব আরাম হয়। আমার বাবা সঠিক সময়ে রিয়ালিটি টা বুঝেছিলেন। মাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষার আগে থোবড়া ফাটানোর পরে বলে দিয়েছিলেন হয় ক্রিকেট নয় পড়াশুনো। তখন হেবি রাগ হয়েছিল কিন্তু এখন মনে হয় ঠিকই হয়েছিল। ক্রিকেট খেলে বড়জোড় বাটায় চাকরি পেতাম, মানে খুব বেশি হলে। মিডিওকার দের একমাত্র অবলম্বন পপুলার পড়াশুনো মানে যা চাকরি দেবে, অর্থনৈতিক নিশ্চয়তা দেবে। অন্যগুলো নিয়ে রোমান্টিসাইজ করা যায় কিন্তু হয়ত সব সময়ে প্র্যাকটিকাল নয়। যেমন ক্রিকেটে কিছু করার প্রোবাবিলিটি হল ১১/১২০ কোটি। দুয়ের মধ্যে ব্যালান্স রাখাটাই ঠিক কাজ। যেমন আমার পুত্র যদি ইংলিশ মেজর করতে চায় আমি প্রবল ডিসকারেজ করব। ইংলিশ প্রফেসরদের নুন আনতে পান্তা ফুরনোর অবস্থা। মানে অ্যাভারেজ লোকেদের, প্রতি ফিল্ডেরই কিছু কিছু আইনস্টাইন থাকে তাদের বেঞ্চমার্ক করে লাভ নেই। এরপরেও সে পড়তে চাইলে আমার কষ্ট হবে অর্থনৈতিক দূরবস্থার কথা ভেবে, কিন্তু আলটিমেটলি তার জীবন। এই র‌্যাশনালিটিটা বিল্ড করাটাও প্যারেন্ট হিসেব কর্তব্য বলেই মনে করি। মনে হয় অন্য টইতে যেত, কিন্তু টইয়ে কিবা আসে যায়।
  • ranjan roy | ৩১ জুলাই ২০১১ ০৭:৪৬483159
  • পাই,
    খুব মনোযোগ দিয়ে তোমার-আকার-নীনার-রিমির বক্তব্য পড়ছি, কারণ জিনিসটা আমাকে ভাবায়, কিন্তু কিছুই জানি না।
    নবোদয় স্কুল দেখেছি। হ্যাঁ, প্রতি জেলায় একটি করে আছে। আবাসিক। ভারতের অ্যাভারেজ সরকারি স্কুলের প্রোফাইলে অসম্ভব ভালো ইনফ্রাস্ট্রাকচার। জেলা সদর থেকে ১৫-২০ কিমি দূরে খোলা হয়। গরীব ছাত্ররা প্রায় বিনা খরচায় পড়তে পারে। বেশির ভাগ গাঁয়ের ছেলেমেয়ে। গড়পড়তা ভালো রেজাল্ট। খুব রাজা-গজা হতে কাউকেও দেখিনি, কিন্তু ভালো কলেজে প্রফেশনাল কোর্সে চান্স পেতে দেখেছি।
    আমার ধারণা কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়গুলোতে সেন্টরাল পে স্কেল দিয়ে ভালো কোয়ালিফায়েড টিচার দের রাখা হয়। আবশ্যক এক্‌স্‌ট্‌রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটি ( স্পোর্ট মিট, কালচারাল মিট ন্যাশনাল লেভেলে) হয় বেশ স্ট্রাকচারড ভাবে।প্রাইভেট টিউশন করা নিষিদ্ধ।কেউ কেউ করে। কমপ্লেন হলে ওয়ার্নিং দেয়া হয়, দূরে বদলি করে
    দেয়া হয়।
    অধিকাংশ সরকারি স্কুলে অধিকাংশ প্রাইভেট ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের চেয়ে ভাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার, কোয়ালিফায়েড টিচ্‌জার।
    অধিকাংশ প্রাইভেট ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে ভুল ইংরিজি, পিজিন ইংরেজি পড়ানো হয়।
    কিন্তু পেরেন্‌ট্‌স দের মধ্যে এনিয়ে এমন একটা ভাব তৈরি হয়েছে যে এই দোকানগুলোর রমরমা, যা তা ফীস-। ল্যাব নেই বা ব্যবহার করা হয় না। টিউশনে না পাঠালে ফেল করানো হয়।
    আর সরকারি স্কুলের টিচাররা পড়ান না।্‌।

    রত্নার স্কুল বা চিন্তা নিয়ে পরে লিখছি।
  • pi | ৩১ জুলাই ২০১১ ০৯:১৯483161
  • রঞ্জনদা, একেবারে একমত। এই ছাতার মত গজানো ইংলিশ স্কুলে যে কি ছাতার মাথা শিক্ষা দেওয়া হয় তা নিজে চোখে না দেহলে বিস
    অঙ্‌ক্‌ক করতে দিয়েছি। তো, বলে, দিদি, কোন পাতার অঙ্ক ?
    বলে দিলেই উত্তর বলে দেবে !
    ইংলিশে ই।

    এদিকে প্রায় কোন শব্দেরি আলাদা করে মানে জানে না।
    এদিকে পুর বই মুখস্থ। ইংলিশে। সে অঙ্কের বই জোক কি ভূগোল।

    মা, বাবা খুশি। বাচ্ছারা 'ইংলিশ' স্কুলে পড়ছে। লোকের বাড়িতে বাইয়ের কাজ করে, সিকিওরিটি গার্ডের চাকরি করে যেটুকু মাইনে হাতে আসে তার হয়তো এক-চতুর্থাংশ ই খরচ হয়ে যাচ্ছে এই পড়ানোর পিছনে। কারণ স্কুলের ভালোরকম মাইনে ছাড়াও রয়েছে এটা সেটা। রয়েছে আলাদা 'টিউশন'এর খরচ। যেখানে কী করা হয় ? না, আরো ভাল করে 'মুখস্থ' করানো হয়। টেক্সটবুকের সাথে আরেকটা ওয়ার্কবুকও।

    মুম্বইয়ের গীতানগরে পড়ানোর অভিজ্ঞতা।
    মজা হল, যতুপরের ক্লাস, তত ভবহ অভিজ্ঞতা।

    আর সবচে মজা হল, যেখানে আমরা পড়াতাম, আমরা ক্লাস ফোর থেকে শুরু করতাম। তার নিচের ক্লাসের বাচারাও ঐ ঘরেই থাকতো। তাদের বেসিরভাগেরই দাদা দিদিরা আমাদের ছাত্র-ছত্রী।
    ক্লাস ফোর ফাইভে সহজ সহজ গুণ ভাগ দাদা দিদিরা পারছেনা। এমনকি যোগ বিয়োগ ও ভুল করছে ! আর পাশ থেকে ভাই বোনেরা ঠিক উত্তরটা বলে দিচ্ছে !!

    আগে অনিল সদগোপালের কাচেও একই অভিজ্ঞতা শুনেছিলাম। নিজেরাও টের পেলাম, এই মুখস্থ করার চাপ সহজ স্বাভাবিক বুদ্ধি কীভাবে নষ্ট করে দিতে পারে।
    ঐ ভাই বোনগুলো, যারা ঠিকঠাক উত্তর দিয়ে দিচ্ছিলো, এই সিস্টেমে বেশিদিন থাকলে, দাদা -দিদির ক্লাসে উঠলে তাদের অবস্থাও অমনিই হবে।

    একে তো পুরো মুখস্থ, তার উপর একটা বিদেশী ভাষায়। যার ৯০% শব্দের মানে তারা জানেনা।

    হিন্দিতে বললে, স্বাভাবিক বুদ্ধি থেকেই অনেক কিছু ঠিকঠাক বলতে পারতো কিন্তু। বুঝতেও।

    আমাদের কিচেন স্টাফদের অনেকের ই ছেলে মেয়েদের ssc র অনলাইন রেজাল্ট দেখে দেবার জন্য ল্যাবে আমাদের বলতেন। দেখতাম তখন। জাস্ট কোনোমতে কেবল পাশ মার্কটুকু নিয়ে পাশ।
    বাবা কিন্তু খুশি।
    'ইংলিশ' স্কুল থেকে তো পড়েছে। ইংলিশে দু'চার-লাইন বলতে পারে। নৌকরি কিছু একটা মিলে যাবে।
    আর কীসের চিন্তা।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে মতামত দিন