এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • নতুন সরকারের শিক্ষা স্বাস্থ্য শিলপনীতি ইত্যাদি

    pi
    নাটক | ২৯ জুলাই ২০১১ | ২২৯০৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • siki | ০১ আগস্ট ২০১১ ০৯:৪৫482595
  • হ্যাঁ, আমাদের সময়ে অনেকেই ক্লাস সেভেন এইটের সময়ে কল্যাণী সে¾ট্রাল মডেল ছেড়ে ব্যান্ডেল ডন বস্কোতে ভর্তি হত, তাদের কাছেই শোনা।

    কল্যাণী বাঁশবেড়ে নৈহাটি এলাকায় আছে নাকি কোনও নবোদয় বিদ্যালয়? আমাদের সময়ে ছিল? আমি জাস্ট কিছুই জানি না নবোদয় সম্পর্কে।
  • siki | ০১ আগস্ট ২০১১ ০৯:৪৭482597
  • হুঁ, কিছু তথ্য পেলাম।

    http://navodaya.nic.in/
  • pi | ০১ আগস্ট ২০১১ ০৯:৪৭482596
  • রিমিদি, তোমার ব্যক্তিগত যে ইচ্ছা-অনিচ্ছা গুলোর কথা গুলো বলেছ, সেগুলোর সাথে ব্যক্তিগতভাবে আমি ভীষণভাবেই সহমত।

    এই অপশন যে আম্রিগায় অনেক বেশি আর অনেকেই নানারকম অপ্ট করে, এ নিয়েও সহমত, এটা সত্যি এবং ভালো ব্যাপার। আগের দিনই বলেছিলাম।
    কিন্তু এর মানে এও নয় যে আমাদের দেশে নানা অপশন থাকে না। আর এই না থাকাটাকে জাস্ট আমাদের সিস্টেমের দোষ বলে দাগিয়ে দেওয়া যায়না।
    নানারকমের জীবিকা তো আছেই। সেগুলো ফাঁকা পড়েও নেই। আর কিছু না পেয়ে বাধ্য হয়ে লোকজন সেগুলো করছে, এমনটাও ভেবে নেবার কারণ নেই। অনেকেই বাই চয়েস করছে।

    'চয়েস' টা নিজের এবং বাবা -মা র সেটাকে করতে দেওয়া কিম্বা বাবা-মা' র বিরুদ্ধে গিয়ে করতে পারা।

    হ্যাঁ, নিজের 'চয়েস' এর অনেকটাও হয়ত সমাজ, পারিপার্শ্বিকতা দিয়ে কণ্ডিশন্ড।
    সেটা আমাদের সমাজে বেশি হয়তো।

    'হয়তো' টা জুড়বো নিনাদির অভি, আকাদার কাল্কের পোস্ট পড়ে এবং আমার এখানে আত্মীয়-বন্ধুদের সাথে ইন্টার‌্যকশনের সুবাদে।

    এই 'ইংলিশ মেজর' এর কথাই ধরো। তোমার ছেলে করতে চাইলে তুমি সানন্দে রাজি হবে হয়তো কিন্তু আকাদা স্পষ্টই বলে দিয়েছে হবে না। নিনাদিও বলেছে, এই সিদ্ধন্ত নিয়ে কী মন্তব্য এসেছিল।

    দেশে হয়তো অনেক বেশি লোকজন এটা করবেন।
    পিনাকীদা যেমন লিখেছে, ঠিকঠাক লাইন ধরানোর জন্য লাইন দেবার কথা।

    তাহলে কী দাঁড়ালো, এই নিজের ইচ্ছা মত করতে না পারা দুজায়গাতেই থেকে যাচ্ছে।

    তুমি বলেছ, তুমি ব্যক্তিগত ভাবে চাপ কম দেবে। কিন্তু দেশে থাকলে কি সেটা করতে না ?

    আর সিস্টেমের চাপ কি আম্রিগায় নেই ?

    নিনাদির লেখা হাতে গরম উদাহরণ।
    এখানে আমি যাদের সাথে কথা বলি, বেশিরভাগ ই তো ছুটছে।

    এখানের এক্‌স্‌ট্‌রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটির উপর অনেক বেশি জোর দেওয়ার কথা বারবার আসে। সেটা হওয়া ভাল। কিন্তু সেটা নিয়েও তো সেই ছোটাই। কতটায় জাস্ট নিজের মনের আনন্দে ইচছেমতন করা বা না করার স্বাধীনতা থাকে ? এখানে তো য দেখি, শুনি, এগুলো করা হয় সিভিতে যোগ করা হবে বলে ( সেই কম্পালশন ছাড়াও কেউ কেউ করতে পারেন, বা যে যেটা করছে, সেটা হয়ত তার ভালো লাগা বা ভালো পারা জিনিস ), সেটার ভিত্তিতে পয়েন্ট যোগ হবে, যা কলেজে অ্যাডমিশনের জন্য সাহায্য করবে !

    ৫-৬ বছরের বাচ্ছাকে নিয়েও মা বাবদের দের নানা কিছু করাতে দেখি, কি না, এগুলো ১০ বছর বাদে তার ভালো কলেজে ভর্তির জন্য 'প্রয়োজন'।

    এই কি কেরিয়ারবিমুখ শিক্ষার আদর্শ উদাহরণ ? :)

    ইংলিশ নিয়ে পড়ার কথায় ফিরে আসি।
    কেন আপত্তি ? না, এটা 'কাজের ' না বলে মনে করা হচ্ছে।
    মানে, এটা পড়লে কাজ পাওয়া যাবেনা, বা, সেই কাজ পাওয়া যাবে না, যাঅ আকাঙ্খিত জীবনকে হাতের মুঠোয় এনে দেবে।

    এগুলো কারা ভাবছি। আমরাই তো। তাই না ?

    এক তো হল, কাজের কথা না ভেবেই কেউ পড়ার আনন্দের জন্য পড়তে পারে। যে বিষয় নিয়ে পড়াশুনা করি, তাকে নিত্যিকার চাকরির স্থলে প্রয়োগ আর ক'জন করি বা করতে হয় ?

    দ্বিতীয়ত:, এটাকে কাজে লাগিয়েও অনেক প্রফেশন হয়। আর সেগুলো দিব্বি এক্সিস্ট করে। এই গুরুর বহু নীরব পাহক ইই নিশ্চয় এ বিষয় পড়েছেন।

    তো, সমস্যা তো আমাদের নিজেদের যে সেটা আমার কি আমার সন্তানের জন্য আমি পছন্দ করছিনা।

    স্পোর্টসম্যান হয়ে জীবন কাটানোর আনন্দকে ওভাররুল করে দ্যায় বাটাতে চাকরি করা জীবন নিয়ে অনীহা।

    তাহলে এংলিশ হোক কি স্পোর্টস, সে তো আকাদা প্রেফার করবে না, নিজের বা সন্তানের জন্য, সে দেশ হোক কি বিদেশ।

    তাহলে ?

    হ্যাঁ, নিনাদির মেয়ে যেমন অফভিট সব কিছু নিয়ে ছোট থেকে পড়াশুনা করেছে, সেসব চয়েস চাইলেই আমাদের দেশের সর্বত্র পাওয়া যাবে না।

    কিন্তু একটু বেশি করে চাইলে পাওয়া যায় না, এমন ও না।

    প্রফেশঙ্গুলো তো কম বেশি এক্সিস্ট করেই।

    এখানে এই এ যেকোন বিষয়ের সাথে যেকোন কিছু কম্বিনেশন সম্ভব, এটা আমার ভারি ভাল লাগে। অনেক ছোট থেকেই লাগতো। কারণ আমার নিজের বরাবরের পছন্দ ছিল আর্টস সায়েন্স মিশিয়ে পড়ার।

    তাই খোঁজাখুঁজিও করেছিলাম। আর করতে গিয়ে দেখেছিলাম, আমাদের পোড়া ওয়েস্ট বেঙ্গল বোর্ডেই সেই 'প্রভিশন' দেওয়া আছে। অন্তত: খাতায় কলমে। হিস্ট্রির সাথে বোধহয় কেমিস্ট্রি নেওয়া যাবে না এরকম মার্কা দু একটা রেস্ট্রিকশন বাদে আর সব কম্বিনেশন ই অ্যালাওড।
    এমনকি কোনো কোনো স্কুল তা সত্যি সত্যি নিতেও দ্যায় !

    এরকম স্কুল আমিই খুঁজে বের করেছিলুম।

    আমার মাধ্যমিক আর উচ্চমাধ্যমিকের অ্যাডিশনাল বিষয় কী ছিল,আজ অব্দি প্রায় কেউ সঠিক গেস করতে পারেনি :)

    তুমি যেমন বল্লে, তুমি তোমার ইচ্ছেমতন, ভালোলাগার জিনিস নিয়ে জীবন কাটাতে চাও, আমিও একেবারে তাই।
    এখনো অব্দি খুব যে কিছু পারিনি, তাও নয়। বাড়ির লোকজনের সাথে প্রচুর অশান্তি হয়েছে অবশ্য :)

    নিনাদির কথা জেনে থেকে অবশ্য একটা কু-প্রশ্ন মাথায় ঘুরছে, মেয়ে বলে কি শেষ্মেষ, অনেক অশান্তোর পর হলেও ছাড় পেয়ে গেছি ? কী জানি।

    তবে, তোমার মত আমিও নিজের ইচ্ছ মত ই কাটানোর চেষ্টা করব, তুমি বলেছ, তার জন্য তোমাকে এই দেশে থেকে যেতে হবে। আমার ব্যক্তিগত ভাবে মনে হয়না, দেশে থাকাটা এটা বাধা হয়ে দাঁড়াবে। বরং উল্টোটা মনে হয় :)

    অবশ্যই এটা খুব সাবজেক্টিভ ব্যাপার।

    কিন্তু এগুলো দিয়ে এদেশে কী করা যায়, দেশে কী করা যায় না, এসব নিয়ে কোনো কনক্লুশন টানা যায়না।
  • pi | ০১ আগস্ট ২০১১ ০৯:৪৮482598
  • সিকি, না, বেশ কিছুদিনের।
    কাকুরে জিগালেই বিস্তারিত জেনে যাবে।

    আমার কালকের দেওয়া লিংকেও আছে।
  • dukhe | ০১ আগস্ট ২০১১ ১০:০৩482599
  • পাই এর অ্যাডিশনাল নির্ঘাত লজিক ছিল। :)
  • pi | ০১ আগস্ট ২০১১ ১০:১৪482600
  • :)

    কিন্তু, হল না। :)
  • siki | ০১ আগস্ট ২০১১ ১০:১৯482601
  • পড়ে ফেল্লাম। অভ্যুর পাড়াতেই একটা আছে। আমি জাস্ট কোনওদিন নাম শুনি নি এই স্কুলের।

    হ্যাঁ, ইংরেজি অনার্স নিয়ে একটা গল্পকথা কয়ে দিই। হাতে খানিক সময় রয়েছে।

    আমার শালী। মানে গেঁড়ির আপন বোন। পোচ্চুর ছোটো আমাদের থেকে। দিদি খুব মেরিটোরিয়াস ছিল, অঙ্কে সায়েন্সে ভালো ভালো নাম্বার পেত, এই ব্যাপারটা তাকে অল্পবিস্তর চাপ এবং কমপ্লেক্সে রাখত, ফলে সায়েন্সের ধার দিয়েই সে যায় নি কখনও। অঙ্ক পোষাত না, আজও অঙ্কে ভয় রয়েছে। এইচেসে আর্টস নিয়ে পড়ে একটা ঘ্যামা নম্বর পেল। প্রায় সেভেন্টি এইট পার্সেন্ট। অত:পর স্কটিচ চার্চ। কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। ইংরেজিতে গ্র্যাজুয়েশন। অত:পর পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন। এইবারে চাকরির চিন্তা। নাকের ডগায় সবসময়ে জাজ্বল্যমান দিদি, ভালো পড়াশোনা করে এখন দিল্লিতে কেসচা, ভালো পজিশনে (যদিও তাতে কেমিস্ট্রি অনার্স কোনও কাজেই আসে না) ফলে চাপ আরো বেশি। ইংরেজি অনার্স আর কী চাকরি করবে, তাই জ্ঞান দেওয়া হল, কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরির পরীক্ষায় বোস, এসএসসি এ¾ট্রান্স দে, টিচারির লাইন দ্যাখ।

    সে মেয়ে কোনওদিকেই গেল না। এদিকে চাকরিও সত্যিই দরকার। কিন্তু শিক্ষকতা তার না-পসন্দ। সরকারি চাকরিও পছন্দ নয়। তা হলে? ইংরেজিতে মাস্টার্স করে হাতে রইল পেনসিল। সে অত:পর ঠিক করল মিডিয়া লাইনে যাবে। ভারতীয় বিদ্যা ভবনে ভর্তি হল মাস কম নিয়ে। ক্যাম্পাস হবে, হ্যান হবে ইত্যাদি বড় বড় কথা শোনানো হয়েছিল। গেঁড়ির বোন খুব মন দিয়ে কোর্স করল, ভাল নম্বরও পেল। বছরের শেষে ভারতীয় বিদ্যা ভবন দুটি কুমীরছানা তুলে দেখাল। একটির নাম আকাশবাণী, আরেকটির নাম দূরদর্শন। তাও ক্যাম্পাসে ডেকে আনে নি, বলা হল, ওদের আপিসে যাও, গিয়ে ওমুক লোকের কাছে গিয়ে সিভি ড্রপ করে এসো।

    কোর্স শেষ হল। ছেলেমেয়েরা যে যার নিজের নিজের কানেকশন কাজে লাগিয়ে কেউ মহুয়া বাংলা, কেউ ইটিভি বাংলা ইত্যাদি প্রভৃতিতে ঢুকে পড়ল। এবং গেঁড়ির বোন ফিল্ডে নেমে দেখল, কলকাতা এমন একটি শহর, যেখানে কানেকশন না থাকলে সিইউ-এর ইংলিশ মাস্টার্স প্লাস মাস কম করেও সত্যিই কোনও চাকরি পাওয়া যায় না। অ্যাবসোলিউটলি না। যারা পেয়েছে তারাও খুব সুখে আছে এমন নয়। উদাহরণ, যে মেয়েটা ইটিভি বাংলায় চাকরি পেয়েছে। ইটিভি বাংলার বণ্ড তিন বছরের, তার আগে চাকরি ছাড়া যাবে না, অফিস রামোজী ফিল্ম সিটিতে, হায়দ্রাবাদ শহর থেকে কুড়ি পঁচিশ কিমি দূরে, জঙ্গলের মধ্যে, মাইনে দশ হাজার টাকা। মেয়েটাকে বাড়ি থেকে মাসে মাসে টাকা পাঠাতে হয় মেয়ে হায়দ্রাবাদে চাকরি করতে গেছে বলে।

    আমার শালীকে একদিন চব্বিশ ঘণ্টা চ্যানেল থেকে ডাকল। হয় নি, কিন্তু এক্সপিরিয়েন্সটাও খুব সুখের হয় নি, খুব তেরছা তেরছা কথাবার্তা, প্রতি সেন্টেন্সে টন্ট করা, হ্যাটা করা, মানে বাজে রকমের চাটাচাটি করে আধঘণ্টা বাদে কাটিয়ে দিয়েছিল।

    শালী মাস কম করতে করতে তার পরিধি আরও ন্যারো করে নিয়েছিল। ও প্রিন্ট মিডিয়াতে থাকতে চায়। কোনও পাবলিশিং হাউস অথবা নিউজ পেপার। কদিন আগে মৌলালীতে সিগনেট পাবলিকেশন নামে একটা হাউস ডেকেছিল। নাম ঠিকানা জিজ্ঞেস করেই চাকরি দিয়ে ফেলে আর কি, তারপরে জানা গেল মাইনে দেবে পাঁচ হাজার টাকা।

    শালী পরশু ব্যাগপত্তর গুছিয়ে আমাদের কাছে চলে এসেছে, কারণ নোকরি ডটকমে প্রোফাইল রেজিস্টার করামাত্র ঝাঁকে ঝাঁকে কল আসছে তার কাছে, সমস্ত নয়ডা দিল্লি গুরগাঁও থেকে। এই মুহূর্তে সে গেছে পশ্চিম দিল্লির দিকে একটা জায়গায়, আজই ইন্টারভিউ আছে। ও হ্যাঁ, দিল্লি এনসিআরে এই প্রোফাইলের জবে মিনিমাম স্যালারি পনেরো থেকে কুড়ি হাজার টাকা। মাস জুড়ে ওর অনেকগুলো ইন্টারভিউ শিডিউল আছে। একটা না একটা লেগেই যাবে। এদিকে ওর কলকাতা ছেড়ে আসার একেবারে ইচ্ছে ছিল না। খুব মনের দু:খে আছে :(

    কাল অনেকদিন বাদে উমকীদির সাথে কথা বল্লাম, সে বলল, দ্যাখ আমরা তো এই সব লাইনে থেকে থেকে বুড়ো হয়ে গেছি, তোর শালীকে বল, পারলে যেন কোনওদিন কলকাতায় না ফেরে। ও আজও চাকরি পাচ্ছে না, কোনও গ্যারান্টি নেই পাঁচ বছর বাদে ফিরলেও চাকরি পাবে।
  • ranjan roy | ০১ আগস্ট ২০১১ ১০:২০482602
  • আমি একই সঙ্গে রিমি'র এবং অনেকটা পাইয়ের সঙ্গে একমত। তবে অধিকাংশ সরকারি স্কুলে ডিগ্রিধারি টিচাররা যা তা ভাবে মুখস্থ বিদ্যা শেখান। দিল্লি পাবলিক স্কুল বা জৈন ইন্টারন্যাশনাল( ছত্তিশগড়েও রমরমিয়ে চলছে, পরেরটি আবার হর্স রাইডিং শেখায়!) যে পরিমাণ পয়সা নেয় সেই অনুপাতে ইনফ্রাস্ট্রাকচার দেয় বলে মনে হয় না,তবে পেরেন্‌ট্‌স রা বিরাট ঘ্যাম নেয়।
    ওদের তুলনায় আমি কেভি বা নবোদয়কে ১০০ দেব। আর অধিকাংশ জায়গায় বণিককুল এই স্কুলগুলোর ফ্র্যাঞ্চাইজি নিয়েছে। ফলে কোয়ালিটি অনেক ভ্যারি করে।
    একটা খবর দিতে চাই। ছত্তিশগড়ে SCERT অফিসের অধীনে স্কুলে, বিশেষত: গ্রামের স্কুলে ইংরেজি কিভাবে পড়ানো উচিৎ তা নিয়ে সক্রিয় ইউনিট খোলা হয়েছে। এদের ক®¾ট্রালিং অফিসে যাঁরা আছেন তাঁরা হায়দ্রাবাদের central InsTiTuTe of Foreign Languages থেকে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত। এই ইউনিটটি কিছু চয়নিত টিচারকে ট্রেনিং দিয়ে রিসোর্স পার্সন হিসেবে ডেভেলপ করিয়ে
    সারাবছর গোটা রাজ্যে স্ট্রাকচারড্‌ ভাবে টিচারদের ট্রেনিং/ওয়ার্কশপ করিয়ে বেড়াচ্ছে। এটার খুব দরকার ছিল, কারণ এখানকার অধিকাংশ সিনিয়র টিচার ""ইংরেজি ভাগাও''আন্দোলনের যুগে স্কুলে পড়েছিল।
    এই প্রোজেক্টে আমার নাটকের টিমের দু'জন আছে, যারা মূলত: হিন্দি মাধ্যমে পড়েছে। সেদিন আমার সামনে কোলকাতার বৃটিশ কাউন্সিলের কোন অভিজিত বাবুর ফোন এল-- আমাদের যোগেশকে আগামী মাসে গুয়াহাটি যেতে হবে অ্যাডভান্সড প্রশিক্ষণ শিবিরে, ভাল লাগলো। আমি জানতে চাই এটা কি সে¾ট্রাল স্কীম না কি ছত্তিশগড় রাজ্যের ইনিশিয়েটিভ?
  • siki | ০১ আগস্ট ২০১১ ১০:২৯482603
  • দিল্লি পাবলিক স্কুল নয়ডাতেও হর্স রাইডিং শেখায়।

    সুইমিংও শেখায়। দুটোর মধ্যে একটা নিতেই হবে। আমার মেয়ে নার্সারি থেকে সুইমিংয়ের ক্লাস করে আসছে। এখন ক্লাস ওয়ান, এখনও সাঁতার জানে না। ওদের সপ্তাহে একদিন একটা স্‌প্ল্যাশ পুলে সুইমিং কস্ট্যুম পরিয়ে নামিয়ে দেওয়া হয়, ঝাঁপাঝাঁপি করে হাঁটুজলে।

    এর জন্য আমরা বাৎসরিক ছত্তিরিশশো টাকা দিই। দিতে বাধ্য।

    সাড়ে তিন বছর মেয়েকে এখানকার "নামকরা' ইস্কুলে পড়িয়ে এখন আমার কেবলই মনে হচ্ছে, আমরাই বোধ হয় ভালো ছিলাম। কে জানে!
  • pis | ০১ আগস্ট ২০১১ ১০:৩২482605
  • অব বিষয়ে এই টীচার ট্রেনিং টা সবচে গুরুত্বপূর্ণ জিনিশ আর সেটা প্রয়োগ করা হচ্ছে কিনা দেখা।

    টীচারদের অ্যাননিমাস এভ্যালিউশন সিস্টেম কেন যে চালু হয়না !

    আমাদের বি এড কোর্সেও যদ্দুর জানি, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মুখস্ত করা শেখানো শেখায় না। অনেক ইনোভেটিভ উপায়ে পড়ানো টড়ানো শেখানো হয় তো। কাজের সময় ক'জন সেতা করেন ?

    অবশ্য করেন না, এমনওনা। কিন্তু খুব কম।
  • pi | ০১ আগস্ট ২০১১ ১০:৩৪482606
  • সিকি, কেভি দেখলে পারো। তোমার তো সুবিধা আছে। বৌ কেসচা।
  • siki | ০১ আগস্ট ২০১১ ১০:৩৮482607
  • কেভির অন্য চাপ। চেষ্টা করেছিলাম। উদ্ভট স্কুল টাইমিং, আমাদের আপিসের সাথে ম্যাচ করবে না।

    আর্বান হ্যাজার্ডস :-)
  • pi | ০১ আগস্ট ২০১১ ১০:৪৩482608
  • সিকিকে একটা কোশ্ন। কেসচার পরীক্ষা দিতে গেলে কেমিস্ট্রি বা ইংলিশ অনার্স, ম্যাটার করে কি ?
  • siki | ০১ আগস্ট ২০১১ ১০:৫০482609
  • না। একেবারেই না। তবে "কেসচা'র পরীক্ষা বলে তো একটা পরীক্ষা হয় না। আমার বৌ যেটাতে বসেছিল সেটাকে বলে SSC - CSS; -- স্টাফ সিলেকশন কমিশন, সে¾ট্রাল সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস। এতে গ্র্যাজুয়েশন মাস্ট। এবার যার যে বিষয়ে মেজর, তাকে সেই বিষয়ে দু একটা প্রশ্ন করা হয়। পল সায়েন্স কেমিস্ট্রি বাংলা ইংরেজি যা কিছু নিয়ে গ্রাজুয়েট হলেই এর পরীক্ষা দেওয়া যায়। প্লাস ঐ ৫০% নম্বর, বয়েসের উর্ধ্বসীমা এসব থাকে।

    এর আগে সে ছিল WBCS, সেটাতেও কেমিস্ট্রি বা ইংলিশ অনার্স কাজে আসে না।

    তবে স্পেসিফিক কেসচা-র যে চাকরি, যেমন ধরো ট্র্যানস্লেটরের জব, সংসদ ভবনে কাজে লাগে, তার জন্য ল্যাঙ্গুয়েজে গ্র্যাড বা পোস্ট গ্র্যাড লাগে। বিভিন্ন সরকারি রিসার্চ ল্যাবে স্পেসিফিক সায়েন্টিস্ট পোস্টের জন্য কেমিস্ট্রি লাগলেও লাগতে পারে, ডিপেন করছে কীসের চাকরি তার ওপর।
  • pinaki | ০১ আগস্ট ২০১১ ১০:৫৪482610
  • নবোদয়ের মত বিদ্যালয় করতে টাকা লাগে না? প্রথম যে জায়গায় টাকাটা লাগবে সেটা হল ছাত্র শিক্ষক অনুপাত কমানো। ৪০:১ থেকে ২০:১ এ নিয়ে আসা। মানে ডাবল টীচার। এবং যোগ্য। পয়সা না দিলে যোগ্য টীচার আসবে কোদ্দিয়ে? আর স্কুল এডুকেশনে মোট খরচের ৯৫% টীচারদের মাইনে দিতে ব্যয় হয়। তার মানে আজ যে সংখ্যক সরকারি স্কুল আছে তাদের সবাইকে নবোদয় করতে হলে স্কুল বাজেট প্রথমেই ডাবলের বেশী করতে হবে। কোথা থেকে সেই টাকাটা আসবে? সরকারের স্পেশাল মিশন না থাকলে? কোন সরকারের প্রায়োরিটিতে সেটা আছে? সরকার করবে কেন? বেসরকারি ক্ষেত্রকে ব্যাবসা করার (পড়ুন লুটে খাওয়ার) সুযোগ দেওয়ার জন্যেই তো সরকারি স্কুল শিক্ষাকে উন্নতি করা হয় নি। দু চারটে নবোদয় খুলে চোখে ঠুলি পরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আর সব স্কুল নবোদয় হয়ে গেলে তো সেই মত প্রচুর ভালো কলেজও খুলতে হবে। না হলে এই নবোদয় থেকে বেরোনো ভালো ভালো ছত্র-ছাত্রীরা যাবে কোথায়? এখন এই অবস্থাতেই কলেজ ভর্তি নিয়ে যা মারামারি। তার মানে কি দাঁড়াল? সব স্কুল নবোদয় করা মানে সমানুপাতে কলেজ বৃদ্ধি। অর্থাৎ সরকারের শিক্ষাখাতে ব্যয় এখনকার প্রায় দশগুণ করতে হবে। কোন সরকার সেটা করার জায়গায় আছে?

    এখানে সমস্যাটা নবোদয় স্কুলের সুযোগসুবিধে বা পড়ানোর পদ্ধতি নিয়ে হচ্ছে না। হচ্ছে তার রাজনীতি নিয়ে। ভারতের শিক্ষাব্যবস্থায় সব স্কুল নবোদয়ের মত হলে ভারত আর আম্রিকার শিক্ষা নিয়ে তুলনা করার দরকার হত না। কিন্তু সেটা তো হওয়ার নয়। (এই 'হওয়ার নয়' কথাটা একটা আর্থসামাজিক সিস্টেমের গ্রস চরিত্রকে মাথায় রেখে বলা হচ্ছে। এটা না বুঝলে এই তর্কের মানেই হয় না - তর্কের জন্য তর্ক হয়ে যাচ্ছে)

    আর প্রাইভেট এলিট স্কুল নিয়ে তো সমস্যা আছেই। কিন্তু সেগুলোর রমরমা কেন? তারা তো বাজারের ডিমান্ডের সুযোগ নিয়ে আর সরকারের অপদার্থতার সুযোগ নিয়ে করে খাচ্ছে। আঙুল তাদের দিকে আগে তুলব? নাকি সরকারের দিকে?

    আর আমি আগেই এটা বলেছি বহুবার - ব্যতিক্রমী উদাহরণ আছে, প্রচেষ্টা আছে। সেগুলো থাকাই উচিৎ। কিন্তু আলোচনাটা কি নিয়ে হচ্ছিল? ভারতের ব্যতিক্রম আর আম্রিকার সাধারণ ব্যবস্থা নিয়ে? নাকি আম্রিকার ব্যতিক্রম আর ভারতের সাধারণ ব্যবস্থা নিয়ে? নাকি দুদেশের মেইনস্ট্রীম স্কুলশিক্ষার সাধারণ ব্যবস্থা নিয়ে?

    একটা দেশ উন্নত ধনতান্ত্রিক দেশ। আর একটা তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশ। দুটো দেশের কারেন্সির অনুপাত ১:৪৫। এই যেখানে অবস্থা - সেখানে দু-চারজন অনিল সদগোপাল চাইলেই সেখানকার স্কুল শিক্ষা উন্নত ধনতান্ত্রিক দেশের মত হয়ে যাবে না। এই নির্মম সত্যিটা বুঝতে হবে। যদিও সেই প্রচেষ্টা অবশ্যই জারি থাকা উচিৎ। পাই এর সাথে যেখানটায় ডিফারেন্সটা হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে সেটা হল - ওর স্পিরিটটা হল (আমি যা বুঝেছি, ভুল হতে পারে) কিছু ইনোভেটিভ উপায় অবলম্বন করেই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার যে জায়গাগুলোয় সমস্যা - যেমন চাপ-টাপ, কিছু বিশেষ কেরিয়ারমুখিনতা - সেগুলো দূর করে ফেলা যায়। আমার মতে সেটা তখনই হওয়া সম্ভব যখন একটা দেশের আর্থিক স্বনির্ভরতা আছে ভালোরকম, প্রচুর চাকরির সুযোগ রয়েছে জনগণের জন্য, একটা অন্য দৃষ্টিভঙ্গির সরকার রয়েছে - যারা অ্যাটলীস্ট একটা ওয়েলফেয়ার স্টেটের রোল নিতে পারে - তখন এইসবই 'ব্যবস্থা' হিসেবে চালু হতে পারে। তার আগে অব্দি এগুলো ব্যতিক্রম হিসেবেই থাকবে। অর্থাৎ চাপ-টাপ ইত্যাদির মত ব্যাপারগুলোকে আমি একটা আর্থসামাজিক সমস্যা হিসেবে দেখছি। পাই এর লেখা পড়ে আমার মনে হচ্ছে (ভুল হতে পারে) ও এগুলোকে পড়ানোর পদ্ধতি আর কারিকুলামের সমস্যা হিসেবে দেখছে। আমার মনে হয় পড়ানোর পদ্ধতি ও কারিকুলাম দুটোই অনেকাংশে সামাজিক চাহিদা দিয়ে নির্মিত হয়। যখন জয়েন্ট এ¾ট্রান্সে ৫ নম্বরওয়ালা বড় প্রব্লেম দেয় - তখন টীচাররাও সেরকম প্রব্লেম সলভ করতে শেখায় ক্লাসে। যখন পুরোটা অবজেক্টিভ হয়ে যায় - তখন টীচাররাও মেথড অফ এলিমিনেশন ইত্যাদি ট্রিক দিয়ে আর ফর্মুলা দিয়ে কিভাবে তাড়াতাড়ি প্রব্লেম সলভ করা যাবে - সেসব শেখায়।

    এইবার এই তক্ক থেকে অমি রিটায়ার করছি। আর সময় নাই। :-(
  • pinaki | ০১ আগস্ট ২০১১ ১১:৩৮482611
  • পাই কে প্রশ্ন। তুই একটা অন্যরকম কম্বি নিয়েছিলি - কারণ তুই ভাল স্টুডেন্ট। তোর কনফিডেন্স আছে। একটা অ্যাভারেজ স্টুডেন্ট সেটা করতে ভরসা পাবে কেন? যদি সে দেখে উদ্ভট কম্বি নিয়ে পড়লে চাকরির সুযোগ সীমিত? এইখানটাতেই তোর আর আমার অ্যাপ্রোচের ডিফারেন্সটা ক্লিয়ার হচ্ছে। তোর ধারণা (পড়ে মনে হল) প: ব: এর স্কুলে সব রকমের কম্বি নেওয়ার অপশন ক্রিয়েট করে দিলেই যেন প: ব: এর শিক্ষার ফ্লেক্সিবিলিটি আম্রিকার সমান হয়ে গেল। এটা হয়তো একটু এক্সট্রীম স্টেটমেন্ট হল - কিন্তু তোর স্পিরিটটায় এই ঝোঁকটা আছে। যেখানটায় আমি দ্বিমত। আমি আমার বা পরবর্তীকালে আমার বোনেদের ক্ষেত্রে উ: মা: র কম্বি নিয়ে প্রচুর ভুগেছি। যা খুশি কম্বি চাইলেই নেওয়া যায় না। কারন অধিকাংশ স্কুলে যা খুশি কম্বি নেওয়ার ব্যবস্থাই নেই। একটা দুটো টিপিক্যাল সেট আছে। ব্যাস। প্রশ্ন হচ্ছে তারা রাখবে কেন? রাখলে তো সেই ইনফ্রাস্ট্রাকচারও তাকে মেনটেন করতে হবে। অথচ পাব্লিকের সেইসব কম্বি নিয়ে পড়ার কোনো ইচ্ছে নেই। একজন দুজন হয়তো চায়। এখানেই তো সামাজিক 'প্রেক্ষিত' (PT র মত বল্লাম ;-)) চলে আসবে। এবং গ্রসলি দেখা যাবে তাই দিয়েই এই স্কুলগুলোর সিলেবাস থেকে শুরু করে ইনফ্রাস্ট্রাকচার - সব নির্ধারিত হচ্ছে। একটা সিস্টেমের ভালো খারাপকে বিচার করতে হলে সেই সিস্টেমের অ্যাভারেজ স্টুডেন্টের স্বাধীনতা - ইত্যাদিকে দিয়ে বিচার করতে হবে। এক্সেপশনালরা গন্ড গ্রামে ফেলে রাখলেও ভালো করবে। তাই দিয়ে বিচার করা যাবে না সিস্টেমের ভালো খারাপ। আর আমাদের দেশে একটা অ্যাভারেজ ছত্রের উপর যে চাপ সেটা থেকে সে নিজে চাইলেই নিজেকে বিযুক্ত রাখতে পারে না। এটা ব্যক্তির দোষ নয়। সিস্টেমের সীমাবদ্ধতা। আর সিস্টেম মানে এখানে শুধু বিচ্ছিন্নভাবে স্কুল সিস্টেম নয়। স্কুল-কলেজ-চাকরি নিয়ে পুরো ব্যবস্থাটা। আমাদের দেশে মাঝে ইতিহাস ইত্যাদির মত সাবজেক্টগুলোকে 'নন-প্রোডাক্টিভ' বলে তুলে দেওয়ার কথা উঠেছিল। আম্রিকায় কোনোদিন উঠেছে বলে জানা নেই।

    এখানে কোনো সিস্টেমকে মহান বা অন্যটাকে খারাপ প্রতিপন্ন করার ব্যাপার নেই। এটা একটা দু:খজনক বাস্তব।

    আমাকে এবার সত্যি কাটতে হবে। :-(
  • dukhe | ০১ আগস্ট ২০১১ ১২:৩৫482612
  • দ্যাহেন - ভারতের অনেক ইস্কুলে চাল নেই, পরিচ্ছন্ন শৌচাগার নেই - এসব নিয়ে তক্কো করার কিছু নেই। আম্রিগা এসব জায়গায় এগিয়ে তো থাকবেই।
    আর বিভিন্ন কম্বির ইনফ্রাস্ট্রাকচার নির্ভর করবে কতজন সেটা নেবে তার ওপর। কলাভবনে ভর্তি হতে প্রচুর ছেলেপিলে যুদ্ধ করে, অতএব চালু আছে। ভারতীয় দম্পতি যদি চান আম্রিগার ইস্কুলে বেসিক এডুকেশনে ছেলে মাতৃভাষা শিখুক, তার সুয়োগ কতটা আমার জানা নেই।
  • kiki | ০১ আগস্ট ২০১১ ১২:৩৯482613
  • যা বলব বলে কী বোর্ডে হাত দিচ্ছি সবই পিনাকি বলে যাচ্ছে। ক্ষী চাপ!
  • dukhe | ০১ আগস্ট ২০১১ ১২:৫১482614
  • একটা দেশ - যেখানে মিড-ডে মিল দিয়ে বাচ্চাদের ইস্কুলে আনতে হয়, তার সঙ্গে আম্রিগার - যেখানে পুরোনো গাড়ি চালানো গরীবিয়ানার ধারণায় পড়ে - তুলনা করাটা বাতুলতা। আম্রিগান শিক্ষাব্যবস্থায় যদি মিড-ডে মিল না থাকে, কপি-পেস্ট করে ওটা উড়িয়ে দিয়ে ভারতীয় শিক্ষার উন্নতিসাধন হবে - এমন ভাবাটাও পাগলামো। আম্রিগান সিস্টেম হয়তো অ্যানসার টু সাম প্রবলেমস, কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই সেট অফ প্রব্লেমস টা এখানে একান্তই আলাদা।
  • kiki | ০১ আগস্ট ২০১১ ১২:৫২482616
  • মানে শুধুমাত্র স্কুলের ব্যাপারের কথাগুলোর ক্ষেত্রে..........
  • ppn | ০১ আগস্ট ২০১১ ১৪:১৪482617
  • দুখেকে বড় করে ক।
  • siki | ০১ আগস্ট ২০১১ ১৪:৫০482618
  • দুখে এত শর্টে এত সারকথা বলেন কী করে?
  • aka | ০১ আগস্ট ২০১১ ১৬:২১482619
  • তক্কোটা শুরু হয়েছিল ভারতীয় স্কুলিং সিস্টেম ও আম্রিগার সিস্টেমের তুলনা নিয়ে। তুলনা করা উচিত নয়, তাও তুলনা হয় এবং আমি বহু ভারতীয়র মধ্যে এই ভাবটা দেখেছি যে ভারতীয় স্কুলিং সিস্টেম ভালো এক, ওবামা তার ভাষণে বলেছেন, দুই, ভারতীয়রা মুখে মুখে যোগ বিয়োগ করতে পারে। যাক, এটা মেনে নিতে আপত্তি না থাকে যে আজকের দিনে দাঁড়িয়ে এই দুটো সিস্টেমের মধ্যে তুলনা বাতুলতা তাহলে বিশেষ কিছু বলার নেই। এমনিতে তুলনা হলেও খুব কিছু না, কিন্তু সেক্ষেত্রে ভারতীয় ছাত্ররা মুখে মুখে যোগ বিয়োগ করতে পারে অতএব সিস্টেম ভালো এই মিথের আড়ালে ঢাকা পড়ে যায় অনেক কঠোর বাস্তব, একটা ফিল গুড ভাব আসে।

    সিস্টেমের ওভারহল মানে আমেরিকার কপি পেস্ট নয়। একটা উদাহরণ দিলে মনে হয় সুবিধা হবে। যেমন নবোদয় বিদ্যালয় শুরু হবার আগে আমি চাইব সমস্ত স্কুলে ছাদ হোক, আরও টীচার রিক্রুট হোক। বা ব্রাত্য বসু সকালে উঠে ক্লাস এইট অবধি পাশ ফেল থাকবে না এটা বলার আগে একটা সঠিক কমিটি তৈরি হোক। যদি সত্যিই কপি পেস্ট করতে হয় তাহলে আমেরিকায় যা যা আছে তাই তাই নয় বরং যেভাবে ওরা সিদ্ধান্তে পৌঁছয়, যেভাবে একটা রোবাস্ট পাব্লিক সিস্টেম তৈরি করে সেই জিনিষের কপি পেস্ট হোক। আমেরিকায় ম্যাগনেট আছে বলেই আমাদের নবোদয় বিদ্যালয় করতে হবে এটা আমেরিকায় যা আছে তার কপি পেস্ট কিন্তু আমেরিকান রা যার ওপর দাঁড়িয়ে ম্যাগনেট স্কুলের সিদ্ধানত নিয়েছিল তাকে এড়িয়ে যাওয়া।
  • dukhe | ০১ আগস্ট ২০১১ ১৬:২৮482620
  • আরে কী জ্বালা। ব্রাত্য বসু সকালে উঠে কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি। আবাপও লিখল আর আপনিও শুনলেন। সাধে কি PT রেগে যান ?
    ইঞ্জিরি তুলে দেওয়াটাও এক রাতের সিদ্ধান্ত না। দস্তুরমত কমিটি গড়ে বাঘা বাঘা শিক্ষাবিদের পরামর্শে করা হয়েছিল। আপনার-আমার যতই অপছন্দ হোক, পরে কর্তারা যতই ভুল বুঝুন, এক রাতের সিদ্ধান্ত আদৌ নয়।
  • aka | ০১ আগস্ট ২০১১ ১৬:৩১482621
  • ডেটা দেখান। ব্রাত্য বসুর টা অবশ্য ইংরিজি নয়, ক্লাস এইট অবধি পাশ ফেল তুলে দেওয়া। আবার কপি পেস্ট আমিও বললাম আপনিও ধরে নিলেন। চা খেতে খেতে সিদ্ধান্ত নয় প্রপার ডেটা ড্রিভেন ডিসিশন মেকিং বা কোয়ালিটেটিভ লজিকাল ডিসিশন মেকিং। রিপোর্ট দেখান মেনে নেব।
  • dukhe | ০১ আগস্ট ২০১১ ১৬:৪১482622
  • বুঝিনি কমরেড। কোন ডেটা ? ব্রাত্য বসুর চিঠি দেখাতে পারি আবাপতে। লিংটা খুঁজে পেতে হবে, মোদ্দা কথা খবরটার প্রতিবাদ করে জানিয়েছিলেন এমন কোন সিদ্ধান্ত আদৌ হয়নি।
    আর পবিত্র সরকার কমিশনের রিপোর্ট চাইছেন ?
  • kc | ০১ আগস্ট ২০১১ ১৬:৫৪482623
  • নাকি অশোক মিত্র কমিশন?
  • aka | ০১ আগস্ট ২০১১ ১৬:৫৭482624
  • আরে ব্রাত্য বসু যে বললেন ক্লাস এইট অবধি পাশ ফেল নেই এর পিছনে কি অর্থনৈতিক, সামাজিক কারণ? কোনো কি রিসার্চ হয়ে তবে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া গেছে? নাকি এটাও একটা ভোটের সিদ্ধান্ত?
  • kc | ০১ আগস্ট ২০১১ ১৭:০১482625
  • আরে ব্রাত্য ওরম কথা কোথায় কইল? বলেছিল যে এরকম একটা চিন্তা ভাব্‌না ভাবা হচ্ছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত প্রতিক্রিয়া দিন