এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ranjan roy | ০৪ অক্টোবর ২০১৩ ২৩:০৮613197
  • পিটি,
    এইটা কি বললেন? কামদুনিতে চোখ রাঙনি সত্ত্বেও অধিকাংশ লোকজনই ভোট বয়কট করেছে সেটা তো পত্রিকায় একেবারে সংখ্যা দিয়ে দেখানো আছে।
    আর কোন পার্টি বা ট্রেড ইউনিয়ন আগে থেকেই সব আন্দোলনের পরিণতি জানে? জেনে তবে আন্দোলনে নামে? আপনি জানতেন যে মেয়েটির পরিবার চাকরিও টাকা নেবে? প্রথমে এতবার যখন রিফিউজ করল, রাইটার্সে গিয়ে বা ওদের বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী আসলেও, তখনই জেনে গেছলেন? কি যে বলেন?
    আর কমিউনিস্ট দের যত মহান আন্দোলন, তেলেঙ্গানা-তেভাগা-খাদ্য আন্দোলন-ট্রাম আন্দোলন- যেগুলোতে নগদ বিদায় কম, দীর্ঘস্থায়ী ও নৈতিক জয় আছে সব ভুল ছিল?
    চীন-ভারত সীমান্ত সংঘর্ষের সময় সিপিএম এর চীনের পক্ষে দাঁড়িয়ে জেলে যাওয়া বা জরুরী অব্স্থায় ইন্দিরা গান্ধীর বিরোধিতা সব ভুল? সিপিআইয়ের লাইনে নেহেরুর পাশে দাঁড়িয়ে চীনের বিরোধিতা অথবা ইমার্জেন্সিতে ইন্দিরার সমর্থন করাই উচিত ছিল?
    আমি তো শিখেছি যে কমিউনিস্টারা তাৎকালিক লাভ-লোকসান না দেখে নৈতিক ও নীতিগত প্রশ্নে স্রোতের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে ভয় পায় না।সেটাই ওদের শক্তি। সেটাই সংগঠন গড়ে তোলে। ভুল শিখেছি দেখছি।
  • PT | ০৫ অক্টোবর ২০১৩ ০০:০২613198
  • কামদুনি আর চীন নিয়ে এক নিঃশ্বাসে আলোচনা শুনে আমার একটু বদহজম হয়ে যাচ্ছে। আসলে কামদুনি নিয়ে যাদের সত্যি সত্যি রাস্তায় নামা উচিৎ ছিল সেই সব নির্যাতিতের পরিত্রাতা, মেধা, অনুরাধা, অগ্নিবেশ, সুজাত ইত্যাদিদের অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়েও দেখা যাচ্ছে না। এনারাও হয়্ত সাইড লাইনে অপেক্ষা করছেন। কোন রাজনৈতিক দল পথে নামলে তাদের কাঁধে চড়ে "আন্দোলন" করে আত্মশ্লাঘা বোধ করবেন। আর এ রাজ্যের মানবাধিকার সংগঠন গুলো যে ফাঁকা কলসীর মত কাজে লাগার চাইতে বেশী শব্দ করে (চ্যানেলে চ্যানেলে বাইট দিয়ে) সেটাও পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে।
  • রোবু | ০৫ অক্টোবর ২০১৩ ০০:৫১613199
  • পরিবর্তন কস্টলি হয়েছে সেটা সত্যি। কিন্তু আমি কল্ললদা আর অরন্যদাকে এই ইস্যুতে ক দিয়ে গেলাম।
  • s | ০৫ অক্টোবর ২০১৩ ০৪:০৭613200
  • চীন-ভারত সীমান্ত সংঘর্ষের সময় সিপিএম এর চীনের পক্ষে দাঁড়িয়ে জেলে যাওয়া বা জরুরী অব্স্থায় ইন্দিরা গান্ধীর বিরোধিতা সব ভুল? সিপিআইয়ের লাইনে নেহেরুর পাশে দাঁড়িয়ে চীনের বিরোধিতা অথবা ইমার্জেন্সিতে ইন্দিরার সমর্থন করাই উচিত ছিল?
    - চীনের পক্ষে দাঁড়ানো একশোবার ভুল হয়েছিল।
  • সে | ০৫ অক্টোবর ২০১৩ ০৪:৪০613201
  • দাঁড়ান। শুনুন। আমিও আমার কোটার বাকতাল্লাটা মেরে দিই।
    কামদুনির মেয়েটা- যে মরে গেছে এবং মরবার আগে তার ওপরে গণধর্ষন হয়েছিলো আমি তার ভাই নই, মা-বাবা, কোনোটাই নই। নিজেকে তাদের জায়গায় দাঁড় করিয়ে কীরকম লাগে সেই অনুভূতি সিমুলেট করবার কোনো পদ্ধতি আমার জানা নেই। তবু বলতে পারি আমি যদি ঐ মরে যাওয়া মেয়েটির ভাই/দাদা হতাম চাকরিটা আমি নিয়ে নিতাম। মরে যাওয়া বোনকে তো কেউ ফিরিয়ে দেবে না তা সে যতবড় পার্টিই হোক। যদি ওর বাপ বা মা হতাম ঐ চুড়ান্ত দারিদ্র্যের মধ্যে আর্থিক সাহায্যও নিয়ে নিতাম নিজের মেয়েকে হারানো সত্ত্বেও। কেন নেব না? টাকা পয়সার দরকার তো রয়েইছে। আরো সন্তান রয়েছে, সংসার রয়েছে, এবং দারিদ্র্য। টাকা বলুন চাকরি বলুন - ফিরিয়ে দিলেই খুন হয়ে যাওয়া মেয়েটার সব দোষী শাস্তি পেয়ে যাবে? তেমন গ্যারান্টি আছে? টাকা চাকরি ফিরিয়ে দিলেই আর কোনো দল এই ধর্ষন মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নিজের নিজের রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির ফিকির খুঁজবে না? ন্যায়বিচার যদি হবার তবে তা হবে। সেই বিচার পাবার জন্যে সবারই সমান আগ্রহ থাকা দরকার নয় কি? যে মেয়েটি খুন হয়েছে তার বাপ মা ভায়েদেরই ঘাড়ে সব দায়িত্ব? বাকি কারো কোনো দায়িত্ব নেই?
    যে চুড়ান্ত দারিদ্র্যের মধ্যে ওরা দিনপাত করছে তেমন দারিদ্র্যের অভিজ্ঞতা আছে আপনাদের কারো? হাত তুলুন। কেঁদে কঁকিয়ে গল্প লেখা দারিদ্র্য নয়। নিজের সন্তান গণধর্ষনে মরে গেলে কেমন লাগে জানেন কেউ? হাত তুলুন। এত সবের পরেও যখন পার্টিবাজির ফায়দা লুটবার জন্যে এই হতভাগা বাপ-মা-ভায়েদের দাবার বোড়ের মতো ব্যবহার করা হয় এমন অভিজ্ঞতা আছে কারো আপনাদের মধ্যে? হাত তুলুন। নিজের বোন/দিদি যখন রেপ হয়ে খুন হয়ে যায় ঠিক কীরকম লাগে তখন জানা আছে কারো?
    থাকলে সেই অভিজ্ঞতা বরং শেয়ার করুন। খেরোর খাতায়, নামি অনামি পত্রিকায়, নিদেনপক্ষে ফেসবুকে। আমি লাইক দেবো।
    নিন এখন শারদোৎসব দেবীপক্ষ। নব নব আনন্দে পুলকিত হোন।
  • aranya | ০৫ অক্টোবর ২০১৩ ০৪:৪৭613202
  • সে-র সাথে পুরোপুরি একমত।
    কাঠগড়ায় তুলতে হলে তুলুন তিনো নেতৃত্ব-কে, গ্রামে ঘুরতে থাকা বাইক বাহিনী-কে, রাজনৈতিক মদতপুষ্ট লোকাল ভেড়ি মাফিয়া-কে। ঐ দরিদ্র পরিবারটিকে নয়
  • aranya | ০৫ অক্টোবর ২০১৩ ০৫:১৬613203
  • বস্তুত, জাস্ট তিনো নেতৃত্ব-কে গাল দিলেই চলবে। বাইক-বাহিনী, লোকাল মাস্তান, মাফিয়া হ্যানা ত্যানা সবই তাদের আন্ডারে এবং কন্ট্রোলে
  • কল্লোল | ০৫ অক্টোবর ২০১৩ ০৬:১১613204
  • আশ্চর্য একধরনের মনোভাব দেখে বিস্মিত হতেও ভুলে যাই।
    "রাস্তা, আলো, স্কুল, কলেজ তো সব গ্রামেরই দরকার-সে আন্দোলন তো শুধু কামদুনির জন্য করার কোন মানে হয়না।" কাজেই কামদুনির আন্দোলন কোন আন্দোলনই নয়।"
    এই যুক্তিতে কোন একটি কারখানায় মাইনে বাড়ানো বা অমানবিক কাজের পরিবেশ বা কর্তৃপক্ষের অবিচার নিয়ে কোন আন্দোলনই আন্দোলন নয়। কারন, সব কারখানাতেই মাইনে বাড়া, কাজের পরিবেশ মানবিক হওয়া, কর্তৃপক্ষের অবিচার বন্ধ হওয়া উচিৎ। আলাদা করে কোন কারখানায় এই নিয়ে আন্দোলন করার কোন মানেই হয় না।
    ৬০এর দশকের জয়া ইঞ্জিয়ারিংএর লড়াই থেকে আজকের মারুতি কারখানার লড়াই সব ফালতু ????
    ধ্যুস, এদের সাথে আলোচনার কোনও মানে আছে কি?

    রোবু। একটু ভেবে দেখুন কোনটা কস্টলি? প্রতিবাদ করতে ৩৪ বছর লেগে যাওয়া। বাইক বাহিনী, লোকাল মস্তান, সিন্ডিকেট মাফিয়া তো ২০১১র পর গজিয়ে ওঠে নি। তারা বহু বছর আগে থেকেই ছিলো। আমাদের প্রত্যয় হতে এতো বছর লাগলো। কারন তখন যারা এসবের হর্তাকর্তা ছিলেন তারা অনেক বেশ ধূর্ততার সাথে এগুলো চালাতেন।
    আজকে সেই বাইক বাহিনী, লোকাল মস্তান, সিন্ডিকেট মাফিয়ারা রং পাল্টেছে। তাদের আজকের প্রভুরা অগের প্রভুদের মতো ধূর্ত নয়, তাই প্রতিবাদও হচ্ছে ঘটনার সাথে সাথেই। কামদুনির চেয়ে কম বর্বরতা ভোগ করেনি সুটিয়া। বাম আমলে সুটিয়া নিয়ে এতো শোরগোল কানে এসেছিলো কি?
    আমার কাছে এটুকুই পরিবর্তন - অন্যায় হচ্ছে, কিন্তু প্রতিবাদ্টাও হচ্ছে তখনই।
    আমি বিশ্বাস করি শেষ বিচারে রাষ্ট্র অসলে একটি নিপীড়নের যন্ত্র। সেটা যারা চালায়, তাদের মধ্যে ফারাক উনিশ-বিশ। ওবামা আর বুশে খুব ফারাক আছে কি? আছে, ঐ ধূর্ততার কম বেশীতে। সিপিএম ও তৃণমূলের ফারাকটাও তাইই।
  • কল্লোল | ০৫ অক্টোবর ২০১৩ ০৬:১৫613205
  • পরে দেখলাম সিএমও পরিবর্তন কস্টলি বলেছেন। তাই উপরের পোস্টের রোবুকে লেখা অংশটি সিএমএর জন্যেও।
  • কল্লোল | ০৫ অক্টোবর ২০১৩ ০৬:২০613207
  • বিরক্তিতে কপি পেস্ট করতে গিয়ে একটু ভুল হয়ে গেছে।
    "রাস্তা, আলো, স্কুল, কলেজ তো সব গ্রামেরই দরকার-সে আন্দোলন তো শুধু কামদুনির জন্য করার কোন মানে হয়না।"
    এটুকুই পিটির মত।
    "কাজেই কামদুনির আন্দোলন কোন আন্দোলনই নয়।"
    এটা আমার মন্তব্য ছিলো Date:04 Oct 2013 -- 08:23 PM
    অবশ্য তাতে আমার বক্তব্যের কোন ফারাক হয় নি।
  • aranya | ০৫ অক্টোবর ২০১৩ ০৬:৩০613208
  • আমাদের মত মানুষ নিয়েই তো রাষ্ট্র - মন্ত্রী, সান্ত্রী, আমলা, পুলিশ, আর্মি - কেন তা নিপীড়নের যন্ত্র না হয়ে জনকল্যাণের মাধ্যম হয় না ?
  • ক্ষমতা | ০৫ অক্টোবর ২০১৩ ০৮:৪১613209
  • কারণ মন্ত্রী, সান্ত্রী, আমলা, পুলিশ, আর্মি - এদের হাতে ক্ষমতা আছে, আমাদের সাধারণ মানুষের হাতে নেই। একটি সাধারণ মানুষ যেই মন্ত্রী, সান্ত্রী, আমলা বা পুলিশ হবে, অন্যের ওপর ছড়ি ঘোরাবার অধিকার পাবে, অমনি সে ক্ষমতার অপব্যবহার শুরু করবে।
  • cm | ০৫ অক্টোবর ২০১৩ ০৮:৫১613210
  • এই প্রশ্নটা নিয়ে আলোচনা হলে বেশ হত।
  • PT | ০৫ অক্টোবর ২০১৩ ১০:০১613211
  • "৩৪ বছরের অপশাসন" এই তক্কে আবির্ভুত হওয়ার অপেক্ষাতে ছিলাম। অবশেষে মা আবির্ভুতা হইলেন। এটা না বললে "সিপিএম যাক যে আসে আসুক" এবং কামদুনির ঘটনা -এই দুটোকে ঠিক মেলানো যাচ্ছিল না এবং নিজেদের তাত্বিক কৃতকর্মকেও নিজেদের কাছে justify করা যাচ্ছিল না।

    "কামদুনির চেয়ে কম বর্বরতা ভোগ করেনি সুটিয়া। বাম আমলে সুটিয়া নিয়ে এতো শোরগোল কানে এসেছিলো কি?"-না আসেনি। সেই একই ধাঁচে এত অল্প সময়ের মধ্যে পার্ক স্ট্রীট থেকে কামদুনি ঘটে যাওয়ার পরেও মমতার সরকারকে মানুষ ঢেলে সমর্থন করেছে ভোট বাক্সে।

    আশা করি এবারে তাহলে সকলে শিক্ষা নেবে যে শুধু মাত্র শাসকের রং বদলিয়ে পরিবর্তন আনা যায় না। শুধু ঔদ্ধত্বের রকমফের ঘটে মাত্র। দরকার "আইনের শাসনের"- আর এটা বলতে বলতে আমার জিভ হাঁটু পর্যন্ত ঝুলে গিয়েছে।

    সুটিয়া কিংবা কামদুনি দু যায়্গাতেই আইনের শাসন অনুপস্থিত। সেটা আগে যদি না থেকে থাকে তাহলে এখনও নেই-কিন্তু অতি বুদ্ধিমান বাঙালী সমাজ সেটা এখনও চেয়ে উঠতে পারেনি। তারা এখন বামেদের রাস্তায় নেমে মমতার ধাঁচে ন্যক্কারজনক গোলমাল সৃষ্টি করার প্রত্যাশা করছে।
  • কল্লোল | ০৫ অক্টোবর ২০১৩ ১০:১৩613212
  • সিএম। এটা নিয়ে আগে কোন এক পকাবু-স্থিকাবু টইতে হয়ে গেছে। তবু এটা নিয়ে যতো কথা হয় ততোই ভালো।
    "আমাদের মত মানুষ নিয়েই তো রাষ্ট্র - মন্ত্রী, সান্ত্রী, আমলা, পুলিশ, আর্মি" একদমই ঠিক। কিন্তু যেই মুহুর্তে এরা মন্ত্রী, সান্ত্রী, আমলা, পুলিশ, আর্মি পরিচয় পেয়ে যায়, সেই মুহুর্ত থেকে এরা আর আগের সেই মানুষটি থাকে না। একধরনের ইন্ডাকশন প্রসেস চলে সারাক্ষণ। এটা খুব যে অফিসিয়াল তা নয়। একটা অফিসিয়াল প্রসেস চলে, তার সাথে চলে একটা আনঅফিসিয়াল প্রসেস।
    ধর পুলিশ বা সেনা। তোমার সাথে সম্পর্কহীন একজন মানুষ, সে একটা কিছু করছে, যে বিষয়টার সাথে তোমার ব্যক্তিগত কোন লেনা দেনা নেই। তোমার হাতে একটা লাঠি দিয়ে বলা হলো - একে মারো। পারবে মারতে? নির্দয় ভাবে পেটাতে, খোলা রাস্তায় সবার সামনে? এটা দ্যাখো।

    এটাকে আবার খবরের কাগজ ও প্রশাসনিক ভাষায় মৃদু লাঠি চার্জ বলে।
    অন্য একটা উদাহরন দেই। দুদল গুন্ডায় মারপিট করছে। তাদের কাছে বোমা পিস্তল আছে। কটা পুলিশ লাঠি হাতে তেড়ে গেলে তারা পালায়। কেন? আমি তুমি লাঠি হাতে ওদের দিকে তেড়ে গেলে কি হতো?
    মন্ত্রী, সান্ত্রী, আমলা তো অন্য লেভেল। তারা সাধারন মানুষের মতো আচরণ করলে সেটা খবর হয়।
  • কল্লোল | ০৫ অক্টোবর ২০১৩ ১০:২০613213
  • "তারা এখন বামেদের রাস্তায় নেমে মমতার ধাঁচে ন্যক্কারজনক গোলমাল সৃষ্টি করার প্রত্যাশা করছে।" আবারও যা বলিনি তা মুখে বসানো হচ্ছে। এসব বাজে অভ্যাস ছাড়ো।
    কামদুনি প্রতিবাদী মঞ্চ তো "মমতার ধাঁচে ন্যক্কারজনক গোলমাল সৃষ্টি" করছে না। অথচ সে আন্দোলনটারও "কোন মানে হয় না"।
  • PT | ০৫ অক্টোবর ২০১৩ ১০:৩৮613214
  • তোমাকে উদ্দেশ্য করে 10:01 AM-এর পোস্টিংটা লিখিনি তো! তাহলে "কল্লোলদা" বলে শুরু করতাম।

    তবে মনের কথাটা বলেই ফেলি। আমার মতে এখন "কামদুনি প্রতিবাদী মঞ্চ" একদম নিরালম্ব বায়ুভুত। বামেরা হাজারটা ভুল করলেও তখন বুদ্ধর মাথায় শিং, ঠোঁটে লাল রং লাগিয়ে রাস্তায় নামার অবস্থা ছিল। এখন সেরকম কিছু চেষ্টা হলে পেঁদিয়ে লাট করে দেবে। তার পরেও কন্যাশ্রী, যুবশ্রী, ক্লাবগুলোকে লক্ষ, লক্ষ টাকা দেওয়ার মাধ্যমে ভোটের সমর্থন অটুট রাখবে।

    এ এক অন্য সময়-সম্পুর্ণ অন্য ধাঁচের স্বৈরতন্ত্র। তাই প্রতিবাদের রাস্তাটাও অন্য রকমের হওয়া দরকার। কামদুনির তথাকথিত আন্দোলন কিছুদিনের মধ্যেই উবে যাবে।
  • b | ০৫ অক্টোবর ২০১৩ ১১:১৭613216
  • "আশা করি এবারে তাহলে সকলে শিক্ষা নেবে যে শুধু মাত্র শাসকের রং বদলিয়ে পরিবর্তন আনা যায় না। শুধু ঔদ্ধত্বের রকমফের ঘটে মাত্র।"
    পিটি-র এই কথার সাথে একমত। তাহলে আন্দোলনটাও এমনভাবে করতে হবে যে, রাজনৈতিক পরিবর্তন আসবে, (রাজনীতি কথাটি আমি পলিসি অফ দ্য স্টেট হিসেবে ভাবছি), কিন্তু সেখানে পার্টি পলিটিক্স থাকবে না।
    তাহলে তো ঘুরে ফিরে সেই এ পি ডি আর বা নাগরিক মঞ্চ। তাঁদের ওপরে রাগ করে লাভ আছে?
  • কল্লোল | ০৫ অক্টোবর ২০১৩ ১১:২৩613218
  • পিটি। আবারও ভুল। সেদিন বুদ্ধর মাথায় শিং, ঠোঁটে রক্ত কে এঁকেছিলো? মনে পড়ে কি? কখগ প্রতিবাদী মঞ্চ বা চছঝ নাগরিক সমিতি? নাহ। তৃণমূল।
    আজও সিপিএম রাস্তায় নামলে পেঁদিয়ে লাট করে দিতে গেলে ব্যথা আছে। আরাবুল কেস খেয়ে যাবে। সেদিন বাদশা-লালু খেয়েছিলো।
    সেদিনও কখগ প্রতিবাদী মঞ্চ বা চছঝ নাগরিক সমিতি প্যাঁদানী খেয়েছে, আজও খাচ্ছে। তাতে কেউ কোন কেস খায় না।
    প্রতিবাদের রাস্তা অন্যরকম হতে হবে? কেমন শুনি একটু।
  • PT | ০৫ অক্টোবর ২০১৩ ১২:৩১613219
  • b
    না, পার্টি-পলিটিক্স থাকবে না এমন কথা বলিনি।

    Kallolda

    সেদিন তৃণমুল ছিল বলেই সেই "নাগরিক" আন্দোলন করে নাগরিকেরা (এপিডিআর সহ) আত্মশ্লাঘা বোধ করেছিল। মমতা এটা সমীর আইচ সহ অনেক বিপ্লবী নাগারিকদেরই বেশ মোলায়েম করে বুঝিয়ে দিয়েছেন। আর এই জমানায় দু-চারটে "কখগ প্রতিবাদী মঞ্চ বা চছঝ নাগরিক সমিতি"-র লোক প্যাঁদানি খেলেও সেটা পব-র রাজনীতিতে কোন ছাপ ফেলবে না-যতক্ষণ না তারা কোন রাজনৈতিক দল বা আবাপ-র মত শক্তিশালী মিডিয়া গ্রুপের সাহায্য পাবে। অবিশ্যি বৃদ্ধকালে তারা এইসব নিয়ে গপ্প লিখে স্মৃতিকথা ছাপিয়ে দু-এক পয়সা কামাতে পারে।

    আর তোমার যদি মনে হয় যে সিপিএমকে প্যাঁদালে সকল আরাবুল কেস খাবে তাহলে বেবাক ভুল করছ। আরাবুলরা দ্রুত শিখছে- তাই পঞ্চায়েত ভোটের আগে অনুব্রত মন্ডল যথেচ্ছ আইন-কানুন ভাঙ্গার পরেও দিদির প্রয়োজন মেটানোর কারণে কেস খায়নি। প্রয়োজন হলে দিদি স্বয়ং থানায় ঢুকে প্রয়োজনের লোকেদের ছাড়িয়ে আনবেন-যা কিনা আমরা "৩৪ বছরের অপশাসনের" কালে কল্পনাও করতে পারতাম না। এসব আরও প্রকট হবে লোকসভার ভোটের আগে।

    গত ৪/৫ বছর ধরে পব-তে শুধু নর্দমা পরিষ্কার, বুদ্ধবাবুর ঔদ্ধত্ব ইত্যাদি অপ্রয়োজনীয় ব্যাপারের সময় ব্যয় হয়েছে আর রাস্তায় নেমে আন্দোলনের নামে প্রকৃত আন্দোলন থেকে মুখ ঘোরানোর চর্চা হয়েছে। তাই আমার প্রতিবাদের রাস্তা-কে আর শুনছে- হবে রাজনীতিতে রাজনীতি/অর্থনীতি ইত্যাদি ফিরিয়ে আনা।
  • কল্লোল | ০৫ অক্টোবর ২০১৩ ১৩:৩৩613220
  • পিটি। ঐখানেই কবি কেঁদেছেন।
    বুদ্ধ ভটচার্য কস্মিনকালেও কাউকে থানায় গিয়ে ছাড়ায় নি। দরকারই পড়ে নি। পুলিশ দপ্তরের ফোনই কাফি। ঐ যে বল্লাম ধূর্ত বদ ও বোকা বদের ফারাক। মমতারও কোন দরকার ছিলো না থানায় যাবার। সিপিকে দিয়ে ফোন করালেই যেখানে হয়, সেখানে সস্তা গিমিক দিতে নিজেই থানায় যায় এবং ফাঁসে। অনুব্রত মিডিয়ার সামনেই বলে বিরোধী পেটাও (তাও আবার কোন বিরোধী - নিজেদের লোকই তারা), বোম মারো। আর ছোট আঙ্গারিয়ার ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা বোবা হয়ে যায়। অ্যারে কয় সূক্ষ্ম কাজ। অনুব্রত কি জিনিস সারা বাংলার মানুষ তখনই জেনে গেছে। তপন, সুকুর, সুশান্ত, লক্ষনকে জানতে ৩৪ বছর লেগেছে।
    "রাজনীতিতে রাজনীতি/অর্থনীতি ইত্যাদি ফিরিয়ে আনা" একটু বিশদ হলে ভালো হয়। মানে ধরো, ঐ কামদুনীর লোকে ঠিক কিরকম আন্দোলন করবে?

    স্মৃতিকথার খোঁচাটা নিজের ওপরেই নিলাম।
  • PT | ০৫ অক্টোবর ২০১৩ ১৫:১৩613221
  • কল্লোলদা

    মনে হচ্ছে যে তোমার কোন একটা দায় আছে-নিজের কাছেই। এবং সেটা প্রমাণ করার জন্য "বুদ্ধ ভটচার্য কস্মিনকালেও কাউকে থানায় গিয়ে ছাড়ায় নি। দরকারই পড়ে নি। পুলিশ দপ্তরের ফোনই কাফি।"-এই সব কাল্পনিক কথাবার্তা লিখছ। কাল্পনিক এই জন্য যে এরকম কোন রেকর্ড এখনও প্রকাশিত হয়নি যা থেকে এইভাবে ধরে নেওয়া এবং বলে দেওয়া যায় যে বুদ্ধবাবু নিজে পুলিশকে ফোন করে অপরাধীদের ছাড়তে বলতেন। তবে তুমি যদি এই বিশ্বাস নিয়ে বুদ্ধ আর মমতাকে একই স্তরে নামিয়ে (বা উঠিয়ে) আনন্দ পাও সেটা তোমার ব্যক্তিগত ব্যাপার।

    ঐ একই বক্তব্য অনুব্রত আর ছোট আঙ্গারিয়া নিয়েও।- ৩৪ বছর দেখিয়ে justification, justification, justification খাড়া করার চেষ্টা। যাতে তিনোদের অতটা খারাপ না দেখায় আর সেই প্রস্তাবিত "সিপিএম যাক যে আসে আসুক" তত্বটিকে আরেকবার সমর্থন করা যায়। আর কি অবাক করা অধ্যাবসায় তোমার লেখায়ঃ "তপন, সুকুর, সুশান্ত, লক্ষনকে জানতে ৩৪ বছর লেগেছে"-অর্থাৎ ১৯৭৭ থেকেই এরা তিনজন "এইরকমই" ছিল!!! সত্যি? তুমি নিজে বিশ্বাস কর এই কথা?

    আমি আবার বলি কামদুনির লোকেদের আন্দোলন করার মত কিছু হাতে নেই-যদিনা তারা কামদুনির বাইরে বেরিয়ে বৃহত্তর কোন ইস্যুর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে।

    আর খোঁচাটা তোমাকে ছিল না। ছিল সেই সব মানুষের দিকে যারা কখনো মানবাধিকার কর্মী সেজে থাকত আর অন্ধকারে তিনোদের হয়ে কাজ করত। এখন পাত্তা না পেয়ে চ্যানেলে চ্যানেলে কান্নাকাটি করে।
  • cm | ০৫ অক্টোবর ২০১৩ ১৭:১০613222
  • দ্যাশভাগের পর তাড়া খাইয়া বাঙালগুলান আইছিল। হ্যাগো পায়ের তলায় জমি ছিলনা তাই লইড়্যা আনল বামফ্রন্টরে। কাউর কাউর পায়ের তলার মাটি শক্ত হইল আর একদল গেল হারাইয়া। এখন আর লড়নের লোক নাই তাই এমনেই চলব।
  • কল্লোল | ০৬ অক্টোবর ২০১৩ ০০:৫৫613223
  • বুদ্ধকে এসব কাজ করতে হয় নি। এলসি বা তেমন হলে ডিসি আছে কি কত্তে? পিসি পজ্জন্ত কেসই যেতো না। তুমি অবশ্য মনে করে আনন্দ পাও যে, সিপিএমের লোকজন ছিলো ডানাকাটা ইজরায়েল। তারা কোনদিনও পুলিশ বা প্রশাসনকে প্রভাবিত করার চেষ্টাই করেনি।

    সুশান্ত, তপন, সুকুর, লক্ষণ চিরকালই হার্মাদ। আদর করে যাদের "জঙ্গী" কমরেড বলা হতো। আমাদের টালিগঞ্জে যেমন ছিলো রোবো খান, ছোট নিজাম।
  • কল্লোল | ০৬ অক্টোবর ২০১৩ ০৭:০৪613224
  • "আমি আবার বলি কামদুনির লোকেদের আন্দোলন করার মত কিছু হাতে নেই-যদিনা তারা কামদুনির বাইরে বেরিয়ে বৃহত্তর কোন ইস্যুর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে।"
    বুঝলাম না।
    কলকাতার জয়া ইঞ্জিনিয়ারিং বা নয়ডার মারুতি কারখানার কিছু কারখানভিত্তিক সমস্যা ছিলো। তাই তারা আন্দোলন করেছিলেন। সেটা তবে খুবই ভুল হয়েছিলো। তাদের তখন দেশের অন্য সমস্যার সাথে খাপ খায় এমন কিছু নিয়ে আন্দোলন করতে হতো?
    ধরো, একটা কারখানায় ছাঁটাই হয়েছে। তখন মনমোহন সরকার নিউকে ডিল নিয়ে অমেরিকার পায়ে মাথা নত করে দিচ্ছে। তো সেই কারখানার শ্রমিকেরা কি করবে? ছাঁটাই বিরোধী আন্দোলন না আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী আন্দোলন?

    কামদুনিতে ধর্ষকেদের শাস্তি, রাস্তা, জল, কলেজ, রাতে আলোর দাবীতে আন্দোলনের সাথে কি কি যোগ করতে হবে? দাগী বাঁচাও অর্ডিনান্স বিরোধী ও শিল্পের জন্য জমি নিয়ে আন্দোলন?
  • cm | ০৬ অক্টোবর ২০১৩ ০৮:০৭613225
  • এই টই এর প্রথমদিকের একটি পোস্ট থেকে বরং কাট পেস্ট করি।
    (রূপঙ্কর সরকার Date:22 Jun 2013 -- 10:44 PM

    "প্রথম কথা এই রকম জঘন্য অপরাধীর সমর্থক কারা ?

    ১) পরিবারের লোক হতে পারে। তারা হাজার অপরাধী হলেও তাকে বাঁচাবার চেষ্টা করতে পারে। কিন্তু এক পরিবারে পঞ্চাশ জন তো থাকতে পারেনা।

    ২) তবে কি কোনও রাজনৈতিক দল? তাহলে তো এক্ষুনি তদন্ত হওয়া উচিত।

    ৩) না হলে কি কোনও সম্প্রদায়? তাহলে তো পালটা সম্প্রদায় র‍্যালি করবেই। ওই যে 'এনক্যাশ' -

    সেটাই তো জিজ্ঞাস্য আমার। কারা এরা? আর কী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে এই বিকৃত সমর্থনের বিরুদ্ধে।")

    এই প্রসঙ্গে কল্লোলদার মতামত জানার ইচ্ছে রইলো। আমরা সত্য বলতে এত ভয় পাচ্ছি কেন? আর সব সময় কিছুর আড়ালে লুকোতে হচ্ছে কেন?
  • কল্লোল | ০৬ অক্টোবর ২০১৩ ০৮:২১613226
  • ৩) কামদুনির ঘটনাটির একটি সাম্প্রদায়িক রং দেবার চেষ্টা হয়েছিলো। সেটা টেঁকেনি মূলতঃ কামদুনির মানুষের আন্দোলনের জন্যই।
    ২) অবশ্যই তৃণমূল। না, এরকম কোন প্রমাণ নেই যে অপরাধীরা তৃণমূলের। তবু কেন এতো নিশ্চিত হয়ে বলছি? কামদুনিতে আন্দোলনরত সংগঠনের পাল্টা সংগঠন গড়েছে তৃণমূল। পুলিশ কয়াল পরিবারকে হেনস্তা করছে। মেয়েটির পরিবারকে সরকারী চাকরী ও সাহায্য নেওয়ানো গেছে এবং তাদের দিয়ে প্রতিবাদী সংগঠনের নামে কুৎসা করানো গেছে। এগুলো তো আর সিপিএম বা বিজেপি করাচ্ছে না। করাচ্ছে তৃণমূলই।
    তবে কি তারা অপরাধীদের সমর্থন করছে? তার জবাবও - না। আদালতে হয়তো অপরাধের তুলনায় কমই শাস্তি পাবে অপরাধীরা। আমার ধারনা, বিচার নিয়ে টালবাহানা চলবেও বহুদিন, যাতে লোকে ভুলে যায়। কিন্তু শাস্তি পাবেই।
    তবে কেন এসব? একজনের দম্ভ। মমতার দম্ভ। ঐ যে গ্রামবাসীদের কেউ কেউ মমতার মুখের ওপর কথা বলেছিলো। এগুলো তারই ফলশ্রুতি।
    একথা, মানে, এই ইস্যুতে মমতার ইগো নিয়ে আগেও বলেছি।
  • PT | ০৬ অক্টোবর ২০১৩ ১২:২০613227
  • কল্লোলদা

    good!! তাহলে নামলে একধাপ। বুদ্ধ নিজে করতেন না-মানে একটা অন্ততঃ ফারাক থাকল বুদ্ধ মমতায়।

    "সিপিএমের লোকজন ছিলো ডানাকাটা ইজরায়েল"-লিখেছি কোথাও? বিন্দুমাত্র আভাসেও? কিন্তু আদ্দেক ইতিহাস বললে যে-জঙ্গী কমরেডদের আদৌ দরকার হত তরুণ তুর্কীরা সত্তরের দশকে না থাকলে? চোখের সামনে দেখলাম যে গোপাল ভটচাযের বাড়িতে আগুন লাগাতে। আমার বাবার সংগ্রহের গাদা-গুচ্ছের বই পুড়িয়ে দেওয়া হল নব-দের ভয়ে। সেসব বুঝি স্বপ্ন ছিল?

    তবু ১৯৭৭-এর সঙ্গে ২০১১-র কয়েক যোজন ফারাক রয়েই যায়। ৭৭-এ বুজিরা রাস্তায় নেমে মেকি পরিবর্তনের গপ্প শোনায়নি কোন। কাককে কৃষক-দরদী ময়ূর বলে মিথ্যে তোল্লাই দেয়নি। মাওবাদীদের সহায়তায় শ'চারেক লাশ ফেলে দেওয়া বা বিধানসভার সম্ভ্রম লুঠ কোনটাই করতে হয়নি ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য। অবিশ্যি "সুশান্ত, তপন, সুকুর, লক্ষণ চিরকালই হার্মাদ" (বেশ তিনো তিনো গন্ধ ছাড়ছে!!) জেনে শুনেও তুমি নাকি বামেদের হয়ে রাস্তায় নেমেছিলে-এমনটি যেন শুনেছিলাম মনে হচ্ছে। আশ্চর্য!!
    -------------------------------------------------------

    কামদুনি প্রসঙ্গে আজকালের আজকের সম্পদকীয়র একটা অংশ বেশ প্রণিধানযোগ্য!

    "দ্বিতীয় প্রশ্ন আরও অনেক বড়। নিহত ছাত্রী রোজগার করতেন না, বরং খরচ বেঁচে গেল, সেই পরিবার ক্ষতিপূরণ পান কীসের ভিত্তিতে? বাড়ির মেয়েটির নৃশংস নিগ্রহ ও খুনের পুরষ্কার? বাড়ির মেয়ের জীবনের বিনিময়ে সুখের খোঁজ? যদি শুরুতেই ওঁরা যা পাচ্ছেন নিয়ে নিতেন, এতটা পেতেন না। দর কষাকষি হল না কি? এক-দুইজনের নয়, চারজনের চাকরি? মেয়ের জন্য কষ্ট ভুলে "সুখে' থাকা? এর পর, কারও ব্যক্তিগত শোক ও বিপর্যয়ে পাশে দাঁড়াতে মনের জোর আর পাবেন কি প্রতিবেশীরা?"

    রিজানুরের মৃত্যুর বদলে রুকবানুরের চাকরির সংস্কৃতি অব্যাহত। সেদিন যারা চাকরি নামক ঘুষ দিয়ে দলে টানার রাজনৈতিক ধান্দাবাজির প্রতিবাদ জানায় নি বা চুপ করে থেকে সমর্থন করেছিল তারা এখন মুখ খুলবে কোন যুক্তিতে? দারিদ্র ইত্যাদির বাহানা দেখিয়ে এই কাজকে তো সমর্থন করতেই হবে।
  • jaanata | ০৬ অক্টোবর ২০১৩ ১২:৪৯613229
  • PT কে ক, আর কল্লোলের শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা দেখলে ঐ "দুই কান কাটার" ক্থাই মনে পড়ে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে প্রতিক্রিয়া দিন