
অতঃপর কালোজিরে, কাঁচালঙ্কা, থেঁতো রসুনপোড়ার মধ্যে নুন, মিষ্টি, হলুদের সুঘ্রাণে সবাই একজোট হয়। মুখরোচক সবার ভালো লাগে, ফিরে আনোয়ারা আজকেই বানাবে তমরেজের মেজাজ ঠান্ডা করতে, সীমী বানাবে মায়ের জন্য, কল্পনা ভাবলো নিজের জন্যই বানাবে। যারা আজ বানাবে না, তারা কাল বা পরশু বানাবে আলু, কুমড়ো, পেঁপে সহযোগে। ... ...

সরকার-ভজনা হল মূর্তিপূজার আধুনিক রূপ, আর এর বিপদ সাঙ্ঘাতিক। এখনো পর্যন্ত এর সবচেয়ে কার্যকর প্রতিষেধক হিসেবে পাওয়া গেছে – দ্বিপাক্ষিক (two-party) ব্যবস্থা। আমি রুজ়ভেল্টের সময় আমেরিকায় থাকতাম। সেখানে যতজনের সঙ্গে মিশেছি, অধিকাংশের মতে লোকটি এক ভয়ঙ্কর উন্মাদ। আমি তাদের সঙ্গে একমত না হলেও, সরকারের মাথা-র সম্পর্কে লোকের এমন ধারণা – এ আমার খুবই স্বাস্থ্যকর এক অভ্যেস বলে মনে হয়েছিল। স্বাধীনতা একমাত্র টিকতে পারে, যখন দুই পক্ষের প্রভাবশালী মানুষজনের মধ্যে একটা ঠিকঠাক কার্যকরী মতপার্থক্য থাকে। পশ্চিমে এই বিরোধ শুরু হয়েছিল সন্ত অ্যাম্ব্রোজ় (Ambrose)-এর সময়, চার্চ ও রাষ্ট্রের বিরোধের মধ্যে দিয়ে। বর্তমানে, ইংল্যান্ডে এটি রক্ষণশীল ও সমাজবাদীদের দ্বন্দ্বের মাধ্যমে আর ওদিকে, আমেরিকায়, রিপাবলিকান ও ডেমোক্রাটদের বিভেদের মাধ্যমে টিকে আছে। প্রাশ্যা (Prussia)-র রাজকোষের বেতনভোগী স্তাবক হয়ে হেগেল যে ‘রাষ্ট্রই ঈশ্বরের পরিধেয়’ (State as the Garment of God) – এই তত্ত্ব কপচেছিলেন, গণতন্ত্র জোরদার হলে তেমন রাষ্ট্র-ভজনা মোটেই সম্ভব না। ... ...

ফিরতে হবে, প্রতিটি হারিয়ে যাওয়া দিনে, পুজোতে, পয়লা বৈশাখে, পৌষালী সন্ধ্যেয়, ফাগুন ভোরে, ফিরতে হবে শৈশবের খেলার মাঠে, যৌবনের দীঘল দীঘির সূর্যাস্তে। বেলায় ঘুম থেকে উঠে, আটপৌরে সে, চায়ের কাপ হাতে ঘাটের ধারে বসে গল্প করবে, বৌদির সাথে, মালার সাথে। সন্ধ্যের মুখে চুল বেঁধে, খোঁপায় গন্ধরাজ ফুল গুঁজে মন্দিরতলার দিকে হাঁটতে যাবে। বর্ষায় যাবে, মাঠের সবুজে চোখ ডুবিয়ে, ভরা পুকুরে ডুব সাঁতার কাটতে। শীতের সকালে ঘাসের শিশিরে পা মাড়িয়ে, দুরে কুয়াশা জড়ানো দিগন্ত পেরিয়ে, ধানের সোনালী ছুঁয়ে আসবে। ... ...

জালালুদ্দিম রুমির গুরু শামস এ তাব্রিজি একবার কোনিয়া থেকে উধাও হয়ে যান। পরে তাঁর খোঁজ পেয়ে দামাস্কাস থেকে তাঁকে ফিরিয়ে আনতে চলে রুমির প্রিয় অনুগামী। পথে ফিরে আসতে আসতে শামস কত গল্প শুনিয়েছেন তাদের। সে সব গল্পগুলো গেল কোথায় ? উত্তর আসত পাগল শামসুদ্দিনের গল্প ? সে তো হাওয়ার গায়ে লেখা হয়েছিল ! ... ...

শ্লাম রিভিউ শুরুই করলেন একটা বিদ্রুপাত্মক মন্তব্য দিয়ে। লিখলেন, “সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ আমাদের সতর্ক করেছেন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানদের ব্যাপারে নরম থাকতে। কিন্তু পেশাদার সততা আমাকে বাধ্য করছে জানাতে যে অ্যাডলফ হিটলার একজন নিম্নমানের লেখক।” এরপর লিখলেন, এই সাহিত্যিক সমালোচনা ওয়ারশর শিশুদের কাছে খুব একটা সান্ত্বনার কথা নয়। তবুও যা কাগজে ছাপা হয়েছে, মলাটের ভেতরে আছে, ওয়াশিংটনে কপিরাইট পেয়েছে, সেটা একটা বই-ই বলতে হবে, বইয়ের নাম ‘মাইন ক্যাম্ফ’ হলেও! ... ...

আসগর তার বাগানের একঢাল সবজি এনে হাজির করেছে ব্যাগ ভর্তি করে। নতুন কচি পটল, সজনে পাতা, সজনে ফুল, বেগুন, টসটসে পাকা লাল টমেটো আরও কতো কি! আসগরের আব্বাজান আফসরের সঙ্গে প্রিয়তোষের খুব খাতির ছিল। সেই দোস্তির ধারা এখনও বজায় আছে দেখে টিঙ্কা, পিঙ্কা অবাক হয়ে যায়। এখন রমজানের রোজা চলছে আসগরের, তাই এ বাড়ির কিছুই মুখে তোলার উপায় নেই। ... ...
জনগণনা ২০১১ এর পরে আর হয় নি। অনেকেই মনে করেন রাজ্যে তৃণমূল আসার পরে ব্যাপক ভাবে অবৈধ ভোটার ঢোকানো হয়েছে। তাই আমি ২০১১ থেকে ২০১৬ এর মধ্যে বিধানসভা আসনে ভোটার বৃদ্ধির হারের সঙ্গে এসআইআরে নাম ডিলিটের একটি আন্তঃসম্পর্ক দেখার চেষ্টা করলাম। মনে রাখতে হবে, ভোটার সংখ্যা নানান স্বাভাবিক কারণে বাড়তে পারে। ... ...

সমাজের স্বার্থে করা যেসব কাজের গুরুত্ব আনাড়ি জনতার পক্ষে বোঝা মুশকিল, গণতন্ত্রে সেইসব কাজের স্বাধীনতা বজায় রাখাই সবচেয়ে কঠিন কাজ। আনকোরা ধরনের বৌদ্ধিক কাজ সবসময় জনগণের অপ্রিয় হয়, কারণ তা মনের গভীরে লালিত কুসংস্কারগুলোকে বুড়ো আঙুল দেখায়, আর অশিক্ষিত মন সেই কাজগুলিকে দুশ্চরিত্রের নষ্টামি হিসেবে দেখে। লুথারের ধারণা ছিল – কোপার্নিকাস নেহাতই সাধারণ এক ঘোলাটে ধাঁধাঁপ্রেমী (paradox-monger) মানুষ, নিজের খামখেয়ালী চেহারাটিকে জনমধ্যে প্রচার করাই যাঁর মূল উদ্দেশ্য। কেলভিনেরও তা-ই মনে হয়েছিল, আর গ্যালিলিও-র ক্ষেত্রে চার্চও ঠিক একই কথা ভেবেছিল। গণতন্ত্র গ্যালিলিও-কে বাঁচাতে পারতো না। ... ...
এইবার আমরা সামশেরগঞ্জে এস আই আরে কতজনের নাম কাটা গেছে, দ্বিতীয় পর্বে বা লজিকাল ডিস্ক্রিপেন্সিজনিত বিচারের পর্বে, তা খেয়াল করি। সংখ্যাটা হল- ৭৪০০০ এর কিছু বেশি। এর ফলে, এই বিধানসভায় বর্তমানে ৪৯ হাজার হিন্দু এবং ১ লক্ষ বারো হাজার মুসলিম হয়েছে। এই সংখ্যাটি ২২শে এপ্রিলের টেলিগ্রাফ কাগজ থেকে গৃহীত। লক্ষ্য করবার যে যদি মুসলমান ভোট কংগ্রেস ও তৃণমূলে আড়াআড়ি ভাগ হয় এবং বিজেপি সমস্ত হিন্দুর ভোট পায়, তাহলেও এই আসনে সরল পাটগণিতের নিয়মে বিজেপির জয় হচ্ছে না। ... ...
তবে সবকিছু ছাপিয়ে এক তীব্র সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের রাজনীতিকে পশ্চিমবাংলার ভোটে কার্যকর করার প্রয়াস বিজেপির প্রচারের মূল দিক। এখানে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবে মমতা ব্যানার্জির আর এস এস সম্পর্কে দ্বিধা জড়িত কিছু উচ্চারণ লোহার বাসরঘরে সিঁধ কাটার তুল্যই মনে হয়। তাঁর এই মতাদর্শহীন, যেখানে যেমন প্রয়োগবাদ কি শেষ বিচারে পশ্চিমবাংলায় আর এস এস – বিজেপির তীব্র মতাদর্শ গত – সাংগঠনিক – রাজনৈতিক প্রকল্পের সামনে প্রাচীর খাড়া করতে সমর্থ -এ প্রশ্ন উঠবেই। ... ...

ঐতিহাসিকভাবে ভারত হরমুজ প্রণালীকে অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছে, কারণ পশ্চিম এশিয়ার নৈকট্যের কারণে এখানে মাল পরিবহনের খরচ সবচেয়ে কম। সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার ফলে ভবিষ্যতে ঝুঁকি এড়ানোর জন্য নতুন পরিবর্তিত পথের কথা ভাবতে হচ্ছে। পথ পরিবর্তন করলে মাল পরিবহনের খরচ ২০-৩০% বেশি হয়(বিশেষ করে কেপ অফ গুড হোপের মতো দীর্ঘ পথে), ট্রান্সপোর্ট বীমা অনেক বেড়ে যায় বলে। ... ...

গণতন্ত্রের সাফল্যের জন্যে অনেকভাবেই সহিষ্ণুতা অবশ্য-প্রয়োজনীয়। মানুষ যদি তার নিজের আদর্শ এতটাই তীব্রভাবে আঁকড়ে ধরতে চায়, যার ফলে তার আদর্শের জন্যে মরতে বা মারতে ইচ্ছে করে, তবে প্রতিটি মতপার্থক্য হয় যুদ্ধে, নয় কু-দে-তা (coup d’état; অভ্যুত্থান)-য় শেষ হবে। গণতন্ত্র আসলে ব্যক্তিগত উদ্যোগ আর সংখ্যাগুরুর প্রতি আনুগত্যের এক জটিল মিশ্রণ দাবি করে। একদিকে তার দাবি – জোরালো রাজনৈতিক ধ্যানধারণা-ওয়ালা ব্যক্তির উচিত তার নিজের মতামতের সপক্ষে তর্ক করা, আর সংখ্যাগুরু যাতে সেই মত মেনে নেয় – সেই চেষ্টায় অবিচল থাকা; অন্যদিকে, সংখ্যাগুরু যদি তখনো অমত হয়, তবে ভদ্রভাবে সেই জনাদেশ মেনে নিতে হবে ... ...

সর্বকালে, সর্বত্র – ক্ষমতা যাদের হাতে, তারা ক্ষমতাহীনদের ভালোমন্দের ব্যাপারে উদাসীন; তাদের একমাত্র লাগাম টেনে রাখে ‘ভয়’। কথাটা খুব কর্কশ শোনাতে পারে। ভালো মানুষেরা অন্যদের ওপরে এক বিশেষ সীমা লঙ্ঘন করে অত্যাচার করবে না – এমনটা বলা যেতেই পারে। বলা হয়তো যায়, কিন্তু ইতিহাস অন্য কথা বলে। নিজেদের সুখে রাখতে ঠিক কতটা নির্যাতন চালানো হচ্ছে – সে কথা ভালো মানুষেরা দিব্যি না জেনে, বা না জানার ভান করে থাকতে পারে। রানী ভিক্টোরিয়ার প্রথম প্রধানমন্ত্রী, লর্ড মেলবোর্ন ছিলেন এইরকমই একজন ভালো মানুষ। .... ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা যৎসামান্য অর্থের বিনিময়ে কয়লাখনির অন্ধকারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা খেটে তাঁর সম্পত্তির জোগান দিত। ওইসব শিশুদের যন্ত্রণাই ছিল তাঁর শহুরে জীবনের জিয়নকাঠি। তিনি যে ব্যতিক্রম ছিলেন, এমন নয় কিন্তু! .... যে অবিচার আমাদের পক্ষে লাভজনক, তাকে সর্বদাই কোনো না কোনো কথার মারপ্যাঁচে (sophistry) জায়েজ় বলে দেখানো সম্ভব ... ...

জলের নিচে বাজা সুরের মতো — চেনা, অথচ দূরের ... ...

মহামন্ত্রী শাহুজি পড়েছেন গভীর ভাবনায়। চিন্তার চোটে তাঁর নাওয়া খাওয়া সব শিকেয় উঠেছে। মেজাজ তিরিক্ষে হয়ে রয়েছে, এই একটু আগে তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র জয়দ্রথ দণ্ডগেন্ডুক খেলার কী একটা দুর্ঘটনা নিয়ে বলতে এসেছিল, তিনি চেঁচিয়ে উঠে বলেছেন, এই সব ছোটখাট বিষয়ে যেন সে কোনো নালিশ জানাতে না আসে ভবিষ্যতে। ভাগ্যিস মহামন্ত্রীপত্নী সেসময় সখীদের সাথে কোনো এক উদ্যান পরিদর্শনে গিয়েছিলেন, তাই সেকথা সাথে সাথে জয়দ্রথ, মাকে নালিশ করতে পারেনি। ... ...

সেবার মানবাজারে থাকতে পারলে খুবই ভালো হত, কিন্তু আমাদের পুরো টীমকে রাখার মত অতগুলো ঘরওলা হোটেল পাওয়া গেলনা। তাই বাধ্য হয়ে মুকুটমণিপুরে থেকে যাতায়াত করতে হচ্ছিল। অসুবিধে খুব একটা হয়নি। হোটেল খুব সাজানো গোছানো, বেশ সুন্দর। পঞ্চাশ কিলোমিটারের মত দূরত্ব। আমাদের সঙ্গে বাস ছিল, রোজ সওয়া ঘন্টা যেতে, আর ঐরকমই ফিরতে। ফাঁকা পথের দুপাশে পাহাড় আর জঙ্গল। ... ...

আমাদের কাছে প্রতিনিধিত্বমূলক সরকার আর গণতন্ত্রের আন্তঃসম্পর্ক খুবই ঘনিষ্ঠ মনে হলেও, এমন যে হতেই হবে – তার কোনো কারণ নেই, কেননা, নির্বাচনী কেন্দ্রগুলির ক্ষমতা খুবই সীমাবদ্ধ করে রাখা সম্ভব। আমাদের স্কটিশ বেরাদরেরা হাউস অব লর্ডসে নিজেদের প্রতিনিধি পাঠান, কিন্তু তাকে কোনোভাবেই গণতন্ত্র বলা যায় না। কিন্তু, প্রতিনিধিত্বমূলক সরকার ছাড়া এমন কোনো প্রক্রিয়া খুঁজে বের করা প্রায় কার্যত অসম্ভব, যার ফলে ভৌগোলিকভাবে আয়তনে বড় কোনো রাষ্ট্রের কোনো সাধারণ নাগরিক সরকারি নীতি নির্ধারণে অংশ নিতে পারেন। ... ...

ছোটবেলায় মৌরি ভালই ছবি আঁকত, পরে কেন যেন কিছুতেই আর আঁকতে চাইত না। অনিতা যা যা নিয়ে প্রশংসা করেছে, গর্ব করেছে প্রতিটা জিনিষ মৌরি ছেড়ে দিয়েছে, দক্ষতা, ক্ষমতা আঙুলের ফাঁক দিয়ে গড়িয়ে গেছে অবহেলায়। অথচ মেয়ে এমনিতে খুব বাধ্য ছিল, কোনোদিন কোন কথা অমান্য করে নি, কোনো অনুরোধ ফেলে নি শুধু অনিতার পছন্দের কাজগুলো জিনিষগুলো নষ্ট করেছে চুপচাপ। সুখের সংসারই তো ছিল ওদের, মৌরির এই অদ্ভুত আচরণের কোন ব্যাখ্যা খুঁজে পায় না অনিতা। ... ...

দীনবালা সম্বন্ধে এইসব গল্প সত্যি না মিথ্যে, তা তার ছেলের বৌ তো দূরের কথা, নিজের ছেলেরাও জানে না। কারণ বড় ছেলের বয়স যখন পাঁচ বছর, দীনবালার স্বামীকে বাঘে খায়। এমন খাওয়া খেয়েছিল জন্তুটা, যে মানুষটার এক হাতের পাঞ্জা ছাড়া আর কিছু পাওয়া যায়নি। শুধু রক্তমাখা লুঙি তুলে এনেছিল তার নৌকার সঙ্গীসাথিরা, সুন্দরবনের রীতি রেওয়াজ অনুযায়ী সেই কাপড়ের টুকরোটাকে সাক্ষী রেখেই তার বৌয়ের সিঁদুর মোছা, শাঁখা ভাঙা, শ্রাদ্ধ ইত্যাদি কাজকর্মগুলো সারা হয়েছিল। ... ...
পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনীর ফলে বাদ যাওয়া ভোটারের সংখ্যার প্যাটার্ন বিষয়ে (আরো) দু-চার কথা। মূলতঃ দু-দফায় বিভিন্ন বিধানসভা আসনে বাদ যাওয়া নামের সংখ্যার সঙ্গে ওই সব আসনে জনগোষ্টীগত বিন্যাসের কোন সম্পর্ক আছে কি না তা খতিয়ে দেখার একটি প্রয়াস। ... ...