
ব্যাঙ্কার ও ইনভেস্টরদের যৌথ কমান্ড ফার্স্ট ব্র্যান্ডসের অফিসে অবতীর্ণ হওয়া মাত্র ডিরেক্টরদের আইনি প্রতিরক্ষা বাহিনী যুদ্ধে নামলেন- তাঁরা জানালেন সম্মুখ সমর নয়, কোন ডিরেক্টরের গায়ে হাত দেওয়া দূরের কথা, ডেকে পাঠানো যাবে না,। তাঁরা কেউই সরাসরি বাক্যালাপ করবেন না। জে পি মরগান বা ব্ল্যাকরকের ব্যাঙ্করাপটসি লইয়ারদের আপাতত আলোচনা করতে হবে ফার্স্ট ব্র্যান্ডের সিনিয়র অফিসারদের সুরক্ষা দলের সঙ্গে - তাঁদের মধ্যে প্রধান সুবিখ্যাত আইনি সংস্থা ব্রাউন রাডনিক এবং কোল শোলৎস। জে পি মরগান, জেফরিজের ঋণ উদ্ধারকারী উকিলেরা চমকে গেলেন – ওহাইওর এই প্রাইভেট কোম্পানির পক্ষে দাঁড়িয়েছেন আমেরিকার এতগুলি খ্যাতনামা আইনজ্ঞ যাদের একদিনের ফি লক্ষ ডলার। এ টাকা আসে কোথা হতে ? এমনও দিন আসতে পারে ভেবেই কি ফার্স্ট ব্র্যান্ডের পরিচালক বৃন্দ তাঁদের অস্ত্রাগারে তূণীর সঞ্চয় করে রাখছিলেন? ... ...

পরীক্ষা শেষ। ফিরছি। কলেজ গেট থেকে রিক্সা ধরলে ছয় টাকা। আর নেদেরপাড়ার মোড় থেকে ধরলে শেয়ারে মেলে। দেড় টাকা করে তিন টাকা। কম বেতন। হাজার আষ্টেক টাকা। তার উপর 'ভাষা ও চেতনা সমিতি' করি। সংগঠনের খরচ চালিয়ে মাসের শেষে পকেটে কিছু থাকে না। তখন কৃষ্ণনগরে শেয়ারে রিক্সা চাপা যেতো। এ-নিয়ে বাংলা চলচ্চিত্রে একটা বিখ্যাত গান আছে। রিক্সায় ফিরছি। দেখি একদল ছেলে আমাকে দেখে খুব গাল দিচ্ছে। তাকিয়ে দেখি, সেই ছেলেটি মধ্যমণি। তা স্টেশনে এসে পিছনের দোকানের কাছে দাঁড়িয়েছি। ছেলেটি দলবল নিয়ে হাজির। আমাকে খুব গালাগাল চললো। বললো, ওদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিয়েছি টুকতে না দিয়ে। কয়েকজন ওদের সমর্থন করলেন। ছি ছি টুকতে দেয় নি, ছেলেগুলোর ভবিষ্যৎ কী হবে। আমি প্রতিবাদ করলাম, কী বলছেন, এভাবে পরীক্ষা হয়। আমরা টুকছি তোর বাপের কী? বাকিরা তো কিছু বলে না, তোর কেন এতো-- বলে মারতে শুরু করলো দলবল মিললে। কিছুদিন আগেও ছাত্র রাজনীতি করেছি, সাংবাদিকতা পেশা ছেড়েছি, কিন্তু করছি, আমিও রুখে দাঁড়ালাম। দু এক ঘা পাল্টা দিলাম। সবাই বিপক্ষে। শুধু এক গরিব মহিলার কন্ঠস্বর শোনা গেল, কলেজের মাস্টারকে মারছে। আর তুমরা দেঁড়িয়ে দেঁড়িয়ে দেখছো। ... ...

এবারে হাফ-ছুটি। বছরে বাহান্নটা শনিবার। আর সঙ্গে যোগ করুন অন্তত আরও দিন দশেক – বিভিন্ন অজুহাতে। সেই অজুহাতের তালিকায় পড়ে --- অতিরিক্ত বৃষ্টি বা গরম, পরীক্ষার আগে প্রস্তুতি, স্কুলের নানা রকম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদি অনেক কিছুই। এই অর্ধ-দিবসগুলোকে যোগ করে তার অর্ধেক পরিমাণকে পূর্ণদিবস হিসেবে ধরে নিলে হয় মোটামুটি তিরিশ দিন। হিসেবটা আর লম্বা করা বোধহয় ঠিক হবে না। শূন্য অথবা মাইনাসে চলে গেলে লজ্জার একশেষ হবে। ... ...

কয়েক বছর ধরেই কখনও উড়িষ্যার দার্জিলিং, আবার কখনও উড়িষ্যার কাশ্মীর নামে দারিংবাড়ি নামটা শুনছিলাম। হঠাৎ একদিন আমাদের প্রাক্তন ছাত্র প্রদীপ এসে বলল, বালিগঞ্জ সায়েন্স কলেজ থেকে ও ফিল্ডে গিয়েছিল দারিংবাড়ি। প্রদীপ এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে রিসার্চ স্কলার। জায়গাটার যা বর্ণনা ও দিল, ঠিক করলাম এবারে যেতেই হবে। চারমাস আগে রেলের বুকিং শুরু হয়ে যায়। ... ...

বর্ধমান স্টেশনের সামনের দেওয়ালে লেখা ছিল সবচেয়ে কঠিন। পায়খানা আর পেচ্ছাপে ভর্তি। একটা দিনের কথা মনে আছে ৩১ অক্টোবর ১৯৮৪। মোবারক বিল্ডিং পার্টি অফিস থেকে ১০ টাকা দিয়েছে টিফিন চা ইত্যাদির জন্য। মেহেদি বাগান বলে একটা কুখ্যাত জায়গা ছিল। কংগ্রেসের ঘাঁটি। সেখানে অসাধারণ সর টোস্ট বানাতো। ডিম টোস্ট আট আনা হল টোস্টও তাই। চা বোধহয় চার আনা করে ছিল। পাঁউরুটি চার আনা। স্লাইস রুটি তখনও আধিপত্য বিস্তার করে নি। তা পোস্টার লেখা চলছে। একটু বাকি। হঠাৎ সাইকেল একজন এসে বললো, এক্ষুণি পার্টি অফিস চলে যেতে। স্বৈরাচারী ইন্দিরা গান্ধী লেখা হয়ে গিয়েছিল, জবাব চাই, লেখা বাকি ছিল। কোনোক্রমে লিখে ছুটলাম সাইকেল নিয়ে। ... ...

আজকের সময়টা রাজনীতিতে দৃশ্যকল্প তৈরী করার খেলা আর এই খেলাতে সবচেয়ে পারদর্শী যিনি, তিনি জানেন কী করে এই দৃশ্যকল্প তৈরী করতে হয়। বাংলার মূলধারার সংবাদমাধ্যম যতই দেখানোর চেষ্টা করুক, নির্বাচন কমিশন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতা করেছে এবং সেটা যুক্তি সহকারে, বাংলার অলিতে গলিতে মানুষের মোবাইল ফোনে যখন ঐ ভিডিও ক্লিপটি ভেসে আসবে, যেখানে মমতা ব্যানার্জী বলছেন, তিনি নিজের পার্টির জন্য নয়, বাংলার জন্য বাঙালির জন্য দেশের সর্বোচ্চ আদালতে সওয়াল করছেন, তখন প্রধান বিরোধী দল বুঝতে পারবে যে ঐ SIR তাঁদের কতটা ক্ষতি করেছে। যখন একদিকে মানুষ শুনবে রাজ্যের বিরোধী দলনেতার বক্তব্য যে ১ কোটি কিংবা দেড় কোটি মানুষের নাম এই SIR করলে উড়ে যাবে ভোটার তালিকা থেকে আর যখন শুনানির সময়ে নিজের উদ্বেগ, উৎকণ্ঠাকে মেলাবেন, তখন তিনি ভোট দেওয়ার সময়ে কী সিদ্ধান্ত নেবেন তা এখনই বলে দেওয়া যায়। ... ...

মারতেও পারি না। মারার অভ্যাস আমার ছিল না। দুটোকে টেনে আলাদা করি। বিরাট কঠিন কাজ। কিন্তু পাঁচ ছটা টিউশন পড়িয়ে যা পাই, একজায়গায় তার সমান পাবো, থেকে গেলাম। টিফিন ভালো। নুডলস, চিঁড়ের পোলাও ইত্যাদি। তবে নিরামিষ। আমিষ নিরামিষ ব্যাপারটাই তখন ভাবা ছিল না। খাবার খাবার। তার আবার আমিষ নিরামিষ। মাছ ডিম দৈনিক খুব কম বাড়িতেই হতো। সরকারি ভালো চাকুরে আর ঠিকাদার ছাড়া হতো বলে মনেও হ্য না। যা পেত বা পেতাম হাসিমুখে সবাই খেতো। খালি হোস্টেলে গেরান্ড/গ্রান্ড ফিস্টের দিন--একটু মাংস নিয়ে আদিখ্যেতা ছিল। পিস ছোট কেন? আরেকটু ঝোল দাও। একটা আলু হবে? এইসব আবদার ছিল। ছিল রঙ্গরসিকতা। ব্যাটা তোর পিসটা একটু বড় মনে হলো। ... ...

ডারউইনের মৃতদেহ এখন মাটির নীচে, ভূগর্ভে। এ মাটি তাঁর শেষ বাসগৃহ ডাউন হাউসের মাটি নয়, শ্রফ্শায়ারে তাঁর পূর্বপুরুষের বাসস্থান দ্য মাউন্টের মাটিও নয়, এ মাটি দশম শতাব্দীর বেনেডিক্টিন সাধুদের নিত্যপূজার মন্দির-প্রাঙ্গণের, ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবের! হুঁ, অবিশ্বাসী ডারউইনের জন্যে এই মাটি! কিন্তু তাঁর তো কোন উপায় নেই। তিনি যে ইংলণ্ডের একজন শ্রেষ্ঠ সন্তান! তাই ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবের মাটিই তাঁর শেষ মাটি। শ্রেষ্ঠ সন্তানের উপযুক্ত মাটি! চসারের, নিউটনের, কোলরিজের, স্যামুয়েল জনসনের, ট্র্যাফালগার বীর নেলসনের, স্যর চার্লস লায়েলের! ডারউইনেরও! ... ...

রাধিকা এসেছে 'রাধা' শব্দ থেকে। রাধার আগমন আবেস্তা 'রাধ' থেকে। রাধ মানে প্রেমিক। প্রথম ব্যবহার কাশ্মীরে। বাংলায় রাধ-এর সঙ্গে আ যোগ করে রাধা। রাধা, রাধিকা, রাই-- কত কত আদরের নৌকা ভাসানো নাম। সায়ন মনে করিয়ে দিলেন কাদামাটির দিনগুলোতে কেষ্টযাত্রায় রাধা আর কৃষ্ণের প্রেম। কানু বিনে গীত নাই-- কিন্তু কৃষ্ণকে যাত্রা খুব কম হতো গ্রাম বাংলায়। রাধার সঙ্গে যে কৃষ্ণের বিবাহ হয়েছিল, সেটা একটা মাত্র নাটকে দেখানো হয়েছে, পণ্ডিত প্রবর রূপ গোস্বামীর নাটকে। ললিত মাধব। ... ...

যারা প্রথম যৌবনে কোলকাতা ছাড়ে, তারা সারাজীবন বুকের মধ্যে এক কোলকাতাকে বয়ে বেড়ায়। অবশ্য এই কথাটি মুম্বাই বা দিল্লির সন্তানদের জন্যেও সমান ভাবে প্রযোজ্য। এসব কেন মনে এল? আলোচ্য বইটি পড়লে আপনারও তাই মনে হবে, গ্যারান্টি দিচ্ছি। ... ...

উকিল-১। আপনি কি মনে করেন ফ্ল্যাট-আর্থ ওয়েজার নামে পরিচিত যে বাজিটির বিষয়ে আজকের এই মামলা, সেটির ফলাফল সন্দেহাতীত ভাবে নির্ণয় করা হয়েছিল? কারপেন্টার। আমার সন্দেহ নেই। উকিল-১। কে জিতেছিলেন? কারপেন্টার। নিশ্চিতভাবে জন হ্যাম্পডেন। ... ...

ভোদু শেখ আদালতে তাঁর আবেদনে উল্লেখ করেন যে, তাঁর নিজের নামে জমি আছে এবং বাবা হাতিমতাই শেখের নাম পুরনো ভোটার তালিকায় রয়েছে। আদালতের কার্যবিবরণী থেকে জানা যাচ্ছে যে, ২৩শে জুন কে এন কাটজু মার্গ থা র্গ নায় একজন সাব-ইন্সপেক্টর এই আটককৃ তদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তাঁদের সব রেকর্ড এফআরআরও-তে পাঠানো হয়। এফআরআরও আবার এই আটককৃতদের একটি কমিউনিটি সেন্টারে পাঠায় ২৪ জুন। ২৬ তারিখ ডিপোর্টেশনের আদেশ জারি হয়। পুরো প্রক্রিয়াটি মাত্র পাঁচ দিনে শেষ। তারপর ওই ছয়জনকে জোর করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ... ...

Covid ইত্যাদি অনেক ভাইরাস-এর মতই নিপাহ-র ইতিহাস খুব বেশিদিনের না। ১৯৯৮-৯৯ সালে মালয়েশিয়া-সিঙ্গাপুরে প্রায় ৩০০ লোক আক্রান্ত হয়েছিল এবং তার মধ্যে ১০০ লোক বাঁচেনি। মারণহার প্রায় ৪০%। দেখা গেল আক্রান্ত অনেকেই শুয়োর খামার এর সাথে নানাভাবে জড়িত। মালয়েশিয়া সরকার তখন প্রায় ১০ লাখ শুয়োরকে মারার আদেশ দিয়েছিল - রোগকে আটকে রাখার জন্য। অবশ্যই এসব থেকে দেশের অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছিল মারাত্মক। শুয়োরগুলি কিন্তু আক্রান্ত হয়েছিল বাদুড় থেকে। এই যে বাদুড় থেকে শুয়োর, শুয়োর থেকে মানুষ রোগ ছড়ানো - একে বিজ্ঞানের ভাষায় বলে Zoonosis। ... ...


ওয়ালেস। সোজা ফ্রী মেসন হল থেকে আসছি, একটা মীটিং ছিলো আজ। মারে। ল্যাণ্ড রিফর্মের মীটিং? বুঝতে পারি না এই স্টূয়ার্ট মিলকে। আপনাদের খেপাচ্ছে, আর আপনারাও খেপছেন। কতো জমি মিলের নিজের ইনহেরিটেন্স আছে, তার খবর রাখেন? ওয়ালেস। সেটাই তো মিল সাহেবের ক্রেডিবিলিটি বাড়িয়ে দেয়। প্রিন্সিপ্লের জন্যে ব্যক্তিগত ক্ষতিকে গ্রাহ্যই করেন না। ... ...

আজ খারাপ লাগে, ভুলোকে ছেড়ে এলাম কী করে? ভুলো আমাকে পাগলের মতো ভালবাসতো। সেহারাবাজারে নবম দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় আমার সঙ্গে সাড়ে ছয় কিলোমিটার দূরের স্কুলে হেঁটে হেঁটে চলে যেত। বিডিআর ট্রেনে চাপলে ট্রেনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দৌড়াত। সারাদিন স্কুলের গেটে বসে থাকতো। সহপাঠীরা আওয়াজ দিত, তোর বন্ধু বসে আছে। বর্ধমান শহরে পড়তে আসার সময় তাই সতর্ক থাকতাম। চুপিসারে আসতাম যাতে ভুলো টের না পায়। কিন্তু ভুলো সন্ধ্যায় ফেরার সময় নুরপুর ক্যানেল ধারে বসে থাকতো। আমাকে নিয়ে ফিরবে! বর্ধমান শহরে আসার সময় ভুলোকে ছেড়ে আসা কঠিন ছিল। তবু তো পেরেছি। আজ আর পারি না। আমার সিরো এবং পাড়ার পাঁচটি কুকুরকে ছেড়ে এখন বাইরে রাত কাটাতে খুব কষ্ট পাই। ... ...

সে রাতে ঘুমের মধ্যে স্ক্রল করতে করতে আমি শুনতে পেলাম, - স্ক্রীনের ওপারে ভুষুন্ডি মেঘেদের দল বৃষ্টি ঢেলেই চলেছে। নিজেকে দেখবার ইচ্ছে, সময় বা চোখ কোনোটাই নেই ওদের। তাই নাকি ঘ কে জুটিয়েছে। ঘ দেখছে ওসব। জল থেকে মেঘ, মেঘ থেকে জল। শ্যাওলার ভেলভেট প্রতি বর্ষায় নতুন করে জমছে পাথরে। আশ্চর্য সব ধীরস্বভাব রিল। ইলেকট্রিক ছাড়াই নিজে-নিজে তৈরী হচ্ছে। একের পর এক, লাইভ। ... ...

ভারত আর আমেরিকার উদ্দেশ্যে জাহাজ ভাসানোর পথে প্রথমে একসময় এলোমেলো, তারপর অফুরন্ত প্রাকৃতিক সম্পদ লুঠকে সুসম্বদ্ধ করতে ১৮৮৪ সালে বিসমার্কের নেতৃত্বে চোদ্দটি রাষ্ট্রের বার্লিন কনফারেন্স। লেগো খেলার মত শুরু ইউরোপের আফ্রিকাকে নিজেদের মত করে ভাগ বাঁটোয়ারা। লুডেরিটজ ইত্যাদি শহর গড়ে ওঠা। ইম্পিরিয়াল ব্রিটিশ ইস্ট আফ্রিকা কোম্পানি ইত্যাদিদের আবির্ভাব ও তিরোধান। ... ...

ওয়ালেস। আপনাকে একটা কথা বলি মিঃ স্টীভেনস। ডারউইন-ওয়ালেস পেপার বেরোনোর পর মিঃ হূকার আমাকে একটা চিঠি লিখেছিলেন। তিনি লিখেছেন, এই পেপার আমাকে ইংল্যাণ্ডের প্রথম সারির বিজ্ঞানীদের মধ্যে এনে দিয়েছে ডারউইন সাহেবের সঙ্গে। এর পরেও আপনি কি মনে করেন একটা ভদ্রগোছের চাকরি আমি জোটাতে পারব না? স্টীভেন্স। ওঃ, ডাঃরউইন-ওয়ালেস পেপার! (গলায় হাসি কিন্তু উচ্চারণেই অবজ্ঞা স্পষ্ট, ডারউইনের ডা-এর ওপর জোর দেওয়ায় উচ্চারণটা খানিকটা ডাঃ-এর মতো শোনায়)। ... ...

তবে গুহা দেখার আগে আরও কিছু অত্যাশ্চর্য জিনিসের কথা বলে নিই। মৌলিন্নং থেকে বেরিয়ে খুব সকালে প্রথমে আমরা সেখানেই গিয়েছিলাম। জিনিসটা হল জীবন্ত সেতু। মানে বনের গাছ কেটে তার কাঠ দিয়ে বানানো সেতু নয়। নদীর ওপরে রীতিমত জ্যান্ত গাছের ঝুরি পাকিয়ে বানানো ঝুলন্ত সেতু। যদিও অনেকটা হেঁটে যেতে হয়, সিঁড়িও প্রচুর। তবে কষ্ট না করলে কী আর কেষ্ট মেলে? ... ...