ইরানে জল বেশোয়ান বলে একটা পাহাড় আছে।মানে জল বেশি।খোররমাবাদ ইরানের একটা শহর।সেই শহরের গায়ে একটা পাহাড় জল বেশোয়ান।ইরানের একটা গ্রামের নাম জল।আরেকটি গ্রামের নাম--জল খোবর। এর্তুগ্রুল বলে একটা ছবিতে দেখলাম চরিত্রগুলো জল বলতে জ.. উচ্চারণ করছেন প্রাচীন রীতি অনুযায়ী। ইন্দো ইরানিয়রা জল শব্দ বহন করে এনেছিল বলেই মনে হয়।জল এবং পানীয় দুটোই প্রচলিত।জল প্রাচীন ফারসি। স্বপ্নময় চক্রবর্তী লিখেছেন, পারসিক বা পার্সিদের মধ্যে একটা প্রথা আছে, যাঁর নাম জলমিলা। বর কনে একসঙ্গে জলপূণ পাত্রে আঙ্গুল ডুবায়।পারসিক মানে পারস্য দেশীয়।পারসিকদের ভাষাই ফারসি।পারস্য দেশের বর্তমান নাম ইরান।ভাষাতত্ত্বে পড়েছেন বোধহয়, ইন্দো-ইরানিয় ভাষার কথা।ভাষা নিয়ে ভাসা ভাসা সাম্প্রদায়িক কথা নাই বা বললেন। 'হিন্দু' শব্দটা ফারসি।'সঙ্ঘ' শব্দটি পালি। 'বঙ্গ' অস্ট্রিক ভাষার ... ...
বিস্ময়! খুব ছোট্ট শব্দ। কিন্তু শব্দটি যে কতটা গভীর ও ব্যাপক, তা আমরা মাঝে মাঝেই বিস্মৃত হই। এবং ইদানীংকালে নতুন ও নতুনতর প্রজন্মের কাছে শব্দটির গরিমা যে ক্রমশই হ্রাস পাচ্ছে, তাতেও কোনো সন্দেহ নেই। কখনও কখনও মনে হয়, আর কিছুদিন পর শব্দটিকে হয়তো বাতিল কাগজের ঝুড়িতে পাচার করে দেওয়া হবে। কেননা, আজকের ছেলেমেয়েরা কোনো ব্যাপারেই আর তেমন ভাবে বিস্মিত হচ্ছে না। বিস্ময়ের ঘনত্ব ও আপেক্ষিক গুরুত্ব দ্রুত কমে যাচ্ছে তাদের কাছে। আমরা, মানে তথাকথিত প্রবীণরা, ইদানীং যখন কোনো ব্যাপারে বা বিষয়ে বিস্মিত হই বা অবাক হই, তখন নবীনরা প্রায় ধমক দিয়েই বলে – ‘এতে এ্যাতো অবাক হওয়ার কী আছে? যত ... ...
তুই এখানে থাক,আমি চলে গেলাম-- ডাক শুনবি তুই। বুদ্ধ শ্মশানে মাঝ রাতে ফিনিক্স পাখির মতো আমি তোর নাম ধরে ডাকবো। ভালো থাকিস্ তবে। আমার প্রস্থান মানে শুধু শারীরিক বিদায়, আমার অস্থিত্ব অর্পিত থাকবে তোর সর্বাঙ্গে, ঠাসা দেহে। এইটুকু বুঝে থাকলে তুই আমায় ফিরাবি। নতুবা তোর কাম ছিলো আমাতে, প্রেম নয়। এটাকে বিদায় বলিস নাহ, বল্- "তোর অজ্ঞতা, তোর অবহেলা। চলে যাই, যাবার কথা বলেছি যবে।" ভালো থাকিস্ তুই, তবে। ২৮ এপ্রিল ২০১৮ ইং ... ...
বিলুপ্তির পথে মাতৃভাষা মৌসুমী ঘোষ দাস কলকাতা থেকে ফিরছিলাম কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে, সেই ট্রেনে আমার এক পরিচিতের সঙ্গে দেখা। আমার মুখোমুখি আসনে তারাও সপরিবারে সেই ট্রেনেই ফিরছে। কথায় কথায় ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া নিয়ে প্রসঙ্গ ওঠে। তাতে বেশ গর্বের সাথে সেই পরিচিতা জানালো, “তার সন্তানেরা ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ে। সেখানে সব বিষয়ের সাথেই হিন্দি দ্বিতীয় আর বাংলা তৃতীয় ভাষা হিসেবে পড়ানো হয়। কিন্তু তাজ্জব ... ...
ধ্বংস লীলার বর্ষপূর্তি স্তরেপ্রতি ঘন্টাই বছর মনে হয়! সৈনিক যবে প্রিয়া-সঙ্গ করে-ঘন্টা গুলো মুহুর্তে শেষ হয় ! বিজ্ঞান তো 'রক্তকরবী'র রাজা বিশ্বজুড়ে মারণাস্ত্রের দোকান
বর্তমানে রাজ্যের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো দুটি, প্রথমটি চাকুরী সংক্রান্ত দুর্নীতি আর দ্বিতীয়টি চাকুরী সংক্রান্ত মাগ্গীভাতা। টিভির যে কোনো চ্যানেল খুললেই এই দুই বিষয়ে আলোচনা ছাড়া আর কিছুই দেখা যাচ্ছেনা বেশ কয়েকমাস ধরে। অর্থাৎ যারা চাকুরী পায়নি আর যারা চাকুরী করছে এই দুদলই এইমুহুর্তে আলোচনার শিরোনামে। প্রত্যেকেই যতরকমভাবে রাজ্য সরকারের ওপরে চাপ সৃষ্টি করা যায় করছে। তাদের বক্তব্য ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার কাজটা বিভিন্ন মিডিয়াগুলো খুব ভালোভাবেই করে চলেছে এখনও অব্দি। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোও সরকারের বিরুদ্ধে জনমানসে হিন্দোল তোলার কোনো চেষ্টাই বাকী রাখছে না। বিভিন্ন রকমের মিম, ট্রোল মিডিয়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছে শত শত। কেউ মেয়ের জন্য শিক্ষক পাত্র দেখতে গিয়ে ... ...
পাঠকদের জন্য রেখেছি সমস্ত উপাচারদল বেঁধে নেড়ি কুকুর, নিউজরুমের প্যান্ট্রিকার। এ তোমাদের ভ্যানিটি ভ্যান না,এ আমাদের বুড়ো শালিকের ঘুলঘুলি,বনবিবির তলিয়ে যাওয়া শাড়ির পা। আমাদের একতলায় জঙ্গল আছে, বেসমেন্টে সাজানো গ্রাম,আমরা থাকি সিঁড়িঘরে, শহরের রক্ত গায়ে অশরীরী পাতালাম। অশরীরী পাক খায়, গায়ে পড়ে আস্ফালনে যেন কবিতা শোনা যায়। হাড় জিরজিরে জনসভায় নগর পালক আশ্বাস দিয়ে যান, সমবেত কবিতা পড়া হবে, দিলখুশ মহলে এসো, শালপাতা মঞ্চে তোমাদের সাদর আমন্ত্রণ,অবশ্যই সঙ্গে নিয়ে এসো দাস্তানগার। কাহানীর বিলুপ্ত কিতাব থেকে বৃষ্টি নামবে,ভিখিরি হবে রাতের আকাশ,দোহারের ধুয়ো থেকে জন্ম নেবেন রফিক, জব্বার, শফিউর,তারপর ছাপাখানায় অক্ষর সাজাবে বাঙালি,অক্ষর ফুটবে হাঁড়ির ভেতর, হাঁড়ির বাস্পে বাস্পে গান। গানের পাতলা আবদার প্লাসেন্টায় জমে,বাউল পাড়া থেকে বাইজি বাড়ির আছোলা আখ্যান। মোদের ... ...
অধিক ফ্যাচফ্যাচ করে লাভ নেই। আমরা, বাঙালিরা মাতৃভাষার জন্য বিস্তর ঘাম, রক্ত ইত্যাদি ঝরিয়েছি ঠিকই। তার প্রমাণ, আসামের উনিশ, পূর্ববঙ্গের উনিশ, পশ্চিমবঙ্গের একষট্টি। কিন্তু এত যুদ্ধবিগ্রহের পরও আমরা বহুটুকরো, রাজনৈতিকভাবে, এবং তারচেয়েও বড় কথা মনোজগতে। বঙ্গভাষীরা কেউ বিশেষ কারো খোঁজ-টোজ রাখেনা। আসামে এনআরসি নিয়ে হুজ্জুতি হলে, সেটা যে বঙ্গভাষীদের সমস্যা, এটা আমরা প্রতিষ্ঠাই করতে পারিনি। তা, সে পুরোনো কেচ্ছা, এখন বিশ্বের বৃহত্তম ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরি হয়ে গেছে আসামে, কঠোর বিকল্পের আর কোনো পরিশ্রম নেই, ফলে ওসব চুকে বুকে গেছে, আমরাও ভুলে মেরে দিয়েছি।পূর্ববঙ্গের ক্ষেত্রেও তথৈবচ। তিনদিন আগে যে রবীন্দ্রমূর্তি চুরি হয়ে গেছে ঢাকায়, পশ্চিমবঙ্গের লোকেদের মধ্যে দেড়জনও তার খবর রাখেন ... ...
১মেলায় গিয়েছিলাম, জানো? কতজনের সঙ্গে দেখা হ’ল। মনে আছে তোমার, ওই যে নিশীথ দা গো — যাকে তোমরা “নিষিদ্ধ” ব’লে ডাকতে কলেজে, আর সে বেচারি কী অপ্রস্তুত হয়ে তোতলাত — তার সঙ্গে প্রায় মুখোমুখি। খুব চেনাচেনা লাগছে অথচ মনে পড়ছে না, শেষে ওই থুতনির কাছের কাটা দাগে মনে পড়ল — আমাকে হাঁ করে তাকিয়ে থাকতে দেখে সেও কিছুটা থমকে চেনার চেষ্টাতে ছিল মনে হ’ল - সেই চিনতে পারল, মুচকি হেসে বলল - "সুলগ্না না? অঙ্কের?" আমার তো এদিকে আসল নাম মনে পড়ে না শুধু মাথায় "নিষিদ্ধ" ঘুরছে, দাদা দাদা করেই কথা চালালাম। কী করব, যা সব নাম দিয়ে রেখেছ আমাকে ... ...
১আজকে তবে লিখছি সামনে সমুদ্রতট, সন্ধে শেষের অল্প আলোয় খেলতে আসা জলের ধারার হামাগুড়ি। একটু আগেও সবাই ছিল, অশোক-দা আর শম্পাবৌদি, ঝুমাপিসি পিসেমশাই। রঞ্জন তো অনেক আগেই চলে গেছে। কোত্থেকে সে মাছ ভাজাবে, সস্তা দরে। রিম্পিটাও তো "মাছভাজা কই" 'মাছভাজা কই" বলতে বলতে পাগলা করে। আগে থেকে বাচ্চাটাকে বলার কোনও কারণ ছিল? ওকে নিয়েই অশোক-দা রা দোকান-টোকান ঘুরছে হয়ত। আমার কোথাও যাওয়ারও নেই, আসারও নেই। ওই সমুদ্রের বেশ কিছুটা জল যে রকম পাড়ের থেকে দূরে যায় না। বারংবারই সেই একই জল ফিরে আসে বালির বুকে স্পর্শ দিয়ে — আবার ফেরে। সত্যি বলছি — জলের মধ্যে লক্ষ-কোটি জলজাতি, জলবংশ — কাছে থাকলে ... ...
বিবিসির তথ্যচিত্রটা এখনও যারা দেখেননি, তাঁরা দেরি না করে ডাউনলোড করে নিন ।
চা-এ নাকি লিকারের দোষ ! - হক্ কথা,কোথাকার সোর্স?আদা দিয়েচা-টা খেয়ে শুনতে পেলাম মুদ্রা দোষ!!
রামবিলাসের এক একটি দিনসাত্যকি হালদারগাঙচিলদাম ৩০০ টাকাপ্রথম প্রকাশ বইমেলা ২০২০কুড়িটি গল্পের সংকলনটি হাতে নিয়ে পাতা ওল্টালে এই লাইনগুলি: 'কথা হয়েছিল এক বছর পরে আসার। কিন্তু তা হল না। ফিরে আসতে একবছর পার হয়ে গেল।' এইভাবে একটি গল্প শুরু হচ্ছে। তিনলাইনে গল্পের অনাড়ম্বর চলন, অপার রহস্যময়তা যা কি না জীবনেরই আদতে- পাঠকের চোখে ধরা পড়ে। সে আরো দেখে, গল্পের নাম প্ল্যানচেট- এইখানে গল্পটি তাকে ঘূর্ণির মতো টেনে নেয় নিজের দিকে- গল্পটি তৎক্ষণাৎ পড়ে ফেলা এক প্রকার তার নিয়তির মতো হয়ে দাঁড়ায়। যখন সে গল্পটি শেষ করে, তার অপার কৌতূহলী মন এক গভীর জীবনদর্শনের সামনে হতবাক দাঁড়িয়ে -' আমরা নদীর কাছাকাছি আসি। নদী, নুড়িপাথরের নদী। ... ...
মানসাইপ্রতিভা সরকারকারুবাসা প্রকাশনীমূল্য তিনশো টাকাএই লেখা কোনো রিভিউ নয়। ঠিক এক সপ্তাহ আগে পড়া বইটির পাঠপ্রতিক্রিয়া বলা যেতে পারে; চেষ্টা করছি, এই উপন্যাসের যে বৈশিষ্ট্যগুলি আমার কাছে ধরা দিয়েছে, তা লিখে রাখার। "সময় -ধারাকে খুব স্পষ্ট ধরবার মতো কোনো যন্ত্র থাকলে তা থেকে যে ছবি বেরোত তার চেহারা অনেকটা ইকোকার্ডিওগ্রাম রিপোর্টের মতো হত বোধহয়। ঢেউয়ের মতো কোথাও উঠছে, একেবারে উত্তল, তো পর মুহূর্তেই অবতল। আবার ছোট ছোট ঢেউয়ের খাঁজখোঁজগুলো ও বেশ স্পষ্ট"- মানসাই, পৃষ্ঠা ৭৬। শ্রীমতী প্রতিভা সরকারের "মানসাই" উপন্যাসপাঠ শেষে উপরের লাইনগুলি ফিরে পড়লাম যেন আমাকে এই উপন্যাসটিকে থীম ধরে ছবি আঁকতে বলা হয়েছে, যেন আমার সামনে শূন্য ক্যানভাস- ... ...
বর্তমানের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার কলকাতা ঘেঁষা একটি জায়গা হরিনাভি। সড়কপথে আসতে গেলে নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু রোড ধরে গড়িয়া থেকে সোজা নরেন্দ্রপুর, রাজপুর হয়ে হরিনাভি যাওয়া যায় আর রেলপথে আসতে গেলে শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখায় নিকটবর্তী সুভাসগ্রাম স্টেশনে নেমে যাওয়া যায়। বর্তমানে জায়গাটির খুব এমন যে পরিচিতি আছে তা বলা যায় না। কিন্তু এককালে হরিনাভি বাংলার সাংস্কৃতিক জগতের একটি সমৃদ্ধ জায়গা বলে পরিচিত ছিল। ১৮৬৭ সালে হরিনাভির দক্ষিণপ্রান্তে কেদারনাথ দে-র উদ্যোগে তাঁর জমিতেই তৈরি হয়েছিল হরিনাভি ব্রাহ্ম সমাজ। মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরও এই মন্দিরের জন্য টাকা দিয়েছিলেন। হরিনাভি ব্রাহ্ম সমাজ পরিচালিত স্কুলটি এখনও জনপ্রিয় এবং অনেকেরই ছাত্রজীবন শুরু হয় এই স্কুলটিতে। হরিনাভি ... ...
আমি চাই তোমায় পাত পেড়ে খাওয়াতে। নিজহাতে রান্না করে তোমায় খাওয়াব, এটাই আমার চাহিদা। পঁচিশ ব্যঞ্জন পদ, ঝাল ঝোল অম্বল মিষ্টি সব কিছু। ষড়রস, সকল আকারের সব্জি, মাছ মাংস ফল মূল সব। সারা দিন রান্না করব তোমার জন্য তুমি দুপুরে আসবে, আসন পাতবো, হাতপাখা দিয়ে হালকা হাওয়ায় তোমায় বসিয়ে খাওয়াবো। তোমার আগ্ৰাসন আমি দু চোখ ভরে দেখবো। আমার করা রান্না তুমি খাবে, আমি দেখবো। প্রাণভরে, এতটাই যেন মনে করবো, তুমি নও যেন খাচ্ছি আমি। তোমার মুখের স্বাদে আমি আমার প্রাণের সাধ মেটাবো। তুমি মাছের কাঁটা চুষে চুষে আলাদা করবে আর আমি বসে তা দেখবো। আমি দেখবো তোমার লালামিশ্রিত কাঁটাগুলো কেমন তুমি থালার কানায় ... ...
মার্ক টোয়েন কার নাম বলার জন্য কোন প্রাইজ নেই।কিন্তু আমাদের অনেকেরই জানা নেই যে টম সইয়ারের রচয়িতার নাম স্মরণীয় হয়ে আছে সম্পূর্ণ পৃথক একটি কারণে। ক্যালিফোর্নিয়ার কিংস ন্যাশনাল ফরেস্টে একটি অতিবৃহৎ সেকয়া গাছের নামও হল ‘মার্ক টোয়েন ট্রি’। এই ‘সেকোয়া’ গাছগুলি আকারে ও আয়তনে বৃহৎ হয়ে থাকে। ১৮৯১ সালে পার্ক তৈরির সময় ঐ জায়েন্ট গাছটিকে কেটে ফেলতে সময় লেগেছিল ১৩টি দিন।হ্যাঁ, চারজন মানুষ ১৩ দিন ধরে ১৬ ফুট ব্যাসের গাছটিকে ধরাশায়ী করতে সময় নিয়েছিল ১৩ দিন। হ্যাঁ, দিদিমার তুতোদাদা কেশব নাগের কোন ঐকিক নিয়মের অঙ্ক নয়; একান্ত বাস্তব। গাছের কাণ্ডের বাকল পালটায় বছরে বছরে। কাণ্ডের গোড়ায় তৈরি হয় নতুন ... ...