রক্তাক্ত জনতা, বাঘিনীর থাবায়। উন্নয়নের আঁচড়ে প্রাণ যায় যায়! তাই দেখে কুমীর কাঁদছে, মেকি কান্না, আপন খেয়ালে, বলছে, জনতা তোমায় আগলে রাখবো, আমার চওড়া চোয়ালে! একই মালিকের পোষ্য দুজনে, একই মালিকের নুন খায়। ক্ষমতার মধু চাটতে গিয়ে একে অপরের বিরোধী দেখায়! বাঘিনীর কবলে জেরবার জনতা, ভাবছে কুমীরের চোয়াল ভালো-অথচ এই বাঘিনীই সেই বাঘিনী, কুমীরকে যে পথ দেখালো। বাঘ-কুমীরের দালাল মিডিয়া জনতার মাথা চিবিয়ে খায়! ধর্ম আর জাতীয়তাবাদে জনতার দাবী হারিয়ে যায়! জাত-পাত ভুলে জনতা তুমি ঐক্যবদ্ধ হও। চেতনা জাগিয়ে প্রশ্ন করো, লড়াইয়ে সামিল হও। "মন্দির -মসজিদ নয়; কাজ চাই, ভাত চাই"-এই দাবীতে লড়াই হোক। লড়াই হোক, লড়াই হোক; শাসকের চোখে রেখে চোখ! জনতা তোমার নখ-দাঁত বার করে আজ পাল্টা হামলা হানো-বাঘ-কুমীরের দিন ... ...
উপন্যাসটা পড়ার ইচ্ছে জেগেছিল মূলত দুটো কারণে --- এক, এর অদ্ভুত প্রচ্ছদ, এবং দুই, অদ্রীশ বর্ধনের মৌলিক লেখা। এরকম একটা প্রচ্ছদের ওপরে আকর্ষণের কারণ আমি প্রথমে বুঝতে পারি নি। অনেকদিন ধরেই বইটা চোখের সামনে ঘোরাফেরা করছিল, এমনিই ফেলে রেখেছিলাম, কিন্তু তবুও, টানছিল আমাকে নিতাই ঘোষের আঁকা ওই অদ্ভুত প্রচ্ছদটা। কিছু একটা চেনা, তবুও যেন চিনতে পারছিলাম না। অবশেষে একটানে বইটা শেষ করলাম। কিশোর উপন্যাস। পড়তে পড়তে একটা কনসেপ্টে এসে আসল ব্যাপারটা খোলসা হল। তা হল, মগজ ধোলাই টাইপের মেশিন, যার নাম এখানে ‘মগজ’। ‘হীরক রাজার দেশে’ ১৯৮০ সালে নির্মিত, আর ‘মিলক গ্রহে মানুষ’ লেখা হয়েছে ১৯৮৪ সালে। আমি জোর করে অবশ্যই ... ...
পরিষেবা বেসরকারি হলেই, কেমন তার মান হু-হু করে বেড়ে যায়, এয়ার-ইন্ডিয়া তার অব্যর্থ প্রমাণ। কলকাতা থেকে শিকাগো যাচ্ছিলাম এয়ার-ইন্ডিয়ায়, সেই অব্যর্থ প্রমাণ পেয়ে গেলাম। যাচ্ছিলাম, কলকাতা থেকে দিল্লি হয়ে শিকাগো। এমনিতেই কলকাতা শহর থেকে নেতাজি-সুভাষ বিমানবন্দরে এলেই কেমন একটা বিদেশে চলে এসেছি অনুভূতি হয়। নিরাপত্তারক্ষী থেকে বিমান-সংস্থার কর্মী, প্রায় সবাই ফুর্তিতে, হিন্দি বলতে শুরু করে দেন, এবং উত্তরও হিন্দিতেই চান, যেন এটা লক্ষ্নৌ বিমানবন্দর। এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানেও ঘোষণা থেকে বিজ্ঞপ্তি পর্যন্ত সবই হিন্দি এবং ইংরিজিতে। 'কলকাত্তা হাওয়াই আড্ডে মে আপকা স্বাগত হ্যায়' শুনলেই বলতে ইচ্ছে করে, ই কি হিন্দুস্তানি শহরে চলে এলাম নাকি, যার নাম কলকাত্তা হাওয়াই আড্ডে? ব্রিটিশ আমলে ... ...
ত্রিনয়ন = ৩৯ 39 = EPR ( by Gematria)আদ্যক্ষর।(Einstein - Podolsky - Rosen )120 = Psychic Being ! (by Gematria)সুতরাংত্রিনয়ন ও ত্রিনয়ন একটু জিরো = EPR -O-EPR-PSYCHIC-BEING = ৩৯০৩৯১২০ = 39039120 এই কোড টি প্রথম ব্যবহার করেন সত্যজিৎ রায় তাঁর ফেলুদা কাহিনী : ঘুর্ঘুটিয়ার ঘটনা তে। তবে এখানে সেটি ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হচ্ছে।১৯৩৫ সনে প্রকাশিত *EPR - PARADOX* paper, যা কোয়ান্টাম তত্ত্বে দিলো নতুন দিশা, তার মধ্যেই লুকিয়ে আছে : Albert Einstein এর পুনর্জন্মের খবর !!আইনস্টাইন এর নবজন্ম হয়েছে, গত ১৪ মার্চ ২০২৩ তারিখে ! কলকাতায় !!ইতি :Nilanjan Chatterjee = Albert Einstein + Q = 170 ( proof : by ... ...
পরজীবী সাম্রাজ্যবাদ যত'ই তার মৃত্যুর দিকে এগিয়েছে তত তার নোংরা রুপগুলি ফুটে ফুটে বেরিয়ে এসেছে। এমন'ই এক তার ভয়ংকর নোংরা রূপ আজকের দিনে ভোগবাদ; যা আমাদের আত্মকেন্দ্রিক থেকে আর আত্মকেন্দ্রিকতর করে তুলছে। আজ আমাদের দেশে সাম্রাজ্যবাদীদের নয়াউদারবাদী অর্থনীতি -“গ্যাট” চুক্তি ও বিশ্বব্যাংক আইএমএফ সহ আরো বিভিন্ন সাম্রাজ্যবাদী সংস্থার ঋণের জাল, যেমন ভাবে পুরোপুরি স্তব্ধ করেছে দেশীয় পুঁজির বিকাশ। তেমনি বাড়িয়েছে সাম্রাজ্যবাদী শোষণ। আমাদের মন থেকে শরীরের সারা জায়গা জুড়ে সাম্রাজ্যবাদ তার জাল বিস্তার করেছে। আর আমাদের কে একই চক্করে ক্রমাগত ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে নাজেহাল করে দিচ্ছে। মস্তিস্ক থেকে শারীরিক শ্রম সব শুষে নিয়ে বারেবারে ফুলেফেঁপে উঠছে। আমরা সাম্রাজ্যবাদের খপ্পরে তিনটি লোহার শক্ত ... ...
শিরদাঁড়া একটি বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী অথচ পৃথিবীর কোনো চিড়িয়াখানাতেই তাকে সংরক্ষণ করা হয় না
আমি নিজের জন্য তোকে চাই আমারি জন্য তোকে ভালোবাসি ভালোবাসতে চাই নিজেকে চিনবো বলে এ পৃথিবী চাই নিজেকে দেখবো বলে সুখ চাই দুঃখ চাই ভালো চাই খারাপ ও চাই উড়তে চাই পড়তে চাই ভেঙে আবার গড়তে চাই আমার সব আবেশ আমি আকণ্ঠ পান করতে চাই তুচ্ছ জীবনের অতুচ্ছ গল্প স্বর্ণাক্ষরে লিখতে চাই আমি আমারই জন্য তোর সাথে চলি এই আমার সাধ 'আমি সবার মাঝে বাঁচি' || ... ...
তখন সবে স্কুলের বন্দী দশা কাটিয়ে কলেজে ভর্তি হয়েছি। আর তাঁরও আবির্ভাব হলো তখনই। হ্যাঁ, এক জোড়া নীল হাওয়াই চপ্পলের সেই মানুষটাতেই চলছিল একতরফা মন কেমনের গল্প।এই লম্বা সে চেহারায়, জুতোর সাইজ পাক্কা নয়। ওপর তলার জানালা দিয়ে এমনটাই ভাবতাম। আমাদের চোখাচোখি হত খুব কম, শুধু পাশ কাটিয়ে সরে যাওয়া টের পেতাম। টের পেতাম, জানালার কাছ ঘেষে তাঁর নিশ্চুপে এগিয়ে যাওয়া।একটা মস্ত সুবিধা ছিল। সে বাড়িতে ঢুকতে তাকে পেরোতেই হত আমার জানালা। বুকের মধ্যে চলত তখন ভীতু চড়াইয়ের ছটফটানি। ও বাড়ির ছোট বড় অনুষ্ঠানে এ বাড়ির নিমন্ত্রণ থাকত। প্লেট হাতে আমি ও সে অনেকবার একসাথে হয়েছি। তবে কথা হয়নি...তারপর হুড়মুড়িয়ে ... ...
১আজো স্বপ্নে গো মাতারে করি পগাড় পারঅন্ডকোষে তো এখনো খেলে জোয়ার ভাটা;কেসটা গেলেও,গন্ধটা যেন সমঝোতারকয়লা ধুয়ে সফেদ করার করুণ প্রচেষ্টা।২পাড়ার সরকার বৌদি কিছুই খান নাসবই উনার ক্ষণজন্মা সন্তানেরা খায়;বলেন, -সন্তান না খেলেই মায়ের যন্ত্রনামায়ের তো হামি খেলেই পেট ভরে যায়!
"চারিদিকে মরচে ধরা লোহালক্কড় আর সিমেন্টের ফাঁকা পিপে ইতস্তত বিক্ষিপ্ত। তারের তালগোল পাকানো কুন্ডলী, ভাঙা কলকব্জা, তার মধ্যে আবর্জনার স্তুপের ওপর ঘাসের রুগ্ন শীষ গজিয়েছে।" লাইনদুটোর মধ্যে কাব্যের ছোঁয়া পেতেই আমি নড়েচড়ে বসলাম। যারা 'গারিনের মারনরশ্মি' পড়েছেন, তারা জানেন আলেক্সেই নিকোলিওভিচ তলস্তয়ের মধ্যে যতটা মার্ক্সিজম আছে, কাব্যিক ব্যাপার স্যাপার তার ছিঁটেফোঁটাও নেই। যদিও একটা উপন্যাস দিয়ে একজন লেখককে যাচাই করা উচিৎ নয়, তবুও, একটা ধারণা তো করা যায়। কিন্তু এক্ষেত্রে হঠাৎ করে এমন একটা কাব্যিক বাক্যের জন্যে সত্যিই আমি প্রস্তুত ছিলাম না। 'বিনিদ্র রাত্রি' নামক পর্বে এসে আবার চমকালাম। কি লাইন বেরিয়ে এসেছে ওনার হাত ধরে! তলস্তয় লিখছেন, "প্রেমের বিষ ... ...
কেগেল ব্যায়াম হল এক ধরনের পেলভিক ফ্লোর ব্যায়াম ও সেক্সে বৃদ্ধির ব্যায়াম। যা সাধারণত পেলভিক এলাকায় পেশী শক্তিশালী করতে ব্যবহৃত হয়। মহিলাদের প্রসবে সাহায্য করার উপায় হিসাবে কেগেল ব্যায়াম করা হয়েছিল। যাইহোক, কেগেল ব্যায়াম শুধুমাত্র মহিলাদের জন্য নয়, এবং পুরুষরাও কেগেল ব্যায়াম করে উপকৃত হতে পারে।
এই শাশ্বত দিন /এই ডিজেলের সাথে মিশেযতদূর পুড়ে যেতে চায় যাক।রাজকীয় মেঘমাসে/ আদিম শৈশব ভেসে/মৃদুমোহনা ও বার্ষিক এঁটোকাঁটা ছড়াক;এই ক্ষুধাক্রান্ত দীর্ঘ চড়ুইভাতি/অনুবাদ করেছো গ্রীষ্ম?উৎসবকল্পে যেন ভেট দিতে পারিউল্লাসক্রোধলেখা।আমি হাত পাতি, মাথা পাতি/লিঙ্গধর্মকলারবোন পেতে থাকি শুয়ে,দেখি..ওঃ, এই তবে সেই সুপরিকল্পিতজমজমাটকারাগার!
মহাবিজ্ঞানীর জন্ম দিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি: তোমার সাথে বসবো ইসাবেলামুহুর্তে ই কাটবে আমার বেলা; প্রতি মুহুর্তে জীবন মরণ খেলাশরীরে যদি কর্কট রোগ জ্বালা!
উলোটপূরাণ মৌসুমী ঘোষ দাস ডাইনিংএ পা রেখেই নাকটা কুঁচকে গেল কাকলির! আজও কিছু পুড়ছে রান্নাঘরে! ছুটে গিয়ে গ্যাসটা অফ করে। ততক্ষণে বাটির সব জল শুকিয়ে ডিমদুটোর তলা ধরে গেছে। বহুবার অনন্যাকে বলেছে, ‘আমাকে বলো, আমি না হয় কিছু রেঁধে দেবো’। ওর তর সয় না! নাকি অবজ্ঞা করে- বোঝে না কাকলি। তা নিজেই যখন করবে, তো সেই সময়টুকু নাহয় রান্নাঘরেই থাকো। খাবার গ্যাসে বসিয়ে দোতলায় নিজের ঘরে গিয়ে বসে থাকা- এ আবার কি স্বভাব? খাবার এবং গ্যাস- দুটোই তো নষ্ট হয়! গায়ে লাগেনা? সিঁড়ি ভেঙ্গে গেল অনন্যার ঘরে। মগ্ন হয়ে ফোনে কার সাথে যেন কথা বলছে। ফোনে এত আস্তে কথা বলে, যে পাশে ... ...
জঁ-র ব্যাপারটা আমার কোনকালেই পছন্দের ছিল না। এইভাবে সুক্ষ্মাতিসুক্ষ্মে ভেঙেচুরে ‘ট্যাগ’ করাটা শপিং মলে কিম্বা ওষুধের দোকানেই শোভা পায়। সেখানকার যারা কর্মচারী তাদের সহজ হয় বিক্রীবাট্টার ক্ষেত্রে। তেমনই জঁ-র ব্যাপারটা স্কলার বা রিসার্চারদের ক্ষেত্রে ঠিকঠাক মনে হলেও পাঠক মহলে এটা বর্জনীয় হলে আত্মিক দৃষ্টি সুদূরপ্রসারিত হয়। নাহলে যে সমস্ত পাঠক শুধু ‘গোয়েন্দা’ কিম্বা ‘তন্ত্র’ ইত্যাদি (উদাহরণস্বরূপ) নিয়েই শুধু থাকতে চাইছেন, তাদের অবস্থা খানিকটা একদৃষ্টি হরিণের মতো হয়ে যায়। লাভের লাভ খুব একটা কিছু হয় না। যারা নিজেদেরকে জঁ-র-এর জটাজালের থেকে বাইরে নিয়ে আসতে চান তাদের লাভ বেশি। এর একটা বড়ো উদাহরণ ‘গারিনের মারনরশ্মি’ নামক উপন্যাসটি। ... ...
ছোটবেলা থেকেই আমাদের মনে স্বর্গ - নরক, পাপ - পূণ্য ইত্যাদির সম্পর্কে ধারণা তৈরী করে দেওয়া হয়। বাড়ীই হোক বা সমাজ কিংবা স্কুল, সর্বত্রই সরাসরি অথবা ঘুরপথে শিশুমনে গেঁথে দেওয়া হয় এই ধারণাগুলো। শিক্ষিত - অশিক্ষিত, ধনী - দরিদ্র সকলের মনেই ছোটবেলা থেকে এই অলৌকিক এবং বিমূর্ত ধারণাগুলো তৈরী হয়ে যায় সমাজের কারণেই। পরবর্তীতে খুব কম মানুষ এই ধারণাগুলো থেকে বেড়িয়ে আসতে পারে। কিন্তু যে অসংখ্য মানুষ লৌকিক জগতে ফিরতে পারে না বা বিচরণ করতে পারে না, রক্তের তেজ কমতে শুরু করলে এই বিমূর্ত ধারণাগুলো আরও শাখা প্রশাখা বিস্তার করতে শুরু করে তাদের মানসিক স্তরে। শিশুমনে যে বীজ পুঁতে দেওয়া ... ...