নয় নয় করে ন'বছর হলো পারআর নয় এই ধর্মের কারবার; শূন্য ভাঁড়ার দুটো খোঁয়ার পশুদের শুধু চিৎকার
আহা! আমার বুকের ভিতর সেই হীরেমন পাখি, আমি তাকে শেকলে, খাঁচায় বেঁধে রাখি, বলি, তুই বলিস না বোকার মতন অনর্গল, অবান্তর কথা, তুই ছুটে ছুটে যাস না মিছে, অকাজের অবাক
কল্পনা করুন এক গবেষকের কথা যিনি একটা ম্যাপ নিয়ে বসে আছেন। দেখছেন দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিম জনসংখ্যার বিন্যাসের প্যাটার্ন। তাঁর তথ্যভিত্তি হল ১৮৮১ সালের বৃটিশ ভারতের সেন্সাস। এই সেন্সাসটাকে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মনে করেন ইতিহাসকাররা। আশ্চর্যজনক ভাবে দেখা যাচ্ছে ইসলামের কেন্দ্র আরব বিশ্ব থেকে বহু দূরে এমনকি দিল্লীকেন্দ্রিক ইন্দোমুসলিম শাসকদের সাম্রাজ্যের প্রত্যন্ত পূর্বসীমায় ইসলামধর্মীয় মানুষের বিরাট সংখ্যাধিক্য রয়েছে। কেন এটা হয়? কী ভাবে সম্ভবপর ? দিল্লী সাম্রাজ্যের উত্তর, উত্তরপশ্চিম সীমান্তে না হয় মধ্য এশিয়া থেকে আসা বাণিজ্যপথ ধরে কখনও বাণিজ্য উদ্দেশ্যে কখনো যুদ্ধবাজ আক্রমণকারী-ভাগ্যান্বেষী গোষ্ঠীর কার্যকলাপে বিরাট মাইগ্রেসন হচ্ছে ইসলামধর্মীয় মানুষের। ইন্দোমুসলিম শাসনকেন্দ্রের নৈকট্য আর সুফি প্রভাবে জনগোষ্ঠীর ইসলামে ধর্মান্তরীকরণ সম্ভব হচ্ছে সেখানে। দক্ষিণ, ... ...
আমার আঁকাজোকা : বাঙালী র ছেলে।শুধু পড়াশুনা নিয়ে থাকলে হবে? তাই, দে গরুর গা ধুইয়ে। অর্থাৎ ভর্তি করে দেওয়া হল "দাদুর পাঠশালা" তে। রবিবার রবিবার আঁকতে যাই। কুমড়ো,আম,ন্যাসপাতি। কালের অমোঘ নিয়মে শেষ অবশ্যম্ভাবী পরিণতি "একটি গ্রামের দৃশ্য "। একটা কুঁড়ে ঘর। টালির বা খড়ের চাল।পেছনে কলা বা অন্য কোন গাছ মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। পাতার মাঝখান দিয়ে চলে গেছে রাস্তা।মোরামের।উঠে গেছে সোজা পাহাড়ে। গ্রামের পেছন দিকেই পাহাড়। ঠিক দুটো চুড়ো। তার ফাঁক দিয়ে দেখা আছে সদ্য উদিত হওয়া সূর্য কে। নীল আকাশে চড়ে বেড়াচ্ছে কটা পাখি।গ্রামের আরেক পাশে পুকুর। কিছু কিছু জনতা পুকুরে মধ্যে মাছ ঘুরে বেড়াচ্ছে সেটাও এঁকে দিত। যাইহোক ... ...
আসলে প্রথমেই বলি কথামুখের সঙ্গে যে বন্ধুরা পথ হাঁটলেন, আমরা একসঙ্গে এগলাম। প্রবল বিতর্ক করলাম। আবার পথ হাঁটা শুরু হল। আর এভাবেই আজ দশ হাজারেরও বেশি শুধু সাবস্ক্রাইবার নয় বন্ধুর সাথেও কথামুখের পরিচয় তৈরি হল। এর জন্য আপনাদের সবাইকে আমার অনিঃশেষ, অনন্ত কৃতজ্ঞতা। আমাদের বন্ধুত্ব আরও শক্তিশালী
ফুসফুস পুড়ছে উৎসর্গ : যশোর রোডের গাছেদের আমরা খুব ভাবে জানি বৃষ্টি মেঘ থেকে হয়। পৃথিবীর ফুসফুস পুড়ে যাচ্ছে... শাষন দেখছে...নাগরিকরা রাস্তায় নেমেছে, আদিবাসিরা রাস্তায় বুকের দুধ খাওয়াচ্ছে বাচ্চাদের। আমরা খুব ভালো ভাবে জানি গাছ কি ভাবে বৃষ্টি
আজি এ প্রভাতে সহসা কেন রে পথহারা রবিকর আলয় না পেয়ে পড়েছে আসিয়ে আমার প্রাণের 'পর! এই কবিতা সম্পর্কে তাবৎ বাঙালীকূল অবগত। অত্যন্ত জনপ্রিয় এই কবিতাংশ ‘নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ’-তে পাওয়া যায়। এর ইতিহাসও অনেকেই জানেন, তবুও প্রসঙ্গ হেতু, তার সারাংশটি হল --- রবীন্দ্রনাথের বয়স তখন মাত্র একুশ। অধুনা ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামের ... ...
শূন্য হাতে হকের ধনও ছুঁতে পারা যায় নাচেনা শিল্পী বলেছিল, টাকা একটা হলেও চাই; কিছু না নিয়ে মঞ্চে উঠতে গুরুর আছে মানা - তাবিজ খুলে শরীর চাখতে গুরুর মানা নাই! পয়সা দিলে এই বাজারে আনন্দ এক ঘন্টা ফুটপাতে যারা বুকে
জানেন কি জলভরা মিষ্টি তৈরি হয়েছিল কীভাবে? জামাইষষ্ঠীতে জামাইকে মিষ্টি খাওয়ানোর রীতি আছে। জামাইষষ্ঠী বাঙালিকে দিয়েছিল নতুন মিষ্টি। ভদ্রেশ্বরের তেলেনিপাড়ায় বন্দ্যোপাধ্যায়দের জমিদার বাড়ির দাবিতেই এই তাল শাঁস মিষ্টি প্রথম বানান সূর্য মোদক। ১৮১৮ সালে। প্রথম জামাইষষ্ঠীতে নতুন জামাইকে ঠকানোর
আচাই- খালাই ওয়াইসা থুই- নাই তা কারিসিদি কিরি-অই পাইগালাক প্রাণ, হরি মুংন লাছিদি। হুনা বুনা লুমা লুতি বলাই ন-বার-তই ওরি জাওক নাইদি,সব থুইন সব হাম-ন ভাবে নাইসিদি। বাখা যদি হামছক- খালাই হাম-ইয়া চাইয়া বন নুংখালাই, মাখালান ইয়াকছি ইয়াগ্রা সব তর নাইদি। রতন-নি ইয়াকংন নাই নাই,বড় থাঙ্গই নুংজাক- ছিনাই যেফুং ওথুঁং খুসী কৃষ্ণ তা ছারেছিদি। রিয়াং ভাষায় লিখিত এই গানটির বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায়:- জন্মিলে তো মরিতেই হবে একদিন, তাই ভয় পেয়ো না ... ...
মায়ের সাথে আশুর একটা অম্ল মধুর সম্পর্ক ছিল। কিন্ত দিদির সাথে সরাসরি শত্রুতা, যদিও সেটা খেলার ছলে। দিদির রসবোধ নিয়ে আশুর যথেষ্ট সন্দেহ ছিল। এর মধ্যেই সে সবার অলক্ষ্যে বড় হয়ে উঠছিল। তার আদর্শ ছিল তার বাবা। সাধারণ ভাবে মায়েরা শিশুদের বেশী প্রভাবিত করে থাকেন, কিন্ত আশুর বেলায় পুরো বিপরীত। অবশ্য তার বাবা সম্পর্কে আমি তার মুখে যা শুনেছি তা অবাক করার মতো। আসলে আমার এই লেখার উদ্দেশ্য আশুর জীবনী লেখা নয় ... ...
মা দিবস আজ। মা জন্ম দেয় শিশুকে। মা কী ঈশ্বরকেও জন্ম দেয়? রহস্যের সমাধানের আগে দেখি মা বলতে কী বুঝি আমরা? ম দিয়ে মাকে বোঝানো হয় নানান ভাষায়। ম মানে মিতকরণ বা পরিমিত করা। আর 'আ' হলো আধার। আমাদের অবস্থা যখন ছিলো ভ্রূণ অবস্থায় তখন আমাদের অবস্থা ছিলো ক্ষুদ্রতম বা পরিমিত। এই পরিমিত আমাকে ধারণ করেছিলেন ... ...
ব্যাপারটা আর কিছুই না, আসলে লোকটা কি খুঁজছিল বুঝতে পারছিল না - তার একটা পাকা পেঁপে খাওয়ার ইচ্ছে হচ্ছিল - কিন্তু গুরুরা বলছিল পাকা পেঁপে খেলে ইতিহাস টক্সিক হয়ে যেতে পারে - ফলে লোকটা মাথা চুলকোতে থাকলো এদিকে লোকটার বাড়ির পেঁপে গাছে
প্রথমেই বলে রাখা ভালো যে এই লেখাকে ভুলেও চলচ্চিত্র রিভিউ বলে ধরে নেবেন না। কারণ আমি মোটেই চলচ্চিত্র বোদ্ধা নই। বরং আমি দর্শক হিসেবে অনেকটাই আবেগতাড়িত। তাই বুদ্ধির গোড়ার ধোঁয়া, প্রথমেই টিয়ার গ্যাসের কাজ করে। যেমন :দূর্গার মৃত্যু খবরে সুতীব্র তারসানাই বেজে ওঠা, নীতার - 'দাদা আমি বাঁচতে চাই' বলে হাহাকার এবং 'সদগতি' তে দুখীর লাশ টেনে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখে আমি ভেসে যাই। আসলে যে দু-এক কথা বলতে চাই এবং যে কথা না বললে ভেতরটা ভার হয়ে আছে, তা হলো শেষমেশ ওটিটি তে ইশান ঘোষের 'ঝিল্লি' দেখেই ফেললাম এই সপ্তাহে। দেখে প্রায় হাড়হিম হয়ে যাবার যোগাড়! ভাগ্যিস হাতে রিমোট ছিল তাই মাঝে মাঝে ... ...
কালকের চাকরি-যাওয়া সংক্রান্ত রায়ের খবরটা পড়ে যার-পর-নাই শঙ্কিত হয়ে পড়লাম। পুরো রায় তো দেখিনি, খবরের কাগজের প্রতিবেদন পড়ে যা বুঝলাম, তা মোটামুটি এইঃপর্ষদবাবু প্রচুর লোককে নিয়োগ করেছিলেন সরকারি কাজে। সেই নিয়োগ ঘিরে বেনিয়ম/দুর্নীতির অভিযোগ ছিল। সিবিআই সে নিয়ে প্রচুর তদন্ত করেও, ঠিক কোন-কোন নিয়োগে বেনিয়ম আছে, তা বার করতে পারেনি। তাই সবাইকে অযোগ্য ঠাউরে প্রথমেই সব লোকের চাকরি কেড়ে নেবার নির্দেশ ... ...
শুধু গান দিয়ে বিচার করলে খুব ভুল হবে, মাননীয়া কল্যাণী কাজী ছিলেন বঙ্গ সংস্কৃতির এক উজ্জ্বল প্রতিভূ। শ্বশুরমশাই ছিলেন বাঙালির সাংস্কৃতিক আকাশের এক উজ্জ্বল ধ্রুবতারা, রবি ঠাকুরের তীব্র আলোর পাশাপাশি সম্পূর্ণরূপে রবি প্রভাবমুক্ত নিজস্ব আলোয় আলোকিত এক ধ্রুবতারা, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। কাজী নজরুল ইসলামকে আমরা বাঙালিরা সেইভাবে পায়নি কারণ ইংরেজদের অত্যাচার। তিনি জীবনের একটি বিরাট অংশে নিশ্চল হয়েছিলেন ... ...
টেকনোসেন্ট্রিক সমাজে হিউম্যানিটিজ পড়লে চাকরি মেলে না। ভারতীয় সমাজের চালিকা শক্তি হল পরিষেবা প্রদান বাবদ আয়ের ক্রমবৃদ্ধি। উৎপাদন ও উৎপাদক এ সমাজে ব্রাত্য। এমনকি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বাস্তব উৎপাদন সম্পৃক্ত কোর ব্রাঞ্চগুলোর ছেলেমেয়েরাও পরিষেবা ক্ষেত্রের সাপ্লাই চেনের অনেক বেশি মাইনের কাজে বেশি উৎসাহী। এই ইন্সুরেন্স-আইটি-এন্টারটেনমেট সেক্টরের যোগে আইস মডেল বা তার আগে রিয়েল এস্টেটকে রেখে রাইস মডেলই নবতর সমৃদ্ধির সমার্থক। এর ফলে যে নলেজ সিস্টেম ... ...
খেসারত। পি এম পদ'তো ইংল্যান্ডেও ছিলো ক্যাপ্টেন হয়ে চিনলি না তোর স্থান! চাঁদের আলো ছিল তবুও
দিল্লি যখন গিয়েছিলাম তখন জামে মসজিদ ঘুরে তারই কাছে সারমাদ কাশানীর দরগায় গিয়েছিলাম। সারমাদ ছিলেন সুফি সাধক। রাধা-কৃষ্ণের প্রেমের মতো তিনি নিজেকে লয়লা মনে করে মজনু রূপী আল্লাকে খুঁজতেন। মনে করতেন যন্ত্রের মতো কিছু রীতি না মেনে প্রেমের মাধ্যমে আল্লাকে পেতে হয়। আবার বলতেন 'লা ইলাহা' বা 'খোদা নেই' মানে আচারের মাঝে আল্লাকে পাবে না। নামাজ করা, হজ করা বা রোজা রাখা হলো স্থুল ... ...
শ্রীচরণেষু গুরুদেব, আমি একুশ শতক থেকে বলছি। তোমার স্বপ্নের বঙ্গভূমি থেকে। তোমার আবির্ভাবের ১২৫ বছর পর পৃথিবীর আলো দেখেছি আমি। বাঙালি হয়ে জন্মানোর সুবাদে প্রকৃতির সহজাত দানের মতোই শৈশবেই তোমাকে পেয়েছিলাম উত্তরাধিকার সূত্রে। ‘সহজপাঠ’ থেকে ‘সভ্যতার’ সংকট সবই চিনেছি তোমার হাত ধরে। আমার মস্তিষ্কের চোরাকুঠুরিতে প্রদীপ প্রজ্বলনের প্রথম কারিগর