রাজার প্রজা সদাই খুশী ———————— সুপ্রিয়া চৌধুরী ———————— নেতা মোদের রাজা মশাই আমরা হলেম প্রজা, ভীড় ভাড়াক্কা আমরা যোগাই, কাজই মানুষ খোঁজা। মণ্ডা মিঠাই ভাতা দিয়ে,
বর্ষার খিচুড়ি জুলাই মাসটা যদিও আমার জন্য খুব লাকি, যে দুটো কারণের জন্য লাকি, জানি না, তারা ততটা লাকি ভাবে কি'না! কিন্তু জুলাইএর মাঝামাঝি থেকে পূজো পর্যন্ত, আমার শরীরটা ঠিক জুতের থাকে না। বর্ষাকালের জুতোর মত নানা ছুটকো ময়লার মত অসুখ বিসুখে জর্জরিত হয়ে পড়ে। মানে জ্বর জ্বর না হলেও, অসুখ দিয়ে জারিতই থাকে। এই বছরে, সব কিছু ছাপিয়ে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে, ফ্রোজেন সোলডার। ডাক্তারি পরীক্ষায় সি২+সি৩, সি৪+সি৫ এবং সি৫+ সি৬, এগুলি মার্জিনাল অস্টিওফাইটস অবস্থানে রয়েছে। ইমপ্রেশান হল সার্ভিকাল স্পন্ডিলসিস। আমার ও.এ ডান সোলডারে বদলে গেছে, যদিও হাড্ডি কা ডেন সিটি ঠিকঠাক আছে - কিন্তু শরীর বা আমার লেখার আঙুল এইসব ... ...
একটি কালো রাতের কাহিনী:অন্ধকার জগতে সৈকত:-অম্লান সরকারপেশায় কস্ট একাউন্টেন্ট সৈকত ছাত্র জীবনে মেধাবী তথা পরিশ্রমী ছাত্র ছিল। কাজেই স্কুল কলেজের বাধা ফটাফট টপকে যেতে সৈকতকে বিশেষ কোন প্রযত্ন করতে হয়নি। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে সৈকত প্রাচুর্যের মধ্যে বড় হয় নি। তবে তার যখন যেটুকু ন্যূনতম প্রয়োজন সেগুলি সে অনায়াসেই পেয়ে গেছে, সে পড়াশোনার খরচই হোক আর কাপড় জামার খরচ বা ছোট খাটো কোন বিলাসিতার খরচ হোক না কেন। তবে নৈতিক চরিত্র তার সেভাবে খুব একটা গড়ে ওঠে নি। এছাড়া সৈকতের প্রজন্মের ধারা অনুযায়ী নারী পুরুষের মধ্যে বিবাহ পূর্ব যৌনতা ওদের কাছে ডাল ভাতের মতই ব্যাপার। কাজেই সৈকতও নারী পুরুষের সম্পর্কের মধ্যে ... ...
দিল্লির শীর্ষ আদালতের খবর। গত কালের। খবরটা অত্যন্ত জরুরি, কিন্তু বিশেষ কোথাও পাবেননা। তাই আমিই লিখি।খবরটা প্রাথমিকভাবে একটা মামলার। শিলিগুড়িতে একটা অ্যাক্সিডেন্ট হয়, কিছুদিন আগে। সেই নিয়ে উত্তরপ্রদেশের এক ব্যক্তি ক্ষতিপূরণের মামলা করেন, শিলিগুড়ির এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। মামলাটা হয় উত্তরপ্রদেশে। তাতে শিলিগুড়ির ব্যক্তি সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন, যে, যেহেতু ঘটনাটা শিলিগুড়ির, সাক্ষীসাবুদও সেখানকার, তাই মামলাটা সেখানেই সরানো হোক। এছাড়াও, আরও একটা ব্যাপার ছিল, যে, সাক্ষীসাবুদ, এবং অভিযুক্ত, সকলেই বাঙালি, তাদের হিন্দি ভাষায় অস্বাচ্ছন্দ আছে।শীর্ষ আদালতের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত, আবেদনটা খারিজ করেন। তার নানা আইনী যুক্তি এবং মারপ্যাঁচ থাকতেই পারে। সেটা খবর না। খবর হল, তিনি যা বলেছেন। এনডিটিভি ওয়েবসাইটে উদ্ধৃতি ... ...
ছুঁয়ে দিয়েছিলো বলে বাক্সের মতো খোলা হলোঅস্তরঙীন দিন, মেঘে মেঘে বয়ে গেলো বেলা এ পর্যন্ত সব ঠিক ছিলো, বাড়ির মধ্যে ঘর, মেলাএকা রঙ্গন গাছ, শিশিরের মতো ছলোছলো গুঁড়ো দুঃখের ফোঁটা, পাখি বলে ভ্রম হতে পারেছুঁয়ে দিয়েছিলো বলে কুহুডাক বেজেছে বেতারেযে সব ঘোর-লাগানো, যে সব মায়া-জড়ানো কথাআকাশে বাতাসে ছিলো, পুঞ্জ পৌনপুনিকতাতাদের খোঁজ নিলো যে ফুরিয়ে গিয়েছে নিঃসাড়অগ্নিসাক্ষী রেখে, খুঁজলো নষ্ট অধিকার আপতকালীন দিন, রোদ এলো বৃষ্টি তাড়া করেছুঁয়ে দিয়েছিলো বলে অমলিন ঝরলো পাথরেবহু জীবনের ভুল, বহু নদী, বহু অঙ্গীকার ছুঁয়ে দিয়েছিলো বলে খুলে গেলো বন্ধ এবার ... ...
হেদুয়া পার্কের একপাশে রামদুলাল সরকার স্ট্রীট। কর্ণওয়ালিস স্ট্রিটের বুকের ওপর দিয়ে আড়াআড়ি বেরিয়ে গেছে ওদিকে দর্জিপাড়ার দিকে। ওই রাস্তাতেই মোড়ের মাথায় বইয়ের দোকান বৈকুন্ঠ বুক হাউস। খানকয়েক বাড়ির পরে নিতাইবাবুর মানে, নিতাইচন্দ্র ভট্টাচার্যের বাড়ি। ভাড়াবাড়ি আর কি। নিতাইবাবু পরিবার নিয়ে একতলায় থাকেন। রেল অফিসে চাকরি করেন। দোতলাতেও আর এক ঘর ভাড়াটে আছে। অনিল ঘোষ সেখানে তার পরিবার নিয়ে থাকেন। বাড়িওয়ালা বিভূতিবাবু, বিভূতিভূষণ দত্ত সপরিবারে তিনতলায় থাকেন। তার বয়স প্রায় ষাট বছর। বায়োস্কোপ দেখার খুব শখ। একা একাই দেখেন। তার স্ত্রী যান তার ... ...
ব্যাকরণে কাল তিনটি অতীত বর্তমান আর ভবিষ্যত। আমার মতে দুইটি ইহকাল আর পরকাল। আমার জন্মভুমির মুসলমান অর্থ্যাৎ আমার জাত ভাইদের সরকার কিছু দিতে চাইলে ইহকালেই দিতে হবে পরকাল আমাদের সৃষ্টিকর্তা বুঝিয়ে দেবেন। সরকারের কাছে ইহকালে চাই পেট চালানোর মত শিক্ষা। পরকালের শিক্ষার প্রতি টান থাকলে সেটা আমরা নিজেরাই অর্জন করব প্রয়োজনে গুরুধরে। ... ...
মধুর ফাঁদ অম্লান সরকার উত্তর ভারতের হিমাচল প্রদেশের এক সুপ্রাচীন গ্রাম মালানা। কুল্লু উপত্যকার উত্তর পূর্বে পার্বতী উপত্যকা। তার ঠিক পাশেই বাকি পৃথিবীর থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় অবস্থিত এই মালানা উপত্যকা। এই উপত্যকার প্রাচীন অধিবাসীরা নিজস্ব এক সুপ্রাচীন ভাষায় নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা বলে থাকে। একসময় ১৯৬১ সালের সেনশাসের হিসাবে এই প্রাচীন জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ৫৬৩ তে নেমে গেছিলো। পরে সেটা বেড়ে ১৭০০ মত হয়েছে। মালানা গ্রামের একেবারে নিজস্ব কিছু চরিত্র আছে। এদের জীবন যাত্রা প্রণালী, রীতিনীতি, সামাজিক গঠন খুব সুশৃঙ্খল ও সুনিয়ন্ত্রিত। এই গ্রামের সমাজ ও শাসন ব্যবস্থাকে পৃথিবীর সব থেকে সুপ্রাচীন গণতন্ত্রের দর্জা দেওয়া হয়েছে। এই উপত্যকার অধিবাসীরা বিশ্বাস করে যে তারা মহান সম্রাট ... ...
ডাক্তার বাবুর চেম্বারের বাইরে সিমেন্টের পিলারে পিঠ ঠ্যাকনা দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে মাসুম। এতক্ষণ বসেই ছিল। কিন্তু ডাক্তারের অপেক্ষায় যদি হাতে প্লাস্টার নিয়ে কোনো মহিলা দাঁড়িয়ে থাকে সামনে, পায়ের উপর পা তুলে মেটাল চেয়ারে বসে থাকাটা মাসুমের পক্ষে অস্বস্তিকর লাগে। তাই পেসেন্ট পার্টিকে ইশারায় বসতে বলে একটু পায়চারি করে নেয় মাসুম। বাইরে গিয়ে একটু সিগারেট ফুঁকে এলে ভালো লাগত। কিন্তু কখন ডাক পড়ে চেম্বারে। ফ্যানের হাওয়ায় ফরফর করে উড়তে থাকা ক্যালেন্ডারের দিকে চোখ যায় মাসুমের। আজ এক্স রে রিপোর্ট দেখে ডেট দেবে ডাক্তারবাবু। আসমা বায়না ধরেছিল নিজে আসার। ডাক্তার কী বলে, নিজের মুখে শুনতে চেয়েছিল ... ...
মাটির টান ————— সুপ্রিয়া চৌধুরী ————— আবার আসিব ফিরে, আসিব বারংবার - যেখানেই যাই, পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে, যে কোনো ঠিকানায় — যতই সুখের স্মৃতি জমা হয়ে থাক, যতই প্রেম বিনিময় হোক তোমায়
জেনোসাইড, সিলেট। ২৫ মার্চ রাতেই পাকিস্তান সেনাবাহিনী হত্যাযজ্ঞ শুরু করে শহরে। ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসের বাঙ্গালী সৈণিকরা ও প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু করেন। ২৫ মার্চে আগরতলা মামলার আসামী, পাকিস্তান আর্মি থেকে বহিস্কৃত ক্যাপ্টেম মুত্তালিব প্রথম প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু করেছিলেন সিলেট শহরে। হবিগঞ্জের দিক থেকে ব্রিগেডিয়ার সিআর দত্তের নেতৃত্বে মুক্তিবাহিনীর আরেকটি দল ও এগিয়ে আসে সিলেটকে শত্রু মুক্ত করতে। কিন্তু ৮ এপ্রিল পাকিস্তান সেনাবাহিনী বিমান আক্রমন শুরু করলে মুক্তিযোদ্ধারা পিছু হটতে বাধ হন। পাকিস্তান আর্মি সিলেট শহরের নিয়ন্ত্রন নিয়ে আরো ভয়ংকর তান্ডব শুরু করে। তারা ব্যাংকের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা বাঙ্গালী পুলিশদের হত্যা করে। ৯ এপ্রিল সিলেট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল আক্রমন করে কর্তব্যরত অবস্থায় সার্জারী ... ...
বিশটা বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেল-রাত্রি এখন সময় ধার করে আরও গভীর হয়েছে;একটা সরীসৃপ নিজের ধর্ম পালন করবেই। যতই শীতল, মৌনী ও নিরাসক্ত দেখাক না কেন -অভ্যন্তরএ এক খুনী ধ্যানমগ্ন;একটা উইপোকাও নেই ধারে কাছে বাল্মীকি মুচকি হেসে ফিরে গেছে। নিষ্প্রদীপ এই নিকষ অন্ধকারে শুধু হিস্ হিস্ শ্বাস প্রশ্বাসের শব্দ!যেতে আসতে ভক্তবৃন্দ ধূপ-ধুনো জ্বালায়, মালা নয়, ডলারে ফলার দিয়ে যায়। বণিক, আমলা, ধার্মিক তো বটেই-গবেষক ও শিক্ষাবিদও আসে দর্শনার্থী হয়ে। তারপর কোনো একদিন যাগ-যজ্ঞের পরমন্ত্রপুতঃ মুদ্রা নীরবে উড়ে যায় সাত সমুদ্রের পাড়ে; আর ফেরে না। যত কালো ছিল সব কড়ায়-গন্ডায় ফিরে আসে-আর যাদের কৌপীন ছিল, তারা রক্ত বিক্রি করে। রাত দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়!কেউ কেউ হাওয়ায় গন্ধ পায় -প্রাগৈতিহাসিক ক্ষতে'র ... ...
সুকান্তর কথকতাঅম্লান সরকারসেদিন কোন একটা উপলক্ষে সংবাদপত্র অফিসের ছুটি। পরের দিন সকালে কাগজ ছাপা হয়ে বেরোবে না। তাই সারারাত কাজ করে সেদিনকার সকালের কাগজ ছেপে বের করার দায়িত্ব সামলে সকালের দিকে একটু ঘুমিয়ে ধানবাদ থেকে কোলফিল্ড এক্সপ্রেস ধরে সুকান্ত এসে পৌঁছালো আসানসোল শহরে। সুকান্তর পুরনো কর্মভূমি এই আসানসোলে থাকে এককালীন সহকর্মী ও বন্ধু মানস সেনগুপ্ত। স্থানীয় একটি সংবাদপত্র অফিসের বিজ্ঞাপন বিভাগের কর্ণধারের কাজ ছাড়াও মানসের নিজস্ব একটি ছাপাখানাও ... ...
ঔরঙ্গজেবের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো খণ্ডনের স্ট্র্যাটেজি ঠিক স্ট্র্যাটেজি নয়। সব সংঘী অভিযোগের পেছনে দৌড়ে লাভ কি? অনেক ভিত্তিহীন প্রোপাগান্ডার উদেশ্যই হল বিভাজন সৃষ্টি তাই অযথা শক্তিক্ষয় করে লাভ কি? ঔরঙ্গজেব এক অর্থে হলেন মোঘল রাষ্ট্রীয় মতাদর্শের ধারাবাহিকতা যার ভিত্তি ছিল নাসিরুদ্দিন তুসির এ্যারিস্টটলের নেকমেকিয়ান এথিক্স প্রভাবিত স্বর্গীয় আশীর্বাদপুষ্ট রাজকীয় সার্বভৌমত্বের ধারণা। রাজা ন্যায়বিধান করবেন আর ন্যায়ভঙ্গকারীদের ... ...
ওয়েস্ট-বেঙ্গল মেমোরান্ডামটা কী, কেউ কেউ জানতে চেয়েছেন। সংক্ষেপে লিখে দেওয়া যাক, কারণ বিগত চল্লিশ বছরের ঘটনাবলী নিয়ে কোনো বই-টই এখনও লেখা হয়নি। ইতিহাসবিদরা একটু লেটে চলেন। জরুরি অবস্থার পর, ১৯৭৭ সালে ক্ষমতায় আসে বামফ্রন্ট। সেই সরকারের অন্যতম অ্যাজেন্ডা ছিল যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর পুনরুদ্ধার। এবং রাজ্যের হাতে আরও বেশি ক্ষমতার দাবী। এই নিয়ে একটা দাবীপত্র প্রকাশ করা হয়। তৎকালীন কেন্দ্রীয় জনতা সরকারের কাছে পাঠানোও হয়। সেই মূল চিঠিটা এখন পাওয়া শক্ত। তবে তার মূল দাবীদাওয়া গুলো ছিল মোটামুটি এরকমঃ১। সংবিধানের ইউনিয়ন শব্দটা বদলে যুক্তরাষ্ট্র করতে হবে।২। প্রতিরক্ষা, বিদেশ, মুদ্রা, যোগাযোগ ছাড়া কেন্দ্রের হাতে আর কিছু থাকবেনা। সবই রাজ্যের হাতে দিতে হবে।৩। রাজ্যে ... ...
আজকাল শরীর দেয় না সঙ্গত। শুক্রবার সকালে বের হয়েছি। ফিরেছি রাত সাড়ে এগারোটায়। কলেজ, তারপর মণিপুর ভবন অভিযান, এরপর মেটিয়াবুরুজের বস্ত্র ব্যবসায়ীদের দুটো বস্ত্র প্রদর্শনী ঘুরে রাত সাড়ে এগারোটায় ফিরে দেখি পাড়ার মুখে এক বৃদ্ধা বসে। নামলাম। সঙ্গে চাউমিন ছিল দিলাম। টাকাও। জলের ব্যবস্থা করা হল। এরপর নিরাপত্তারক্ষীকে ডেকে ভাত ডাল তরকারি পাঠালাম। সঙ্গে কলা বিস্কুট জলের বোতল। একটা পরার শাড়ি এবং বিছিয়ে শোয়ার জন্য ফ্লেক্স। তাঁর কথা বুঝতে পারছিলাম না। দেহাতি হিন্দি। কেউ ছেড়ে চলে গেছে। বারবার লেড়কা লেড়কা বলছিলেন।এরপর মনে হল, বৃষ্টি আসছে। কোথায় থাকবেন? চিকিৎসাও দরকার। কদিন না খাওয়া, কী অবস্থা শরীরের কে জানে!পুলিশে ফোন করে হাসপাতালে ... ...
এটাই কি অনুভূতি ——————- সুপ্রিয়া চৌধুরী —————-মনের এলোমেলো ভাবনা গুলো যখন উড়ে এসে বসে কবিতার পাতায়-দুঃখ-বেদনা-ভালবাসা-প্রেম সব মিলেমিশেএক হয়ে যায় সৃষ্টির অপূর্ব বারতায়।প্রসারিত পাখায় সে ধরতে চায় অনন্ত আকাশ। অসীম আকাশের সহস্র কিরণে,-আলোর বিচ্ছুরণে নিজেকে সাজিয়ে নিয়ে,কত শত মন কে রাঙিয়ে তোলে আপন মহিমায়। ঝর্ণার মতো সে রেখে যায় পদচিহ্নমানুষের মনের গভীরে তার সাবলীল বহমান ধারায় !শব্দ বর্ণালীর সেই মোহময় মায়াজালে মানুষ হয় স্বপ্নাবিষ্ট !! বিভোর !!শুধু রেশ টুকু রয়ে যায়,-বহুকাল ! কখনো বা হয়ে যায় স্মৃতি ! — এটাই কি অনুভূতি ??———————————- ... ...