অশেষ তেরচা চোখে ভদ্রলোকের মুখের দিকে তাকিয়ে রইল এতটুকু টাল না খেয়ে। ভদ্রলোকের সঙ্গী বছর চল্লিশের পেটানো চেহারার আর একজন বললেন, ' কি হল ? বার করুন ... বার করুন .... 'অশেষ পালিত চোখ না সরিয়েই অগ্রাহ্যের সুরে বলল, ' কেন বলুন তো ? কোথা থেকে আসছেন ? '----- ' বালীগঞ্জ থানা ... ' প্রথমজন পকেট থেকে আই কার্ড বার করে অশেষের চোখের সামনে ধরল। অশেষ তাতেও টসকাল না। বলল, ' লাইসেন্স কাছে নেই। দাঁড়ান ফোন করছি.....'----- ' কাকে ফোন করবেন ? '----- ' গাড়ির মালিককে .... '----- ' গাড়ির মালিক পরে হচ্ছে ..... আগে বলুন ড্রাইভিং ... ...
ফিরিঙ্গীদের হাতে রাজত্ব খোয়ানো, অবধের নবাব ওয়াজেদ আলি শাহ নরমসরম মানুষ ছিলেন। এক নাচনেওয়ালিকে গান্ধর্ব মতে বিয়ে করে ছেলে হওয়া সত্ত্বেও তালাক দিলেন। সেই নাচনেওয়ালি টার্নড বেগম ছিলেন চিরকেলে ঘাড় বেঁকা। নাচনেওয়ালিদের নেচে নেচে রুটি কাবাব ডাল ভর্তা যোগাড় করতে হয় হররোজ। তাতে হররোজ অনিশ্চয়তা সঙ্গে জবরদস্তি, মাতালের যৌনসঙ্গী হওয়ার জঘন্য জ্বালা। ওই অনিশ্চয়তা আর জ্বালার জন্য এমনিতেই নাচনেওয়ালি বেগমের ঘাড় খুবই বেঁকে গিয়েছিল। তারপর তালাকের ফলে আর ফিরিঙ্গীদের হারামখোরীতে আরো বঙ্কিম ভাব ধারণ করে। প্রথম স্বাধীনতার জন্য অবধের হিন্দু-মুসলিম রায়তরা বলল, “আপনাকে আমরা বেগম মানি”। বেগম সোজা তাকিয়ে থাকেন। তাঁর দৃষ্টি ছেলের দিক থেকে ঘুরে ঘুরে কলকেতায় চলে যাচ্ছে ... ...
অশেষ পালিতের ডেবোনেয়ারে অনেকদিনের যাতায়াত। অশেষ একজন দক্ষ এ সি মেকানিক। ডেবোনেয়ারের সেন্ট্রাল এ সি সিস্টেম বেশ কিছুদিন ধরে বিকল হয়ে পড়ে আছে। অশেষ এসেছে যন্ত্র মেরামত করতে। শীতাতপ যন্ত্র চালু হলে সুগত সেনের ঘরের জানলাগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। পিছনের জানলা দিয়ে আর চিউয়িং গামের প্যাকেট ফেলা যাবে না। অশেষ সুগত সেনের চেম্বারের পর্দা সরিয়ে, কাঁচের দরজা একটু ফাঁক করে তার মুখটা দেখাল। মিস্টার সেন মুখ তুলতে অশেষ একগাল হেসে বলল, ' ভাল আছেন স্যার ? '------ ' আরে অশেষ যে .... ভেতরে এস, ভিতরে এস .... 'অশেষ ভিতরে ঢুকল। ------ ' বস ... ...
আকবরের আমল থেকে মোঘল দরবারে ব্রাহ্মণ পণ্ডিতরা বা কায়স্থরাও উচ্চ পদে বসতে শুরু করে। শাজাহানের সময়ও অনেকে ছিলেন তাঁদের মধ্যে মুন্সি- সেক্রেটারি চন্দ্রভান ব্রাহ্মণ খুবই বিখ্যাত ফার্সি কবিও বটে। ইতিহাসকার রাজীব কিনরা ওনার ওপর বড়োসড়ো কাজ করেছেন। বইটার নাম ''রাইটিং সেলফ, রাইটিং এম্পায়ার'' - ''নিজেকে নিয়ে, সালতানাতকে নিয়েও লেখা'', এক বিচিত্র বই বটে! চন্দ্রভানের সময়কার গোটা সাংষ্কৃতিক জগতের ইতিহাস উঠে আসছে। আশ্চর্যের ব্যাপার হল চন্দ্রভানের পেননেম -ছদ্ম নাম ছিল ব্রাহ্মণ। বোঝা যাচ্ছে, শাহী মহলের সঙ্গে সায় দিতে পারলে হিন্দু পরিচয় দরবারি স্বীকৃতির বাধা হতো না শুধু তাই নয় উচ্চকোটির পারসিক সাংস্কৃতিক মহলেও সমাদৃত হতো। কবি হিসেবে চন্দ্রভানের পরিচয় মোঘল সালতানাতের সীমা ... ...
ফ্লাইং কিস্ ————— সুপ্রিয়া চৌধুরী ————— ফ্লাইং কিস্ এর প্রচলন কবে কোথায়, তা নেই জানা — শূন্যে হাওয়ায়,—হোক্ না প্রেম বিনিময়, দূর থেকে বহুদূরে,--দেশ দেশান্তরে ! রেশ ছড়িয়ে পড়ুক আকাশে বাতাসে
আজ আকাশ মেঘলা। প্রায় সারাক্ষণ টিপটিপ করে বৃষ্টি হচ্ছে। দূরে কোথাও জোরালো বর্ষা হচ্ছে। জোলো হাওয়া ভেসে আসছে থেকে থেকে। কলতান ডেবোনেয়ারে ঢুকল বেলা ঠিক একটার সময়। সাড়ে বারোটায় সুগত সেনকে ফোন করে নিয়েছিল। নীচের কাউন্টারে স্লিপ জমা দিয়ে বসে রইল। একজন মাঝবয়সী অ্যাংলো ইন্ডিয়ান মহিলা বসে আছেন রিসেপশান কাউন্টারে। ডোবোনেয়ার একসময়ে পুরোদস্তুর ব্রিটিশ কোম্পানি ছিল। কলতানের ডাক এল মিনিট পাঁচেকের মধ্যে। রিসেপশনিস্ট ভদ্রমহিলা ইন্টারকম কানে দিয়ে কিছু শুনে নিয়ে 'ওকে স্যার' বলে নামিয়ে রাখলেন। ভদ্রমহিলা উল্টোদিকে বসা কলতানের দিকে তাকিয়ে বললেন, ' ইউ প্লিজ গো আপস্টেয়ার .... সেকেন্ড রুম অন দা লেফট ... ...
শনিবার সকালেই সন্দীপের ফোন এল। ---- ' হ্যাঁ সন্দীপ, বল কি খবর। তোমার ফোনের জন্যই ওয়েট করছিলাম। বল ... '----- ' জীবনকৃষ্ণ সরকারের নামে যে সিমটা ছিল সেটা ইনঅ্যাকটিভ হয়ে আছে এই মুহূর্তে। হতে পারে সিমটা খুলে ফেলা হয়েছে সেট থেকে। তবে সিমটা নেওয়া হয়েছিল সাউথ ক্যালকাটার কোন আউটলেট থেকে। ট্র্যাকিং লোকেটরে ধরা পড়েছে। '------ ' সাউথ ক্যালকাটার কোন জায়গা থেকে সেটা ট্র্যাক করা গেল না ? '----- ' না ... তবে সার্ভিস প্রোভাইডারের নাম জানা গেছে ... ' সন্দীপ কোম্পানির নামটা বলল। ----- ' হুমম্ ...। লাস্ট কলটা কোথা থেকে এবং কবে হয়েছিল ডিটেক্ট ... ...
টেবিলের ওদিকে সুগত সেন আর প্রিয়নাথ রায় ছাড়া টেকনিক্যাল এক্জিকিউটিভ অদ্রিজা বাসুও বসেছেন। সি ভি-র ফাইল উল্টে পাল্টে দেখে সুগত সেন বললেন, ' হুমম্ ... ভেরি গুড। ইংলিশে মাস্টার্স করেছেন ... ' তিনি ফাইলটা পি এন আর -এর দিকে এগিয়ে দিলেন। তিনি একটু দেখে নিয়ে কোন কথা না বলে ফাইলটা অদ্রিজা বাসুর হাতে দিলেন। সুগতবাবু বললেন, ' আপনার পক্ষে তো টিচিং প্রফেশান মোস্ট সুটেবল ছিল। আপনি ওটা ছেড়ে আমাদের লাইনে আসতে চাইছেন কেন ? জানেন তো ... অ্যাড রিলেটেড জব খুব কমপ্লিকেটেড এবং হাইলি ডিমানডিং। তাছাড়া বায়োডাটায় যা দেখছি অ্যাড জবে আপনার কোন পাস্ট ... ...
চিস্তি সুফিরা ইন্ডিক-হিন্দু নানা টেক্সটের ওপর রীতি মতো পড়াশোনা করত। তাঁদের নাথ যোগী সম্প্রদায়ের সাধুদের সঙ্গও করতে দেখা যায়। হঠ যোগের ওপর কিছু বইও তাঁরা লেখেন। তবে রুদাউলির সাবিরি চিস্তি আব্দুর রহমান সবাই কে ছাপিয়ে গেলেন। ষোলোশো তিরিশের গোড়ায় উনি মিরাত উল মাখলুকাত নামের একটা বই লিখলেন ( Emperor Who Never Was, Dara Sikoh in Mughal India – Supriya Gandhi page 69-70 )। ফার্সিতে লেখা সে বইতে উনি বশিষ্ঠ মুনিকে জিনদের জগতের অবতার বলে বর্ণনা করছেন। ইসলাম আসার আগে হিন্দুস্থানে জিনেরা বসবাস করত। বশিষ্ঠ মুনি আবার নাকি আদম ও হজরত মুহম্মদের মহত্ব বিষয়ে লেখেন। উনি জিনদের রাজা মহাদেবের থেকে দিব্যজ্ঞান লাভ ... ...
#বাংলার_উপকথা ৩ খেরোয়াল জাতির উপকথা বাংলার উপকথা সিরিজের এটি তৃতীয় কিস্তি। আসলে এই গল্পগুলো মূলত টিটিনের জন্য বানানো। রোজ রাতে বাবুকে গল্প শোনাতে হয়। প্ত গল্প পাব কই? তাই গল্প শোনানোর ছলে ইতিহাস, ভূগোল, উপকথা, রূপকথা যা সেই সময় পড়ছি তার থেকে ওর মতন করে গল্প বানিয়ে ওকে শোনাই। ছোট্ট মেনুষটাও শোনে। এই বাংলার উপকথা জোগাড় করতে গিয়ে একটা জিনিস খেয়াল হল। বাংলা তো শুধুই বাঙালির ... ...
ডেবোনেয়ারের অফিস জায়গা বদলে ব্রড স্ট্রিটেউঠে গেল। আজ বুধবার। বেলা বারোটা বাজে। কলতান সন্দীপের কাছ থেকে কিছু খবর আসার অপেক্ষা করে আছে। ভাবছে, সে নিজেই একটা ফোন করবে কিনা। মোবাইলটা হাতে নিয়ে নাড়াচাড়া করছিল। ঠিক এই সময়ে সন্দীপ ঘোষের ফোন এল। ------ ' হ্যাঁ ... বল সন্দীপ, কোন খবর হল ? '----- ' না ... সরি, কলতানদা আরও দু তিন দিন লাগবে। শনিবারের মধ্যে হয়ে যাবে আশা করি। একটু টেকনিক্যাল প্রবলেম হচ্ছে। সে জন্য ...। একটু টাইম দিন .... কাজ হয়ে যাবে। প্লিজ ... '----- ' না ... ...
: কৌরব পক্ষ : ইন্দ্রপ্রস্তের রাস্তায় দ্রৌপদী কাতরাচ্ছে একটু কাপড় ভিক্ষা করছে একটু আড়াল ভিক্ষা করছে লজ্জা ঘেন্না রক্ত কান্না বয়ে যাচ্ছে মহাভারতের শিরা উপশিরায় রাস্তায় হোলির রং লজ্জা ঢাকে নগ্ন রাজধানীর কিন্তু ১০০ বার ডেকেও কোন কৃষ্ণ আসে না কোন বিকর্ণ প্রতিবাদ করেনা শুধু সঞ্জয় বর্ণনা করে চলে দুঃশাসনীয় রামরাজত্বের অন্নদাস ... ...
প্রিয়নাথ আর চিরশ্রী বেরিয়ে যাবার পরই কলতান প্রাইভেট সাইবার এবং ডিজিটাল এক্সপার্ট সন্দীপ ঘোষকে ফোনে ধরল। খুব দক্ষতাসম্পন্ন ছেলে। বত্রিশ তেত্রিশ বছর বয়স। নিজের প্রাইভেট সাইবার সেল খুলেছে। হাতে প্রচুর কাজ। ----- ' হ্যাঁ কলতানদা বলুন। প্রায় ছ মাস পর ... '----- ' হ্যাঁ ভাই ... মিথ্যে কথা বলব না, দরকার না থাকলে টনক নড়ে না। কি করব বল ... আমাদের প্রফেশানটাই এরকম। তারপর, কি খবর বল ... কাজকর্ম ঠিকঠাক চলছে তো ? '----- ' এ..ই আপনাদের আশীর্বাদে থেমে নেই এটুকু বলতে পারি ... '------ ' না ... তোমার যা কোয়ালিটি, তুমি ... ...
----- ' ঠিক আছে স্যার .... আমি বিল্ডিং-এর বাইরে গিয়ে ওনার সঙ্গে কন্ট্যাক্ট করছি। এখান থেকে এসব কথা বলাটা ঠিক হবে না। অনেকে এসে গেছে অফিসে। আপনি রেস্টলেস হবেন না। নর্মাল থাকুন। আমি আসছি একটু পরে ... 'কোন দায়িত্বশীল নার্সের মতো রোগীকে তার করণীয় ব্যাপারে উপদেশ দিয়ে চিরশ্রী সেখান থেকে বেরিয়ে গেল। ঠিক তিনবার রিং হবার পর চিরশ্রীর মোবাইলে পুরুষ কন্ঠে উত্তর এল, ' হ্যাঁ ... '----- ' মিস্টার কলতান গুপ্ত বলছেন ? '----- ' হ্যাঁ বলছি ... খুব আর্জেন্ট নাকি ? রাস্তায় নেমে আসতে হল ... '----- ' হ্যাঁ স্যার একটু আর্জেন্ট আছে ... ...
সাত পাঁচ ভেবে শেষ পর্যন্ত বিকেলেই চিরশ্রীর লেকটাউনের ফ্ল্যাটে গেল তিতিররা। সাড়ে চারটে নাগাদ পৌঁছল। তিন তলায় থাকে চিরশ্রী। চিরশ্রী দরজা খুলে বলল, ' আয় আয় ... ইশশ্ সকালে এলে কত ভাল হত ... আসুন প্রেরকদা ...'দু কামরার ফ্ল্যাট। আসবাবপত্র বাড়তি কিছু নেই। যেটুকু দরকার সেটুকুই। ঘরদোর কিছুটা অগোছাল। ভিতরের ঘর থেকে নীল পাজামা আর সাদা ফুলশার্ট পরা বেশ লম্বা, ফর্সা একজন তিরিশ বত্রিশ বছরের যুবতী বেরিয়ে এল। প্রেরক আর তিতিরের দিকে তাকিয়ে হাতজোড় করে অমায়িকভাবে হেসে বলল, ' নমস্কার... বসুন ... 'তিতিররা প্রতি নমস্কার করে কি বলবে ভেবে না পেয়ে একটা ছোট সোফায় ... ...
বেলা আড়াই থেকে তিনটে পর্যন্ত নিজের সিটে হেলান দিয়ে একটু ঘুমিয়ে নেন পি এন আর। মানে প্রিয়নাথ রায়। অন্তত দশটা অ্যাড এজেন্সিতে কাজ করা হয়ে গেছে প্রায় পঁয়ত্রিশ বছর ধরে। বিজ্ঞাপনি দুনিয়ায় টেক্সট রাইটার হিসেবে তাকে কিম্বদন্তি বলা যায়। কি বাংলায়, কি ইংরেজিতে। বিরল প্রতিভার মানুষ। ষাট বছর বয়স হয়ে গেল। মোটেই গাম্ভারী কেতার মানুষ নন। হাউসের মেয়ের বয়সী মেয়েদের সঙ্গে অনর্গল নির্বাধ রসিকতা করেন। মেয়ে হোক, ছেলে হোক খোলা মনে পি এন আর -এর মাত্রাহীন রসিকতা উপভোগ করে। সকলেই জানে পি এন আর - এর সাদা মনে কাদা নেই। ... ...
নিতান্তই আবিষ্কারের সময়ানুগ সারিবদ্ধ ক্যাটালগ নয় বলেই বোধ হয় আমরা দেখি, বিজ্ঞানের ইতিহাস কখনও কখনও ভারি রসিক হয়ে ওঠে। ঊনবিংশ শতাব্দের একেবারে শেষ দশকে এমন একটা সময় ঘনিয়ে এল যখন পর্যায় সারণির জ্ঞানোৎপাদক মূল্য আরও সুন্দরভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে, অথচ যিনি এর থেকে সবচাইতে বেশি সুনাম অর্জন করতে যাবেন, তিনিই পরবর্তী বিকাশের প্রশ্নে কেমন যেন সন্দিগ্ধ হয়ে উঠলেন। এবার সেই সব গল্প। প্রথমে ইংল্যান্ডের দুই উইলিয়ামের কীর্তিকলাপ! একে একে। ১৮৯৪ সাল। পদার্থবিজ্ঞানে যিনি লর্ড র্যালে নামে পরিচিত, আদিতে তিনি ছিলেন জন উইলিয়াম স্ট্রাট, সেকালের একজন বিরাট মাপের বিজ্ঞানী। প্রথম দিকে গণিত নিয়ে গবেষণা চালালেও পরে পদার্থবিজ্ঞানের প্রায় সমস্ত শাখাতেই তিনি স্বচ্ছন্দে বিচরণ করেছেন এবং ... ...
পাঁচ ছবার রিং হবার পর চিরশ্রী ফোন তুলেই বলল, ' বল তিতির ... আমি তোকে আজকেই ফোন করতাম ... 'বোঝা গেল চিরশ্রী নাম্বারটা সেভ করে রেখেছে। ----- ' না সেদিন তেমন কথাবার্তা হল না তাই ভাবলাম ... ' তিতির ভাসিয়ে দিল। ----' ওঃ ... আর বলিসনা যা কেওসের মধ্যে পড়েছিলাম সেদিন .... ওই সিচুয়েশানে আর কথাবলার মুড থাকে ... তারপর বল কি করছিলি এখন ?'----- ' ভ্যারেন্ডা ভাজছিলাম .... হাঃ হাঃ হাঃ ... '----- ' হাঃ হাঃ হাঃ . আমিও তাই ... আর কি করার আছে? '------ ' চিরু তুই এখন থাকিস কোথায় ? '----- ' লেকটাউনে। একটা অ্যাপার্টমেন্টে। ... ...