পি এন আর স্যার মন দিয়ে একটা নামী কোম্পানির সিলিং ফ্যানের বিজ্ঞাপনের দশ শব্দের ক্যাচলাইন লিখছিলেন। তিন চারটে ক্যাচি ভিসুয়ালের সাজেশানও দিতে হবে। তার মধ্যে একটা বাছা হবে। ঠিক হয়েছে একজন মেল, একজন ফিমেল মডেলের সঙ্গে সইসাবুদ হয়ে গেছে। তারপরে তো আবার ফ্যান কোম্পানিতেফাইনাল লে আউট প্রেজেন্টেশনের ঝক্কি আছে। পি আর ডিপার্টমেন্টের কর্তাদের মনে না ধরলে আবার নতুন একটা প্রেজেন্টেশনের ঝক্কি আছে। তিতির ডেস্কটপে চোখ লাগিয়ে বসে আছে। ব্যাকগ্রাউন্ড ডিজাইন অ্যাসেম্বল করছে। চিরশ্রী স্টুডিওতে। একবার পিএনআর আর তিতিরের কাছে এসে একপাক ঘুরে গেল। পিএনআর কাগজ থেকে মুখ না তুলেই বললেন, ... ...
'চিহ্ন' বাংলাদেশের স্বাতন্ত্র্যচিহ্নিত পত্রিকা দেবেশ রায়ের একটা ছবি দেওয়ায় মনে পড়ল, ছোটগল্প নিয়ে আলোচনা চলছিল। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের খোলা আমের মুকুল ভরা প্রাঙ্গণে। দেবেশ রায় ছিলেন শ্রোতার আসনে। বক্তারা সকলেই বিব্রত। দেবেশ রায় শ্রোতা। আমিও কুন্ঠিত। একটু আগেই ফর্মান জারি করেছে, চিহ্নপ্রধান শহীদ ইকবাল।তুমিও বলবা।দুরুদুরু বুকে বললাম।রাজনৈতিক ও মতাদর্শগত দিশাহীনতা প্রকট হচ্ছে। 'হাম তুম এক কামরে মে বন্ধ হো' মার্কা প্রবণতা বাড়ছে -- এই সব কথা।তর্ক হল। জোর। বেশ কয়েকজন খ্যাতিমান গল্পকার মঞ্চে।হঠাৎ উঠে এলেন, দেবেশ রায়।বললেন, আমি কিছু বলতে চাই।বললেন, এই আমের মাতাল গন্ধে আমাকে প্রেমে পেয়েছে। আমি একটা কবিতা বলব, বললেন।উদাসীন তোমারে ডাকিনু যবে কুঞ্জবনে তখনো আমের বনে গন্ধ ছিল, জানি ... ...
ওসি সাহেব যাকে প্রমার রেজিস্টার আনতে হাত নেড়ে ইঙ্গিত করলেন তার ফিরে আসার কথা ছিল না, ফিরে আসেওনি। রেজিস্টার আনবে কোথা থেকে ? প্রমার খাতা প্রমাতেই আছে। কলতান ওখানে রেজিস্টার আনতে গেলই বা কখন ? এটা কলতানের একটা কুশলী চাল। অপরাধীকে মনস্তাত্বিক ধোঁকা দিয়ে স্বীকারোক্তি বার করে আনার এরকম অনেক পদ্ধতি আছে। কলতান বলল, ' ডিসিশান নেওয়ার আগে আর এক রাউন্ড ইনটারোগেশানের দরকার আছে স্যার ..... 'গৌতমবাবু বললেন, ' করুন না .... তবে তার আগে এক রাউন্ড করে চা হবে নাকি ? '----- ' তা হতে পারে .... আপনি চা বলুন .... আমি ততক্ষণ ... ...
আমার ঘরের এসি-টা ঠান্ডা হচ্ছে না আর, তাই মুখ বাড়িয়ে ছুটে যাই মর্গের পাশে। অন্ধকার নিভিয়ে এল-ই-ডি আলোর মিছিল পথ করে দেয় ছয় নম্বর পা-জোড়ার জন্য।পুরনো ৭০ সালের বাঙালী বাড়ির পশ্চাতে পায়খানার লোহার সিঁড়ি ভেঙে নেমে আসে মৃত শার্দুল আর ২ দিনের পচে থাকা মানুষের বাচ্চা।আমার একখানা কাঠের পা আর লোহার পা তুলে দিই তাদের ঘাড়ে। উড়ন্ত বেগুনি সবুজ মাদুর নিয়ে ধেয়ে যাই মেথর বস্তিতে। কচি ম্যানহোলের মুখে ঝলকে ওঠে গম্ভীর নিরানী, মৃত শিশু কোলে নিয়ে নেমে যায় নিচে, এক সাফাই কর্মচারীর নিথর দেহ। মিউনিসিপ্যালিটি থেকে হেঁটে এসে পৌঁছায় কয়েকটি নরম- সরম কীট।।তাদের গুডবাই জানিয়ে আবার ছুটি মর্গের গায়ে লেগে থেকে যেতে,কারন,আমার ঘরের এসি-টা আর ... ...
"কবি বলছে এই সময় পকেট খালি গড়ের মাঠ ;কারুর যদি থাকে জল রুটি নেই অবশ্যই। ঘোষণা হতাশ গোটা বিশ্বময় গরিবির কোনও ইলাজ নেই। এতই দেখ জলেতে টান চকচকে ভাব যায় পারায়। রুটি একটাই পাওয়া যায় সে হল ওই আকাশের চাঁদ। ভুলেও খুঁজো না মুক্তো আর হারিয়ে মানিক্য তার, সাগরে নুড়ি বিছায়। উরফি বলে চিন্তা কী ? যদিও পকেট গড়ের মাঠ আর ভাবলে তুমি হারাল সে লোভ যতসব সোনারূপায়।"The poet describes how in his times, no one has the wherewithal; if he has water, then there is no bread. Despair announces it to the entire world that poverty has no cure. Water (āb) is so scarce that even the arrow ... ...
বাইরে এনকোয়্যারি কাউন্টারে একজন মাঝবয়সী ইন্সপেক্টর বসে আছেন। অশেষ কাউন্টারের সামনে গিয়ে দাঁড়াল। ইন্সপেক্টর ভদ্রলোক অশেষকে আগের দিন দেখেছেন। আজ তার আসার ব্যাপারটা পুরোটাই জানেন। তিনি ফোনে কারো সঙ্গে কথা বলছিলেন। তিনি' ঠিক আছে, ওই কথাই রইল ... ' বলে ফোন বন্ধ করে অশেষের ওপর চোখ বুলিয়ে নিয়ে বললেন, ' ও ... এসে গেছেন .... দাঁড়ান ... ' বলে ইন্টারকমে ডায়াল করলেন। ওদিক থেকে উত্তর পেয়ে অশেষকে বললেন, ' যান .... ভেতরে যান ... '। অশেষ ভিতরে ওসি-র ঘরের দরজায় গিয়ে দাঁড়াল। দরজার উল্টোদিকে বসা গৌতম রক্ষিতের সঙ্গে চোখাচোখি হয়ে গেল অশেষের। রক্ষিতবাবু বললেন, ' ... ...
কলতানের কুন্তলকে ডাক দেওয়াটা সিদ্ধার্থ সিনহাবুঝতে পারলেন না। মিস্টার সিনহার শোরগোল থামলে কলতান আবার নিষ্পাপ মুখে বলল, ' জীবনকৃষ্ণ বেঁচে নেই!সেকি ! কিন্তু এই পরশুদিনই তো আমার সঙ্গে কথা হল .... ও-ই তো আমাকে বলল .... 'এবার কলতান যেটা ঘটাতে চাইছিল সেটাই ঘটল। সিদ্ধার্থ সিনহার ধুরন্ধর মস্তিস্কে পুরো সিস্টেম তালগোল পাকিয়ে গেল। ক্রোধ, বিরক্তি, অবচেতনের পাপবোধ সব কিছুর মিলিত প্রতিক্রিয়ায় মিস্টার সিনহা আবার একবার পরিবেশ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বিস্মৃত হয়ে উন্মত্তের মতো চেঁচিয়ে উঠলেন, ' আরে দূ..র ... সে তো বেঁচেই নেই .... '----- ' কিন্তু স্যার,সেটা আপনি জানলেন কি করে ?'সিদ্ধার্থ সিনহার এখনও ঘোর কাটেনি। অবসেসিভ সাবজেক্টিভ ... ...
কার্চ সেতুতে ইউক্রেইনের করা বিস্ফোরণ১৭ই জুলাই, সোমবার ভোরের দিকে, রাত ৩টার দিকে ক্রিমিয়াকে রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের সাথে সংযোগকারী কার্চ (Kerch) ব্রিজটিতে ১২ মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। কার্চ ব্রিজ বা ক্রিমিয়ান ব্রিজ ক্রিমিয়া এবং রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের মধ্যে একমাত্র প্রধান পরিবহন সেতু। ২০১৪ সালে রাশিয়ার ক্রিমিয়া দখলের পর এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ২০১৮ সালে সেতুটি চালু হয়। ক্রিমিয়ার কার্চ উপদ্বীপ থেকে রাশিয়ার তামান উপদ্বীপ পর্যন্ত বিস্তৃত হওয়ার ফলে এটি ইউরোপের দীর্ঘতম সেতু, এবং উদ্বোধনের পরে এটি পুতিন একে রাশিয়ান শক্তির প্রতীক হিসাবে উপস্থাপন করেছিলেন।একটু ভাল করে নজর দিলে দেখা যাবে, এটি আসলে দুটো সেতু। এক্ষেত্রে একটি ... ...
কলতান সেদিন রাত্রেই বালীগঞ্জ থানার ওসি গৌতম রক্ষিতকে ফোন করল। ----- ' রক্ষিতবাবু আপনি এখন কোথায় ? '----- ' বাড়িতে আছি। আজ নাইট ডিউটি নেই। কি খবর বলুন .... '----- ' ওই ব্যাপারটায় আপনার একটু ফেভার চাইছি ... '----- ' বলুন না .... '----- ' সেদিন যাকে তুলে আনা হয়েছিল সেই অশেষ পালিতকে কাল সকাল এগারোটার মধ্যে থানায় আসতে বলুন। একটু কথা বলব। যদি না আসতে চায় মোবাইল টাওয়ার থেকে ওর লোকেশান ট্র্যাক করে ওকে তুলে নিয়ে আসবেন। রতন সমররা ওর যে বাড়ির ছবিটা তুলেছিল সেটা আমাকে পাঠাতে বলবেন। ঠিক আছে ... কাল সকালে ... ...
চুপ করে কেন বরাহনন্দন ছদ্ম শত দল - বিনি পয়সার উলঙ্গ ভোজে ভঙ্গ উপবাস; নারকীয় এক তান্ডব ঘিরে হিংস্র দাবানল পাশাখেলে খাচ্ছে হায়না পাঞ্চালিদের মাস! কলঙ্ক যখন ফাঁস হয়ে যায় হুঙ্কার ছাড়ে
যারা পাঁচ বা ছয় বছর আগে চাকরি থেকে অবসর নিয়েছেন, ঠিক ভাবে, সমস্ত অবসরকালীন প্রাপ্যের সাথে- আর সেই অর্থ, কোথাও না কোথাও বিনিয়োগ করে রেখেছেন, মাসিক উপার্জনের খাতিরে ( স্যালারির মত অতটা না হলেও), তারা কি কখনও খেয়াল করেছেন, সেদিনের তুলনায় আজকে মূল্যের সূচক কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে? যারা চাকরিরত অবস্থায়, আলাদা করে, রেগুলার জমিয়ে গেছেন, তাদের আমি আমার দলে পাচ্ছি না। আসলে, আমার মত বাউণ্ডুলে আর পরিকল্পনাহীন মানব সন্তান একুশের শতাব্দীতে কয়েক জনই পাবেন। ঈশ্বরের খুব বড় করুণা আর আমার পিতা মাতার আশীর্বাদ, সাথে আমার গৃহিনীর অসাধারণ ব্যবস্থাপনার জোরে, চাকরি থাকা কালীন থোড়াই কেয়ারের জীবন কাটিয়েছি। ONGC-তে চাকরি করতাম। তাই সাধারণ ... ...
বয়স তখন আট ———————— সুপ্রিয়া চৌধুরী ———————— ঘুম থেকে উঠে দেখি বরফেতে সাদা, যেতে যেতে বৃষ্টি পড়ে হয়ে গেলো
হরিপ্রসাদ দুধ চিনি মেশানো চা-ই খেলেন বেশ আয়েস করে। লাল চা তার অখাদ্য মনে হয়। তাকে এখন কিছুটা ধাতস্থ দেখাচ্ছে। ব্যবসা তার রক্তে। বন্ডে সই করে দু এক কোটির পুঁজি সংগ্রহ করা তার কাছে নতুন কিছু না। কিন্তু এবারেরটা একদম অন্যরকম ব্যাপার। যে তাকে এতে জড়াল সে-ই কোথায় হাওয়া হয়ে গেল। আশ্চর্যের ব্যাপার।কলতানও চায়ে দু তিনটে চুমুক দিয়ে কাপটা টেবিলের ওপর রাখল। কাপের চায়ের দিকে তাকিয়ে একমনে কি ভাবতে লাগল। ----- ' আচ্ছা মিস্টার আগরওয়াল আপনি পুলিশের কাছে গেলেন না কেন ? '------ ' কিছু মনে করবেন না .... ওদের ওপর আমার ... ...
মুর্শিদাবাদ। সে সময় পৃথিবীর অন্যতম সমৃদ্ধ, ধনী শহর। ক্লাইভ লিখেছিলেন, লন্ডনের সঙ্গে মুর্শিদাবাদের একটাই তফাত। সেটা হল, লন্ডনের ব্যাঙ্কারদের চেয়ে অনেক অনেক ধনী শেঠরা মুর্শিদাবাদে বসবাস করেন। ব্যাপারটা আদৌ অস্বাভাবিক না। জগৎ শেঠদের থেকে টাকা ধার নিতেন মুঘল সম্রাটরা। জগতের শেঠ, উপাধিটাই মুঘল সম্রাটের দেওয়া। মারাঠারা কোটি খানেক টাকা, সে আমলের কোটিখানেক, লুঠ করার পরেও, শেঠরা বিজনেস-অ্যাজ-ইউজুয়াল চালিয়ে গিয়েছিলেন অষ্টাদশ শতকের প্রথমার্ধ্বে। চালাবেন নাই বা কেন। বাংলা তখন পূর্ব গোলার্ধের অন্যতম বাণিজ্য কেন্দ্র। বণিকরা আসছে সারা পৃথিবী থেকে। মসলিন ছড়িয়ে যাচ্ছে সারা পৃথিবীতে। নগদ দিয়ে কিনে নিয়ে যাচ্ছে ডাচ, মুর, ইংরেজরা। "এখানে সোনারূপো আসে, বেরোয়না"। বলেছিলেন এক বণিক। সে মুর্শিদাবাদ থাকেনি। ... ...
কলতান সঙ্গে সঙ্গে ডিজিটাল এক্সপার্ট সন্দীপ ঘোষকে কলটা ফরওয়ার্ড করল। সন্দীপকে ফোন করে বলল, ' একটা কল ফরওয়ার্ড করেছি। লোকেশানটা ট্র্যাক করে আমাকে জানাও অ্যাজ সুন অ্যাজ পসিবল ... '----- ' দেখছি কলতানদা ... ' ----- ' বিল্ডিং-এর কোন ফ্লোরের কোন ফ্ল্যাট .... সেটা অবশ্যই জানতে হবে ... '----- ' ঠিক আছে ... দেখছি ... ' প্রায় আধঘন্টা বাদে সমর ফোন করল, ' অশেষ বেরিয়েছে। নিজের গাড়ির দিকে যাচ্ছে। আমরা ফলো করব তো ? 'গৌতমবাবু কলতানের নীরব ইঙ্গিত পেয়ে বললেন, ' হ্যাঁ হ্যাঁ ... ফলো কর ... ফলো কর ... ' অশেষের মারুতি টালিগঞ্জের দিকে যাচ্ছে। ... ...
একটা পুরোণ অ্যাম্বাসাডার গাড়িতে রতন আর সমর সওয়ার হল অশেষের পিছু করার জন্য। সমর গাড়ির স্টিয়ারিং ধরল। এ কাজটা তারা আগেও অনেকবার করেছে। মারুতি সুজুকি নিউ আলিপুর দিয়ে বেরিয়ে ডায়মন্ড হারবার রোড ধরে চলতে লাগল। বেহালা তারাতলা পেরিয়ে এক জায়গায় এসে একটা বহুতল বাড়ির সামনে এসে পৌঁছল। গাড়িটা খানিকটা আগে নিয়ে গিয়ে দাঁড় করাল। অশেষ তারপর পিছনে একটু হেঁটে এসে বিল্ডিংয়ের ভিতর ঢুকে সিকিউরিটি গার্ডদের ছোট টেবিলটার সামনে দাঁড়াল। দুজন সিকিউরিটি গার্ড বসে আছে সেখানে। এখানে বোধহয় অশেষের নিয়মিত যাতায়াত আছে। সিকিউরিটিদের সঙ্গে তাকে একটু হাসিঠাট্টা করতে দেখা গেল। নিয়মিত যাতায়াতের সূত্রে ... ...
আশ্চর্যের ব্যাপার অশেষও দিব্যি আয়েস করে ঠান্ডা পানীয় পান করল। তার বিশেষ কোন তাপ উত্তাপ দেখা গেল না। দু ধরণের অপরাধীর এরকম হতে পারে। এক, সম্পূর্ণ অনুভূতিহীন, মানে ভয় পাবার অনুভূতিটাই নেই। আর দুই, সে নিশ্চিন্ত থাকে যে তার গডফাদার তাকে ঠিক বাঁচিয়ে নেবে। এর মধ্যে বোধহয় দ্বিতীয়টাই তার ক্ষেত্রে সত্যি। অবশ্য অশেষ যে অপরাধী এখনই তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। অশেষ ঠান্ডা পানীয়ের বোতল শেষ করে একটা ঢেকুর তুলল। বোতলটা নামিয়ে রাখল চেয়ারের পাশে। ওসি গৌতম রক্ষিত চেয়ারে বসে বসে একটা হাই তুললেন। তারপর উঠে বাইরের দিকে গেলেন। বোধহয় ... ...
বেশ কিছুদি হল আমি "গুরুচণ্ডালী" 'র সঙ্গে কোনো যোগাযোগ রাখতে পারিনি। কারণ জানাতে হলে অনেক কিছুর কথা বলতে হয়। দিল্লীর মে মাসেতেও এবারে গরমের বদলে ছিল ঠাণ্ডা। তার পর গরম যখন পড়ল তখন আকাশ সর্বদাই মেঘাচ্ছন্ন - মাঝে মাঝেই অকালবর্ষণ, প্রচন্ড গুমোট আবহাওয়া। এই সব কারণে শরীর বসেছিল বেঁকে। এছাড়া সংসারের নানা সমস্যা - সবচেয়ে আমার কাছে কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছিল কাপড় কাচার ব্যবস্থা করা, এদিক ওদিক করে তাদের শুকোনোর ... ...
এক টাকার ছোট কয়েন এবং অন্যান্যসিঁথি মোড় থেকে বাড়ির গলি পর্যন্ত ভাড়া ১০ টাকা, অটোতে। যখন চালু হয়েছিল তখন ২ টাকা ছিল। সে আজ মোটামুটি ২৫- বছর আগেকার কথা৷ তখন স্টেজ ওয়াইজ ভাড়া ছিল। বরানগর বাজার ১.৫০ আর টানা সিঁথি পর্যন্ত গেলে দুটাকা। ঠিক মনে নেই, ২.৫০ -ও হতে পারে। এখন ইউনিফর্ম ফেয়ার - দশ টাকা। মোট রাস্তার দৈর্ঘ্য দু কিলোমিটারের চেয়ে কয়েক শো মিটার বেশি। সেই অটোতে আজ এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতা হল। আমার পকেটে প্রচুর খুচরো ছিল,ওষুধপত্র কেনার পরে। সিঁথির মোড়ের অসীমদার দোকান থেকে পাওয়া। ভিটামিন বি-১২ এর ইঞ্জেকশনের সাথে, ভিটামিনের গুলির মত, তিনি খুচরো বর্ষণ করলেন। আমিও লিশ্চিন্ত হলাম ... ...