সরস্বতী পূজা বাঙালির কাছে জ্ঞান, বিদ্যা, শিল্পকলা এবং সংস্কৃতির আরাধনা হিসেবে সুপরিচিত। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের কাছে তিনি প্রধান দেবী। তবে সরস্বতী দেবীর এই আধুনিক রূপটি একটি দীর্ঘ বিবর্তনের ফসল, যা বৈদিক যুগ থেকে শুরু করে লোকায়ত বিশ্বাস এবং আর্য-অনার্য সংস্কৃতির সংমিশ্রণে আজকের রূপে এসে দাঁড়িয়েছে।১. বৈদিক যুগে নদী থেকে দেবীতে রূপান্তরবৈদিক যুগে সরস্বতী ছিলেন মূলত একটি নদী, যা উর্বরতা, বিশুদ্ধতা এবং পুষ্টির প্রতীক হিসেবে পূজিত হতো। ঋগ্বেদে সরস্বতীকে 'নদীতমা' (নদীশ্রেষ্ঠা) এবং 'দেবীদমা' (দেবীশ্রেষ্ঠা) বলা হয়েছে। এই নদীকে কেন্দ্র করে বৈদিক আর্যরা বসতি স্থাপন করেছিল এবং তাদের জ্ঞানচর্চা বিকশিত হয়েছিল।জল ও জীবনের উৎস: নদীর জল ছিল জীবনের জন্য অপরিহার্য, কৃষির উর্বরতার ... ...
স্বর: ‘লেখাকে কখনও জোর করবে না। ও এমনিই আসে।’লিপি: ‘আসে তো জানি। কিন্তু ধরো এমন সময়ে এলো, যখন মনের দরজা বন্ধ! তখন কী করব?’স্বর: ‘মনের দরজা মন বন্ধ করার কে? তুমি ছাড়া তো তোমার মনের দরজা আর দ্বিতীয় কেউ খুলতে পারে না। এমনকী মন নিজেও নয়।’ লিপি: ‘বাহ্ গো! ফুল ফোটার মতো আর মাছ ভাজার মতোই এত সহজেই তুমি কথা বলতে পারো! তোমার মতো কথা বলতে জানলে, খুশি হতাম নিজে।’স্বর: ‘আমার মতো নয়, তোমার মতো কথা বলো। তোমার মতো ক’রেই ভাবো। তোমার মতোই ঘুমোতে যাও। ঘুম ভেঙে ওঠো তোমার মতোই। তোমার মতোই চেয়ারে বোসো। তোমার মতোই দাঁত মাজো। সবই করো তোমার ... ...
শব্দ দিয়ে শুরু। না, শব্দ আগে। আগে আসে কম্পন। মাটির নিচে থেকে আসা এক গুঞ্জরণ, যা পায়ের তলার মাটিকে কাঁপিয়ে তোলে, উরুর হাড়ে পৌঁছে দেয় একধরনের ঝনঝনি, হৃৎপিণ্ডের গতির সাথে মিলেমিশে একাকার। তারপর শব্দ: ধ্বংসপ্রাপ্ত পাহাড়ের গর্জন, ভাঙা কাঠের চিৎকার, ধাতুর উপর ধাতুর আঘাতের তীক্ষ্ণ কান্না। এসব আসে দূর থেকে, কিন্তু দূরত্ব একটা ছলনা মাত্র। এটি আসলে কাছ থেকেই আসে, আমার নিজের ভেতর থেকে, রক্তস্রোতের ভেতর দিয়ে বয়ে চলা এক যুদ্ধের স্মৃতি যা আমি কখনো দেখিনি অথচ যেন দেখেছি।আমি দাঁড়িয়ে আছি। কোথায়? একটি প্রশস্ত প্রান্তর, ঘাসগুলো মাথা উঁচু করে ধরেছে, হলুদাভ, শুকনো। আকাশ সাদা, একটুও নীল নয়, যেন চুনকাম করা। ... ...
"তোমার ফোন ফেলে দাও।"মিলার কথাটা কানের ভিতর ঢুকে গেলে, পুরো ঘরটাই যেন হঠাৎ চুপসে যায়। ফ্যানের আওয়াজ, রাস্তার হর্ন, দূরের টিভির শব্দ—সব মিলিয়ে একটা ভোঁ ভোঁ শব্দ। দাঁড়িয়ে আছি বারান্দায়, তার মুখের দিকে তাকিয়ে। সে এক হাতে সিগারেট ধরেছে, অন্য হাতটা পাছায়। তার চোখে কোনো ভাঁজ নেই। সোজা কথা।"পাগল নাকি? সবকিছু তো এতে।" বলতে গিয়ে গলাটা একটু চিপে যায়। ফোনটা থেকে বের করে তাকানো। কালো স্ক্রিনে নিজের মুখের অস্পষ্ট ছায়া দেখা। না, ওটাই তো আমি?মিলা একটা ধোঁয়া ছাড়ে। "সবকিছুই তারা এতে রাখে। তোমার স্মৃতি, তোমার যোগাযোগ, তোমার ভয়। ফোন কিনো। ক্যামেরা ছাড়া। শুধু কলের জন্য। সিম দিয়ে। পুরানো ধাঁচের।""কিন্তু ছাড়া ... ...
বৃষ্টি শুরু হয়েছে গতকাল বিকেল থেকে। আজ সকাল সাড়ে দশটায় যদিও ঝিরঝিরে দু-একপশলা ধারাপতন ছাড়া কিছুই নেই, কিন্তু রাস্তাঘাটে কাদা জমে গেছে অনেকটা। উঁচু হিলের জুতো নিয়ে বেশ বিপদে পড়তে হচ্ছিলো তনুজাকে। বাস থেকে নেমে ভবানীপুরের ক্লায়েন্টের ঠিকানাটা হোয়াটস্অ্যাপে আরো একবার চোখ বুলিয়ে দেখে নিলো সে। হাই-হিল জুতোর জন্য কাদা ছিটকে উঠেছে অফ-হোয়াইট জিন্সের গোড়ার দিকে। ঈষৎ বিরক্ত মুখে মোবাইলের ক্যামেরা অন করে চুল আর মুখের কোনো বিকৃতি ঘটেছে কিনা দেখলো সে। না। একইরকম স্নিগ্ধ, লাবণ্যময়ী দেখাচ্ছে তাকে। একটু প্রফুল্লচিত্ত হতে না হতেই ফোনটা বেজে উঠলো। অপালাদির ফোন। -- "হ্যালো দিদি, হ্যাঁ, এই জাষ্ট পৌঁছালাম গো। লোকেশনটা পেয়ে গেছি, হ্যাঁ...বলো!"ফোনের ওপ্রান্ত ... ...
বাইশে এপ্রিল, পঁচিশ, যেন বাইশে শ্রাবণের শূন্যতা নিয়ে আছে -বছর পেরোলো প্রায়;শুধু ছাব্বিশ প্রাণ শুয়ে আছে আজো -বৈসারন উপত্যকায়!বিস্ফারিত চোখে প্রশ্ল শুধূই, কেন যে ছিল না প্রহড়ীর গর্জন! -অথচ ভূস্বর্গের টানেপর্যটকের বারোমাসই আগমন!এ কেমন নাট্যরূপ হে তোমার বহুরূপী !লাবণ্যে ভরা শিল্পীরা সব মহড়া দিতে মত্ত !মঞ্চ সাজাতে প্রকৃতি এঁকেছে দুহাত দিয়ে আল্পনা ! বেলা বয়ে যায় পাদপ্রদীপের আলো ছায়া সামলাতে !অরুন তখন আয়েশ করে আলতো হেলেছে পশ্চিমে।তার বর্ণালী ছটায় শেষ দুপুরে, মঞ্চ দিব্যময় !এক অপার্থিব সৌন্দর্যের রহস্য দিয়ে ঢাকা রয়েছেমঞ্চ!মৃদু মন্দ বাতাস যেন উথলে উঠেছে সঙ্গতে।গুন গুন করে বাঁধছে সে সুর সন্তুর আর সারেঙ্গীতে !উপত্যকা আজ টইটম্বুর ধ্রুপদী সঙ্গীতে -আসর ... ...
এই লেখাটির আর্টিকল নম্বর হল "21011" মামুলি আনুষ্ঠানিকতা নয় প্রজাতন্ত্র দিবস বা সাধারণতন্ত্র দিবস, অয়েল ইকোনমি ও রয়্যাল নেচার: ক্ষমতা, ভোগ ও সাধারণ মানুষের খরচ ************************ ১. ভূমিকা: তেল—শুধু জ্বালানি নয়, ক্ষমতার চালিকা শক্তিআজকের বিশ্বে খনিজ তেল শুধু একটি জ্বালানি নয়; এটি অর্থনীতি, রাষ্ট্রক্ষমতা ও দৈনন্দিন জীবনের অন্যতম ভিত্তি। ভারত বর্তমানে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম খনিজ তেল আমদানিকারক দেশ। অর্থাৎ আমাদের দেশের চলমান অর্থনীতি, পরিবহন ব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক কাঠামো বহুলাংশে নির্ভরশীল আমদানিকৃত তেলের উপর। এই নির্ভরতা শুধু আর্থিক বোঝা তৈরি করে না, বরং ... ...
(parental advisory - explicit content) বটাদার চায়ের দোকানে পিলু এসে বসল সকাল এগারোটা নাগাদ। স্কুলে আজ প্রজাতন্ত্র দিবসের ছুটি। সকালে তাই ব্রেকফাস্ট করেই ঠেকে চলে এসেছে। এই সময়টাতে সাধারণতঃ ওদের ঠেকের কেউ না কেউ থাকে এখানে, কিন্তু আজ এখনও কারোর পাত্তা নেই। অগত্যা পিলু একাই চায়ের অর্ডার দিল। বটাদার হাঁটুর ব্যথার খোঁজ নিল। ওর ছেলের পরীক্ষার রেজাল্ট কেমন হলো, সেই খোঁজও নিল। আরও কয়েকজন ... ...
পৌষের এক নিঝুম শব্দহীন রাতে রাঢ় বাংলার এক আটপৌরে গ্রাম— ষাটের দশক, পরাক্রমী শীত তখন দাঁতে দাঁত চেপে বসেছে মাটির ঘরের দেয়ালে, স্যাঁতস্যাঁতে মেঝেয় নিঃশ্বাসে, অপার নিস্তব্ধতায় ক্ষুধাতুর বাঘের মতো হেরিকেনের কাঁপা ঘোলাটে আলো নিকষ আঁধারকে বশ মানাতে পারেনি— চাপ চাপ ঠাণ্ডা আর আবছায়া অন্ধকারের ঘ্রাণএকসাথে জড় হয়েছিল ঘরের কোণে কোণে সেই ঝি ঝি ডাকা রাতে জন্ম আমার অমোঘ কোন আলগরিদিম অনুসরণে এই ... ...
মিলার সাথে দেখা করতে থাকা। শুধু নৃত্যের হলে নয়। কখনো একটি পার্কে। বেঞ্চে বসা। তার পাশে বসা। ঝাউগাছের নিচে। পাতার শব্দ। শহরের আওয়াজ দূরে মৃদু হয়ে আসা।সে বলে তার গল্প। গ্রামের নামটা বলতে তার ঠোঁট কাঁপা। "আমার বাড়ি... এক গাঁয়। নদীর পাশে। পাহাড় দেখা যায় দূর থেকে। ঘরটা টিনের। বৃষ্টির সময় তারপর টুপটাপ শব্দ। "তার কথায় আঞ্চলিক শব্দ মিশে আসা। "গাঁয়", "পিঠা", "তারপর" শব্দগুলো আমার কানে নতুন লাগা। শহুরে স্ট্যান্ডার্ড বাংলার চেয়ে ভিন্ন। মোটামুটি। কাঁচা। গোঁফালে।আমি জিগাই, "গ্রাম ছাইড়া আইছো ক্যান?"সে তাকাই আমার দিকে। অবাক হই। আমি কেন আঞ্চলিক ভাষায় জিগাইলাম? হয়তো তার মুখের টান আমাকে টানি দিছে।সে হাসি। "টাকা ... ...
সে এক বন্ধু। যাকে সব বলা যেতো, যার সঙ্গে সেইসকল বিষয়ে কথা বলা যেতো— তার থেকে দূরে স’রে এলাম। কেন এলাম, সেটা বলতে পারলে ভেতর থেকে অনেকটাই হাল্কা হতাম আমি। কিন্তু সেটা গোপন রাখব সম্পূর্ণ এই লেখায়। আজ স্বীকার করছি, এমনকী লেখাতেও সমস্ত সত্যি প্রকাশ করা যায় না। এই যে এই লেখাটা এখন লিখছি, আমার দু’চোখ জলে ভরা। বন্ধুর মুখটা আমার চোখের সামনে থেকে থেকেই ভেসে উঠছে। বন্ধু ভাল থাকুক, বন্ধু আরও বড় হোক, বন্ধু জীবনে প্রতিষ্ঠিত হোক— এটাই তো চাই। নিজেকে আর ঠেকিয়ে রাখতে পারছি না, মোবাইলের স্ক্রিনে জল জ’মতে শুরু করেছে। এই বসন্তে কোত্থেকে গভীর বর্ষা আসতে শুরু করেছে ... ...
‘ এই... এই যে আসুন ... এই মাঠটা পেরোলেই ওদের বাড়ি '। অগ্নিভ স্টেশন থেকে যে রিক্শাটা ধরেছিল তার চালকই মাঠের ধারে রিক্শাটা দাঁড় করিয়ে তাকে ছোট মাঠটা পেরিয়ে সত্যপ্রসাদ ভট্টাচার্যের বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দিল। ছোট একতলা বাড়ি। ভেতর থেকে প্রায় চল্লিশ বিয়াল্লিশ বছরের একজন মানুষ খালি গায়ে বেরিয়ে এলেন। রিক্শাওয়ালা বিদায় নিল। অগ্নিভ হাতজোড় করে বলল, ‘নমস্কার, আমি প্রতিলিপি থেকে আসছি। বিপ্লবী সত্যপ্রসাদ ভট্টাচার্যের জন্মের একশো পঁচিশ বছর পূর্তি ... ...
জিহ্বার প্রত্নতত্ত্বজিভে লাগছে। কিন্তু স্বাদ নেওয়া হচ্ছে না, স্বাদ আক্রান্ত হচ্ছে, আক্রমণ করছে স্বাদকোরকগুলোকে, যারা প্রতিটা এক অন্ধ, স্পর্শকাতর সৈন্য, যারা রাসায়নিক সংকেতকে বৈদ্যুতিক সংকেতে রূপান্তর করে, কিন্তু এবার সেই সংকেতগুলো উল্টোপথে চলছে, বাইরে থেকে ভিতরে না, ভিতর থেকে বাইরের দিকে, জিভের ডগা থেকে বেরিয়ে আসছে স্বাদ, জিভ স্বাদের উৎস হয়ে উঠছে, জিভ নিজেই স্বাদ। আর সেই স্বাদগুলো শুধু মিষ্টি, নোনতা, টক, তেতো, উমানি নয়, স্বাদগুলো এখন ধারণা, আবেগ, স্মৃতি, ভবিষ্যৎ, অনুতাপ, গর্ব, সন্দেহ, নিশ্চয়তা—সবকিছু। স্বাদের বিপর্যয় ঘটেছে, স্বাদের রাজ্যে অভ্যুত্থান, স্বাদের গৃহযুদ্ধ।প্রথম স্তর: মুখের ভিতরের মৌলিক স্বাদ। শুষ্কতা। জিভ তালুতে লেগে আছে, খসখসে, ধুলোয় ধূসর, সেই ধুলোর স্বাদ মাটি ... ...
২২শে জানুয়ারি, সময় সন্ধ্যে ৭.১৫। স্থান আলিপুর মিউজিয়াম, কলকাতা লিটারেসি মিট ২০২৬।অভিজিতের সাথে এক মঞ্চ থেকে আর এক দিকে যাচ্ছি, হঠাৎ পিছনে জোর আওয়াজ, খুব ভারী কোনো ধাতব জিনিষ বাঁধানো কংক্রিটের রাস্তায় পড়ল মনে হলো। অভিজিতের আঁতকে ওঠার আওয়াজে পিছন ঘুরে দেখলাম একজন বয়স্ক মানুষ, নাম পরের দিন জেনেছি, অরুণাভ সেনগুপ্ত, রাস্তায় পড়ে গেছেন, হোঁচট খেয়ে। ধরে দাঁড় করাতে না করাতেই, মুহূর্তের মধ্যে চেয়ার নিয়ে দৌড়ে এলেন এক তরুণ সংগঠক, পরে নাম জেনেছি সুপ্রিয় ঘোষ। বসানোর পর বোঝা গেলো মাথার সামনের দিক ফেটেছে, ফিনকি দিয়ে রক্তের বন্যা। আনাড়ি চোখে আঘাতের জায়গা দেখে আত্মারাম খাঁচা ছাড়া হবার জোগাড়। মনে হলো খুলির হাড় ... ...
বিশ্বে শান্তি আমি আনবোই আনবো।দরকারে, অশান্তি বোমা মেরে ভাঙ্গবো।নোবেলটা দরকারটেঁকাতে এ সরকারপৃথিবী বেহাল হলে ‘MAGA’ বলে মানবো। এই হিংস্রতা আর ভণ্ডামি নতুন কিছু নয়। আসলে, সাম্রাজ্যবাদ কখনও আপিস কামাই করে নি, করে না। শুধুমাত্র, আগের দিন পরা, রক্তের ছিটে লাগা পোশাকটা বদলে নেয়। তাই কখনও তাকে ফ্রক কোট-এ দেখা গেছে, কখনও গলাবন্ধ কোটে, কখনও বা নীল স্যুট আর লাল টাইয়ে। ছোট পরিসরে যখন সে কাজ করে তখন নানারকমের পোশাক পরে। একেকদিন একেকরকম। যখন যে অঞ্চল দখল করতে যে পোশাক খাপ খায়, সেটাই। সব পোশাকের আড়ালে সেই একই খুনে leper পৃথিবীর সব জায়গায় তার আপিস খুলে বসে আছে। সেই মানবসভ্যতার আদিকাল থেকে… এরাও ... ...
পর্ব-৩ একটা শিষ্যকুল না থাকলে নামের শেষে আনন্দ বসিয়ে স্বঘোষিত স্বামীজী হওয়া যায় না। আমারও একটা পার্মানেন্ট শিষ্যকুল আছে, তবে তার সাইজ মেরেকেটে দুই – একজন শিষ্য, আরেকজন শিষ্যা, শিষ্যের নাম হিজিবিজি - দেখতে প্যাংলা মতন। প্যাংলা শব্দটা বাংলা অভিধানে আছে কিনা আমি কখনও চেক করিনি। আমাদের স্কুলে দেবু আমাকে বলেছিল প্যাংলা হল তারা, যাদের দেখবি কোন মেয়ে পছন্দ করে না। যদিবা কখনও করে, সে অন্য কোন সুবিধা নেওয়ার জন্য। যেমন দেখবি যারা প্যাংলা, কিন্তু পড়াশোনায় খুব মনযোগী, তাদের সঙ্গে মেয়েরা মিশতে চায়। কিন্তু ওই স্কুল জীবনেই। তারপরে যেই একটা সত্যিকারের ভাল ছেলে পেয়ে গেল অমনি প্যাংলা কে ল্যাং মেরে নতুনটার ... ...