1. IntroductionArt has been a central element of human existence from the earliest days of civilization, embodying the human urge to express ideas, emotions, and experiences through creative means. Whether it is a drawing on a cave wall, an intricately crafted sculpture, or a modern multimedia installation, art serves as a universal language, transcending cultural, geographical, and temporal boundaries. However, within the expansive field of art, there is a more specific subset known as fine art, which has developed its own distinct identity over time. Fine art is primarily focused on aesthetics and intellectual exploration, and is typically associated with ... ...
দ্বিতীয় পর্ব: সোনার গয়নার গোলমালআরে বাবা! জীবনটা এমনি আজব! মানুষ বাঁচে সত্তর বছর, আমি মরে গেছি চারশো বছর, তবু ন্যাংটা পোজ দেওয়ার নেশা যায় না! এখন বলি সেই সোনার গয়নার গোলমালের গল্প।সেদিন ইমন আমাকে বলল, "যদি ক্যামেরা কিনতে টাকা দেন, তাহলে একবার চেষ্টা করে দেখি।"আমি তো খুশিতে নাচতে লাগলাম! ভাবলাম, এইবার তো ন্যাংটা ছবি উঠবেই! বললাম, "টাকা তো আমার কবরে পোঁতা আছে! সোনার গয়না!"ইমন প্রথমে হেসেই খুন। বলল, "ভূতের আবার কবর? আবার সোনার গয়না? "আমি গম্ভীর হয়ে বললাম, "শুনুন ইমন বাবু, আমি মরেছি বটে, কিন্তু মিথ্যাবাদী নই। ১৬০০ সালে যখন মরি, তখন আমার গায়ে সাত সের সোনার গয়না ছিল। বিবিরা নিয়েছেন সব, ... ...
বিশ বছরে সাতাশি থেকে দশ হাজার একশো সাত; একশো চৌত্রিশে পূর্বতন;পেরিয়ে বছর ষাট।নদীর শাহ্ লুটছে দেশখাচ্ছে মোহন ভোগ! নদীর শাহ্ র বরাদ্দ তে 'একশো দিনে' ও কোপ!!
ডুব আরাম এবং দুঃখকে রোজ আদর দিতামনইলে কি আর এই মুহূর্তে ভাঙত পাথর?শিল্প ছেড়ে মায়ের ঠোঁটের অবসাদেশুকিয়ে যেতো গোলাপমলিন দ্বন্দ্বচাদর...চোখের কাছেই নদীর সিঁড়ির ব’সে আঁকায়,মেঘ তেরোমাস ভাবত কেবল নতুনকথা!ঘাসের গালে পৌঁছনো সব বেলুনগুলো–উপায় খুঁজে পেরিয়ে এলো দুর্ঘটনা...কার জীবনে কোন কারণে বন্ধুবারণ—তৃপ্তি এসেও পিছিয়ে গেছে পাতার কানে...আজকে যেমন ইচ্ছে হলো ফিরব আবার,শিল্প ছেড়ে মায়ের ঠোঁটের অবসাদে। ঊর্মিমালা সন্ধে ওড়ে বালিশ ছিঁড়েলেখক বড় মিথ্যেবাদীসময় হারায় নিজের ভিড়েসত্যি যেমন একাই স্বাধীনঝুঁকছে আকাশ মাটির দিকেআসছে খবর নিয়ম মতোমুখের ওপর তাকিয়ে থেকেঅসুখ আমায় বুঝতে হ’তোলেখক বড় মিথ্যেবাদীকথায় কথায় যুক্তি শেখায়শহর তেমন নিজেও স্বাধীনআমার গানের ঊর্মিমালায় ... ...
১ শোভনলাল তাহার জ্ঞান হইবার পর হইতে তাহাদিগের বনহুগলির বসতবাটীর বসিবার ঘরে রাখা একখানি ঢাউস রেডিওর সহিত পরিচিত ছিল। এবং বাপ খুড়াদিগকে প্রত্যহ একাধিকবার উহাকে চালাইতে দেখিয়া দেখিয়া সেও একটু বড় হইয়া উঠিতে উঠিতে ঐ রেডিও চালাইবার সমস্ত কৌশল রপ্ত করিয়া ফেলিয়াছিল। তাহার যখন চার বৎসর বয়স তখন সে একবার তাহার মায়ের সহিত শ্রীরামপুরের মাহেশে, তাহার মাতুলালয়ে বেড়াইতে গিয়া তথায় অনুরূপ একখানি রেডিও দেখিয়া, উহাকে চালাইয়া, মাতামহীর বলিয়া দেওয়া একখানি স্টেশন ধরিয়া দেওয়ায় শোভনলালের মাতামহী সরলাবালা যাহার পর নাই বিস্মিত হইয়াছিলেন, এবং স্বামী আপিস হইতে ফিরিবামাত্র তাঁহাকে সেই বিস্ময়কর সংবাদ, প্রভূত উত্তেজনার সহিত সবিস্তারে কীর্তন করিয়াছিলেন। ইহার পর, দ্বিতীয়বার মাতামহীর নির্দেশে ... ...
তখন ছিল গভীর রাত। সারা পৃথিবী হয়তো ঘুমিয়ে পড়েছিলো। চাঁদ ক্লান্ত মুখে নক্ষত্রমন্ডলীর সঙ্গে দুর্দশার আলোচনায় মুখর।আমি তোমাকে খুঁজছিলাম। কোনোদিন কি খুঁজে পাবো? তোমার সঙ্গে নীরব আলোচনায় কেটে যায় কতো আলোকবর্ষ সময়।.. অজস্র বিতর্ক, কাটাছেঁড়াএকসময়ে তুমি নীরব হয়ে যাও। আর আমার মস্তিষ্কের উপশিরায় শুরু হয় বিষাক্ত যন্ত্রণার দৌরাত্ম্য।তারপর আবার সব অন্ধকার।সব নিস্তব্ধ। শুধু লোলুপ শৃগালের দল ছিঁড়ে খেতে থাকে সভ্যতার মরদেহ।মৃত্যুহীন, দরিদ্রের যন্ত্রণাকাতর আর্তনাদ আবার মাথা কুটে রাজপথে ফিরে যায়।পুঞ্জীভূত ক্ষোভ সম্পদের স্তুপ হয়ে জমতে থাকে প্রগতির প্রহরীদের কুঠুরিতে।আহত মনে প্রশ্ন জাগে,তোমায় কি আর কোনোদিন খুঁজে পাবো? তারা কি একাই দোষী?যদি তুমি প্রশ্ন করো, আমি কী করেছি? কতোবার নিশ্চিন্ত জীবনের হাত ছেড়েছি? কতোবার গলা তুলেছি নৃশংস উল্লাসের কন্ঠস্বরকে ছাপিয়ে? কতোবার ... ...
২১.ইমন ক্যামেরা সেট করল। আমি ন্যাংটা পোজ দিলাম। আমার ক্লাসিক পোজ — গ্রিক মূর্তির, এমিলি রাতাজকোস্কি এর ভাবে কারণ আমার মাই গুলো ছিল তার মতো বড়ো ও ঝোলা।পরে ইমন দেখিয়ে ছিলো। ইমন ক্লিক করল। তারপর কম্পিউটারে দেখল। কিছু নেই। শুধু খালি ঘর।ইমন বলল, "দেখলেন? কিছু নেই।"আমি বললাম, "আপনার ক্যামেরা ভালো না।"ইমন বলল, "ভালো না? এটা তো আমার বাবার ক্যামেরা! ১৯৯০ সালের!"আমি বললাম, "আমার সময়ের কথা ভাবুন! ১৬০০ সালের কথা!"ইমন মাথা চুলকাল। বলল, "আচ্ছা, একটা ব্যাপার বলি। আজকের দিনের ক্যামেরা দিয়েও তোমার ছবি উঠবে না। কারণ সমস্যা ক্যামেরায় নয়, তোমাতে।"আমি রেগে গেলাম। বললাম, "তাহলে আমি চিরকাল ন্যাংটা থেকেই যাব? কেউ দেখবে ... ...
তিনজন মানুষ। তিনজন মানুষের কথা বলব। প্রথমজন আছেন, দ্বিতীয়জন নেই, তৃতীয়জন আছেন। লেখার সময়ে বিশ্বাস রাখছি, যাঁর মুখ যতবেশি দেখতে পাবো, তাঁর সম্পর্কে ততবেশি বলতে পারব। যদিও এতদিনে বুঝেছি— পৃথিবীতে এমন কোনও বিশ্বাস নেই, যার ওপরে বিশ্বাস করা যায়। বিশ্বাস করতে পারি। এতসব জানার পরেও বিশ্বাসের অভিনয় ক’রে যাওয়া। প্রথমজন: লজেন্স, ছোলা, বাদাম— এইসব বিক্রি করেন উনি। কৃষ্ণনগরের রাস্তায় রাস্তায় হেঁটে হেঁটে। প্রতিদিন বিকেলে চারটে নাগাদ বেরোন, বাড়ি ফেরেন রাত আড়াইটেয় প্রায়। বয়েস আন্দাজ ৬৭ থেকে ৬৮ র মধ্যে। ওঁর সঙ্গে আমার প্রথম আলাপ কবে হয়েছিল, মনে নেই। আমিও ওঁর থেকে কিনে খেয়েছি, ছোলাবাদামলজেন্স। একদিন চায়ের দোকানে ব’সে ছিলাম বিকেলের পর, ... ...
বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এস আই আর প্রক্রিয়া ঘিরে সাম্প্রতিক যে বিতর্ক, তা আপাতদৃষ্টিতে ভোটার তালিকার নির্ভুলতা, নাগরিকত্বের নথি ও প্রশাসনিক ক্ষমতার সীমা নিয়ে। দৈনিক সংবাদপত্রের পাতায় এই বিতর্ক প্রতিদিন নতুন ভাষা পাচ্ছে—কখনও আশঙ্কা, কখনও আশ্বাস, কখনও আইনি যুক্তি, কখনও রাজনৈতিক পাল্টা অভিযোগ। কিন্তু এই কোলাহলের মধ্যেই একটি মৌলিক প্রশ্ন প্রায় অদৃশ্য থেকে যাচ্ছে। নির্বাচন ব্যবস্থাকে আমরা কি কেবল একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া হিসেবে দেখছি, নাকি তাকে একটি গভীর সামাজিক প্রতিষ্ঠানের মতো বোঝার চেষ্টা করছি? সংবাদমাধ্যম, সংসদীয় বিতর্ক এবং সামাজিক পরিসরে এস এই আর প্রক্রিয়াকে ঘিরে প্রবল উদ্বেগ ও উত্তেজনা দেখা যাচ্ছে। কিন্তু এই আলোচনার সীমা লক্ষণীয়ভাবে সংকীর্ণ: এখানে মূলত একটি ... ...
দুটো চারটা নোট মুখস্থ করলে চাকরি পাওয়া যায়-- মার্কসবাদ জানা যায় না। বা নিজেকে বামপন্থী বলে দাবি করলেই বামপন্থী হওয়া যায় না। মার্কসের তত্ত্ব জানতে হয়। পড়তে হয়। বুর্জোয়া বিলাসের সব উপকরণ ব্যবহার করেই আজ আমরা বামপন্থী! শ্রেণিচ্যুতি ঘটাই নি। উল্টে শ্রেণি উত্থানের দিকে গিয়েছি। সুবিধাবঞ্চিত নয় সুবিধাবাদের পথ নিয়েছি। মধ্যবিত্ত থেকে উচ্চবিত্ত হতে চাইছি। তেলা মাথায় তেল দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করে চলেছি। জনসংখ্যার .০০১ এর জন্য লড়াইয়ে ব্যাকুল। ৭০ শতাংশের কথা ভাবছি না। মার্কসবাদী মত একটু জানা যাক। ভাতা, ভিক্ষা, মানুষকে পঙ্গু করে দেওয়া -- এইসব তত্ত্ব বোঝা যাবে। তাঁদের খালি স্মরণ ... ...
একজন ছিপছিপে ঢ্যাঙা ডগ ট্রেনার ক্যাম্পাসে পাক মারছে ট্রাকশ্যুট আর স্নিকার শ্যু পরে। পেছনে দৌড়চ্ছে ছ ছটা নানান কিসিমের কুকুর। ল্যাব্রাডর আছে, রিট্রিভার আছে, টেরিয়ার আছে .... আছে আরও অনেক পেডিগ্রী সারমেয়। ট্রেনারের পিছন পিছন ছুটে চলেছে একঝাঁক খেলোয়াড়ের মতো। সি ব্লকের রাকেশ মিত্তলের পোষ্য সবকটা। ট্রেনার কাম ফিজিওর মাসিক পারিশ্রমিক ত্রিশ হাজার টাকা। রাকেশ মিত্তলের আয়রন অ্যান্ড স্টীলের ... ...
শিশু কিশোর কিশোরী বৃদ্ধ বিশেষ ভাবে সক্ষমদের দেখার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। সব নাগরিকের শিক্ষা স্বাস্থ্য ভরণপোষণের দায়িত্ব রাষ্ট্রের। মার্কসবাদ এটাই শেখায়। অন্য ভাবনা মার্কসবাদ নয়।
অন্যায় করেছি ভোরের আলোর কাছে চুমুর আবেদন নিয়ে গিয়ে,অন্যায় করেছি শাল-পলাশ-মহুয়ার ছায়ার দিকভ্রান্তের মতো ঘুরে ঘুরে অবসন্ন পায়ে তার কুটিরছায়ে এসে বসে,অন্যায় করেছি বলে --- "জল দাও, দাও পিপাসার বারি।"ভ্রষ্টা রানী তিষ্যরক্ষা নির্লজ্জ আচরণে যে দুর্বিনীত বাক্য বলেছিলো অশোক রাজপুত্র কুণালকে, -- "দাও পিপাসার বারি।"পদ্মপলাশ চোখদুটিতে জগতের সকল আকর্ষণ মিশিয়ে কোনো ঘনায়মান সায়াহ্নে,পাটলীপুত্র রাজপ্রাসাদে সে বিমাতাকে করেছিলো কঠিন তিরস্কার। তার পথ থেকে টলানো যায়নি একবিন্দু।বুদ্ধং শরণং গচ্ছামি।সংঘং শরণং গচ্ছামি।ধর্মং শরণং গচ্ছামি।পাশে ছিলো রাজ্ঞী কাঞ্চনমালা।আর কতোগুলি চান্দ্রেয় পুলকিত পূর্ণিমার অবসানে হুমায়ুন আহমেদ লিখেছিলেন,"পৃথিবীতে শ্রেষ্ঠতম চোখের অধিকারী তিনজন। ব্রিটিশ কবি পি.বি.শেলী ও অশোক-পুত্র কুণাল।"তৃতীয়জন?উল্লেখহীন ব্যক্তি কি তুমি?বলো, সত্যি তুমি? শোষণের সাঁড়াশি আক্রমণের মধ্যে বংশপরম্পরায় ... ...
একান্ন বছর পার হলো তুমি নেই।তোমার মুখে ই শোনা তোমার জন্ম কথা -রূপকথার মতো লাগতো!উনিশশো ন'য়ে জন্ম তোমার ন'বছরে বিয়ে; ব্রাক্ষণ কন্যা বলে কথা! ঘরে রাখা পাপ!সামাজিক পাপের হাত ধরে এক আধবুড়ো খামখেয়ালি চাষার ঘর আলো করতে বাধ্য হলে!সুন্দরী ছিলে তুমি।ভাসুরের কোলে চড়ে উঠেছিলে শ্বশুরবাড়ি;সম্পন্ন চাষী পরিবার।তবে দেবর ছিল শিক্ষিত; স্টেশন মাস্টার।ভাসুর,দেওরের চোখরাঙানি ছিল না। ছিল স্নেহ আর ভালোবাসা। শুধু তোমার সাতপাকে বাঁধা মেজাজি চাষী ভাইএর সাথে দেখা হতো সেই কেরোসিন বাতির আলোয় রাত গভীর হলে।অতঃপর সময় নিজের মতো করে গড়িয়ে চললো কিছুদিন। সংসার বুঝতে চেষ্টা করছিল কি চায় তোমার কাছ থেকে।তাই আঁটকুরো বদনামের আগেভাগেই তুমি সন্তান ধারণ করলে। তখন তুমি ত্রয়োদশী।তবু গোঁয়ারের ... ...
একদিন আমি গেলাম এক ইংরেজ চিত্রশিল্পীর স্টুডিওতে। তার নাম ছিল মিস্টার উইলকিনসন। তিনি একজন খ্যাতনামা শিল্পী। আমি তাঁকে বললাম, "স্যার, আমি ন্যাংটা মডেল।"তিনি ঘরে তাকালেন। কাউকে দেখতে না পেয়ে বললেন, "হু ইজ দেয়ার?"আমি বললাম, "আই এম হেয়ার। আই অ্যাম এ গোস্ট।"তিনি ভাবলেন, হয়তো তাঁর মদ খাওয়ার ফল। তিনি বললেন, "অহ, ইটস দ্য হ্যাংওভার।"তিনি আমাকে পাত্তাই দিলেন না। আমি ন্যাংটা পোজ দিলাম। তিনি কিছুই দেখলেন না। শুধু বললেন, "দ্য উইন্ডো ইজ ওপেন। দ্যাটস হোয়াই আই ফিল কোল্ড।"বন্ধ করে দিলেন জানালা।১৩.এরপর আমি বাঙালি চিত্রশিল্পীদের কাছে গেলাম। একজন ছিলেন শিবপ্রসাদ বসু। তিনি তখন পোট্রেট আঁকতেন। আমি তাঁর কাছে গেলাম। বললাম, "মশাই, ন্যাংটা মডেল ... ...
সিলেবাসের ভেতর সিলেবাসের বাইরে অয়ন মুখোপাধ্যায় ক্লাস ইলেভেনের লাস্ট পিরিয়ড ঘরটা অদ্ভুতভাবে জেগে ছিল। কালো বোর্ডে চক-এর ধুলো লেগে আছে, জানালার বাইরে গাছের পাতায় বিকেলের আলো আটকে পড়েছে। কয়েকজন জানালার দিকে ঝুঁকে, কেউ ঘড়ির দিকে তাকিয়ে, কেউ আবার বেঞ্চে নখ আঁচড়াচ্ছিল—শেষ পিরিয়ডের সেই চেনা অস্থিরতা। ক্লাসে ঢুকতেই রাহুল জিজ্ঞেস করল,— স্যার, পড়াশোনা করে কী হবে? চাকরি তো আর কেউ পাচ্ছে ... ...
কচাকরিজীবী আর গায়েগতরে খেটে খাওয়া পরস্পরের মিত্র হবেন সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এখন বেশ কিছু চাকরিজীবী নিজেদের অধিকার নিয়ে সচেতন, গরিব খেটেখাওয়া মানুষের বেলায় নির্মম। গরিবের কি অধিকার নেই সরকারের সহায়তা পাওয়ার? কমিউনিজম তো বলে সামর্থ্য অনুযায়ী দেবেন, চাহিদা অনুযায়ী পাবেন। তাহলে?.দ্বন্দ্ব তো এখানেই। গরিবদের দিলে ভিক্ষা। চাকরিজীবীদের দিলে অধিকার ভাবা! বেকার ভাতা বিধবা ভাতা বামফ্রন্ট সরকার চালু করেছিল ১৯৭৭-এ। তখনকার ৫০ টাকা একজন খেতমজুরের আড়াই মাসের বেতনের সমান ছিল। দিনে ৬০ পয়সা বেতন ছিল ১৯৭৭ এ। এখনকার হিসেবে সেটা ১৫০০০ টাকার সমান। খেতমজুরের ... ...
তুমি বলেছিলে, লাল রঙ এমনিতে তোমার ভাল্লাগেনা কিন্তু কলাবতী ফুলের লাল-টা তোমাকে মুগ্ধ করে। তাই আমি জানালা দিয়ে বাগানের কলাবতী ফুলের লালের ওপরে রাস্তার টিউব লাইট থেকে পিছলে পড়া সাদা আলো দেখতে দেখতে আমার চাদ্দিক, তোমার প্রিয় কলাবতীর লালে ঢেকে নিলাম। এরকম করে একটা প্রেমের গপ্পো শুরু করলে সেটা শেষ পর্যন্ত কতটা নিম্নমানের ক্লিশে-তে পরিণত হতে পারে, গেলাসে চুমুক মারতে মারতে সেটাই ভাবছিলাম। ভাবছিলাম আর সিগারেটের ধোঁয়া টানছিলাম। ভাবছিলাম আর নুন মাখানো কাঁচা ছোলা চিবোচ্ছিলাম। সম্পাদক মশাই বলেছেন, এবারে একটা প্রেমের গল্প ... ...
আমাদের বাড়ির পোষা বিড়ালটা ৩ দিন যাবত কেঁদে চলেছে। পোষা বলাটা কতটুকু যুক্তিসঙ্গত, বলতে পারবো না। কেননা ওকে আমরা কেউ পোষ্য নেইনি কোনোদিন। আমার মা কুকুর-বিড়াল দু-চোখে দেখতে পারেন না। আমার বাবার ব্যাপারটা বোঝা মুশকিল। কারণ বাবা দুবেলা নিয়ম করে উচ্ছিষ্ট কিছুটা ভাত আর মাছের কাটা বিড়ালের জন্য নিজের থালার একপাশে জমিয়ে রেখে দেন ঠিকই, কিন্তু বিড়ালকে কখনোই ঘরের ভিতর প্রত্যাশা করেন না। বিড়ালটা ঘরে ঢুকলেই মা-বাবা দুজন মিলে হুসহুস করে তাড়িয়ে দিতে তৎপর হয়ে উঠেন। পোষ্য বলাটা হয়তো বাড়াবাড়িই হবে। অবশ্য বিড়ালটা কিন্তু নিজ উদ্যোগে হয়তো বেঁচে থাকার খায়েশে নিয়ম করে দুপুর এবং রাতে, ঠিক আমরা যখন খেতে বসি ... ...