১ কথাটা কানে যেতেই, বিরক্তিতে কুশলের মুখটা বিকৃত হয়ে গেল। ঝাঁজালো স্বরে বলে উঠল – তোমার এই বাড়াবাড়িগুলো আমার অসহ্য লাগে, মা ! কী বলছিস তুই ! – মায়ের গলায় ব্যথা মেশানো বিস্ময়। ঠিকই বলছি – দাড়ি কামাতে কামাতে, আয়নার ভেতর দিয়ে মায়ের দিকে চেয়ে কঠিন স্বরে বলল কুশল – এই সব ধান্ধাবাজ গরিব লোকগুলোকে আমি একদম টলারেট করতে পারি না ! তোমাকে ভালোমানুষ পেয়ে ভজিয়ে ভাজিয়ে ক্যাটারাক্ট অপারেশনের জন্য একগাদা টাকা নিয়েছে। কাঙ্গাল টাইপের লোক এরা। অন্যের থেকে কী করে টাকা আর সুবিধে বাগিয়ে নেওয়া যায়, শুধু সেই ফিকিরে থাকে, আর ভালোমন্দ খাওয়ার সুযোগ পেলেই এদের জিভ লকলক করে ... ...
চলছে কলকাতা বইমেলা। কলকাতার টিনএজার জেনারেশনের ভিতরে কত শতাংশ বইমেলামুখি? বইমেলামুখি টিনএজারদের কত শতাংশ বাংলা বইয়ের পাঠক? এই তথ্যগুলি আমাদের হাতে আছে কি? হাতে থাকা কিন্তু খুব জরুরী ছিল। কেননা আজকের এই টিনএজার জেনারেশনের হাতেই বাংলা বইয়ের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। আচ্ছা কলকাতার কথাই বা কেন? কলকাতাই তো আরা গোটা বাংলা নয়। কলকাতার বাইরে যে বিস্তৃত বাংলা। সেই বাংলার চিত্রই বা ঠিক কেমন? সারা বাংলায় মোট স্কুলের কত শতাংশ বাংলা মাধ্যমে চলছে। গত তিন দশকে কত শতাংশ বাংলা মাধ্যমের স্কুল বন্ধ হয়ে গিয়েছে? সেই গত তিনদশকে রাজ্য জুড়ে ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলের সংখ্যাবৃদ্ধির হার ঠিক কেমন? রাজ্য জুড়ে শত শত হাজার হাজার ... ...
পার্থদা, আড়াইশো মুড়ির একটা প্যাকেট দেবে আর একটা সিগ্রেট দিও প্রলয়কে দুটো জিনিস বাড়িয়ে দিয়ে পার্থ দোকানের ঝাঁপ বন্ধ করতে উদ্যোগী হল। এবারের পুজোর ফাংশনে তুমি গাইলে না কেন? প্রলয় পয়সা গুনতে গুনতে পার্থর দিকে প্রশ্নটা ছুঁড়ে দিলো। আমি গান গাওয়া ছেড়ে দিয়েছি রে.. পার্থর গলায় খেদোক্তি। আরো কিছুক্ষণ প্রলয়ের সঙ্গে গান ছেড়ে দেয়া নিয়ে বাদানুবাদ সেরে দোকানের দরজায় তালাগুলো ঝুলিয়ে পার্থ হাতের ঝোলাটা নিয়ে বাড়ির পথ ধরল। মনে মনে হিসেব কষছিল, কাল ছেলের কলেজের ফিস্ জমা দিতে হবে। ছেলেটার পরীক্ষা এগিয়ে আসছে। তমালিকার দুটো ওষুধও কদিন হল একদমই শেষ হয়ে গেছে। সে দুটোর দামও নেহাত কম নয়। এই দু ... ...
হয়তো বা ঘাস হয়ে রয়ে যাবো বাটেচলে গেলে সবাই তো হয় না মহান। ভোরের শিশিরসিক্ত বেল ফুল হাটে জুটুক না জুটুক পদ্ম,দোয়েল গায় গান।
স্মৃতির রঙমুহাম্মদ ফজলুল হকনাফিস অস্থির হয়ে বসে আছে ক্লাসে। বন্ধুরা সবাই বেরিয়ে গেছে। মনে হয় সেতুর উপর বসে আনন্দ করছে। আনমনা হয়ে যায় সে। নাফিসের গ্রামে কোন স্কুল নেই। পড়ার জন্য তাকে পাশের গ্রামে যেতে হয়। পাশাপাশি গ্রাম হলেও তার গ্রামে অনেক কিছু নেই। তাতে একটুও মন খারাপ হয় না। তার গ্রামের মত সুন্দর গ্রাম কোথাও নেই সে এটা জানে। তাইতো নিজের গ্রাম নিয়ে গর্বের শেষ নেই। নিজের গ্রাম নিয়ে গর্ব হলেও পাশের গ্রামকে সে ভালোবাসে। এই গ্রামটিও সুন্দর। এখানে স্কুল আছে, মাদ্রাসা আছে, মসজিদ আছে, বাজার আছে, মেম্বার, চেয়ারম্যান সবই এই গ্রামের।আশপাশের এলাকা থেকে নানাবিধ প্রয়োজনে মানুষ এখানে আসে। ... ...
জলের কথা বলছে। না, কথা নয়, গুঞ্জন। একটানা, অনাদি গুঞ্জন, যার মধ্যে সব শব্দ ডুবে যায়, সমস্ত মানে ভেসে যায়। আমি শুনছি, কিন্তু আমার কানে পৌঁছায় অন্য কিছু: রথচক্রের শব্দ, ধনুকের ছিলার টান, সেই উচ্চ সভার হাসি। তারা মিশে যায় জলের গানে, বিকৃত করে তাকে, এক কর্কশ সুরে পরিণত করে। আমি আমার হাত ডুবাই জলে। ঠাণ্ডা। কিন্তু ঠাণ্ডাই বা কেমন? নদীর জলের এই ঠাণ্ডা, নাকি সেই সভার পাথরের ঠাণ্ডা? তারা একই, ভিন্ন নামে।সে আসে যখন আমি আমার হাত তুলে নিচ্ছি। জল ফোঁটা ফোঁটা ঝরে, প্রতিটি ফোঁটায় একটি সূর্য, ক্ষণস্থায়ী, তারপর ফেটে যায়, মিশে যায় ধূলিতে। তার পায়ের শব্দ নেই। সে ... ...
ভালোবেসে যে মানুষ বদলে যায় অয়ন মুখোপাধ্যায় তোমাকে ছোঁয়ার আগে ঘরটা নিজের নাম ভুলে যায়।আলোর সুইচ বন্ধ করলেই ভেতরে কেউদেয়ালে নখ বোলাতে থাকে। তুমি বলো—এভাবে থাকলেই ঠিক আছে।আমি দেখি, আয়নায় আমাদের ছায়া মিলছে না। তোমার ঠোঁট থেকে পড়ে যায় একটা নিষিদ্ধ শব্দ,মেঝের ফাটল দিয়ে সেটা গড়িয়ে চলে যায়। কোনো এক পুরোনো দেবতা বিছানার নীচে শুয়ে,আমাদের নিঃশ্বাস গুনে রাখে—ঘুমের ভেতরও তার হিসেব চলে। আমরা প্রেম করি—মাঝখানে একটা অশ্রুত চিৎকার।তোমার শরীর জানে, আমার আত্মা জানে না।রক্তের মতো গাঢ় হয়ে আসে রাত,আমি তোমাকে ডাকি, তুমি আরেকজন হয়ে ওঠো। ভোর হলে সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে যাবে জানি,তবু প্রতিবার ভালোবাসার পরযে মানুষটা আমাকে ভালোবাসে- সে আমি নই। ছবি হিরন মিত্র ... ...
(১)সিংহাসনে নদীর শাহ্-মহান ধাপ্পাবাজ!স্বাস্থ্য মর্গে! শিক্ষা সংঘে-হাহাকারে মরে কাজ!! (২)শংসাপত্রে চায়ের দাগ টা-মুছতে পারবে না।নোবেল প্রাপ্ত হচ্ছে ব্রাত্য!-একি লাঞ্ছনা !!
বইটা বের হওনের পর একরকম শূন্যতা। হাত পা ঝিমঝিম করা। ফ্ল্যাটের বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা। নিচের গলিতে লোকজনের হাটাহাটি। কেউ জানে না। কেউ টের পায় না। এই ইটপাথরের শহরের বুকে এক টুকরো কাগজে আটকে পড়া আমাদের হাঁপানি।তারপর... তারপর ফিসফিস ধ্বনি। পানির নিচে প্রথম বুদবুদের মতো। একটা ব্লগ পোস্ট। শিরোনাম: "নতুন এক কণ্ঠস্বর: কে এই মুখহীনরা?" লেখক: "অজ্ঞাতনামা পাঠক"। তিন প্যারা। তারপরেই সাইট থেকে উধাও। ৪০৪। "পৃষ্ঠাটি পাওয়া যাচ্ছে না।"তারপর আরেকটা। ফেসবুকে একটা শেয়ার। এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে ট্যাগ করে: "একবার দেখ তো, এই বইটা কিনতে পাওয়া যাবে? 'ছায়া ও মুখশ্রী' নাম।" কমেন্টে কেউ লিখছে: "কই, শুনিনি তো।" আরেকজন: "নিষিদ্ধ না তো?" ... ...
অপর মানে আপনার কাছে মাথা নীচু করে থাকবেহেঁ হেঁ করবেহাত কচলাবে। বলবে, আপনার মতো লোক হয় নাঅপর মানে তাকে নীচু চোখে দেখবেঅপর মানে যা খুশি বলা যাবেঅপর মানে নেমন্তন্ন করে খাওয়াবেঅপর মানে ম্লান মুখে ঘুরে বেড়াবেঅপর মানে সংখ্যালঘুঅপর মানে সুবিধাবঞ্চিতঅপর মানে মহিলাঅপর মানে দলিতঅপর মানে অপরঅপর মুখ খুললে বলে দাও, কমিউনালবলে দাও, কাস্টিস্টবলে দাও, নারীবাদীবলে দাও, জঙ্গি কিংবা মাওবাদীঅপর যেদিন তোমাকে অপর বানাবেহে হোঁদল কুঁতকুঁত হায়নামুখো ... ...
...চলা শুরু হয়েছিল যেখানে শেষ হয়েছিল, শেষ হয়েছিল যেখানে শুরু হওয়ার কথা ছিল না, শুরু হওয়ার কোনো সূচনা বিন্দু নেই, আছে শুধু চলমানতা, একটি ক্রিয়ার অন্তহীন ভাববাচ্য যা নিজেরই কর্ম, নিজেরই কর্তা, নিজেরই কাল। পা বলে কিছু ছিল না, ছিল অগ্রসর হওয়ার এক প্রপঞ্চ, যা মাটির সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করত না, বরং মাটিকেই সৃষ্টি করত প্রতিটি সংস্পর্শে, প্রতিটি সংস্পর্শ ছিল একটি সৃষ্টির আদি মুহূর্ত, একটি বিগ ব্যাং এর নিঃশব্দ প্রতিধ্বনি। সেখানে ছিল না কোনো নাম, কোনো পরিচয়, শুধু ছিল একটি সচেতনতা যা নিজেকে “চলছি” বলে জানত, কিন্তু সেই “আমি” ছিল একটি সর্বনাম মাত্র, একটি ব্যাকরণিক স্থানধারক, একটি শূন্য গর্ভ যা ... ...
সোগাদা অর্থাৎ সোগেন্দ্রনাথ সাহার জন্য অগত্যা বইমেলায় গেছলুম। আমি বইমেলায় যাইনা। আমার না যাওয়াই ভাল ভেবে যাইনা। কারণ রেস্তোরাঁর সামনে হরেক কিসিমের সুখাদ্যের গন্ধ শুঁকে পালিয়ে যাওয়ার মত দুঃখের কিছু নেই। আমার কাছে বইমেলা ব্যাপারটাও ঐ ধাঁচের। থরে থরে সাজানো বই, নেড়েচেড়ে দেখে চলে আসো... কারণ বইয়ের যা দাম তা কেনার সামর্থ্য আমার মত অর্থনৈতিক দুর্বলের কাছে সোনা কেনার মতই। যাইহোক, বছর দুয়েক হল সোগাদার সাহিত্য জগতে বিশাল নাম। সোগাদার লেখা ভূত, পেত্নী, মামদো, ব্রহ্মদত্যি ইত্যাদি তো আছেই। তার সাথে সোগাদার দোকানে আরও মেলে অলৌকিক ও তন্ত্রমন্ত্র। মানে ভৌতিক, অলৌকিক ও তান্ত্রিক সাহিত্যের বিশাল ভান্ডার। প্রতিমাসে কোনো না কোনো প্রকাশক ... ...
||১||কৌশাম্বী নগরের রাজমাতার চোখে ঘুম নেই। তিনি দীর্ঘজীবনের সায়াহ্নে এসে পৌঁছেছেন। তাঁকে এমন অনাচার শেষপর্যন্ত দেখতে হবে, এ তাঁর ভাবনার বাইরে ছিলো। অপরাহ্নের ম্লান আলো এসে পড়েছে হাতির দাঁতের কারুকার্য করা পালঙ্কের উপর। দুগ্ধফেননিভ বিছানাত অর্ধশয়ন অবস্থায় তিনি ভারাক্রান্ত মুখে একথাই ভাবছিলেন। শ্বেত পট্টবস্ত্র ও মুক্তার অলংকারে তাঁর দেহ আবৃত। এক দাসী এসে নতমস্তকে দাঁড়ালো। কৌশাম্বী রাজপ্রাসাদে রাজমাতার কক্ষটিই সবচেয়ে নিভৃত। বিশেষ করে পড়ন্ত গোধুলিতে কেউই এখানে আসে না। আর বর্তমানের অশান্ত পরিস্থিতিতে তো আর কারো আগমন বিনা কারণে হতে পারেনা। তিনি ক্লান্ত হলেও ... ...
এই আর্টিকল #: ৩৪১২৮। আগের লেখাটি পড়ে নিন --- তার শেষ অংশ ২ পর্বে প্রধান রূপক ও ধারণার ব্যাখ্যা (Key Metaphors Explained)
ফাইলটা ওপেন করতেই থমকে দাঁড়ানো। পিসির স্ক্রিনে নাম দেখতে পাওয়া: "Masks_Off.rar"। আর্কাইভের ভেতর কত যে ফোল্ডার। ফোল্ডারগুলোর নাম: "শহরের শ্বাস", "গণমাধ্যমের গলার স্বর", "পাঠশালার পাপ", "বাড়ির ভেতরের বোবাকান্না"। প্রতিটা ফোল্ডারে ঢুকতে যেন শব্দের স্রোতে ভেসে যাওয়া।প্রথম ফাইল: "ভয়েস_০০১.mp3"। হেডফোন কানে গুঁজে দেওয়া। চাপ দেওয়া প্লে বাটনে।একটি গলার স্বর... চাপা, ভয়ে কাঁপা। একজন তরুণীর কণ্ঠ। বলতে থাকা: "...আমি যে হোস্টেলে থাকি, ওখানে তো জানালার গ্রিল... বাইরে তাকালেই দেখা যায় আরেকটি বিল্ডিং... সেখানে কার্ফিউর পরে আলো জ্বলে... এক রুমে... তারা সারাদিন বসে... কী দেখে, কাকে দেখে... আমার বন্ধুকে একদিন ধরে নিয়ে গেল... ফেরত এল তিন দিন পরে... মুখে কোনো কথা নেই... চোখে ... ...
১Resignation টা দিয়েই বুঝলাম আমি উড়তে পারি!অতএব Technopolis-এর ৮ তলা থেকে takeoff করে উড়তে উড়তে বাড়িতে এসে ল্যান্ড করলাম।মাকে বললাম, “সোয়েটার-ফোয়েটার যা আছে ঝট করে বার করে দাও”।বাবাকে বললাম, “রতন টাটার বাপের সাধ্যি নেই রানা বাঁড়ুজ্জেকে রোজ ১০ ঘণ্টা অফিসে আটকে ২৫০টা করে call নেওয়াবে। আমি চললাম দার্জিলিং, পয়সা ফুরালে ফিরব।”তারপর রুকস্যাক গুছিয়ে বাইকে start দিলাম।যদিও আমি এখন উড়তে পারি, কিন্তু কী দরকার বাবা! কেউ যদি আবার বাড়িতে গিয়ে “ছেলে তো খুব উড়ছে আজকাল” বলে লাগায়। একেই খচে আছে লোকজন।বাড়ি থেকে যখন start করি তখন দুপুর ৩টে, অতএব মালদা পৌঁছতে পৌঁছতেই বেশ রাত হয়ে গেল। সেখানকার বিখ্যাত ধাবার প্রখ্যাত তড়কা ... ...
সরস্বতী পূজা বাঙালির কাছে জ্ঞান, বিদ্যা, শিল্পকলা এবং সংস্কৃতির আরাধনা হিসেবে সুপরিচিত। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের কাছে তিনি প্রধান দেবী। তবে সরস্বতী দেবীর এই আধুনিক রূপটি একটি দীর্ঘ বিবর্তনের ফসল, যা বৈদিক যুগ থেকে শুরু করে লোকায়ত বিশ্বাস এবং আর্য-অনার্য সংস্কৃতির সংমিশ্রণে আজকের রূপে এসে দাঁড়িয়েছে।১. বৈদিক যুগে নদী থেকে দেবীতে রূপান্তরবৈদিক যুগে সরস্বতী ছিলেন মূলত একটি নদী, যা উর্বরতা, বিশুদ্ধতা এবং পুষ্টির প্রতীক হিসেবে পূজিত হতো। ঋগ্বেদে সরস্বতীকে 'নদীতমা' (নদীশ্রেষ্ঠা) এবং 'দেবীদমা' (দেবীশ্রেষ্ঠা) বলা হয়েছে। এই নদীকে কেন্দ্র করে বৈদিক আর্যরা বসতি স্থাপন করেছিল এবং তাদের জ্ঞানচর্চা বিকশিত হয়েছিল।জল ও জীবনের উৎস: নদীর জল ছিল জীবনের জন্য অপরিহার্য, কৃষির উর্বরতার ... ...
স্বর: ‘লেখাকে কখনও জোর করবে না। ও এমনিই আসে।’লিপি: ‘আসে তো জানি। কিন্তু ধরো এমন সময়ে এলো, যখন মনের দরজা বন্ধ! তখন কী করব?’স্বর: ‘মনের দরজা মন বন্ধ করার কে? তুমি ছাড়া তো তোমার মনের দরজা আর দ্বিতীয় কেউ খুলতে পারে না। এমনকী মন নিজেও নয়।’ লিপি: ‘বাহ্ গো! ফুল ফোটার মতো আর মাছ ভাজার মতোই এত সহজেই তুমি কথা বলতে পারো! তোমার মতো কথা বলতে জানলে, খুশি হতাম নিজে।’স্বর: ‘আমার মতো নয়, তোমার মতো কথা বলো। তোমার মতো ক’রেই ভাবো। তোমার মতোই ঘুমোতে যাও। ঘুম ভেঙে ওঠো তোমার মতোই। তোমার মতোই চেয়ারে বোসো। তোমার মতোই দাঁত মাজো। সবই করো তোমার ... ...