এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • ইকনমিক রিফর্ম মাল্টিব্র্যান্ড এফডিআই ডিবেট ৩

    aka
    অন্যান্য | ১৪ ডিসেম্বর ২০১১ | ২৪৪১৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aka | ১৪ ডিসেম্বর ২০১১ ০৭:৪৯511109
  • ওখানে আলোচনা চলুক। খানিক বাদেই টই ফুরোবে, কিন্তু তাতে যাতে পাড়া না জুড়োয় তাই এই ব্যবস্থা।

    ইতিমধ্যে খানিক প্রিভিলেজ নেওয়া, খামোকা বাক্যজালে না জড়িয়ে কিছু কথা বলার জন্য। সময় অল্প ওদিকে সর্বোচ্চ লিমিট এল বলে। অতএব ...
  • aka | ১৪ ডিসেম্বর ২০১১ ০৭:৫৬511220
  • শুরু হয়েছিল বর্তমানে রিটেল সেক্টরে ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট নিয়ে তারপরে কিছু এদিক ওদিক হবার পরেই কথাবার্তা চলে আসে ভারতের ইকনমিক রিফর্ম অতএব এইচডিআই, জবলেস গ্রোথ ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি।

    তো এই হল ভূমিকা। আজি হতে শতবর্ষ পরে যখন লোকে এই টই খুলবে তখন যাতে হারিয়ে না যায় তাই এই গৌরচন্দ্রিকা।

    এই হল এর আগের টই -

    http://www.guruchandali.com/guruchandali.Controller?portletId=8&porletPage=2&contentType=content&uri=content1322877922607&contentPageNum=1
  • aka | ১৪ ডিসেম্বর ২০১১ ০৮:১০511331
  • ইকনমিক রিফর্ম - দুটো মাত্র শব্দ কিন্তু কোথাও একটা চেলে দেখুন সাথে সাথে দুটো দল জুটে যাবে, সে ট্রেনে, বাসে, ট্রামে, পাড়ায় চায়ের দোকানে, কিংবা অ্যাকাডেমিক পেপার যেখানেই হোক না কেন। একটু লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে দুই পক্ষই একদম এক্সট্রীম - একপক্ষ যদি জিডিপি গ্রোথ দেখায় তো আর একপক্ষ এইচডিআই র‌্যাংকিং, একপক্ষ যদি আইটি সেক্টর দেখায় তো অন্যপক্ষ জবলেস গ্রোথ, একপক্ষ অন্যপক্ষকে যদি ""বামপন্থী লুজার"" ভাবে তো অন্যপক্ষ সেইপক্ষকে ""শয়তান নিও-লিবারাল"" ভাবে, একপক্ষ যদি ট্রিকল ডাউনে বিশ্বাসী হয় তো অন্য পক্ষ মর্যাদার সাথে উন্নয়নে। এরকম যুদ্ধ পৃথিবীর ইতিহাসে খুব কম নেই, যেমন ইংল্যন্ড-অস্ট্রেলিয়া অ্যাসেজ, মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল ডার্বি বা ঘটি-বাঙালের যুদ্ধ। এই বিভাজন এবং যুক্তি পরম্পরা যার অনেকটাই আসলে 'স্টিরিওটাইপিং' তা ক্রিকেট, ফুটবল বা আমাদের ভাটিয়ালির পাস টাইম হিসেবে বেশ আমোদের বিষয় তাই কিন্তু খুব কঠিন এবং জটিল হয়ে ওঠে যখন আসলে বিষয়টা ১২০ কোটি লোকের রুটি-রুজির। স্টিরিওটাইপিংয়ের বাইরে না বেরতে পারলে আমার মনে হয় না প্রকৃত অবস্থা বোঝা সম্ভব।
  • aka | ১৪ ডিসেম্বর ২০১১ ০৯:০০511442
  • তো কি এই ইকনমিক রিফর্ম। আমার নিজের অভিজ্ঞতা বলে এই নিয়ে লোকের মনে বহুবিধ ধারণা আছে যার বেশিটাই অন্ধের হস্তীদর্শনের মতন। কেউ যদি বলে ইন্ডিয়া সুপার পাওয়ার হয়েছে, তো কেউ বলে দেশের দরজা খোলা হয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি। খুবই স্বাভাবিক সাধারণ মানুষ এর থেকে বেশি বোঝে না। তাই একটু দেখে নেওয়া দরকার রিফর্ম কি এবং কেন? নতুন কিছু না একটু নেট ঘাঁটলেই পাওয়া যাবে তাও কমপ্লিটনেস বলে একটা ব্যপার আছে।

    ১৯৯০ ইকনমিক রিফর্ম - ভারত
    ===================================

    ১। ফিসকাল স্টেবিলাইজেশন - ১৯৯০ - ৯১ সনে ভারতের ফিসকাল ডেফিসিট ছিল প্রায় জিডিপির ১০%, ফিসকাল ডেফিসিট মানে কি? সোজা কথায় সরকারের আয়ের থেকে ব্যয় বেশি। মোটে খুব একটা কাম্য নয়, এ বোঝার জন্য ইকনমিস্ট হতে হয় না। এবং এই অবস্থা বেশিদিন চললে অসুবিধা হবে সেও ইন্টিউটিভলি বেশ বোঝা যায়। তারজন্য সরকার কিছু স্টেপ নেয় যেমন এক্সপোর্টের ওপর সাবসিডি তুলে দেওয়া, ফার্টিলাইজারে যে সাবসিটি দেওয়া হত তা খানিক এদিক ওদিক করা। মূল লক্ষ্য কিছু সরকারী ব্যয় কমানো। নইলে কি উপায় ছিল? হয় ট্যাক্স বাড়ানো, নয় এন্তার টাকা ছাপানো, প্রথম ক্ষেত্রে ট্যাক্স পেয়ারদের ঝাড়, দ্বিতীয় ক্ষেত্রে সবার ঝাড়। আর এগুলো কোন পার্মানেন্ট সলিউশন নয়। কারণ লস মেকিং পাব্লিক সেক্টর কোম্পানিগুলো এই করে লস করা বন্ধ করবে না। সেটা রোখার জন্য সরকার ঘোষণা করল যে লস মেকিং পাব্লিক সেক্টর কোম্পানিগুলোকে ফেজ আউট করা হবে। মানে সোজা কথায় আর ভর্তুকি নয়, হয় নিজের আয় নিজে করো নয়ত বাংলা বাজার দেখো। ফলত ১৯৯০-৯১ তে জিডিপির ১০% ফিসকাল ডেফিসিট থেকে তা কমে ৯১-৯২ তে দাঁড়ায় ৫.৯% এবং ৯২-৯৩ তে ৫.৭%। আজকের দিনে দেখলাম খুব চেঁচামিচি হচ্ছে কেন ডেফিসিট বাড়ছে? কত? না জিডিপির ৪.৬%।

    ২। ইন্ডাস্ট্রিয়াল পলিসি এবং ফরেন ইনভেস্টমেন্ট
    =======================================

    মনে হয় সবথেকে বিতর্কিত বিষয়। লাইসেন্স রাজ গেছে। পুরোটা নয় স্মল স্কেল ইন্ডাস্ট্রীর ক্ষেত্রে তখনো রয়েছে শুধু প্রোটেক্ট করার জন্য। কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে খুলে দেওয়া হয়েছে সবার জন্য যেমন ইলেকট্রিসিটি প্রোডাকশন, এয়ারলাইন্স ইন্ডাস্ট্রী তারফলেই এসেছে জেট, কিংফিশার ইত্যাদি ইত্যাদি।

    অন্যদিকে এর আগে ফরেন ইনভেস্টমেন্ট সব জায়গায় করা যেত না, গেলেও ৪০% এর বেশি ইকুয়িটি রাখা যেত না। বিদেশী পুঁজিপতিরা বরাবর কমপ্লেন করে গেছে এই নিয়ে যে আদৌ বন্ধুত্বপূর্ন পরিবেশ নয়। এই রিফর্মে সেটি বাড়িয়ে ৫১% করা হল। ফলত প্রথম ২৪ মাসে ৩ বিলিয়ন ডলারের ইনভেস্টমেন্ট এল।
  • aka | ১৪ ডিসেম্বর ২০১১ ০৯:১৮511464
  • ৩। ট্রেড পলিসি এবং এক্সচেঞ্জ রেট পলিসি
    ====================================

    আগে কিছুই ইমপোর্ট করা যেত না। এখন সবই ইমপোর্ট করা যায় যদি কেউ মনে করে। শুধুমাত্র বাদ রইল কনজিউমার গুডস। তাও ঠিক হল আস্তে আস্তে এই কনজিউমার গুডসের ওপরেও রেস্টিকশন তুলে দেওয়া হবে। আরও যা করা হল তাহল কাস্টমস ডিউটি ২০০% থেকে কমিয়ে ৬৪% করা হল।

    বাকিটা এক্সচেঞ্জ রেট নিয়ে। সেটা বেশ জটিল কিছু একটা। কেউ মানে যাঁরা বোঝেন, তাঁরা যদি সহজ ভাষায় লিখতে পারেন খুব ভালো হয়। মূলত কারেন্সি ডিভ্যালু করা হয়েছিল। কমন সেন্স বলে তাতে এক্সপোর্ট করতে খুব সুবিধা। ফায়দা লুটেছে আইটি ইন্ডাস্ট্রী।

    ৪। ট্যাক্স রিফর্ম
    ======================================
    ক) মার্জিনাল পার্সোনাল ট্যাক্স ছিল ৫৬% কমে হল ৪০%। কমন সেন্স বলে লোকের হাতে টাকা এলে হয় বেশি খরচ করবে নয়ত সেভ করবে।

    খ) লোকজনকে সেভ করতে উৎসাহীত করতে বিভিন্ন সেভিংস প্ল্যানে টাকা রাখলে ট্যাক্স ছাড়ের বন্দোবস্ত হল। যেমন পিপিএফ এটসেট্রা।

    গ) কর্পোরেট ট্যাক্স কমানো হল ৫৬.৭% থেকে ৪৬%।

    ঘ) আরও এদিক ওদিক কিছু

    লক্ষ্য ছিল ট্যাক্স রেভিনিউ বাড়ানো।

    ৫। পাব্লিক সেক্টর পলিসি রিফর্ম
    ======================================

    বেসিকালি প্রাইভেটাইজেশন। কিন্তু ভারতের ক্ষেত্রে খুব কাঁচাখোলা অবস্থা কিন্তু হয় নি। তখনো পাব্লিক সেক্টর কোম্পানিতে সরকার ৫১% শতাংস ইকুয়িটি ধরে রেখেছিল আর ম্যানেজমেন্টও নিজের হাতে রেখেছিল। এখন অবস্থাটা কি খুঁজে দেখা হয় নি।
  • aka | ১৪ ডিসেম্বর ২০১১ ০৯:২৯511475
  • এছাড়াও সেই রিফর্মে ছিল ফাইনান্সিয়াল ইনস্টিউশন রিফর্ম যেমন ব্যাংক। কঠিন বিষয় খুব কিছু বুঝি না, কিসব রিজার্ভ টিজার্ভ হাবিজাবি, মূলত নন-পারফর্মিং ন্যাশনালাইজড ব্যাংকগুলোকে শায়েস্তা করা হল।

    এগ্রিকালচারাল সেক্টর রিফর্ম - মূলত হাই টেকনলজি দেওয়া, প্রাইভেট লগ্নী আকর্ষণ করা, ক্রেডিট দেওয়া ইত্যাদি। যার সবটাই রাজ্য সরকারের দায়িত্ব।

    আর বাকি রইল পরে লেবার ল রিফর্ম- আগে খুব রিজিড ছিল যেমন ১০০ জনের বেশি কোন কোম্পানিতে কাজ করলে সেই কোম্পানিকে আগে থেকে পার্মিশন নিতে হত যে পার্মিশন কিনা আদৌ পাওয়া যেত না। আর লোকজন ছাঁটাই করা যেত না। মোর ওপেন ইকনমিতে কমপিট করতে গেলে দরকার পড়লে লোকজন ছাঁটাই করতেই হবে। উল্টোদিকে ধরা যাক আমি কোম্পানি খুলছি দরকার মনে হয় ১.৫ জনের এই ক্ষেত্রে ২ জনের বদলে আমি সব সময়ে ১ জন রিক্রুট করব কারণ ২ জন নিলে পরে যদি দরকার না থাকে তাহলেও ছাড়ানো যাবে না। তো, এই পলিসি জব গ্রোথেও উল্টো এফেক্ট ফেল। ইত্যাদি ইত্যাদি।

    তো এই হল কয়েক বাক্যে আমার বোঝা ১৯৯০ এর ইকনমিক রিফর্ম।
  • aka | ১৪ ডিসেম্বর ২০১১ ০৯:৫৩511486
  • তো এইসব রিফর্মকে কিভাবে ইন্টারপ্রিট করা যায়? অনেকভাবে, মূলত যে যেমন চায়। হেড আপিসের বড়বাবু যে কিনা ১২টায় হেলতে দুলতে আপিসে মানে আপিসের নাটকের রিহার্সালে গিয়েও সিনিয়রিটি অনুযায়ী প্রোমোশন পেতেন, মাস গেলে পুরো মাইনে পেতেন তাঁর হেবি ঝাড় হল। কম্পিটিশন বাড়ল তিনি বললেন দুর হঠো এই রিফর্ম। খুব বাজে মূলত পচা দানাদার। খুব স্বাভাবিক।

    বামপন্থীরা যাঁরা দেশের অর্থ বিদেশে এবং বিদেশের অর্থ দেশে আসার বিপক্ষে তারা পলিটিকাল কারণে এর বিরোধীতা করবে। কারণ এই রিফর্ম আদর্শগত ভাবে তাঁদের সিলেবাসের বাইরে। আর ওনাদের সিলেবাসের কোন রিফর্ম হয় না। মুশকিল হল ওনারা বিরোধীতায় দড়, কিন্তু যদি প্রশ্ন করেন ফিসকাল ডেফিসিট কমবে কি করে? ইনভেস্টমেন্ট বাড়বে কি করে? বা লোকের জব গ্রোথ হবে কি করে? পাওয়া যাবে না। কারণ বামপন্থী মতার্দশ সেই জন্মলগ্ন থেকেই বিরোধীতার হাতিয়ার, তার থেকে উত্তরণ খুব বেশি হয় নি।

    এবারে যদি এই ভাবে বলি যে আসলে রিফর্ম মানে কম ট্যাক্স, অনেক ইনভেস্টমেন্ট মানে বেশি বিজনেস মানে বেশি এমপ্লয়মেন্টের চান্স, লিবারাইজেশন মানে করাপ্ট অফিসিয়ালদের ক্ষমতা হ্রাস তাহলে আমার মতন মিডলক্লাস হেবি খাবে।
  • aka | ১৪ ডিসেম্বর ২০১১ ১০:০১511497
  • এই হল রিফর্ম। এই রিফর্ম দিয়ে কেউ যদি মনে করেন স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে উন্নতি ঝরে ঝরে পড়বে তাহলে তা তাঁর ভাবার ভুল। কারণ রিফর্মে এই নিয়ে কোন কাজই হয় নি। সরকার যদি রাস্তা তৈরি না করে, গ্রামে গ্রামে সাপে কামড়ানোর অ্যান্টি ভেনম না রাখে, স্কুলের ছাদ তৈরি না করে, ম্যাল নিউট্রিশনের জন্য সঠিক প্রোগ্রাম না করে এই রিফর্ম দিয়ে কি করে সেগুলো দুর হবে? বিদেশী ইনভেস্টমেন্টের বয়েই গেছে শালবনীতে শিল্প গড়তে। দেশি টাটাই সিঙ্গুর ছেড়ে নড়ে না।

    কিন্তু এতে করে কি অ্যাচিভ করা গেছে না সরকারের হাতে রেভিনিউ এসেছে, সেই রেভিনিউ কাজে লাগিয়ে রাস্তা, হসপিটাল, স্কুল তৈরি সম্ভব। চ্যালেঞ্জ অনেক যেমন ঈশান বর্ণিত ব্ল্যাক মার্কেট, টাকা গাপ হয়ে যাওয়া, সেই ইনএফিশিয়েন্সি রোখাও সরকারের দায়িত্ব।

    একটু খেয়াল করলেই দেখা যায় ১৯৯০ এর রিফর্ম এবং সরকারী হস্তক্ষেপে উন্নয়ন আসলে একে অন্যের প্রতিযোগী নয় বরং কমপ্লিমেন্ট। ১৯৯০ এর রিফর্ম আসলে সরকারের হাতে এক বিরাট যষ্ঠি লাঠি, এবারে ওনাস সরকারের ওপর সেই লাঠি বাঁদরের মতন ব্যবহার করবে না মানুষের মতন।

    ব্যাস আর না, ঘুম পেয়ে গেছে। :))
  • ranjan roy | ১৪ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৩৭511508
  • বাক্‌ আপ আকা! সুন্দর গুছিয়ে লেখা শুরু হয়েছে। আমি না মাইরি, এর থেকে টুকটাক ঝেড়ে ছত্তিশ্‌গড়ে ইদিক-উদিক চালাব। কম পরিশ্রমে সুফল পাব, তখন রাগ করতে পারবে না, রয়ালটি চাইতে পারবে না। হ্যাঁ, আগে থাকতে বলে রাখছি।
  • Ishan | ১৪ ডিসেম্বর ২০১১ ১২:৫০511110
  • উঁহু। এই রিফর্মের একটা বাজ ওয়ার্ড ছিল বিলগ্নীকরণ। বেসরকারিকরণ। সেট দুই লাইনে লিখলে হবে না তো। এটা এতই গুরুত্বপূর্ণ ছিল, যে, সে নিয়ে মন্ত্রকও চালু করা হয়েছিল।

    এই দিকটা নিয়ে আলোকপাত করা উচিত। আকা না করলে আমি করব। পরে। :)
  • ranjan roy | ১৪ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:২৯511121
  • ঠিক, সেই ম্যান্টল পরে বাজপেয়ি জমানায় অরুণ শোরি নিয়েচিলেন বলে মনে পড়ছে। আর বিবেক দেব রায়ের মত ইকনমিস্টরা এ নিয়ে এমোন গলা ফাটাচ্ছিলেন যে বিলগ্নীকরণ হল রামবাণ। এর ফলে ইনভেস্টমেন্ট বাড়বে, ইকুইটির ক্রাইসিস দূর হবে আর গ্রোথ রেট চড়চড় করে উঠতে থাকবে।
  • de | ১৪ ডিসেম্বর ২০১১ ১৩:৪৪511132
  • আকা খুব গুছিয়ে লিখেছে, এক্কেবারে আমার মতো পাতি পাবলিকের জন্য --
    আলোচনা চলুক!
  • maximin | ১৪ ডিসেম্বর ২০১১ ১৫:৫৬511143
  • ফিসকাল ডেফিসিট মানে কি? সোজা কথায় সরকারের আয়ের থেকে ব্যয় বেশি। মোটে খুব একটা কাম্য নয়, এ বোঝার জন্য ইকনমিস্ট হতে হয় না।

    ফিসকাল ডেফিসিটের সংজ্ঞা দিন আকা।
  • aka | ১৪ ডিসেম্বর ২০১১ ১৮:৩৯511154
  • রঞ্জন দা, আপনি আমার লেখা টুকলে ধন্য হয়ে যাব। সিভিতেও লিখে রাখতে পারি। :))

    ম্যাক্সিদি, বেশি লিখতে গেলে ভাণ্ডা ফুটে যাবে। :)) ভুলভ্রান্তি হলে লিখে দেন না কেনে? আমি এদিক ওদিক থেকে ঝেড়ে আর কমন সেন্স কাজে লাগিয়ে লিখি, মূলত চাল মারি, তাই ভুল হবার সম্ভাবনা সাড়ে ষোল আনা। তাও চেষ্টা করব লেখার আসলে কি বোঝাতে চেয়েছি।
  • maximin | ১৪ ডিসেম্বর ২০১১ ১৯:১৯511176
  • ফিসকাল ডেফিসিট = (রেভিনিউ ডেফিসিট) প্লাস (ক্যাপিটাল এক্সপেনডিচার লেস নন-ডেট-ক্রিয়েটিং ক্যাপিটাল রিসিটস)।
  • PM | ১৪ ডিসেম্বর ২০১১ ১৯:১৯511165
  • ১। বিলগ্নীকরন নিয়ে অনেক কথা। অরুন শৌরি সেন্টুর হোটেল বিক্রি দিয়ে শুরু করেছিল। ৮৩ কোটি টাকায় সরকার এয়ারপোর্ট সেন্টুর বিক্রি করে। যে কিনেছিলো সে নাকি কয়েকমাস বাদে ওটা ৩৫০ কোটি টাকায় বিক্রি-র দর পায়। শেষমেষ বিক্রি হয়েছিল কিনা জানি না। ৫৫০ জন লোকের চাকরী যায়।
    http://hindu.com/fline/fl2211/stories/20050603004102800.htm
    ২। আজকের BSNL/এয়ার ইন্ডিয়া কে রুগন করা হচ্ছে পরিকল্পিত ভাবে। লাভজনক রুটে প্লেন চালাবে বেসরকারী কোম্পানী, লাভজনক সার্কেল-এ ফোন পরিসেবা দেবে বেসরকরী কম্পানী, অলাব্‌হ্‌জনক যায়গায়/গ্রামে ফোন, ব্যন্‌ক পরিসেবা দেবে সরকার।
    ৩। এখন্‌কর 2G ঘোটালার মুল-ও অনিয়ন্ত্রিত বেসর্কারীকরন

    আর্থিক উদারিকরন সরকারের প্রথমিকতাও পরিবর্তন করেছে-
    আগে ভর্তুকি পেতো গরিব মানুশ (দুর্নিতি-ও হোতো), এখন অন্য নামে ভর্তুকি পায় বেসরকারী সংস্থা-গুলো

    এটা চাঁদের আর একটা পিঠ
  • PM | ১৪ ডিসেম্বর ২০১১ ১৯:২২511187
  • লাস্ট পয়েন্ট-টাতে বলতে চাইলাম রেশন ব্যবস্থা প্রায় নেই কিন্তু শেয়ার ডিভিডেন্ড ট্যাক্স ফ্রী।
  • maximin | ১৪ ডিসেম্বর ২০১১ ১৯:২৭511198
  • ধরা যাক দেশের লোকের কাছে সরকারি বন্ড বিক্রি করে (দেশের লোকের কাছে ধার নিয়ে) সরকার সেটা প্রোডাক্টিভ ইনভেস্টমেন্টের কাজে লাগালো। উদা, ইনফ্রাস্ট্রাকচার তৈরি করার কাজে লাগালো। ফিসকাল ডেফিসিট বাড়ল। কিন্তু অর্থনীতির কোনও যুক্তি দিয়ে এটাকে খারাপ পলিসি বলা যায়না।
  • maximin | ১৪ ডিসেম্বর ২০১১ ১৯:৪৪511209
  • সরকারি কোম্পানির শেয়ার বেচে আয় করলে ফিসকাল ডেফিসিট কমবে। কারণ সেটা ক্যাপিটাল অ্যাকাউন্টের নন-ডেট-ক্রিয়েটিং রিসিট।
  • maximin | ১৪ ডিসেম্বর ২০১১ ১৯:৪৮511221
  • এটা বললাম অ্যাকিউরেসির জন্যে। দীর্ঘদিন ধরে ফিসকাল ডেফিসিট বেশি থাকাও কোনও কাজের কথা নয়।
  • maximin | ১৪ ডিসেম্বর ২০১১ ১৯:৫৭511232
  • কথাটা যদি পরিষ্কার না হয়ে থাকে, তাহলে বলি, ফিসকাল ডেফিসিট মাপার সময় রেভিনিউ খাতের খরচ আর রিসিট দুটো-ই ধরা হবে কিন্তু ক্যাপিটাল খাতের খরচ ধরা হবে রিসিট ধরা হবে না (যদিনা সেটা নন-ডেট ক্রিয়েটিং হয়)।
  • maximin | ১৪ ডিসেম্বর ২০১১ ২১:২৫511243
  • সরকার ধার করে ইনভেস্ট করল। এবছরে ফিসকাল ডেফিসিট বেশি দেখালো। কিন্তু ইনভেস্টমেন্টের রিটার্ন যদি সুদের চাইতে বেশি হয় তাহলে পরের বছর ফিসকাল ডেফিসিট বেশি থাকবে না। রিটার্ন হবে কীভাবে? টাকাটা যদি ইনফ্রাস্ট্রাচারের উন্নতির জন্যে খাটানো হয়, তাহলে নরমালি জিডিপি বাড়বে, কাজেই রেভিনিউও বাড়বে। এটা হতে বাধা নেই, রিফর্ম সত্বেও।

    ট্যাক্স রেভিনিউ বিষয়ে একটা পয়েন্ট যোগ করতে চাই। আমাদের দেশে ট্যাক্স রেভিনিউ বাড়ার একটা কারণ হল 'আদায়' ভালো হচ্ছে। আয়করের আদায় ভালো হচ্ছে।
  • aka | ১৫ ডিসেম্বর ২০১১ ০০:২২511254
  • ম্যাক্সি দি ঠিক শুধু আপনার ৭:৪৮ এর পোস্ট টুকু বললেই বোধহয় ঠিক হত।

    এবারে প্রশ্ন আছে, আমাদের দেশে আয়করের আদায় ভালো হচ্ছে কেন?
  • Shubha | ১৫ ডিসেম্বর ২০১১ ০০:২৯511265
  • মিনি দি, এগুলো নিয়ে একটু Detail লেখ plz. মানে আমাদের মত economics না বোঝাদের জন্য।
  • update | ১৫ ডিসেম্বর ২০১১ ০০:৩০511276
  • maximin ফিসকাল ডেফিসিট = (রেভিনিউ ডেফিসিট) প্লাস (ক্যাপিটাল এক্সপেনডিচার লেস নন-ডেট-ক্রিয়েটিং ক্যাপিটাল রিসিটস)।

    রেভিনিউ খাতের বেলায় খরচ আর রিসিট দুটো-ই ধরা হবে কিন্তু ক্যাপিটাল খাতের বেলায় খরচ ধরা হবে, রিসিট ধরা হবে না, যদিনা সেটা নন-ডেট ক্রিয়েটিং হয়। নন-ডেট-ক্রিয়েটিং রিসিট কোনগুলো? যেমন, কোম্পানির শেয়ার বেচে যে আয় হয়, সেটা নন-ডেট-ক্রিয়েটিং। রিফর্মের অন্যতম প্রথম অ্যাজেন্ডাই ছিল ফিসকাল ডেফিসিট কমানো এবং কন্টিনিউইং বেসিসে কম রাখা। এরকম পলিসির কোনও যৌক্তিকতা ছিল না। নেহাতই আই-এম-এফ এর কাছ থেকে ধার করা কন্সেপ্ট।

    যৌক্তিকতা কেন ছিল না? ধরা যাক দেশের লোকের কাছে সরকারি বন্ড বিক্রি করে সরকার সেটা ইনফ্রাস্ট্রাকচার তৈরি করার কাজে লাগালো। ফিসকাল ডেফিসিট বাড়ল। কিন্তু অর্থনীতির কোনও যুক্তি দিয়ে এটাকে খারাপ পলিসি বলা যায়না। কারণ ইনভেস্টমেন্টের রিটার্ন যদি সুদের চাইতে বেশি হয় তাহলে পরের বছর ফিসকাল ডেফিসিট বেশি থাকবে না। রিটার্ন হবে কীভাবে? টাকাটা যদি ইনফ্রাস্ট্রাচারের উন্নতির জন্যে খাটানো হয়, তাহলে নরমালি জিডিপি বাড়বে, কাজেই রেভিনিউও বাড়বে। এটা হতে বাধা নেই, রিফর্ম সত্বেও।

    ট্যাক্স রেভিনিউ বিষয়ে একটা পয়েন্ট যোগ করতে চাই। আমাদের দেশে ট্যাক্স রেভিনিউ বাড়ার একটা কারণ হল 'আদায়' ভালো হচ্ছে। আয়করের আদায় ভালো হচ্ছে।
  • maximin | ১৫ ডিসেম্বর ২০১১ ০০:৪২511287
  • না আর্য, শুধু ৭-৪৮ বলাই যথেষ্ট নয়। ফিসকাল ফেটিশিজম বলে একটা টার্মও আছে।
  • aka | ১৫ ডিসেম্বর ২০১১ ০০:৪৬511298
  • ম্যাক্সি দি জিডিপির ১০ শতাংশ ফিসকাল ডেফিসিট পড়ে টড়ে মনে হল অ্যাপিলিং কজ টু চেঞ্জ। এর পরের টুকু না লিখলেই চলে তাহলে বাজেট কি এবং কেন তে জড়িয়ে পড়তে হবে। মূলত সেই সময়ে ফিসকাল ডেফিসিট কেন এত গুরুত্বপূর্ণ ছিল এবং কি স্টেপ নেওয়া হয়েছে এইটুকুই এই আলোচনার জন্য যথেষ্ট ছিল।
  • Sibu | ১৫ ডিসেম্বর ২০১১ ০০:৫০511309
  • আজকাল আর একদম টাইম পাইনা। তাই নিজে লেখা হয় না। আকার রিফর্ম নিয়ে বক্তব্য বেশ গুছানো। এই প্রসঙ্গে বার্কলির প্রনব বর্দ্ধনের একটা লেখা রেলেভ্যান্ট। লেখাটার কটা স্যালিয়েন্ট পয়েন্ট তুলে দেই। বাকীটা সময়মত আলুচান্না হবে।


    http://bostonreview.net/BR33.1/bardhan.php

    What explains this strikingly rapid growth? The answer that continues to dominate public discussion in the United States runs along the following lines: decades of socialist controls and regulations stifled enterprise in India and China and led them to a dead end. A mix of market reforms and global integration finally unleashed their entrepreneurial energies.
    ...
    As for India, market reforms may not be mainly responsible for its recent high growth.
    ...
    Two-thirds of service output is in traditional or “unorganized” activities, in tiny enterprises often below the policy radar and unlikely to have been directly much affected by regulatory or foreign trade policy reforms.
    ...
    The pace of poverty reduction in India has been slower than that in China not simply because Chinese growth has been faster, but also because the same one percent growth rate reduces poverty in India by much less, thanks largely to higher wealth inequalities (particularly in land and education).
    ...
    The storyline about China and India’s “socialist slumber” is equally suspect.
    ...
    When I grew up in India, I used to hear leftists say that the Chinese were better socialists than us. Now I am used to hearing that the Chinese are better capitalists than us. I tell people, only half-flippantly, that the Chinese are better capitalists now because they were better socialists then!
  • maximin | ১৫ ডিসেম্বর ২০১১ ০০:৫১511320
  • বাজেট তো বুঝতেই হবে। বাজেট ছাড়া সরকারের হাতে আর তো বেশি ইন্সট্রুমেন্ট নেই।
  • maximin | ১৫ ডিসেম্বর ২০১১ ০০:৫৪511332
  • প্রণব বর্ধন খুব পরিষ্কার লেখেন। কমপেয়ার প্রভাত পট্টনায়ক।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট মতামত দিন