এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • মারুতি কারখানা ঃ কী হয়েছিল

    পাই
    অন্যান্য | ১৯ জুলাই ২০১২ | ১১৭৩৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাই | 82.*.*.* | ১৯ জুলাই ২০১২ ১৯:৩৭566706
  • মারুতি কী বলছে, সেই খবরেই তো মিডিয়া ছয়লাপ।

    ওয়ার্কার ইউনিয়নের বক্তব্যও একটু শোনা যাক।

    The Maruti Suzuki Workers Union (MSWU) is anguished at the recent developments in Maruti Suzuki plant, IMT Manesar where the management has resorted to anti-worker and anti-Union activities in a pre-planned manner leading to the closure of the factory yesterday.
    We have had a long tough struggle with the strong unity of our permanent and contract workers to establish and register our Union last year, and had recently as of April 2012 submitted our Charter of Demands to the management of Maruti Suzuki, and the process of negotiation for wages and other demands was underway. However the management has done its utmost to derail the process and break the back of the spirit of unity of the workers and the legitimacy of the Union.
    As part of this vindictive attitude and in a pre-planned manner, yesterday, the afternoon of 18 th July, a supervisor in the shop floor abused and made casteist comments against a dalit worker of the permanent category, which was legitimately protested by the worker. Instead of taking action against the said supervisor, the management immediately suspended the worker concerned without any investigation as was demanded by the workers. When the workers along with Union representatives went to meet the HR to demand against the supervisor and revoke the unjust suspension of the worker, the HR officials flatly refused to hear our arguments, and it was in no mood to resolve the issue amicably.
    When the negotiation was going on with the leaders of the Union inside the office, the management called in the entry of hundreds of bouncers on its payroll to attack the workers. This is completely an illegal vindictive action in the spirit of conspiracy to corner us into submission even as our demands and methods are legitimate. The gates were closed by the security on behest of the management and the bouncers brutally attacked the workers with sharp weapons and arms. They, joined by some of the managerial staff and police later, beat up a number of workers who have had to be hospitalised with serious injuries. The bouncers, who are anti-social elements on hire, also destroyed company property and set fire to a portion of the factory. The gates were later opened to oust the workers and enforce a lockout by the company.
    We have the workers and the company's welfare in mind and have worked towards it after the resolution of the dispute last year, and to blame the current violence on us is unjust. We are still keen to dialogue with the company and want to sit with the company management and the government labour department to amicably resolve the matter and restore industrial peace in the factory.

    Ram Meher
    President, Maruti Suzuki Workers Union (MSWU)
  • পাই | 82.*.*.* | ১৯ জুলাই ২০১২ ১৯:৪১566817
  • ভাট থেকে রাজদীপের কিছু পোস্ট তুল্লাম। আরো লেখা হোক।

    name: রাজদীপ mail: country:

    IP Address : 230.227.106.153 (*) Date:19 Jul 2012 -- 11:56 AM

    চোর্পোরেট মিডিয়া গতকাল এখানে ঘটে যাওয়া মারুতি কারখানার ঘটনাটাকে যেভাবে মালিকের পা চাটা চামচা রূপে পোট্রেট করছে তাতে একদলা থুতু ছাড়া কিছুই দিতে ইচ্ছে করে না

    লজ্জা হয় যে এদের কাগজ পয়সা দিয়ে কিনে সময় নস্ট করে পড়ি আর এদের লিংক নিয়ে লোপালুপি করি !

    ছি :

    name: রাজদীপ mail: country:

    IP Address : 230.227.106.153 (*) Date:19 Jul 2012 -- 12:08 PM

    যেটা হাউইসিং সোসাইটির এক প্রতিবেশীর মুখে শুনলাম যে
    একজন ডিউটিরত শ্রমিক কে শপ ম্যানেজার বা সুপারভাইঅজার গোছের লোক জাত তুলে খিস্তি দেয় এবং বারবার দেয়, তাতে হাতাহাতি শুরু হয় ও কতিপয় জাপানী ম্যানেজার এসে ঐ ওয়ার্কারকেই বরখাস্ত করে তাতে শ্রমিকরা উত্তেজিত হয়ে গেট আটকায় ও দফায় দফায় ভাঙচুর, সিকিউরিটি আর পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও একজনের মৃত্যু

    খুবই দুঃখজনক পরিণতি, কিন্তু গতকাল রাতেও কিছু চ্যানেলে এই জাতপাত - বহিস্কার ইত্যাদি নিয়ে গোটা পার্সপেকটিভেই বলছিল আর আজ সকাল থেকেই সব বদলে গেছে ! চরণে সেবা লাগি !! একপেশে জঘন্য রিপোর্টিং

    কেউ এই দাবীটাও মনে করে দিছে না যে ঐ ম্যানেজারকেও দলিত বিরোধী আইনে ইমিডিয়েট অ্যারেষ্ট করা যায়

    লিংক রইল
    http://www.ndtv.com/article/cities/maruti-plant-violence-87-people-arr
    ested-production-stopped-at-factory-244935?pfrom=home-lateststories

    ওয়ার্কার ইউনিয়নের বিবৃতি

    http://ibnlive.in.com/news/maruti-unrest-statement-of-the-workers-unio
    n/272217-53.html
  • কোয়ার্ক | 69.*.*.* | ১৯ জুলাই ২০১২ ২০:২০566986
  • রায়গঞ্জ কলেজ ছোট ঘটনা, পাতিপুকুরে ১১ বছর ধরে তৈরি রাস্তার পিচ ১১ দিনে উঠে যাওয়া ছোট ঘটনা, মানেসরে জাত তুলে গালাগাল দেওয়াও ছোট ঘটনা!
  • সুশান্ত কর | 127.*.*.* | ১৯ জুলাই ২০১২ ২১:২০566997
  • রাজদীপ মনে হচ্ছে আপনি দেয়া এন ডি টি ভি আর আই বি এন লাইভের পৃষ্ঠা দুটো কোনো কারণে অড়া তুলে দিয়েছে। খুলছে না।
  • a | 132.*.*.* | ১৯ জুলাই ২০১২ ২১:২৮567008
  • ম্যানেজারকে পুড়িয়ে মেরেছে শুনলাম
  • Ishan | 214.*.*.* | ১৯ জুলাই ২০১২ ২১:৩০567019
  • সইত্য কথা বলতে কি জাত তুলে গালাগাল দেওয়া ছোটো ঘটনাই বটে। আমাকে জাত তুলে গালাগাল দিয়েছে বলে আমি কাউকে ক্যালাতে পারিনা।

    তবে তার পরিণতিতে যা যা হল, খুব ডিটেলে না দেখেই বলছি, সেগুলো নিশ্চয়ই ছোটো ঘটনা নয়।
  • pi | 82.*.*.* | ১৯ জুলাই ২০১২ ২১:৩৮566596
  • তাতেই কি কেলিয়েছে ? শ্রমিকরা তো বলছেন, ওঁদের উপর আক্রমণ হয়েহ্চিল।
    আর ঐ শ্রমিককে সাসপেন্ডও তো করেছিল।

    ওদের বিবৃতি থেকে এই জায়গাটুকু আবার তুল্লাম।
    The afternoon of 18 th July, a supervisor in the shop floor abused and made casteist comments against a dalit worker of the permanent category, which was legitimately protested by the worker. Instead of taking action against the said supervisor, the management immediately suspended the worker concerned without any investigation as was demanded by the workers. When the workers along with Union representatives went to meet the HR to demand against the supervisor and revoke the unjust suspension of the worker, the HR officials flatly refused to hear our arguments, and it was in no mood to resolve the issue amicably.
    When the negotiation was going on with the leaders of the Union inside the office, the management called in the entry of hundreds of bouncers on its payroll to attack the workers. This is completely an illegal vindictive action in the spirit of conspiracy to corner us into submission even as our demands and methods are legitimate. The gates were closed by the security on behest of the management and the bouncers brutally attacked the workers with sharp weapons and arms. They, joined by some of the managerial staff and police later, beat up a number of workers who have had to be hospitalised with serious injuries.
  • প্পন | 122.*.*.* | ১৯ জুলাই ২০১২ ২১:৪৩566607
  • গত কয়েক বছরে ঐ কারখানায় অনেক বার স্ট্রাইক হয়েছে। গত বছরই বোধহয় ১৪ দিন ধর্মঘট চলার পরে হরিয়ানা সরকারের হস্তক্ষেপে ধর্মঘট ওঠে। (নেট চেক করিনি, স্মৃতি থেকে লিখছি)

    কাজেই অশান্তির উপাদান বাতাসেই ছিল, জাত তুলে গালাগাল দেওয়াটা জাস্ট বারুদে আগুন ধরানোর মত "ছোট্ট" একটা ঘটনা।
  • ranjan roy | 24.*.*.* | ১৯ জুলাই ২০১২ ২১:৪৮566618
  • আমি এই ঘটনায় একটু অন্যমত পোষণ করছি।
    এই ভয়ংকর ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে একটু শান্ত হয়ে তলিয়ে দেখা দরকার। আবেগ পরিপ্রেক্ষিতকে গুলিয়ে দেয়।
    ম্যানেজমেন্ট ও ইউনিয়ন দু'পক্ষের বক্তব্যই প্রেসে ও সাইটে এসেছে।
    প্রত্যাশিত ভাবেই দু'পক্ষই বিরোধী বক্তব্য রেখেছে। একে অপরকে দায়ী করছে। এবং কিছু কিছু বিন্দুতে দুপক্ষই নীরব থেকেছে।
    এ'সত্ত্বেও কিছু তথ্য বেরিয়ে আসছে যা নিয়ে কোন বিবাদ নেই।
    এক,
    এই ঘটনা শুরু হয়েছিল এক সুপারভাইজারের একজন শ্রমিককে জাত তুলে গাল দেয়া নিয়ে।
    দুই,
    শ্রমিকটি প্রত্যাশিত ভাবেই এর প্রতিবাদ করে।
    কিন্তু কি ভাবে? প্রতিবাদের ফর্ম নিয়ে ইউনিয়ন নীরব। ম্যানেজমেন্ট বলছে যে ও সুপারভাইজারকে চড় মেরেছিল।
    তিন,
    ম্যানেজমেন্ট শ্রমিক দ্বারা সুপারভাইজারি ক্যাডারের গায়ে হাত তোলার "অপরাধে" ওকে সাসপেন্ড করে।
    রাজদীপ ভুল বলেছে। সাসপেন্ড মানে আদৌ বরখাস্ত করা বা চাকরি খেয়ে নেয়া নয়। সাসপেন্ড মানে সাবজেক্ট-টু-ইনভেস্টিগেশন সাময়িক ভাবে আদ্দেক মাইনেয় বসিয়ে রাখা।
    ইউনিয়ন কোথাও ক্যাটেগরিক্যালি ডিনাই করছে না যে গায়ে হাত তোলা হয় নি। বলছে " লেজিটিমেত প্রটেস্ট"। আমি হিন্দি বলয়ে কাজ করে এটুকু জানি যে জাত বা মা তুলে গালি দিলে গায়ে হাত দেয়াটা লেজিটিমেট বলে ধরা হয়। আমিও তাই মনে করি।
    কিন্তু স্টাফ সার্ভিস কন্ডিশনে ( যেকোন অর্গানাইজেশনে) সুপারভাইজারি ক্যাডারের গায়ে হাত তোলা কে মেজর মিসকন্ডাক্ট বলে মনে করা হয়। সেখানে প্রাইমা ফেসি গায়ে হাত তোলার ব্যাপার হলে সাসপেন্ড হওয়াটা স্বাভাবিক।
    চার,
    সাসপেন্শন তোলার জন্যে HR ম্যানেজারকে উত্তেজিত শ্রমিকরা বলে। ও রাজি হয় না। বাদানুবাদ হয়।
    তারপর ম্যানেজমেন্ট ও ইউনিয়ন নেতারা আলোচনায় বসে।
    এই অবদি সব ঠিক। এইটুকু তথ্যও দুপক্ষের বিবৃতি থেকেই এসেছে।
    তারপর গান্ডগোল।
    ম্যানেজমেন্ট বলে যে আলোচনা চলাকালীন বেশ কিছু উগ্র শ্রমিক হামলা চালায়। পেটায়, ভাঙচুর করে। আগুন ধরিয়ে দেয়।
    ইউনিয়ন বলে আসলে আক্রমণটা করেছে মালিকপক্ষের ভাড়াটে গুন্ডারা। ওরা ধারালো অস্ত্র হাতে নিয়ে শ্রমিকদের আক্রমণ করে, পেটায়। ভাঙচুর করে।
    পাঁচ,
    এবার ফলাফল দেখা যাক। ওই গন্ডগোলে পুড়ে মরেছেন সেই বিতর্কিত HRম্যানেজার। আর আহত হয়েছেন দু'পক্ষেরই বেশ কিছু লোক। রাম মেহের ওই মৃত্যু নিয়ে আশ্চর্য ভাবে নীরব। ভাঙচুর বিশাল।
    ছয়,
    আমার ব্যক্তিগত মতঃ
    এক, যদি রাম মেহেরের কথামত বিশাল গুন্ডাবাহিনী ও পুলিশ আক্রমন করতো তাহলে HR পুড়ে মরতেন না। এত বেশি করে ম্যানেজমেন্টের লোক হাসপাতালে যেতেন না।
    দুই,
    ওই বিশাল পরিমাণ ভাঙ্চুর ও অগ্নিসংযোগ মালিকপক্ষের লোকজন করেছে ঠিক বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না। যদিও শ্রমিক ইউনিয়নকে ফাঁসাতে ওরা এই কাজ করতো তো ক্ষয়ক্ষতি টোকেন হত, এত বিশাল হত না। নিজেদের HR কে কেউ পুড়িয়ে মারে না। আর ইউনিয়নের যে দাবিদাওয়া নিয়ে আন্দোলন চলছিলো তার সুর এমন মাত্রায় ছিলো না যার জন্যে মালিকদের নকল ঘটনা সাজিয়ে এতবড় লোকসান করতে হবে।
    আমার ব্যক্তিগত মত ----এই ঘটনায় জঙ্গী শ্রমিক আন্দোলন নেতাদের কন্ট্রোলের বাইরে লুম্পেন প্রলিতারিয়েতদের হাতে চলে গিয়ে এই অবস্থা। তাই রাম মেহেরের বক্তব্যে শেষে বিনা পূর্বশর্ত মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসার অনুরোধ।
  • pi | 82.*.*.* | ১৯ জুলাই ২০১২ ২২:১৫566629
  • কী হয়েছে এখনি বলা মুশকিল। তবে আলাদা করে HR manager কে পুড়িয়ে মেরেছে কি ? আগুন লেগেছিল ( যেটা ম্যানেজমেন্টের মতে শ্রমিকেরা লাগিয়েছেন ও ভাইসি ভার্সা), ধোঁয়া থেকে মৃত্যু হয়েছে লিখেছে। যাঁরা আহত, তাঁদের মধ্যে তো শ্রমিকেরাও আছেন।

    এদিকে এখানে আবার লিখেচে, শ্রমিককেও চড় মারা হয়।

    A supervisor had slapped a worker, one worker had been suspended and there had been peace talks between the management and the labour, confirmed the DCP. http://www.firstpost.com/business/live-marutis-manesar-plant-shut-20-arrested-and-50-detained-382523.html
    তবে সেটা হলে কি ইউনিয়ন সেটা বলতো না ? কে জানে।

    আর একটা কথা। শ্রমিকদের আপত্তি শুধু ঐ শ্রমিককে সাসপেন্ড করা নিয়েই ছিল না, ঐ ম্যানেজারের বিরুদ্ধে কোন অ্যাকশন কেন নেওয়া হল না, তাই নিয়েও ছিল। আর তার জন্য শুরুতে তাঁরা বসে ধর্না করেছিলেন। তখনও কোন দাঙ্গা, মারামারি হয় নি। সেটা সব জায়গাতেই বলছে।
  • pi | 82.*.*.* | ১৯ জুলাই ২০১২ ২২:৪১566640
  • প্পন যেটা বল্লে, হ্যাঁ, অশান্তি চলছিলই।

    এখানে এই গত এক বছর নিয়ে বিস্তারিত লেখা আছেঃhttp://www.firstpost.com/business/maruti-strife-management-is-out-of-sync-with-its-workers-382921.html

    একটা জায়গা না তুলে পারলাম না।

    "Last year, at the height of trouble when the company management was crying hoarse about its best management practices followed at its two facilities (it also has a facility at nearby Gurgaon), workers made a smart move – they had arranged a con-call with analysts for themselves! Here, I quote some lines from this unusual interaction, a first in corporate India: “In a shift of eight hours, we get two breaks of seven minutes each during which we have to take care of our loo and food requirements. And bus services to the Manesar factory have been withdrawn. Late comers are docked half a day’s salary. And we have to roll out a car every 44 seconds…”

    তবে লেখকের একটা মন্তব্যেও অবাক লাগলো। লিখেছেন, এরকম অর্ধশিক্ষিত লোকজন, ভালৈ মাইনে পাচ্ছে, তাও এগুলো নিয়ে এত আপত্তি তুলছে, আসলে আশপাশে জমি বিক্রি করে বড়লোক হয়ে যাওয়া ভাই বেরাদর ইয়ারদের দেখে তাদের 'এক্সপেক্টেশন' বেড়ে গেছিল !

    আট ঘণ্টায় এই দুটো সাত মিনিটের ব্রেকের চেয়ে আরেকটু হিউম্যান কন্ডিশন থাকবে, এটা কি খুব বড় এক্সপেক্টেশন ?

    আর কোম্পানি যে হারে লাভ করত, আর তার পিছনে যেখানে শ্রমিকদের এরকম পরিশ্রম রয়েছে, সেখানে মাইনে বাড়ানোর দাবিও কি বেশি এক্সপেক্ট করা ?
  • rajdeep | 52.*.*.* | ১৯ জুলাই ২০১২ ২৩:০২566662
  • "নিজেদের HR কে কেউ পুড়িয়ে মারে না" সীমাবদ্ধ -টদ্ধ ভুলে গেলাম, বোধহয় এটাও ভুলে যাওয়া হচ্ছে যে 'বিগড়ে" যাওয়া শ্রমিক দের শায়েস্তা করতে এরা কি না করতে পারে, পারলে নিজেদের আত্মীয়স্বজনকেও ছাড়ে না তো কে HR ম্যানেজার ....

    যাগ্গে এক এমপ্লয়ীর কাছে খবর যা পেলুম তাতে মনে হচ্ছে কারখানা এখন সহজে খুলবে না আর বেছে বেছে অ্যাক্টিভ মেম্বারদেরই বড়সড় কেস দেওয়া হচ্ছে আর এখনও অব্দি সেই জাত তুলে খিস্তিবাজটিকে নিয়েও পুলিশ কোনও অ্যাকশন নেয় নি
  • Ishan | 214.*.*.* | ১৯ জুলাই ২০১২ ২৩:০২566651
  • রঞ্জনদাকে প্রায় ক। খালি একটা জায়গাতেই একটু অন্যরকম বক্তব্য আছে। ইউনিয়ন যে বলেছে ম্যানেজমেন্ট বাইরে থেকে গুন্ডা এনেছিল, সেটা, আন্দাজ করছি সত্য কথা। গেট বন্ধ করে দেওয়াটাও। ভায়োলেন্স আন্দাজ করেও এনে থাকতে পারে। স্রেফ ফুটিয়ে দেব, এই ভেবেও আনতে পারে।

    গোলমালের শুরুর দিকে শ্রমিকদের জোর বেশি ছিল সন্দেহ নেই। নইলে ম্যানেজার মরতেন না। ম্যানেজারের দেহ তো পড়লাম, পুড়ে কাঠ হয়ে গেছে। আমার ধারণা, জাস্ট ধারণাই, যে, এর পরে পুলিশ এবং স্থানীয় বাহিনী বেশি সংখ্যায় এসে শ্রমিকদের উপর ঝাঁপায়। আগে নয়।

    শ্রমিক ইউনিয়নের দিক থেকে এই ধরণের হিংসা সবরকম ভাবে অ্যাভয়েড করা উচিত ছিল। যত প্ররোচনাই থাক। এতে করে কোনো লাভ হয়না।
  • Ishan | 214.*.*.* | ১৯ জুলাই ২০১২ ২৩:০৬566673
  • আচ্ছ, হিউম্যানেটেরিয়ান গ্রাউন্ড নাহয় বাদই দিলাম। নিজেদের এইচ-আরকে পুড়িয়ে মারলে ম্যানেজমেন্টের কিছু অসুবিধেও হয়। মালিকপক্ষের কাজ করতে গেলেও কিছু লোক লাগে। দিকে দিকে যদি এই বার্তা ক্রমে রটি যায়, যে, এরা প্রয়োজনে নিজের লোককেও মেরে ফেলে, তাহলে ম্যানেজমেন্টেরই অসুবিধে হবে। লোয়ার ম্যানেজমেন্ট ঝামেলা এড়ানোর জন্য শ্রমিকদের সঙ্গে সমঝোতা করে নেবে।
  • rajdeep | 52.*.*.* | ১৯ জুলাই ২০১২ ২৩:১০566684
  • আরে কোথায় বলা হয়েছে যে এরাই করেছে

    আমি বলছি করতেও পারে

    আর আপনি আর রঞ্জনদা বলছেন করতেই পারে না

    এটা তো যার যার নিজস্ব বিশ্বাস-নির্ভর হতেই পারে
  • h | 127.*.*.* | ১৯ জুলাই ২০১২ ২৩:১৪566695
  • আগের ঘটনাগুলো এফেক্ট ফেলেছে মনে হয়। ওখানে প্রচন্ড কম মাইনে, কাউকে কারোর সঙ্গে কথা বলতে দেয় না, তিন মিনিটের হিসি সাত মিনিটের খাওয়া এইসব নিয়ম আছে। মানুষ মারা গেছে তার বিচার চাই ও হবে, কিন্তু লুম্পেনের থেকে শ্রমিক কে আলাদা করার দায়িত্ত্ব ম্যানেঅমেন্ট সাধারণতঃ নেয় না, ইন ফ্যাক্ট নিয়ম ভাঙা মাথা গরম লোক থাকলে ম্যানেজমেন্টের ই সুবিধে হয়।
    টেলিগ্রাফ এ কভার স্টোরি হয়েছিল, আগের বারের বড় স্ট্রাইক এর সময়ে, সে বারো দূর থেকে আসা শস্তার এবং অন্য কাস্ট এর শ্রমিক দের কারখানার কাছে থাকা লোকের সঙ্গে মারামারি হয়েছিল। প্লাস সব কারখানার মতই টেম্পোরারি বনাম পার্মানেন্ট শ্রমিক দের সংঘর্ষের গল্প ও আছে, এটা টেলিগ্রাফের ঐ স্টোরি টা থেকে বেরিয়ে এসেছিল। অ্যাকচুয়াল কি হয়েছে তো সিসি টিভি ছাড়া বোঝা যাবে না তবে এটা কনটেক্স্ট। ভারতবর্ষের সবচেয়ে বড় গাড়ি কারখানার সবচেয়ে প্রোডাকটিভ ইউনিট সবচেয়ে অদক্ষ শ্রমিক দের মাইনেও আট হাজারের বেশি ই হওয়া উচিত।

    প্রকৃত শ্রমিক, প্রকৃত শ্রমিক-নেতা, প্রকৃত ভদ্রলোক শ্রমিক নেতা রা প্রকৃত লুম্পেন দের থেকে কিছু কম গালাগাল শুধু ইউনিয়ন করার জন্যই খান নি, ভারতের ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাকশনের ইতিহাসে। রঞ্জন দার ঐ লুম্পেন এর হাতে নেতৃত্ত্ব গেছে এই অভিযোগ না জেনে করা অভিযোগ। গতবার কাগজে কাগজে যে সব শ্রমিক নেতাদের সম্পর্কে বেরিয়েছিল, তাদের কথাবার্তা সেন্সিবল ই ছিল। আর ভালো শ্রমিক নেতারা গাল খান না বা তাঁদের জীবন সংশয় হয় না এই অবস্থান খুব দাঁড়ায় না। চাপহল এই নিহত হওয়ার ইন্সিডেন্ট টাকে দেখিয়ে পুরো ইউনিয়ন টাই ডিরেকগনাইজ করতে পারে
  • pi | 82.*.*.* | ১৯ জুলাই ২০১২ ২৩:১৬566707
  • আগুন তো বেশ কয়েক জায়গায় লেগেছিল।অনেকেই আহত। একজনকে টার্গেট করা হয়েছিল, তাও কি নিশ্চিতভাবে বলা যায় ? যেই লাগিয়ে থাকুক।
  • pi | 82.*.*.* | ১৯ জুলাই ২০১২ ২৩:২৬566729
  • মারুতির ব্যালান্সশিটে যা আসে, এবং যা আসেনা।

    http://faridabadmajdoorsamachar.blogspot.com/2011/09/from-honda-to-maruti-suzuki-wide-angle.html

    কিছু কিছু তথ্য তুলি।

    ....In 2001, after a strike at the Gurgaon factory which was probably engineered by the management and was ruthlessly crushed, 1250 regular workers were laid off. Another 1250 workers were laid off in 2003. As of 2007, the Gurgaon factory had 1,800 regular workers and 4000 contract workers. The number of contract workers at the present date is not known.

    According to figures from the ILO, regular workers comprise only 15% of the Maruti-Suzuki factory workforce – 85% are contract workers....

    Regular workers in the Maruti-Suzuki factory are paid an average monthly basic salary of Rs.5,300/- and an “attendance allowance” of Rs.8,900/-. An amount of Rs.2,500/- is deducted from the salary for every day of non-attendance other than earned leave.

    Contract workers hired through a labour contractor are paid an average monthly wage of Rs.7,200/- (for those with an ITI diploma) and Rs.6,200/- (for those who do not have an ITI diploma). There is no provision for leave, and an amount of Rs.2,000/- per day is deducted for absence from work.

    THE ARITHMETIC OF PROFIT

    Assuming that none of the workers took leave, the total amount paid out by Maruti-Suzuki to their regular factory employees during 2010-11 is Rs.54.52 crores. Assuming that the number of contract workers today is 8,000 (twice that in 2007) and calculating at the higher rate (Rs.7,200/- per month) the total amount paid to the contract workers in 2010-11 is Rs.69.12 crores. The total amount paid to factory workers (Rs.123.64 crores) represents 5.4% of the profits of Rs.2,288.64 crore made by Maruti-Suzuki in the same period....
  • rajdeep | 52.*.*.* | ১৯ জুলাই ২০১২ ২৩:২৬566718
  • আর এই ইউনিয়ন কারুর তাঁবে নয়,কং-কমুনিস- চাড্ডি-শ্রমিক সংগ্রাম টাইপ আধা অরাজনৈতিক কারুর নয়

    গেলবার ধর্মঘটের সময় একজন বছর ত্রিশের ওয়ার্কারের ইন্টার্ভিউ বেরিয়েছিল

    পরিস্কার কথা - খেটে খাই মাইনে পাই, জাত তুলে গালাগালি -পায়্খানায় সোয়াইপ কার্ড - ক্যান্টিনের সময় ১০ মিনিট করা মানব না,যাহয় হবে এই তুঘলকিদের মানব না। হাজার ২৫ পায় মাইনে, লুম্পেন তো নয়ই উল্টে তথাকাথিত মালিক তেলানো মধ্যবিত্ত কেরানির থেকে অনেক বেশি ভদ্র বলে মনে হয়েছিল
  • pi | 82.*.*.* | ১৯ জুলাই ২০১২ ২৩:৩৭566740
  • এই সুবে সিং কি এখনো ইউনিয়নে আছেন?

    http://sanhati.com/tweet/4320/
  • pi | 82.*.*.* | ১৯ জুলাই ২০১২ ২৩:৩৮566751
  • রাজদীপ, সেই এমপ্লয়ী এই আগুন লাগানোর ঘটনা নিয়ে কী বলেন ?
  • rajdeep | 52.*.*.* | ১৯ জুলাই ২০১২ ২৩:৪৯566762
  • হি নী পালন করছেন ! সিনিয়র ম্যানেজার বলে কতা ! শুধু এটুকুই বলেছিলেন যে গুস্সে মে আ কে ইয়ে সব হুয়া

    আমার মনে হয় দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভুত রাগের বহিঃপ্রকাশ

    একদমই বাঞ্ছনীয় নয়, বরং শ্রমিক অধিকারকে আরও ডায়ালুট করে দেবে
  • S | 139.*.*.* | ১৯ জুলাই ২০১২ ২৩:৫৩566773
  • মারুতিতে কি সুজুকির কোনো ইনভেস্টমেন্ট এখনো আছে?
  • প্পন | 122.*.*.* | ১৯ জুলাই ২০১২ ২৩:৫৬566795
  • আছে।
  • rajdeep | 52.*.*.* | ১৯ জুলাই ২০১২ ২৩:৫৬566784
  • উল্টোটা

    মারুতি বলে নাম ছাড়া কিসুই নাই পুরো মলিকানাই সুজুকির
  • Ishan | 202.*.*.* | ২০ জুলাই ২০১২ ০০:০১566806
  • লেজিটিমেসি, কমরেড লেজিটিমেসি। অন্যসব ছেড়েও দিলাম, ট্যাকটিকালিও, লেজিটেমিসিহীন ভায়োলেন্স অর্থহীন। এই তো আমি ঘটনা থেকে এত দূরে বসে আছি, জানিওনা টিভিও দেখছিনা, কিন্তু আমার কাছেও এটা কিছুতেই বিশ্বাসযোগ্য হচ্ছেনা, যে, মালিকরা গুন্ডা লাগিয়ে নিজের কারখানা ভেঙে গুঁড়িয়ে পুড়িয়ে দিল, নিজের এইচ-আরকে পুড়িয়ে মারল। কোনো পাতি পাবলিকেরই তা লাগবে বলে মনে হয়না। অতঃপর এই ঘটনা পাবলিকের কাছ থেকে কোনো লেজিটিমেসি পাবেনা। ইউনিয়নের দাবী যতই যথাযথ হোক, কোত্থাও কল্কে পাবেনা। সব ছাপিয়ে এইচ-আরের পুড়ে মরাই উঠে আসবে।

    কোনো ভায়েলিন্সই জেতেনা, যদিনা পাবলিকের চোখে তা লেজিটিমেট হয়। নন্দীগ্রামের কথাই ধরুন না। নন্দীগ্রামে এর চেয়ে ঢের বেশি লোক মরেছে। "আন্দোলনকারী"দের হাতে এর চেয়ে অনেক বেশি অস্ত্র ছিল। কিন্তু নন্দীগ্রামের যুদ্ধটা যারা জিতেছে, তারা কি বন্দুকের জোরে জিতেছে? একদমই না। যুদ্ধটার ফয়সালা হয়েছে পাবলিকের লেজিটিমেসির মাপকাঠিতে। পাবলিক ওই অস্ত্র ধরাটাকে লেজিটিমেট ভেবেছিল। সে ঠিকই ভাবুক আর ভুলই ভাবুক।

    লেজিটিমেসির যুদ্ধে জেতাও একটি পলিটিকাল ট্যাকটিক্স কমরেড। বলা যায় ওটাই আসল। পাবলিকের কাছে আপনাকে প্রমান করতে হবে, যে, হিংসা না করে কোনো উপায় ছিলনা। দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাবার পর, সম্পূর্ণ আত্মরক্ষার কারণে এই হিংসা। তবেই পাবলিক কনভিনসড হবে। তখন মিডিয়াও আপনার পক্ষে কিছু না কিছু বলবে। বলতে বাধ্য হবে। হাজার হলেও ওদের তো ব্যবসা করে খেতে হবে।

    কিন্তু লেজিটিমেসিহীন হিংসা? সে শুধু নিজের পশ্চাদ্দেশে ছুরি মারা। এই আর কি।
  • pi | 82.*.*.* | ২০ জুলাই ২০১২ ০০:০৭566818
  • মামু, আলাদা করে এইচ আরকেই পুড়িয়ে মারা হয়েছে, শ্রমিকেরা পুড়িয়ে মেরেছে এটা কি এখনি বলা যাচ্ছে ? প্রচুর মিডিয়া রিপোর্টেও এভাবে বলছে না কিন্তু। বোধহয় মারুতিও না।
    কয়েক জায়গায় আগুন লাগে ( শ্রমিকেরা লাগায় /বাইরের লোক লাগার .. দুটো ভার্শন), পরে ওঁর দেহ উদ্ধার হয়, অনেককেই বার্ন ইন্জুরি নিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এটাই তো আসছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে প্রতিক্রিয়া দিন