এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • বাংলা-মিডিয়াম

    tatin
    অন্যান্য | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১০ | ১৭৬৭৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • G | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৩:২৩459530
  • বাবা-মা'র ক্ষেত্রে বিষয়টা একটু আলাদা।
    খুব গোদাভাবে বল্লেও আজকের দুনিয়ায় ইংরিজি মিডিয়ামে না পড়িয়ে বাংলা মিডিয়ামে পড়ালে হাজারটা অপশন কমে যায়। অন্তত চাপ বাড়ে। কেজো দুনিয়াতে বাংলা মিডিয়ামে পড়ার একটিও বাড়তি সুবিধা দেখি না।
    এখন, নিজের জীবন নিয়ে নানারকম খেলাধূলা করা যায়। কিন্তু বাচ্চা একটি অন্যলোক। খুব বিষেশরকম এক অন্যলোক। তার ক্ষেত্রে, তার চোখ ফোটার আগেই, বাবা-মাকেই ডিসিশন নিতে হবে। চোখ ফুটলে সে কিন্তু ঘুরে প্রশ্ন করতে পারে।
    ওদিকে ডিসিশন নেবার সময় বাবা-মা'ও জানে না সন্তান কি মাল তৈরি হবে, পোটেনশিয়াল জীবনানন্দ ইংরিজি ইশকুলে পড়ে ট্যাঁশগরু হবে কি না, পঁচিশ বছর বাদে পশ্চিমবঙ্গের বেকারসমস্যার কি হাল হবে, মাল নিজের সমস্ত ব্যর্থতার দায় বাবা-মাকে চাপাবে কি না। শুধু এইটা জানা আছে যে জবাবদিহি করতে হবে। এর মধ্যে কোন বাবা-মা'র বুকের পাটা আছে রিস্ক নেবার?
  • kc | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৩:২৬459531
  • আমি রাগিয়েছিলাম ভাটে।
    তাতো বটেই কলকাতা আর শহরের মধ্যবিত্তরাতো বেশী মাত্রায় প্রিভিলেজডই হয়ে উঠছে। তারপর তাই করছে যেটা তাদের ধর্ম, বিশ্বাসঘাতকতা, কখনও ব্যাঙের মুখে চুমু, কখনও সাপের মুখে চুমু। পল সুইজি পড়, কালেক্কি পড়, অশোক মিত্রের আপিলা চাপিলা পড়।
  • a x | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৩:২৭459532
  • নিজের জীবনের ক্ষেত্রেই বা বাচ্চাবেলার ডিসিশনটা নিয়ে কোন খেলাধূলো করা গেছিল? তাইলে কোনো অবস্থাতেই বাচ্চাবেলা নিয়ে খেলাধূলো সম্ভব না। আর বাচ্চার বড় হয়ে এই প্রশ্ন করার সম্ভাবনা নেই, যে "কেন আমাকে গতানুগতিক ভাবেই মানুষ করেছিলে" ?
  • pi | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৩:২৮459533
  • হ্যাঁ, সেটাই বল্লাম তাতিনকে, ভবিষ্যতের অপশনগুলো কম হয়ে যাচ্ছে বলেই বিদ্যালয় স্তরেও বাংলা মাধ্যম অপ্ট করা কমে যাচ্ছে।

    তবে, বাংলাদেশের ছবিটা পেতে সত্যি আগ্রহী।
  • a x | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৩:৩০459534
  • আমি কি পরব, আমি আলিশা চিনোয় শুনব না ফয়েজ খান শুনব, কেয়ামৎ সে কেয়ামৎ দেখব না সুবর্ণরেখা দেখব, এগুলো নিয়ে বাবা মারা বেশ খেলাধূলো করে থাকেন কিন্তু আর অনেক বড় বয়েস অবধি, বিশেষ করে "মধ্যবিত্ত" বাবা মা-রাই :-)
  • a x | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৩:৩২459535
  • মধ্যবিত্ত বাঙ্গালী বাবা মা লেখা উচিৎ ছিল।
  • tatin | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৩:৪৩459536
  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সোশল সায়েন্স ডীপ্ট-এর পেজ থেকে
    .ThefacultyhasdecidedtopublishaBengalijournalentitledSocialSciencePatrikafromthenextacademicsession.

    http://www.univdhaka.edu/faculty/social_sciences.php

    তবে মোটামুটি সব কিছুতেই মিডিয়াম অফ ইন্সট্রাকশন দেখছি ইংলিশ-

    - কিন্তু যেটা অ্যাসার্ট করতে চাইছি, মিডিয়াম অফ ইন্সট্রাকশন-এ বাংলা তখনই রাখার দরকার হবে যখন অন্তত: কিছু ছেলেপুলের বাংলায় পড়ার অভ্যেসটা থাকবে, সেটা ইস্কুল লেভেল থেকে থাকা অভ্যেস।
  • tatin | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৩:৪৭459537
  • G-কে ক্ক দিলুম। আমার তাই মনে হয়, সমস্যা (সমস্যা হিসেবে যদি জিনিশটাকে আইডেন্টিফাই করি)-টাকে ইন্ডিভিজুয়াল বাবা-মা কি কর্ছেন, কর্ছেন না-র ওপর না রেখে দেখলে সুবিধে।

    নইলে আজকের দিনে এমন একজনও নেট ইউজার বাপ-মা পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ যে বাচ্চাকে বাংলা ইস্কুলে পড়াবে- ফলে জবাবদিহি থ্রেড করলে আলোচনার আর কোনও গতিই থাকেনা।
  • pi | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৩:৪৮459538
  • আমি উল্টোটা অ্যাসার্ট করতে চাইছি। ভবিষ্যতে ঐ মিডিয়াম অব ইন্সট্রাকশন কে বাংলায় রেখে অপশন অনেক বেশি থাকলে ( বা নিদেনপক্ষে অন্য ভাষার প্রায় সমান) তবেই স্কুলে বাংলা মাধ্যমে পড়ানো বাড়বে, বা আগের থেকে অন্তত কমবে না।
  • G | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৪:১৫459540
  • মধ্যবিত্ত কেন, উচ্চ বা নিম্নবিত্ত মা-বাবাও তো ব্যতিক্রম বলে মনে হয় না। একই চাপ তাঁদেরও। নির্ধারণ ওঁরা করেই থাকেন - খানিকটা না করে উপায় নেই বলে (একান্ত শিশুকালে যে সিদ্ধান্তগুলো নিতেই হয়) আর খানিকটা পাওয়ারের বশে। কিন্তু যেকোন ডিসিশনই তো কিছু দরজা খোলে, আর কিছু বন্ধ করে। আমাদের দুর্ভাগ্য যে আমাদের আজকের শিক্ষাব্যবস্থায় school choice এত বেশি করে স্থির করে দেয় কোন দরজাগুলো খুলবে, আর কোনগুলো বন্ধ হবে। সেটা সত্যিই বাবা-মার দোষ না - দোষটা কলোনিয়াল শিক্ষাব্যবস্থার। বাংলা মিডিয়ামে ভাল করে ইংরিজি আর ইংরিজি মিডিয়ামে বাংলা পড়ালেই তো এই জাতপাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
    শুধু, ব্যাপারটা অত সোজা না। তর্কের খাতিরে ধরে নিলাম, বাংলাভাষায় উচ্চশিক্ষার ব্যবস্থা হল। ধরে নিলাম, শুধু বাংলায় ফিজিক্সে ডক্টরেট করা গেল। তবুও, বাংলায় পড়াশুনা করলে অপশন কম। তামিল বা মারাঠীদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তো সেই ইংরিজি। নিদেনপক্ষে হিন্দি। বাংলাভাষায় ফিজিক্সের ডক্টরেট জে এন ইউ তে কোন ভাষায় পড়াবেন? কাজেই, যে বাঙালী বাবা-মা সন্তানকে ইংরিজি বা হিন্দি পড়াচ্ছেন, তাঁদের দোষ দিই কি করে?
  • tatin | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৪:২৫459541
  • বাংলাভাষায় ফিজিক্সের ডক্টরেট jnu তে বাংলাভাষাতেই পড়াবেন- বাংলাই পড়াবেন সম্ভবত:
  • pi | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৪:২৭459542
  • প্রশ্ন তো ইংরাজী বা হিন্দী শেখানো নিয়ে না, আরেকটা ভাষা শেখানো যেতেই পারে। কিন্তু এই অপশনগুলোর জন্য মাধ্যম ও ইংরাজী বা হিন্দি হতে হবে ?
  • G | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৪:৩০459543
  • পাই, কিভাবে অপ্‌শন বাড়ানেও কথা বল্‌ছ একটু খোলসা করবে?
    নি:সন্দেহ, অপ্‌শন বাড়াতে হবে। হবেই। সেইজন্যে ভাষা নিয়ে কাজ করতে হবে। কিন্তু ব্যাপারটা top down করতে হবে, আরো অনেক invest করা বাকি। এখনই বাবা-মায়ের দোষ দিয়ে লাভ নেই (তাতিনকে return ক) - বাবা-মায়েদের en masse টানতে গেলে আরো হয়ত দু-তিন প্রজন্মের কাজ প্রয়োজন।

    কারণ, current status যা, তাতে বাংলা মিডিয়ামে পড়লে অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীর কাছেই টেকনিকাল লাইন ছাড়া গতি নেই। বর্খা দত্ত হওয়া যাবে না, তুখোড় বেচু সিইও হওয়া যাবে না, গায়ত্রী স্পিভাক হওয়া যাবে না, ফ্যাশন ডিসাইনার হওয়া যাবে না।

    যিনি ভাবছেন, কি হয়েছে, দিব্যি তো চালিয়ে নিচ্ছি, তিনি হয় ব্যতিক্রম, নয়ত এমন লাইনে আছেন যেখানে শুধুমাত্র কথা বেচে খাওয়ার কাজ নয়। তাঁর আজ দিব্যি চলছে, কিন্তু ঐ আগের অপ্‌শানগুলো বরাবরই বন্ধ ছিল।
  • tatin | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৪:৩৯459544
  • বর্খা ডাট না হোক, সুমন দে তো দিব্য হচ্ছে- ওদিকে জাপানী কিম্বা মেড়োরা দিব্য ইংরেজী ছাড়া ব্যবসা চালিয়ে ন্যায়।
    কথাটা হচ্ছে, যার বর্খা হওয়ার কথা সে সুমন হতে পারে
    বা যার সিইও হওয়ার কথা সে হাইলি লোক্যাল ট্রান্সপোর্ট ম্যাগনেট হতে পারে।

    বাবা মা বেশি চিন্তিত বোধহয় কলসেন্টার-কীফসিতে চাকরি পাওয়ানো নিয়ে, সেখানে প্রবলেমটা নন-লিনিয়ার।

    ট্যাঁশ মিডিয়াম জেনারেশন প্যান্টালুনসের ম্যানেজারকেও ট্যাঁশ নিডিয়াম শিক্ষিত চাইবে ;)
  • pi | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৪:৫২459545
  • বাংলা মাধ্যমে পড়লে ফ্যাশন ডিজাইনার হওয়া যাবে না ক্যানো ! দিব্বি হয় ও। আমার নিজের আত্মীয় আর বন্ধু ই আছে।

    তুমি যা যা বল্লে ( হয়তো গায়ত্রী স্পিভাক বাদ দিয়ে), সেগুলোর জন্য তো ভালো স্পোকেন ইংলিশ শেখাই যথেষ্ট। তার জন্য অপশন রাখলেই হয়। আর দ্বিতীয় বা অপশনল ভাষা হিসাবে শেখানো হোক না, তাতেও তো কিছু বলি নাই। এগুলোর জন্য ইংরাজী মাধ্যম ই কেন হতে হবে ? অন্যান্য সব বিষয় কেন ইংরাজীতে পড়তে হবে ! তুমি তো দেখছি টেকনিক্যাল লাইনের জন্য বাংলা মাধ্যম ঠিক আছে মেনে নিচ্ছ, তাহলে টেকনিক্যাল সমস্ত বিষয়পত্তর অন্য মাধ্যমে পড়ার কি দরকার ?
  • pi | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৫:০২459546
  • আর জি দা, বাবা মা কে দোষ না দেবার ব্যাপারে আমি তো তোমার সাথে দ্বিমত পোষণ করছি না। তাতিন বলছিল, স্কুল লেভেলে ই কমে যাচ্ছে যখন তখন উচ্চশিক্ষা লেভেলে এগুলো রাখা অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়বে। আমি বলছি, উচ্চশিক্ষা লেভেলে এগুলো খুব কার্যকরী ভাবে নেই তো।
    এক, বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে বাংলা ভাষায় কতগুলো বই আছে আমার সন্দেহ আছে। কটা ভাল বইয়ের অনুবাদ আছে ?
    আর কিছু বই পড়তে গিয়ে দেখেছি, রীতিমত হোঁচট খেতে হয়। পরিভাষা নিয়ে ভাবনাচিন্তা ও ইম্প্রুভমেন্টের অনেক জায়গা আছে।
    কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপকেরা বাংলায় লেকচার দ্যান ?
    বাংলায় গবেষণা করার সুযোগ আছে ?
    চাইনীজ, জাপানীজ, জার্মান রা তো দিব্বি করেন।
    আমাদের ফিল্ডে বলতে পারি, যেকোনো প্রামাণ্য ভালো বই নেটে বা বাঁধাই ফর্মে ই ওদের ভাষায় অ্যাভেলেবেল। আমাদের সে সুযোগ আছে ? কোন ভরসায় লোকে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর স্তরে বাংলায় পড়তে যাবে, টেকনিক্যাল লাইনেও।
    এরকম আরো নানা কথা বলা যায়।

    বেসরকারী ছাড়ো, সরকারী কটা জায়গায় কাজকর্ম বাংলায় হয় ? যেগুলো হয় না, তার কটা বাংলায় হলে কোনো অসুবিধে হবে বা ইংরাজীতে হবার দরুন কোনো সুবিধা হয় ?
    অথচ কেন্দ্রীয় সরকারী সংস্থাগুলো দ্যাখো। সেখানে সর্বত্র হিন্দী অফিসার।হিন্দী অনুবাদ চলছে।
    প্রতিটা প্রদেশে মূলত আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহার করে, কেন্দ্র বা অন্যান্য প্রদেশের সাথে কম্যুনিকেট করার প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট কোনো কমন ভাষায় ( হিন্দি বা ইংলিশ)অনুবাদ তো করাই যায়।
  • pi | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৫:১৫459548
  • আর মজা হল, কল সেণ্টার ইত্যাদিতে চাকরি পেলে ওরা তো ট্রেনিং ই দ্যায়, প্রচুর বাংলা মাধ্যম ও তো সেই ট্রেনিং নিয়ে করে কম্মে খাচ্ছে। ইন ফ্যাক্ট, বেশিরভাগ চাকরিতেই তার প্রয়োজন অনুযায়ী একটা ট্রেনিং দেবার বন্দোবস্ত থাকে। যে চাকরির বেসিক রিকোয়ারমেন্ট হল,চোস্ত ফ্যাশনদুরস্ত ইংরাজী বলতে পারা, তার ট্রেনিং হবে সেটা শেখানোর জন্য। বা, চাকরী পাবার রিকোয়ারমেন্ট এটা হলে, সেই চাকরি পেতে ইচ্ছুক লোকজন সেরকম কোনো কোর্স করুক, তার বন্দোবস্ত হোক। লোকেকম্পিউটার প্রোগ্রামিং, মাল্টিমিডিয়া ইত্যাদি কোর্স করেনা, সেই সংক্রান্ত চাকরি পাবার জন্য ? দরকার হলে রেগুলার পাঠ্যক্রমের মধ্যেই এই কোর্সকে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।
    কিন্তু এই কলসেন্টারে চাকরি পাওয়া যাবে বলে, মাধ্যম ইং লিশ করে দেওয়া হোক, এটা কেমন দাবী ?
  • G | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৫:১৫459547
  • ন্না, ভুল বুঝিলেন দিদি।
    অবশ্যই আমদের চেষ্টা চালাতে হবে বাংলাতে কাজ কর্ম, সমস্ত স্তরে শিক্ষার ব্যবস্থা করতে। কিন্তু তার জন্য বাংলাভাষাকে তৈরি করতে হবে তো! সেই প্রচেষ্টা কর্তে হবে, প্রাণের দায়েই করতে হবে। শুধু বাবা-মাকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। কোনরকম জোর করলেও উল্টো ফল হবার চান্সই বেশি। আগে ভাষা সাবালক হোক। এখন আমাদের সেই চেষ্টাতেই মন দেয়া উচিত।

    আরো একটা কথা। বাংলাদেশের থেকে পশ্চিম বাংলার প্রবলেমটা কিন্তু আলাদা। এখানে ইংরিজি পুরোপুরি বাদ দিলে একটা বিরাট mobility restriction আসবে। ছিপিয়েম কিন্তু সেইটা cash in করেই এত বিশাল ক্যাডারবাহিনী বানিয়েছে। কারো বাংলা ছাড়ার উপায় নেই। ইংরিজি বা হিন্দি কিন্তু সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে এই দেয়ানেয়ার পথ তৈরি করে। সেইটা বন্ধ হলে খুব, খুব চাপ আছে।
  • G | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৫:১৮459549
  • তোমার পোস্ট পড়ার আগেই লিখে ফেলেছি...
  • pi | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৫:২২459552
  • আমিও এটা তোমার এই লাস্ট পোস্ট পড়ার আগে লিখে ফেলেছি :)
  • pi | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৫:২২459551
  • আরে সেটাই বলছি তো, এই কাজগুলো আগে করতে হবে।
    বাংলা ভাষাকে তৈরি করতে হবে, সে নিয়ে তো একমত।
    বল্লাম তো, পরিভাষা নিয়েই প্রচুর কাজকর্মের প্রয়োজন আছে। পরিকাঠামোর ও প্রয়োজন আছে। সেগুলো না করে স্কুল থেকে সব বাংলা করা, ইংরাজী হঠিয়ে দেওয়া, সিক্স থেকে লার্নিং ইংলিশ এগুলো করার মানে হয় না। পুরো অবিমৃশ্যকারিতা।

    তবে, বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার বইপত্র নিয়ে জানতে আগ্রহী। যদি ওদেশে সব করা হয়েই থাকে তো, সেই বইগুলো ই তো এপারেও চালু করা যায়।
  • tatin | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৫:৪৫459553
  • আমার কথাটা উলটো- যদি স্কুলে বাংলায় পড়ার ব্যাপারটা শূন্য হয়ে যেতে থাকে তাহ'লে এই বাংলায় পড়াশুনো তৈরী করার দরকার কী? এক্সিস্টিং সেট-আপেই যদি দিব্য কাজ চলে যায়- শুধু শুধু এর পিছনে সময়, সাধ্য নষ্টই বা কেন?
  • tatin | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৫:৪৭459554
  • মাধ্যম তো জোর করে ইংলিশ করা হচ্ছেনা! বাজারের নিজের দাবিতে ইংলিশ মাধ্যম প্রাধান্য পাচ্ছে
  • pi | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৫:৪৯459555
  • এতগুলো ভাষা থাকার দরকারটা ই বা কী ? আমরা সবাই তো হিন্দি, ইংলিশেই দিব্বি কাজ চালিয়ে নিতে পারি।
  • tatin | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৫:৫৪459556
  • সে তো বাংলাতেও বা খোদ ইংলিশেও গাদাগাদা ডায়ালেক্ট আছে- লোকজন নিজেদের মধ্যে কথা বলেন তাতে- বাংলায় পি এইচ ডি থিসিস লেখা হলেও চাঁটগাই বা দোকনো বাংলায় লেখানো হবেনা।
    কিন্তু ডায়ালেক্ট গুলো লোকজনের নিজেদের মধ্যে ভাটানোর জন্যে থাকবে- এতগুলো ভাষাও সেরকম থাকতেই পারে
  • pi | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৫:৫৮459557
  • সেটাই তো বলছি, বড়জোর কথ্য ভাষাটুকু থাকুক। লিখিত ভাষা, সারা পৃথিবীতে ইংলিশ করে দেওয়া হোক।

    আর নিএজের মধ্যে ভাটানো ই বা ইংলিশে যাবেনা ক্যানো ? প্রচুর ইংরাজী মাধ্যম ই তো তাই করে থাকেন ও সেটা করতে বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করেন। তার মধ্যে অস্বাভাবিকতাও কিছু নেই। স্কুলের মাধ্যম ইংরাজীতে হলে, সব সময় ইংরাজী বলাতে উৎসাহ দেওয়া হলে, বাবা মা কে এংরাজীতে কথা বলতে ও বলাতে উৎসাহ দেওয়া হলে, গাল গল্প এগুলো ও ইংরাজীতে হওয়াই তো স্বাভাবিক। নয় কি ?
  • G | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৫:৫৯459558
  • শয়তানের মোক্তার!!
    কারণ:
    ১। বাংলাভাষাকে স্রেফ ভালোবাসি বলে - মরে গেলে কাঁদবো
    ২। একটা ভাষা মানে একটা সভ্যতা, একটা ইতিহাস, একটা body of knowledge। এটা চলে গেলে পৃথিবী আট্টু গরীব হয়ে যাবে
    ৩। নগর থেকে গ্রামের যদি সেতু বানাতে হয়, তাহলে লোকাল ভাষা ছাড়া গতি নেই।
    ৪। এখনো আমরা কলোনিপাড়ার বাসিন্দে, কিন্তু চিরকাল থাকতে ইচ্ছে করে না। ভাষা মানে শুধু একটা ইতিহাসই নয়, নিজের মত করে ভাবার স্বাধীনতাও। আগামী প্রজন্মের থেকে সেই possibilityটা কেড়ে নেওয়া পাপ।
  • tatin | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৬:৫৩459559
  • হুঁ, কনফিউশন কাটলো না তাও- শুধু শয়তানের ওকালতি নয়-
    এপ্রোচটা কেবল ওপর দিক থেকে এলে কতকটা সংস্কৃত টাইপের হয়ে যায় না কি বিষয়টা? মানে, সংস্কৃতে (কিম্বা আরও কিছুদিন আগে গেলে পালি/প্রাকৃতে) একাডেমিক আলোচনা চালিয়ে রেখেও কতটা সেটা আমজনতার দরকারে লেগেছে প্রশ্ন থেকে যায়।
  • pi | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৬:৫৪459560
  • বুঝলাম না। সংস্কৃতটা কি আমজনতার ভাষাও ছিলো ?

    আর আমার আগের প্রশ্নগুলোর উত্তর তো দিলি না ? :)
  • aka | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১০ ০৭:০০459562
  • বাংলা একটি আঞ্চলিক ভাষা হিসেবে যেমন ভাবে বেঁচে থাকার সেইভাবেই থাকবে। পনের দিন অন্তর দেশ বেরবে, রোজ আনন্দবাজার বেরবে, বেশ কিছু লোকে বাংলায় পড়াশুনো করবে, এমনকি কিছু সরকারী কাজকম্ম হবে। তার বেশি আর কি চাই? প:ব:য়ের সবাই শুধু বাংলাই শিখবে? নাকি ইচ্ছে না হলে বাংলা ছাড়া আর কিছু শিখবে না? অর্থনৈতিক কারণেই হওয়ার নয়। কিছু লোকে পারবে কিন্তু মাস স্কেলে সম্ভব নয়।

    দাবীটা ঠিক কি?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে মতামত দিন