এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • মায়ের হাতের রান্না

    Sumit Roy
    অন্যান্য | ০৬ এপ্রিল ২০১২ | ৫৩৯২৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Jhiki | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১১:৩২536909
  • আমেন
  • Kaju | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১৩:৫৪536920
  • ডিডিদার ভবিষ্যস্মৃতিচারণ পুরোটা না হলেও অনেকটাই আমার সাথে মেলে। এই কারণেই কাল অত কথা হল এবং অনেকেই না বুঝে মারমুখী হয়ে এলেন। :))
  • Kaju | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১৩:৫৫536931
  • মানে, অধ্যাপিকা, গাড়ি চালানোটা অবশ্যই বাদ। :))
  • kumu | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১৪:৩৮536942
  • ডিডিদা,নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের অধ্যাপিকা মা ও বাকীটুকুর জন্য ভবিষ্যতে যাবেন কেন,এখনই তারা আছেন,এমনকি গুরুতেই আছেন।

    আমার মনে হয় শেখাটাই আসল,যার কাছেই শিখুক।

    প্রতিটি মানুষেরি নিজের একটু পৃথিবী থাকলে ভাল।টিপিক্যাল মাতৃমুর্তিধারিণীদের যাতটুকু দেখেছি,তাঁরা ভালবাসা/সেবার অবলম্বনরা জীবনের নিয়মে দূরে সরে গেলে বড় অসহায় হয়ে পড়েন ও বেঁচে থাকার অর্থ পান না।
  • Kaju | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১৫:৩১536953
  • মানে উমাশশীর মত? না: ওরম মোটেও ভালো না। তবে যাঁরা নিজের একটা কাজ করতে পায়ের ওপর পা তুলে সব সময় অন্যকে ফরমাস করা প্রেফার করেন, তাঁরাও আর কি...বুঝলেন কিনা...
  • rimi | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১৭:৪৭536964
  • আ: ডিডিদার লেখা পড়ে সক্কাল সক্কাল মনটা ভালো হয়ে গেল!! :-))
  • dukhe | ১০ এপ্রিল ২০১২ ১৮:১৮536975
  • সুমিতবাবু, কলমের ধুলো দিন !
  • d | ১০ এপ্রিল ২০১২ ২১:০০536986
  • ও ডিডিদাভাই,

    এক প্রাক্তন গুরুভাই কিন্তু সত্যিই তার মায়ের থেকেই গাড়ী চালানো শিখেছিল। ওর মা অসম্ভব ভাল গাড়ী চালান। আর মাঝেমধ্যেই ওদের নিয়ে লং ড্রাইভে যেতেন। সে নিজে যেহেতু প্রকাশ্যে কখনও বলে নি, তাই আমি আর নামটা লিখলাম না।

    আপনার বলা ক্রাইটেরিয়াগুলো আমাদের দেবযানীর সাথে এক্কেরে খাপেখাপ মেলে। :-)

    আমার এক বোন, এই বছর আঠাশের ছুঁড়ি আম্রিকায় রাস্তাঘাট বানায়, শহর প্ল্যান করে আর মাইলের পর মাইল গাড়ী চালিয়ে বেড়াতে যায়। এদিকে ওর বরের আবার বেজায় রান্না, টুকুটাকি খেলনা বানানোয় উৎসাহ।

    কাজেই আপনারটা নিতান্তই স্বপ্ন নয়, দিব্বি বাস্তব।

    সুমিতবাবু, আপনার লেখাটা ভারী ভাল। পড়তে বেশ আরাম।
  • rimi | ১০ এপ্রিল ২০১২ ২১:৫৫536997
  • ডিডিদার স্বপ্নের মতন মা সেকালেও যে একদম ছিল না তা কিন্তু নয়। যেমন ধরো লেখক বিক্রম শেঠের মা, প্রথম ভারতীয় মহিলা যিনি লন্ডনের ল পরীক্ষা পাশ করেন, পরে দিল্লি হাই কোর্টের প্রথম মহিলা জাজ হন।। কিম্বা আরো আগে ফিরে গেলে, ডক্টর কাদম্বিনী গাঙ্গুলী, দ্বারকানাথ গাঙ্গুলীর স্ত্রী, যিনি ছোটো ছেলেকে রেখে একা বিলেত গেছিলেন ডাক্তারি পড়তে।

    ডিডিদার স্বপ্ন হল, একজন দুজন নয়, গুচ্ছ গুচ্ছ এমন মা দেখা যাবে। ইন ফ্যাক্ট এমন একটা প্রজন্ম আসুক, যখন ঐ রান্নাঘরে এবং সকলের সেবায় নিবেদিত প্রাণ নিজের জীবন বলিপ্রদত্ত মা আর দেখাই যাবে না - যেই মায়ের কথা ভেবে ছেলে মেয়েরা চোখের জলে ভাসবে।
  • pi | ১০ এপ্রিল ২০১২ ২২:১৪537009
  • যাক, এতক্ষণে ছেলেমেয়েদের মায়ের কথা এল। সমানে 'ছেলেদের' মা কে নিয়ে চাহিদা পড়ে পড়ে মনে হচ্ছিল, ছেলে আর মেয়েদের চাহিদা কি খুব আলাদা হয় ?
    আর এমনি মা এখনও আছেন, আগের জেনেরেশনেও অনেকেই ছিলেন। তবে তাঁরা হেঁশেলের জন্য বলিপ্রদত্ত না হলেও হেঁশেল ঠেলা থেকে সায়েন্স পড়ানো, কলেজ থেকে ছেলেমেয়ে সবাইকে, এখান ওখান নিয়ে যাওয়া সবই একসাথে করতে হয়েছে। আর এরকম সংখ্যা আগের জেনেরেশনে নেহাত কম না। মানে, আমাদের জেনেরেশনের স্মৃতিচারণে এরকম মা রা অনেকেই আসবেন। তবে মা রা ওয়ার্কিং হলে বাবা রাও অন্য কাজ দেখবেন, এমন সংখ্যাও বাড়ছে। আগের জেনেরেশন থেকেই, একটু একটু ক'রে।
  • Lama | ১০ এপ্রিল ২০১২ ২২:৩০537020
  • ডিডিদার ভাবনাটা কোনো কষ্টকল্পনা নয়। এরকম মা অনেক আছেন, আমার পরিবারেই আছে- আমাদের প্রজন্মেই।

    আর ঘরকন্না? মাঝখানে একবার আমার চাকরি চলে গিয়েছিল। তখন গিন্নি স্কুলে পড়িয়ে রোজগার করতেন, আমি ঘরকন্না দেখতাম (ওনার মত দক্ষ হাতে পেরে উঠতাম না অবশ্য, তাতে মাঝে মাঝেই ঝাড় খেতাম)। অবশ্য আমাকে যদি অপশন দেওয়া হয়, তাহলে আমি অর্থোপার্জনের কাজটাতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করব। আর ঘরের কাজের মধ্যে মেয়েকে পড়ানো এবংতার সঙ্গে খেলা। বাসন মাজা আর কাপড় কাচা মাঝে মাঝেই করে থাকি, বেসিক কিছু রান্নাও। তবে খুব দক্ষ নই, তই এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি/ করব।

    জাস্ট মনে পড়ল, আমার ছ মাসের বড় খুড়তুতো দাদার সংসার- বেশ কিছু বছর বৌদি সরকারী চাকরি করে সংসার চালাত, দাদা পড়াশোনা করত আর ঘরকন্না দেখত।
  • rimi | ১০ এপ্রিল ২০১২ ২২:৩৫537031
  • পাইএর সঙ্গে একমত। আগের জেনারেশনের মায়েরা, এমনকি এখনকারো অনেক মায়েরা রান্না, বাচ্চা মানুষ করা থেকে চাক্রি ইত্যাদি সবই একা হাতে করে থাকেন। তেমন তেমন অসুবিধা হলে চাকরি ছেড়ে দেন, মানে আত্মত্যাগ করেন।
    ছেলেমেয়ে মানুষ করতে অসুবিধা হচ্ছে বলে বাবা চাক্রি ছেড়ে দিয়েছে বা কেরিয়ারের উচ্চাশা বিসর্জন দিয়েছে এমন বাবার সংখ্যা গোটা ভারতে দশও ছাড়াবে কি না সন্দেহ। কিন্তু এমন মাএর সংখ্যা পোচ্চুর, এখনো প্রচুর। :-(

    অতএব ডিডিদার স্বপ্ন গণহারে সফল হতে এখনো দেরি আছে কিছু।
  • Shanku | ১০ এপ্রিল ২০১২ ২৩:০৯537042
  • সবাই যা আরম্ভ করেছে !
    মা ছেলে ঘরে রেখে বিলেত থেকে ল পড়ে এসে গাড়ী চালিয়ে হাই কোটে গিয়ে বলবে 'ইয়োর অনার...'
    বাবা হেসেলে ঢুকে মিষ্টি মিষ্টি সুক্তুনি বানাবে...আহা...

    সবই ঠিক আছে, কিন্তু ভগবান বড় বেরসিক | গোড়াতেই বাদ সেধে রেখেছে | ঐ ন'টা মাস কি আদালত বন্ধ থাকবে ?
    আহা, সেদিনও হয়ত দূরে নেই যখন বাবারা গিয়ে মেটারনিটি ওয়ার্ডে ঢুকবে !

    আমার মা সারাজেবন হেসেল ঠেলেছে | সানন্দে, হাসিমুখে | তাই তিনি আমার মা, ডক্টর কাদম্বিনী নয় |
    ---- ---- ----
    পোকিতি বোধহয় সবার সম্মাননীয় পাট ঠিক করে দিয়েছে | পাটগুলো যথাযথ কত্তে পাল্লে, সুখ বাড়বে বৈ কোম্বে না |
  • rimi | ১০ এপ্রিল ২০১২ ২৩:১৬537053
  • এক্কেবারে!!!!!!

    হাতেনাতে!!!!!!!!!!!!!!!!!

    ডিডিদার স্বপ্ন সফল হতে যে এখনো অনেক দেরী, তার প্রমাণ!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
    #%*(
  • rimi | ১০ এপ্রিল ২০১২ ২৩:১৯537064
  • শন্‌কুর কি আশা!!! পৃথিবীর সব মহিলা প্রত্যেক বছর নমাস করে মেটার্নিটি ওয়ার্ডে থাকবেন!!

    ওরে ব্যাং, ওরে পাই তোরা কোথায় গেলি রে????
  • Shanku | ১০ এপ্রিল ২০১২ ২৩:২৬537075
  • আহা তআ কেন ? কিন্তু কাজটা তো মায়েদেরই করতে হবে, নাকি ?

    এখনকার ডক্টর কাদম্বরীদের বাচ্চাগুলোর শুকনো মুখ দেখে তোমাদের মায়া হয় না ?
    আমার মা ঘেমে নেয়ে আমার জন্যে খাবার বানাত | থাকবে ওদের এই চিনচিনে সিঁতি ?
  • nk | ১০ এপ্রিল ২০১২ ২৩:৩১537086
  • ও রিমি, :-)
    একেবারে হাতেনাতে ধরা পড়ে গেছে গো দেখি! তেনারা খবরের কাগজ পড়বেন, ঘোমটা দিয়ে চা করে নিয়ে তেনাদের দেবেন বৌ বা মা, কারণ সেই সুবর্ণলতার প্রভাস চাটুজ্জে বসে আছেন এদের মনের মধ্যে, মেয়েরা থাকবে রান্নাঘরে আর আঁতুড়ঘরে। :-)
    বিলাতে নাকি প্রথম যখন মহিলারাও পার্লামেন্টে সদস্যা হতে পারবেন বলে একটা আইন পাশ হবার কথা চলছিলো, তখন সাহেবেরা এরাকম হাসাহাসি করতো, নাকি গর্ভবতী অবস্থায় মহিলারা সভায় বসবেন, তাই দেখে লোকে হাসবে।
    কিন্তু দিন গেল, সেই সাহেবদের থোঁতা মুখ ভোতা করে থ্যাচার দিব্য শক্ত হাতে রাজনীতি সামলালেন, শুধু মেম্বার না, সর্বোচ্চ চেয়ারে বসে। :-)

    এখন তো প্রধানমন্ত্রী থেকে পকেটমার, সবই মহিলারা হতে পারছেন, কিন্তু তাও প্রেজুডিস কমে না।
  • nk | ১০ এপ্রিল ২০১২ ২৩:৩৬537097
  • শঙ্কু, প্রায় আটমাসের গর্ভাবস্থা নিয়ে ক্লাস করে যাচ্ছে মেয়েরা, আগে আগে পরীক্ষা দিয়ে নিচ্ছে কারণ বাচ্চা জন্মানোর ডেট ফাইনাল পরীক্ষার সময়, এ আকচার দেখছি আম্রিগায়, সাধারণ জায়গাতেও, খুব বড়ো বড়ো মারাত্মক ফ্রী থিঙ্কার দের জায়গা ছাড়াও। সমাজে এগুলো অ্যাকসেপ্টেড। মানুষের দৃষ্টিভঙ্গীটাই আসল,তাই না?
    আমাদের দেশে যেন জিনিসটা লজ্জা, যেন বোঝা, যেন লুকাতে হবে, এই ভাব। কেন???? আরেকজন ফেলো হিউম্যান বলে তাকে গ্রহণ করা কেন এত অসম্ভব?
  • rimi | ১০ এপ্রিল ২০১২ ২৩:৪৮537108
  • পকেটমার পড়ে হাহাচেছিপগে!!!

    অ শংকু, তুমি দেখছি কিস্যুই জানো না!!!!
    প্রেগ্ন্যান্ট হওয়া মানে বুঝি ৯ মাস বাড়িতে বিছানায় শুয়ে থাকা???

    এই গতকালই এক বাংলাদেশি আম্রিগান বান্ধবীকে দেখে এলাম বাচ্চা হয়েছে তার। সেই মেয়ে বাচ্চা হবার পাঁচদিন আগে পর্যন্ত আপিস গেছে নিজে গাড়ী চালিয়ে। শেষ পাঁচদিন ওয়ার্ক ফ্রম হোম করেছে।

    আর বাচ্চাদের শুকনো মুখ তুমি দেখেছ নাকি?? বিক্রম শেঠের মা তিন ছেলেমেয়ে কে মানুষ করেছেন, তিন ছেলেমেয়েই সুপ্রতিষ্ঠিত, বিখ্যাত। কি জানি! ঘেমে নেয়ে রান্না না করে হাইকোর্টে লোকের উপর ছড়ি ঘুরিয়েছেন বলেই মনে হয় ছেলেমেয়েগুলো নেকু পুষু ভেকু ভেকু টাইপ তৈরী হয় নি, আর মায়ের জন্যে চোখের জল ফেলে নি।
  • nk | ১০ এপ্রিল ২০১২ ২৩:৫৩537131
  • আর এই বাঙালিরা রান্নাঘরে আটকে আটকে যে কত মেয়ের সমাজের ভালো করতে পারার মতন ট্যালেন্ট নষ্ট করেছে, তার ইয়ত্তা নেই।
    আমি চেনা পরিচিতের মধ্যেই দেখেছি এমন মহিলাদের, একটা রাজ্য কি দেশ শাসনের ট্যালেন্ট ছিলো তাদের, সমাজের চাপে কেবল রান্না ছেলে আর স্বামী(স্বামীও প্রায় আরেকটি বালকের মতন ন্যালাভোলা) সামলে জীবন কেটে গেলো, জমানো শক্তি ছাড়া পেলো না বলে দজ্জাল টাইপ হয়ে গেলেন তারা।
    এ যে কী অপচয়, কী অপচয়!
  • byaang | ১০ এপ্রিল ২০১২ ২৩:৫৩537120
  • শঙ্কুবাবু ভারি ভালো রসিকতা করেন দেখছি! পৃথিবীর কোন কোন দেশে কতজন করে মেয়ে নয় মাস ধরে মেটার্নিটি লীভ পায় এই স্ট্যাট দিতে পারেন প্লিজ? বরং উল্টোটাই দেখে আসছি, কোনোরকম অ্যাডভান্টেজ নেবে না বলে অসংখ্য মেয়ে ডেলিভারির আগের দিন অব্দি কর্মক্ষেত্রে কাজ করে যায়। কাদম্বিনী গাঙ্গুলি নিজের কয় মাসের ছেলেকে নিজের মায়ের কাছে রেখে বিলেতে গেছিলেন বলে শুনেছি, ফিরে আসার পরে হাত বাড়িয়ে সেই ছেলেকে কোলে নিতে গেলে দেড় বছরের ছেলে নাকি মাকে চিনতে না পেরে দিদাকে খুঁজেছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে নিজের মাকে চিনে নিতে কোনো অসুবিধে হয় নি সেই ছেলের।
  • rimi | ১০ এপ্রিল ২০১২ ২৩:৫৪537142
  • আরে আমিও পিএচডির ফাইনাল প্রেজেন্টেশন দিয়েছি আটমাস প্রেগ্ন্যান্ট অবস্থায়, হলভর্তি লোকের সামনে।

    এই শংকু নেহাতই নাদান বালক। পৃথিবীটা কিছুই দেখে নি বেচারা। :-(
  • byaang | ১০ এপ্রিল ২০১২ ২৩:৫৫537153
  • নিশির ১১:৫৩র পোস্টে বিশাল এক ক্ক দিলাম।
  • kc | ১০ এপ্রিল ২০১২ ২৩:৫৭537164
  • নিশির পোস্টে আম্মো ক দিলাম। একদম ক য়ে ক্ক।
  • rimi | ১০ এপ্রিল ২০১২ ২৩:৫৯537175
  • নিশির পোস্টে আমিও ক দিলাম। এইসব মায়েদের ছেলেরা যখন বড় হয়, তখন অধিকাংশই আরেকটি বেবি তৈরী হয়। কিস্যু পারে না, একেবারে কিস্যু না!!!!

    ইয়ে মানে, এই শংকু যখন স্বামী হবে (নাকি অলরেডি হয়েই গেছে?) তখন কি ......?????
  • rimi | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০০:০০537186
  • শংকু ভয়ে পলাইয়া গেছে! :D :D
  • nk | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০০:০৩537197
  • সুবর্ণলতা দেখি সবই তো ইউটিউবে তোলে ওরা, দেখি। সেই ১০০ বছর আগের অবস্থার সঙ্গে টেকনোলজি র কত পার্থক্য আজকে, অথচ মানুষের মনোভাব প্রায় কিসসুই বদলায় নি। :-(
    সেই সনাতন প্রভাস চাটুজ্জে বসে আছেন মনের মধ্যে, "মেয়েছেলের এত বাড় ভালো নয়, কী হবে এত লেখাপড়া করে, সেই তো হাড়ি ঠেলা আর বাচ্চা পাড়া ই করতে হবে", এই মনোভাব এখনো বেশিরভাগেরই।
    কেজানে কত দিন লাগবে সত্যিকারের মানুষ বলে মেয়েদের মানতে।
  • kc | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০০:০৬537208
  • কেউই বেবী তৈরী হয়না। ওসব পাতি ন্যাকামি বা 'ঘোড়া দেখে খোঁড়া হওয়ার' চেষ্টা। নিজেকে দিয়েই জানি। সমান মসৃনতার সঙ্গে ঘোড়া এবং খোঁড়া দুই রোলেই চালিয়ে দিতে পারি, সাফল্যের সঙ্গেই।
  • rimi | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০০:১১537219
  • হাহাহাহা কেসি ব্যপক দিলে!! এইটা ঠিকই, এইরকম ঘোড়া ও খোঁড়া আমিও দেখেছি ;-)
  • byaang | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০০:১৭537230
  • শঙ্কুবাবু, মাকে ঘেমেনেয়ে আপনার জন্য খাবার বানাতে দেখে নিজের অকর্মণ্যতার জন্য একটুও লজ্জা হত না? মনে হত না, ""আহা আমিই যদি তাড়াতাড়ি নিজের জন্য যা হোক কিছু খাবার বানাতে শিখে যাই, মায়ের আর তাহলে এত কষ্ট হয় না''? জানেন তো, যদি ঠিকঠাক সময়ে এই কথাগুলো মনে হত, তাহলে আর এত বছর ধরে মায়ের জন্য ""চিনচিনে সিঁতি'' বয়ে বেড়াতে হত না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি প্রতিক্রিয়া দিন