এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  সিনেমা

  • নতুন সিনেমা - মানে, নিউ রিলিজ

    omnath
    সিনেমা | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ | ২২৫৪৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pipi | ০১ নভেম্বর ২০০৮ ০২:০০394246
  • সামার ২০০৭ - সিনেমাটা দেখতে বসেছিলাম গুল পানাং আছে বলে। তখনো জানি না যে আসল চমক লুকিয়ে আছে সেকেণ্ড হাফে। এমনিতে সিনেমাটা নিয়ে কিছু বলার নেই। কস্তুরবা মেডিক্যাল কলেজের একালের স্বার্থসর্বস্ব একদল ছেলেপুলে যাদের গ্রুপ লিডার সিকন্দর খের। অভিনয়ে সিকন্দর আগের থেকে অনেক ইমপ্রুভ করেছে মনে হল কিন্তু ঐ অসহ্য ঝাঁকড়া চুল। পুরো সিনেমাটা দেখতে দেখতে আমার হাত যে কি প্রচণ্ড নিশপিশ করছিল একটা কাঁচির জন্য কি বলব। গুল পানাং কে কি রাখা হয়েছে স্রেফ একটা সিরিয়াস ফেস (অ্যাণ্ড কনসেন্স) অ্যাড করার জন্য? এবং কেন যে সবাই ওকে মাদার টি বলে বোঝা গেল না। মাদার টেরেসার শর্ট ফর্ম??
    তো প্রথম হাফটা গেল এদের নাচাগানা, ঝটিতি সিকন্দরের লাভ অ্যাফেয়ার (ভাগ্যিস ফ্ল্যাশব্যাকে তবে তাতেও আবার নাচা গানা আছে, অফকোর্স), কলেজ পলিটিক্স, সেই পলিটিক্সের বিরুদ্ধে সিকন্দরদের অ্যামেচারিস পাঞ্জা লড়ার দাওয়া আর তারপার কোথা হইতে কি হইয়া গেল - পলিটিক্যাল পার্টির দাদারা উদ্ভুত হলেন আর সিকন্দরের গ্রুপকে ঠ্যাঙানি কাম হুমকি এটসেটেরা আরো কি কিসব দিল... মোদ্দা কথা এতসব ভজঘটের মধ্যে এইটা পরিষ্কার বোঝা গেল যে সিকন্দর অ্যাণ্ড কোম্পানী ইলেকশনে লড়ার বাসনা পরিত্যাগ করে একমাসের প্রজেক্ট নিয়ে এক অখ্যাত কোঙ্কনী গ্রামে চলে গেল।
    এবং এইখানেই চমকটা পাওয়া গেল - আশুতোষ রাণা। শুদ্ধুমাত্র এই লোকটার জন্য এই সিনেমাটা দেখা যায়। এত দক্ষ, এত নিপুণ এবং এতই স্বাভাবিক অভিনয় যে মনেই হয় না এটা অভিনয়। আশুতোষ রাণা উরফ মুকিয়া ঐ গ্রামের হেলথ সেন্টারের একমাত্র ডাক্তার। নেহাতই কমিনা। অন্তত প্রথম দৃষ্টিতে তাই মনে হতে বাধ্য। কিন্তু ধীরে বৎস ধীরে। মুকিয়া একটি লেয়ারড চরিত্র। ধীরে ধীরে আমরা আসল মুকিয়াকে চিনতে পারি।
    সামার ২০০৭ তুলে ধরতে চেয়েছে আজকের ভারতের একটি জ্বলন্ত সমস্যাকে - তুলো চাষীদের আত্মহত্যার কাহিনীকে। আনফরচুনেটলি এর কারণ হিসেবে হাজির করা হয়েছে সেই এজ ওল্ড সুদখোর মহাজন, তার গুণ্ডাবাহিনী, মহাজনের দুর্বৃত্ত ছেলে, মহাজনের হাততোলা করাপ্ট পুলিশ ও প্রশাসন ইত্যাদি। আত্মহত্যার প্রকৃত কারণ কি শুদ্ধুমাত্র এই??
    পরিত্রাণ হিসেবে তুলে ধরতে চাওয়া হয়েছে মাইক্রোক্রেডিট ব্যবস্থাকে কিন্তু সেটা কি, খায় না মাখে তাই ভাল করে জানান হল না। আমরা শুধু জানতে পারি সংখ্যা, যে কিনা এককালে চিটফাণ্ড চিটিং করে হাজতবাস করে এসেছে সে এখন সাধু হয়ে গেছে আর সেই গ্রামে গ্রামে ঘুরে জনসাধারণকে ক্রেডিট দিয়ে বেড়ায়। ন্যাচারালি মহাজনের রক্তচক্ষু পড়ে সংখ্যার উপর। গোটা সেকেণ্ড হাফের অর্ধেকের বেশি ব্যায় হয়েছে শুধু সংখ্যাকে বাঁচানোর প্রয়াস দেখাতে গিয়ে যাতে সামিল মুকিয়া, মাদার টি আর লেটলি সিকন্দর এবং অন্যান্যরা।
    শেষমেষ পুলিশি নির্যাতন, মারদাঙ্গা, অগ্নিকাণ্ড, রেপ ইত্যাদি গরম মশলার সমন্বয়ে খিচুড়ি রান্না শেষ হয়। সিকন্দর তিন তিনজন অসৎ পুলিশ এবং মহাজনের দুর্বৃত্ত ছেলেকে গুলি করে নিকেশ করে। পুলিশ অফিসার সিকন্দরকে বাঁচবার সুযোগ করে দেয় প্রোভাইডেড সে সব দোষ মুকিয়ার ঘাড়ে চাপাতে রাজি হয়। আমরা জানতে পারি যে সিকন্দরের বাবা আসলে পুলিশ কমিশনার এবং সিকন্দর সত্যবাদীতায় উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজেকে জাস্টিসের হাতে সমর্পণ করে এবং গোটা খিচুড়িটি গুরুপাক হয়ে যায়।

    চিত্রনাট্য অতি দূর্বল। তা সঙ্কেÄও একটু অন্যরকম ছবি বানানোর প্রয়াসটুকু ভাল লাগে। কিন্তু বলিউডের সেই গতানুগতিক ফর্মূলা থেকে বেরোতে পারে নি। শেষমেষ যা হয়েছে তাকেই বোধ করি বলা যায় না ঘরকা, না ঘাটকা। তবে দ্রোণা বা কর্জ্জ দেখার চাইতে নট টু ব্যাড হিসেবে এই মুভিটা দেখাই যায়।
  • Koyeli S | ০১ নভেম্বর ২০০৮ ১৩:২৩394247
  • গত বুধবার "ফ্যাশন" দেখা হল। মধুর ভান্ডারকর মার্কা। তবে খুব খারাপ না। উত্থান- পতন ও পুণরুত্থানের একটা প্রায় জানা-তবু দেখি মার্কা গপ্প আছে। বর্তমানে কাছেপিঠের মাল্টিপ্লেক্স /হলে যা যা চলছে তার পোস্টার ইত্যাদি দেখেশুনে এইটাই দেখতে ইচ্ছে হল বলে গেছিলাম। কঙ্গণা রানওয়াত কে ভাল্লাগে বরাবর, কেন জানিনা। এখনকার বা আগেকার কোনো মডেল বা নায়িকার মত একটুও নয় বলে বোধহয়। অন্যরকম, ফ্রেশ ও বেশ দক্ষ মনে হয়। মুগ্‌ধা গডসে কে ভালই লাগে, এটা ওর প্রথম ফিল্ম। গল্পের নায়িকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়া attitude নিয়ে চেষ্টা চালিয়ে যায়।
  • sayan | ০৩ নভেম্বর ২০০৮ ০৬:৫৩394248
  • ""সীতারাম সীতারাম সীতারাম সীতারাম
    চিট্‌ঠি আয়ি না পত্রী আয়ি আয়া না টেলিগ্রাম রে
    য্যায়সে বিন গুঠ্‌লি কে আম ওয়্যায়সে ডোলে রাধে শাম
    সীতারাম সীতারাম সীতারাম সীতারাম''

    আহা! কী গান!
  • sayan | ০৩ নভেম্বর ২০০৮ ০৬:৫৬394249
  • "সাস, বহু অওর সেনসেক্স' - কে দেখেছে?
  • papiya | ০৩ নভেম্বর ২০০৮ ০৮:২৭394250
  • আমি দেখেছি :)
  • sayan | ০৩ নভেম্বর ২০০৮ ০৯:০৬394251
  • তবু একজনকে পাওয়া গেল :))
  • sayan | ০৩ নভেম্বর ২০০৮ ০৯:০৯394252
  • দ্রোণা'র মত একটা জিনিস এর আগেও তৈরী হয়েছিল। সঞ্জয় দত্তের "রুদ্রাক্‌শ'
  • papiya | ০৩ নভেম্বর ২০০৮ ১০:৪৭394253
  • সাস, বহু etc etc আমার মন্দ লাগেনি :)
  • pipi | ০৩ নভেম্বর ২০০৮ ১৪:৫৭394254
  • সাস বহু আমি কবে থেকে দেখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি কিন্তু কিছুতেই পারছি/পাচ্ছি না:-( যে ওয়েবসাইট থেকে দেখি তারা বলছে নট অ্যাভলেবল, দোকানে গেলেও একই কথা বলছে। কি ডিমাণ্ড!! ভাবা যায়!! :-)
    দুইখানি ছবি দেখলাম গেল শনিবারে। ফ্যাশান আর হিরো ২০০৭। ফ্যাশন নিয়ে পরে বলছি। হিরো শেষ হবার আগেই আমি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। (আমাকে যে ঘুম পাড়াতে পারে সে তাহলে কি সাংঘাতিক হ্যামলিনের বাঁশিওয়ালা ভাবুন!!)। সানি দেওল যে মুভিতে আছে সে সম্বন্ধে বেশি কথা খরচা করা মানেই বাজে খরচ। দেখতে হলে প্রথম হাফটুকু দেখুন। প্রিতি জিনটার জন্যই ওটুকু দেখা যায়। মোট তিনটে কাহিনী। প্রিতি-সলমনের গপ্পোটা খতম হয়ে গেলেই ঘুমিয়ে পড়ুন। ব্যাস। অবশ্য না চাইলেও ঘুমিয়ে আপনি পড়বেনই এর পর থেকে। গ্র্যান্টি।
  • Arijit | ০৩ নভেম্বর ২০০৮ ১৪:৫৯394256
  • সাস-বহু কি ফেকতা কাপুরের সিরিয়ালটা?
  • papiya | ০৩ নভেম্বর ২০০৮ ১৫:০৬394257
  • heros দেখে আম্মো ঘুমিয়ে পড়েছিলাম :), ঐ প্রথম ১/৩ দেখা যায় কোনোমতে
  • subhi | ০৩ নভেম্বর ২০০৮ ১৫:০৭394258
  • ভালো
  • kd | ০৩ নভেম্বর ২০০৮ ১৫:৩১394259
  • এটা একটা সিনেমা যেটা কেউ খারাপ বলতে পারবে না:))
  • pipi | ০৩ নভেম্বর ২০০৮ ১৫:৪৬394260
  • না না, সিরিয়ালটা না। এটি একটি বলিউডি চলচ্ছিত্র। নাম - সাস, বহু অওর সেনসেক্স।
  • pp | ০৩ নভেম্বর ২০০৮ ১৮:৪০394261
  • দেখলাম। গোলমাল রিটার্নস। বলিউডে কমিক বলে কিছু হয় না, অন্তত এখন। যা হয় গোদা বাংলায় তাকে বলে ভাঁড়ামি। ভাঁড়ামোর ভাঁড়ে আরেকটি অ্যাডিশন। তাশানের পরে আবার করিনাকে দেখলাম পর্দায়। মাঝে নবরাত্রি, দুগ্গা, লক্ষ্মী, কালী কত পূজো গেল। তবু ঐ হারমোনিয়ামের রিড মার্কা কাঠামোয় একটু পলেস্তারা পড়ল না। চোখের বালির মতন খচখচ করে। তুষার কাপুরের আরেক নাম অত্যাচার। শ্রেয়সকেই যা একটু ভাল লাগল কিন্তু এমন সংয়ের দলে সেই বা আর কি করে সাধু সাজে। সেলিনা জেটলির কথা যত্ত কম বলা যায় ততই মঙ্গল। উনি নাকি আবার হলিউড থেকে ডাক পেয়েছেন। মা, মা কালী রক্ষে করো মা।
    এত কিছু সঙ্কেÄও ছবির কয়েকজায়গায় নির্মল হাসির সুযোগ পেলাম। পাওনা বলতে ওটুকুই।
  • dd | ০৩ নভেম্বর ২০০৮ ২০:৪৭394262
  • ট্র্যাফিক সিগনাল, দ্যাখলাম।
    অবশ্যি নিউ রিলিজ নয়। বেশ পুরোনো। তাও ও - হেথায় লিখছি।

    দেখুন। বইটা ভালোই। অদ্ভুত গল্প। ন্যাট জিও তে দেখেছিলাম লন্ডন শহরে না কি চল্লিশ হাজার শিয়াল আছে। নগর জীবনের ঝোপ ঝাড়ে বেঁচে আছে ও বংশ বিস্তার করছে। দারুন ছিলো সেই ডকু।

    এই সিনেমার চরিত্রদের দেখলেও অবাক হতে হয়। এই ভাবে এক ট্র্যাফিক সিগনাল ঘিরে একটা গোষ্ঠী এইভাবে বেঁচে থাকে।

    দারুন দু:সাহসী প্রডাকশন ... কিন্তু,কিন্তু, চরিত্রগুলো এতো হাসী খুসী নিষ্পাপ,পরোপকারী, স্নেহ ভালোবাসায় উদ্বেল যে কি রকম একটু ইয়ে লাগে।

    তাও মনে একটা দাগ কেটে যায়।
  • sayan | ০৩ নভেম্বর ২০০৮ ২১:০১394263
  • কীআশ্চজ্জ আম্মো হীরোজ ১/৩ দেখে ঘুমের দেশে চলে গেছিলাম। একটু পরে ঘুম থেকে উঠে দেখি সানি পাজি হাত দিয়ে ফ্লোরের টালি ফাটিয়ে বীভৎস মারপিট করছে! সেই যে ঘুম এলো একদম সকাল।

    ফ্যাশন টিপিক্যাল মধুর ঘরানা'র সিনেমা। কঙ্গনা'র অ্যাক্টো এক্টু স্টিরিওটাইপ হয়ে যাচ্ছে। সেই গ্যাংস্টার'এর মতই। কাহিনীর নতুনত্ব কিছুই নেই। একবার দেখা যায়।

    সজ্জনপুর আবার দেখলাম। কিছু পার্ট বাদ দিলে ভালো সিনেমা। আর টাইটেল গানটা। যশপাল শর্মা লোকটা ভালো অভিনয় করে।

    ও হ্যাঁ। সিং ইজ কিঙ্গ। ভয়ংকর! খতরনাক! ডেডলি!
  • su | ০৩ নভেম্বর ২০০৮ ২২:১৭394264
  • কেও কি এই film টা দেখেছেন A journey from calcutta to Kolkata?
    দেখলে review দিন
  • pipi | ০৫ নভেম্বর ২০০৮ ০৩:০২394265
  • রামচন্দ পাকিস্থানী - অবশ্যই দেখুন। দেখার মতই। শেষটা অবশ্য দর্শকদের খুশি করার চেষ্টায় একটু গেঁজে গেছে তা হলেও - দেখুন ও দেখান।

    রোডসাইড রোমিও - নেটে ২মিনিটের প্রিভিউ দেখলাম (মুভিটা পাওয়া যাচ্ছে না)। ম্যায় হুঁ রোমিও বলে গানটা। Garfield II থেকে বেশ টুকেছে বিশেষ করে প্রাসাদোপম অট্টালিকায় বিশাল খাটে সকাল বেলায় ঘুম ভেঙ্গে ওঠা, টেবিলে খাবার সার্ভ করা ইত্যাদি আরো টুকরোটাকরা কিছু সিন ঝেড়ে টোকা। দেশি জিনিসের বদনাম করছি না তবে পিক্সারের লাইফলাইক অ্যানিমেশন দেখে চোখ এমন সেট হয়ে গেছে যে এ অ্যানিমিশন চোখে বড় ফুটছে।
  • koyeli S | ০৫ নভেম্বর ২০০৮ ১৬:৪৪394267
  • দলে পড়ে "গোলমাল রিটার্ন্স' দেখতে হলো। "গোলমাল' নকি ভালো হয়েছিলো, ভাগ্যিস দেখিনি। কী ভীড় হলে! ব্ল্যাকে টিকিট কাটা চলছে। pp কে প্রায় সব বিষয়েই ডিট্টো। 'ভাঁড়ামো' বল্লেও বেশী প্রসংশা করা হয়। হারমোনিয়ামের রিড ও তুষার কাপুরের অপর নাম অত্যাচার- গুচ্ছ লাগলো। বোবা তুষার প্রচুর চেঁচিয়েছে হাত পা নেড়ে। শুধু হায়, কোত্থাও হাসি পায়নি। পরের দিকে অল্প মাথা ধরে গিয়ে ধীরে ধীরে ঘুম আসছিলো- ঘুমাবো কি, দেখি বোবা তুষার কাপুর স্পষ্ট বাক্যে কী সব বলতে লেগেছে 'আবার আসিব ফিরিয়া পরের sequel এ, তখন আর এমনি বোবা থাকব নাকি' ইত্যাদি। কী সর্বনেশে থ্রেট! তারপর বই শেষ হয়ে গেল।
  • Somnath | ০৫ নভেম্বর ২০০৮ ২২:০১394268
  • পিপিকে বকে দিলাম, সামার ২০০৭ ঐ থ্রেডেই না লিখে এখানে লেখার জন্যে। ওখানে আর একটু টানা যেত। :-(
    আমি তো লিখবো লিখবো করেও লিখে উঠতে পারলাম না।

    লাভস্টোরি ২০৫০ কি লম্বা কি লম্বা!! কিছুতেই শেষ হচ্ছিল না!!

    সায়ন কে এই জন্যেই আমি এত্ত ভালোবাসি। আমি ও হল থেকে বেড়িয়ে এই কথাটাই বলেছিলাম। রুদ্রাক্ষ। আর এমনকি সেটাও দ্রোণার চেয়ে ভালো ছিলো।

    পিপি কি টরেন্ট থেকে নামায় না! সাস বহুর তো প্রচুর সীড আছে!!

    সিং ইজ কিং কি কঠিন বাজে। অথচ নাকি হিট করেছে!! বোঝো!!

    আমি রেকমেন্ড করলাম - শূট অন সাইট, এ ওয়েডনেসডে, রামচাঁদ পাকিস্তানি, হল্লা (Hulla)। প্রথমখান মোটামুটি ভালোই। নাসিরুদ্দিনের জন্যেই দেখা যায়। দ্বিতীয়টা অসাধারণ ভালো। বহুদ্দিন এত ভালো সিনেমা দেখিনি। কি টানটান, আর কি মেদহীন, ঝকঝকে। ফাটাফাটি। বেস্ট অফ ২০০৮। এখনো। বাকি দুটো দেখবো বলে নামিয়ে রেখেছি।
  • pipi | ০৫ নভেম্বর ২০০৮ ২২:২২394269
  • অক্ষয় কুমার, ক্যাটরিনা কাইফ এবং/অথবা সাল্লু যাতেই থাকছে তাই হিট হয়ে যাচ্ছে এস্পেশ্যালি এনরাই রা নাকি হিট বানিয়ে দিচ্ছে। সত্যি মিথ্যে জানি না তবে যাতে এই ত্রয়ীর একজনও আছেন এস্পেশ্যালী ক্যাটরিনা অথবা সল্লু মিয়াঁ আমি সেসব মুভি ভুলেও দেখা বন্ধ করে দিয়েছি যদি না কোন বাইণ্ডিং অবলিগেশন থাকে বা আদার ফ্যাকটর (যেমন হিরো তে প্রিটি জিনটা ফ্যাকটর)।
    আমি টরেন্টস ব্যবহার করি না। স্রেফ নেট থেকে দেখি। nrifun.com এ।
  • Arpan | ০৫ নভেম্বর ২০০৮ ২২:৪৭394270
  • শৌর্য়্য দেখলাম উড়ানে বসে। কে কে মেনন গুছিয়ে অভিনয় করেছেন। মিনিশা লাম্বার চরিত্রটার কোন দরকার ছিল না, কিন্তু তাও অভিনয়ের জোরে দাঁড়িয়ে গেছে।
  • Somnath | ০৫ নভেম্বর ২০০৮ ২৩:১৩394271
  • ইয়েস শৌর্য্য। আর কে কে মেনন। আগে বলিনি? কি বিভৎস ভালো!! ফাটাফাটি। বাকি বই টা অতো ভালো গোছাতে পারল না। তবে জাভেদ জাফরিকে বহুদিন পরে একটা ভদ্রগোছের রোলে পেলাম। আচ্ছা, চিটি চিটি ব্যাং ব্যাং বলে কি নতুন সিনেমা বেরিয়েছে? কেউ দেখবে?

    আর গত বছরের চেং কুলি কে বেং কুলি কেউ দেখেছো? ছিমছাম ছবি। আমি ব্লু আমব্রেলার সাথেই দেখেছিলাম।
  • sayan | ০৫ নভেম্বর ২০০৮ ২৩:১৮394272
  • জাভেদ জাফরি সিং ইজ কিং এ একটা অসহ্য ভিলেন। চ্যান খুলি কে ম্যান খুলি বেশ ভালো ছিলো। রাহুল বোসের সব সিনেমাই ভালো লাগে, সেই তক্ষক থেকে।
  • sayan | ০৫ নভেম্বর ২০০৮ ২৩:২০394273
  • দ্য লাস্ট লিয়র নিয়ে কোনো রিভিউ লিখিস নি? :))
  • Somnath | ০৫ নভেম্বর ২০০৮ ২৩:৪৫394274
  • কেন, কলিদি লিখেছে তো!!

    দ্য লাস্ট লিয়র আসলে আমি শুরুর প্রায় ২০ মিনিট পর থেকে দেখেছি। যতটা দেখেছি ভালোই। প্রচণ্ড ভালো, বা অসাধারণ না হলেও, খারাপ লাগেনি। সমস্যা হল, পুরোটা না দেখে গোটা বইটা নিয়ে কিছু বলা একটূ চাপের। তবে বেশ খানিকটা অমিতাভ কেন্দ্রিক তো বটেই। মেয়েদের ব্যপারটা বেশ নন-কমার্শিয়াল ব্রেক-এর মতো। একটু সিরিয়াস বিষয়মুক্তি। সাবপ্লট ও বলা যায় না বোধহয়, কারণ ওটা গুনলে মোট দুটো প্লট ই দাঁড়ায়। এবং ঋতুপর্ণ মাফিক অনেকখানি একপেশে। খানিকটা তুলনীয় ঐ কিডন্যাপের সঞ্জয় দত্তের বৌয়ের অভিযোগের মত। তুমি বাজে, তুমি এই, তুমি ওই, ইত্যাদি প্রভৃতি। কিন্তু সেই অভিযোগগুলো বিশ্বাসযোগ্য করে তোলার মতো যথেষ্ট ঘটনা নেই, সংলাপ নেই, পথ নেই, উপায় নেই।

    আবার ইংরিজিতে কিনা, সব কথা ভালো করে বুঝি ও নাই। সিনেমাটা নামিয়ে, আবার ভালো করে দেখে লিখব। :-)
  • r | ০৬ নভেম্বর ২০০৮ ০৮:৫৭394275
  • "চিঁটি চিঁটি ব্যাং ব্যাং" হল "লাল কালো" নামে বাংলা অ্যানিমেশন ফিল্মের হিন্দি ভার্শন। "লাল কালো" গল্প বাংলা শিশুসাহিত্যের ক্লাসিক, রাজশেখর বসুর দাদা গিরীন্দ্রশেখর বসুর লেখা। সেই গল্প নিয়ে বাংলাভাষায় এই প্রথম পূর্ণাঙ্গ প্রপার অ্যানিমেশন ফিল্ম- "লাল কালো"। আমি দেখি নি, মেয়ে দেখেছে। শুনলাম তার ভালো লেগেছে। যাঁরা কলকাতায় আছেন, বাচ্চাদের দেখাতে পারেন।
  • sinfaut | ০৬ নভেম্বর ২০০৮ ০৯:০৪394276
  • কিন্তু ঐ চেং কুলি বেং কুলি কী সিনেমা? কে আছে? কবে বেরোলো? এমন নামের অর্থ কী? ইত্যাদি আরো কিছু প্রশ্ন ...
  • d | ০৬ নভেম্বর ২০০৮ ০৯:২৮394279
  • যাব্বাবা! আমি বড়হাতের হলাম কি করে??
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে প্রতিক্রিয়া দিন