এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • উইন্ডোজ বনাম

    Arijit
    অন্যান্য | ২৪ জুন ২০১০ | ৩৮৬০৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Z | ২৪ জুন ২০১০ ২২:৪৬455567
  • আমার ল্যাপির জন্য লিনাক্সের সাউন্ড ড্রাইভার (উবুন্টু) চারমাসের চেষ্টার পরেও পেলাম না। ফেডোরাতে পেলাম কিন্তু অনেক উপসর্গ সমেত। উইন্ডোজের ড্রাইভার ল্যাপির সাথে এসেছিল। এখনও আমি বিশেষ কোনো কাজ ছাড়া ল্যাপি ব্যবহার করলে উইন্ডোজেই চালাই, কারণ একটাই, হার্ডওয়্যার যারা তৈরী করে তারা উইন্ডোজের জন্যে যে সাপোর্টটি দেয়, লিনাক্সের জন্যে তা দেয় না। যদি দিত, তাহলে সাধারণ ব্যবহার এর জন্যে (গান শোনা, সিনেমা দেখা আর ইন্টারনেট) দুটৈ একই।

    কিছু কিছু কাজের জন্যে অবিশ্যি লিনাক্স ছাড়া গতি নেই, যেমন শেল স্ক্রীপ্ট ও সম্বন্ধীয় টুল্‌স (গ্রেপ, awk, ইত্যাদি)। SSH এর জন্যে আমাকে লিনাক্সেই কাজ করতে হয়। উইন্ডোজের SSH ক্লায়েন্টগুলো পছন্দ হয় না (তার প্রধান কারণ ssh -X ব্যবহার করতে পারি না)। যদি অন্য মেশিন থেকে আমার মেশিনে কানেক্ট করতে হয় তাহলেও কিনাক্স হলেই সুবিধে।

    কিন্তু উইন্ডোজের সাপোর্টে এক বিশাল বড় যুক্তি হল মাইক্রসফ্‌ট অফিস। এর জুড়িদার লিনাক্সে মেলা মুস্কিল। লেটেক কিন্তু উইন্ডোজে দিব্যি করা যায় মিক্টেক দিয়ে।
  • sinfaut | ২৪ জুন ২০১০ ২৩:৫৪455568
  • আমি কেন উইন্ডোজ ছাড়লাম:

    ১। কাজের কোন সফ্‌টওয়্যার খুঁজতে গেলেই ইন্টার্নেটে গোপন ডেরা থেকে ক্র্যাক ফ্যাক করা বেআইনি জিনিসপত্তর নামাতে হয়। নয়তো, বন্ধুদের থেকে সিডি-ফিডি নিয়ে আসতে হয়।

    ২। অ্যান্টিভাইরাস লাগাতে হয়, যেটা কম্পু স্লো করে দেয়, ফ্রী তে তেমন ভালো অ্যা-ভা তেমন পাওয়া যায় না। এখন হয়তো যায়।

    ৩। কোন প্রবলেম ট্রাবল্‌শুট করা যায় না,একটা উদ্ভট হেক্স নাম্বার দিয়ে কী একটা এরর মেসেজ দেয় যা দিয়ে কিছু বোঝা যায় না।

    কালকে লিখব আমি কেন লিনাক্স ধরলাম।
  • Arijit | ২৫ জুন ২০১০ ০৯:৫৩455569
  • কন্ডিশনিং-এর ক্লাসিক উদাহরণ - শমীক। এ ছাড়া আর কিছু হতে পারে না। বার বার যেটা বলছি - ক্লাস সেভেন/এইটের ছেলেমেয়েরা অনায়াসে লিনাক্ষ এনভায়রনেমেন্টে আইসিটি করছে, আর শমীক টেকি আইটি গাই বুঝতে পারে না - এটা জাস্ট অবিশ্বাস্য।

    আর আমার তিন নং পয়েন্টের ক্লাসিক উদাহরণ আজ্জো/অপ্পন।
  • Arijit | ২৫ জুন ২০১০ ০৯:৫৭455570
  • শমীকের উদাহরণ মানলে বলতে হয় প্রচুর নন-টেকি, নন-কম্প সায়েন্স ইউজার (প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে চেনা - যারা শুধু ব্রাউজিং, মেল, সিনেমা, ডকুমেন্ট, চ্যাট খোলার জন্যে পিসি ব্যবহার করে) শমীকের মতন আইটি গাইয়ের চেয়ে অনেক বেশি কমপিটেন্ট। তাদের কারোরই হাতে হ্যারিকেন হয়নি উইন্ডোজ থেকে নন-উইন্ডোজ মেশিনে গিয়ে।
  • Arijit | ২৫ জুন ২০১০ ১০:০২455571
  • ন্যাড়াদা - তর্কের পয়েন্টগুলো আগে লিখেছি। নর্মালি মার্কেট শেয়ার দেখেই উইন্ডোজকে "আহা কি ভালো' বলে দেওয়া হয়। এলসিএমের পোস্টগুলো উদাহরণ। কি? না উইন্ডোজ ৭ কয়েকমাসের মধ্যে ওসএক্ষ আর লিনাক্ষের মার্কেট শেয়ার ছাড়িয়ে গেছে - অতএব উইন্ডোজ ৭ ভালো। এই হল প্রো-উইন্ডোজ যুক্তি।

    আমার বক্তব্য হল এর পিছনে প্রধাণত: তিনটে কারণ আছে -

    (১) কন্ডিশনিং - উদাহরণ শমীক। কেন সেটা বলতে গেলে মহাভারত হয়ে যাবে।

    (২) উইন্ডোজের আগে মার্কেটে আসা - সেটা অ্যাপল থেকে ঝাপা হলেও কোনো কমপ্লেন করার নেই।

    (৩) ২-এর কারণে অধিকাংশ হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার ভেন্ডরের ব্যাকিং

    এগুলোর কোনোটা থেকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না যে গুণগতভাবে উইন্ডোজ ভালো। গুণগতভাবে তুলনা করতে হলে অন্য ক্রাইটেরিয়া আসে।
  • Arijit | ২৫ জুন ২০১০ ১০:০৪455572
  • এবং সিফোঁর পয়েন্টগুলো জরুরী। আইদার আমাদের প্রচুর পয়সা দিয়ে লাইসেন্সড সফটওয়্যার কিনতে হয় - যেটা কি করছে কেউ জানে না। আর নয়তো বেআইনীভাবে ক্র্যাকড কপি ব্যবহার করতে হয়। পারফরম্যান্স ক্রাইটেরিয়া ছাড়াও এথিক্যালি উইন্ডোজ নিয়ে প্রবলেম আছে। সে যাকগে - এথিক্‌স নিয়ে কেউ মাথা ঘামায়না।
  • Arijit | ২৫ জুন ২০১০ ১০:২০455573
  • আজ্জো পয়েন্টটা বুঝছে না বা বুঝতে চাইছে না।

    কন্ডিশনিং মানে আমি পাভলভের কন্ডিশনিং বলছি। শুরুতে কাউকে উইন্ডোজ ধরিয়ে দিলে আর কানের পাশে "লিনাক্ষ কঠিন, ইউজার ফ্রেন্ডলি নয়' ইত্যাদি ফিস্‌ফিস্‌ করে গেলে সেটা কন্ডিশনিং। তারপর একজন হার্ডকোর টেকি আইটি গাই তার ওই হার্ডকোর টেকি সত্বাকে চুলোয় পাঠিয়ে বলবে "আমি তো চেষ্টা করেছিলাম কিন্তু কিছুই বুঝিনি'। আর নিজে কানের পাশে যে ফিস্‌ফিস্‌ শুনেছিলো - সেটাকেই শুনিয়ে যাবে অন্যদের। অন্যদিকে জীবনে কম্পিউটার ব্যবহার না করা লোকজনও দিব্যি সাধারণ ইউজার হিসেবে লিনাক্ষে গেম খেলে ফেলছে, ব্রাউজ করছে, চ্যাট করছে - এবং কেউ বলছে না "কি কঠিন' - কারণ তাদের এই কন্ডিশনিংটা ছিলো না কখনোই। এর প্রমাণ আরো দিতে হবে?

    "কঠিন কঠিন' বলে টেকি আইটি গাইদের মধ্যে যতটা রেজিস্ট্যান্স, তার কণামাত্র নন-টেকি বাকিদের মধ্যে নেই - এটা গত দু বছরে FOSS-এর বিভিন্ন প্রোগ্রামে চাক্ষুষ এক্সপিরিয়েন্স।
  • dukhe | ২৫ জুন ২০১০ ১০:২৮455574
  • নন-টেকিরা লিনাক্ষ তেড়ে ব্যবহার করলে মার্কেট শেয়ারে বোঝা যাবে না ? আজকাল তো বেশ কিছু কোম্পানি লিনাক্ষ জুড়ে মেশিন কেনার অপশন দেয়। সস্তা হয়। সস্তাটা ডেফিনিটলি লিনাক্ষের সুবিধে। বিশেষ করে ভারতে।
  • Arijit | ২৫ জুন ২০১০ ১০:২৯455575
  • কাল ডেলের একটা লিংক দিয়েছিলাম। দেখেননি মনে হয়। এই অপশনের সাথে ফাইন প্রিন্টে কি আসে সেটাও জানা দরকার। বিএসএনএলের মত বলে না তো?
  • Arijit | ২৫ জুন ২০১০ ১০:৩৮455577
  • Imagine a crossroads where four competing auto dealerships are situated. One of them (Microsoft) is much, much bigger than the others. It started out years ago selling three-speed bicycles (MS-DOS); these were not perfect, but they worked, and when they broke you could easily fix them.

    There was a competing bicycle dealership next door (Apple) that one day began selling motorized vehicles--expensive but attractively styled cars with their innards hermetically sealed, so that how they worked was something of a mystery.

    The big dealership responded by rushing a moped upgrade kit (the original Windows) onto the market. This was a Rube Goldberg contraption that, when bolted onto a three-speed bicycle, enabled it to keep up, just barely, with Apple-cars. The users had to wear goggles and were always picking bugs out of their teeth while Apple owners sped along in hermetically sealed comfort, sneering out the windows. But the Micro-mopeds were cheap, and easy to fix compared with the Apple-cars, and their market share waxed.

    Eventually the big dealership came out with a full-fledged car: a colossal station wagon (Windows 95). It had all the aesthetic appeal of a Soviet worker housing block, it leaked oil and blew gaskets, and it was an enormous success. A little later, they also came out with a hulking off-road vehicle intended for industrial users (Windows NT) which was no more beautiful than the station wagon, and only a little more reliable.

    Since then there has been a lot of noise and shouting, but little has changed. The smaller dealership continues to sell sleek Euro-styled sedans and to spend a lot of money on advertising campaigns. They have had GOING OUT OF BUSINESS! signs taped up in their windows for so long that they have gotten all yellow and curly. The big one keeps making bigger and bigger station wagons and ORVs.

    On the other side of the road are two competitors that have come along more recently.

    One of them (Be, Inc.) is selling fully operational Batmobiles (the BeOS). They are more beautiful and stylish even than the Euro-sedans, better designed, more technologically advanced, and at least as reliable as anything else on the market--and yet cheaper than the others.

    With one exception, that is: Linux, which is right next door, and which is not a business at all. It's a bunch of RVs, yurts, tepees, and geodesic domes set up in a field and organized by consensus. The people who live there are making tanks. These are not old-fashioned, cast-iron Soviet tanks; these are more like the M1 tanks of the U.S. Army, made of space-age materials and jammed with sophisticated technology from one end to the other. But they are better than Army tanks. They've been modified in such a way that they never, ever break down, are light and maneuverable enough to use on ordinary streets, and use no more fuel than a subcompact car. These tanks are being cranked out, on the spot, at a terrific pace, and a vast number of them are lined up along the edge of the road with keys in the ignition. Anyone who wants can simply climb into one and drive it away for free.

    Customers come to this crossroads in throngs, day and night. Ninety percent of them go straight to the biggest dealership and buy station wagons or off-road vehicles. They do not even look at the other dealerships.

    Of the remaining ten percent, most go and buy a sleek Euro-sedan, pausing only to turn up their noses at the philistines going to buy the station wagons and ORVs. If they even notice the people on the opposite side of the road, selling the cheaper, technically superior vehicles, these customers deride them cranks and half-wits.

    The Batmobile outlet sells a few vehicles to the occasional car nut who wants a second vehicle to go with his station wagon, but seems to accept, at least for now, that it's a fringe player.

    The group giving away the free tanks only stays alive because it is staffed by volunteers, who are lined up at the edge of the street with bullhorns, trying to draw customers' attention to this incredible situation. A typical conversation goes something like this:

    Hacker with bullhorn: "Save your money! Accept one of our free tanks! It is invulnerable, and can drive across rocks and swamps at ninety miles an hour while getting a hundred miles to the gallon!"

    Prospective station wagon buyer: "I know what you say is true...but...er...I don't know how to maintain a tank!"

    Bullhorn: "You don't know how to maintain a station wagon either!"

    Buyer: "But this dealership has mechanics on staff. If something goes wrong with my station wagon, I can take a day off work, bring it here, and pay them to work on it while I sit in the waiting room for hours, listening to elevator music."

    Bullhorn: "But if you accept one of our free tanks we will send volunteers to your house to fix it for free while you sleep!"

    Buyer: "Stay away from my house, you freak!"

    Bullhorn: "But..."

    Buyer: "Can't you see that everyone is buying station wagons?"

    http://www.cryptonomicon.com/beginning.html


    এই লেখাটাবহু আগের। স্টিফেন্সনের লেখার সময় লিনাক্ষ তাই ছিলো বটে, এখন আর নয়।
  • Arijit | ২৫ জুন ২০১০ ১০:৫০455578
  • লিনাক্ষে ২৪x৭ সাপোর্ট নেই এটাও এখন বাজে কথা।
  • dukhe | ২৫ জুন ২০১০ ১১:০৪455580
  • লিঙ্কটা দেখেছি। কিন্তু জানিনা সেটার প্রভাব কত। আর ফাইন প্রিন্ট বলতে পারব না। তবে অ্যাড দেখেছি ধরুন তিনটে মডেলের ডিটেল দিয়ে দাম দেখানো আছে। একটায় লিনাক্ষ, তার দাম কম।
    ফার্স্ট মুভার তো সুবিধে পাবেই। অন্যদের তাকে পেরোতে হলে বাড়তি কিছু দেখাতে হবে। সেটা দামে, ফিচারে, স্টেবিলিটিতে, বিজনেস মডেলে হতে পারে। লিনাক্ষ বা অন্যরা সেটা কতটা ভালোভাবে করতে পারে আস্তে আস্তে বোঝাই যাবে। মারুতি ফার্স্ট মুভার, ভালো সার্ভিস। তা বলে হুণ্ডাই কি ব্যবসা করছে না ?
  • Samik | ২৫ জুন ২০১০ ১১:০৪455579
  • অরিজিৎও নিজে একটা লুপের থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না।

    আমি আবার আমার পজিশনটা কিলিয়ার করে নিই।

    এক নং, আমার কানের কাছে কেউ বলে নি লিনাক্ষ কঠিন, ইউনিক্ষ উরেবাবা, বরং পিজি করর সময়ে আমার যে রুমমেট ছিল, সে শয়নে স্বপনে ইউনিক্ষের স্বপ্ন দেখত। "আমি একটা কম্পিউটার নিজে বানাবো, তাতে আর কিচ্ছু থাকবে না, কেবল লিনাক্স রাখব, আমার সমস্ত কাজ তাতেই করব' ... এই সব ছিল তার জীবনদর্শন, ঐ চাকরি পাবার আগে-আগে করে। গ্র্যাজুয়েশন পর্যন্ত কম্পু চোখে দেখেছি বটে, তবে সাদাকালো স্ক্রিনওলা বুটিং ফ্লপি দিয়ে লোড করা এমেস ডস কম্পু। ফোর্থ ইয়ারে হাত দিয়েছি বার চারেক। উইন্ডোজ আর লিনাক্সের সাথে পরিচয় পিজি করতে এসে। কেউ কানের কাছে বলে দেয় নি লিনাক্স শক্ত। আমি নিতে পারি নি, হতে পারে আমি টেকনিক্যালি চ্যালেঞ্জড ঐ সবের ক্ষেত্রে।

    (এখানে জানিয়ে রাখি, আমার কিছু টিপিক্যাল ক্ষমতা বা অক্ষমতা আছে। আমি লোকের নাম বা মুখ মনে রাখতে পারি না, বার কয়েক দেখলেও অচিরেই ভুলে যাই, কিন্তু ডিজিট মনে রাখতে পারি ভীষন ভালো, সংখ্যা-বন্ধ আমি সহজে ভুলি না।)

    তো, এই রকমের এনভায়রনমেন্ট ও ঐ রকমের রুমমেট পেয়েও আমার ইউনিক্সভীতি কমল না, বরং সেইখান থেকেই সৃষ্টি হল।

    ইনফোসিসে প্রথম তিনমাস ট্রেনিং পিরিয়ড চলে, সেখানে প্রতিটা সাবজেক্টের ওপর পরীক্ষা হয়, ডি পেলে রিটেস্ট, তাতেও ডি পেলে ভাইভা, তাতেও না উতরোলে গেট আউট। আমি তিনমাসে সমস্ত পরীক্ষায় সসম্মানে এ পেয়ে পাশ করেছিলাম, কেবল ইউনিক্সে ভাইভা পর্যন্ত পৌঁছেছিলাম। দয়া করে এক পাব্লিক ছিলেন, সুরেশজি বলতাম, তিনি আমাকে ভাইভায় পাশ করিয়ে দিয়েছিলেন, তাই আমার চাগ্রি বেঁচে যায়।

    কথা হচ্ছে, এই যে ডিফিকাল্টি, এই ডিফিকাল্টি কিন্তু উইন্ডোজ নামক অপারেটিং সিস্টেমটা শিখতে গিয়ে আসে নি, ইন ফ্যাক্ট উইন্ডোজ আমাকে শিখতেই হয় নি। প্রথম যেদিন দেখলাম, একজন কেবল আমাকে মাউসের লেফ্‌ট আর রাইট ক্লিকের ব্যবহারতা দেখিয়ে দিয়েছিল, আমি বাকিটা নিজের প্রতিভায় বুঝে নিয়েছিলাম। উইন্ডোজের একশো না হোক, নিরানব্বই শতাংশ ইউজারই এইভাবেই উইন্ডোজ ব্যবহার করতে জেনে যায়। আমার বাবাও কম্পিউটারের জগতে আনপড়, এখনও টাস্কবার আর স্টেটাস বারে গুলিয়ে ফেলে, মিনিমাইজ ম্যাক্সিমাইজ মাঝে মাঝে ভুলে যায়, ফুলস্ক্রিন মোড থেকে নর্মাল মোডে ফিরতে প্রবলেম হয়, কিন্তু সে-ও এখন উইন্ডোজ ব্যবহারে সড়গড় হয়ে গেছে। হ্যাঁ, মানছি যে উইন্ডোজের বদলে লিনাক্স দিয়ে আমি টেস্ট করে দেখি নি, কিন্তু লিনাক্স দিলে আমি এখান থেকে স্কাইপ বা ফোনে কোনওরকম সাহায্যই করে দিতে পারতাম না, বাবাকে কম্পিউটার খুলে বসে থাকতে হত। হুগলিতে আমার এলাকায় সম্ভবত একটা লোকও নেই যে লিনাক্স জানে।

    এখন তুমি যত খুশি ডকুমেন্ট এখানে কাট পেস্ট করো, যত খুশি ভিডিও দেখাও, দেখে যাবো, হয় তো লড়েও যাবো, কিন্তু এটা পরিষ্কার যে লিনাক্স বা ম্যাক আমার জন্য নয়।

    আবার রিপিট করছি, কোনওরকম কানের কাছে কেউ মন্তর আওড়ায় নি যে ম্যাক শক্ত, লিনাক্স শক্ত, আমি নিজের চেষ্টায় ফেল মেরেছি। উইন্ডোজে কাজ করা নিজের হাতে ভাত খাওয়ার মত সোজাসাপটা জিনিস। লিমাক্স বা ম্যাক আমার তা লাগে নি। এবার তারা যতখুশি সুরক্ষিত হোক গে যাক, আমার জানার দরকার নেই। আমার সুরক্ষা আমার হাতে।

    বাই দা ওয়ে, কাল অর্পনের দেওয়া অ্যান্টিভাইরাস ইনস্টল করে চালালাম, জিরো ভাইরাস ফাউন্ড। এমন নয় যে উইন্ডোজে ভাইরাস নেই, বা হয় না, কিন্তু আমি এমনভাবেই ইন্টারনেত ব্যবহার করেছি, আজ দু বছর হল, কোনও ভাইরাস আসে নি আমার মেশিনে। এর আগের ডেস্কটপেও আসে নি।
  • Samik | ২৫ জুন ২০১০ ১১:০৬455581
  • ওভাবেও তুলনা হয় না। দাম বা সার্ভিসের তফাৎ ছাড়া দুটোর আর কী তফাৎ আছে? মারুতি ৮০০ যেভাবে চলে, টয়োটা কোরোলা কি তার থেকে কিছু আলাদাভাবে চলে? চালানোর টেকনিকটা তো একই।

    উইন্ডোজ আর ইউনিক্সের চালানোর টেকনিকটাই আলাদা। সাপোর্ট তো পরের কথা। সেখানেই লোক ঝাড় খেয়ে যায়।
  • dukhe | ২৫ জুন ২০১০ ১১:১০455582
  • টেকনিক মানে কি কালো পর্দায় সবুজ অক্ষর বলছেন ? লিনাক্ষেও কি তাই ?
  • lcm | ২৫ জুন ২০১০ ১১:১২455583
  • বোঝো! আমি শুধু একটা লিংক দিয়েছি যে উইন্ডোজ ৭ এর মার্কেট শেয়ার ক মাসের মধ্যেই ম্যাক ছাড়িয়ে গেছে। ভালো খারাপ তো ভাই বলি নি।

    দ্বিতীয়ত: ভুল তথ্য। উইন্ডোজ মার্কেটে প্রথমে ম্যাক আসে, পরে উইন্ডোজ। ১৯৮৪ তে প্রথম ম্যাকিনটোশ (১৯৮৩-তে টিভি-তে ম্যাক এর বিখ্যাত অ্যাড আসতে থাকে)। ১৯৮৫ তে আসে উইন্ডোজ-এর প্রথম ভার্সান ১.০। এরপর ১৯৮৭ এ আসে আইবিএমের OS2

    সুতরাং, মাইক্রোসফট-এর কোনো কম্পিটিশন ছিল না এটা ঠিক নয়।

    মাইক্রোসফট-এর অন্য ফ্ল্যাগশিপ প্রোডাক্ট দুটো: ওয়ার্ড এবং এক্সেল। এদেরও কম্পিটিশন ছিল। শুরুর দিকে আমি নিজেই ওয়ার্ড প্রসেসর হিসেবে ওয়ার্ডস্টার, ওয়ার্ড পারফেক্ট ব্যবহার করেছি। লোটাস ১২৩ - স্প্রেডশিট ব্যবহার করেছি। এক্সেল অনেক পরে। আউটলুক ছিল না, ব্যবহার করেছি এমসিআই ইমেইল ক্লায়েন্ট, পরে ইউডোরা। ব্রাউজারে তো কম্পিটিশন আছেই।

    উইন্ডোজ ওএস, আর, অফিস সুইট বাদেও এখন যে সব এলাকায় মাইক্রোসফট প্রায় মনোপলি করছে সেগুলো দ্যাখো - যেমন, ইমেইল সার্ভার (আউটলুক এক্সচেঞ্জ) বা শেয়ার পয়েন্ট। এগুলো নতুন।

    গাল দিয়ে লাভ নেই।

    অ্যান্টি মাইক্রোসফট স্ট্যান্ড-এ লিড নিয়েছিল সান মাইক্রোসিস্টেম, এবং ওর‌্যাকেল কর্পোরেশন। সান-এর অফিসে তো একসময় মাইক্রোসফট প্রোডাক্ট ব্যবহার মানা ছিল। কোনো লাভ হয় নি। সান তো উঠেই গেল। ওর‌্যাকেল এখন এসব ছেড়ে এন্টারপ্রাইজ মার্কেটে মনোনিবেশ করেছে, প্রতিদ্বন্দী বড় হাতি আইবিএম।
    অ্যাপেল তো আই-পড্‌/ফোন/প্যাড্‌ - এদিকে চলে গেল। প্রায় বসে যাওয়া কোম্পানী ঘুরে দাঁড়াল। এবার ধীরে ধীরে টোট্যাল এন্টারটেইনমেন্ট ইন্ডাস্ট্রিতে ঢুকে পড়বে - মিউজিক, টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রিতে মেজর প্লয়ার হয়ে উঠতে পারে বলে অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন।

    এবার, লিনাক্স। এখানেই কোনো এক থ্রেডে আগে লিখেছি। লিনাক্স-এর দুটো মেইন প্রবলেম। এক, ভেন্ডর সাপোর্ট চাই। দোকান থেকে ডিজিট্যাল ক্যামেরা কিনে এনে বাক্স খুললে একটা লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশনের জন্য সফ্‌টওয়্যার সিডি যেন থাকে। দুই, ওপেন সোর্সের হাজার গন্ডা ফ্লেভার (সুসে, রেডহ্যাট, ডেবিয়ান, উবুন্টু.... রামা, শ্যামা...) থেকে বেরোতে হবে।
  • Arijit | ২৫ জুন ২০১০ ১১:১৭455584
  • টেকনিক আলাদা? হায় কপাল!!! সেই একই রাইট ক্লিক আর লেফ্‌ট ক্লিক দিয়েই সব হয়। শুধু "স্টার্ট' বাটনটা নেই। একজন আম জনতার ব্যবহারের জন্যে যা দরকার, তার সবই একই রকমভাবে আছে। বরং নতুন কিছু ইনস্টল করতে গেলে খুঁজে পেতে ডাউনলোড করে করতে হয় না - অধিকাংশই "অ্যাড/রিমুভ প্রোগ্রাম্‌স' দিয়ে করে ফেলা যায় - সে নিজেই খুঁজেপেতে ডাউনলোডটাও করে ফেলে।

    বাদবাকি অ্যাডমিন রিলেটেড কাজ এখানেও যতটা জানতে হয়, উইন্ডোজেও তাই। তোমার বাবা যেমন উইন্ডোজেও কনট্রোল প্যানেলে গিয়ে সেটিংস ঘেঁটে কিছু করতে পারবেন না।

    নিজের উদাহরণ তো চাইলে আমিও দিতে পারতাম, দিইনি - কারণ আমি নিজেকে বেজলাইন হিসেবে ধরতে পারি না। বরং ওই কোন ডিপার্টমেন্টের ক্লাস ফোর স্টাফের গেম খেলার উদাহরণ দিয়েছি।
  • Arijit | ২৫ জুন ২০১০ ১১:৩৯455585
  • "পাইরেট্‌স অব দ্য সিলিকন ভ্যালী' (নামটা আগে ভুল বলেছিলাম) প্রথম উইন্ডোজ সম্পর্কে ঠিক এভাবে বলে না। যতদূর মনে পড়ছে NEC-র সাথে অ্যাপলের একটা কনট্র্যাক্ট ছিলো ম্যাকিনটশ সিস্টেম নিয়ে। বিল গেট্‌স সেই সময় অ্যাপলের সাথে এই কাজটাতে ছিলেন। একদিন দেখা যায় ওই NEC-র মেশিনে নতুন উইন্ডোজ। বিল গেট্‌সের একটা ডায়লগ ছিলো - "সবাই চুরি করে। আমি শুধু আগে করেছি'। তবে এটা অথেন্টিক কিনা সেটা জানা নেই।

    যেটা বলার সেটা হল উইন্ডোজ/অফিস মার্কেট শেয়ার নিয়ে নিল কোয়ালিটি আর ease of use দিয়ে - এটা ঠিক বিশ্বাস হয় না।
  • bitoshok | ২৫ জুন ২০১০ ১১:৪৩455586
  • ১) হাজার গন্ডা ফ্লেবার থাকলে অসুবিধে কি? তফাৎ তো নেই কিছু। ইউজার পছন্দ মত বেছে নেবে।

    ২) দোকান থেকে ডিজিটাল ক্যামেরা কিনলে লিনাক্সের সিডি থাকে না। ঠিক। সেটার কোন দরকার আছে কি?

    ৩)
  • kallol | ২৫ জুন ২০১০ ১১:৪৫455588
  • অভ্যাস বোধ হয় বড়ো ব্যাপার।
    আমার এক বন্ধুর বাড়িতে (বাড়িতে অ্যাড এজেন্সি চালায়) ম্যাক ও উইন্ডোজ দুটো-ই আছে। তার বৌ-ছেলে তো দুটো-ই ব্যবহার করে গান শোনে-সিনেমা দ্যাখে-গেমস খেলে। আমি ম্যাকটা ব্যবহার করে দেখেছি (ইন্টারনেট মূলত:)। একটু অন্যরকম (মানে আইকনগুলো আলাদা ও তাদের পোজিশনিং অন স্ক্রিন ও আলাদা), তাতে একটু সরগড় হতে লাগে। লিনাক্স, হাতে পাই নাই, তাই বলতে পারবো না।
  • kallol | ২৫ জুন ২০১০ ১১:৪৬455589
  • আর হ্যাঁ, ম্যাকে রাইট-লেফট ক্লিক নাই।
  • Arijit | ২৫ জুন ২০১০ ১১:৫৫455591
  • আছে আজ্ঞে।
  • Arijit | ২৫ জুন ২০১০ ১১:৫৫455590
  • আর উইন্ডোজের একদম শুরুতে কম্পিটিশন থাকলেও 3.1-এর সময় থেকে মোটামুটি একচ্ছত্র আধিপত্য থেকেছে - পিসি মার্কেটে, ভারতে তো বটেই। তখন ডস প্রম্পটে win বলে চালাতে হত, win95 থেকে শুধুই উইন্ডোজ। আমি যেটা বলছি সেটা হল ১৯৯৫ থেকে মোটামুটি ২০০২ অবধি লিনাক্ষ কোনো কমপিটিটর ছিলো না। লিনাক্ষ বেরোয় ১৯৯১-তে, কিন্তু ওই ২০০২ অবধি সেটা স্টিফেনসনের ট্যাঙ্কই ছিলো। কিন্তু এখন সেই যুক্তিটা খাটে না।
  • bitoshok | ২৫ জুন ২০১০ ১১:৫৮455592
  • অভ্যাস তৈরি হতে খুব বেশি সময় লাগে না বোধহয়। আর ব্যক্তিগত ভাবে আমার মনে হয়, মাইন্ডলেস ইউজের (পড়ুন 'ইজ অফ ইউজ') থেকে একটু বুঝে শুনে কম্পিউটার চালাতে শিখলে আখেরে সেটা কাজেই দেয়।
  • Arijit | ২৫ জুন ২০১০ ১১:৫৯455593
  • এই অভ্যাসটাও কন্ডিশনিং-এর আরেকটা সাইড। অভ্যেস নেই, তাই বলে দিলাম আমার জন্যে নয়। আমি জীবনে ম্যাকে হাত না দিয়ে একদিন কিনে এনেছিলাম - কোনটা কোথায় আছে সেটা খুঁজতে যা সময় লাগার সেটা দিলেই মিটে যায়।

    কল্লোলদা - রাইট ক্লিক আছে - ক®¾ট্রাল+ক্লিক। আর অ্যাপলের মাউস লাগালে কোনো বাটন নেই - মাউসের গোটা ডানদিকটাই রাইট বাটন, বাঁ দিকটা লেফ্‌ট। যেখানে খুশি টুক করে টোকা দিন।
  • Arijit | ২৫ জুন ২০১০ ১২:০১455594
  • ওই যে - হার্ডকোর টেকিদের রেজিস্ট্যান্সই বেশি বল্লুম - এটা আমার গত দু বছরের প্র্যাক্টিক্যাল অভিজ্ঞতা এবং সাত বছরের ভার্চুয়াল অভিজ্ঞতা:-)
  • lcm | ২৫ জুন ২০১০ ১২:০৩455595
  • ধুর কি সব বলছে। প্রথম উইন্ডোজ কি ছিল। আমি সে মাল ইউজ করেছিলাম, একবার এক লাইব্রেরিতে। সে জিনিস আর আজকের উইন্ডোজ-এ আকাশ পাতাল ফারাক।
    আর, সেকথা বললে তো মাউজ আর ক্লিক - এই ব্যাপারটা তো জেরক্স-এর সৃষ্টি। সে সব কথা থাক। কে কার ঝেড়েছে দিয়ে কি হবে, ঝেড়ে কি বানিয়েছে, ৩০ বছর ধরে কোথায় টেনে নিয়ে গেছে...
    মনে রাখতে হবে, আশির দশকে ম্যাক-এর দারুন জনপ্রিয়তা সঙ্কেÄও মাইক্রোসফ্‌ট তাকে বিট করে বেরিয়ে গেছে। আইবিএম OS2-র খোঁচা দিতে গেছিল, পারে নি।

    হে হে, বীতশোক। একদম লেটেস্ট ডিস্ট্রোতে কি হয়েছে জানি না। কয়েক বছর আগেও, লিনাক্স-এ (কোন ফ্লেভার মনে নেই) ওয়েব ক্যামেরা লাগিয়ে নাতির ভিডিও দেখতে গিয়ে এক দাদুর কালঘাম ছুটে যায়। শেষে পারার পল্টু এসে, এক্সপি ইন্সটল করলে তবে দাদু-নাতি-নেট একসাথে হয়।
  • lcm | ২৫ জুন ২০১০ ১২:০৯455596
  • আর পারফর্ম্যান্স।
    ওয়ার্ড খুলে একটি ডকুমেন্ট লিখবে, বা, এক্সেলে একটা স্প্রেডশিটে ডেটা ভরবে, বা, ডিজিট্যাল ক্যামেরা থেকে একটা ইমেজ নিয়ে একটু কায়্‌দা করবে, বর্ডার লাগাবে, একটা ফাইল এফটিপি করবে - এতে পারফর্ম্যান্স তো ভালই, অন্য সব সিস্টেমের যা পারফর্ম্যান্স।
    এক মিলিয়ন রেকর্ড নিয়ে নিউমেরিক্যাল অ্যানালিসিস করতে চাও - তার জন্যে তো ইউনিক্স, মেইনফ্রেম আছে।

    ঈতশোক, ইউনিক্সের হাজার হাজার ফ্লেভারের ঝামেলা হল যে ভেন্ডর সফটওয়্যার বানাতে গিয়ে ধন্দে পড়ে যায়।
  • Arijit | ২৫ জুন ২০১০ ১২:১৪455597
  • উঁহু। একই ডকুমেন্ট (বেশি না, পঞ্চাশটা স্লাইডের পিপিটি) উইন্ডোজে খুল্লাম আর লিনাক্ষে ওপেনাপিসে খুল্লাম। ভিজিবল দুই ডিজিট সেকেন্ডের তফাত। এইমাত্র। দুটো সেম কনফিগারেশনের মেশিন - একটা পাশের টেবিলে এক্ষপি, আরেকটা আমার ডেস্কে CentOS

    আইই-র স্টার্ট-আপ টাইম আর ফাফ-র স্টার্ট-আপ টাইম - আমার কাছে রেকর্ড করা আছে - কত তফাত।
  • lcm | ২৫ জুন ২০১০ ১২:১৮455599
  • অরিজিৎ, ভালো তো। তাতে কি অসুবিধে হল বলো তো। ঐ কটা মাইক্রো সেকেন্ড বাঁচিয়ে কার কি হবে।

    দ্বিতীয় কথা, ওপেন অফিসের সাথে মাইক্রোসফট অফিসের তুলনা কোরো না ভাই। আমি দুটোই ইউজ করি। অবশ্যই মাইক্রোসফ্‌ট অফিস অনেক বেশী। কোন তুলনাই হয় না। দেখি ম্যাক অফিস একটা ক্রেইগলিস্টে শস্তায় দেখলাম মনে হল।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন