এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • মায়ের হাতের রান্না

    Sumit Roy
    অন্যান্য | ০৬ এপ্রিল ২০১২ | ৫৩৮৭৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Siddhartha | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০০:১৮537232
  • চিনচিনে সিঁতি বোলে তো?
  • byaang | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০০:১৮537231
  • "মা'কে গ্লোরিফাই করার কী নমুনা, না রান্নাঘরে ঘেমেনেয়ে খাবার বানাচ্ছে!!
  • T | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০০:১৯537233
  • চিনচিনে স্মৃতি।
  • Siddhartha | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০০:২০537234
  • আরে ঐ চিনচিনে সিঁতি বইবেন বলেই তো মা-কে রান্নাঘরে আটকে রাখছেন। নাহলে দু:খ পাবেন কি করে?
  • Ruchira | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০০:৩০537235
  • একটা ম্যাগ্গো বলে টই ছিল না? শন্‌কুর পোস্টটাকে সেখানে কপি করে রাখলে হয়। সত্যি!!!!
  • sayan | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০০:৩৬537236
  • একলট মার্কিন কাপড়, টুনদড়ি, মোমবাতি ও গালা রইল। শঙ্কুকে পার্সেল করতে কাজে লাগবে।
  • Ruchira | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০০:৪২537237
  • এরা কি খোঁচানর জন্যে এইসব লেখে না সত্যিই এমন মানসিকতা! ভাটেও দেখলাম লুচি ভাজা নিয়ে আবেগে ভেসে একজন এই জাতীয়-ই লিখেছেন। একজন সত্তরোর্দ্ধ মানুষের তাঁর মা কে নিয়ে nostalgia এক জিনিস, আর সেই যুগকে স্বর্নযুগ ধরে নিয়ে সেই রীতিকে প্রামাণ্য বলে দাখিল করা এই ২০১২তে, সত্য সেলুকস!
  • Ruchira | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০০:৪৬537238
  • BTW সুমিত রায়-র লেখাটি খুব ভালো লেগেছে।
  • sayan | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০০:৪৮537239
  • শঙ্কুর এই পোস্টটি মনে হয় নিতান্তই খোঁচানোর অভিপ্রায়। একটা মানুষের জীবনভোর রান্নাঘরে লড়ে যাওয়াকে সুস্থ মস্তিষ্কে আর যাই হোক, কেউ গ্লোরিফাই করতে পারে না। দ্যাট সেইড, দেয়ার আর মোর থিংস ....
  • Ruchira | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০০:৫৯537241
  • আচ্ছা - ওপরের পোস্ট-এ বয়েসের উল্লেখ করে ফেললাম বলে কেউ ভুল বুঝবেন না, যদ্দূর জানি সুমিত রায় আমার বাবার সহপাঠী, সেইজন্যেই সত্তরোর্দ্ধ কথাটা লিখে ফেলেছি, ওনার বয়েস নিয়ে ঈঙ্গিত করার কোনো উদ্দেশ্য আমার ছিলনা - sorry
  • nk | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০১:০৩537242
  • দু:খের কথাটা হোলো, শঙ্কু কেবল সমাজের সংখ্যাগুরু পুরুষের মানসিকতাটাই প্রকাশ করেছে, এরকমই আজও হাজার হাজার মধ্যবিত্ত ভারতীয় পুরুষেরা ভেবে থাকেন। শুধু ভারতীয়ই না, গোটা ভারতীয় উপমহাদেশের পুরুষ-মানসিকতা ও প্রায় একই।
  • rimi | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০১:৫০537243
  • এইরকম মানসিকতার মানুষই মনে হয় ভারতে সংখ্যাগুরু।
    আমার এক বান্ধবী ছিল কগনিজেন্টের এমপ্লয়ি, অনেককাল আগে। তাদের এক গ্রুপ গেছে আম্রিগায়। সেই দলে একটি মাত্র মেয়ে, আর সাত আটজন ছেলে। ছেলেদের মধ্যে সবাই বাঙালী, কেবল একজন ছিল দক্ষিনী। পয়সা বাঁচানোর জন্যে কগনিজেন যা চিরকাল করে থাকে (ভাবতেই অসম্ভব রাগ হয়ে যাচ্ছে আমার), সবকটাকে দিল এক বাড়িতে পুরে। সেখানে একই রান্নাঘর। আমার সেই বন্ধুটি অত্যন্ত গোছানো, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং সবরকম কাজে বিশেষ পটু। বাঙালী ছেলেরা পুরো উল্টো, বেজায় অগোছালো বেজায় নোংরা, কিন্তু বিন্দাস। মুশকিল হয়েছিল দক্ষিনী ছেলেটিকে নিয়ে। সে সবসময় এক্সপেক্ট করত যে দলের মেয়েটি বাকি সবার জন্যে রান্না করবে, এবং বাসনও ধুয়ে দেবে। এই নিয়ে সে রাগারাগি পর্যন্ত করত। যুক্তি হিসেবে বলত, চাকরি করুক আর যাই করুক, রান্না বাসন মাজা এগুলো তো মেয়েরাই করে, ছেলেরা তো এসব করে না।
    কি পরিমাণ অশিক্ষিত হলে পরে একজন তার কোলিগকে তার বাসন ধোবার কথা বলতে পারে, যেহেতু কোলিগটি একটি মেয়ে?
  • PM | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০১:৫৯537244
  • শঙ্কু টিপ করে ভিমরুলের চাকে ঢিল মেরে পালিয়েছে :)
  • Lama | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০২:০৮537245
  • উল্টোটা ভি হোতা হ্যায়। একবার কলেজ ফেস্টের সময়, আমার থেকে দেড়গুণ লম্বা আর তিনগুণ চওড়া অমুকদি বলল "দ্যাঁখ নাঁ ল্যাঁমিঁ, ওঁই ছেঁলেঁ তিঁনটেঁ আঁমাঁদেঁর দিঁকেঁ তাঁকিঁয়েঁ তাঁকিঁয়েঁ গাঁন গাঁইছে,' আমি শালা ৩৫ কিলো ওজনের বপু নিয়ে তিনটে মুশকো ছেলের গান বন্ধ করতে গিয়ে তাদের কাছে ক্যাল খেয়ে গেলাম। কি পরিমাণ অবিবেচক হলে জীবনানন্দ পড়া একটা প্যাংলা ছেলেকে তিনটে হুমদোর সঙ্গে ভিড়িয়ে দেওয়া যায় যেহেতু সে একটি ছেলে :)
  • Ruchira | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০২:১৮537246
  • লামা - আপনি গেলেন কেন? রিমির গল্পের মেয়েটি কি শুনেছে ঐ দক্ষিনি ছেলের কথা? রান্না করেছে, বাসন মেজেছে? আপনি পরিষ্কার বলতে পারতেন - কি পরিমাণ অশিক্ষিত হলে .... যেহেতু আমি একটি ছেলে

    আসলে আপনি নিজে জানতেন আপনি ছেলে - আবহমান কালের পুরুষ - অতএব ভাবলেন এ আপনার কর্তব্য
  • Lama | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০২:২১537247
  • ঠিক তাই। তখন কি আর অত ভেবিচি?
  • nk | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০২:২৫537248
  • লামা, স্যর গালাহাড হতে গেছেন তখন।

    এই আরেকটা জিনিস, বিরক্তিকর! ছেলেগুলো লায়েক হয়ে উঠলেই মেয়েদের দিকে আওয়াজ দিতে আরম্ভ করে, বন্ধুই যদি ভাবতো, একজন ফেলো হিউম্যান বলেই যদি ভাবতো তাহলে আর এই ইভ টিজিং নিয়ে এত সমস্যা হতো? আর ভারতীয় উপমহাদেশেই এই সমস্যা গগনচুম্বী। :-(
    এরই আরেকদিক আবার রক্ষাকর্তা পুরুষ,তেনারা পাহারা দেবেন, রক্ষা করবেন।
    যেন মেয়েরা মানুষ নয়, রক্ষণযোগ্য ও ভক্ষণযোগ্য বস্তু।
  • nk | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০২:২৯537249
  • রিমি, সেই ছেলে হয়তো মেয়েটাকে কোলিগ ভাবতেই খুবই রাগ গ্রস্ত হয়ে থাকতো। মনে মনে হয়তো ভাবতো, সে আর তার পুরুষ সহকর্মীরা যে চাকরি করছে, সেখানে একজন মেয়ে সেই চাকরি করবে কেন, সে করবে তাদের খিদমতের চাকরি। তাদের রেঁধে দেবে, পা টিপে দেবে, ঘর পরিষ্কার করবে, মাইনে পাবে অনেক কম আর যখন তখন গালাগালি খাবার জন্য প্রস্তুত থাকবে।
    দাসপ্রথা গেছে, কিন্তু মানসিকতা????
  • Ruchira | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০২:৪৩537250
  • এক দক্ষিনির কুত্‌কুতেপনার প্রতিশোধ নিয়েছিলাম একবার - সে ছিল এক বন্ধুর রুমমেট, ওপরের ঐ ইয়ের মতই একটু প্রাগৈতিহাষিক টাইপ - এদিকে আবার ঘোর নিরামিশাষী - ছুরি কাঁচি থালা বাসন সব আলাদা - চিনি পর্যন্ত খেত না, তাতে নাকি হাড়ের গুঁড়ো আছে, জুস খেতোনা, তাতে চিনি আছে। তা সে গেলো একবার interview দিতে, জিনিসপত্র বাড়িতে রেখে। সেই সময় তার ছুরি দিয়ে আমরা মুর্গি কেটে খেয়েছিলম। ভেনডেটা!

    অবশ্য ধুয়ে রাখা হয়েছিল ছুরিটা - কিচ্ছু টের পায়নি সে
  • Lama | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০২:৪৫537252
  • টের পাওয়া দরকার ছিল
  • Ruchira | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০২:৪৭537253
  • আমরা তো টের পাচ্ছিলাম - ও টের পেলে তো ছুরিটা ফেলে দিত, ওকে দিয়ে তো ব্যবহার করাতে হবে ওটা
  • Tim | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০৩:০২537254
  • ব্যবহার করার পর বলা হয়নি?
  • Ruchira | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০৩:২২537255
  • না - যতোদিন ওখানে ছিল ঐ ছুরি দিয়ে প্রাণের আনন্দে কাঁচকলা কেটে রান্না করত - আমরা হাসিহাসি মুখে চেয়ে থাকতাম।

    তাছাড়া যাবার আগে ওর Perry Masonগুলো আমায় দিয়ে যাবে বলেছিল তো, ছুরির কথা বলে খামকা আখের হারাই আর কি
  • Tim | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০৩:২৩537256
  • যাহ, তাইলে আর পোতিশোধ কিসের!
  • Ruchira | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০৩:৩৬537257
  • সে আপনি যা ভাবেন, আপনার প্রতিশোধস্পৃহা নিশ্চই আরো রক্তাক্ত - তবে ওকে ঐ ছুরি ব্যবহার করতে দেখে আমরা খুব আমোদ পেতাম - তার বেশি তো দরকার-ও ছিল না
  • Tim | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০৩:৫৫537258
  • দ্যাখেন, প্রতিশোধ ইত্যাদি আমি তো আর বলি নি, আপনিই বললেন।
    আমি হলে এরকম কিসুই কর্তাম না, কারণ সেই ছেলেটি তার ব্যক্তিগত ধর্মবিশ্বাসে চলছিলো। যতক্ষণ না সে আমাকে অসুবিধেয় ফেলেছে ততক্ষণ সে কি করলো সেটা দেখা বা তারে শিক্ষা দেওয়া আমার কর্তব্য না হওয়ারই কথা।
    আমোদের এই উপায়টা ঠিক হজম হলোনা। যাউগ্গা।
  • Ruchira | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০৪:০৬537259
  • ঠিক কি অসুবিধেয় ফেলেছে সব detail কি এখানে দেবার দরকার? আর শিক্ষার দেবার প্রশ্নই বা উঠছে কেন?
    যাকগে - আপনিও কাটান
  • aka | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০৬:১৬537260
  • মাদের প্রকৃত জায়গা কোথায় সেটা কি খুব বড় প্রশ্ন? মনে হয় না। কেউ যদি নিজের ইচ্ছেয় রান্নাঘরে জীবন কাটাতে চান তাহলে তাতে আপত্তির কি আছে? সারা জীবন রান্না করতে কারুর ভালো লাগে না। খুব সত্যি কথা, তেমনই কারুর সারা জীবন চাকরি করতেও ভালো লাগে না। আমার মতে যতক্ষণ না মেয়ে মাত্তরই রান্নাঘরে জীবন কাটাতে হবে এই কম্পালশন টা না থাকে ততক্ষণ কেউ রান্নাঘরে কাটাতে চাইলে আপত্তি কিসের? হ্যা আরও একটা ব্যপার আছে ইকনমিক ইণ্ডিপেণ্ডেন্স না থাকলে অনেক সময়েই সেকেন্ডারি ফ্যামিলি মেম্বারের রোল প্লে করতে হয়। যদি ধরে নিই সেসব কিছু নেই, মোটামুটি ফেয়ার ফ্যামিলিতে এইটা বড় ইস্যু নয়।

    আমি আমার তিক্ত অভিগন্তা শেয়ার করি। আমাদের বড় পরিবার, খুব স্বাচ্ছল্য কোনদিনই ছিল না, আবার সান্‌ঘাতিক দারিদ্র্যও ছিল না। মাঝে মাঝে প্ল্যানিঙ্গের ভুলেই খাবার দাবার কম পড়ত। সেক্ষেত্রে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখেছি সেটা মা, কাকিমারা সেসব চেপে গিয়ে নিজেরা কম খেত, মুড়ি খেত। অনেক পরে সবাই মিলে চেচামিচি করায় সেই ব্যবস্থায় বদল হয়েছিল। কিন্তু তদ্দিনে ক্ষতি যা হবার হয়ে গেছে। মেয়েদের নিউট্রিশন অনেক বেশি লাগে, একটা সময়ে ক্যালসিয়াম ইত্যাদি ইনটেক অনেক বেশি দরকার। নইলে অস্টিওপুরোসিস জাতীয় রোগ খুব সহজে হয়। আমার কাছে পরিসন্‌খান নেই কিন্তু বঙ্গদেশে এই জাতীয় এব্‌ণ্‌গ আরও অনকে রোগ যা কিনা ম্যাল নিউট্রিশন থেকে হয় সেই জাতীয় রোগ প্রচূর দেখা যায়। বা খুব কঠিন রোগ হলে তার সাথে যুঝতে পারে না। কারণ অনেকটাই ঠিক্‌ঠাক নিউট্রিশন ইন টেক না থাকার জন্য। এই বোধ না মায়েদের ছিল, না বাবাদের ছিল, না সমাজ হিসেবে বঙ্গদেশের ছিল। আস্তে আস্তে এই ব্যবস্থা বদলাচ্ছে সেটাও সত্যি।
  • Nina | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০৭:০৫537261
  • সুমিতদা
    আবার পড়লাম তোমার লেখাটা---আবার ভাল লাগল--আবার আমার নিজের মার কত কথা মনে পড়ে গেল----
    তোমার অন্যপাতার "আমার বাবু" ওটা কালকে পড়ব আবার----বাবার কথাও খুব মনে পড়ছে ---মনের মণিকোঠায় এখন তাঁদের বাস!
  • rimi | ১১ এপ্রিল ২০১২ ০৭:১৬537263
  • হ্যাঁ, মায়েদের প্রকৃত জায়গা কোথায় এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। কারণ এই প্রশ্নটা মানুষের মনে আসে।
    বাবাদের প্রকৃত জায়গা কোথায় এই প্রশ্ন কেউ করে না। বাবার সম্পর্কে একথা কেউ বলে না, ভাবতেও পারে না যে "কোনো বাবা যদি নিজের ইচ্ছেয় রান্নাঘরে কাটাতে চান তাহলে আপত্তি কিসের"।

    "ফেয়ার ফ্যামিলি" (যেমন সোনার পাথরবাটি!!) তেও ডিভিশন অব লেবার একটা বিরাট ইস্যু। পাই যেমন বলেছে, এখন মেয়েরা চাকরি করে ঠিকই, কিন্তু চাকরির সঙ্গে সঙ্গে সংসারের সিংহভাগ দায়িত্বও তাদের নিতে হয়, যেখনে বাবারা মোটামুটি পয়সা রোজগার করে বাড়ি এসে পায়ে পা তুলে টিভি দেখে কিম্বা কম্পিউটার নিয়ে পড়ে থাকে। গুরুতে কিছু ব্যতিক্রম থাকতে পারে, কিন্তু সাধারণ ছবিটা এমনই। মায়েদের ঘাড়ে সংসার এবং সন্তানের ৯৯% দায়িত্ব থাকে, এসব করে যদি কেউ চাকরি করতে পারে তো করে!!!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন