এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • বাংলা-মিডিয়াম

    tatin
    অন্যান্য | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১০ | ১৭৬৭৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • একক | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০১:৩২459460
  • :)

    ওই অংশটুকু আমিও যে দাবি করছি তা না :) মনে হচ্ছে জাস্ট। "নার্ভাসাও নাহি মুড়া" কিন্তু কৃত্তিম ভাষা নয়। এতে হিন্দি বলয় ক্রুদ্ধ হচ্ছেন তাও না। নতুন জেনেরেশনের বাঙালিরা বাংলা+হিন্দি+ইংলিশ মিলিয়ে দারুন একটা ভাষার জন্ম দেবে বলেই মনে হয়।
  • :) | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০১:৪২459461
  • কিন্তু একটা ফ্যালাসি আছে। একটা জেনারেশন মোটামুটি ইংরিজি শিখে আশে পাশে ভাষাটাকে "লাইভ" করে ফেললে উইদ অল সর্ট অব নন-ফিক্সড স্ট্রাকচার, নুয়ান্সেস, সময়ের সঙ্গে পাল্টে পাল্টে যাওয়া লিন্গুইস্তিক কম্প্লেক্সিটি। তখন জীবন্ত" ইংরিজি ভাষাটা শেখা সহজ থাকবে?
  • একক | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০২:২১459462
  • হ্যা,এই ফ্যালাসি টা আছে। অবস্যই আছে। তখন দেখা যাবে ছাপড়ার লোক "ভুল" ইংরিজি বললে ডেলাইট রা হাসিঠাট্টা করছে। তদ্দিনে একটা "আরবান ইংলিশ" তার সংসার গুছিয়ে বসেছে।

    এইখানে একটাই বক্তব্য। কোনকিছুই "সমাধান" নয়, সবকিছুই পাথেয়। চিরকাল একরকম চলবে না তো। আমরা ভাষা নিয়ে এতো হ্যাজাচ্চি তার একটা মুখ্য কারণ সারা ভারতের একটা কমন সেট দরকার যা কিনা সিভিল রুলস, রেগুলেশন এবং তার পরের লেভেলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে মানুষের কাছে পৌছে দিতে পারে। এর বাইরে কোনো কারণ আমার নেই।

    এখন ইংরিজি এই ফরেইন এনটিটি টাকে যদি খুব সহজ অবজেক্টিভ লার্নিং দিয়ে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় তাহলে ওপরের প্রয়োজনগুলো অনেক সহজে মিটবে। এর সঙ্গে আসবে চিহ্ন -ছবি -ইমোটিকন-মুড্ বেসড পিকটোরিয়াল এই সব কিছু। মানুষ কোন ভাষায় গান গাইবে বা পদ্য লিখবে আমার মাথাব্যথা নয়। আমার দরকার জাস্ট চিহ্ন দিয়ে চিহ্ন দিয়ে একশন কো-রিলেট করিয়ে দেওয়া।

    আমি বাংলা মিডিয়াম এ পড়েছি তো। ছোটোবেলায় দেখতুম ইংরিজি মিডিয়াম এর বন্ধুরা বিজ্ঞানের সংজ্ঞা আমাদের চে অনেক পারফেক্ট লেখে। কেও কেও ঈর্ষাকাতর হয়ে বলতো ও ব্যাটারা না বুঝে মুখস্থ করে নাবায়। ধরুন একজনকে রিফ্র্যক্তিভ ইন্ডেক্স এর সংজ্ঞা জিগ্যেস করলুম। ঠিকঠাক বলল। রিফ্র্যক্ষণ এর সংজ্ঞা জিগ্যেস করলুম। অবিকল বই এর ভাষা। এবার আলোর সংজ্ঞা। সেটাও নিখুঁত নাবালো। আর আমরা "বুঝে লিখতে" গিয়ে বারংবার এমন সংজ্ঞা লিখি যা ঠিক নিখুঁত হয়না। আমরা একটা "আমরা বেশি বুঝি" নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতুম।

    এই ধাঁধা টা কাটতে অনেকদিন লেগেছে। অনেক পরে বুঝেছি সায়েন্স আসলে "টেক্সট" নয়। টেক্সট কে ডিকন্স্ত্রাক্ত করা যায়। কবিতার ভাষা টেক্সট। খবরের কাগজের ভাষা-মুখের ভাষা তেও প্রচুর "টেক্সট" থাকে। সায়েন্স ওই লিবার্টি টা পাঠক কে দেয় না। যেটার যা সংগা সেটা সেই সায়েন্টিফিক স্কুল ডিফাইন করে ছেড়ে দিয়েছে। কবিতায় পদার্থ লেখা আর বিজ্ঞানে পদার্থ লেখা একেবারেই সমান নয়। তাই ওখানে "আমার মত করে বুঝে লেখা" বলে কিছু হয়না। এই সুবিধে টা বিজ্ঞানের আছে। এটা একচুয়ালি ওই চিহ্ন দিয়ে চিহ্ন তাই দিয়ে চিহ্ন এবং তাই দিয়ে বাই স্কুল ডিফাইনড একশন কে কানেক্ট করার খেলা। এখানেও সংজ্ঞা পাল্টায় কিন্তু ফলসিফিকেশন টা ওই স্কুল নিজে হোল্ড করে। একটা ফ্লোটিং রিয়ালিটি অনেকটা মিউসিকের মত। "ভাষা" টা প্রধান নয়। হেজিমনির দায় নেই। "আলো" মানে কী এটা ভেবে মাতৃভাষা বাংলা এমন একজন শিক্ষার্থী এক্সট্রা চাপ খাবেনা।

    ঠিক এই কারণেই কৃত্তিম বলুন বা ফরেইন এনটিটি এরকম ভাষা দিয়ে সায়েন্স পড়িয়ে একটা জনগোষ্ঠির মধ্যে থেকে আউটপুট বের করে আনা সহজ। এবার আপনি যেমন বললেন আফটার লং টাইম ওই ভাষাটাও হাজার শেকড় গড়বে কিন্তু তদ্দিনে ম্যাক্সিমাম লোক একটা কমন সাইন সিস্টেম পেয়ে যাবে। এই আর কী। এর বিরোধী স্কুল প্রচুর আছে। লাক্য, বদ্রেল্য সবাই বিরোধিতা করেন। এনারা বলেন এভাবে চললে মানুষ মেশিনে পরিণত হবে ইত্যাদি। কিন্তু আমাদের এই বহুভাষাভাষী এবং ভাষা নিয়ে রাত্রদিন ঝগড়া করা দেশে ইংলিশ কেন ফ্রেন্চ দিয়ে শিক্ষাবিস্তার শুরু হলেও এই কারণেই সমর্থন করবো।
  • সে | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০২:২৬459463
  • "Name: একক

    IP Address : 229.64.77.252 (*) Date:23 Feb 2015 -- 01:16 AM

    এই একটা শব্দে আটকে ছিল বলে বাকীটা বোঝা যায়নি ? :))) কী সাংঘাতিক কনটেক্সট লেভেল প্রসেসর !"

    ------------------------
    উঁহু। এক্কেবারেই নয়। সম্পূর্ণ ভুল ইন্টারপ্রিটেশন।
    শব্দটা ভুল ছিলো, সেটা শুধরে দিয়েছি।

    এবার আরো ভালো করে বুঝিয়ে দিই? :-))) আগের পুরো টেক্স্টটাই বোঝা যায় নি। পরবর্তী টেক্স্টটা বোঝা গেছে। আগের টেক্স্টটা বোঝা যায় নি। এর সঙ্গে প্রোসেসরের কী সম্পর্ক? কার প্রোসেসর? কীসের প্রোসেরর? :-)))
    এইজন্যেই বলেছিলাম, ভয়ে লিখি না নির্ভয়ে লিখি?
    লেখা পড়ে আগাগোড়া মাথামুন্ডু কিসুই বোঝা ন গেলে সেটা বলব না? ;-)) বেশ। জানা রইল। পড়ে বুঝতে পারলে তবে তো উঠবে ক্রিটিসিজিমের ব্যাপার। মোট কথা ঐ আগের টেক্স্টটা হয় নি। ওটা কোনো টেক্স্ট্‌ই হয় নি। ;-))))))))) আদপেই হয় নি। এইটুকুই।
  • একক | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০২:৩৯459464
  • প্রসেসর কথা টা ইচ্ছে করে খোঁচা দেওয়ার জন্যে লিখেছিলুম তো। বুঝতে না পারলে "হয়নি" সিদ্ধান্তে পৌছনো দেখে :) ভাষা ব্যাপারটাই এরকম। ":)" আমার আগের লেখাটা পড়ে একটা কন্টেক্স্টচুয়াল প্রশ্ন করলেন। অমনি ওটা টেক্সট এর স্বীকৃতি পেয়ে গ্যালো। আপনি অবস্যই প্রশ্ন করবেন। আমরা তো দেয়ালের এপারে ওপারে বসে থাকা অসংখ্য মেশিনের মত। কমিউনিকেশন তৈরী হলে "ভাষা" নইলে নয়। এবার ন্যাচেরালি একটা মেশিনের অপর এর আউটপুট না বোঝার জায়গা আছে। "কিচ্ছুই হয়নি " বলার জায়গা আছে। অপরেরও প্রসেসর নিয়ে বলার জায়গা আছে। বলবেন, ভয়ের কিস্যু নাই।খারাপ লেগে থাকলে দুঃখিত। ওপিনীয়নের উত্তরে একটু ওপিনিয়ন পাস হবে। পার্ট অফ দ্য গেম :)
  • একক | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০২:৪৫459465
  • "ওপরের পোস্টটায় একক কী লিখেছেন সেটা নিজে বুঝেছেন তো?"

    এই জন্যে প্রসেসরের কথা এসেছিল। দিস ইস অপিনিয়ন। অন্য মেশিন আমাকে ডিনাই করতে পারে সেটা পার্ট অফ আন্ডারস্তান্দিং এন্ড স্টেটমেন্ট, প্রসেসর কে সন্দেহ করা টা অপিনিয়ন :)
  • সে | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০২:৫১459466
  • খোঁচা শুধু এক তরফাই বা হবে কেন? তাই না? আপনি আমায় খোঁচা দিলে পাল্টা খোঁচার জন্যে প্রস্তুত থাকবেন।

    এবার অন্য প্রসঙ্গ - আমি নিজেকে মানুষ বলে মনে করি, মেশিন নয়।
  • sthobre | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৩:০৭459467
  • @একক "নার্ভাসাও নাহি মুড়া" টা ভোজপুরি ই :)। আমার গ্রামের সব লোক রেশন কে বলে কন্ট্রোল। এই স্মার্ট শব্দ কথা থেকে তারা শিখেছে জানি না, কিন্তু সেটা গ্রামের ভোকাবুলারি র পার্ট এখন। ভোজপুরি তে এরকম অজস্র শব্দ আছে। আর আজকের বাংলাও সংস্কৃত-হিন্দি-উর্দু-মৈথিলি-ফার্সি-আরবী বহু ভাষা মিশ্রিত ই। সে ভাষা মানুষ ব্যবহার করে ঘাড়ের উপর চাপানো বোঝা নয়। আপনি একটা মিশ্র ভাষার পক্ষপাতি যদিও সেটা আসলে ককটেল বানানোর মত সহজ নয় বলেই মনে হয়, আর হবেও না। কারণ ভাষার শুধু সংখ্যা কমার নয় হঠাত সংখ্যা বাড়ার নিদর্শন ও ইতিহাসে আছে, যেমন ল্যাটিন অপভ্রংশ থেকে স্প্যানিশ ইতালিয়ান জার্মানি। তাই একটা জগাকিচুরি না একটা জগাকিচুরি থেকে অজস্র ভাষার জন্ম ও নিতে পারে তখন আবার আগ্রাসন এর প্রশ্ন আসতে পারে নতুন করে। তাই ভবিষ্যত কি হবে সেটা বোঝা বেশ দুস্কর।
    কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে আমি ঠিক আগ্রাসন এর উল্টোদিকে যতগুলো সম্ভব ভাষা কে টিকিয়ে রাখার পক্ষপাতি কারণ এই বৈচিত্র কেবল আবেগ এর বিষয় নয়, এ জিনিস লোকাল নলেজ কেও ধারণ করে। আর খন্ড রাজ্য খন্ড রাষ্ট্র গঠনের ব্যবস্থার মধ্যেই যা ভায়োলেন্স আছে - যা নির্ধারণ করে কোন টা হবে লোক সাহিত্য কোনটা মূল ধারার সাহিত্য অর্থাত কারা মূল ধারার মানুষ আর কারা প্রান্তিক- কোনটা উচ্চ মানের সাহিত্য কোনটা ফোকলোরে - এই সহজ বিভাজন এর উল্টোদিকে অবস্থান- মানেই ভাষা গত বৈচিত্র কে টিকিয়ে রাখার পক্ষাবলম্বন। ঠিক যে কারণে ইকোলজি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকিতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্যে, ভাষাগত বৈচিত্র একান্তই আবশ্যিক সামাজিক ভারসাম্যের জন্যে। অন্য ভাষা থেকে শব্দ নিয়ে ভাষা সমৃদ্ধ হয় ভাষা উবে যায় না, ভাষা উবে যায় একটা ভায়োলেন্স এর মধ্যে দিয়ে।

    তবে আমি আপনার মত অনুযায়ী বিদেশে ভাষা শেখানোর ব্যাপারটাকে সমর্থন করি

    আর আমার মনে হয় cognitive নেটওয়ার্ক তৈরী তে, এলিমেন্টারি রিডিং এর fluency, কনটেক্সট থেকে অর্থ উদ্ধার করতে পারা এসব গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো, যা প্রাথমিক শিক্ষা থেকে পাওয়া উচিত, এবং সেগুলো করতে পারার জন্যে "মাতৃভাষা" এর মাধ্যমে শিক্ষায় যুক্তিযুক্ত এবং সহজসাধ্য । সেটা বিজ্ঞান চর্চা বা দিতীয় ভাষা শেখার সহায়ক বলেও মনে হয়। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় সেগুলো তে প্রচুর গলদ।
  • একক | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৩:০৯459468
  • একদম :) ব্যাট-প্যাড পরে প্রস্তুত ছিলুম বলেই তো "নিজে বোঝার" খোঁচার পাল্টা গ্যালো :) এসব নিয়ে আমার কোনো চাপ নাই। পত্রপাঠ খোঁচা এবং কোনো রাগ পুষে রাখিনা। আপনিও পেলেই পাল্টা দেবেন। আপাতত এট্টু গান শুনি।
  • একক | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৩:১৩459471
  • @STHOBRE

    আপনি অবস্যই যার যার ভাষা ধরে রাখার প্রচেষ্টার পক্ষপাতি হতে পারেন। সেটা ভুল কিছু না। দুনিয়ার সবাই মিলে এক ডিরেকশনে হাঁটলে তো মুশকিল। আমি ভাঙ্গার কথা বলবো,কেও জোড়ার কথা এভাবেই চলবে। এই দুটো ব্যাপারই হইচই করে চললে ইনারশিয়া টা কাটবে। যেটা একচুয়াল উদ্দেশ্য।
  • sthobre | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৩:১৩459470
  • একটা ভুল আছে উপরে স্প্যানিশ ইতালিয়ান ফ্রেচ্ন্হ হবে
  • kd | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৫:০২459472
  • ভারতে প্রচলিত ইংরেজি তো পুরো এদেশী। বিলেতের ইংরেজি আমেরিকানরা, অস্ট্রেলিয়ানরা বা সাউথ আফ্রিকানরা নিজের নিজের মতো করে নিয়েছে, ভারতেও তো তাই হয়েছে। অনেক ভারতীয় (ইংরিজি?) শব্দই অন্য দেশে নেই (prepone), এদেশীয় বাক্যবন্ধন আলাদা (today afternoon), "only"র অবস্থান বা আর্টিকেলের ব্যবহার (a, the)। অন্য ইংরেজি ভাষাভাষি দেশের লোকেদের গোড়ায় গোড়ায় একটু অসুবিধে হ'লেও ইভেনচুয়ালি অ্যাডজাস্টেড হয়ে যায় - এটা পারস্পরিক, ভারতীয় ইংরিজির ক্ষেত্রে আলাদা কিছু নয় (বরং জাপানী ইত্যাদিদের ইংরিজি বুঝতে কিছু বিয়ার লাগে)।

    তবে হ্যাঁ, দক্ষিন ভারতীয় প্রফেসরের লেকচার শুনে বেশ কিছু ঘর্মাক্ত ছাত্র/ছাত্রীর দেখা পেয়েছি - দিশি ছেলেমেয়েদের পেছনে নোট ভিক্ষে করতে।

    ডিঃ পাঁচটা বাজে, এখনও ঘুম আসেনি - কি লিখেছি জানি না। আমি দায়ী নই।
  • S | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৬:৪০459473
  • আগের দিনের মতন এখন একইসাথে বাঙ্গলা, ইঙ্গরাজী, উর্দু, ল্যাটিন, হিন্দী, সংস্কৃত শেখা সম্ভব নয় - যদি না কেউ ভাষাবিদ হতে চান। আজকাল কোনো বাবা মাই ছেলেপিলেকে সেটা বানাতে চান না। তাছাড়া সায়েন্স, ম্যাথের এতো দাপট যে ভাষা সেকেন্ডারি সাবজেক্টে পরিনত হয়েছে। এখনকার পিতামাতাদের যা টার্গেট তাতে প্রাক্টিকালি ইঙ্গরাজি মাধ্যমেই দেওয়া উচিত। যদি না কেউ নিজের ঘরে বিপ্লব শুরু করতে চান।

    অ্যাকসেন্ট নিয়ে যেটা ভারতীয়দের মধ্যে রয়েছে তাতে রীতিমত হাসি পায়। নর্থ ইন্ডিয়ানরা মনে করেন যে তাঁদের অ্যাকসেন্ট বেস্ট, আর তাড়াতাড়ি কথা বলাটা একটা ইস্টাইল। এতো তাড়াতাড়ি বলে যে সাহেবদের বলতে হয় এক্টু ধীরে বলুন।

    বামিতে পরতাম বলে ইনঃ কমঃ তো ছিলই। তবে ইঙ্গরাজীটা শুনে বুঝতে পারতাম। তার জন্যে আমি প্রনয় রয় আর হলিউডকে ধন্যবাদ জানাই। আমার অনেক বন্ধুরাই মোটামুটি ইঙ্গরাজী শিখে দেশে (কেউ কেউ বিদেশেও) কাজ কম্ম করে খাচ্ছে।

    আর ইঙ্গরাজী মাধ্যমে পড়লেই যে ভালোভাবে লিখতে পারবে, একেবারেই নয়। অনেক আমেরিকানদের লেখা দেখে মনে হয়েছে এর থেকে তো ভালো আমিই ঐ বয়সে লিখতে পারতাম। তাই লিখতে পারাটা লিখতে শেখাটা আলাদা একটা ট্রেনিঙ্গ। আমার নিজেরই মনে হয় যে আমার বাঙ্গলা লেখার থেকে ইঙ্গরাজী লেখা বেটার। যেহেতু আমার লেখার ট্রেনিঙ্গটা হয়েছে - হচ্ছে ইঙ্গারাজীতে। বাঙ্গলায় আমি চিরকালই কাঁচা ছিলাম, আছি, থাকবো।

    এই বলে আমি আমার বক্তব্য শেষ করলাম।
  • ন্যাড়া | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৮:৫২459474
  • আমার মেয়েদের বাংলা শেখাই না। বাংলা বলতেও আর চাপ দিই না। কলকাতায় গেলে বা দাদু-দিদা-ঠাম্মা এলে তাদের সঙ্গে বাতচিৎ করতে পারলেই যথেষ্ট। লিঙ্গুইস্টিক শভিনিজম রিলিজিয়াস বা ন্যাশানালিস্টিক শভিনিজিমের থেকে বিরাট কিছু ভাল নয়।

    যদিচ আমি বাংলা মাধ্যমের লোক। টুটাফুটা ইংরিজি দিয়ে চলে গেছে কলেজদিন থেকে। স্কুলে পড়ার সময়ে অবশ্য হাল্কা হীনমন্যতা থেকে থাকতে পারে। তবে সে তো উত্তরের ছেলেদের দক্ষিণ কলকাতা নিয়েও হীনমন্যতা ছিল অল্পবিস্তর।
  • S | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০৮:৫৭459475
  • একটু পার্থক্য আছে।
  • :) | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ১৪:১১459476
  • আর্কাইভিং টা প্রপার থাকলে ভাঙাটা নিয়ে চিন্তিত হতাম না। শুধুমাত্র লোকাল নলেজই নয়, একটা ভাষায় যাবতীয় রচনা, গ্রন্থিত, অগ্রন্থিত,অপ্রকাশিত, মৌখিক সবই সামগ্রিকভাবে জনগোষ্ঠীটির দর্শন, অনুভূতি, চিন্তা, আবেগ, শঙ্কা এসব বহন করে। এমনকি অনুবাদ এর মধ্যেও মিশে যায় জনগোষ্ঠীটির প্রাত্যহিকতা, প্রাসঙ্গিকতা, প্রায়োরিটি। শিশুসাহিত্য ধরে রাখে ভবিষ্যৎ এর গতিমানস নির্ধারণ ও গাইডেন্সের রাজনীতি-দর্শন। আর্কাইভিং প্রপার থাকলে, কিছুদিন পরে ভাষাটা নষ্ট হয়ে গেলেও এই জ্ঞান শুধু নয়, এই সামগ্রিকতা ভবিষ্যেতের প্রয়োজনে পুনরুদ্ধারযোগ্য থাকে। যতদিন পর্যন্ত সেই আর্কাইভিং একটা ভাষার ক্ষেত্রে কার্যকরী না হচ্ছে, ততদিন ভাষাটাকে বাঁচাবার চেষ্টার কথাই বলব। জোড়ার কথাই বলব।
  • সিকি | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ১৭:৩৯459477
  • "ভারতে প্রচলিত ইংরেজি তো পুরো এদেশী"।

    ঠিক তাই। এদেশীরও ভাগবাঁটোয়ারা আছে। উত্তরভারতীয়রা দক্ষিণভারতীয়দের নিয়ে প্যাঁক মারে - মাদরাসীলোগ অ্যাম কো বোলতে হ্যায় ইয়্যাম, অ্যান কো বোলতে হ্যায় ইয়্যান।

    অস্ট্রেলিয়াতে প্রচলিত ইংরেজিও পুরোপুরি অস্ট্রেলিয়ান। আমেরিকার ইংরেজিও পুরোপুরি আমেরিকান। :)
  • Arpan | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ১৮:০৩459478
  • উভারাও কিছু কম যান না। প্যারিসকে বলবেন পেরিস, রায়ানকে বলবেন রেয়ান।

    কিন্তু এগুলো তো উরুচ্চারণের দোষ। বিচিত্র শব্দবন্ধের উদ্ভাবন ও প্রয়োগের দিক থেকে দেখতে হবে। যেমন একটি সাউথ ইন্ডিয়ান মেয়ে আরেকজনকে আপিসের সহকর্মীকে বলছে টুডে আই টুক হেড বাথ। মানেটা দাঁড়াল তিনি আজ বেণী ভিজিয়ে চান করেছেন।

    নিন, কী বলবেন বলুন।
  • সিকি | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ১৮:১৬459479
  • এরে কয় ডায়ালেক্টো। উভারা লায়নকে বলেন লয়েন, আর ক্রেশকে বলেন ক্রেচ।

    তো, আমাদের স্ট্যান্ডার্ড কথ্য ইংরেজি শেখা সেই প্রণয় রায়ের হাত ধরে, পরে পালিশ হওয়া বরখা দত্তের মাধ্যমে।
  • sm | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ১৮:৩৮459481
  • স্ট্যানদার্দ কথ্য ইংলিশ শিখতে গেলে, সবচেয়ে ভালো উপায় হলো, বি বি সির নিউস শোনা। পৃথিবীর বেস্ট কারেক্ট ইংলিশ একসেন্ট ওখানেই পাবেন।
    যদি ইংল্যান্ডেও যান,তাহলে নিউ কাসেল অঞ্চলে এক বিচিত্র একসেন্ট, পাবেন; যেমন শুন ডে, মুন ডে ইত্যাদি।
    স্কট ল্যান্ড, আয়ার ল্যান্ডে যান, মনে হবে সুর করে তুলসী দাস শুনছি।
    ইংল্যান্ডের লোকেরা আবার অস্ট্রেলিয়া,কানাডার একসেন্ট নিয়ে দুশ্চিন্তায় পাগল।
    আমাদের দেশে কয়েকটি বিসনেস চ্যানেলের ছেলে মেয়েরা ভালো একসেন্টে কথা বলে।
  • Abhyu | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ১৮:৪৩459482
  • আটলান্টায় কথোপকথন।
    - আপনি শুনলাম নতুন গাড়ি কিনেছেন? কি গাড়ি?
    - বলবো।
    - বলুন।
    - বললাম তো, বলবো।
  • potke | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ১৮:৪৫459483
  • "বলবো" নিয়ে এয়ার্কি না -ঃ)
  • sm | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ১৯:০৬459484
  • উড়িয়া বাঙালি কথপোকথন।
    অচ্ছা, বঙ্গালী, তমরা ঠিক করি কি, ইংলিশ কোই পারুনি।
    বাঙালি কেন?
    তমরা কভর কো কভার (কভার) কৌছ পরা, লঙ কো লাঙ( lung ) কৌছ।
    বাঙালি ঠিক ঠিক।
    কালি, পিকনিক যিবা?
    জিবি।
    কালি, সেয়াডে লন্চ করি কি,পিকনিক জিবো।
    বাঙালি- লন্চ করিকি ? মু জিবিনি। মোর জলে ফাঁড়া আছি।
    সমবেত অট্টহাস্য। লন্চ( লাঞ্চ) মানে ভাতও খাইকি।
  • Arpan | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ১৯:৪২459485
  • এটার নিজের হাতেগরম অভিজ্ঞতা।

    জনৈক ওড়িয়া সহকর্মীঃ তুমি বাড়ি যাবে না? বস তো চলে গেল।

    আমিঃ দাঁড়াও বাওয়া, বসেরই কাজ করছি।

    (অতঃপর একপ্রস্থ কনফিউশন)
  • | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ১৯:৪৬459486
  • এই রকমই

    আমি তো বসে চেপে বাড়ি যাই !!

    তাছাড়া "লঞ্চ" করা।
  • trx | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ২০:৫১459487
  • "নিউ কাসল" নয়, জায়গাটার নাম "নিউকাসল" (বা নিউক্যাসল)। স্পেসটা নেই, এবং সেটা দিলে জর্ডিরা ধরিয়ে দিতে কসুর করে না। দ্বিতীয়তঃ শুন/মুনডে মূলতঃ ইয়র্কশায়ারি অ্যাকসেন্ট, জর্ডি নয়।
  • 4z | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ২১:৫০459488
  • শুনডে, মুনডে, বুস, কুট - এগুলো ইয়র্কশায়ারি, খামোখা জর্ডিদের ঘাড়ে চাপান কেনে?
  • potke | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ২১:৫১459489
  • রুবিশ--আরেক ইয়র্কশায়ারি ফেমাস করেছিল ঃ)
  • sm | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ২২:১৬459490
  • আরে গুগল লে আউটে লিখতে গেলে ওয়ার্ড ভেঙ্গে ভেঙ্গে লিখতে হয়। স্পেস ডিলিট অনেক সময় করা হয়ে ওঠে না।নিচের লিঙ্কে দেখুন, কেমন উচ্চারণ হয় বাঙালি কানে।
    তা,মহাশয় কয় বছর ছিলেন, ইংল্যান্ডে?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল মতামত দিন