
শুধু অপেক্ষায় রয়েছি এখনও কারো ছায়া কুড়িয়ে নিতে অন্যজন আসেনা কখনও। ... ...

তাতে কিছু যায়-আসে না। মাচ অ্যাডো না পড়েও এম-এন-সির ম্যানেজারি দিব্যি করা যায়। ওগুলো আসলে শিং। শিং জানেন তো? চতুষ্পদের নয়, দ্বিপদের। শৃঙ্গী চতুষ্পদের পিঠে একটা কুঁজ থাকে। তীক্ষ্ণ ধারালো শৃঙ্গদ্বয় উপেক্ষা করে যে জড়িয়ে ধরতে পারে সেই পিঠের কুঁজ, তার পুরস্কার অন্য আর এক জোড়া! দ্বিপদ শৃঙ্গীর আহরিত জোড়া কুঁজ যদি কেউ চুরি করতে যায় তার শাস্তি জানেন? ... ...

হঠাৎ বাসটা ডান দিকে ঘুরে গেল! কি হল ব্যাপারটা? যাত্রীদের মধ্যে একটা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ল। তমাল এতক্ষণ খেয়ালই করেনি যে গাড়ি পুরো ঠাসা, ঘাড়ের ওপর লোক ঝুঁকে পড়ছে। কিন্তু আনোয়ার শাহ রোডে বাসটা ঘুরে গেলো কেন? এরকমটা তো মহরমের দিন হয়। তমালের মাথায় চিন্তাটা আসতেই একজন বলে উঠলো, নিশ্চয়ই মুসলমানদের কোনও পরব! ... ...

‘’রো বনাম ওয়েড’’ মামলার পতনের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রাজ্যভেদে গর্ভপাতের সুযোগের দৃশ্যপট উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। অনেক রাজ্যের আইনসভাই নতুন নতুন গর্ভপাত বিধিনিষেধ তৈরি করেছে এবং অনেকে আবার বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞাগুলি কার্যকর করতে শুরু করেছে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, কিছু রাজ্য গর্ভপাত পুরোপুরি নিষিদ্ধ বা অত্যন্ত কঠোরভাবে সীমাবদ্ধ করেছে; আবার কিছু রাজ্যে গর্ভাবস্থার বিভিন্ন পর্যায়ে (৬, ১২, ১৮ সপ্তাহ বা ভ্রূণের প্রায় কার্যকর হওয়ার মতো সময় অর্থাৎ ২৪ সপ্তাহের কাছাকাছি) গর্ভপাত নিষিদ্ধ করা হয়েছে, অন্যরা আবার গর্ভপাতের সুযোগ বজায় রেখেছে বা প্রসারিত করেছে। মোদ্দা কথা গর্ভপাতের জন্য নির্দিষ্ট গর্ভকালীন বয়সসীমা সম্পূর্ণরূপে সেই রাজ্যের উপর নির্ভর করে যেখানে এই প্রক্রিয়াটি চাওয়া হচ্ছে। ... ...

বিরজু এখন আর তর্ক করে না। তর্ক করে লাভ নেই। সিদ্ধান্ত মানেই সিদ্ধান্ত। পাগলটাকে মারতেই হবে। তবুও তো তার ভাগ্য ভালো একটা পাগলকে মারবে সে। চাঁদুর ভাগ্য তার চাইতেও খারাপ ছিল। তাকে মারতে হয়েছিল ক্লাস টেনে পড়া ফুলকুমার মান্ডিকে। যখন মাওবাদীদের ভয়ে গ্রামের পর গ্রাম ভয়ে সিঁটিয়ে থাকত তখন সে ব্যাটা সাইকেল চালিয়ে একা একা জঙ্গল পথে স্কুলে আসত। কমান্ডার বলেছিল। ও ব্যাটা নির্ঘাৎ পুলিশের চর। স্কুলে আসার নাম করে বেলপাহাড়ী আসে আমাদের গতিবিধির খবর দিতে। শালার কী ভয় ডর নাই? একজন সাহস দেখালেই অন্যরা সাহস পাবে। মাধ্যমিক সামনেই ছিল কিন্তু তার আগেই চাঁদু তাকে শুইয়ে দিল জঙ্গল ঘেরা পিচ ঢালা রাস্তায়। তারপর চাঁদু তিনদিন ঘুমায়নি। এক রাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে বিরজু দেখল, চাঁদু চাটাইয়ে উঠে বসে রয়েছে। সে ফিসফিস করে বলেছিল, কী হয়েছে চাঁদু? চাঁদু উদভ্রান্তের মত তার দিকে তাকিয়ে বলেছিল, আমি রাস্তার মাঝামাঝি দাঁড়িয়ে ছিলাম। ছেলেটা আমাকে দেখে সাইকেল থামিয়ে নামল। তারপর জিজ্ঞেস করল, বাবা! চাঁদু কাকা কত্তদিন পরে দেখলাম গো। গাঁয়ে যাবে বুঝি। লও লও সাইকেলটো তুমহি চালাও। আমি তুমাকে বইতে পারব লাই। ... ...

বর্ধমান শহর স্বাস্থ্য উদ্ধারের শহর ছিল। বিদ্যাসাগর বঙ্কিমচন্দ্র দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রমুখ এই শহরে এসেছেন স্বাস্থ্য ভালো করবার আশায়। স্বাস্থ্য শহর থেকে মশা মাছি ধানের শহর কবে হল বর্ধমান? দিনক্ষণ লেখা নেই। তবে হল, একদিকে সিপাহি মহাবিদ্রোহ দমনের জন্য ক্যাম্পিং গ্রাউন্ডে সেনা শিবির অন্যদিকে রেল লাইন নির্মাণের জন্য কৃষি জমি দখল করে মাটি উঁচু রেলপথ নির্মাণ। জল নিকাশীর সহজ বন্দোবস্ত গেল ধ্বংস হয়ে। ম্যালেরিয়া এল। পথের পাঁচালী-র ইন্দির ঠাকরুণের দল বেঘোরে মরতে লাগলেন। জল নিকাশী ব্যবস্থা গড়ে না তোলায়। ... ...

বাসব স্যার তখন সখা মাতলির সঙ্গে একহাত পাশা খেলবেন বলে মনে মনে ভাবছেন। গুটিগুলোকে শচীর তৈরি রেশমী পুঁটুলি থেকে বের করে সবে গোছাতে শুরু করেছেন,এমন সময় পাশে রাখা বাক্ যন্ত্রখানি সরব হয়ে ওঠে। যন্ত্রখানির দিকে নিতান্তই বিরক্তি নিয়ে তাকাতেই দেখে পজ্জন্যর তলব। “ কী ব্যাপার? হঠাৎ ফোন করেছো কেন?” “ফোন কি আর সাধে করেছি? চতুর্দিক তোলপাড় হয়ে গেল ভোলুরামের হাঁচির শব্দে, আর আপনি শুধোচ্ছেন কী ব্যাপার!” – পজ্জন্যর কথায় খানিকটা উষ্মা ঝরে পড়ে। ... ...

সন্ধ্যে মেখে কুড়িয়ে নেওয়া চাঁদের আলো, ভরদুপুরে ধার করে নাও ছায়ার আড়াল, ... ...

পুজো এখন এখানে ফুরিয়ে গিয়েছে তবু ব্যাকইয়ার্ডের সকাল বাতাসে হঠাৎ শরতে শিউলির ঘ্রাণ ... ...

হ্যাজাক একটা আলো নয়, অনুভূতি। উত্তাপ পেলে তীব্র হয়। কেউ কি বলেছিলো আগে? নাঃ কেউ বলেনি। এখানে, এই বারান্দায় হ্যাজকের অনুভূতির উত্তাপ যতদূর, ঠিক ততদূর চোখ যায়। তার ওপারে কিছু নেই। নাঃ সত্যি কিছু নেই। আছে বারান্দার বাসিন্দারা, হ্যাজকের কাছেপাছে। কীর্তন, রামপ্রসাদী, সব চলছে একের পর এক। গেলুমামা মানে শম্ভুদার বাবা গলা খেলিয়ে সন্ধ্যেটাকে বড় করছে। সুপ্রিয় ওর মায়ের পেছনে অল্প ছায়ায় লুকিয়ে সাথীদিকে দেখছে। সাথীদির এখন বিনুনি, খুলে রাখেনি। অন্ধকারকে শাসনে রাখার অভিপ্রায়। ... ...

আলো ছিল, আবার যেন ছিল না—হালকা, প্রায় অদৃশ্য ... ...
এই অ্যামিবাকে জলে, স্থলে, বাতাসে সর্বত্র পাওয়া গেছে। এদের জীবন চক্রে তিনটে রূপ, কিন্তু সব অ্যামিবাকেই তিন রূপের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে, তার কোনো মানে নেই। জীবনের বেশিরভাগ সময় তারা মিষ্টি জল এবং সেটা যদি নোংরা জল হয় তো আরো ভালো - সেখান থেকে ব্যাকটেরিয়া, শ্যাওলা ইত্যাদি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র জীব ধরে ধরে খেয়ে দিব্যি বেঁচে বর্তে থাকে। এদের জীবনকালের এই অংশটাকে trophozoite বলে। দিব্যি বংশ বৃদ্ধিও করে দু ভাগ হয়ে হয়ে, যাকে বলে binary fission, এবং এই পদ্ধতি অযৌন (asexual ) অর্থাৎ মিলন ছাড়াই ঘটে। এদের বেঁচে বর্তে থাকতে মানুষ বা অন্য কোনো প্রাণীকে সেই ভাবে প্রয়োজন নেই। এরা গরম ভালোবাসে। উষ্ণপ্রস্রবণেও এদেরকে দেখতে পাওয়া যায়। আর ক্রান্তীয় বা বিষুব অঞ্চলে এদেরকে বেশি পাওয়া যায়। ... ...

এক বন্ধু এই পুজো সম্পর্কে খবর দিলেন যে পুজো কমিটির মধ্যে মিলে মিশে আছেন বাঙালি অবাঙালি সমস্ত ধরনের মানুষ। সবাই মিলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এইবার ভাবনা হবে লীলা মজুমদার। তারপরেও শোনা গেছে একজন অবাঙালি দর্শক বলছেন, “ক্যায়া সব লিখা হ্যায় সব বাংলামে, হিন্দিমে কিউ নেহি হ্যায়?” তখনই মনে হলো আমরা জিতে গেছি। বাংলায় লেখা, বাংলার লীলা মজুমদার, উপেন্দ্রকিশোর, সত্যজিৎ রায়দের একটা ইতিহাস আছে, সেই ইতিহাস সেই ঐতিহ্য না জেনে, না বুঝে এই বাংলায় হিন্দি যাঁরাই চাপাতে যাবে, তাঁরা ধাক্কা খাবে। কোনও সঙ্ঘ পরিবারই এই ঐতিহ্যকে ধ্বংস করতে পারবে না। মনে পড়ে যাচ্ছে কলকাতার একটি পুজো একবার একটি মণ্ডপ তৈরী করেছিল, নাম দিয়েছিল ‘হলদি কা প্যান্ডাল’। সেই পুজো যে বাঙালির আত্মাকে ছুঁতে পারেনি, তা বলাবাহুল্য। সেই জন্যেই এবারের কাশী বোস লেনের পুজো অনন্য হয়ে উঠেছে। প্রতিটি পুজো মণ্ডপই যেন এক একটা আলাদা লড়াই। হিন্দি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কাশী বোস একটা প্রতিবাদ। ... ...

চা নিয়ে প্রথমটা আমরা বসতাম রান্নাঘরের সামনের চাতালটিতে। পরে সেখানটা ঘিরে একটা স্টোর রুম বানানো হল। তখন আমরা বসতাম মায়ের ঘরে। পরে মা অসুস্থ হতে তিনি সারাদিন ঘরেই থাকতেন। তাই সন্ধ্যেবেলায় চা খেতে তাঁকে একটু জোর করেই নিয়ে আসতাম বাড়ির পিছনের দিকের সিঁড়ির চাতালে। শেষ বিকেলের মিঠে রোদ, পেয়ারা গাছের সবজে হলুদ রঙের মাঝে লঙ্কা ঠোঁটের টিয়াপাখির খেলা দেখে যদি এই মরজগতের আঁকিবুকিতে মা’র মন ফেরে। কিন্তু মা’র চোখে হয়তো এসব পড়লনা। মা ইহজগতের মায়া ভুলেছেন। ... ...

খেয়াল করলে দেখা যাবে, গান্ধীজির লড়াইয়ের যে মূল সূত্রগুলি যেগুলো বস্তুত বাংলার সমাজেরই নিজস্ব অর্জন ছিল। গান্ধীজির আগেও বাংলার মানুষ এই পথগুলিতে ঘোরাফেরা করেছেন। বিশেষ করে, বঙ্গভঙ্গের পর যখন বাংলার সমাজ জাতীয় আন্দোলন গড়ে তোলার চেষ্টা করছে, তখন এমন অনেক আন্দোলনই গড়ে তোলা হয়, যার কথা পরে গান্ধীজি সারাদেশকে বলেছেন। আমরা প্রথমে আসতে পারি চরকার প্রসঙ্গে। গান্ধীপন্থা ও চরকা অবিচ্ছেদ্য। ভারতের জাতীয় পতাকার এক জনপ্রিয় পরিকল্পনায় তার কেন্দ্রে ছিল চরকা। গান্ধীজি স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতীক করে তুলেছিলেন চরকাকে। কিন্তু, গান্ধীজির আগেই ১৯০৬ সালের শিল্পমেলায় শ্রীযুক্তা হিরণ্ময়ী দেবী বাঙালিকে চরকায় সুতো কাটবার পরামর্শ দেন। (সূত্র- শ্রীঅরবিন্দ ও বাঙ্গলায় স্বদেশী যুগ্ম গিরিজাশঙ্কর রায়চৌধুরী)। লক্ষ্যণীয় যে তিনি বলেন, চরকা কোনও নতুন কাজ নয়, কিছুদিন পূর্বেই (নবাবি শাসনে) বাংলার মেয়েরা যথেষ্ট পরিমাণে চরকায় সুতো কাটতেন। চরকায় সুতো কাটা মেয়েদের ক্ষমতায়নে সাহায্য করবে এবং ম্যানচেস্টারের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামতে পারবে। আলাদা করে যে খেয়াল করার, হিরণ্ময়ী দেবী এখানে বাংলার পুরোনো অর্থনীতির কথা বলেছেন। প্রাক ব্রিটিশ বাংলা এক শিল্পায়িত কারিগিরি সমাজ ছিল, নারীদের আর্থিক ক্ষমতাও ছিল- চরকার প্রসঙ্গে তিনি এই কথা স্মরণ করিয়ে দেন। গান্ধীজির ভারতের রাজনীতিতে আসীন হওয়ার আগের দশকের কথা এইটি। ... ...

অনুরূপা এবং তার গার্লস কলেজ দলটা ওনাকে দেখে বড়ো ভরসা পেয়েছে, এসব রাস্তায় পুজোর দিন হলেও কেমন গা ছমছম করে কিনা, স্পেশালি কয়েকটা হোস্টেল কাটিং ছেলে পদ্মপুকুরের লাইন থেকেই যে ভাবে অ্যাটেম্পট নিচ্ছিলো। আপাতত বোধিস্বত্ত্ব এইখান দিয়ে হনহনিয়ে, রাদার বলা ভালো দৌড়েই যাচ্ছে, ম্যাডক্সে লোকজন গোল হয়ে বসবে, অলরেডি একঘন্টা লেট, সুদীপ্তা কার সঙ্গে গল্পো জুড়ে দিলো কে জানে, আর উলটো দিক থেকে তুমুল ঝগড়া করতে করতে সৌমিতা-রাণা হেঁটে আসছে; সৌমিতা হয় এই শেষ কথা বললাম বলে তুমুল চেঁচাচ্ছে (হোমগার্ড সাহেব বেশ আমোদ পাচ্ছেন এতে) অথবা জাস্ট কোনও কথাই বলছে না, রাণা-কে তো বলেই দিয়েছে, আমি আলাদা আর তুই আলাদা ঘুরছি, এর পর আর কথা বলারও কিছু নেই। ... ...

থার্ড ইয়ারে থেকে আমার কেমন করে একটা নতুন নাম হল। "সভাপতি'। তবে তখন থেকে মাল-পার্টিগুলোকে একটা স্ট্রাকচার দেওয়ার চেষ্টা করতাম। প্রথমে একটা উদ্বোধনী স্পিচ। তারপর এনাউন্সমেন্ট হত আধঘণ্টা অন্তর। "এবারে পানু পাঠ করে শোনাবেন' এই রকম আর কি। বাইরে সিকিউরিটি বসার পর আমার রুমে ভেন্যু শিফট হল, সিগগি ফেলার জন্য আলাদা ট্রাশের দরকার হত না, কারন গোটা রুমটাই ছিল মোটামুটি তাই। আর ছিল আমার একখান স্পেশাল লাল ব্যাগ। কাঁধে ঝোলানো। এই ব্যাগটা করে নোংরা জামা কাপড় নিয়ে শনিবার বাড়ি ফিরতাম আর বাড়ি থেকে কাচা জামা নিয়ে আসতাম। ঐ ব্যাগ নিয়েই বেরোতাম মাল কিনতে। ঐ ব্যাগটাও কেমন করে জানি লেজেও, একরকমের প্রতীক হয়ে গেল। ... ...

এবারও হয়তো পুরোপুরি সফল হবেন না। কিন্তু থামবেন না গ্রেটা থুনবার্গ ও তাঁর সহযোদ্ধারা। তবে বেদনার কথা মুসলিম ভ্রাতৃত্বের ধ্বজাধারী সৌদি আরবের একজন প্রতিনিধিও নেই। একটা পয়সাও দেননি। গ্রেটা থুনবার্গ রা গেছেন মানবতার জন্য। মনুষ্যত্বের জন্য। ধর্মের অপধর্ম বন্ধ করার জন্য। ... ...

গান্ধীর সমাজতন্ত্র পাশ্চাত্যের সমাজতন্ত্র বা মার্ক্সবাদের সঙ্গে মেলে না। তিনি ব্যক্তির ত্যাগ ও সামাজিকীকরণের উপর জোর দিয়েছেন। তাঁর রামরাজ্যের ধারণা কোনো ধর্মীয় রাষ্ট্রের কল্পনা নয়, বরং একটি নৈতিক সমাজের আদর্শ, যেখানে সাম্য ও সহিষ্ণুতা প্রাধান্য পায়। তিনি বলেছিলেন, প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদ সামাজিকীকরণ করতে হবে। এই দর্শন মার্ক্সের সঙ্গে কিছুটা মিললেও, গান্ধীর পথ ছিল ভিন্ন। মার্ক্স শ্রেণিসংগ্রামের মাধ্যমে বিপ্লবের কথা বলেছেন, কিন্তু গান্ধী ব্যক্তির আত্মপরিবর্তনের মাধ্যমে সমাজ পরিবর্তনের কথা বলেছেন। ... ...
