
সন্ধ্যে মেখে কুড়িয়ে নেওয়া চাঁদের আলো, ভরদুপুরে ধার করে নাও ছায়ার আড়াল, ... ...

পুজো এখন এখানে ফুরিয়ে গিয়েছে তবু ব্যাকইয়ার্ডের সকাল বাতাসে হঠাৎ শরতে শিউলির ঘ্রাণ ... ...

হ্যাজাক একটা আলো নয়, অনুভূতি। উত্তাপ পেলে তীব্র হয়। কেউ কি বলেছিলো আগে? নাঃ কেউ বলেনি। এখানে, এই বারান্দায় হ্যাজকের অনুভূতির উত্তাপ যতদূর, ঠিক ততদূর চোখ যায়। তার ওপারে কিছু নেই। নাঃ সত্যি কিছু নেই। আছে বারান্দার বাসিন্দারা, হ্যাজকের কাছেপাছে। কীর্তন, রামপ্রসাদী, সব চলছে একের পর এক। গেলুমামা মানে শম্ভুদার বাবা গলা খেলিয়ে সন্ধ্যেটাকে বড় করছে। সুপ্রিয় ওর মায়ের পেছনে অল্প ছায়ায় লুকিয়ে সাথীদিকে দেখছে। সাথীদির এখন বিনুনি, খুলে রাখেনি। অন্ধকারকে শাসনে রাখার অভিপ্রায়। ... ...

আলো ছিল, আবার যেন ছিল না—হালকা, প্রায় অদৃশ্য ... ...
এই অ্যামিবাকে জলে, স্থলে, বাতাসে সর্বত্র পাওয়া গেছে। এদের জীবন চক্রে তিনটে রূপ, কিন্তু সব অ্যামিবাকেই তিন রূপের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে, তার কোনো মানে নেই। জীবনের বেশিরভাগ সময় তারা মিষ্টি জল এবং সেটা যদি নোংরা জল হয় তো আরো ভালো - সেখান থেকে ব্যাকটেরিয়া, শ্যাওলা ইত্যাদি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র জীব ধরে ধরে খেয়ে দিব্যি বেঁচে বর্তে থাকে। এদের জীবনকালের এই অংশটাকে trophozoite বলে। দিব্যি বংশ বৃদ্ধিও করে দু ভাগ হয়ে হয়ে, যাকে বলে binary fission, এবং এই পদ্ধতি অযৌন (asexual ) অর্থাৎ মিলন ছাড়াই ঘটে। এদের বেঁচে বর্তে থাকতে মানুষ বা অন্য কোনো প্রাণীকে সেই ভাবে প্রয়োজন নেই। এরা গরম ভালোবাসে। উষ্ণপ্রস্রবণেও এদেরকে দেখতে পাওয়া যায়। আর ক্রান্তীয় বা বিষুব অঞ্চলে এদেরকে বেশি পাওয়া যায়। ... ...

এক বন্ধু এই পুজো সম্পর্কে খবর দিলেন যে পুজো কমিটির মধ্যে মিলে মিশে আছেন বাঙালি অবাঙালি সমস্ত ধরনের মানুষ। সবাই মিলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এইবার ভাবনা হবে লীলা মজুমদার। তারপরেও শোনা গেছে একজন অবাঙালি দর্শক বলছেন, “ক্যায়া সব লিখা হ্যায় সব বাংলামে, হিন্দিমে কিউ নেহি হ্যায়?” তখনই মনে হলো আমরা জিতে গেছি। বাংলায় লেখা, বাংলার লীলা মজুমদার, উপেন্দ্রকিশোর, সত্যজিৎ রায়দের একটা ইতিহাস আছে, সেই ইতিহাস সেই ঐতিহ্য না জেনে, না বুঝে এই বাংলায় হিন্দি যাঁরাই চাপাতে যাবে, তাঁরা ধাক্কা খাবে। কোনও সঙ্ঘ পরিবারই এই ঐতিহ্যকে ধ্বংস করতে পারবে না। মনে পড়ে যাচ্ছে কলকাতার একটি পুজো একবার একটি মণ্ডপ তৈরী করেছিল, নাম দিয়েছিল ‘হলদি কা প্যান্ডাল’। সেই পুজো যে বাঙালির আত্মাকে ছুঁতে পারেনি, তা বলাবাহুল্য। সেই জন্যেই এবারের কাশী বোস লেনের পুজো অনন্য হয়ে উঠেছে। প্রতিটি পুজো মণ্ডপই যেন এক একটা আলাদা লড়াই। হিন্দি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কাশী বোস একটা প্রতিবাদ। ... ...

চা নিয়ে প্রথমটা আমরা বসতাম রান্নাঘরের সামনের চাতালটিতে। পরে সেখানটা ঘিরে একটা স্টোর রুম বানানো হল। তখন আমরা বসতাম মায়ের ঘরে। পরে মা অসুস্থ হতে তিনি সারাদিন ঘরেই থাকতেন। তাই সন্ধ্যেবেলায় চা খেতে তাঁকে একটু জোর করেই নিয়ে আসতাম বাড়ির পিছনের দিকের সিঁড়ির চাতালে। শেষ বিকেলের মিঠে রোদ, পেয়ারা গাছের সবজে হলুদ রঙের মাঝে লঙ্কা ঠোঁটের টিয়াপাখির খেলা দেখে যদি এই মরজগতের আঁকিবুকিতে মা’র মন ফেরে। কিন্তু মা’র চোখে হয়তো এসব পড়লনা। মা ইহজগতের মায়া ভুলেছেন। ... ...

খেয়াল করলে দেখা যাবে, গান্ধীজির লড়াইয়ের যে মূল সূত্রগুলি যেগুলো বস্তুত বাংলার সমাজেরই নিজস্ব অর্জন ছিল। গান্ধীজির আগেও বাংলার মানুষ এই পথগুলিতে ঘোরাফেরা করেছেন। বিশেষ করে, বঙ্গভঙ্গের পর যখন বাংলার সমাজ জাতীয় আন্দোলন গড়ে তোলার চেষ্টা করছে, তখন এমন অনেক আন্দোলনই গড়ে তোলা হয়, যার কথা পরে গান্ধীজি সারাদেশকে বলেছেন। আমরা প্রথমে আসতে পারি চরকার প্রসঙ্গে। গান্ধীপন্থা ও চরকা অবিচ্ছেদ্য। ভারতের জাতীয় পতাকার এক জনপ্রিয় পরিকল্পনায় তার কেন্দ্রে ছিল চরকা। গান্ধীজি স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতীক করে তুলেছিলেন চরকাকে। কিন্তু, গান্ধীজির আগেই ১৯০৬ সালের শিল্পমেলায় শ্রীযুক্তা হিরণ্ময়ী দেবী বাঙালিকে চরকায় সুতো কাটবার পরামর্শ দেন। (সূত্র- শ্রীঅরবিন্দ ও বাঙ্গলায় স্বদেশী যুগ্ম গিরিজাশঙ্কর রায়চৌধুরী)। লক্ষ্যণীয় যে তিনি বলেন, চরকা কোনও নতুন কাজ নয়, কিছুদিন পূর্বেই (নবাবি শাসনে) বাংলার মেয়েরা যথেষ্ট পরিমাণে চরকায় সুতো কাটতেন। চরকায় সুতো কাটা মেয়েদের ক্ষমতায়নে সাহায্য করবে এবং ম্যানচেস্টারের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামতে পারবে। আলাদা করে যে খেয়াল করার, হিরণ্ময়ী দেবী এখানে বাংলার পুরোনো অর্থনীতির কথা বলেছেন। প্রাক ব্রিটিশ বাংলা এক শিল্পায়িত কারিগিরি সমাজ ছিল, নারীদের আর্থিক ক্ষমতাও ছিল- চরকার প্রসঙ্গে তিনি এই কথা স্মরণ করিয়ে দেন। গান্ধীজির ভারতের রাজনীতিতে আসীন হওয়ার আগের দশকের কথা এইটি। ... ...

অনুরূপা এবং তার গার্লস কলেজ দলটা ওনাকে দেখে বড়ো ভরসা পেয়েছে, এসব রাস্তায় পুজোর দিন হলেও কেমন গা ছমছম করে কিনা, স্পেশালি কয়েকটা হোস্টেল কাটিং ছেলে পদ্মপুকুরের লাইন থেকেই যে ভাবে অ্যাটেম্পট নিচ্ছিলো। আপাতত বোধিস্বত্ত্ব এইখান দিয়ে হনহনিয়ে, রাদার বলা ভালো দৌড়েই যাচ্ছে, ম্যাডক্সে লোকজন গোল হয়ে বসবে, অলরেডি একঘন্টা লেট, সুদীপ্তা কার সঙ্গে গল্পো জুড়ে দিলো কে জানে, আর উলটো দিক থেকে তুমুল ঝগড়া করতে করতে সৌমিতা-রাণা হেঁটে আসছে; সৌমিতা হয় এই শেষ কথা বললাম বলে তুমুল চেঁচাচ্ছে (হোমগার্ড সাহেব বেশ আমোদ পাচ্ছেন এতে) অথবা জাস্ট কোনও কথাই বলছে না, রাণা-কে তো বলেই দিয়েছে, আমি আলাদা আর তুই আলাদা ঘুরছি, এর পর আর কথা বলারও কিছু নেই। ... ...

থার্ড ইয়ারে থেকে আমার কেমন করে একটা নতুন নাম হল। "সভাপতি'। তবে তখন থেকে মাল-পার্টিগুলোকে একটা স্ট্রাকচার দেওয়ার চেষ্টা করতাম। প্রথমে একটা উদ্বোধনী স্পিচ। তারপর এনাউন্সমেন্ট হত আধঘণ্টা অন্তর। "এবারে পানু পাঠ করে শোনাবেন' এই রকম আর কি। বাইরে সিকিউরিটি বসার পর আমার রুমে ভেন্যু শিফট হল, সিগগি ফেলার জন্য আলাদা ট্রাশের দরকার হত না, কারন গোটা রুমটাই ছিল মোটামুটি তাই। আর ছিল আমার একখান স্পেশাল লাল ব্যাগ। কাঁধে ঝোলানো। এই ব্যাগটা করে নোংরা জামা কাপড় নিয়ে শনিবার বাড়ি ফিরতাম আর বাড়ি থেকে কাচা জামা নিয়ে আসতাম। ঐ ব্যাগ নিয়েই বেরোতাম মাল কিনতে। ঐ ব্যাগটাও কেমন করে জানি লেজেও, একরকমের প্রতীক হয়ে গেল। ... ...

এবারও হয়তো পুরোপুরি সফল হবেন না। কিন্তু থামবেন না গ্রেটা থুনবার্গ ও তাঁর সহযোদ্ধারা। তবে বেদনার কথা মুসলিম ভ্রাতৃত্বের ধ্বজাধারী সৌদি আরবের একজন প্রতিনিধিও নেই। একটা পয়সাও দেননি। গ্রেটা থুনবার্গ রা গেছেন মানবতার জন্য। মনুষ্যত্বের জন্য। ধর্মের অপধর্ম বন্ধ করার জন্য। ... ...

গান্ধীর সমাজতন্ত্র পাশ্চাত্যের সমাজতন্ত্র বা মার্ক্সবাদের সঙ্গে মেলে না। তিনি ব্যক্তির ত্যাগ ও সামাজিকীকরণের উপর জোর দিয়েছেন। তাঁর রামরাজ্যের ধারণা কোনো ধর্মীয় রাষ্ট্রের কল্পনা নয়, বরং একটি নৈতিক সমাজের আদর্শ, যেখানে সাম্য ও সহিষ্ণুতা প্রাধান্য পায়। তিনি বলেছিলেন, প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদ সামাজিকীকরণ করতে হবে। এই দর্শন মার্ক্সের সঙ্গে কিছুটা মিললেও, গান্ধীর পথ ছিল ভিন্ন। মার্ক্স শ্রেণিসংগ্রামের মাধ্যমে বিপ্লবের কথা বলেছেন, কিন্তু গান্ধী ব্যক্তির আত্মপরিবর্তনের মাধ্যমে সমাজ পরিবর্তনের কথা বলেছেন। ... ...


নব চুপ করে থাকল। বন্ধুদের নাম করতে নেই। নাম লিখতে নেই বন্ধুদের তবু নবর নাম লিখে ফেলেছিলাম। ভুল করলাম কি? বিজয়দার নামও লিখেছি, দেখছি ও পড়ে আছে। কুয়াশা ঘন হলে দেখা যাচ্ছে না। ঘন কুয়াশার মধ্যে দেখতে পাচ্ছি। সূর্যের অভাব অনুভব করলেই দৃষ্টি আরো তীক্ষ্ণ হচ্ছে তখনই সব দেখতে পাচ্ছি। কুয়াশা ভেদ করে সিংকোনার বাকল মাথায় বেঁধে নিয়ে একজন চলে গেল। সে যেন কুয়াশাকে সঙ্গে নিয়ে গেল আর আমি দেখছি বিজয়দার মাথায় টুপি। সে পড়ে আছে, অদ্ভুত একটা টুপি পরেছে। সেই ঝোপের মধ্যে দিয়ে কুয়াশার আগে পড়ে রয়েছে। তারপর থেকে কুয়াশার অঞ্চল শুরু হয়েছে। সেখানে সব আবছা। কিছু দেখা যায় না। ... ...

এরপরেই আসে পঙ্গপাল আর তার সঙ্গেই আসে ১৯৪৩ সালের বাংলার দুর্ভিক্ষের কথা। বাংলার মাটি এতো উর্বর এতো শষ্যশ্যামলা হওয়া সত্ত্বেও কীভাবে ঔপনিবেশিক শাসক এবং কিছু মুনাফাখোর কতিপয় মানুষ এবং অবহেলার কারণে বাংলার মানুষের এত দুর্দশা হয়েছিল, সেটাই ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে মন্ডপের তৃতীয় অংশে। ... ...

আজ সোনম ওয়াংচুক কারাগারে। কিন্তু তাঁর স্বপ্ন, তাঁর দর্শন, তাঁর আন্দোলন—এসবকে কারাগারের দেওয়ালে আটকে রাখা যাবে কি?একজন ব্যক্তি যখন গোটা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের এক প্রতীক হয়ে ওঠেন, তখন তিনি আর শুধুই ব্যক্তি থাকেন না। হয়ে ওঠেন সমষ্টির একজন। তাই একজনকে বন্দি করার অর্থ আন্দোলনকে আরও অনেক বেশি উস্কে দেওয়া। ... ...

রাজনৈতিক পরিচিতি নির্মাণ আসলে একটি জোট বা কোয়ালিশন নির্মাণ – কখনও সেখানে বাঙালি হিন্দু, বাঙালি মুসলমানের সঙ্গে জোট গঠন করবে আবার কখনও বাঙালি ব্রাহ্মণ, উত্তরপ্রদেশ বা মহারাষ্ট্রের ব্রাহ্মণদের সঙ্গে জোট তৈরি করবে। সমস্যা হল, পরিস্থিতি ভেদে পুরনো কোয়ালিশন ভেঙ্গে নতুন কোয়ালিশনের জন্ম হয়, তার ফলে মানুষ তার প্রধান পরিচিতিকেও পালটে ফেলতে পারে। ... ...

‘বর্তমানের কবি আমি ভাই, ভবিষ্যতের নই নবী'- তাঁর 'আমার কৈফিয়ত' পড়ে মনে হল নজরুল ইসলাম তাচ্ছিল্যের হাসিতে ফেটে পড়েছেন। উত্তরসূরিরা তাঁর মূল্যায়নে যে রকম লাজনম্র নববধূর মতো দ্বিধাকম্পিত বাক্যরাশি নিবেদন করে চলেছেন, এতটা তাঁর দূর প্রত্যাশায়ও ছিল না। নজরুলকে নিয়ে বাঙালি শিল্পীসমাজের, বিশেষত কবিদের, অস্বস্তির শেষ নেই। তাঁকে বাতিল করা যায় না স্বভাব-কবি বলে, কিন্তু গ্রহণ করায় সমস্যার ব্যাপ্তি প্রচুর। আমাদের সান্ধ্য লিরিক-বিতানে নজরুল প্রায় এক সাংস্কৃতিক উপদ্রব। ... ...

জলপথে ডোভার থেকে ক্যালের দূরত্ব তিরিশ কিলোমিটার। ফ্রান্সের বাড়ি যাবার সময়ে গাড়ি সহ চ্যানেল টানেল দিয়ে সাগর পার হতে লাগে ৩৫ মিনিট। কোন উজ্জ্বল দিনে ফ্রান্সের কাপ গ্রি নেজ থেকে ডোভারের ঝকঝকে হোয়াইট ক্লিফস দেখে ভেবেছি, এই তো এতো কাছে ! দুই দেশের মধ্যে ভৌগোলিক দূরত্ব এখানে সবচেয়ে কম, রোমেল সহ অনেক জার্মান জেনারেল ধরে নিয়েছিলেন আক্রমণ আসবে অন্য কোথা নয়,এই পা দে ক্যালেতে। এরউইন রোমেল একদিন এইখানে দাঁড়িয়ে তাঁর বাইনোকুলার বাগিয়ে ইংল্যান্ডের দিকে চেয়েছিলেন – ভেবেছিলেন এই শান্ত সমুদ্রের ওপারে হয়তো তৈরি হচ্ছে কোন মারণ ফৌজ? তিনি বলেছিলেন, যেদিন শত্রু এই জলসীমা পার হয়ে তার হাওয়াই জাহাজ ও নৌ বহর নিয়ে ইউরোপীয় মূল ভূখণ্ডের কিনারায় আক্রমণ শুরু করবে, সেই দিন, সেই প্রথম চব্বিশ ঘণ্টা হবে আমাদের জার্মানদের ও শত্রু সৈন্যের পক্ষে সমান গুরুত্বপূর্ণ, নির্ণায়ক দিন, কেননা সেটাই হবে দীর্ঘতম দিন, দি লংগেস্ট ডে (ডের লেঙ্গস্টে টাগ, যা থেকে প্রযোজক ডারিল এফ জানুক তাঁর ছবির নাম রাখেন)। ... ...

যাই হোক, আমরা সাহস করে লাচুং এর বুকের পাথরে দাঁড়িয়েছিলাম, ঐ কতকটা মাঝ নদীতে বলা যায়। পায়ে হিম জলের ছিটে লাগছিল, হাত দিলে জল না ছুরি বোঝা দায়। হঠাৎ স্যার বললেন যে যেখানে আছ, নদী যে দিক থেকে আসছে সে দিকে ফিরে দাঁড়াও। আমরা ফিরে দাঁড়ালাম লাচুং এর উৎসের দিকে, আসলে অতীতের দিকে, ল্যান্ডস্কেপ কথা বলে উঠল। কানে তালা লেগে যাচ্ছে। সে কী শিহরণ! ঈশ্বর দর্শন কি এমনই হয়? ... ...