
বস্তুত কবি বিনয় মজুমদারের মৃত্যু হয়েছে বহু বছর আগে। স্বেচ্ছা নির্বাসনে যাওয়ার পর "ফিরে এসো চাকা''র কবি আর আসেননি ফিরে। কতিপয় পতঙ্গশিকারী ফুলের কথা শিশুকাল থেকে শুনে এলেও বহু অনুসন্ধানেও তাদের দেখা পাননি - সারা গায়ে সেই পতঙ্গ শিকারী ফুলেদের রেখে যাওয়া চিহ্ন নিয়ে এমন বিদ্রূপ যিনি করতে পারেন তিনি এও জানেন যে পায়রা ছাড়া অন্য কোন ওড়ার ক্ষমতাবতী পাখি বর্তমান যুগে আর মানুষের নিকটে আসে না। কারণ মানুষ নিকটে গেলে প্রকৃত সারস উড়ে যায়! বাস্তবিক ভাবেই জীবন তাঁকে আঘাত করেছে বারবার। শিবপুর বি.ই. কলেজের এই ছাত্র সমাজের অনমনীয় মনোভাব, ভগ্ন স্বাস্থ্য আর হয়তো বা নিজের মুদ্রাদোষে ক্রমশ একা, আলাদা হয়ে গেলেন। কথিত আছে এই বি.ই. কলেজেই তিনি তাঁর বহুল পরিচিত কাব্যের নায়িকার সাক্ষাৎ লাভ করেন। ... ...

শিকাগোতে উনিশে অক্টোবরের সকাল। শিকাগো এয়ারপোর্টে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ এসে পৌঁছেছেন। শিকাগো ইকোনমিক ক্লাবের মিটিঙে ভাষণ দেবেন। প্রেসিডেন্টের কনভয় শেরাটন হোটেলের দিকে রওনা দিয়েছে। অন্যদিকে সেইদিন শিকাগো শহর বুশবিরোধী সমাবেশ, মিছিল ও ধর্নায় উত্তাল। শিকাগোর পুলিশ চিফের কথায়- "বুশ যেখানেই যান সাধারণত: সেখানে বিক্ষোভ দেখানো হয়। কিন্তু এই প্রথম মনে হল বিক্ষোভকারীদের চোখমুখ দিয়ে যেন ঘেন্না ঠিকরে পড়ছে।" রাস্তার দুপাশের বিক্ষোভকারীদের সারি একসময় পুলিশ কর্ডন ভেঙে ফেলে। কেউ কেউ রাস্তার মধ্যে এসে যায়। ... ...

গাল্ফের স্ট্রেইট অফ হরমুজ। ক্ষীণস্রোত জলপথ। তেলবোঝাই জাহাজগুলির নিত্য যাওয়া আসা। এই পথেই। এইখানে একটি তেলবাহী আমেরিকান ট্যাংকার ডুবে যাচ্ছে। দুটি বিস্ফোরণে। অগম হয়ে যাচ্ছে স্ট্রেইট অফ হরমুজ। এ'সব আমরাই করতে পারি। এই আমি, আপনি, বন্ধুরা মিলে। স্রেফ খেলাচ্ছলে।ভিডিও গেমসে। ... ...

কলকাতার গ্যালারি-কালচারের একটি আপাতনির্দোষ লক্ষণ সন্মন্ধে ঘরোয়া আলোচনায় ঘুরে ফিরে বিরূপ মন্তব্য শোনা যায় বটে, কিন্তু সে-সন্মন্ধে বস্তুত কারো মাথাব্যথা নেই বলেই মনে হচ্ছে। শহরের কয়েকটি বাণিজ্যিক গ্যালারি কিছুদিন পরপর বেশ সাজিয়ে গুজিয়ে একেকটা প্রদর্শনী করেন। তাতে বিক্রিবাটা খারাপ হয় না, কিন্তু লক্ষ করলে দেখা যাবে দশ-বারোজন নির্দিষ্ট শিল্পীর কাজ নিয়েই এইসব পুনরাবৃত প্রদর্শনী আয়োজিত হয়ে চলেছে। আরো লক্ষণীয় যে গোটা পাঁচেক প্রতিদ্বন্দ্বী গ্যালারি- যেখানে এরকম ঘটনা ঘটছে- মূলত অভিন্ন শিল্পীতালিকা অনুসরণ করে চলেছে। নতুন নাম কদাচ চোখে পড়ে। আবার অজ্ঞাত কারণে একদা প্রশংসিত কিছু শিল্পী প্রায় চিরতরে বর্জিত হন। আলাদা আলাদা গ্যালারিগুলি যদি ভিন্ন তালিকা নিয়ে বিক্রির বাজারে নামত, তবে বহুগুণ বেশি শিল্পী বাণিজ্যিক পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করতেন, এবং তার ফলে সামগ্রিকভাবে কলকাতার শিল্পীদের সর্বভারতীয় ছবির বাজারে বিস্তৃতি ঘটত, ছবির বাজারও বৈচিত্রের স্পর্শ পেত। ... ...

ক্লাসে ছবি আঁকতে দিয়ে শিক্ষিকা চলে যান নিজের কাজে, বলে যান আঁকা শেষ না হলে যেন বাড়ী না যায়। ক্লাস ওয়ানের সরল শিশু ছুটির ঘন্টা পড়ে যাবার পরও আঁকা শেষ না হওয়ায় বসে বসে আঁকতেই থাকে। শেষ হওয়ার পর দেখে কেউ কোথায়ও নেই, সব্বাই দরজায় তালা দিয়ে চলে গিয়েছে। একজন ছাত্রী মুক্তির জন্য এমনকি দোতলা থেকে লাফিয়ে পড়তেও প্রস্তুত ছিল, কারণ দোতলা থেকে লাফ দেবার ভয়াবহতা তার অজানা। ঠিক যেমন অজানা, দিদিমনি আঁকা শেষ না হলে উঠতে বারণ করলেও ওটা আসলে কথার কথা, ছুটির ঘন্টা বাজলে বাড়ী যেতে হয়। ... ...

কোন পোস্ট মডার্ন সাহিত্য নয়, জ্বালাময়ী বক্তৃতাও না - শুধুমাত্র টুকরো টুকরো ঘটনা, কে কি বলেছেন আর তার ইনফারেন্স ... এবং একটা অকপট স্বীকারোক্তি। তর্কটা বহুদিন ধরেই চলছে ... অনেকটাই ঘেঁটে যাওয়া, খেই হারিয়ে ফেলা, এবং আরো ঘেঁটে দেবার জন্যেই এই লেখা। দুধকে ঘেঁটেই তো মাখন বেরোয় ... ... ...

সাদ্দাম হুসেনের ফাঁসির হুকুম হল আজ। রবিবার। নভেম্বর পাঁচ। দুহাজার ছয়। আমার বৌ এসে বলে খবরটা। টিভিতে শুনে। "সাদ্দামের ফাঁসির রায় বেরিয়ে গেছে"। এইরকমই বলে। বলার ভঙ্গী শান্ত, স্বরে কোনো ওঠাপড়া লক্ষ্য করা যায়না। ক্যান্সারের রোগীর মৃত্যুসংবাদ লোকে যেভাবে দেয়, অবিকল সেরকম। টোন শুনেই বোঝা যায়, প্রত্যাশিতই ছিল। এরকমই হবার কথা ছিল। গাছ থেকে আপেল খসেই পড়েছিল। সেই বৃন্তচ্যুত আপেল আজ ভূমিস্পর্শ করল। খবর বলতে এইটুকুই। ব্যস। আমারও বিশেষ কোনো প্রতিক্রিয়া হয়না। এমনিতেই আগের দিন রাত থেকেই ঘাড়ে অসহ্য ব্যথা। শোবার দোষে। ... ...

এখানে ঈদ নিয়ে প্রতিবছরই একটা কনফিউশন থাকে। ঈদের জন্যে সরকারী ছুটি একদিন। দিন-তারিখ হিসেব করে ক্যালেন্ডারে তারিখটা লাল কালিতে লিখে দেওয়া হয়, ছুটির দিন হিসেবে। তবে ক্যালেন্ডারের ঐ লাল কালি দেওয়া তারিখটিতে ছুটি কমই পড়ে। তিরিশদিনের রোযার হিসেবে ছুটি নির্ধারিত হয় কিন্তু প্রায় প্রতিবছরই রোযা ২৯দিনে শেষ হয়। যেহেতু চাঁদের উপর নির্ভর করে তাই চাঁদ দেখার খবর পাওয়া মাত্রই পরদিনটি ছুটির দিন হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। কিছু কিছু অফিস তাও খোলা থাকে, অন্য ধর্মাবলম্বীরা এই অঘোষিত ছুটির দিনটিতে কাজ-কর্ম করেন, ক্যালেন্ডারের লাল দাগ অনুসারে তারা পরদিন ছুটি উপভোগ করেন। ... ...

আমরা আলাস্কা গেছিলাম ২০০৩-এর জুলাই মাসে। আমরা মানে, পতি-পুত্র সহ ইয়র্স ট্রুলি। ক্যালিফর্নিয়া থেকে উড়ে আঙ্করেজ, সেখান থেকে ফেয়ারব্যাঙ্কস। সেখান থেকে ডেনালি দেখে, আবার উড়ে ব্যারো। এই ব্যারো হল আমেরিকার নর্থমোস্ট শহর (যদি একে শহর বলা যায়!) ... ...

যা বোঝা গেলো এই Amado-র সাংঘাতিক লেখার ক্ষমতা। ব্যঙ্গ, বিদ্রূপ আর তাচ্ছিল্য টাই এনার এক ধরণের শৈলী। এবং যৌনতা-ই প্রধান বিষয়, অন্তত আমি যে বইটা পড়ছি সেই বইটার। dona flor and her two husbands। ... ...

ফুয়েন্তেসের নাম আবছাভাবে শোনা ছিল। তারপরে বাপ্পাদার (লন্ডন) সঙ্গে আলাপ; তো বলল লোকটা নাকি ব্যাপক লেখে। মেক্সিকোর লেখক। এখানকার লাইব্রেরিতে গিয়ে আবার পেয়েও গেলাম বইটা। The Crystal Frontier। ৯ খানা আলাদা আলাদা গল্প নিয়ে একটা উপন্যাস। আলাদা, কিন্তু একটা কমন থ্রেড চলে গেছে গল্পগুলোর মধ্য দিয়ে, তা নইলে আর একটা উপন্যাস কি করেই বা হবে। ... ...

ঝকঝকে নীল আকাশে, সাদা মেঘের ভেলায় চড়ে এক অন্যরকমের রোদ্দুর এসে পৌঁছে গেছে পৃথিবীর এমুড়ো ওমুড়ো। ঝাপুস ঝুপুস বিষ্টি যে কখনও সখনও হচ্ছে না, তা নয়, তবু তারই ফাঁকে লোকে বাক্স ঝেড়ে বের করে আনছে বালুচরী, জামদানী, বেনারসী, পৈঠানি, কাঞ্জিভরম, শেরওয়ানি আর বিবিধ প্রকার পাঞ্জাবী ও জামেওয়ার শাল, মেলে দিচ্ছে রোদ্দুরে। আমরাও ঝাড়তে বসেছিলাম গুরু ও চন্ডালের ঝোলাখানা। হাতে উঠে এলো একবছর আগের এই লেখাটি। আজ, তৃতীয়ার সকালে, এই লেখাটিই মেলে দিলাম, যদিও এটি কোনোমতেই "আলোচনা' নয়। --- সম্পাদক ... ...

সাত তলার অ্যাপার্টমেন্ট থেকে দুড়দাড় করে লিফ্টের দিকে এগোতে এগোতে আকাশ দেখার চেষ্টা করি আমি -- আর রোজের মতো আরও একবার বুঝতে পারি কার্পেটে মোড়া এই করিডোরে কোথাও এমন ফাঁক নেই, জানলা তো দূর অস্ত, যেখান দিয়ে একফালি আকাশ দেখা যায়! অথচ দেশে থাকতে পুজো মানেই তো আগে আকাশের দিকে চোখ রাখা- ষষ্ঠী, সপ্তমী, অষ্টমীর হিসেবে আকাশের রং গাঢ় বা হাল্কা হওয়ার হিসেব কষে নেওয়া- শরতের আকাশের "নীলত্ব" আর বাঙালির "পুজোত্ব"কে এক করে দেওয়ার সে অভ্যেস বিলেতের এই এত বছরের বসবাসের অভ্যেসেও অনভ্যাস হয়ে ওঠে না কোন তাগিদে? ভাবতে ভাবতে পেন্টন রাইসের রাস্তা বেয়ে কিংস ক্রসের মোড়ে চলে এসেছি। কখন, টের পাই নি। টের পেতে চাইও নি বোধহয়! বৃষ্টিভেজা, মেঘকালো লন্ডনের সকালে সকালের কোনো রংই লাগে নি ... ...

কাঁকলাড়ু, পটলের মিষ্টি, আরসে, খোশবাস, গুলিচপ, শিব বোঁদে, তামাকভোগ, মায়েস, মাছঢাক, সিদ্ধির কচুরি ... ...

কড়ে আঙুলে গুনে গেঁথে রাখি কয়টা পুজো দেখলাম। স্কুলে সব্বাই জিগ্যেস করবে তো "কটা ঠাকুর দেখলি রে"? অথচ, কোনোবারই সংখ্যা দশ ছাড়ায় না। অথচ, অন্যেরা কত কত ঠাকুর দেখে। চারদিনই দেখে। কলকাতায় থাকতাম সময়ে তো একদিন বাবা নিয়ে বেরোত। তাও প্রায় দিনেদিনেই। সন্ধ্যের পর থেকে তো বাবা যাবে 'বনফুলে'। বিজয়ার দিন বাবা নিয়ে যেত আউট্রাম ঘাটে, আর অল্প একটু অন্ধকার হতেই ফেরত। সেখানেও মাত্র ২-৩ টে ঠাকুরই দেখা হত। অত তাড়াতাড়ি শুধু বাড়ীর ঠাকুরই দুই একখান আসে তো। ... ...

খুব ছোটো ছিলাম যখন, বাবার চাকরির সূত্রে গ্রামে মফস্সলে থাকতে হত সারাটা বছর। কেবলমাত্র পুজোর সময়ে সপরিবারে আসা হত হুগলিতে। আমাদের আসল বাড়ি, লোকে যাকে বলে "দেশের বাড়ি"। দুর্গাপুজো মনেই ব্যান্ডেল ঘোলাকলের পাশে সর্বপল্লী সার্বজনীন দুর্গোৎসব। বাবাদের যৌবনের প্রতিষ্ঠা করা পুজো। ... ...

লতার গলায় চারিদিক আমোদিত। ভালো করে তুমি চেয়ে দেখো ..... দেখো তো চিনতে পারো কি না...। বেশ সময়টা। ভর দুপুর, মৃদু-মন্দ বাতাস। ভীড়-ভাট্টা কম।একদিকের রোয়াকে সব ছেলেরা আর উল্টোদিকের মন্ডপের সামনের চেয়ারে বসে আমরা এক দঙ্গল। দুদল দুদিকে কিন্তু কথা ঠিক চলেছে, চোখে চোখে কথা, হাসিতে হাসিতে কথা। এইদিকের মিঠুর মুখ লজ্জানত হল তো ওদিকের রাজীবদার বাঁদিকের চোখ ঝট করে একবার বন্ধ হয়েই খুলে গেল। "দ্যাখ দ্যাখ তোর প্রেমিক আমাকে চোখ মারছে"। ... ...

শেষ কবে কলকাতার পুজো দেখেছি? বছর কুড়ি আগে বোধহয়। পুজো দেখার গপ্পো সকলে জানে, আর সকলের মতনই ছোটবেলায় কলকাতার রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো, মণ্ডপে যাওয়া - পারোলিনের পুজোর সঙ্গে আমার ছোটবেলার পুজোর কোন তফাৎ প্রায় নেইই। আরো পরে পুজো আর টানতো না - ভিড়, শব্দ, আলো থেকে দূরে নিজের দশ ফুট বাই দশ ফুটের রাজ্যে একটা বই, বা বেহালা, বা টেপরেকর্ডার - এই নিয়ে সময় কাটতো। লাল চশমা পরা আমি পুজো থেকে দূরে থাকতেই পছন্দ করতুম। রাস্তায় যেতে-আসতে যেটুকু চোখে পড়ে সেটুকু ছাড়া বাকিটা পুজো না-দেখা বললেই চলে। তারপর শুরু যাযাবরের জীবন, এঘাট সেঘাটের জল খাওয়া, লাল চশমার ওপর বাস্তবের প্রলেপ পড়া - তখন পুজোর মানে পুজা-অর্চনা থেকে বদলে হয় নিছক আড্ডা - শুন্য আর এক, এই দুটো সংখ্যার বাইরে একটা গেট-টুগেদার... ... ...

স্কুলজীবনে পুজোর সময় বেশি মজা হতো ফাংশান আর তার রিহার্সালে। সারা বছর তার জন্য পথ চেয়ে থাকতাম। সেবার আমার ক্লাস সেভেন। পুজোর ফাংশানের রিহাসালে ওকে প্রথম দেখি। পাড়ায় নতুন এসেছে তখন। আমরা সেক্টর এ,ওরা সেক্টর বি। ও ক্লাস ইলেভেন,শহরের নামকরা মিশনারী স্কুলে। ফাংশানটা সে বছর কেন যেন একটু বেশি জমজমাট। আমরা রবীন্দ্র নৃত্যনাট্য, ওরা সুকুমার রায়ের ঝালাপালা। আমি বয়কাট, স্কার্ট-টপ, ও চশমা, জিন্স। ... ...

এখন আকাশ। কুচকুচে। ধ্যাৎ এটা শুক্লপক্ষ, ক্যালেন্ডার বলেছে। তো? আমি কুচকুচেই দেখতে পাই; তারা ছিটানো। আজি যত তারা ........ফুটকি ফুটকি ফুটকি। জ্বলজ্বলে। সবুজ। অগুন্তি, না অগুন্তি নয়, গোনা যায়। সফটওয়্যার আছে, আই পি ল্যাব। আই পি ল্যাব ভাইরাস গুনে চলে। টেন টু দি পাওয়ার এইট। সেভেন। এইট। সাইবারগোল্ড দিয়ে রং করা সবুজ ওরা সব, অ্যানোডিস্ক ফিল্টারকে কুচকুচে কালো দেখায়। আই পি ল্যাবের কখনো ভুল হয় না। মেথানলের গন্ধকে ও অকারণ আজে অগুরু ব'লে ভাবেনি। একটা প্যাঁচা ডাকছে কোথাও, চী-ঋ-ঋ-ঋ, আমারে কুড়ায়ে নেবে। আমার তোবড়ানো অলফ্যাক্ট্রি আবার ভুল বলতে থাকে ..... রূপশালী রূপশালী রুপশালী, ধুস। জানলায় আকাশ টোকা দেয়। শুক্লপক্ষই। নিরাচন্দের পর ছ দিন চলে গেছে। ... ...